মাহবুব কবির মিলন, এই মানুষটাকে সরকার যথাযথ কাজে লাগাতে পারেনি! এখনও নিরাপদ খাদ্য সংস্থা বা 'বিএসটিআই' জাতীয় কোথাও দায়িত্ব দিলে আমার চেয়ে কেউ বেশি খুশী হবে না।
তো, সম্প্রতি তিনি 'এফবি'-তে এটা লিখেছেন:
তিনি এই জাতিকে কষে গালি দিয়েছেন। এই জাতির অতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ হিসাবে এই আবর্জনা আমার গায়েও পড়ে। হাসের ময়লা পানি ঝেড়ে ফেলার মত এই আবর্জনা আমি ঝেড়ে ফেলতাম। কারণ রাগে-ক্ষোভে-অভিমানে এটা অনেক সময় আমরা নিজেরাও লিখি, বলি। কিন্তু...!
মাহবুব কবির মিলনের যে ক্ষোভ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার এই দেশে উম্মাদনা নিয়ে সেটা সত্য, অতি সত্য! আমিও নিজেও চেয়েছি বিশ্বাকাপ থেকে এই দুইটা দল বিদায় নিক। কিন্তু আর্জেন্টিনা নামের দলটা, যেমনটা বলা হয় ঈশ্বর থাকেন ভদ্রপল্লীতে তেমনই মনে হচ্ছিল যেন এই ভদ্রপল্লীটা আর্জেন্টিনায়! ফাইনাল খেলাটা দেখেন! মনে হচ্ছিল, বলটা ইয়ামালদের নিজের এরা আর্জেন্টিনাকে খেলতেই দেবে না। কিন্তু স্পেনের পক্ষে গোল হচ্ছিল না!
আমাদেরকে বোঝাবার জন্য মিলন এটা বলতে পারতেন, এই খেলাকে কেন্দ্র কতে কী-কী অনাচার হয়েছে? আমি গুগল-চ্যাটজিপিটির কাছে জানতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু এ-ও সত্য, আমাদের গল্প করার মত গল্প নেই তেমনি আমাদের বিনোদন বলতে বলার মত কিছু নেই। আরেক দল আছে এরা খেলা নিয়ে ফতোয়ার-পর-ফতোয়া দেয় [১]! এটা নিয়ে কিন্তু মিলনের বিকার নেই!
এটাতেও সমস্যা ছিল না। আমরা দেশ-সমাজের-মানুষের জন্য যেসকল কাজ করি এর একটা গালভরা নাম আছে, সমাজসেবা। আমি বলি, 'ছাতার মাথা'! 'ফা...সমাজসেবা' বলে কিছু নেই। আপনি সমাজসেবার নামে যা-যা করেন, তা করেন নিজের নিতল আনন্দের জন্য এবং এই গ্রহের সন্তান হিসাবে খানিকটা ঋণ শোধ করার জন্য।
তিনি যে কাজগুলো করছেন আমি স্যালুট জানাই কিন্তু এমন না এই দেশে কেবল মিলনই এইসব করে বেড়ান। চাকুরির সুবাদে এই সেক্টরে তার প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে এবং সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার জন্য বিপুল অনুগত লোকজন আছে মিলনের কাজগুলো জানার জন্য।
কেবল নগ্ন গাত্রই অশ্লীল না—মিলনের এই লেখাটাও অশ্লীল! মিলন যদি অন্য-কোন লেখায় এটা লিখতেন তা স্বাভাবিক হত। কিন্তু তিনি দুইটা প্রসঙ্গকে যেভাবে মিশিয়েছেন তা ভয়াবহ দৃষ্টিকটু। তাহলে আমাদের সাধারণের প্রত্যাশা আরও বেড়ে যায় এদিন (কাল সারাদিন) মিলন আর কি কি করেছেন? 'কাল সারাদিন' তিনি কি মুত্র-বিসর্জন করেছেন বা ইয়ে...!
শিরোনানে মাহবুব কবির মিলনকে 'দুমুখো পাইপ' কেন বললাম? কিছু মানুষ থাকে এদের মুখ দুইটা থাকে! কখন যে কোন মুখ দিয়ে বলছেন এটা বোঝা আমাদের মত বেকুব লোকজনের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে!
নিজে তিনি সততার কথা বলে-বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন কিন্তু নিজের জন্য অন্যায্য সুবিধা ঠিকই বাগিয়ে নেন।
"...আমি জানতামও না যে পাব (প্লট)। একদিন ডাকযোগে বাসায় বরাদ্দপত্র এসে হাজির।..."
যেটা কৌতুকের মত শোনায়! ভাগ্যিস, এটা বলেননি যে বরাদ্দপত্র কীভাবে-কীভাবে যেন আমার ঠিকানা যোগাড় করে 'পয়দল', হেঁটে-হেঁটে চলে এসেছে। এরপর এসে বলেছে, সা-র-প্রা-ই-জ!
সুত্র:
১. বিশ্বকাপ ২০২৬ Vs শায়খ আহমাদুল্লাহ গং!: https://www.ali-mahmed.com/2026/07/vs.html?m=1
২. বলাৎকার এবং শরীয়া আইন: https://www.ali-mahmed.com/2026/06/blog-post.html?m=1
৩. মাহবুব কবির মিলন: তরমুজ-মুরগি-প্লট: https://www.ali-mahmed.com/2026/05/blog-post_379.html?m=1







































