Wednesday, December 4, 2019

শপথ।

১. "মহাকালের শপথ! ..." 
(সুরা আসর) ১০৩:১

২. "শপথ তাদের যারা ছোটে হাঁপাতে হাঁপাতে," 
(সুরা আদিয়াত) ১০০:১

৩. "শপথ তিন (ডুমুর) ও জয়তুন (জলপাই)-এর!" 
সুরা তিন ৯৫:১

৪. "আর শপথ সিনাই প্রান্তরস্থ তুর পর্বতের" 
সুরা তিন ৯৫:২

৫. "আর শপথ এ-নিরপদ নগরীর!" 
সুরা তিন ৯৫:৩

৬. "শপথ দিনের প্রথম প্রহরের।" 
সুরা দোহা ৯৩:১

৭. "আর শপথ রাত্রির যখন তা আচ্ছন্ন করে।!" 
সুরা দোহা ৯৩:২

৮. "শপথ রাত্রির যখন সে ঢেকে ফেলে!"
সুরা লাইল ৯২:১

৯. "আর শপথ দিনের যখন সে আলোয় উজ্জ্বল!"
সুরা লাইল ৯২:২

১০. "আর শপথ তাঁর যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন!"
সুরা লাইল ৯২:৩

১১. "শপথ সূর্যের ও তার কিরণের!"
সুরা শামস্ ৯১:১

১২. "শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পর দেখা দেয়!"
সুরা শামস্ ৯১:২

১৩. "শপথ দিনের যখন সে তাকে (সূর্যকে) প্রকাশ করে!"
সুরা শামস্ ৯১:৩

১৪. "শপথ রজনীর যখন সে তাকে ঢেকে ফেলে!"
সুরা শামস্ ৯১:৪

১৫. "শপথ আকাশের আর তাঁর যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন!"
সুরা শামস্ ৯১:৫

১৬. "শপথ পৃথিবীর আর তাঁর যিনি তাকে বিস্তৃত করেছেন!"
সুরা শামস্ ৯১:৬

১৭. "শপথ মানুষের ও তাঁর যিনি তাকে সুঠাম করেছেন,"
সুরা শামস্ ৯১:৭

১৮. "শপথ এ-নগরের,"
সুরা বালাদ ৯০:১

১৯. "শপথ জনকের ও তার জাতকের!"
সুরা বালাদ ৯০:৩

২০. "শপথ উষার!"
সুরা ফাজর ৮৯:১

২১. "শপথ দশ রাত্রির!"
সুরা ফাজর ৮৯:২

২২. "শপথ তার যা জোড় ও যা বেজোড়!"
সুরা ফাজর ৮৯:৩

২৩. "আর শপথ রাত্রির যখন তা শেষ হয়ে আসে!"
সুরা ফাজর ৮৯:৪

২৪. "শপথ আকাশের ও রাত্রিতে যা আবির্ভূত হয় তার!"
সুরা তারিক ৮৬:১

২৫. "আর শপথ আকাশের যা বৃষ্টিকে ধারণ করে!"
সুরা তারিক ৮৬:১১

২৬. "আর শপথ পৃথিবীর যা বিদীর্ণ হয়!"
সুরা তারিক ৮৬:১২

২৭. "শপথ রাত্রিচক্রবিশিষ্ট আকাশের!"
সুরা বুরুজ ৮৫:১

২৮. "শপথ প্রতিশ্রুত দিনের!"
সুরা বুরুজ ৮৫:২

২৯. "শপথ সাক্ষ্যদাতার ও যার সম্বন্ধে সাক্ষ্য দেবোয়া হয় তার!"
সুরা বুরুজ ৮৫:৩

৩০. "আমি শপথ করি গোধূলির,"
সুরা ইনশিকাক ৮৪:১৬

৩১. "আর রাত্রির এবং তাকে যে ঢেকে দেয় তার;"
সুরা ইনশিকাক ৮৪:১৭

৩২. "আর শপথ করি চন্দ্রের যখন তা পূর্ণ!"
সুরা ইনশিকাক ৮৪:১৮

৩৩. "শপথ (সেই গ্রহ-নক্ষত্রের) যারা লুকোচুরি খেলে,"
সুরা তাকভির ৮১:১৫

৩৪. "শপথ রাত্রির শেষের ও উষার নি:শ্বাসের!"
সুরা তাকভির ৮১:১৭-১৮

৩৫. "শপথ তাদের যারা ডুবে (বা জোরে) টানে (দুর্জনের প্রাণ)!"
সুরা নাজিআত ৭৯:১

৩৬. "শপথ তাদের যারা (সজ্জনের প্রাণের) গেরো খোলে ধীরে!" 
সুরা নাজিআত ৭৯:২

৩৭. "শপথ তাদের যারা সহজ গতিতে ভেসে যায়!"
সুরা নাজিআত ৭৯:৩

৩৮. "শপথ তাদের যারা হঠাৎ থেমে যায়!"
সুরা নাজিআত ৭৯:৪

৩৯. "আর শপথ তাদের যারা পরিচালনা করে প্রত্যেক ঘটনা!"
সুরা নাজিআত ৭৯:৫

৪০. "শপথ (সেই বায়ুর) একের পর এক আলতো করে ছেড়ে দেওয়া হয়,"
সুরা মুরসালাত ৭৭:১

৪১. "শপথ তাদের যারা উড়িয়ে নিয়ে যায়!"
সুরা মুরসালাত ৭৭:৩

৪২. "আমি শপথ করছি কিয়ামত দিনের!"
সুরা কিয়ামা ৭৫:১

৪৩. "আমি আরও শপথ করছি সে আত্মার যে নিজের কাজের জন্য নিজেকে ধিক্কার দেয়।"
সুরা কিয়ামা ৭৫:২

৪৪. "না, শপথ চন্দ্রের!"
সুরা মুদদাসসির ৭৪:৩২

৪৫. "শপথ রাত্রির, যখন তা শেষ হয়!"
সুরা মুদদাসসির ৭৪:৩৩

৪৬. "শপথ সকালের, যখন তা আলোয় উজ্জ্বল!"
সুরা মুদদাসসির ৭৪:৩৪

৪৭. "আমি শপথ করছি পূর্ব ও পশ্চিমের অধিপতির!"
সুরা মা'আরিজ ৭০:৪০

৪৮. "না, আমি শপথ করছি তার যা তোমরা দেখতে পাও,"
সুরা হাককা ৬৯:৩৮

৪৯. "এবং তার যা তোমরা দেখতে পাও না।"
সুরা হাককা ৬৯:৩৯

৫০. "নুন! শপথ কলমের ও শপথ ওরা (ফেরেশতারা) যা লেখে তার!"
সুরা কলম ৬৮:১

৫১. "আমি শপথ করছি অস্তগামী নক্ষত্ররাজির,"
সুরা ওয়াকিয়া ৫৬:৭৫

৫২. " শপথ অস্তমিত নক্ষত্রের, "
সুরা নজম ৫৩:১

৫৩. "শপথ তুর পাহাড়ের!"
সুরা তুর ৫২:১

৫৪. "শপথ কিতাবের, যা লেখা আছে"
সুরা তুর ৫২:২

৫৫. "শপথ বায়তুল মামুরের!"
সুরা তুর ৫২:৪

৫৬. "শপথ সমুচ্চ পাহাড়ের!"
সুরা তুর ৫২:৫

৫৭. "আর শপথ উত্তাল সাগরের!"
সুরা তুর ৫২:৬

৫৮. "শপথ তাদের যারা উড়িয়ে নিয়ে যায়।"
সুরা জারিয়াত ৫১:১

৫৯. "শপথ তাদের যারা বয়ে যায় (বৃষ্টির) ভার!"
সুরা জারিয়াত ৫১:২

৬০. "শপথ তাদের যারা স্বচ্ছন্দে বিচরণ করে!"
সুরা জারিয়াত ৫১:৩

৬১. "শপথ তাদের যারা আদেশে বিতরণ করে (আর্শিবাদ)!"
সুরা জারিয়াত ৫১:৪

৬২. "শপথ তরঙ্গিত আকাশের।"
সুরা জারিয়াত ৫১:৭

৬৩. "কাফ! সম্মানিত কোরানের শপথ।"
সুরা কাফ ৫০:১

৬৪. "সা'দ-উপদেশপূর্ণ কোরানের শপথ!"
সুরা সা'দ ৩৮:১

৬৫. "তাদের শপথ যারা সারি বেঁধে দাঁড়ায় (ফেরেশতা),"
সুরা সাফফাত ৩৭:১

৬৬. "ও যারা সজোরে ধমক দিয়ে থাকে।"
সুরা সাফফাত ৩৭:২

৬৭. "আর যারা কোরান আবৃত্তি করে।"
সুরা সাফফাত ৩৭:৩

৬৮. "জ্ঞানময় কোরানের শপথ!"
সুরা ইয়াসিন ৩৬:১

Tuesday, December 3, 2019

আহা জীবন!




লেখক: শওকত আলী 
"কেভিন কার্টার ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার একজন বিখ্যাত ফটোসাংবাদিক । তিনি ১৯৯৩ সালে সুদান দুর্ভিক্ষের অসাধারণ কিছু ছবি তোলেন Vulture and Little Girl- তেমনই একটি ছবি।

ছবিতে ক্ষুধার্ত একটি মুমূর্ষ মৃত প্রায় বাচ্চার পাশে একটি শকুন অপেক্ষায় বসে আছে। অপেক্ষা চমৎকার একটি ভোজের। ১৯৯৪ সালে ছবিটি নিউইর্য়ক টাইমসে প্রকাশিত হলে তিনি এর জন্য পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন। পুরস্কার পাবার তিন মাস পরেই তিনি সুইসাইড করেন মাত্র ৩৩ বছর বয়সে। পরে ওঁর ডাইরি থেকে সেদিনের ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায়, 'ওই দিন যখন আমি ক্যামেরায় এ দৃশ্যটা ধারণ করছিলাম তখন বার বার আমার নিজের সন্তানের মুখগুলি আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। আর আমার চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝরছিল'।
এর পর ডাইরির পাতা সাদা। ওই বাচ্চাটার কি হল? সে কি শকুনের খাবারে পরিণত হল? তিনি কেন সুইসাইড করলেন, সে দিনের ঘটনার তীব্র মানসিক যন্ত্রণা থেকেই কি তিনি এ পথ বেছে নিয়েছিলেন? কেউ জানে না এই সব প্রশ্নের উত্তর। সে সময় আফ্রিকার রাজনৈতিক অস্থিরতা, দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতার ছবি দুঃস্বপ্ন হয়ে কার্টারকে তাড়া করত। যার হাত থেকে বাঁচতে কার্টার কোকেনের মত মাদক গ্রহণ করতেন।

অনেকে ক্ষুব্ধ তার উপর, কেন সেদিন তিনি বাচ্চাটাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাবার পরিবর্তে ছবি তোলায় ব্যস্ত ছিলেন। সৃষ্টিকর্তা প্রতিটি মানুষকে কিছু ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠান। কেভিন কার্টারকে যে ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন আমাকে তা দেননি। কেভিন কার্টারের সুইসাইডে কারো কোন লাভ হয়েছে বলে আমার জানা নাই। তিনি বেঁচে থাকলে এ রকম অনেক বাচ্চাকে শকুনের খাবার হওয়া থেকে বাঁচাতে পারতেন। বেঁচে থাকা অনেক সময় অনেকের কাছে অসহনীয়, অর্থহীন বলে মনে হয়। এরা জীবনের কোন মানে খুঁজে পান না।

আসলে জীবনের মানে জানতে হলে যেতে হবে মৃত্যু পথযাত্রী একজন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর কাছে।  যার পৃথিবীটা হাসপাতালের চার দেয়ালের মাঝে আবদ্ধ। প্রতি মুহূর্তে যার দু চোখে খেলা করে বেঁচে থাকার আকুতি। মনে হয় হায় জীবন এত ছোট কেন? মাতৃ গর্ভে একটি ভ্রূণ ধীরে ধীরে বেড়ে উঠে। এক সময় পূর্ণাঙ্গ মানব শিশু রূপে আত্নপ্রকাশ করে। চোখ পিটপিট করে শিশুটি অপার বিস্ময় নিয়ে তার চারপাশের সৃষ্টির সৌন্দর্যকে অবলোকন করে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত সৃষ্টিকর্তার এক বিশেষ দান। ইচ্ছা করলেই আমি দু হাত বাড়িয়ে নিতে পারি বর্ষার প্রথম বৃষ্টির স্পর্শ। ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে বর্ষার পানিতে ভাসাতে পারি কাগজের নৌকা। নিঃশ্বাসে নিতে পারি বাদলা দিনের প্রথম কদম ফুলের ঘ্রাণ। ইচ্ছে হলেই প্রিয়জনের হাত ধরে ক্লান্তিহীন ভাবে হাঁটা যায় অনেকটা পথ। মনে হয় হায় কী চমৎকার এ বেঁচে থাকা! আহা জীবন!

* ছবির বাচ্চাটি পরে কিভাবে রক্ষা পেয়েছিল জানা নাই। সে আরও কিছুদিন বেঁচে ছিল। নিয়ন কং নামের এ শিশুটি মারা যায় ২০০৭ সালে।"

Monday, November 25, 2019

সমস্ত প্রাণী আনন্দ পান করে প্রকৃতির স্তনে।





লেখক: Hassan Patwary
"ডেভিড গুডাল, লন্ডনে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। উদ্ভিদ ও পরিবেশ বিজ্ঞানী। বয়স ১০৪। তিনি চুড়ান্তভাবে অসুস্থ ছিলেন না, মানসিক মেজাজ ছিল খুব ভাল, কোন ধরনের নিদারুণ যন্ত্রণাও ছিল না। কিন্তু ডেভিড মনে করেন, ওঁর সাম্প্রতিক জীবন উপভোগ্য না বরং কিছু ক্ষেত্রে এটি এক ধরণের 'প্রবীণ নির্যাতন'। তিনি আর জীবনকে চালিয়ে নিয়ে লম্বা করতে রাজী ছিলেন না।
বার্ধক্যের কারণে জীবন আর বেঁচে থাকার যোগ্য নয়, বেঁচে থাকাটা ক্লান্তিকর, তাই ওনি আর বেঁচে থাকতে চান না। চিকিৎসকের সহায়তায় স্বেচ্ছা মৃত্যুবরণ করাটা চিকিৎসায় একটি অনৈতিক আচরণ বলে অস্ট্রেলিয়ার নীতিবিদরা মনে করেন এবং এটা ্খওনে নিষিদ্ধ।

ডেভিড সিদ্ধান্ত নিলেন, আরামের মৃত্যু ক্রয় করতে তিনি সুইজারল্যান্ড যাবেন কারণ সেখানে স্বইচ্ছায় মরণ বৈধ। গুডাল সর্বদা অনুভব করতেন, এই সংসারে বেঁচে থাকার কোন অর্থ নাই, যদি না কারও সমাজে কোন প্রকারের অবদান না থাকে। যদিও তিনি বিজ্ঞান ও জ্ঞান সম্পর্কে যত্নবান ছিলেন। সৎ, সরল, নম্র ও মানুষের প্রতি যত্নশীল ডেভিড নিজেকে কোনভাবেই কারও চেয়ে ভাল হিসাবে উপস্থাপন করতেন না এবং বৈষয়িক বিষয়েও অনাগ্রহী ছিলেন।

১০ মে, ২০১৮ ডেভিড সুইজারল্যান্ডে তার চুড়ান্ত ইচ্ছা পূরণ করেছেন চিকিৎসকের সহায়তায় আত্নহত্যার মধ্য দিয়ে। মৃত্যুর আগের দিন এক্সিট ইন্টারন্যাশনাল একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। গুডাল খোশ মেজাজে সাংবাদিকদেরকে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং ফ্রিডরিচ শিলারের কবিতা ‘আনন্দ গাথা’-এর উপর ভিত্তি করে জার্মান ভাষায় লুডভিগ ভ্যান বিথোভেনের নবম সিম্ফনির চতুর্থ আন্দোলনের প্রথম কয়েকটি লাইন গেয়েছিলেন। অধ্যাপক ডেভিড গুডাল বিথোভেনের নবম সিম্ফনির চুড়ান্ত আন্দোলন শোনার মাঝেই তাঁর জীবনের অবসান করেছিলেন।

কক্সবাজার ইনানী সমুদ্র সৈকতে এই মূহর্তে ঢেউ আছড়িয়ে পড়ছে, শিকাগো শহরে এক যুবক গুলিবিদ্ধ, স্টকহোমে মারিয়ার যমজ সন্তান হয়েছে। ফুজি পর্বতমালার নীচে টগবগ করা গলিত লাভা উপরে ওঠার পথ খুঁজে পাচ্ছে না, এইমাত্র পাঁচটা সিংহী একটা সিংহ উঁচু লম্বা একটা জিরাফটাকে মাটিতে শোয়ালো, ভারতে একাশি বছরের বুড়ো বিয়ে করলো। কালকে সাইবেরিয়ায় আনবিক ধ্বংসের তেজ পরীক্ষা হবে, উত্তর মেরুতে একটা সাদা ভাল্লুক বহুদিন একাকী হেঁটে চলছে, অনেকদিন পর আমিনা খাতুনের সঙ্গমে তৃপ্তি হলো।

কী অনুচিত, কিসে বিশ্বাস, কোনটা সত্য-কোনটা মিথ্যা, চেতনা কি দেহের অংশ, নক্ষত্রপুন্জের কি দরকার, আপনি কে-আমি কে, আলো দৌড়ায়, পানি গড়ায়, আগুন সব জ্বালিয়ে দেয়, ব্রক্ষাণ্ডের নির্মাতা কে। মৃত্যু কি সবকিছু স্তব্দ করে দেয়? হা হা হা-জগৎ আর অস্তিত্ব একটা কৌতুক!"