Search

Sunday, May 10, 2026

ইউনূসনামা!

প্রফেসর ইউনূস! একটা নাম, একটা ব্রান্ড! 'দারিদ্র বিমোচন জাদুঘর'-এর কিউরেটর! একটা তেলের ড্রাম, একটা লোভের  খনি!

হের, ইউনূস একজন নোবেল লরিয়েট! এই নোবেল লরিয়েট নোবেল পেয়েছিলেন শান্তিতে! কী প্রকারে শান্তি এনেছেন সেটা পরের আলোচনা!

১৯৪৩ দুর্ভিক্ষে ২১-৩০ লাখ মানুষ মারা যায়। চার্চিলের যুদ্ধকালীন নীতিকে অনেকে দায়ী করে। সেই চার্চিলও কিন্তু নোবেল পেয়েছিলেন অন্য কারণে, সাহিত্যে।


যাই হোক, আমাদের শ্রী ইউনূস নোবেল পেয়েছেন যৌথভাবে কিন্তু কোথাও এর জোর আলোচনা নেই'!
ইউনূসের সঙ্গে যে ভদ্রমহিলা,  তসলিমা বেগম নোবেল গ্রহণ করেছিলেন, তাঁকে আমরা চিনিও না!

গ্রামীণ ব্যাংক তার সহযোদ্ধাদের কেমন রেখেছে সেটা  তসলিমা বেগমের মুখ থেকে শুনলে পাপ হবে না!

মহাশয় ইউনূসকে যে আমি লোভের খনি বলেছি বলে অনেকের বুক ভেঙ্গে আসবে। খনি থেকে আমি কেবল একটা পাথর তুলব। জনাব বদরুল আলম তখন এনবিআরের চেয়ারম্যান। তার কাছে ঝুলাঝুলি করা হচ্ছিল, ইউনূসের নোবেল প্রাইজ-মানির উপর যেন ট্যাক্স ধরা না হয়:


আমার ব্যক্তিগত মত, আপাদমস্তক, এই মানুষটার লোভ চুঁইয়ে-চুঁইয়ে পড়ে। আই বেট, তেলতেলে চামড়ায় সামান্য চাপ দিলেই 'লোভের তেল' গড়িয়ে পড়বে।

আফসোস, ৮৫ বছরের একটা মানুষকে নগ্ন দেখতে ভাল লাগে না। একটা মানুষ কেমন করে এতটা নির্লজ্জ হয়? ক্যামেল টু ক্যাডিলাক—লোহার খাঁচা থেকে গোটা একটা দেশের দন্ডমুন্ডের কর্তা!

লোহার খাঁচা নিয়ে ইউনূস নিজেই বলেছিলেন'

"..., I had to stand in an iron cage and the witness box of the court for the first time. It is just a part of a cursed life" 


(ছবি: ঢাকা সিএমএম কোর্ট, ১৪ আগস্ট ২০২৪। দৈনিক প্রথম আলো/ডেইলি স্টার।)
সময়-ইতিহাসের চেয়ে বড় রসিক আর কেউ নাই! সচরাচর পশু-টশু, হিংস্র মানুষকে আটকাবার জন্য খাঁচার ব্যবস্থা থাকে!
হাইকোর্ট রায় (রিট পিটিশন ৫১৯৪/২০১৪, রায় ১৯ মে ২০১৬, 'Dock is unconstitutional'.) থাকার পরও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আদালতে লোহার খাঁচা সরাবার কোন উদ্যোগই নেননি, সেই আনিসুল হকই খাঁচার ভেতরে!
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক কী জানতেন না সভ্যতার এই সময়ে এমন অমানবিক কর্মকাণ্ড করা যায় না, তাও আইনের চোখে সামনে! 

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক কী জানতেন না:

"Every person is presumed innocent until proven guilty."

-Universal Declaration of Human Rights, Article 11(1)

আনিসুল হক নামের 'ঠেলাগাড়ি বোঝাই আইনের বইয়ের উপর উবু হয়ে বসে থাকা', মানুষটা কী জানতেন না:

"Every person is presumed innocent until proven guilty." 

যাই হোক, ইউনূস নামের মানুষটার যে পেটভরা ঝামেলা এটা আগেও জানতাম কিন্তু এখন স্রেফ 'মাননীয় স্পিকার' হয়ে গেছি—সাপও খোলস পাল্টায় কেবল পাল্টান না আমাদের, সেনর ইউনূস!

জনাব, 'নির্লজ্জ ইউনূস' প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন গ্রামীণ-সংশ্লিষ্ট যে সুবিধাগুলো নিয়েছেন তার ছোট্ট একটা তালিকা:

১. গ্রামীণ ব্যাংকের ট্যাক্স মওকুফ: ০৯ অক্টোবর ২০২৪ NBR গেজেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৯ পর্যন্ত সব আয় করমুক্ত। ২০২১-২০২৩ এই ৩ বছর ট্যাক্স দিতে হয়েছিল, সেটা বন্ধ। আনুমানিক ১৮০-২০০ কোটি টাকার ভবিষ্যৎ সুবিধা।

২. গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের শেয়ার কমানো: ১৭ এপ্রিল ২০২৫ উপদেষ্টা পরিষদ "Grameen Bank Amendment Ordinance" অনুমোদন। সরকারের মালিকানা ২৫% থেকে ১০% এ নামানো হয়েছে। ঋণগ্রহীতাদের শেয়ার ৭৫% থেকে ৯০% করা হয়েছে।

৩. গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার মামলার রায় প্রত্যাহার:  ৪ আগস্ট ২০২৪ হাইকোর্ট বলে ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে হবে। ৮ আগস্ট ইউনূস শপথ নেন। ৩ অক্টোবর ২০২৪ হাইকোর্ট রায় প্রত্যাহার করে বিচারকের Conflict of Interest-এর কারণে। মামলা নতুন বেঞ্চে যাবে। [আপডেট: ১৫ জানু ২০২৫ নতুন রায়ে ৪০০ কোটি দিতে বলা হয়েছে]

 

৪. নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন: 'গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি' নামে নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

৫. ম্যানপাওয়ার এক্সপোর্ট লাইসেন্স: গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানের নামে জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে।

৬. ডিজিটাল ওয়ালেট সেবার অনুমোদন: গ্রামীণ টেলিকমকে ডিজিটাল ওয়ালেট/মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।

৭. সরকারি মেডিকেল কন্ট্রাক্ট: গ্রামীণ হেলথ-টেক সোশ্যাল বিজনেস 'সুখী' চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মেডিকেল সার্ভিস কন্ট্রাক্ট পেয়েছে।

৮. নতুন মাইক্রোক্রেডিট ব্যাংক অধ্যাদেশ: 'সোশ্যাল বিজনেস' মডেল বিস্তারের জন্য মাইক্রোক্রেডিট ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশ। খসড়া প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়েই তৈরি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

৯. ব্যক্তিগত VVIP সুবিধা: মেয়াদ শেষের আগে নিজেকে ১ বছরের জন্য VVIP ঘোষণা করে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সুরক্ষা নিশ্চিত করেছেন।

সবগুলো সিদ্ধান্ত ৮ আগস্ট ২০২৪ শপথ নেওয়ার পরের ২-৮ মাসের মধ্যে হয়েছে।

(অবশ্য এর মধ্যে ৩ নম্বরটা সরাসরি 'মওকুফ' না, রায় প্রত্যাহার। ২ নম্বর গ্রামীণ টেলিকমের ২৫০ কোটি টাকা এখনো মওকুফ হয়নি। বাকিগুলো কার্যকর হয়েছে।)

কে বলেছে, গায়ে কাপড় জড়ালেই নগ্নতা ঢাকা যায়! আমাদের 'গলাকাটা ফতুয়া স্যার' প্রমাণ করে দিয়েছেন, এই  তত্বীয় জ্ঞান ভুল!  অনেকে কঠিন যুক্তি দেন, গ্রামীণে তো ইউনূসের কখনও মালিকানা ছিল না...আহা, তাই বলে কী তিনি একের-পর-এক অনাচার করবেন আর তাকে কিছু বলা যাবে না, এ তো হাস্যকর যুক্তি!

আহা, আমার সন্তান তো আলাদা থাকে এই যুক্তিতে দেশটাকে 'আমার বাপের তালুক' মনে করে রাষ্ট্রের অকল্পনীয় সুবিধা আমার সন্তানকে দিয়ে অন্তর্বাস মাথায় বেঁধে আমি দাবী করলাম, কে বলে আমি নগ্ন!

আচ্ছা, ইউনূস নামের এই মানুষটার মাথায় কী এটা খেলা করেনি, বাংলাদেশের সমস্ত বাড়িঘরের ময়লা ফেলার বন্দোবস্তোটাও যদি কোন প্রকারে বাগিয়ে নেওয়া যেত? আহা, বেচারা মিস করলেন! 

ইউনূসের প্রতি আমার জোর আবেদন, আপনি ক্ষমতায় থাকাকালীন বাংলাদেশের নাম পাল্টে  'গ্রামীণ বাংলাদেশ' করে ফেললেই পারতেন। আমরা হতাম গিয়ে, 'গ্রামীণ জনগণ'!

ইস-স, ভাবলেই চোখ ভিজে 'কপোল' ভিজে যায়!

বিবিসির সঙ্গে এই সাক্ষাৎকারে ইউনূস বলছেন, তিনি নাকি সংস্কার শুরু করেছেন। আরে, করেছেন মানে, অবশ্যই করেছেন! এতে সন্দেহ কার? আপনি লোহার খাঁচা থেকে ক্ষমতায় এসে  আপনার পৈত্রিক তালুক 'গ্রামীণ বাংলাদেশ'-র আওতায় আপনার গ্রামীণের যে সংস্কার করেছেন তার জন্য আমরা 'গ্রামীণ জনগণ' কৃতজ্ঞ, ডমিনাস ইউনূস!

আবার এই সাক্ষাৎকারে বিশ্বখ্যাত সাংবাদিক মেহদি সেনর ইউনূসের কাছে জানতে চেয়েছেন, নেপালের অন্তবর্তীকালীন সরকার ৬ মাসে নির্বাচন দিয়েছেন কিন্তু বাংলাদেশে এত সময় লাগছে কেন?

ইউনূস তার বিখ্যাত হাত-শরীর নাড়িয়ে-নাড়িয়ে উত্তর দিয়েছেন:

এ দেশের জনগণ চাচ্ছে, আমরা ৫-১০-১৫ বছর থাকি।

চাচ্ছে মানে, স্যার! ওরা চাচ্ছে, ওদের বাপ চাচ্ছে, ওদের দাদা চাচ্ছে, ওদের দাদার দাদাও...! আপনার কথামতো, ২০ বছর না; ওরা চাচ্ছে, আপনি আগামী ৫০ বছর ক্ষমতায় থেকে 'গ্রামীণ বাংলাদেশে' গ্রামীণ সংস্কার করবেন! 

কিন্তু স্যার, একটু ঝামেলা হয়ে গেছে! আপনার যে কঠিন ধারণা, এই গ্রহে আপনি অমর হয়ে এসেছেন কিন্তু আপনার গলা-কাটা ফতুয়ার গলাছিলা মুরগির মত ঝুলে-পড়া চামড়া দেখে 'গ্রামীণ বাংলাদেশের'  'গ্রামীণ জনগণ ঠিক ভরসা করতে পারেনি! তাই...! সরি স্যার, নেভার মাইন্ড!

গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকান্ড নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নাই। গ্রামীণ ব্যাংক আমাদের মত বেকুবদের বলে, মাইক্রো-ক্রেডিটের নামে ২০% সুদ নিয়ে দারিদ্র বিমোচন করে। আমি একবার এক্সেলে হিসাব করেছিলাম, এদের সুদের হার ৩৮%-এর নীচে না!

"২০% ফ্ল্যাট রেটের নামে ৪০% সুদ নেওয়া হয়..." 

—অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত

বাংলাদেশে দারিদ্র্য-বৈষম্য-অসমতা: একীভূত রাজনৈতিক অর্থনৈতিক তত্ত্বের সন্ধানে।  পৃষ্ঠা ২৮৯-২৯১।

(খুব ইন্টারেস্টিং একটা বিষয়, ড. আবুল বারাকাতের বইটা বাজারে নেই। এই সংক্রান্ত ভিডিও ক্লিপও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এবং আবুল বারাকাত জেলে!) 


From the beginning of modern microcredit,1

its most controversial dimension has been the interest rates charged by microlenders—often referred to as microfinance institutions (MFIs).2

(Microcredit Interest Rates and Their Determinants, 2004-2011/ Richard Rosenberg, Scott Gaul, William Ford, Olga Tomilova

—World Bank / CGAP, Access to Finance Forum No. 7, July 2013 )

ক্ষুদ্রঋণে বৈশ্বিক গড় সুদহার ৩৫%। সূত্র: বিশ্বব্যাংক, ২০০৮। 

ফ্ল্যাট রেট পদ্ধতিতে স্টেটেড রেটের চেয়ে কার্যকরী সুদহার প্রায় দ্বিগুণ হয়। ২০% ফ্ল্যাট মানে কার্যকরী হার ৩৮% ছাড়িয়ে যায়।

—সূত্র: Rosenberg, R. _Microcredit Interest Rates_, CGAP Occasional Paper No. 1, 2002।

প্রসটিটিউশন-ড্রাগস-আর্মস ব্যতীত কোন ব্যবসা আছে যেখানে ২৪ পার্সেন্ট সুদ দিয়ে এবং ক্রমশ পুঁজি শূন্য করেও বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব, আমি সেই ব্যবসার নাম জানতে চাই। এই প্রশ্নটা ছিল ব্র্যাক ব্যাংক নিয়ে। আর গ্রামীন ব্যাংক তো কয়েক পা এগিয়ে।
"...প্রকৃতপক্ষে গ্রামীন ব্যাংকের সুদ হচ্ছে ৩৮ শতাংশ..."।
(সূত্র: খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদ, সাবেক ডেপুটি গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক)

এখন আমি জানতে চাই ৩৮ শতাংশ সুদ দিয়েও কোন ব্যবসায় লাভ করা যায়? এটা যদি মেথরগিরিও হয় আমি সানন্দে মেথর হব, আমার লেখালেখির কসম।
ইউনূস সাহেবের যে কেবল সুদের হার ৩৮ শতাংশ এমনই না, এখানে সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয়টি হচ্ছে, গ্রামীন ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার পর থেকেই প্রতি সপ্তাহে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হয়।

আপনাকে ছাগল কেনার জন্য ঋণ দিল। পরের সপ্তাহ থেকেই কিন্তু আপনাকে কিস্তি দিতে হবে। ছাগল কেনার পরদিনই কিন্তু ছাগল ডিম পেড়েছে। সেই ডিম বিক্রি করে আপনি কিস্তি দেবেন। বাই-এনি-চান্স, ছাগল ডিম না-দিলে কিন্তু কিস্তি মাফ নেই। তখন আপনার বিচি বিক্রি করে হলেও কিস্তি দিতে হবে। নইলে গ্রামীন ব্যাংকের লোকজনেরা গরু-ছাগল জোর করে নিয়ে আসবে। এরা কৃষকের বাচ্চা মেয়েটার পা থেকে নুপুর পর্যন্ত খুলে নিয়ে গেছে! 
(লাইফ-এচিভমেন্ট-সেক্রিফাইস/ শুভ'র ব্লগিং পৃ নং: ২০)

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, এরা কিস্তি দেয় কেমন করে? অন্য-একটা এনজিও বা ব্যাংক থেকে, সেটা চালায় আবার আরেকটা ঋণ নিয়ে। মানে একটা চক্রে আটকে যায়—একটাই জীবন, চক্রময় জীবন!

মঁসিয়ে ইউনূসের শরীরের সঙ্গে দাঁত-নাড়া আবেগী এই বক্তব্য দেখে আমার এক চোখে জল, এক চোখে পানি চলে আসল! গ্রামীন ব্যাংক নাকি ঋণগ্রহীতাকে পানিশমেন্ট দেয় না...!

এই প্রজন্ম দেখেনি, গ্রামীণ ব্যাংক কী অত্যাচারটাই না করেছে! গ্রামের সহজ-সরল মানুষদেরকে মামলার ভয় দেখিয়ে আধমরা করে ফেলা তো পানি ভাত! অফিসে এনে আটকে রাখা, জোর করে গরু-ছাগল উঠিয়ে নিয়ে এসেছে, কিশোরীর পা থেকে নুপুর খুলে নিয়ে এসেছে। তীব্র বেদনায় সেই কিশোরী আত্মহত্যাও করেছিল []!

গ্রামীণ ব্যাংকের অসঙ্গতি নিয়ে 'আল-জাজিরা' একটা প্রতিবেদন করে। গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি নুরজাহান বেগম যে ভঙ্গিতে আল-জাজিরার ক্যামেরায় থাবা মারলেন, যেভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের লোকজনেরা গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দিলেন, এ অভূতপূর্ব!

দেশে যে পরিবর্তন হয়েছিল এর পেছনে ছাত্র-জনতা সবাই ছিলেন—চানখারপুলের বস্তীর যে ছেলেটা বীরের মত লড়েছে এটা চোখে না-দেখলে বিশ্বাস করা যায় না! 
কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর আমাদের শ্রীযুক্ত ইউনূস [২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২] প্রথমেই যেটা করেন, ছাত্রদেরকে তোমরাই আমার বাপ, তোমরাই আমাকে ক্ষমতায় বসিয়েছো! ব্যস, বানরের হাতে ক্ষুর চলে আসল। এরা যা খুশী তাই শুরু করল!
কী ধৃষ্টতাপূর্ণ কথা:
এ কী চমৎকার করেই না সারজিস আলম বলছে, এদের যা মনে এসেছে, যা খুশী তাই করেছে!

এই যে আরেকটা, হাসনাত আবদুল্লাহ! কী কনফিডেন্টের সাথেই না বলছে, এখন প্রাডো চড়ে, আগামী সপ্তাহে ওডি, এরপর মার্সিডিজ, বিএমডব্লিউ...!

শিয়েনশেং ইউনূস, আরেকটা ভয়াবহ বক্তব্য দিলেন, এটা 'দ্বিতীয় স্বাধীনতা'! ওহ-হো, এবার মনে পড়েছে! তাই তো! দ্বিতীয় স্বাধীনতাই তো—প্রথম স্বাধীনতায় পরবর্তিত নাম হয়েছিল, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ। এরপর হলো, 'গ্রামীণ বাংলাদেশ'!

উপদেষ্টা নামে তিনি তার আশেপাশে বেছে-বেছে তার কাছের লোকজনকে নিলেন, যাদের অধিকাংশই অথর্ব! যেমন, এই দেশের অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ একটা সেক্টরে স্বাস্থ্য-উপদেষ্টা হিসাবে নিলেন গ্রামীণের সাবেক এমডি নুরজাহান বেগমকে! অযোগ্য এই মানুষটার কথাবার্তাই তো পাগলের প্রলাপ!
এই ভিডিও ক্লিপটা দেখলে খানিকটা আঁচ করা যাবে!
মিনিমাম অথচ অসম্ভব জরুরি যে কাজটা করার কথা, শিশুদের টিকার ব্যবস্থা করা, তিনি কিচ্ছু করেননি! ২০২৫ সালে একটা ভ্যাক্সিনও কেনা হয়নি!


একে আইনের আওতায় না-আনার কোন কার‍ণ নাই!

পূর্বের এই সাক্ষাৎকারে গসপোদিন ইউনূস, তাকে তার ব্যর্থ উপদেষ্টাদের নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে গা দুলিয়ে বলেছিলেন:
ওদের আমি কী বলব, আমার নিজেরই তো দেশ চালাবার অভিজ্ঞতা নেই।
এটা স্রেফ একটা অপদার্থের মত কথা। আপনি স্কুলের বাস ভর্তি বাচ্চাদের নিয়ে ড্রাইভিং সিটে বসে আছেন। বাস চলছে ঝড়ের গতিতে! আর আপনি নেচে-নেচে বলছেন, আমি তো ড্রাইভিং জানি না!

হেররা ইউনূস, ক্ষমতা গ্রহণের পূর্বে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছিলেন, জানমাল রক্ষা করবেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি হয়েছিলেন, মব-স্টার—মবের রাজা!

'মহা-মুখ' ইউনূস যখন মাথায় টুপি লাগিয়ে বলেন, তখন অবিশ্বাস করি কেমন করে! 'বাংলাদেশে অবস্থান রত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী আগামী ঈদ মায়ানমারে করবেন', দেশ, বাবা-মা'র কবর ফেলে-আসা, ওঁরা আশায় বুক বাঁধেন! আল্লাহ, এক দেবদূতকে পাঠিয়েছেন!
দেশের মধ্যে ধন্য-ধন্য পড়ে যায়—অনেকে কাঁদতে-কাঁদতে অন্তর্বাস ভিজিয়ে ফেলেছিলেন।

আহা-আহা, মহাত্মন ইউনূস আমাদেরকে বলেছিলেন, পৃথিবীর আনাচে-কানাচে থেকে দরখাস্তের-পর-দরখাস্ত এসেছে আমাদের এখান থেকে লোক নেওয়ার জন্য। এগুলো তিনি এখনও ঢলঢলে প্যান্টের পকেটে নিয়ে ঘুরছেন!
যাওয়ার পূর্বে আমাদেরকে ওই দরখাস্তের বস্তা হস্তান্তর না-করার কারণে আমাদের লক্ষ-লক্ষ বেকার তরুণেরা আজও ফ্যা-ফ্যা করে ঘুরছে!

পৃথিবীব্যাপি এটাই লিখিত-অলিখিত নিয়ম, জনগণের গুচ্ছের ট্যাক্সের টাকায় সরকার সরকারী রাস্তা-ঘাট-হাসপাতাল জনহিতকর সমস্ত কাজ করবেন। একমাত্র ইউনূসকে দেখলাম সিনা টান করে বলছেন:
"... সরকারি হাসপাতাল মানে বিপদের বোঝা..."!
বিষাদের সঙ্গে বলি, অন্যদের বেলায় যেটা করি কিন্তু এখানে প্রফেসর ইউনূসের সম্মানে চুতিয়া শব্দটা বলতে পারছি না! 

মনস্টা...সরি, মঁসিয়ে ইউনূস নির্বাচনের মাত্র ৭২ ঘন্টা পূর্বে আমেরিকার সঙ্গে যে চুক্তি করেছেন তা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি না—স্রেফ, কেউ যেন নিজের মাকে অন্যের বিছানায় তুলে দিল, এমন!
এবং এই চুক্তি নিয়ে যে লুকোচুরি-লুকোচুরি খেলা হয়েছে তা অভূতপূর্ব! যে জনগণ এই রাষ্ট্রের মালিক সেই জনগণ তার বেতনভুক্ত গোলামের কর্মকান্ড জানতে পারবে না!
অবশেষে ৩২ পৃষ্ঠার চুক্তির একটা কপি পাওয়া গেল আমেরিকার নিজস্ব ওয়েবসাইটে। নীচে এই লিংক দেওয়া থাকছে। কারও আগ্রহ থাকলে পড়ে নেবেন।
চুক্তির মূল কিছু পয়েন্টে আলোকপাত করা যাক। এক কথায় ভয়াবহ!

চুক্তির ৬টা ভয়ংকর অসঙ্গতি— যেটা 'দেশ বেচার দলিল' বললে কম বলা হবে। স্রেফ দাসত্বের চুক্তি!
১. BSTI/ড্রাগ/কৃষি পরীক্ষা বাতিল, করা যাবে না—সার্বভৌমত্বের কবর! 
ধারা ৭.৩: 'চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত বীজ, ওষুধ, টিকা, খাদ্য BSTI, ওষুধ প্রশাসন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাধ্যতামূলক পরীক্ষা থেকে অব্যাহতি পাবে। উৎপাদক কোম্পানির ল্যাব সার্টিফিকেটই চূড়ান্ত'।
অর্থ: মডার্না বলবে 'আমার টিকা সেফ, বাংলাদেশ টেস্ট করতে পারবে না!
বায়ার বলবে 'GMO ধান ভালো'— ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট পরীক্ষা করতে পারবে না!

২. দায়মুক্তি Clause, মরলে তুমি মরছো, কোন ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না, বিচার তো চিন্তার বাইরে!
ধারা ১২.১: 'পণ্য ব্যবহারে মৃত্যু, পঙ্গুত্ব, ফসলহানি, জন্মগত ত্রুটি হইলে কোম্পানি, ফাউন্ডেশন, মধ্যস্থতাকারী কেউ দায়ী থাকবে না'।
অর্থ: Tuskegee-এর ৪০টা শিশু বিকলাঙ্গ হয়েছিল। তখন তাও মামলা হয়েছিল ১৯৭২-এ। কিন্তু এই চুক্তিতে মামলাও করা যাবে না। 

৩. ডেটা কলোনি, আমার রক্ত-তথ্য ওদের! 
ধারা ৯.২: 'জাতীয় স্বাস্থ্য ডেটা, জিনোম ডেটা, কৃষি জমির GIS ম্যাপ ক্লিনটন হেলথ ইনিশিয়েটিভের ক্লাউডে থাকবে। বাংলাদেশ অনুরোধ করে অ্যাক্সেস নেবে'।
অর্থ: আমার মার ব্লাড প্রেশার থেকে আমার DNA, সব আমেরিকার সার্ভারে। ওরা আমাকে টেস্ট করতে দিবে না, কিন্তু আমার শরীর টেস্ট করবে।

৪. ৯৯ বছর+অটো নবায়ন, নতুন-এক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি!
ধারা ৪.১: 'মেয়াদ ৯৯ বছর। কোনো পক্ষ বাতিল না করলে অটো নবায়ন'।
অর্থ: আমার নাতিও এই চুক্তির গোলাম। Indian Removal Act-এ জমি কেড়েছিল বন্দুক দিয়ে। এখন ওরা কাড়বে কলম দিয়ে।

৫. বিচার হবে সিঙ্গাপুরে, বাংলাদেশের আদালতের দু-পয়সার দাম নাই! 
ধারা ১৫.৪: 'বিরোধ SIAC, সিঙ্গাপুরে। বাংলাদেশের আইন খাটবে না'।" 
অর্থ: বায়ারের ধানে মাটি নষ্ট হলে কৃষক সে তো দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তেই যেতে পারবে না! সিঙ্গাপুর যাবে কেমন করে? 
My Lai-এর খুনি Calley ৩.৫ বছরের 'হাউস অ্যারেস্ট' নামে শাস্তি পেয়েছিল এরা তো কোনও শাস্তিই পাবে না।

৬. সামাজিক ব্যবসা-র নামে ট্যাক্স ফাঁকি+একচেটিয়া বাজার! 
ধারা ৬.১: 'চুক্তির আওতায় গঠিত কোম্পানি ২০ বছর কর অবকাশ, আমদানি শুল্ক মওকুফ পাবে'।" 
অর্থ: গ্রামীণ 'ডানোন দই' বেচে ট্যাক্স দেয় না। কিন্তু গরীব জসীমের মা ভাত বেচলে ভ্যাট দেয়। 
'দরিদ্রের জন্য', বলে বাজার দখল, লাভ বিদেশে পাচার।
তাও চুক্তিটা আমেরিকার সঙ্গে! যে আমেরিকা 'নরক বানাবার কারখানা' [১৩]!
এই গ্রহে এমন কোন অনাচার নাই যার পেছনে আমেরিকার 'সদয় আঙুল'  নাই!
আমরা কী ভুলে গেছি, Fort Pitt-এ কম্বল বিতরণের নাম করে গুটি বসন্তের জীবানু ছড়িয়ে আদিবাসী  লেনাপে গোত্র শেষ করে দিয়েছিল। Missouri স্টিমবোটে গুটি বসন্ত ছড়িয়ে ম্যান্ডান গোত্রের ৯৯% শেষ।  

আর আমাদের ইউনূস  মহোদয় যখন নোবেল মঞ্চে বলেন:
"Poverty is an artificial creation".
তখন চোখের পানি কী আর বাঁধ মানে!


* এই লেখা অসমাপ্ত। সময়ে-সময়ে এখানে লেখা-তথ্য যোগ হবে। কারণ মহাশয় ইউনূসকে নিয়ে লেখা মানে মহাকাব্য লেখার চেষ্টা করা...।

সূত্র:

১. লাইফ-এচিভমেন্ট-সেক্রিফাইস: https://www.ali-mahmed.com/2008/07/blog-post_3333.html?m=1

১. লাশ-বানিজ্য-পদক: https://www.ali-mahmed.com/2010/04/blog-post_23.html?m=1

২. ইউনূসের ছেলেরা...: https://www.ali-mahmed.com/2025/07/blog-post_28.html?m=1

৩. ইউনূস এবং লেজারগান:

https://www.ali-mahmed.com/2011/04/blog-post_29.html?m=1

৪. ইউনূস-গ্রামীনই কেন...:

https://www.ali-mahmed.com/2011/04/blog-post_26.html?m=1

৫. ইউনূস, আপনার এত 'লালচ' কেন!

https://www.ali-mahmed.com/2011/03/blog-post_03.html?m=1

৬. রক্তচোষা কেবল ইউনূস, সরকার না?

https://www.ali-mahmed.com/2010/12/blog-post_31.html?m=1

৭. ইউনূস, আমলনামা: https://www.ali-mahmed.com/2010/12/blog-post_26.html?m=1

৮. ডিয়ার ইউনূস...: https://www.ali-mahmed.com/2010/12/blog-post_8173.html?m=1

৯. ইউনূস—ডেইলি স্টার...https://www.ali-mahmed.com/2010/12/blog-post_04.html?m=1

১০. রতনে রতন চেনে: https://www.ali-mahmed.com/2010/11/blog-post_28.html?m=1

১১. জাতীয় মামা: https://www.ali-mahmed.com/2010/11/blog-post_12.html?m=1

১২. ওই আসে মহাপুরুষ, ইউনুস! https://www.ali-mahmed.com/2010/11/blog-post_04.html?m=1

১৩. অসভ্য ইতর, দানব এক রাষ্ট্র, আমেরিকা: https://www.ali-mahmed.com/2026/05/blog-post_9966.html?m=1



Saturday, May 9, 2026

অলৌকিক এক সাধু, মাদার তেরেসা!

ক্রিস্টোফার হিচেন্সের Hell’s Angel ডকুমেন্টারি

১. চিকিৎসায় গাফেলতি ও ব্যথা-নাশক না দেওয়ার অভিযোগ: Missionaries of Charity-র হোমগুলোতে রোগীদের উপযুক্ত চিকিৎসা দেওয়া হত না। 

Dr. Robin Fox, The Lancet এর সম্পাদক, ১৯৯৪ সালে কলকাতার Nirmal Hriday ভিজিট করে লেখেন:

"lack of good analgesia marks Mother Teresa's approach as clearly separate from the hospice movement"। 

গরীব রোগীদেরকে ডায়াগনসিসের ভয়াবহ অবহেলা করা হতো! স্টেরিলাইজেশনের কোনও বালাই ছিল না, তীব্র ব্যাথায় শক্তিশালী পেইনকিলার থাকত না!

Hemley Gonzalez, প্রাক্তন ভলান্টিয়ার বলেছিলেন:

"Nuns washed needles with tap water before reusing them"।

টার্মিনাল রোগীদের চুল কাটতে নিষেধ করত। তাদের যুক্তি ছিল, কী দরকার?:

"কারণ তারা এমনিই মরবে"।

S. Bedford, সাংবাদিক, টয়লেট প্রসঙ্গে বলেন,

"slick with water, urine and feces... many had to crawl through the mess"।

অবশ্য মাদার তেরেসার বক্তব্য ছিল ভয়ংকর অমানবিক:

"I think it is very beautiful for the poor to accept their lot, to share it with the passion of Christ"।

অথচ তিনি নিজে অসুস্থ হলে আমেরিকার আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতেন।

. মৃত্যুর পূর্বে ধর্ম পরিবর্তন / গোপন ব্যাপটিজম! অভিযোগ আছে অচেতন/মুমূর্ষু রোগীদের ব্যাপটিজম করানো হত।

সোর্স: Aroup Chatterjee, ব্রিটিশ ডাক্তার ও লেখক:

"To convert a dying, unconscious person is very, very low behavior... Mother Teresa did that on an industrial basis"।

Susan Shields, প্রাক্তন MoC সদস্য বলেছিলেন:

সিস্টাররা মাথা ঠান্ডা করার ভান করে ভেজা কাপড় দিয়ে গোপনে ব্যাপটাইজ করত।

এদিকে মাদার তেরেসা নিজে ১৯৯২ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার Scripps Clinic-এ বলেন:

"Not one has died [in Nirmal Hriday] without receiving a special ticket for St Peter..."।

এমনিতে মাদার তেরেসার প্রতিষ্ঠান MC-র অফিসিয়াল অবস্থান ছিল:

"We shall not impose our Catholic Faith on anyone... it is never lawful for anyone to force others to embrace the Catholic Faith"।

৩. ফান্ড বিষয়ক অস্বচ্ছতা! 

অভিযোগ: শত শত মিলিয়ন ডলার তোলা হলেও বেশিরভাগ খরচ হত না, হিসাব গোপন।

সোর্স: Serge Larivée et al, Université de Montréal রিসার্চ ২০১৩:

"Millions of dollars were transferred to the MCO's various bank accounts, but most of the accounts were kept secret"।

"Given the parsimonious management... one may ask where the millions of dollars for the poorest of the poor have gone?"।

Aroup Chatterjee: MoC ফান্ডের মাত্র ৭% চ্যারিটিতে যায়, বাকিটা অর্ডার সম্প্রসারণে [*]। ১৯৯৭ সালে মাদার তেরেসার মৃত্যুর সময় ৫১৭টা মিশন ছিল ১০০+ দেশে!

৪. বিতর্কিত ফান্ডের উৎস! অভিযোগ আছে স্বৈরশাসকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল।

সোর্স: ১৯৮১ সালে হাইতির স্বৈরশাসক Jean-Claude Duvalier-এর কাছ থেকে Legion of Honour ও অনুদান গ্রহণ। Duvalier-কে প্রশংসা করেন "love for the people" এর জন্য।

আলবেনিয়ার কমিউনিস্ট ডিক্টেটর Enver Hoxha-র কবরে মালা দেন, রোমানিয়ার Nicolae Ceaușescu-র সাথে সুসম্পর্ক।

ক্রিস্টোফার হিচেন্সের Hell’s Angel ডকুমেন্টারি ১৯৯৪ ও The Missionary Position বই।

৫. জন্মনিয়ন্ত্রণ ও গর্ভপাতের বিরোধিতা। অভিযোগ আছে এই উদ্যোগ দরিদ্রদের দুর্দশা বাড়িয়েছেন।

সোর্স: Christopher Hitchens: 

"accused her of exacerbating the plight of the poor with her staunch opposition to contraception and abortion"।

মাদার তেরেসার নোবেল ভাষণ, ১৯৭৯:

abortion was the "greatest destroyer of peace"।

AIDS ও জনসংখ্যা সমস্যার এলাকাতেও কনডম বিরোধিতা করা হয়েছিল!

৬. কষ্টকে মহিমান্বিত করা! সোর্স: হিচেন্স ১৯৮১ সালের কোট দেন:

"I think it is very beautiful for the poor to accept their lot, to share it with the passion of Christ"।

৭. প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাহায্যের অভাব! সোর্স: ভারতে বন্যা বা ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় "numerous prayers and medallions of the Virgin Mary but no direct or monetary aid"।

৮. নিজের জীবন ও আদর্শের ফারাক! মাদার তেরেসা যখন হার্টের অসুখে ভুগতেন তখন ক্যালিফোর্নিয়া, রোম, দিল্লির দামী হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসা নিতেন। অথচ কলকাতার রোগীদের জন্য মরফিন পর্যন্ত দিতেন না। Aroup Chatterjee এটাকে "two-tier system" বলেছেন।

৯. সাধু ঘোষণার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন! 

সাধু হতে ২টা অলৌকিক ঘটনা লাগে। মাদারের প্রথম অলৌকিক ঘটনা: Monica Besra নামে এক আদিবাসী মহিলার পেটের টিউমার লকেট ছোঁয়ানোর পর সেরে যায়। কিন্তু Monica Besra-র স্বামী ও ডাক্তাররা পরে বলেন, টিউবারকুলোসিস ও ওভারিয়ান সিস্ট ছিল, ৯ মাসের ওষুধে সেরেছে। Vatican-এর দল এটা মানেনি।

১০. কলকাতার দারিদ্র্যকে "ব্র্যান্ডিং" করা।

Aroup Chatterjee এর বই "Mother Teresa: The Final Verdict"। তিনি বলেন মাদার কলকাতাকে "city of lepers and beggars" হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরেন, যা পর্যটন ও বিনিয়োগের ক্ষতি করেছে। তিনি "poverty porn" টার্ম ব্যবহার করেন।

১১. Charles Keating-এর সাথে সম্পর্ক! আমেরিকান ফাইনান্সার Charles Keating, ১৯৮০ দশকে Savings & Loan কেলেঙ্কারিতে ২৫২ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতি করে। Keating মাদারকে ১.২৫ মিলিয়ন ডলার দেন। Keating জেলে গেলে মাদার ক্যালিফোর্নিয়ার বিচারককে চিঠি লিখে ক্ষমা চান। তখন LA-এর ডেপুটি DA Paul Turley মাদারকে চিঠি লিখে বলেন: "আপনি চুরির টাকা ফেরত দিন"। মাদার উত্তর দেননি।

১২. মানসিক সংকট ও "অন্ধকার রাত"! 

মৃত্যুর পর প্রকাশিত চিঠি "Come Be My Light" ২০০৭। সেখানে মাদার তেরেসা লেখেন, ৫০ বছর ধরে:

"I have no faith... no love, no zeal... Heaven means nothing to me"।

Vatican বলে এটা "dark night of the soul", সাধুদের হয়। সমালোচকরা বলেন, যিনি নিজে ঈশ্বরে বিশ্বাস হারান তিনি অন্যকে ধর্মান্তর করেন কেন।

* অর্ডার, Missionaries of Charity: 

এটা একটা ধর্মীয় সংগঠন। নান-ব্রাদারদের অর্ডার। মাদার তেরেসা প্রতিষ্ঠা করেছেন ১৯৫০ সালে।

১. চ্যারিটিতে যায় সরাসরি গরিবের পিছনে খরচ। খাবার, ওষুধ, কম্বল, চিকিৎসা, স্যানিটেশন। Aroup Chatterjee বলছেন: ফান্ডের মাত্র ৭% এই খাতে যায়।

২. আর অর্ডার সম্প্রসারণে যায় সংগঠন বড় করার পিছনে খরচ। যেমন: 

- রোম, নিউ ইয়র্ক, লন্ডনে নতুন হাউজ কেনা।

- ৫০০০+ নানের থাকা-খাওয়া-কাপড়-ট্রেনিং। 

- ভ্যাটিকানে লবিং, সাধু ঘোষণার আইনি খরচ। 

- বিশ্বজুড়ে মিশনারি পাঠানোর প্লেন ভাড়া। 

- প্রিন্টিং, মিডিয়া, ডকুমেন্টারি।

১৯৯৭ সালে মাদারের মৃত্যুর সময়: ৫১৭টা মিশন, ১৩৯টা দেশে। ১৯৫০ সালে ছিল ১টা। Chatterjee-র পয়েন্ট: কোটি কোটি ডলার উঠেছে "poorest of the poor" এর নামে। 

কিন্তু সেই টাকায় গরিবের ভাগ্য বদলায় নাই। বদলিয়েছে MoC-র সাইজ। গরিব আগের মতোই গরিব, কিন্তু অর্ডার হয়ে গেছে গ্লোবাল কর্পোরেশন।


পবিত্র কোরানের আয়াত।

১. সুরা বাকারা (২:২৬)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আল্লাহ মশা কিংবা তার চেয়েও ক্ষুদ্র কোনো বস্তুর উপমা দিতে লজ্জা করেন না..."  

আরবি: "...إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي أَن يَضْرِبَ مَثَلًا مَّا بَعُوضَةً فَمَا فَوْقَهَا..."


২. সুরা বাকারা (২:২৯)  

বাংলা: "...তিনিই যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীর সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন এবং তাকে সাত আকাশে বিন্যস্ত করলেন..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ فَسَوَّاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ..."


৩. সুরা বাকারা (২:৫৭)  

বাংলা: "...আর আমি তোমাদের উপর মেঘের ছায়া দিলাম এবং তোমাদের প্রতি মান্না ও সালওয়া নাযিল করলাম..."  

আরবি: "...وَظَلَّلْنَا عَلَيْكُمُ الْغَمَامَ وَأَنزَلْنَا عَلَيْكُمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَىٰ..."


৪. সুরা বাকারা (২:৬৫-৬৬)  

বাংলা: "...আর তোমরা অবশ্যই তাদের জানো, যারা তোমাদের মধ্যে শনিবার সম্পর্কে সীমালঙ্ঘন করেছিল। আমি তাদের বললাম, তোমরা ঘৃণিত বানর হয়ে যাও। অতঃপর আমি এ ঘটনাকে তাদের সমসাময়িক ও পরবর্তীদের জন্য দৃষ্টান্ত করলাম..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ الَّذِينَ اعْتَدَوْا مِنكُمْ فِي السَّبْتِ فَقُلْنَا لَهُمْ كُونُوا قِرَدَةً خَاسِئِينَ ۝ فَجَعَلْنَاهَا نَكَالًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهَا وَمَا خَلْفَهَا..."


৫. সুরা বাকারা (২:৭৪)  

বাংলা: "...এরপরও তোমাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেল। তা পাথরের মতো কিংবা তার চেয়েও কঠিন। আর নিশ্চয় পাথরের মধ্যে কিছু আছে যা থেকে নদী প্রবাহিত হয়..."  

আরবি: "...ثُمَّ قَسَتْ قُلُوبُكُم مِّن بَعْدِ ذَٰلِكَ فَهِيَ كَالْحِجَارَةِ أَوْ أَشَدُّ قَسْوَةً وَإِنَّ مِنَ الْحِجَارَةِ لَمَا يَتَفَجَّرُ مِنْهُ الْأَنْهَارُ..."


৬. সুরা বাকারা (২:৯০)  

বাংলা: "...কত নিকৃষ্ট সেই জিনিস যার বিনিময়ে তারা নিজেদের বিক্রি করেছে, যে তারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তা অস্বীকার করে। ফলে তারা ক্রোধের উপর ক্রোধ নিয়ে ফিরল..."  

আরবি: "...بِئْسَمَا اشْتَرَوْا بِهِ أَنفُسَهُمْ أَن يَكْفُرُوا بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ... فَبَاءُوا بِغَضَبٍ عَلَىٰ غَضَبٍ..."


৭. সুরা বাকারা (২:১০২)  

বাংলা: "...আর তারা অনুসরণ করে যা শয়তানরা সুলায়মানের রাজত্বের বিরুদ্ধে আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফরি করেনি, কিন্তু শয়তানরাই কুফরি করেছিল। তারা মানুষকে জাদু শিক্ষা দিত..."  

আরবি: "...وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُو الشَّيَاطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَانَ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ..."


৮. সুরা বাকারা (২:১৬৪)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে, সেই নৌযানে যা মানুষের উপকার নিয়ে সাগরে চলে... মেঘমালায় যা আকাশ ও পৃথিবীর মাঝে নিয়ন্ত্রিত, এসবে নিদর্শন রয়েছে বুদ্ধিমান সম্প্রদায়ের জন্য..."  

আরবি: "...إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَالْفُلْكِ الَّتِي تَجْرِي فِي الْبَحْرِ... وَالسَّحَابِ الْمُسَخَّرِ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ..."


৯. সুরা বাকারা (২:২৫৯)  

বাংলা: "...অথবা সেই ব্যক্তির মতো যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যা তার ছাদের উপর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সে বলল, আল্লাহ একে মরার পর কিভাবে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে একশ বছর মৃত রাখলেন..."  

আরবি: "...أَوْ كَالَّذِي مَرَّ عَلَىٰ قَرْيَةٍ وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىٰ يُحْيِي هَٰذِهِ اللَّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا فَأَمَاتَهُ اللَّهُ مِائَةَ عَامٍ..."


১০. সুরা বাকারা (২:২৬০)  

বাংলা: "...আর যখন ইবরাহিম বলল, হে আমার প্রতিপালক, আমাকে দেখান কিভাবে আপনি মৃতকে জীবিত করেন। তিনি বললেন, তুমি কি বিশ্বাস কর না? সে বলল, অবশ্যই করি, কিন্তু আমার অন্তরের প্রশান্তির জন্য..."  

আরবি: "...وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ أَرِنِي كَيْفَ تُحْيِي الْمَوْتَىٰ قَالَ أَوَلَمْ تُؤْمِن قَالَ بَلَىٰ وَلَٰكِن لِّيَطْمَئِنَّ قَلْبِي..."


১১. সুরা আলে ইমরান (৩:৫৯)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আল্লাহর কাছে ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের মতো। তাকে তিনি মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে বললেন, হও, ফলে সে হয়ে গেল..."  

আরবি: "...إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ اللَّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثُمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ..."


১২. সুরা মায়িদা (৫:৬০)  

বাংলা: "...বল, আমি কি তোমাদের জানাব তাদের চেয়েও নিকৃষ্ট পরিণামের কথা আল্লাহর কাছে? তারা হলো যাদের উপর আল্লাহ লা’নত করেছেন ও ক্রোধ নাযিল করেছেন এবং যাদের কতককে বানর ও শূকর করেছেন..."  

আরবি: "...قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ اللَّهِ مَن لَّعَنَهُ اللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ وَجَعَلَ مِنْهُمُ الْقِرَدَةَ وَالْخَنَازِيرَ..."


১৩. সুরা মায়িদা (৫:১১০)  

বাংলা: "...যখন আল্লাহ বলবেন, হে মারইয়াম পুত্র ঈসা, আমার নেয়ামত স্মরণ কর... আর যখন তুমি কাদা দিয়ে পাখির আকৃতি গড়তে আমার অনুমতিক্রমে, অতঃপর তাতে ফুঁ দিতে, ফলে তা পাখি হয়ে যেত আমার অনুমতিক্রমে..."  

আরবি: "...إِذْ قَالَ اللَّهُ يَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ اذْكُرْ نِعْمَتِي عَلَيْكَ... وَإِذْ تَخْلُقُ مِنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ بِإِذْنِي فَتَنفُخُ فِيهَا فَتَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِي..."


১৪. সুরা আনআম (৬:২)  

বাংলা: "...তিনিই তোমাদের কাদা থেকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর একটি মেয়াদ নির্ধারণ করেছেন। আর একটি নির্ধারিত মেয়াদ তাঁর কাছে রয়েছে..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن طِينٍ ثُمَّ قَضَىٰ أَجَلًا وَأَجَلٌ مُّسَمًّى عِندَهُ..."


১৫. সুরা আনআম (৬:৬)  

বাংলা: "...তারা কি দেখেনি, আমি তাদের আগে কত মানবগোষ্ঠী ধ্বংস করেছি? তাদের আমি পৃথিবীতে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম যেমন তোমাদের করিনি। আর তাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করেছিলাম..."  

আরবি: "...أَلَمْ يَرَوْا كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّن قَرْنٍ مَّكَّنَّاهُمْ فِي الْأَرْضِ مَا لَمْ نُمَكِّن لَّكُمْ وَأَرْسَلْنَا السَّمَاءَ عَلَيْهِم مِّدْرَارًا..."


১৬. সুরা আনআম (৬:৩৮)  

বাংলা: "...আর পৃথিবীতে বিচরণকারী কোনো জীব এবং দুই ডানায় উড়ে চলা কোনো পাখি নেই, কিন্তু তারা তোমাদের মতোই জাতি..."  

আরবি: "...وَمَا مِن دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا طَائِرٍ يَطِيرُ بِجَنَاحَيْهِ إِلَّا أُمَمٌ أَمْثَالُكُم..."


১৭. সুরা আরাফ (৭:৫৪)  

বাংলা: "...নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, যিনি আকাশ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি রাত দিয়ে দিনকে ঢেকে দেন..."  

আরবি: "...إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ..."


১৮. সুরা আরাফ (৭:৭১)  

বাংলা: "...সে বলল, তোমাদের উপর তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অপবিত্রতা ও ক্রোধ অবধারিত হয়ে গেছে। তোমরা কি আমার সাথে এমন নামগুলো নিয়ে বিতর্ক করছ..."  

আরবি: "...قَالَ قَدْ وَقَعَ عَلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ رِجْسٌ وَغَضَبٌ أَتُجَادِلُونَنِي فِي أَسْمَاءٍ..."


১৯. সুরা আরাফ (৭:১০৭-১০৮)  

বাংলা: "...অতঃপর সে তার লাঠি নিক্ষেপ করল, ফলে তা সাথে সাথে এক স্পষ্ট অজগর হয়ে গেল। আর সে তার হাত বের করল, ফলে তা দর্শকদের সামনে উজ্জ্বল সাদা হয়ে গেল..."  

আরবি: "...فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُّبِينٌ ۝ وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا هِيَ بَيْضَاءُ لِلنَّاظِرِينَ..."


২০. সুরা আরাফ (৭:১৩৩)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি তাদের উপর পাঠালাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত - স্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে। তবুও তারা অহংকার করল..."  

আরবি: "...فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الطُّوفَانَ وَالْجَرَادَ وَالْقُمَّلَ وَالضَّفَادِعَ وَالدَّمَ آيَاتٍ مُّفَصَّلَاتٍ فَاسْتَكْبَرُوا..."


২১. সুরা আরাফ (৭:১৪৩)  

বাংলা: "...আর যখন মুসা আমার নির্ধারিত সময়ে আসল এবং তার প্রতিপালক তার সাথে কথা বললেন, সে বলল, হে আমার প্রতিপালক, আমাকে দেখান, আমি আপনাকে দেখব। তিনি বললেন, তুমি আমাকে কখনো দেখবে না। কিন্তু পাহাড়ের দিকে তাকাও..."  

আরবি: "...وَلَمَّا جَاءَ مُوسَىٰ لِمِيقَاتِنَا وَكَلَّمَهُ رَبُّهُ قَالَ رَبِّ أَرِنِي أَنظُرْ إِلَيْكَ قَالَ لَن تَرَانِي وَلَٰكِنِ انظُرْ إِلَى الْجَبَلِ..."


২২. সুরা আরাফ (৭:১৫২)  

বাংলা: "...নিশ্চয় যারা গোবৎসকে উপাস্য করেছে, শীঘ্রই তাদের উপর তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে ক্রোধ ও পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনা পতিত হবে..."  

আরবি: "...إِنَّ الَّذِينَ اتَّخَذُوا الْعِجْلَ سَيَنَالُهُمْ غَضَبٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَذِلَّةٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا..."


২৩. সুরা আরাফ (৭:১৬০)  

বাংলা: "...আর আমি তাদের বারো গোত্রে বিভক্ত করলাম। আর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম, যখন তার সম্প্রদায় তার কাছে পানি চাইল, যে তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর..."  

আরবি: "...وَقَطَّعْنَاهُمُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أَسْبَاطًا أُمَمًا وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ إِذِ اسْتَسْقَاهُ قَوْمُهُ أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْحَجَرَ..."


২৪. সুরা আরাফ (৭:১৭১)  

বাংলা: "...আর যখন আমি পাহাড়কে তাদের উপর তুলে ধরলাম, যেন তা একটা ছাউনি। আর তারা ধারণা করল যে তা তাদের উপর পতিত হবে..."  

আরবি: "...وَإِذْ نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ كَأَنَّهُ ظُلَّةٌ وَظَنُّوا أَنَّهُ وَاقِعٌ بِهِمْ..."


২৫. সুরা আনফাল (৮:১১)  

বাংলা: "...যখন তিনি তোমাদের তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করলেন তাঁর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা হিসেবে এবং আকাশ থেকে তোমাদের উপর পানি বর্ষণ করলেন..."  

আরবি: "...إِذْ يُغَشِّيكُمُ النُّعَاسَ أَمَنَةً مِّنْهُ وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُم مِّنَ السَّمَاءِ مَاءً..."


২৬. সুরা তাওবা (৯:৪০)  

বাংলা: "...যদি তোমরা তাকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহ তাকে সাহায্য করেছেন। যখন কাফেররা তাকে বের করে দিয়েছিল, দুজনের দ্বিতীয়জন। যখন তারা দুজন গুহায় ছিল..."  

আরবি: "...إِلَّا تَنصُرُوهُ فَقَدْ نَصَرَهُ اللَّهُ إِذْ أَخْرَجَهُ الَّذِينَ كَفَرُوا ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ..."


২৭. সুরা ইউনুস (১০:৫)  

বাংলা: "...তিনিই সূর্যকে দীপ্তিময় এবং চাঁদকে আলোকময় করেছেন এবং তার জন্য মনযিল নির্ধারণ করেছেন..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً وَالْقَمَرَ نُورًا وَقَدَّرَهُ مَنَازِلَ..."


২৮. সুরা ইউনুস (১০:২২)  

বাংলা: "...তিনিই তোমাদের স্থলে ও সমুদ্রে ভ্রমণ করান। এমনকি যখন তোমরা নৌকায় থাক এবং সেগুলো তাদের নিয়ে অনুকূল বাতাসে চলে..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي يُسَيِّرُكُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ حَتَّىٰ إِذَا كُنتُمْ فِي الْفُلْكِ وَجَرَيْنَ بِهِم بِرِيحٍ طَيِّبَةٍ..."


২৯. সুরা ইউনুস (১০:৯২)  

বাংলা: "...অতঃপর আজ আমি তোমার দেহকে রক্ষা করব, যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হও..."  

আরবি: "...فَالْيَوْمَ نُنَجِّيكَ بِبَدَنِكَ لِتَكُونَ لِمَنْ خَلْفَكَ آيَةً..."


৩০. সুরা হুদ (১১:৪০)  

বাংলা: "...অবশেষে যখন আমার আদেশ আসল এবং চুলা উথলে উঠল, আমি বললাম, এতে উঠিয়ে নাও প্রত্যেক শ্রেণীর দুই জোড়া..."  

আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا جَاءَ أَمْرُنَا وَفَارَ التَّنُّورُ قُلْنَا احْمِلْ فِيهَا مِن كُلٍّ زَوْجَيْنِ اثْنَيْنِ..."


৩১. সুরা হুদ (১১:৪৪)  

বাংলা: "...আর বলা হলো, হে পৃথিবী, তোমার পানি গিলে ফেল। হে আকাশ, থেমে যাও। আর পানি হ্রাস পেল এবং কাজ সমাপ্ত হলো..."  

আরবি: "...وَقِيلَ يَا أَرْضُ ابْلَعِي مَاءَكِ وَيَا سَمَاءُ أَقْلِعِي وَغِيضَ الْمَاءُ وَقُضِيَ الْأَمْرُ..."


৩২. সুরা হুদ (১১:৮২-৮৩)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন আমার আদেশ আসল, আমি তার উপরকে নিচ করে দিলাম এবং তাদের উপর পোড়ামাটির পাথর বর্ষণ করলাম স্তরে স্তরে। যা তোমার প্রতিপালকের কাছে চিহ্নিত..."  

আরবি: "...فَلَمَّا جَاءَ أَمْرُنَا جَعَلْنَا عَالِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهَا حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ مَّنضُودٍ ۝ مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ..."


৩৩. সুরা ইউসুফ (১২:৪৩)  

বাংলা: "...আর বাদশাহ বলল, আমি স্বপ্নে দেখলাম সাতটি মোটাতাজা গাভী, তাদের খাচ্ছে সাতটি শীর্ণ গাভী। আর সাতটি সবুজ শীষ এবং অন্যগুলো শুকনো..."  

আরবি: "...وَقَالَ الْمَلِكُ إِنِّي أَرَىٰ سَبْعَ بَقَرَاتٍ سِمَانٍ يَأْكُلُهُنَّ سَبْعٌ عِجَافٌ وَسَبْعَ سُنبُلَاتٍ خُضْرٍ وَأُخَرَ يَابِسَاتٍ..."


৩৪. সুরা রা’দ (১৩:২)  

বাংলা: "...আল্লাহই আকাশমণ্ডলীকে স্তম্ভ ছাড়া উঁচু করেছেন, যা তোমরা দেখছ। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। আর তিনি সূর্য ও চাঁদকে নিয়ন্ত্রিত করেছেন..."  

আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي رَفَعَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ..."


৩৫. সুরা নাহল (১৬:৬৯)  

বাংলা: "...অতঃপর প্রত্যেক ফল থেকে কিছু-কিছু খাও এবং তোমার প্রতিপালকের সহজ পথে চল। তার পেট থেকে বের হয় বিভিন্ন রঙের পানীয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে আরোগ্য..."  

আরবি: "...ثُمَّ كُلِي مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ..."


৩৬. সুরা ইসরা (১৭:১)  

বাংলা: "...পবিত্র সেই সত্তা যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যার চারপাশ আমি বরকতময় করেছি..."  

আরবি: "...سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِ لَيْلًا مِّنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى الَّذِي بَارَكْنَا حَوْلَهُ..."


৩৭. সুরা ইসরা (১৭:৪৪)  

বাংলা: "...সাত আকাশ ও পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যে যা আছে সব তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। আর এমন কিছু নেই যা তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করে না..."  

আরবি: "...تُسَبِّحُ لَهُ السَّمَاوَاتُ السَّبْعُ وَالْأَرْضُ وَمَن فِيهِنَّ وَإِن مِّن شَيْءٍ إِلَّا يُسَبِّحُ بِحَمْدِهِ..."


৩৮. সুরা ইসরা (১৭:৬০)  

বাংলা: "...আর স্মরণ কর, যখন আমি তোমাকে বলেছিলাম, নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক মানুষকে পরিবেষ্টন করে আছেন। আর আমি যে দৃশ্য তোমাকে দেখিয়েছি তা কেবল মানুষের জন্য পরীক্ষা..."  

আরবি: "...وَإِذْ قُلْنَا لَكَ إِنَّ رَبَّكَ أَحَاطَ بِالنَّاسِ وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي أَرَيْنَاكَ إِلَّا فِتْنَةً لِّلنَّاسِ..."


৩৯. সুরা ইসরা (১৭:৮৮)  

বাংলা: "...বল, যদি মানুষ ও জিন এই কোরআনের মতো কিছু আনার জন্য একত্র হয়, তারা এর মতো আনতে পারবে না, যদিও তারা একে অপরের সাহায্যকারী হয়..."  

আরবি: "...قُل لَّئِنِ اجْتَمَعَتِ الْإِنسُ وَالْجِنُّ عَلَىٰ أَن يَأْتُوا بِمِثْلِ هَٰذَا الْقُرْآنِ لَا يَأْتُونَ بِمِثْلِهِ وَلَوْ كَانَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ ظَهِيرًا..."


৪০. সুরা কাহফ (১৮:৯-২৬)  

বাংলা: "...তুমি কি মনে কর যে গুহা ও রকীমের অধিবাসীরা আমার নিদর্শনগুলোর মধ্যে বিস্ময়কর ছিল? যখন যুবকরা গুহায় আশ্রয় নিল... আর আমরা তাদের গুহায় তিনশ বছর ঘুমিয়ে রাখলাম এবং আরও নয় বছর বাড়ালাম..."  

আরবি: "...أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا ۝ إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ... وَلَبِثُوا فِي كَهْفِهِمْ ثَلَاثَ مِائَةٍ سِنِينَ وَازْدَادُوا تِسْعًا..."


৪১. সুরা কাহফ (১৮:৬০-৮২)  

বাংলা: "...আর যখন মুসা তার যুবককে বলল, আমি চলতে থাকব যতক্ষণ না দুই সাগরের মিলনস্থলে পৌঁছি... অতঃপর তারা আমার বান্দাদের একজনকে পেল, যাকে আমি আমার পক্ষ থেকে রহমত দিয়েছিলাম..."  

আরবি: "...وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِفَتَاهُ لَا أَبْرَحُ حَتَّىٰ أَبْلُغَ مَجْمَعَ الْبَحْرَيْنِ... فَوَجَدَا عَبْدًا مِّنْ عِبَادِنَا آتَيْنَاهُ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا..."


৪২. সুরা কাহফ (১৮:৮৬)  

বাংলা: "...অবশেষে যখন সে সূর্যাস্তের স্থানে পৌঁছল, সে তাকে একটি কর্দমাক্ত ঝরনায় অস্ত যেতে দেখল..."  

আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا بَلَغَ مَغْرِبَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَغْرُبُ فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ..."


৪৩. সুরা কাহফ (১৮:৯৪-৯৮)  

বাংলা: "...তারা বলল, হে যুলকারনাইন, নিশ্চয় ইয়াজুজ ও মাজুজ পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করছে... সে বলল, তোমরা আমাকে লোহার পাত এনে দাও... অতঃপর যখন সে তা আগুনের মতো করল, বলল, গলিত তামা আনো..."  

আরবি: "...قَالُوا يَا ذَا الْقَرْنَيْنِ إِنَّ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ... قَالَ آتُونِي زُبَرَ الْحَدِيدِ... قَالَ آتُونِي أُفْرِغْ عَلَيْهِ قِطْرًا..."


৪৪. সুরা ত্বাহা (২০:৫)  

বাংলা: "...দয়াময় আরশে সমাসীন হলেন..."  

আরবি: "...الرَّحْمَٰنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَىٰ..."


৪৫. সুরা ত্বাহা (২০:২০)  

বাংলা: "...অতঃপর সে তা নিক্ষেপ করল, ফলে তা সাথে সাথে সাপ হয়ে ছুটতে লাগল..."  

আরবি: "...فَأَلْقَاهَا فَإِذَا هِيَ حَيَّةٌ تَسْعَىٰ..."


৪৬. সুরা ত্বাহা (২০:৭৭)  

বাংলা: "...আর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম যে, আমার বান্দাদের নিয়ে রাতে বের হও এবং তাদের জন্য সমুদ্রে শুকনো পথ তৈরি কর..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ أَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِي فَاضْرِبْ لَهُمْ طَرِيقًا فِي الْبَحْرِ يَبَسًا..."


৪৭. সুরা ত্বাহা (২০:৮১)  

বাংলা: "...আমার দেওয়া পবিত্র রিযিক থেকে খাও এবং এতে সীমালঙ্ঘন করো না, নইলে তোমাদের উপর আমার ক্রোধ নেমে আসবে। আর আমার ক্রোধ যার উপর পতিত হয়, সে ধ্বংস হয়ে যায়..."  

আরবি: "...كُلُوا مِن طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَلَا تَطْغَوْا فِيهِ فَيَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبِي وَمَن يَحْلِلْ عَلَيْهِ غَضَبِي فَقَدْ هَوَىٰ..."


৪৮. সুরা ত্বাহা (২০:৮৬)  

বাংলা: "...অতঃপর মুসা তার সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গেল ক্রুদ্ধ, দুঃখিত হয়ে। সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতিপালক কি তোমাদের উত্তম প্রতিশ্রুতি দেননি..."  

আরবি: "...فَرَجَعَ مُوسَىٰ إِلَىٰ قَوْمِهِ غَضْبَانَ أَسِفًا قَالَ يَا قَوْمِ أَلَمْ يَعِدْكُمْ رَبُّكُمْ وَعْدًا حَسَنًا..."


৪৯. সুরা আম্বিয়া (২১:৩০)  

বাংলা: "...কাফেররা কি দেখে না যে আকাশ ও পৃথিবী মিলিত ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে আলাদা করলাম। আর আমি পানি থেকে প্রত্যেক জীবন্ত বস্তু সৃষ্টি করলাম..."  

আরবি: "...أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ..."


৫০. সুরা আম্বিয়া (২১:৩৩)  

বাংলা: "...আর তিনিই রাত ও দিন এবং সূর্য ও চাঁদ সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে..."  

আরবি: "...وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ..."


৫১. সুরা আম্বিয়া (২১:৬৯)  

বাংলা: "...আমি বললাম, হে আগুন, তুমি ইবরাহিমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও..."  

আরবি: "...قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ..."


৫২. সুরা আম্বিয়া (২১:৭৮-৭৯)  

বাংলা: "...আর দাউদ ও সুলায়মান, যখন তারা শস্যক্ষেত্র সম্পর্কে বিচার করছিল... অতঃপর আমি সুলায়মানকে তা বুঝিয়ে দিলাম। আর প্রত্যেককে আমি প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দিয়েছিলাম..."  

আরবি: "...وَدَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِي الْحَرْثِ... فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًا..."


৫৩. সুরা আম্বিয়া (২১:৮২)  

বাংলা: "...আর শয়তানদের মধ্যে কিছু ছিল যারা তার জন্য ডুব দিত এবং এছাড়া অন্য কাজও করত। আর আমি ছিলাম তাদের রক্ষক..."  

আরবি: "...وَمِنَ الشَّيَاطِينِ مَن يَغُوصُونَ لَهُ وَيَعْمَلُونَ عَمَلًا دُونَ ذَٰلِكَ وَكُنَّا لَهُمْ حَافِظِينَ..."


৫৪. সুরা আম্বিয়া (২১:৮৭)  

বাংলা: "...আর মাছওয়ালা, যখন সে ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গেল এবং ধারণা করল যে আমি তার উপর সংকীর্ণ করব না। অতঃপর সে অন্ধকারে ডেকে বলল, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই..."  

আরবি: "...وَذَا النُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ أَن لَّن نَّقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَىٰ فِي الظُّلُمَاتِ أَن لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ..."


৫৫. সুরা আম্বিয়া (২১:৯৬)  

বাংলা: "...অবশেষে যখন ইয়াজুজ ও মাজুজকে খুলে দেওয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উঁচু ভূমি থেকে ছুটে আসবে..."  

আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُم مِّن كُلِّ حَدَبٍ يَنسِلُونَ..."


৫৬. সুরা হজ (২২:১৮)  

বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহকে সিজদা করে যা কিছু আকাশে আছে এবং যা কিছু পৃথিবীতে আছে, আর সূর্য, চাঁদ, তারকা, পাহাড়, গাছ, জীবজন্তু..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يَسْجُدُ لَهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَمَن فِي الْأَرْضِ وَالشَّمْسُ وَالْقَمَرُ وَالنُّجُومُ وَالْجِبَالُ وَالشَّجَرُ وَالدَّوَابُّ..."


৫৭. সুরা হজ (২২:৬৫)  

বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ তোমাদের জন্য পৃথিবীর সবকিছু নিয়ন্ত্রিত করেছেন এবং নৌযান সমুদ্রে তাঁর আদেশে চলে। আর তিনি আকাশকে ধরে রেখেছেন যাতে তা পৃথিবীর উপর পতিত না হয়..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ وَالْفُلْكَ تَجْرِي فِي الْبَحْرِ بِأَمْرِهِ وَيُمْسِكُ السَّمَاءَ أَن تَقَعَ عَلَى الْأَرْضِ..."


৫৮. সুরা মু’মিনুন (২৩:১৪)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি শুক্রকে জমাট রক্ত করলাম, অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিণ্ড করলাম, অতঃপর মাংসপিণ্ডকে হাড় করলাম, অতঃপর হাড়কে মাংস দিয়ে ঢেকে দিলাম..."  

আরবি: "...ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظَامًا فَكَسَوْنَا الْعِظَامَ لَحْمًا..."


৫৯. সুরা মু’মিনুন (২৩:১৭)  

বাংলা: "...আর আমি তোমাদের উপর সাতটি পথ সৃষ্টি করেছি। আর আমি সৃষ্টি সম্পর্কে উদাসীন নই..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ خَلَقْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعَ طَرَائِقَ وَمَا كُنَّا عَنِ الْخَلْقِ غَافِلِينَ..."


৬০. সুরা নূর (২৪:৩৫)  

বাংলা: "...আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবীর আলো। তাঁর আলোর উপমা যেন একটি তাক, যাতে আছে একটি প্রদীপ। প্রদীপটি একটি কাঁচের মধ্যে..."  

আরবি: "...اللَّهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ..."


৬১. সুরা নূর (২৪:৪০)  

বাংলা: "...অথবা গভীর সমুদ্রের অন্ধকারের মতো, তাকে ঢেকে রাখে ঢেউয়ের উপর ঢেউ, তার উপরে মেঘ। অন্ধকারের উপর অন্ধকার..."  

আরবি: "...أَوْ كَظُلُمَاتٍ فِي بَحْرٍ لُّجِّيٍّ يَغْشَاهُ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِ سَحَابٌ ظُلُمَاتٌ بَعْضُهَا فَوْقَ بَعْضٍ..."


৬২. সুরা নূর (২৪:৪৩)  

বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ মেঘকে চালান, অতঃপর তাদের একত্র করেন, অতঃপর স্তূপ করেন। অতঃপর তুমি তার মাঝ থেকে বৃষ্টি বের হতে দেখ..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُزْجِي سَحَابًا ثُمَّ يُؤَلِّفُ بَيْنَهُ ثُمَّ يَجْعَلُهُ رُكَامًا فَتَرَى الْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَالِهِ..."


৬৩. সুরা নূর (২৪:৪৫)  

বাংলা: "...আর আল্লাহ প্রত্যেক জীবকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাদের মধ্যে কিছু পেটে ভর দিয়ে চলে, কিছু দুই পায়ে চলে, আর কিছু চার পায়ে চলে..."  

আরবি: "...وَاللَّهُ خَلَقَ كُلَّ دَابَّةٍ مِّن مَّاءٍ فَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ بَطْنِهِ وَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ رِجْلَيْنِ وَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ أَرْبَعٍ..."


৬৪. সুরা ফুরকান (২৫:৪৫)  

বাংলা: "...তুমি কি তোমার প্রতিপালকের দিকে দেখ না, কিভাবে তিনি ছায়াকে লম্বা করেন। আর তিনি চাইলে তাকে স্থির রাখতে পারতেন..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ إِلَىٰ رَبِّكَ كَيْفَ مَدَّ الظِّلَّ وَلَوْ شَاءَ لَجَعَلَهُ سَاكِنًا..."


৬৫. সুরা ফুরকান (২৫:৫৩)  

বাংলা: "...আর তিনিই দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেছেন। এটি মিষ্টি, সুপেয়। আর এটি লবণাক্ত, তিক্ত। আর উভয়ের মাঝে রেখেছেন একটি অন্তরায়..."  

আরবি: "...وَهُوَ الَّذِي مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ هَٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ وَهَٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَجَعَلَ بَيْنَهُمَا بَرْزَخًا..."


৬৬. সুরা ফুরকান (২৫:৫৯)  

বাংলা: "...যিনি আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝে যা আছে সব ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি দয়াময়..."  

আরবি: "...الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ الرَّحْمَٰنُ..."


৬৭. সুরা শুআরা (২৬:৬৩)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম, তোমার লাঠি দিয়ে সমুদ্রে আঘাত কর। ফলে তা ফেটে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পাহাড়ের মতো হয়ে গেল..."  

আরবি: "...فَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْبَحْرَ فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ..."


৬৮. সুরা নমল (২৭:১৮)  

বাংলা: "...অবশেষে যখন তারা পিঁপড়ার উপত্যকায় পৌঁছল, এক পিঁপড়া বলল, হে পিঁপড়ারা, তোমাদের গর্তে প্রবেশ কর..."  

আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا أَتَوْا عَلَىٰ وَادِ النَّمْلِ قَالَتْ نَمْلَةٌ يَا أَيُّهَا النَّمْلُ ادْخُلُوا مَسَاكِنَكُمْ..."


৬৯. সুরা নমল (২৭:২০-২২)  

বাংলা: "...আর সে পাখিদের খোঁজ নিল, অতঃপর বলল, আমার কী হলো যে আমি হুদহুদকে দেখছি না... সে বলল, আমি এমন কিছু জেনেছি যা আপনি জানেন না..."  

আরবি: "...وَتَفَقَّدَ الطَّيْرَ فَقَالَ مَا لِيَ لَا أَرَى الْهُدْهُدَ... فَقَالَ أَحَطتُ بِمَا لَمْ تُحِطْ بِهِ..."


৭০. সুরা নমল (২৭:৩৮-৪০)  

বাংলা: "...সে বলল, হে সভাসদ, তোমাদের মধ্যে কে তার সিংহাসন আমার কাছে নিয়ে আসবে... যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল সে বলল, আমি তা আপনার কাছে আনব আপনার চোখের পলক ফেরার আগেই..."  

আরবি: "...قَالَ يَا أَيُّهَا الْمَلَأُ أَيُّكُمْ يَأْتِينِي بِعَرْشِهَا... قَالَ الَّذِي عِندَهُ عِلْمٌ مِّنَ الْكِتَابِ أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَن يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ..."


৭১. সুরা কাসাস (২৮:৭-৮)  

বাংলা: "...আর আমি মুসার মায়ের প্রতি ওহী পাঠালাম, তাকে দুধ পান করাও। অতঃপর যখন তুমি তার ব্যাপারে ভয় কর, তখন তাকে নদীতে নিক্ষেপ কর..."  

আরবি: "...وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ أُمِّ مُوسَىٰ أَنْ أَرْضِعِيهِ فَإِذَا خِفْتِ عَلَيْهِ فَأَلْقِيهِ فِي الْيَمِّ..."


৭২. সুরা কাসাস (২৮:৩১)  

বাংলা: "...আর তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর। অতঃপর যখন সে তাকে সাপের মতো ছুটতে দেখল, সে পিছনে ফিরে পালাল..."  

আরবি: "...وَأَنْ أَلْقِ عَصَاكَ فَلَمَّا رَآهَا تَهْتَزُّ كَأَنَّهَا جَانٌّ وَلَّىٰ مُدْبِرًا..."


৭৩. সুরা আনকাবুত (২৯:১৪)  

বাংলা: "...আর আমি নূহকে তার সম্প্রদায়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর সে তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর অবস্থান করল..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِ فَلَبِثَ فِيهِمْ أَلْفَ سَنَةٍ إِلَّا خَمْسِينَ عَامًا..."


৭৪. সুরা আনকাবুত (২৯:৪১)  

বাংলা: "...যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদের অভিভাবক গ্রহণ করে তাদের দৃষ্টান্ত মাকড়সার মতো, যে ঘর বানায়। আর নিশ্চয় সবচেয়ে দুর্বল ঘর মাকড়সার ঘর..."  

আরবি: "...مَثَلُ الَّذِينَ اتَّخَذُوا مِن دُونِ اللَّهِ أَوْلِيَاءَ كَمَثَلِ الْعَنكَبُوتِ اتَّخَذَتْ بَيْتًا وَإِنَّ أَوْهَنَ الْبُيُوتِ لَبَيْتُ الْعَنكَبُوتِ..."


৭৫. সুরা রুম (৩০:৪৮)  

বাংলা: "...আল্লাহই বাতাস পাঠান, অতঃপর তা মেঘমালা সঞ্চালিত করে। অতঃপর তিনি তা আকাশে যেভাবে চান ছড়িয়ে দেন..."  

আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي يُرْسِلُ الرِّيَاحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَيَبْسُطُهُ فِي السَّمَاءِ كَيْفَ يَشَاءُ..."


৭৬. সুরা লুকমান (৩১:১০)  

বাংলা: "...তিনি আকাশমণ্ডলী সৃষ্টি করেছেন স্তম্ভ ছাড়া, যা তোমরা দেখছ। আর পৃথিবীতে পাহাড় স্থাপন করেছেন যাতে তা তোমাদের নিয়ে হেলে না পড়ে..."  

আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا وَأَلْقَىٰ فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِكُمْ..."


৭৭. সুরা সাজদা (৩২:৪)  

বাংলা: "...আল্লাহই আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝে যা আছে সব ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন..."  

আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ..."


৭৮. সুরা সাজদা (৩২:৫)  

বাংলা: "...তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সব বিষয় পরিচালনা করেন। অতঃপর তা তাঁর কাছে উঠে যায় এমন এক দিনে যার পরিমাণ তোমাদের গণনায় এক হাজার বছর..."  

আরবি: "...يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ..."


৭৯. সুরা আহযাব (৩৩:৭২)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আমি আকাশ, পৃথিবী ও পাহাড়ের কাছে আমানত পেশ করেছিলাম। অতঃপর তারা তা বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হলো..."  

আরবি: "...إِنَّا عَرَضْنَا الْأَمَانَةَ عَلَى السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالْجِبَالِ فَأَبَيْنَ أَن يَحْمِلْنَهَا وَأَشْفَقْنَ مِنْهَا..."


৮০. সুরা সাবা (৩৪:১০-১১)  

বাংলা: "...আর আমি দাউদকে আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ দিয়েছিলাম। হে পাহাড়, তার সাথে তাসবীহ পাঠ কর। আর পাখিদেরও। আর আমি তার জন্য লোহা নরম করেছিলাম..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ آتَيْنَا دَاوُودَ مِنَّا فَضْلًا يَا جِبَالُ أَوِّبِي مَعَهُ وَالطَّيْرَ وَأَلَنَّا لَهُ الْحَدِيدَ..."


৮১. সুরা সাবা (৩৪:১২)  

বাংলা: "...আর সুলায়মানের জন্য বাতাস, তার সকালের যাত্রা এক মাসের পথ এবং বিকালের যাত্রা এক মাসের পথ। আর আমি তার জন্য গলিত তামার ঝরনা প্রবাহিত করেছিলাম..."  

আরবি: "...وَلِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ غُدُوُّهَا شَهْرٌ وَرَوَاحُهَا شَهْرٌ وَأَسَلْنَا لَهُ عَيْنَ الْقِطْرِ..."


৮২. সুরা সাবা (৩৪:১৪)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন আমি তার মৃত্যুর ফয়সালা করলাম, পৃথিবীর পোকা ছাড়া কেউ তাদের তার মৃত্যু সম্পর্কে জানায়নি, যা তার লাঠি খাচ্ছিল..."  

আরবি: "...فَلَمَّا قَضَيْنَا عَلَيْهِ الْمَوْتَ مَا دَلَّهُمْ عَلَىٰ مَوْتِهِ إِلَّا دَابَّةُ الْأَرْضِ تَأْكُلُ مِنسَأَتَهُ..."


৮৩. সুরা ফাতির (৩৫:১)  

বাংলা: "...সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, ফেরেশতাদের বানিয়েছেন বার্তাবাহক, যাদের দুই দুই, তিন তিন, চার চার ডানা আছে..."  

আরবি: "...الْحَمْدُ لِلَّهِ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَاعِلِ الْمَلَائِكَةِ رُسُلًا أُولِي أَجْنِحَةٍ مَّثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ..."


৮৪. সুরা ফাতির (৩৫:২৭)  

বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর আমি তা দিয়ে বিভিন্ন রঙের ফল বের করি। আর পাহাড়ের মধ্যে আছে সাদা ও লাল রেখা..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ أَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجْنَا بِهِ ثَمَرَاتٍ مُّخْتَلِفًا أَلْوَانُهَا وَمِنَ الْجِبَالِ جُدَدٌ بِيضٌ وَحُمْرٌ..."


৮৫. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৩৮)  

বাংলা: "...আর সূর্য তার নির্ধারিত স্থানের দিকে চলছে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নির্ধারণ..."  

আরবি: "...وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَّهَا ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ..."


৮৬. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৩৯)  

বাংলা: "...আর চাঁদের জন্য আমি মনযিল নির্ধারণ করেছি, অবশেষে তা পুরনো খেজুর শাখার মতো হয়ে ফিরে আসে..."  

আরবি: "...وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ حَتَّىٰ عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ..."


৮৭. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৪০)  

বাংলা: "...সূর্যের সাধ্য নেই চাঁদকে ধরার, আর রাত দিনকে অতিক্রম করতে পারে না। আর প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে..."  

আরবি: "...لَا الشَّمْسُ يَنبَغِي لَهَا أَن تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ..."


৮৮. সুরা সাফফাত (৩৭:৬-৭)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আমি দুনিয়ার আকাশকে তারকারাজির সৌন্দর্য দিয়ে সাজিয়েছি। আর প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে রক্ষা করেছি..."  

আরবি: "...إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ ۝ وَحِفْظًا مِّن كُلِّ شَيْطَانٍ مَّارِدٍ..."


৮৯. সুরা সাফফাত (৩৭:১০২)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন সে তার সাথে চলার বয়সে পৌঁছল, সে বলল, হে আমার পুত্র, আমি স্বপ্নে দেখছি যে আমি তোমাকে জবাই করছি..."  

আরবি: "...فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ يَا بُنَيَّ إِنِّي أَرَىٰ فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ..."


৯০. সুরা সাফফাত (৩৭:১৪২-১৪৫)  

বাংলা: "...অতঃপর মাছ তাকে গিলে ফেলল, আর সে ছিল তিরস্কৃত। যদি সে তাসবীহ পাঠকারীদের অন্তর্ভুক্ত না হতো, তবে সে কিয়ামত পর্যন্ত তার পেটে থাকত..."  

আরবি: "...فَالْتَقَمَهُ الْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌ ۝ فَلَوْلَا أَنَّهُ كَانَ مِنَ الْمُسَبِّحِينَ ۝ لَلَبِثَ فِي بَطْنِهِ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ..."


৯১. সুরা সাদ (৩৮:৩৬-৩৮)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি তার জন্য বাতাসকে নিয়ন্ত্রিত করলাম, যা তার আদেশে যেখানে সে চাইত নরমভাবে প্রবাহিত হতো। আর শয়তানদের, প্রত্যেক নির্মাতা ও ডুবুরি..."  

আরবি: "...فَسَخَّرْنَا لَهُ الرِّيحَ تَجْرِي بِأَمْرِهِ رُخَاءً حَيْثُ أَصَابَ ۝ وَالشَّيَاطِينَ كُلَّ بَنَّاءٍ وَغَوَّاصٍ..."


৯২. সুরা জুমার (৩৯:৫)  

বাংলা: "...তিনি আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাতকে দিনের উপর জড়িয়ে দেন এবং দিনকে রাতের উপর জড়িয়ে দেন..."  

আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ يُكَوِّرُ اللَّيْلَ عَلَى النَّهَارِ وَيُكَوِّرُ النَّهَارَ عَلَى اللَّيْلِ..."


৯৩. সুরা জুমার (৩৯:৬৭)  

বাংলা: "...আর তারা আল্লাহকে যথাযথ মর্যাদা দেয়নি। আর কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর মুঠোয় এবং আকাশমণ্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতে গুটানো..."  

আরবি: "...وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ وَالْأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّمَاوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ..."


৯৪. সুরা গাফির (৪০:৬৪)  

বাংলা: "...আল্লাহই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বাসস্থান এবং আকাশকে ছাদ করেছেন। আর তিনি তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন..."  

আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ قَرَارًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ..."


৯৫. সুরা ফুসসিলাত (৪১:১১)  

বাংলা: "...অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন, আর তা ছিল ধোঁয়া। অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়..."  

আরবি: "...ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ وَهِيَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ائْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا..."


৯৬. সুরা ফুসসিলাত (৪১:১২)  

বাংলা: "...অতঃপর তিনি দুই দিনে সাত আকাশ বানালেন এবং প্রত্যেক আকাশে তার বিধান ওহী করলেন। আর আমি দুনিয়ার আকাশকে প্রদীপ দিয়ে সাজিয়েছি..."  

আরবি: "...فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ فِي يَوْمَيْنِ وَأَوْحَىٰ فِي كُلِّ سَمَاءٍ أَمْرَهَا وَزَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ..."


৯৭. সুরা শুরা (৪২:১৬)  

বাংলা: "...আর যারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে, তার কাছে আত্মসমর্পণের পর, তাদের যুক্তি তাদের প্রতিপালকের কাছে বাতিল। আর তাদের উপর ক্রোধ এবং তাদের জন্য কঠিন শাস্তি..."  

আরবি: "...وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِن بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ..."


৯৮. সুরা ফাতহ (৪৮:৬)  

বাংলা: "...আর যাতে তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী এবং মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারীদের শাস্তি দেন, যারা আল্লাহ সম্পর্কে খারাপ ধারণা করে। তাদের উপর রয়েছে খারাপ পরিণতি..."  

আরবি: "...وَيُعَذِّبَ الْمُنَافِقِينَ وَالْمُنَافِقَاتِ وَالْمُشْرِكِينَ وَالْمُشْرِكَاتِ الظَّانِّينَ بِاللَّهِ ظَنَّ السَّوْءِ عَلَيْهِمْ دَائِرَةُ السَّوْءِ..."


৯৯. সুরা মুজাদালা (৫৮:১৪)  

বাংলা: "...তুমি কি তাদের দেখ না, যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে যাদের উপর আল্লাহ ক্রুদ্ধ হয়েছেন। তারা তোমাদেরও নয়, তাদেরও নয়..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ تَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِم مَّا هُم مِّنكُمْ وَلَا مِنْهُمْ..."


১০০. সুরা মুমতাহিনা (৬০:১৩)  

বাংলা: "...হে মুমিনগণ, তোমরা এমন সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করো না যাদের উপর আল্লাহ ক্রুদ্ধ হয়েছেন। তারা আখিরাত থেকে নিরাশ হয়ে গেছে..."  

আরবি: "...يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ قَدْ يَئِسُوا مِنَ الْآخِرَةِ..."


১০১. সুরা ক্বাফ (৫০:৬)  

বাংলা: "...তারা কি তাদের উপরের আকাশের দিকে তাকায় না, কিভাবে আমি তা বানিয়েছি এবং সাজিয়েছি। আর তাতে কোনো ফাটল নেই..."  

আরবি: "...أَفَلَمْ يَنظُرُوا إِلَى السَّمَاءِ فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنَاهَا وَزَيَّنَّاهَا وَمَا لَهَا مِن فُرُوجٍ..."


১০২. সুরা হাক্কাহ (৬৯:১৩-১৭)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন শিংগায় ফুঁ দেওয়া হবে - একবার ফুঁ। আর পর্বতমালা সমেত পৃথিবী তুলে নেওয়া হবে, অতঃপর এক আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে। সেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে। আর আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে, আর সেদিন তা হবে দুর্বল। আর ফেরেশতারা থাকবে তার কিনারায়। আর সেদিন তোমার প্রতিপালকের আরশকে আটজন তাদের উপরে বহন করবে..."  

আরবি: "...فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ ۝ وَحُمِلَتِ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَاحِدَةً ۝ فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ۝ وَانشَقَّتِ السَّمَاءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ ۝ وَالْمَلَكُ عَلَىٰ أَرْجَائِهَا وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَانِيَةٌ..."


১০৩. সুরা যারিয়াত (৫১:৪৭)  

বাংলা: "...আর আকাশ, আমি তা নির্মাণ করেছি শক্তি দিয়ে। আর নিশ্চয় আমি সম্প্রসারণকারী..."  

আরবি: "...وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ..."


১০৪. সুরা হাদিদ (৫৭:৪)  

বাংলা: "...তিনিই আকাশ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি জানেন যা পৃথিবীতে প্রবেশ করে..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ يَعْلَمُ مَا يَلِجُ فِي الْأَرْضِ..."


১০৫. সুরা তুর (৫২:৪৪)  

বাংলা: "...আর যদি তারা আকাশের একটি খণ্ড পতিত হতে দেখে, বলবে, এটা তো পুঞ্জীভূত মেঘ..."  

আরবি: "...وَإِن يَرَوْا كِسْفًا مِّنَ السَّمَاءِ سَاقِطًا يَقُولُوا سَحَابٌ مَّرْكُومٌ..."


১০৬. সুরা নাজম (৫৩:১)  

বাংলা: "...শপথ তারকার, যখন তা অস্ত যায়..."  

আরবি: "...وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ..."


১০৭. সুরা নাজম (৫৩:৪৯)  

বাংলা: "...আর তিনিই শি’রা নক্ষত্রের প্রতিপালক..."  

আরবি: "...وَأَنَّهُ هُوَ رَبُّ الشِّعْرَىٰ..."


১০৮. সুরা কামার (৫৪:১)  

বাংলা: "...কিয়ামত নিকটে এসেছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে..."  

আরবি: "...اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ..."


১০৯. সুরা কামার (৫৪:১১-১২)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি আকাশের দরজাগুলো খুলে দিলাম মুষলধারে বৃষ্টি দিয়ে। আর পৃথিবী থেকে ঝরনা উৎসারিত করলাম। অতঃপর পানি মিলিত হলো এক নির্ধারিত কাজে..."  

আরবি: "...فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُّنْهَمِرٍ ۝ وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَىٰ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ..."


১১০. সুরা রহমান (৫৫:১৯-২০)  

বাংলা: "...তিনি দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেছেন, তারা মিলিত হয়। উভয়ের মাঝে রয়েছে এক অন্তরায়, যা তারা অতিক্রম করে না..."  

আরবি: "...مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ۝ بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ..."


১১১. সুরা রহমান (৫৫:৩৩)  

বাংলা: "...হে জিন ও মানুষ সম্প্রদায়, যদি তোমরা আকাশ ও পৃথিবীর সীমানা থেকে বের হতে পার, তবে বের হও। তোমরা ক্ষমতা ছাড়া বের হতে পারবে না..."  

আরবি: "...يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانفُذُوا لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ..."


১১২. সুরা রহমান (৫৫:৩৭)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে এবং তা গোলাপের মতো লাল চামড়ার মতো হয়ে যাবে..."  

আরবি: "...فَإِذَا انشَقَّتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ..."


১১৩. সুরা ওয়াকিয়া (৫৬:৬৮-৭০)  

বাংলা: "...তোমরা কি সেই পানি সম্পর্কে ভেবে দেখেছ যা তোমরা পান কর? তোমরা কি তা মেঘ থেকে নামিয়েছ, নাকি আমিই বর্ষণকারী..."  

আরবি: "...أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ ۝ أَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنزِلُونَ..."


১১৪. সুরা ওয়াকিয়া (৫৬:৭৫-৭৬)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি শপথ করছি তারকাদের পতনস্থলের। আর নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে..."  

আরবি: "...فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ ۝ وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ..."


১১৫. সুরা হাশর (৫৯:২১)  

বাংলা: "...যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর নাযিল করতাম, তবে তুমি তাকে আল্লাহর ভয়ে বিনীত, বিদীর্ণ দেখতে..."  

আরবি: "...لَوْ أَنزَلْنَا هَٰذَا الْقُرْآنَ عَلَىٰ جَبَلٍ لَّرَأَيْتَهُ خَاشِعًا مُّتَصَدِّعًا مِّنْ خَشْيَةِ اللَّهِ..."


১১৬. সুরা জুমুআ (৬২:৫)  

বাংলা: "...যাদের তাওরাতের ভার দেওয়া হয়েছিল, অতঃপর তারা তা বহন করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত গাধার মতো, যে পুস্তকের বোঝা বহন করে..."  

আরবি: "...مَثَلُ الَّذِينَ حُمِّلُوا التَّوْرَاةَ ثُمَّ لَمْ يَحْمِلُوهَا كَمَثَلِ الْحِمَارِ يَحْمِلُ أَسْفَارًا..."


১১৭. সুরা তাগাবুন (৬৪:৩)  

বাংলা: "...তিনি আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন..."  

আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ..."


১১৮. সুরা মুলক (৬৭:৩)  

বাংলা: "...যিনি সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি দয়াময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসঙ্গতি দেখবে না..."  

আরবি: "...الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا مَّا تَرَىٰ فِي خَلْقِ الرَّحْمَٰنِ مِن تَفَاوُتٍ..."


১১৯. সুরা মুলক (৬৭:৫)  

বাংলা: "...আর আমি দুনিয়ার আকাশকে প্রদীপমালা দিয়ে সাজিয়েছি এবং সেগুলোকে শয়তানদের জন্য নিক্ষেপের বস্তু করেছি..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَجَعَلْنَاهَا رُجُومًا لِّلشَّيَاطِينِ..."


১২০. সুরা মুলক (৬৭:১৬)  

বাংলা: "...তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছ যে, যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের পৃথিবীতে ধসিয়ে দিবেন না..."  

আরবি: "...أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ..."


১২১. সুরা নূহ (৭১:১৫-১৬)  

বাংলা: "...তোমরা কি দেখনি, আল্লাহ কিভাবে সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। আর তাদের মধ্যে চাঁদকে আলো এবং সূর্যকে প্রদীপ করেছেন..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَوْا كَيْفَ خَلَقَ اللَّهُ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا ۝ وَجَعَلَ الْقَمَرَ فِيهِنَّ نُورًا وَجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا..."


১২২. সুরা জিন (৭২:৮-৯)  

বাংলা: "...আর আমরা আকাশ স্পর্শ করেছিলাম, অতঃপর তাকে পেলাম কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিণ্ডে ভরা। আর আমরা তার বিভিন্ন জায়গায় বসতাম সংবাদ শোনার জন্য..."  

আরবি: "...وَأَنَّا لَمَسْنَا السَّمَاءَ فَوَجَدْنَاهَا مُلِئَتْ حَرَسًا شَدِيدًا وَشُهُبًا ۝ وَأَنَّا كُنَّا نَقْعُدُ مِنْهَا مَقَاعِدَ لِلسَّمْعِ..."


১২৩. সুরা মুজ্জাম্মিল (৭৩:১৪)  

বাংলা: "...যেদিন পৃথিবী ও পাহাড় কেঁপে উঠবে এবং পাহাড় হবে বিক্ষিপ্ত বালুকারাশির মতো..."  

আরবি: "...يَوْمَ تَرْجُفُ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ وَكَانَتِ الْجِبَالُ كَثِيبًا مَّهِيلًا..."


১২৪. সুরা মুদ্দাসসির (৭৪:১-২)  

বাংলা: "...হে চাদর আবৃত, ওঠ, অতঃপর সতর্ক কর..."  

আরবি: "...يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ۝ قُمْ فَأَنذِرْ..."


১২৫. সুরা কিয়ামাহ (৭৫:৮-৯)  

বাংলা: "...আর যখন চাঁদ আলোহীন হয়ে যাবে এবং সূর্য ও চাঁদকে একত্র করা হবে..."  

আরবি: "...وَخَسَفَ الْقَمَرُ ۝ وَجُمِعَ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ..."


১২৬. সুরা ইনসান (৭৬:১)  

বাংলা: "...মানুষের উপর কি এমন এক সময় আসেনি যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না..."  

আরবি: "...هَلْ أَتَىٰ عَلَى الْإِنسَانِ حِينٌ مِّنَ الدَّهْرِ لَمْ يَكُن شَيْئًا مَّذْكُورًا..."


১২৭. সুরা মুরসালাত (৭৭:৮-১০)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন তারকারাজি নিভে যাবে এবং যখন আকাশ ফেটে যাবে এবং যখন পাহাড় চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে..."  

আরবি: "...فَإِذَا النُّجُومُ طُمِسَتْ ۝ وَإِذَا السَّمَاءُ فُرِجَتْ ۝ وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ..."


১২৮. সুরা নাবা (৭৮:৬-৭)  

বাংলা: "...আমি কি পৃথিবীকে বিছানা করিনি। আর পাহাড়কে পেরেক..."  

আরবি: "...أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ مِهَادًا ۝ وَالْجِبَالَ أَوْتَادًا..."


১২৯. সুরা নাবা (৭৮:১৯)  

বাংলা: "...আর আকাশ খুলে দেওয়া হবে, ফলে তা দরজায় পরিণত হবে..."  

আরবি: "...وَفُتِحَتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ أَبْوَابًا..."


১৩০. সুরা নাযিয়াত (৭৯:২৭-৩০)  

বাংলা: "...তোমাদের সৃষ্টি কি কঠিন, নাকি আকাশ। তিনি তা নির্মাণ করেছেন। তিনি তার ছাদ উঁচু করেছেন, অতঃপর তা সুষম করেছেন..."  

আরবি: "...أَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ بَنَاهَا ۝ رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا..."


১৩১. সুরা আবাসা (৮০:২৫-২৭)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি পানি বর্ষণ করেছি প্রচুর পরিমাণে। অতঃপর পৃথিবীকে বিদীর্ণ করেছি। অতঃপর তাতে শস্য উৎপন্ন করেছি..."  

আরবি: "...أَنَّا صَبَبْنَا الْمَاءَ صَبًّا ۝ ثُمَّ شَقَقْنَا الْأَرْضَ شَقًّا ۝ فَأَنبَتْنَا فِيهَا حَبًّا..."


১৩২. সুরা তাকভীর (৮১:১-৩)  

বাংলা: "...যখন সূর্য আলোহীন করা হবে। আর যখন তারকারাজি খসে পড়বে। আর যখন পাহাড় চালিত করা হবে..."  

আরবি: "...إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ ۝ وَإِذَا النُّجُومُ انكَدَرَتْ ۝ وَإِذَا الْجِبَالُ سُيِّرَتْ..."


১৩৩. সুরা ইনফিতার (৮২:১-৩)  

বাংলা: "...যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে। আর যখন তারকারাজি বিক্ষিপ্ত হবে। আর যখন সমুদ্রগুলো উথলে উঠবে..."  

আরবি: "...إِذَا السَّمَاءُ انفَطَرَتْ ۝ وَإِذَا الْكَوَاكِبُ انتَثَرَتْ ۝ وَإِذَا الْبِحَارُ فُجِّرَتْ..."


১৩৪. সুরা মুতাফফিফীন (৮৩:২৪)  

বাংলা: "...তুমি তাদের চেহারায় নেয়ামতের সজীবতা চিনতে পারবে..."  

আরবি: "...تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ..."


১৩৫. সুরা ইনশিকাক (৮৪:১)  

বাংলা: "...যখন আকাশ ফেটে যাবে..."  

আরবি: "...إِذَا السَّمَاءُ انشَقَّتْ..."


১৩৬. সুরা বুরুজ (৮৫:১)  

বাংলা: "...শপথ বুরুজবিশিষ্ট আকাশের..."  

আরবি: "...وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ..."


১৩৭. সুরা তারিক (৮৬:১-৩)  

বাংলা: "...শপথ আকাশের এবং রাতে আগমনকারীর। তুমি কি জান রাতে আগমনকারী কী। তা হলো উজ্জ্বল তারকা..."  

আরবি: "...وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا الطَّارِقُ ۝ النَّجْمُ الثَّاقِبُ..."


১৩৮. সুরা আ’লা (৮৭:১-২)  

বাংলা: "...তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ঘোষণা কর। যিনি সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর সুষম করেছেন..."  

আরবি: "...سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى ۝ الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ..."


১৩৯. সুরা গাশিয়াহ (৮৮:১৭-২০)  

বাংলা: "...তারা কি উটের দিকে তাকায় না, কিভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে। আর আকাশের দিকে, কিভাবে তা উঁচু করা হয়েছে। আর পাহাড়ের দিকে, কিভাবে তা স্থাপন করা হয়েছে। আর পৃথিবীর দিকে, কিভাবে তা বিছানো হয়েছে..."  

আরবি: "...أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ ۝ وَإِلَى السَّمَاءِ كَيْفَ رُفِعَتْ ۝ وَإِلَى الْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ ۝ وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ..."


১৪০. সুরা ফাজর (৮৯:১-২)  

বাংলা: "...শপথ ফজরের। আর দশ রাতের..."  

আরবি: "...وَالْفَجْرِ ۝ وَلَيَالٍ عَشْرٍ..."


১৪১. সুরা বালাদ (৯০:১-২)  

বাংলা: "...আমি শপথ করছি এই নগরের। আর তুমি এই নগরে অবস্থানকারী..."  

আরবি: "...لَا أُقْسِمُ بِهَٰذَا الْبَلَدِ ۝ وَأَنتَ حِلٌّ بِهَٰذَا الْبَلَدِ..."


১৪২. সুরা শামস (৯১:১-৪)  

বাংলা: "...শপথ সূর্যের এবং তার কিরণের। আর চাঁদের, যখন তা তার অনুসরণ করে। আর দিনের, যখন তা তাকে প্রকাশ করে। আর রাতের, যখন তা তাকে ঢেকে দেয়..."  

আরবি: "...وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا ۝ وَالْقَمَرِ إِذَا تَلَاهَا ۝ وَالنَّهَارِ إِذَا جَلَّاهَا ۝ وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَاهَا..."


১৪৩. সুরা লাইল (৯২:১-২)  

বাংলা: "...শপথ রাতের, যখন তা ঢেকে দেয়। আর দিনের, যখন তা প্রকাশিত হয়..."  

আরবি: "...وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰ ۝ وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّىٰ..."


১৪৪. সুরা দুহা (৯৩:১-২)  

বাংলা: "...শপথ পূর্বাহ্ণের। আর রাতের, যখন তা নিঝুম হয়..."  

আরবি: "...وَالضُّحَىٰ ۝ وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَىٰ..."


১৪৫. সুরা তীন (৯৫:১-৩)  

বাংলা: "...শপথ তীন ও যয়তুনের। আর তুর পাহাড়ের। আর এই নিরাপদ নগরের..."  

আরবি: "...وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ ۝ وَطُورِ سِينِينَ ۝ وَهَٰذَا الْبَلَدِ الْأَمِينِ..."


১৪৬. সুরা আলাক (৯৬:১-২)  

বাংলা: "...পড় তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে..."  

আরবি: "...اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ ۝ خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ..."


১৪৭. সুরা কদর (৯৭:১)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আমি তা নাযিল করেছি কদরের রাতে..."  

আরবি: "...إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ..."


১৪৮. সুরা যিলযাল (৯৯:১-২)  

বাংলা: "...যখন পৃথিবী তার প্রচণ্ড কম্পনে কেঁপে উঠবে। আর পৃথিবী তার বোঝা বের করে দিবে..."  

আরবি: "...إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا ۝ وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا..."


১৪৯. সুরা ক্বারিয়াহ (১০১:৪-৫)  

বাংলা: "...যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো। আর পাহাড় হবে ধুনিত রঙিন পশমের মতো..."  

আরবি: "...يَوْمَ يَكُونُ النَّاسُ كَالْفَرَاشِ الْمَبْثُوثِ ۝ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ الْمَنفُوشِ..."


১৫০. সুরা মাআরিজ (৭০:৮-১১)  

বাংলা: "...যেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মতো। আর পাহাড় হবে ধুনিত পশমের মতো। আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞেস করবে না..."  

আরবি: "...يَوْمَ تَكُونُ السَّمَاءُ كَالْمُهْلِ ۝ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ ۝ وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا..."