আক্তার হোসেন নামের এই লোক বয়স্ক এই ভদ্রমহিলার বাড়ানো হাতটা ধরেননি! বিরাট মাওলানা যে...!
আক্তার হোসেন নামের এই লোক বয়স্ক এই ভদ্রমহিলার বাড়ানো হাতটা ধরেননি! বিরাট মাওলানা যে...!
লেখক: Raju Norul (https://www.facebook.com/share/1GZkkQ93GD/ )
বিবিসির এক রিপোর্ট বলছে, আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের লেখা প্রায় ১৪০টা বইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও, আরও ৬৮০টা বইকে 'সমস্যাজনক' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো 'শরিয়া নীতি বা তালিবান নীতি'-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে করা হয়েছে।
আমাদের এই হুজুর মহোদয় বড় কষ্টে আছেন! কারণ ভিরু মুসলমান আজ আর অমুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারছে না, ফলে বেচারারা যুদ্ধবন্দী হিসাবে দাসীও পাচ্ছে না! আফসোস!
সাবেক মেজর মো. মোহসিনুল করিম, যিনি পিলখানায় আর্মি কিলিং-এর পর সেনাপ্রধানের মুখের উপর বলেছিলেন, 'গেট আউট ফ্রম হিয়ার'!
আপনার শেষ লেখা পড়ে, আপনার শেষ বিদায় নেওয়ার ভঙ্গি দেখে মিনার মাহমুদের [১] কথা মনে পড়ে গেল! কী অবলীলায়ই না এই প্রজন্ম মিনার মাহমুদের কথা বিস্মৃত হয়েছে!
মিনার মাহমুদের চিঠির মত আপনার চিঠি পড়াটাও বড় কষ্ট!
লেখক: Syed Saiful Alam Shovan (https://www.facebook.com/share/1GH823Ybmb/)
"আমি এক ভদ্রলোককে ঢাকায় খুঁজে পেয়েছিলাম। উনার ব্যবসা ভাংগারির। তবে উনার অন্যতম প্রধান কাজ ছিল তার নিজস্ব লোকজন দিয়ে সিটি করপোরেশনের ম্যানহোলের ঢাকনা আর সড়কের লোহার গ্রিল চুরি করানো।
আমাদের প্রধান উপদেষ্টা যখন হাত নেড়ে-নেড়ে বলেন, 'আমার নিজেরই তো দেশ চালাবার অভিজ্ঞতা নেই অন্য উপদেষ্টাদের আর কী বলব...'! তখন আর কথা চলে না।
তাই স্বাস্থ্য উপদেষ্টা কী যোগ্যতায় এই পদে আছেন সেই আলোচনায় যাওয়া বাতুলতা মাত্র!
হিন্দু, সনাতন ধর্মে গরুর মুত ওরফে পেশাবকে কেবল অবলীলায় খাওয়াই হয় না খুবই সম্মানের চোখে দেখা হয়!
"কোথা থেকে এলো দেশে আজব এ- জীবজ্বলজ্বল জ্বলে যার লকলকে জিভপড়শির পাড়া খাক, ঘরদোর ছাইদেশজোড়া হাহাকার পালাই পালাই।...পশুকীট রাজ্যে এর নাই পরিচয়:দাংগাবাজ-কুজন্মের নতুন বিস্ময়!" -সানাউল হক
সাদিক মাহবুব ইসলাম, এই ভদ্রলোক চমৎকার করে গুছিয়ে বলেছেন:
আমি বারবার বলে আসছি, হাসিনা রেজিম পরিবর্তনের কোন বিকল্প ছিল না।
শাকিলা ফারজানা, একজন ব্যারিস্টার, একজন মহিলাকে হাসিনার শাসনামলে র্যাব কর্তৃক যে মানসিক শারিরীক অত্যাচার করা হয়েছিল তা কল্পনাতীত! এরমধ্যে তিনি র্যাব ৭-এর লে, কর্নেল মিফতাহ উদ্দিনকে আইডিন্টিফাই করতে পেরেছিলেন।
লেখক: Eng. Naim Uddin
(ইঞ্জিনিয়ার নাঈম উদ্দিন, বাংলাদেশের অল্প মানুষদের মধ্যে একজন, যিনি এন্টার্কটিকা ঘুরে এসেছেন, বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা নিয়ে।)
হাসিনা রেজিমের পতনের আর কোন বিকল্প ছিল না এ পরম সত্য। সব বাদ দিলেও যে-কাউকে, গুম করা বা ক্রসফায়ারে মেরে ফেলাটা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু একেক করে সবই ফিরে আসছে।
চাঁদপুরের এক ইমাম সাহেবকে এক মুসুল্লি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে, মসজিদের ভেতরে।
লেখক:Tahiyat Chowdhury
(https://www.facebook.com/share/16vLiAFoCm/ )
(লেখকের লিখিত অনুমতক্রমে প্রকাশিত)
"সেদিন রাতে, দীর্ঘ ১৬ মাস গুম নির্যাতনের পরে আমাকে একটা কালো মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় বান্দরবানের 'টংগাবতী' নামক গহীন পাহাড়ে। যাওয়ার পূর্বে আলেপ উদ্দিন বলে:
'মুকুল রানার নাম শুনছোস...'? আমি বললাম, 'হ্যাঁ, টিভিতে শুনছি'। সে উত্তরে বললো, 'আজকে রাতে দেখা হবে, চিন্তার কিছু নাই, জান্নাতে একসাথে গল্প করবি'।
লেখক: Kamrul Hassan Mamun
(https://www.facebook.com/share/16jaJmFZ4f/) [লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত]
"চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতির জন্য সাক্ষাৎকার দিতে আসা শিক্ষককে বরখাস্তের দাবিতে একদল শিক্ষার্থী ভিসির রুমে ঢুকে যায় এবং সেখানে যেভাবে হট্টগোল করেছে তা অকল্পনীয়!
লেখক: শাফকাত রাব্বী অনীক (https://www.facebook.com/share/1D28Vv2eDL/) [লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত]
লেখক: Ahmed Noor
(https://www.facebook.com/share/15jxDnKNtW/ ) [ ফেসবুক থেকে লেখকের অনুমতিক্রমে প্রকাশিত]
" 'দৈনিক কালের কণ্ঠ’র প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সাড়ে ১২ বছর সিলেট ব্যুরো প্রধান ছিলাম।
নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিতে কখনও কার্পণ্য করিনি। সিলেট বসে যুক্তরাজ্যের দু দুটো নির্বাচন কভার করেছি। যখন অন্য পত্রিকাগুলো যুক্তরাজ্যে প্রতিনিধি পাঠিয়েছে।
শেষ অবধি শেখ হাসিনাকে এটিমের আলোচনায় আলোচনা করতে হলো? ভাল-ভাল!
আশা করছি, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।
লেখা ও ছবিঃ প্রথম আলো।
ময়মনসিংহের ভালুকায় মহাসড়কের পাশে দৃষ্টিনন্দন একটি বাড়ি।
তাঁর কেবলই ঘুম পায়!
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, এটা আমার জ্ঞানের স্বল্পতা! ইতর শব্দটার স্ত্রী লিঙ্গ কি হয় এটা আমার জানা নাই বিধায় আপাতত 'মহিলা ইতর' দিয়ে কাজ চালাচ্ছি। কাউকে নিয়ে 'বডি শেমিং' করাটা অন্যায় কারণ প্রকৃতিগত ভাবে কারও শরীরের কোন বিচ্যুতি নিয়ে সমালোচনা চলে না।
ফতোয়ার জন্য "ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী"-কে অত্যন্ত গুরুত্বের সংগে গ্রহণ করা হয়। এটা তো সবার জানা বাদশাহ আলমগীরের নামানুসারে 'ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী" নামকরণ করা হয়েছিল। এই কিতাবের ভূমিকায় বাদশাহ আলমগীরের প্রসংগে বলা হয়েছে এভাবে:
আমিরুল মু'মেনীন, রঈসুল মুসলিমীন, ইমামুল মুজাহিদীন মহান রাষ্ট্রনায়ক আবূ মুজাফফার মুহীউদ্দিন বাহাদুর ওরফে বাদশাহ আওরংগজেব আলমগীর গাযী ওরফে বাদশা আলমগীর (র)। অতঃপর আল্লাহতা'য়ালা বাদশাহ আলমগীর (র) হৃদয়ে এমন একটা সংকলনের বিষয় ইলহাম করেন...।
যাই হোক, "ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী", ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে ১০ খন্ডে প্রকাশিত। আমি ২য় খন্ড থেকে কেবল একটা ফতোয়া (২য় খন্ড, পৃ: ৩৯-৪০) এখানে উল্লেখ করতে চাই। এটা টাইপ করার সাহস আমার নাই বিধায় আগাম ক্ষমা প্রার্থনা!
লেখক: সাইফুল বাতেন টিটো (https://saifulbaten.blogspot.com/?m=1), https://www.facebook.com/
"সম্ভবত ২০১৪ সালের কথা। চ্যানেল আই আমাকে দিয়ে দ্বিতীয় নাটক বানাবে এই জন্য আমি ইবনে হাসান খানের সঙ্গে মিটিং শেষ করে কবি নির্মলেন্দু গুণদা'র মেয়ে প্রডিউসার মৃত্তিকা গুণের সামনে বাজেট নিয়ে কথা বলছি আর চা খাচ্ছি। সঙ্গে সম্ভবত Hassan Shantonu ছিলেন। কবিকন্যা মৃত্তিকা বললেন:
লেখক: আরিফ রহমান (https://www.facebook.com/
"আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের মৃত্যু দিন আর পাকিস্তানের সর্বোচ্চ বীর রশিদ মিনহাজের মৃত্যু দিন কিন্তু একই দিন। কারণ দুজনের মৃত্যু একই ঘটনায় ঘটে। এই ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসের গভীর এক হেঁয়ালির জন্ম দেয়। একই ঘটনায় নিহত দুই পক্ষের দুইজন মানুষ দুটি দেশের সর্বোচ্চ বীরের খেতাব পেয়েছেন!
লেখক: Nabila Idris (https://www.facebook.com/
যিনি গুম কমিশনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন, আছেন। তাঁর লেখার মাধ্যমে আমাদের বিভিন্ন ধরনের গুম সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়...:
" ১. আমরা রেগুলারলি ভিক্টিমদের থেকে গোপন ডিটেনশন সেলে ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা শুনি। এসব নির্যাতন প্রায়ই এতটা নিষ্ঠুর হয় যে তাদের শরীর ও মনে স্থায়ী ক্ষত রেখে যায়। কিন্তু মাঝে-মাঝে কিছু ভিক্টিম এমন ঘটনার বর্ণনাও দেন যেখানে আচমকা এক ধরনের অস্বাভাবিক মানবতার ঝলক দেখা যায়!
পূর্বের এই লেখায় [১] আমি উল্লেখ করেছিলাম, সীমান্তবর্তী একটা এলাকায় স্কুল চালাবার সূত্রে ওখানকার লোকজনের মুখ থেকে শুনতাম বিএসএফ কেমন করে আমাদের লোকজনকে আমাদের এলাকা থেকে ধরে নিয়ে যায়।
ধরে নিয়ে যাওয়ার পর খুব কম মানুষই ফেরত আসত। আর যারা ফেরত আসত তাদের বর্ণনা ছিল ভয়াবহ-রোমহর্ষক! বিএসএফ যে কেবল ভয়ংকর নির্যাতন করত এমনই না শরীরের নাকি পেট্রল পুশ করে দিত। অনেকের হাত-পায়ের রগ কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিত!
এক কাপ চায়ে দু-কাপ চিনি দেওয়ার পর সেই চা যেমন কোন মানুষের খাওয়ার যোগ্য থাকে না তেমনি আমিনুল ইসলাম নামের মানুষটাকে নিয়ে এহেন মন্তব্য করার পর, তাকে নিয়ে আবারও লেখা চলে না [১]। কিন্তু, ওই যে একটা কিন্তু থেকে যায়...! কিছু মানুষ থাকেন যারা মানুষের(অ) ঊর্ধ্বে!
দাউদ হায়দার। তাঁর সঙ্গে আমার বেশ কিছু ছবি কিন্তু তখন তাঁর নিরাপত্তার কারণে তাঁর ছবি ছাপাবার বিষয়ে সমস্যা ছিল। আহা, আজ আর সেই সমস্যা নেই। এখন তিনি সমস্ত নিরাপত্তার ঊর্ধ্বে চলে গেছেন!
কপালের ফের! যাপিত জীবন পেছনে ফেলে মাস ছয়েক হলো ইট পাথর-কংক্রিটের বস্তিতে, যার চালু নাম 'ঢাকা শহর'! তাও নিজের বাড়ি ফেলে এখন ভাড়া বাড়িতে!
ঢাকা, এ বড় বিচিত্র এক নগর! এর বিচিত্রতা নিয়ে অন্য কোন এক দিন আলাপ করা যাবে!
আজ ২৬ শে মার্চ, আমাদের স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা কেমন এ নিয়ে তাবড়-তাবড় মানুষদের বড়-বড় আলাপ আছে। আমার আলাপ খুব ছোট। স্বাধীনতা কি এটা আপনাকে জানতে হবে একজন প্যালেস্টাইন নাগরিকের কাছ থেকে। নিদেনপক্ষে আমার কাছ থেকে যে নিজের বাড়ি এবং ভাড়া বাড়ির মধ্যে তফাতটা কেমন!
লেখক: Shariful Hasan: (https://www.facebook.com/
"অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ পেলেও কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা প্রয়োজন ছাড়া তিনি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে আসেননি! রাষ্ট্রপতির জন্য নির্ধারিত কোনো কিছু তিনি গ্রহণ করেননি। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে বিদেশি অতিথিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত উপহার তিনি সরকারি তোষাখানায় জমা দিয়েছেন। সাধারণ পোশাক-পরিচ্ছদই তাঁর সবসময় পছন্দ ছিল। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর অনেকেই তাঁকে নতুন কিছু জামাকাপড় বা স্যুট তৈরির কথা বলেছিলেন। সেসব কথাকে তিনি আমল দেননি।
| |||
লেখক: Enamul Haque Mony. লেখক তখন দ. কোরিয়ার কিয়ংপুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছিলেন।
"র্যাব-২, বসিলা, মোহাম্মাদপুরে আমাকে যে রুমে গুম করে রাখা হয়েছিলো, টয়লেট সাইজ একটা ছোট্ট রুমের মধ্যেই টয়লেট করার জায়গা। বাকী ফাঁকা জায়গায় একটা স্বাভাবিক মানুষ পা মেলে দিয়ে শুয়ে থাকতে পারে না। অসম্ভব!
'আফগানিস্তানে একচুয়ালি কী হচ্ছে, এটা আপনিও চোখে দেখছেন না, আমিও দেখছিনা, শুধু মিডিয়ার মাধ্যমে খন্ডচিত্র আমাদের কাছে যেটুকু আসে তাই নিয়ে আমাদের ধারণা।'