১. সুরা বাকারা (২:২৬)
বাংলা: "...নিশ্চয় আল্লাহ মশা কিংবা তার চেয়েও ক্ষুদ্র কোনো বস্তুর উপমা দিতে লজ্জা করেন না..."
আরবি: "...إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي أَن يَضْرِبَ مَثَلًا مَّا بَعُوضَةً فَمَا فَوْقَهَا..."
২. সুরা বাকারা (২:২৯)
বাংলা: "...তিনিই যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীর সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন এবং তাকে সাত আকাশে বিন্যস্ত করলেন..."
আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ فَسَوَّاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ..."
৩. সুরা বাকারা (২:৫৭)
বাংলা: "...আর আমি তোমাদের উপর মেঘের ছায়া দিলাম এবং তোমাদের প্রতি মান্না ও সালওয়া নাযিল করলাম..."
আরবি: "...وَظَلَّلْنَا عَلَيْكُمُ الْغَمَامَ وَأَنزَلْنَا عَلَيْكُمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَىٰ..."
৪. সুরা বাকারা (২:৬৫-৬৬)
বাংলা: "...আর তোমরা অবশ্যই তাদের জানো, যারা তোমাদের মধ্যে শনিবার সম্পর্কে সীমালঙ্ঘন করেছিল। আমি তাদের বললাম, তোমরা ঘৃণিত বানর হয়ে যাও। অতঃপর আমি এ ঘটনাকে তাদের সমসাময়িক ও পরবর্তীদের জন্য দৃষ্টান্ত করলাম..."
আরবি: "...وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ الَّذِينَ اعْتَدَوْا مِنكُمْ فِي السَّبْتِ فَقُلْنَا لَهُمْ كُونُوا قِرَدَةً خَاسِئِينَ فَجَعَلْنَاهَا نَكَالًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهَا وَمَا خَلْفَهَا..."
৫. সুরা বাকারা (২:৭৪)
বাংলা: "...এরপরও তোমাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেল। তা পাথরের মতো কিংবা তার চেয়েও কঠিন। আর নিশ্চয় পাথরের মধ্যে কিছু আছে যা থেকে নদী প্রবাহিত হয়..."
আরবি: "...ثُمَّ قَسَتْ قُلُوبُكُم مِّن بَعْدِ ذَٰلِكَ فَهِيَ كَالْحِجَارَةِ أَوْ أَشَدُّ قَسْوَةً وَإِنَّ مِنَ الْحِجَارَةِ لَمَا يَتَفَجَّرُ مِنْهُ الْأَنْهَارُ..."
৬. সুরা বাকারা (২:৯০)
বাংলা: "...কত নিকৃষ্ট সেই জিনিস যার বিনিময়ে তারা নিজেদের বিক্রি করেছে, যে তারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তা অস্বীকার করে। ফলে তারা ক্রোধের উপর ক্রোধ নিয়ে ফিরল..."
আরবি: "...بِئْسَمَا اشْتَرَوْا بِهِ أَنفُسَهُمْ أَن يَكْفُرُوا بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ... فَبَاءُوا بِغَضَبٍ عَلَىٰ غَضَبٍ..."
৭. সুরা বাকারা (২:১০২)
বাংলা: "...আর তারা অনুসরণ করে যা শয়তানরা সুলায়মানের রাজত্বের বিরুদ্ধে আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফরি করেনি, কিন্তু শয়তানরাই কুফরি করেছিল। তারা মানুষকে জাদু শিক্ষা দিত..."
আরবি: "...وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُو الشَّيَاطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَانَ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ..."
৮. সুরা বাকারা (২:১৬৪)
বাংলা: "...নিশ্চয় আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে, সেই নৌযানে যা মানুষের উপকার নিয়ে সাগরে চলে... মেঘমালায় যা আকাশ ও পৃথিবীর মাঝে নিয়ন্ত্রিত, এসবে নিদর্শন রয়েছে বুদ্ধিমান সম্প্রদায়ের জন্য..."
আরবি: "...إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَالْفُلْكِ الَّتِي تَجْرِي فِي الْبَحْرِ... وَالسَّحَابِ الْمُسَخَّرِ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ..."
৯. সুরা বাকারা (২:২৫৯)
বাংলা: "...অথবা সেই ব্যক্তির মতো যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যা তার ছাদের উপর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সে বলল, আল্লাহ একে মরার পর কিভাবে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে একশ বছর মৃত রাখলেন..."
আরবি: "...أَوْ كَالَّذِي مَرَّ عَلَىٰ قَرْيَةٍ وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىٰ يُحْيِي هَٰذِهِ اللَّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا فَأَمَاتَهُ اللَّهُ مِائَةَ عَامٍ..."
১০. সুরা বাকারা (২:২৬০)
বাংলা: "...আর যখন ইবরাহিম বলল, হে আমার প্রতিপালক, আমাকে দেখান কিভাবে আপনি মৃতকে জীবিত করেন। তিনি বললেন, তুমি কি বিশ্বাস কর না? সে বলল, অবশ্যই করি, কিন্তু আমার অন্তরের প্রশান্তির জন্য..."
আরবি: "...وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ أَرِنِي كَيْفَ تُحْيِي الْمَوْتَىٰ قَالَ أَوَلَمْ تُؤْمِن قَالَ بَلَىٰ وَلَٰكِن لِّيَطْمَئِنَّ قَلْبِي..."
১১. সুরা আলে ইমরান (৩:৫৯)
বাংলা: "...নিশ্চয় আল্লাহর কাছে ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের মতো। তাকে তিনি মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে বললেন, হও, ফলে সে হয়ে গেল..."
আরবি: "...إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ اللَّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثُمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ..."
১২. সুরা মায়িদা (৫:৬০)
বাংলা: "...বল, আমি কি তোমাদের জানাব তাদের চেয়েও নিকৃষ্ট পরিণামের কথা আল্লাহর কাছে? তারা হলো যাদের উপর আল্লাহ লা’নত করেছেন ও ক্রোধ নাযিল করেছেন এবং যাদের কতককে বানর ও শূকর করেছেন..."
আরবি: "...قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ اللَّهِ مَن لَّعَنَهُ اللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ وَجَعَلَ مِنْهُمُ الْقِرَدَةَ وَالْخَنَازِيرَ..."
১৩. সুরা মায়িদা (৫:১১০)
বাংলা: "...যখন আল্লাহ বলবেন, হে মারইয়াম পুত্র ঈসা, আমার নেয়ামত স্মরণ কর... আর যখন তুমি কাদা দিয়ে পাখির আকৃতি গড়তে আমার অনুমতিক্রমে, অতঃপর তাতে ফুঁ দিতে, ফলে তা পাখি হয়ে যেত আমার অনুমতিক্রমে..."
আরবি: "...إِذْ قَالَ اللَّهُ يَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ اذْكُرْ نِعْمَتِي عَلَيْكَ... وَإِذْ تَخْلُقُ مِنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ بِإِذْنِي فَتَنفُخُ فِيهَا فَتَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِي..."
১৪. সুরা আনআম (৬:২)
বাংলা: "...তিনিই তোমাদের কাদা থেকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর একটি মেয়াদ নির্ধারণ করেছেন। আর একটি নির্ধারিত মেয়াদ তাঁর কাছে রয়েছে..."
আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن طِينٍ ثُمَّ قَضَىٰ أَجَلًا وَأَجَلٌ مُّسَمًّى عِندَهُ..."
১৫. সুরা আনআম (৬:৬)
বাংলা: "...তারা কি দেখেনি, আমি তাদের আগে কত মানবগোষ্ঠী ধ্বংস করেছি? তাদের আমি পৃথিবীতে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম যেমন তোমাদের করিনি। আর তাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করেছিলাম..."
আরবি: "...أَلَمْ يَرَوْا كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّن قَرْنٍ مَّكَّنَّاهُمْ فِي الْأَرْضِ مَا لَمْ نُمَكِّن لَّكُمْ وَأَرْسَلْنَا السَّمَاءَ عَلَيْهِم مِّدْرَارًا..."
১৬. সুরা আনআম (৬:৩৮)
বাংলা: "...আর পৃথিবীতে বিচরণকারী কোনো জীব এবং দুই ডানায় উড়ে চলা কোনো পাখি নেই, কিন্তু তারা তোমাদের মতোই জাতি..."
আরবি: "...وَمَا مِن دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا طَائِرٍ يَطِيرُ بِجَنَاحَيْهِ إِلَّا أُمَمٌ أَمْثَالُكُم..."
১৭. সুরা আরাফ (৭:৫৪)
বাংলা: "...নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, যিনি আকাশ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি রাত দিয়ে দিনকে ঢেকে দেন..."
আরবি: "...إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ..."
১৮. সুরা আরাফ (৭:৭১)
বাংলা: "...সে বলল, তোমাদের উপর তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অপবিত্রতা ও ক্রোধ অবধারিত হয়ে গেছে। তোমরা কি আমার সাথে এমন নামগুলো নিয়ে বিতর্ক করছ..."
আরবি: "...قَالَ قَدْ وَقَعَ عَلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ رِجْسٌ وَغَضَبٌ أَتُجَادِلُونَنِي فِي أَسْمَاءٍ..."
১৯. সুরা আরাফ (৭:১০৭-১০৮)
বাংলা: "...অতঃপর সে তার লাঠি নিক্ষেপ করল, ফলে তা সাথে সাথে এক স্পষ্ট অজগর হয়ে গেল। আর সে তার হাত বের করল, ফলে তা দর্শকদের সামনে উজ্জ্বল সাদা হয়ে গেল..."
আরবি: "...فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُّبِينٌ وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا هِيَ بَيْضَاءُ لِلنَّاظِرِينَ..."
২০. সুরা আরাফ (৭:১৩৩)
বাংলা: "...অতঃপর আমি তাদের উপর পাঠালাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত - স্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে। তবুও তারা অহংকার করল..."
আরবি: "...فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الطُّوفَانَ وَالْجَرَادَ وَالْقُمَّلَ وَالضَّفَادِعَ وَالدَّمَ آيَاتٍ مُّفَصَّلَاتٍ فَاسْتَكْبَرُوا..."
২১. সুরা আরাফ (৭:১৪৩)
বাংলা: "...আর যখন মুসা আমার নির্ধারিত সময়ে আসল এবং তার প্রতিপালক তার সাথে কথা বললেন, সে বলল, হে আমার প্রতিপালক, আমাকে দেখান, আমি আপনাকে দেখব। তিনি বললেন, তুমি আমাকে কখনো দেখবে না। কিন্তু পাহাড়ের দিকে তাকাও..."
আরবি: "...وَلَمَّا جَاءَ مُوسَىٰ لِمِيقَاتِنَا وَكَلَّمَهُ رَبُّهُ قَالَ رَبِّ أَرِنِي أَنظُرْ إِلَيْكَ قَالَ لَن تَرَانِي وَلَٰكِنِ انظُرْ إِلَى الْجَبَلِ..."
২২. সুরা আরাফ (৭:১৫২)
বাংলা: "...নিশ্চয় যারা গোবৎসকে উপাস্য করেছে, শীঘ্রই তাদের উপর তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে ক্রোধ ও পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনা পতিত হবে..."
আরবি: "...إِنَّ الَّذِينَ اتَّخَذُوا الْعِجْلَ سَيَنَالُهُمْ غَضَبٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَذِلَّةٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا..."
২৩. সুরা আরাফ (৭:১৬০)
বাংলা: "...আর আমি তাদের বারো গোত্রে বিভক্ত করলাম। আর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম, যখন তার সম্প্রদায় তার কাছে পানি চাইল, যে তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর..."
আরবি: "...وَقَطَّعْنَاهُمُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أَسْبَاطًا أُمَمًا وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ إِذِ اسْتَسْقَاهُ قَوْمُهُ أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْحَجَرَ..."
২৪. সুরা আরাফ (৭:১৭১)
বাংলা: "...আর যখন আমি পাহাড়কে তাদের উপর তুলে ধরলাম, যেন তা একটা ছাউনি। আর তারা ধারণা করল যে তা তাদের উপর পতিত হবে..."
আরবি: "...وَإِذْ نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ كَأَنَّهُ ظُلَّةٌ وَظَنُّوا أَنَّهُ وَاقِعٌ بِهِمْ..."
২৫. সুরা আনফাল (৮:১১)
বাংলা: "...যখন তিনি তোমাদের তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করলেন তাঁর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা হিসেবে এবং আকাশ থেকে তোমাদের উপর পানি বর্ষণ করলেন..."
আরবি: "...إِذْ يُغَشِّيكُمُ النُّعَاسَ أَمَنَةً مِّنْهُ وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُم مِّنَ السَّمَاءِ مَاءً..."
২৬. সুরা তাওবা (৯:৪০)
বাংলা: "...যদি তোমরা তাকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহ তাকে সাহায্য করেছেন। যখন কাফেররা তাকে বের করে দিয়েছিল, দুজনের দ্বিতীয়জন। যখন তারা দুজন গুহায় ছিল..."
আরবি: "...إِلَّا تَنصُرُوهُ فَقَدْ نَصَرَهُ اللَّهُ إِذْ أَخْرَجَهُ الَّذِينَ كَفَرُوا ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ..."
২৭. সুরা ইউনুস (১০:৫)
বাংলা: "...তিনিই সূর্যকে দীপ্তিময় এবং চাঁদকে আলোকময় করেছেন এবং তার জন্য মনযিল নির্ধারণ করেছেন..."
আরবি: "...هُوَ الَّذِي جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً وَالْقَمَرَ نُورًا وَقَدَّرَهُ مَنَازِلَ..."
২৮. সুরা ইউনুস (১০:২২)
বাংলা: "...তিনিই তোমাদের স্থলে ও সমুদ্রে ভ্রমণ করান। এমনকি যখন তোমরা নৌকায় থাক এবং সেগুলো তাদের নিয়ে অনুকূল বাতাসে চলে..."
আরবি: "...هُوَ الَّذِي يُسَيِّرُكُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ حَتَّىٰ إِذَا كُنتُمْ فِي الْفُلْكِ وَجَرَيْنَ بِهِم بِرِيحٍ طَيِّبَةٍ..."
২৯. সুরা ইউনুস (১০:৯২)
বাংলা: "...অতঃপর আজ আমি তোমার দেহকে রক্ষা করব, যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হও..."
আরবি: "...فَالْيَوْمَ نُنَجِّيكَ بِبَدَنِكَ لِتَكُونَ لِمَنْ خَلْفَكَ آيَةً..."
৩০. সুরা হুদ (১১:৪০)
বাংলা: "...অবশেষে যখন আমার আদেশ আসল এবং চুলা উথলে উঠল, আমি বললাম, এতে উঠিয়ে নাও প্রত্যেক শ্রেণীর দুই জোড়া..."
আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا جَاءَ أَمْرُنَا وَفَارَ التَّنُّورُ قُلْنَا احْمِلْ فِيهَا مِن كُلٍّ زَوْجَيْنِ اثْنَيْنِ..."
৩১. সুরা হুদ (১১:৪৪)
বাংলা: "...আর বলা হলো, হে পৃথিবী, তোমার পানি গিলে ফেল। হে আকাশ, থেমে যাও। আর পানি হ্রাস পেল এবং কাজ সমাপ্ত হলো..."
আরবি: "...وَقِيلَ يَا أَرْضُ ابْلَعِي مَاءَكِ وَيَا سَمَاءُ أَقْلِعِي وَغِيضَ الْمَاءُ وَقُضِيَ الْأَمْرُ..."
৩২. সুরা হুদ (১১:৮২-৮৩)
বাংলা: "...অতঃপর যখন আমার আদেশ আসল, আমি তার উপরকে নিচ করে দিলাম এবং তাদের উপর পোড়ামাটির পাথর বর্ষণ করলাম স্তরে স্তরে। যা তোমার প্রতিপালকের কাছে চিহ্নিত..."
আরবি: "...فَلَمَّا جَاءَ أَمْرُنَا جَعَلْنَا عَالِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهَا حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ مَّنضُودٍ مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ..."
৩৩. সুরা ইউসুফ (১২:৪৩)
বাংলা: "...আর বাদশাহ বলল, আমি স্বপ্নে দেখলাম সাতটি মোটাতাজা গাভী, তাদের খাচ্ছে সাতটি শীর্ণ গাভী। আর সাতটি সবুজ শীষ এবং অন্যগুলো শুকনো..."
আরবি: "...وَقَالَ الْمَلِكُ إِنِّي أَرَىٰ سَبْعَ بَقَرَاتٍ سِمَانٍ يَأْكُلُهُنَّ سَبْعٌ عِجَافٌ وَسَبْعَ سُنبُلَاتٍ خُضْرٍ وَأُخَرَ يَابِسَاتٍ..."
৩৪. সুরা রা’দ (১৩:২)
বাংলা: "...আল্লাহই আকাশমণ্ডলীকে স্তম্ভ ছাড়া উঁচু করেছেন, যা তোমরা দেখছ। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। আর তিনি সূর্য ও চাঁদকে নিয়ন্ত্রিত করেছেন..."
আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي رَفَعَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ..."
৩৫. সুরা নাহল (১৬:৬৯)
বাংলা: "...অতঃপর প্রত্যেক ফল থেকে কিছু-কিছু খাও এবং তোমার প্রতিপালকের সহজ পথে চল। তার পেট থেকে বের হয় বিভিন্ন রঙের পানীয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে আরোগ্য..."
আরবি: "...ثُمَّ كُلِي مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ..."
৩৬. সুরা ইসরা (১৭:১)
বাংলা: "...পবিত্র সেই সত্তা যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যার চারপাশ আমি বরকতময় করেছি..."
আরবি: "...سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِ لَيْلًا مِّنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى الَّذِي بَارَكْنَا حَوْلَهُ..."
৩৭. সুরা ইসরা (১৭:৪৪)
বাংলা: "...সাত আকাশ ও পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যে যা আছে সব তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। আর এমন কিছু নেই যা তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করে না..."
আরবি: "...تُسَبِّحُ لَهُ السَّمَاوَاتُ السَّبْعُ وَالْأَرْضُ وَمَن فِيهِنَّ وَإِن مِّن شَيْءٍ إِلَّا يُسَبِّحُ بِحَمْدِهِ..."
৩৮. সুরা ইসরা (১৭:৬০)
বাংলা: "...আর স্মরণ কর, যখন আমি তোমাকে বলেছিলাম, নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক মানুষকে পরিবেষ্টন করে আছেন। আর আমি যে দৃশ্য তোমাকে দেখিয়েছি তা কেবল মানুষের জন্য পরীক্ষা..."
আরবি: "...وَإِذْ قُلْنَا لَكَ إِنَّ رَبَّكَ أَحَاطَ بِالنَّاسِ وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي أَرَيْنَاكَ إِلَّا فِتْنَةً لِّلنَّاسِ..."
৩৯. সুরা ইসরা (১৭:৮৮)
বাংলা: "...বল, যদি মানুষ ও জিন এই কোরআনের মতো কিছু আনার জন্য একত্র হয়, তারা এর মতো আনতে পারবে না, যদিও তারা একে অপরের সাহায্যকারী হয়..."
আরবি: "...قُل لَّئِنِ اجْتَمَعَتِ الْإِنسُ وَالْجِنُّ عَلَىٰ أَن يَأْتُوا بِمِثْلِ هَٰذَا الْقُرْآنِ لَا يَأْتُونَ بِمِثْلِهِ وَلَوْ كَانَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ ظَهِيرًا..."
৪০. সুরা কাহফ (১৮:৯-২৬)
বাংলা: "...তুমি কি মনে কর যে গুহা ও রকীমের অধিবাসীরা আমার নিদর্শনগুলোর মধ্যে বিস্ময়কর ছিল? যখন যুবকরা গুহায় আশ্রয় নিল... আর আমরা তাদের গুহায় তিনশ বছর ঘুমিয়ে রাখলাম এবং আরও নয় বছর বাড়ালাম..."
আরবি: "...أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ... وَلَبِثُوا فِي كَهْفِهِمْ ثَلَاثَ مِائَةٍ سِنِينَ وَازْدَادُوا تِسْعًا..."
৪১. সুরা কাহফ (১৮:৬০-৮২)
বাংলা: "...আর যখন মুসা তার যুবককে বলল, আমি চলতে থাকব যতক্ষণ না দুই সাগরের মিলনস্থলে পৌঁছি... অতঃপর তারা আমার বান্দাদের একজনকে পেল, যাকে আমি আমার পক্ষ থেকে রহমত দিয়েছিলাম..."
আরবি: "...وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِفَتَاهُ لَا أَبْرَحُ حَتَّىٰ أَبْلُغَ مَجْمَعَ الْبَحْرَيْنِ... فَوَجَدَا عَبْدًا مِّنْ عِبَادِنَا آتَيْنَاهُ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا..."
৪২. সুরা কাহফ (১৮:৮৬)
বাংলা: "...অবশেষে যখন সে সূর্যাস্তের স্থানে পৌঁছল, সে তাকে একটি কর্দমাক্ত ঝরনায় অস্ত যেতে দেখল..."
আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا بَلَغَ مَغْرِبَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَغْرُبُ فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ..."
৪৩. সুরা কাহফ (১৮:৯৪-৯৮)
বাংলা: "...তারা বলল, হে যুলকারনাইন, নিশ্চয় ইয়াজুজ ও মাজুজ পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করছে... সে বলল, তোমরা আমাকে লোহার পাত এনে দাও... অতঃপর যখন সে তা আগুনের মতো করল, বলল, গলিত তামা আনো..."
আরবি: "...قَالُوا يَا ذَا الْقَرْنَيْنِ إِنَّ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ... قَالَ آتُونِي زُبَرَ الْحَدِيدِ... قَالَ آتُونِي أُفْرِغْ عَلَيْهِ قِطْرًا..."
৪৪. সুরা ত্বাহা (২০:৫)
বাংলা: "...দয়াময় আরশে সমাসীন হলেন..."
আরবি: "...الرَّحْمَٰنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَىٰ..."
৪৫. সুরা ত্বাহা (২০:২০)
বাংলা: "...অতঃপর সে তা নিক্ষেপ করল, ফলে তা সাথে সাথে সাপ হয়ে ছুটতে লাগল..."
আরবি: "...فَأَلْقَاهَا فَإِذَا هِيَ حَيَّةٌ تَسْعَىٰ..."
৪৬. সুরা ত্বাহা (২০:৭৭)
বাংলা: "...আর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম যে, আমার বান্দাদের নিয়ে রাতে বের হও এবং তাদের জন্য সমুদ্রে শুকনো পথ তৈরি কর..."
আরবি: "...وَلَقَدْ أَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِي فَاضْرِبْ لَهُمْ طَرِيقًا فِي الْبَحْرِ يَبَسًا..."
৪৭. সুরা ত্বাহা (২০:৮১)
বাংলা: "...আমার দেওয়া পবিত্র রিযিক থেকে খাও এবং এতে সীমালঙ্ঘন করো না, নইলে তোমাদের উপর আমার ক্রোধ নেমে আসবে। আর আমার ক্রোধ যার উপর পতিত হয়, সে ধ্বংস হয়ে যায়..."
আরবি: "...كُلُوا مِن طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَلَا تَطْغَوْا فِيهِ فَيَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبِي وَمَن يَحْلِلْ عَلَيْهِ غَضَبِي فَقَدْ هَوَىٰ..."
৪৮. সুরা ত্বাহা (২০:৮৬)
বাংলা: "...অতঃপর মুসা তার সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গেল ক্রুদ্ধ, দুঃখিত হয়ে। সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতিপালক কি তোমাদের উত্তম প্রতিশ্রুতি দেননি..."
আরবি: "...فَرَجَعَ مُوسَىٰ إِلَىٰ قَوْمِهِ غَضْبَانَ أَسِفًا قَالَ يَا قَوْمِ أَلَمْ يَعِدْكُمْ رَبُّكُمْ وَعْدًا حَسَنًا..."
৪৯. সুরা আম্বিয়া (২১:৩০)
বাংলা: "...কাফেররা কি দেখে না যে আকাশ ও পৃথিবী মিলিত ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে আলাদা করলাম। আর আমি পানি থেকে প্রত্যেক জীবন্ত বস্তু সৃষ্টি করলাম..."
আরবি: "...أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ..."
৫০. সুরা আম্বিয়া (২১:৩৩)
বাংলা: "...আর তিনিই রাত ও দিন এবং সূর্য ও চাঁদ সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে..."
আরবি: "...وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ..."
৫১. সুরা আম্বিয়া (২১:৬৯)
বাংলা: "...আমি বললাম, হে আগুন, তুমি ইবরাহিমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও..."
আরবি: "...قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ..."
৫২. সুরা আম্বিয়া (২১:৭৮-৭৯)
বাংলা: "...আর দাউদ ও সুলায়মান, যখন তারা শস্যক্ষেত্র সম্পর্কে বিচার করছিল... অতঃপর আমি সুলায়মানকে তা বুঝিয়ে দিলাম। আর প্রত্যেককে আমি প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দিয়েছিলাম..."
আরবি: "...وَدَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِي الْحَرْثِ... فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًا..."
৫৩. সুরা আম্বিয়া (২১:৮২)
বাংলা: "...আর শয়তানদের মধ্যে কিছু ছিল যারা তার জন্য ডুব দিত এবং এছাড়া অন্য কাজও করত। আর আমি ছিলাম তাদের রক্ষক..."
আরবি: "...وَمِنَ الشَّيَاطِينِ مَن يَغُوصُونَ لَهُ وَيَعْمَلُونَ عَمَلًا دُونَ ذَٰلِكَ وَكُنَّا لَهُمْ حَافِظِينَ..."
৫৪. সুরা আম্বিয়া (২১:৮৭)
বাংলা: "...আর মাছওয়ালা, যখন সে ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গেল এবং ধারণা করল যে আমি তার উপর সংকীর্ণ করব না। অতঃপর সে অন্ধকারে ডেকে বলল, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই..."
আরবি: "...وَذَا النُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ أَن لَّن نَّقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَىٰ فِي الظُّلُمَاتِ أَن لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ..."
৫৫. সুরা আম্বিয়া (২১:৯৬)
বাংলা: "...অবশেষে যখন ইয়াজুজ ও মাজুজকে খুলে দেওয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উঁচু ভূমি থেকে ছুটে আসবে..."
আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُم مِّن كُلِّ حَدَبٍ يَنسِلُونَ..."
৫৬. সুরা হজ (২২:১৮)
বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহকে সিজদা করে যা কিছু আকাশে আছে এবং যা কিছু পৃথিবীতে আছে, আর সূর্য, চাঁদ, তারকা, পাহাড়, গাছ, জীবজন্তু..."
আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يَسْجُدُ لَهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَمَن فِي الْأَرْضِ وَالشَّمْسُ وَالْقَمَرُ وَالنُّجُومُ وَالْجِبَالُ وَالشَّجَرُ وَالدَّوَابُّ..."
৫৭. সুরা হজ (২২:৬৫)
বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ তোমাদের জন্য পৃথিবীর সবকিছু নিয়ন্ত্রিত করেছেন এবং নৌযান সমুদ্রে তাঁর আদেশে চলে। আর তিনি আকাশকে ধরে রেখেছেন যাতে তা পৃথিবীর উপর পতিত না হয়..."
আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ وَالْفُلْكَ تَجْرِي فِي الْبَحْرِ بِأَمْرِهِ وَيُمْسِكُ السَّمَاءَ أَن تَقَعَ عَلَى الْأَرْضِ..."
৫৮. সুরা মু’মিনুন (২৩:১৪)
বাংলা: "...অতঃপর আমি শুক্রকে জমাট রক্ত করলাম, অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিণ্ড করলাম, অতঃপর মাংসপিণ্ডকে হাড় করলাম, অতঃপর হাড়কে মাংস দিয়ে ঢেকে দিলাম..."
আরবি: "...ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظَامًا فَكَسَوْنَا الْعِظَامَ لَحْمًا..."
৫৯. সুরা মু’মিনুন (২৩:১৭)
বাংলা: "...আর আমি তোমাদের উপর সাতটি পথ সৃষ্টি করেছি। আর আমি সৃষ্টি সম্পর্কে উদাসীন নই..."
আরবি: "...وَلَقَدْ خَلَقْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعَ طَرَائِقَ وَمَا كُنَّا عَنِ الْخَلْقِ غَافِلِينَ..."
৬০. সুরা নূর (২৪:৩৫)
বাংলা: "...আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবীর আলো। তাঁর আলোর উপমা যেন একটি তাক, যাতে আছে একটি প্রদীপ। প্রদীপটি একটি কাঁচের মধ্যে..."
আরবি: "...اللَّهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ..."
৬১. সুরা নূর (২৪:৪০)
বাংলা: "...অথবা গভীর সমুদ্রের অন্ধকারের মতো, তাকে ঢেকে রাখে ঢেউয়ের উপর ঢেউ, তার উপরে মেঘ। অন্ধকারের উপর অন্ধকার..."
আরবি: "...أَوْ كَظُلُمَاتٍ فِي بَحْرٍ لُّجِّيٍّ يَغْشَاهُ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِ سَحَابٌ ظُلُمَاتٌ بَعْضُهَا فَوْقَ بَعْضٍ..."
৬২. সুরা নূর (২৪:৪৩)
বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ মেঘকে চালান, অতঃপর তাদের একত্র করেন, অতঃপর স্তূপ করেন। অতঃপর তুমি তার মাঝ থেকে বৃষ্টি বের হতে দেখ..."
আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُزْجِي سَحَابًا ثُمَّ يُؤَلِّفُ بَيْنَهُ ثُمَّ يَجْعَلُهُ رُكَامًا فَتَرَى الْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَالِهِ..."
৬৩. সুরা নূর (২৪:৪৫)
বাংলা: "...আর আল্লাহ প্রত্যেক জীবকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাদের মধ্যে কিছু পেটে ভর দিয়ে চলে, কিছু দুই পায়ে চলে, আর কিছু চার পায়ে চলে..."
আরবি: "...وَاللَّهُ خَلَقَ كُلَّ دَابَّةٍ مِّن مَّاءٍ فَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ بَطْنِهِ وَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ رِجْلَيْنِ وَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ أَرْبَعٍ..."
৬৪. সুরা ফুরকান (২৫:৪৫)
বাংলা: "...তুমি কি তোমার প্রতিপালকের দিকে দেখ না, কিভাবে তিনি ছায়াকে লম্বা করেন। আর তিনি চাইলে তাকে স্থির রাখতে পারতেন..."
আরবি: "...أَلَمْ تَرَ إِلَىٰ رَبِّكَ كَيْفَ مَدَّ الظِّلَّ وَلَوْ شَاءَ لَجَعَلَهُ سَاكِنًا..."
৬৫. সুরা ফুরকান (২৫:৫৩)
বাংলা: "...আর তিনিই দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেছেন। এটি মিষ্টি, সুপেয়। আর এটি লবণাক্ত, তিক্ত। আর উভয়ের মাঝে রেখেছেন একটি অন্তরায়..."
আরবি: "...وَهُوَ الَّذِي مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ هَٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ وَهَٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَجَعَلَ بَيْنَهُمَا بَرْزَخًا..."
৬৬. সুরা ফুরকান (২৫:৫৯)
বাংলা: "...যিনি আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝে যা আছে সব ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি দয়াময়..."
আরবি: "...الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ الرَّحْمَٰنُ..."
৬৭. সুরা শুআরা (২৬:৬৩)
বাংলা: "...অতঃপর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম, তোমার লাঠি দিয়ে সমুদ্রে আঘাত কর। ফলে তা ফেটে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পাহাড়ের মতো হয়ে গেল..."
আরবি: "...فَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْبَحْرَ فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ..."
৬৮. সুরা নমল (২৭:১৮)
বাংলা: "...অবশেষে যখন তারা পিঁপড়ার উপত্যকায় পৌঁছল, এক পিঁপড়া বলল, হে পিঁপড়ারা, তোমাদের গর্তে প্রবেশ কর..."
আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا أَتَوْا عَلَىٰ وَادِ النَّمْلِ قَالَتْ نَمْلَةٌ يَا أَيُّهَا النَّمْلُ ادْخُلُوا مَسَاكِنَكُمْ..."
৬৯. সুরা নমল (২৭:২০-২২)
বাংলা: "...আর সে পাখিদের খোঁজ নিল, অতঃপর বলল, আমার কী হলো যে আমি হুদহুদকে দেখছি না... সে বলল, আমি এমন কিছু জেনেছি যা আপনি জানেন না..."
আরবি: "...وَتَفَقَّدَ الطَّيْرَ فَقَالَ مَا لِيَ لَا أَرَى الْهُدْهُدَ... فَقَالَ أَحَطتُ بِمَا لَمْ تُحِطْ بِهِ..."
৭০. সুরা নমল (২৭:৩৮-৪০)
বাংলা: "...সে বলল, হে সভাসদ, তোমাদের মধ্যে কে তার সিংহাসন আমার কাছে নিয়ে আসবে... যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল সে বলল, আমি তা আপনার কাছে আনব আপনার চোখের পলক ফেরার আগেই..."
আরবি: "...قَالَ يَا أَيُّهَا الْمَلَأُ أَيُّكُمْ يَأْتِينِي بِعَرْشِهَا... قَالَ الَّذِي عِندَهُ عِلْمٌ مِّنَ الْكِتَابِ أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَن يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ..."
৭১. সুরা কাসাস (২৮:৭-৮)
বাংলা: "...আর আমি মুসার মায়ের প্রতি ওহী পাঠালাম, তাকে দুধ পান করাও। অতঃপর যখন তুমি তার ব্যাপারে ভয় কর, তখন তাকে নদীতে নিক্ষেপ কর..."
আরবি: "...وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ أُمِّ مُوسَىٰ أَنْ أَرْضِعِيهِ فَإِذَا خِفْتِ عَلَيْهِ فَأَلْقِيهِ فِي الْيَمِّ..."
৭২. সুরা কাসাস (২৮:৩১)
বাংলা: "...আর তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর। অতঃপর যখন সে তাকে সাপের মতো ছুটতে দেখল, সে পিছনে ফিরে পালাল..."
আরবি: "...وَأَنْ أَلْقِ عَصَاكَ فَلَمَّا رَآهَا تَهْتَزُّ كَأَنَّهَا جَانٌّ وَلَّىٰ مُدْبِرًا..."
৭৩. সুরা আনকাবুত (২৯:১৪)
বাংলা: "...আর আমি নূহকে তার সম্প্রদায়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর সে তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর অবস্থান করল..."
আরবি: "...وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِ فَلَبِثَ فِيهِمْ أَلْفَ سَنَةٍ إِلَّا خَمْسِينَ عَامًا..."
৭৪. সুরা আনকাবুত (২৯:৪১)
বাংলা: "...যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদের অভিভাবক গ্রহণ করে তাদের দৃষ্টান্ত মাকড়সার মতো, যে ঘর বানায়। আর নিশ্চয় সবচেয়ে দুর্বল ঘর মাকড়সার ঘর..."
আরবি: "...مَثَلُ الَّذِينَ اتَّخَذُوا مِن دُونِ اللَّهِ أَوْلِيَاءَ كَمَثَلِ الْعَنكَبُوتِ اتَّخَذَتْ بَيْتًا وَإِنَّ أَوْهَنَ الْبُيُوتِ لَبَيْتُ الْعَنكَبُوتِ..."
৭৫. সুরা রুম (৩০:৪৮)
বাংলা: "...আল্লাহই বাতাস পাঠান, অতঃপর তা মেঘমালা সঞ্চালিত করে। অতঃপর তিনি তা আকাশে যেভাবে চান ছড়িয়ে দেন..."
আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي يُرْسِلُ الرِّيَاحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَيَبْسُطُهُ فِي السَّمَاءِ كَيْفَ يَشَاءُ..."
৭৬. সুরা লুকমান (৩১:১০)
বাংলা: "...তিনি আকাশমণ্ডলী সৃষ্টি করেছেন স্তম্ভ ছাড়া, যা তোমরা দেখছ। আর পৃথিবীতে পাহাড় স্থাপন করেছেন যাতে তা তোমাদের নিয়ে হেলে না পড়ে..."
আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا وَأَلْقَىٰ فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِكُمْ..."
৭৭. সুরা সাজদা (৩২:৪)
বাংলা: "...আল্লাহই আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝে যা আছে সব ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন..."
আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ..."
৭৮. সুরা সাজদা (৩২:৫)
বাংলা: "...তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সব বিষয় পরিচালনা করেন। অতঃপর তা তাঁর কাছে উঠে যায় এমন এক দিনে যার পরিমাণ তোমাদের গণনায় এক হাজার বছর..."
আরবি: "...يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ..."
৭৯. সুরা আহযাব (৩৩:৭২)
বাংলা: "...নিশ্চয় আমি আকাশ, পৃথিবী ও পাহাড়ের কাছে আমানত পেশ করেছিলাম। অতঃপর তারা তা বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হলো..."
আরবি: "...إِنَّا عَرَضْنَا الْأَمَانَةَ عَلَى السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالْجِبَالِ فَأَبَيْنَ أَن يَحْمِلْنَهَا وَأَشْفَقْنَ مِنْهَا..."
৮০. সুরা সাবা (৩৪:১০-১১)
বাংলা: "...আর আমি দাউদকে আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ দিয়েছিলাম। হে পাহাড়, তার সাথে তাসবীহ পাঠ কর। আর পাখিদেরও। আর আমি তার জন্য লোহা নরম করেছিলাম..."
আরবি: "...وَلَقَدْ آتَيْنَا دَاوُودَ مِنَّا فَضْلًا يَا جِبَالُ أَوِّبِي مَعَهُ وَالطَّيْرَ وَأَلَنَّا لَهُ الْحَدِيدَ..."
৮১. সুরা সাবা (৩৪:১২)
বাংলা: "...আর সুলায়মানের জন্য বাতাস, তার সকালের যাত্রা এক মাসের পথ এবং বিকালের যাত্রা এক মাসের পথ। আর আমি তার জন্য গলিত তামার ঝরনা প্রবাহিত করেছিলাম..."
আরবি: "...وَلِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ غُدُوُّهَا شَهْرٌ وَرَوَاحُهَا شَهْرٌ وَأَسَلْنَا لَهُ عَيْنَ الْقِطْرِ..."
৮২. সুরা সাবা (৩৪:১৪)
বাংলা: "...অতঃপর যখন আমি তার মৃত্যুর ফয়সালা করলাম, পৃথিবীর পোকা ছাড়া কেউ তাদের তার মৃত্যু সম্পর্কে জানায়নি, যা তার লাঠি খাচ্ছিল..."
আরবি: "...فَلَمَّا قَضَيْنَا عَلَيْهِ الْمَوْتَ مَا دَلَّهُمْ عَلَىٰ مَوْتِهِ إِلَّا دَابَّةُ الْأَرْضِ تَأْكُلُ مِنسَأَتَهُ..."
৮৩. সুরা ফাতির (৩৫:১)
বাংলা: "...সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, ফেরেশতাদের বানিয়েছেন বার্তাবাহক, যাদের দুই দুই, তিন তিন, চার চার ডানা আছে..."
আরবি: "...الْحَمْدُ لِلَّهِ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَاعِلِ الْمَلَائِكَةِ رُسُلًا أُولِي أَجْنِحَةٍ مَّثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ..."
৮৪. সুরা ফাতির (৩৫:২৭)
বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর আমি তা দিয়ে বিভিন্ন রঙের ফল বের করি। আর পাহাড়ের মধ্যে আছে সাদা ও লাল রেখা..."
আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ أَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجْنَا بِهِ ثَمَرَاتٍ مُّخْتَلِفًا أَلْوَانُهَا وَمِنَ الْجِبَالِ جُدَدٌ بِيضٌ وَحُمْرٌ..."
৮৫. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৩৮)
বাংলা: "...আর সূর্য তার নির্ধারিত স্থানের দিকে চলছে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নির্ধারণ..."
আরবি: "...وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَّهَا ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ..."
৮৬. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৩৯)
বাংলা: "...আর চাঁদের জন্য আমি মনযিল নির্ধারণ করেছি, অবশেষে তা পুরনো খেজুর শাখার মতো হয়ে ফিরে আসে..."
আরবি: "...وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ حَتَّىٰ عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ..."
৮৭. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৪০)
বাংলা: "...সূর্যের সাধ্য নেই চাঁদকে ধরার, আর রাত দিনকে অতিক্রম করতে পারে না। আর প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে..."
আরবি: "...لَا الشَّمْسُ يَنبَغِي لَهَا أَن تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ..."
৮৮. সুরা সাফফাত (৩৭:৬-৭)
বাংলা: "...নিশ্চয় আমি দুনিয়ার আকাশকে তারকারাজির সৌন্দর্য দিয়ে সাজিয়েছি। আর প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে রক্ষা করেছি..."
আরবি: "...إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ وَحِفْظًا مِّن كُلِّ شَيْطَانٍ مَّارِدٍ..."
৮৯. সুরা সাফফাত (৩৭:১০২)
বাংলা: "...অতঃপর যখন সে তার সাথে চলার বয়সে পৌঁছল, সে বলল, হে আমার পুত্র, আমি স্বপ্নে দেখছি যে আমি তোমাকে জবাই করছি..."
আরবি: "...فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ يَا بُنَيَّ إِنِّي أَرَىٰ فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ..."
৯০. সুরা সাফফাত (৩৭:১৪২-১৪৫)
বাংলা: "...অতঃপর মাছ তাকে গিলে ফেলল, আর সে ছিল তিরস্কৃত। যদি সে তাসবীহ পাঠকারীদের অন্তর্ভুক্ত না হতো, তবে সে কিয়ামত পর্যন্ত তার পেটে থাকত..."
আরবি: "...فَالْتَقَمَهُ الْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌ فَلَوْلَا أَنَّهُ كَانَ مِنَ الْمُسَبِّحِينَ لَلَبِثَ فِي بَطْنِهِ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ..."
৯১. সুরা সাদ (৩৮:৩৬-৩৮)
বাংলা: "...অতঃপর আমি তার জন্য বাতাসকে নিয়ন্ত্রিত করলাম, যা তার আদেশে যেখানে সে চাইত নরমভাবে প্রবাহিত হতো। আর শয়তানদের, প্রত্যেক নির্মাতা ও ডুবুরি..."
আরবি: "...فَسَخَّرْنَا لَهُ الرِّيحَ تَجْرِي بِأَمْرِهِ رُخَاءً حَيْثُ أَصَابَ وَالشَّيَاطِينَ كُلَّ بَنَّاءٍ وَغَوَّاصٍ..."
৯২. সুরা জুমার (৩৯:৫)
বাংলা: "...তিনি আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাতকে দিনের উপর জড়িয়ে দেন এবং দিনকে রাতের উপর জড়িয়ে দেন..."
আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ يُكَوِّرُ اللَّيْلَ عَلَى النَّهَارِ وَيُكَوِّرُ النَّهَارَ عَلَى اللَّيْلِ..."
৯৩. সুরা জুমার (৩৯:৬৭)
বাংলা: "...আর তারা আল্লাহকে যথাযথ মর্যাদা দেয়নি। আর কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর মুঠোয় এবং আকাশমণ্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতে গুটানো..."
আরবি: "...وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ وَالْأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّمَاوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ..."
৯৪. সুরা গাফির (৪০:৬৪)
বাংলা: "...আল্লাহই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বাসস্থান এবং আকাশকে ছাদ করেছেন। আর তিনি তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন..."
আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ قَرَارًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ..."
৯৫. সুরা ফুসসিলাত (৪১:১১)
বাংলা: "...অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন, আর তা ছিল ধোঁয়া। অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়..."
আরবি: "...ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ وَهِيَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ائْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا..."
৯৬. সুরা ফুসসিলাত (৪১:১২)
বাংলা: "...অতঃপর তিনি দুই দিনে সাত আকাশ বানালেন এবং প্রত্যেক আকাশে তার বিধান ওহী করলেন। আর আমি দুনিয়ার আকাশকে প্রদীপ দিয়ে সাজিয়েছি..."
আরবি: "...فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ فِي يَوْمَيْنِ وَأَوْحَىٰ فِي كُلِّ سَمَاءٍ أَمْرَهَا وَزَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ..."
৯৭. সুরা শুরা (৪২:১৬)
বাংলা: "...আর যারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে, তার কাছে আত্মসমর্পণের পর, তাদের যুক্তি তাদের প্রতিপালকের কাছে বাতিল। আর তাদের উপর ক্রোধ এবং তাদের জন্য কঠিন শাস্তি..."
আরবি: "...وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِن بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ..."
৯৮. সুরা ফাতহ (৪৮:৬)
বাংলা: "...আর যাতে তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী এবং মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারীদের শাস্তি দেন, যারা আল্লাহ সম্পর্কে খারাপ ধারণা করে। তাদের উপর রয়েছে খারাপ পরিণতি..."
আরবি: "...وَيُعَذِّبَ الْمُنَافِقِينَ وَالْمُنَافِقَاتِ وَالْمُشْرِكِينَ وَالْمُشْرِكَاتِ الظَّانِّينَ بِاللَّهِ ظَنَّ السَّوْءِ عَلَيْهِمْ دَائِرَةُ السَّوْءِ..."
৯৯. সুরা মুজাদালা (৫৮:১৪)
বাংলা: "...তুমি কি তাদের দেখ না, যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে যাদের উপর আল্লাহ ক্রুদ্ধ হয়েছেন। তারা তোমাদেরও নয়, তাদেরও নয়..."
আরবি: "...أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ تَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِم مَّا هُم مِّنكُمْ وَلَا مِنْهُمْ..."
১০০. সুরা মুমতাহিনা (৬০:১৩)
বাংলা: "...হে মুমিনগণ, তোমরা এমন সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করো না যাদের উপর আল্লাহ ক্রুদ্ধ হয়েছেন। তারা আখিরাত থেকে নিরাশ হয়ে গেছে..."
আরবি: "...يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ قَدْ يَئِسُوا مِنَ الْآخِرَةِ..."
১০১. সুরা ক্বাফ (৫০:৬)
বাংলা: "...তারা কি তাদের উপরের আকাশের দিকে তাকায় না, কিভাবে আমি তা বানিয়েছি এবং সাজিয়েছি। আর তাতে কোনো ফাটল নেই..."
আরবি: "...أَفَلَمْ يَنظُرُوا إِلَى السَّمَاءِ فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنَاهَا وَزَيَّنَّاهَا وَمَا لَهَا مِن فُرُوجٍ..."
১০২. সুরা হাক্কাহ (৬৯:১৩-১৭)
বাংলা: "...অতঃপর যখন শিংগায় ফুঁ দেওয়া হবে - একবার ফুঁ। আর পর্বতমালা সমেত পৃথিবী তুলে নেওয়া হবে, অতঃপর এক আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে। সেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে। আর আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে, আর সেদিন তা হবে দুর্বল। আর ফেরেশতারা থাকবে তার কিনারায়। আর সেদিন তোমার প্রতিপালকের আরশকে আটজন তাদের উপরে বহন করবে..."
আরবি: "...فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ وَحُمِلَتِ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَاحِدَةً فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ وَانشَقَّتِ السَّمَاءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ وَالْمَلَكُ عَلَىٰ أَرْجَائِهَا وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَانِيَةٌ..."
১০৩. সুরা যারিয়াত (৫১:৪৭)
বাংলা: "...আর আকাশ, আমি তা নির্মাণ করেছি শক্তি দিয়ে। আর নিশ্চয় আমি সম্প্রসারণকারী..."
আরবি: "...وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ..."
১০৪. সুরা হাদিদ (৫৭:৪)
বাংলা: "...তিনিই আকাশ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি জানেন যা পৃথিবীতে প্রবেশ করে..."
আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ يَعْلَمُ مَا يَلِجُ فِي الْأَرْضِ..."
১০৫. সুরা তুর (৫২:৪৪)
বাংলা: "...আর যদি তারা আকাশের একটি খণ্ড পতিত হতে দেখে, বলবে, এটা তো পুঞ্জীভূত মেঘ..."
আরবি: "...وَإِن يَرَوْا كِسْفًا مِّنَ السَّمَاءِ سَاقِطًا يَقُولُوا سَحَابٌ مَّرْكُومٌ..."
১০৬. সুরা নাজম (৫৩:১)
বাংলা: "...শপথ তারকার, যখন তা অস্ত যায়..."
আরবি: "...وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ..."
১০৭. সুরা নাজম (৫৩:৪৯)
বাংলা: "...আর তিনিই শি’রা নক্ষত্রের প্রতিপালক..."
আরবি: "...وَأَنَّهُ هُوَ رَبُّ الشِّعْرَىٰ..."
১০৮. সুরা কামার (৫৪:১)
বাংলা: "...কিয়ামত নিকটে এসেছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে..."
আরবি: "...اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ..."
১০৯. সুরা কামার (৫৪:১১-১২)
বাংলা: "...অতঃপর আমি আকাশের দরজাগুলো খুলে দিলাম মুষলধারে বৃষ্টি দিয়ে। আর পৃথিবী থেকে ঝরনা উৎসারিত করলাম। অতঃপর পানি মিলিত হলো এক নির্ধারিত কাজে..."
আরবি: "...فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُّنْهَمِرٍ وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَىٰ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ..."
১১০. সুরা রহমান (৫৫:১৯-২০)
বাংলা: "...তিনি দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেছেন, তারা মিলিত হয়। উভয়ের মাঝে রয়েছে এক অন্তরায়, যা তারা অতিক্রম করে না..."
আরবি: "...مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ..."
১১১. সুরা রহমান (৫৫:৩৩)
বাংলা: "...হে জিন ও মানুষ সম্প্রদায়, যদি তোমরা আকাশ ও পৃথিবীর সীমানা থেকে বের হতে পার, তবে বের হও। তোমরা ক্ষমতা ছাড়া বের হতে পারবে না..."
আরবি: "...يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانفُذُوا لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ..."
১১২. সুরা রহমান (৫৫:৩৭)
বাংলা: "...অতঃপর যখন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে এবং তা গোলাপের মতো লাল চামড়ার মতো হয়ে যাবে..."
আরবি: "...فَإِذَا انشَقَّتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ..."
১১৩. সুরা ওয়াকিয়া (৫৬:৬৮-৭০)
বাংলা: "...তোমরা কি সেই পানি সম্পর্কে ভেবে দেখেছ যা তোমরা পান কর? তোমরা কি তা মেঘ থেকে নামিয়েছ, নাকি আমিই বর্ষণকারী..."
আরবি: "...أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ أَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنزِلُونَ..."
১১৪. সুরা ওয়াকিয়া (৫৬:৭৫-৭৬)
বাংলা: "...অতঃপর আমি শপথ করছি তারকাদের পতনস্থলের। আর নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে..."
আরবি: "...فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ..."
১১৫. সুরা হাশর (৫৯:২১)
বাংলা: "...যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর নাযিল করতাম, তবে তুমি তাকে আল্লাহর ভয়ে বিনীত, বিদীর্ণ দেখতে..."
আরবি: "...لَوْ أَنزَلْنَا هَٰذَا الْقُرْآنَ عَلَىٰ جَبَلٍ لَّرَأَيْتَهُ خَاشِعًا مُّتَصَدِّعًا مِّنْ خَشْيَةِ اللَّهِ..."
১১৬. সুরা জুমুআ (৬২:৫)
বাংলা: "...যাদের তাওরাতের ভার দেওয়া হয়েছিল, অতঃপর তারা তা বহন করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত গাধার মতো, যে পুস্তকের বোঝা বহন করে..."
আরবি: "...مَثَلُ الَّذِينَ حُمِّلُوا التَّوْرَاةَ ثُمَّ لَمْ يَحْمِلُوهَا كَمَثَلِ الْحِمَارِ يَحْمِلُ أَسْفَارًا..."
১১৭. সুরা তাগাবুন (৬৪:৩)
বাংলা: "...তিনি আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন..."
আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ..."
১১৮. সুরা মুলক (৬৭:৩)
বাংলা: "...যিনি সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি দয়াময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসঙ্গতি দেখবে না..."
আরবি: "...الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا مَّا تَرَىٰ فِي خَلْقِ الرَّحْمَٰنِ مِن تَفَاوُتٍ..."
১১৯. সুরা মুলক (৬৭:৫)
বাংলা: "...আর আমি দুনিয়ার আকাশকে প্রদীপমালা দিয়ে সাজিয়েছি এবং সেগুলোকে শয়তানদের জন্য নিক্ষেপের বস্তু করেছি..."
আরবি: "...وَلَقَدْ زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَجَعَلْنَاهَا رُجُومًا لِّلشَّيَاطِينِ..."
১২০. সুরা মুলক (৬৭:১৬)
বাংলা: "...তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছ যে, যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের পৃথিবীতে ধসিয়ে দিবেন না..."
আরবি: "...أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ..."
১২১. সুরা নূহ (৭১:১৫-১৬)
বাংলা: "...তোমরা কি দেখনি, আল্লাহ কিভাবে সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। আর তাদের মধ্যে চাঁদকে আলো এবং সূর্যকে প্রদীপ করেছেন..."
আরবি: "...أَلَمْ تَرَوْا كَيْفَ خَلَقَ اللَّهُ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا وَجَعَلَ الْقَمَرَ فِيهِنَّ نُورًا وَجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا..."
১২২. সুরা জিন (৭২:৮-৯)
বাংলা: "...আর আমরা আকাশ স্পর্শ করেছিলাম, অতঃপর তাকে পেলাম কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিণ্ডে ভরা। আর আমরা তার বিভিন্ন জায়গায় বসতাম সংবাদ শোনার জন্য..."
আরবি: "...وَأَنَّا لَمَسْنَا السَّمَاءَ فَوَجَدْنَاهَا مُلِئَتْ حَرَسًا شَدِيدًا وَشُهُبًا وَأَنَّا كُنَّا نَقْعُدُ مِنْهَا مَقَاعِدَ لِلسَّمْعِ..."
১২৩. সুরা মুজ্জাম্মিল (৭৩:১৪)
বাংলা: "...যেদিন পৃথিবী ও পাহাড় কেঁপে উঠবে এবং পাহাড় হবে বিক্ষিপ্ত বালুকারাশির মতো..."
আরবি: "...يَوْمَ تَرْجُفُ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ وَكَانَتِ الْجِبَالُ كَثِيبًا مَّهِيلًا..."
১২৪. সুরা মুদ্দাসসির (৭৪:১-২)
বাংলা: "...হে চাদর আবৃত, ওঠ, অতঃপর সতর্ক কর..."
আরবি: "...يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ قُمْ فَأَنذِرْ..."
১২৫. সুরা কিয়ামাহ (৭৫:৮-৯)
বাংলা: "...আর যখন চাঁদ আলোহীন হয়ে যাবে এবং সূর্য ও চাঁদকে একত্র করা হবে..."
আরবি: "...وَخَسَفَ الْقَمَرُ وَجُمِعَ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ..."
১২৬. সুরা ইনসান (৭৬:১)
বাংলা: "...মানুষের উপর কি এমন এক সময় আসেনি যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না..."
আরবি: "...هَلْ أَتَىٰ عَلَى الْإِنسَانِ حِينٌ مِّنَ الدَّهْرِ لَمْ يَكُن شَيْئًا مَّذْكُورًا..."
১২৭. সুরা মুরসালাত (৭৭:৮-১০)
বাংলা: "...অতঃপর যখন তারকারাজি নিভে যাবে এবং যখন আকাশ ফেটে যাবে এবং যখন পাহাড় চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে..."
আরবি: "...فَإِذَا النُّجُومُ طُمِسَتْ وَإِذَا السَّمَاءُ فُرِجَتْ وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ..."
১২৮. সুরা নাবা (৭৮:৬-৭)
বাংলা: "...আমি কি পৃথিবীকে বিছানা করিনি। আর পাহাড়কে পেরেক..."
আরবি: "...أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ مِهَادًا وَالْجِبَالَ أَوْتَادًا..."
১২৯. সুরা নাবা (৭৮:১৯)
বাংলা: "...আর আকাশ খুলে দেওয়া হবে, ফলে তা দরজায় পরিণত হবে..."
আরবি: "...وَفُتِحَتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ أَبْوَابًا..."
১৩০. সুরা নাযিয়াত (৭৯:২৭-৩০)
বাংলা: "...তোমাদের সৃষ্টি কি কঠিন, নাকি আকাশ। তিনি তা নির্মাণ করেছেন। তিনি তার ছাদ উঁচু করেছেন, অতঃপর তা সুষম করেছেন..."
আরবি: "...أَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ بَنَاهَا رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا..."
১৩১. সুরা আবাসা (৮০:২৫-২৭)
বাংলা: "...অতঃপর আমি পানি বর্ষণ করেছি প্রচুর পরিমাণে। অতঃপর পৃথিবীকে বিদীর্ণ করেছি। অতঃপর তাতে শস্য উৎপন্ন করেছি..."
আরবি: "...أَنَّا صَبَبْنَا الْمَاءَ صَبًّا ثُمَّ شَقَقْنَا الْأَرْضَ شَقًّا فَأَنبَتْنَا فِيهَا حَبًّا..."
১৩২. সুরা তাকভীর (৮১:১-৩)
বাংলা: "...যখন সূর্য আলোহীন করা হবে। আর যখন তারকারাজি খসে পড়বে। আর যখন পাহাড় চালিত করা হবে..."
আরবি: "...إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ وَإِذَا النُّجُومُ انكَدَرَتْ وَإِذَا الْجِبَالُ سُيِّرَتْ..."
১৩৩. সুরা ইনফিতার (৮২:১-৩)
বাংলা: "...যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে। আর যখন তারকারাজি বিক্ষিপ্ত হবে। আর যখন সমুদ্রগুলো উথলে উঠবে..."
আরবি: "...إِذَا السَّمَاءُ انفَطَرَتْ وَإِذَا الْكَوَاكِبُ انتَثَرَتْ وَإِذَا الْبِحَارُ فُجِّرَتْ..."
১৩৪. সুরা মুতাফফিফীন (৮৩:২৪)
বাংলা: "...তুমি তাদের চেহারায় নেয়ামতের সজীবতা চিনতে পারবে..."
আরবি: "...تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ..."
১৩৫. সুরা ইনশিকাক (৮৪:১)
বাংলা: "...যখন আকাশ ফেটে যাবে..."
আরবি: "...إِذَا السَّمَاءُ انشَقَّتْ..."
১৩৬. সুরা বুরুজ (৮৫:১)
বাংলা: "...শপথ বুরুজবিশিষ্ট আকাশের..."
আরবি: "...وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ..."
১৩৭. সুরা তারিক (৮৬:১-৩)
বাংলা: "...শপথ আকাশের এবং রাতে আগমনকারীর। তুমি কি জান রাতে আগমনকারী কী। তা হলো উজ্জ্বল তারকা..."
আরবি: "...وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ وَمَا أَدْرَاكَ مَا الطَّارِقُ النَّجْمُ الثَّاقِبُ..."
১৩৮. সুরা আ’লা (৮৭:১-২)
বাংলা: "...তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ঘোষণা কর। যিনি সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর সুষম করেছেন..."
আরবি: "...سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ..."
১৩৯. সুরা গাশিয়াহ (৮৮:১৭-২০)
বাংলা: "...তারা কি উটের দিকে তাকায় না, কিভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে। আর আকাশের দিকে, কিভাবে তা উঁচু করা হয়েছে। আর পাহাড়ের দিকে, কিভাবে তা স্থাপন করা হয়েছে। আর পৃথিবীর দিকে, কিভাবে তা বিছানো হয়েছে..."
আরবি: "...أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ وَإِلَى السَّمَاءِ كَيْفَ رُفِعَتْ وَإِلَى الْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ..."
১৪০. সুরা ফাজর (৮৯:১-২)
বাংলা: "...শপথ ফজরের। আর দশ রাতের..."
আরবি: "...وَالْفَجْرِ وَلَيَالٍ عَشْرٍ..."
১৪১. সুরা বালাদ (৯০:১-২)
বাংলা: "...আমি শপথ করছি এই নগরের। আর তুমি এই নগরে অবস্থানকারী..."
আরবি: "...لَا أُقْسِمُ بِهَٰذَا الْبَلَدِ وَأَنتَ حِلٌّ بِهَٰذَا الْبَلَدِ..."
১৪২. সুরা শামস (৯১:১-৪)
বাংলা: "...শপথ সূর্যের এবং তার কিরণের। আর চাঁদের, যখন তা তার অনুসরণ করে। আর দিনের, যখন তা তাকে প্রকাশ করে। আর রাতের, যখন তা তাকে ঢেকে দেয়..."
আরবি: "...وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا وَالْقَمَرِ إِذَا تَلَاهَا وَالنَّهَارِ إِذَا جَلَّاهَا وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَاهَا..."
১৪৩. সুরা লাইল (৯২:১-২)
বাংলা: "...শপথ রাতের, যখন তা ঢেকে দেয়। আর দিনের, যখন তা প্রকাশিত হয়..."
আরবি: "...وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰ وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّىٰ..."
১৪৪. সুরা দুহা (৯৩:১-২)
বাংলা: "...শপথ পূর্বাহ্ণের। আর রাতের, যখন তা নিঝুম হয়..."
আরবি: "...وَالضُّحَىٰ وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَىٰ..."
১৪৫. সুরা তীন (৯৫:১-৩)
বাংলা: "...শপথ তীন ও যয়তুনের। আর তুর পাহাড়ের। আর এই নিরাপদ নগরের..."
আরবি: "...وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ وَطُورِ سِينِينَ وَهَٰذَا الْبَلَدِ الْأَمِينِ..."
১৪৬. সুরা আলাক (৯৬:১-২)
বাংলা: "...পড় তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে..."
আরবি: "...اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ..."
১৪৭. সুরা কদর (৯৭:১)
বাংলা: "...নিশ্চয় আমি তা নাযিল করেছি কদরের রাতে..."
আরবি: "...إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ..."
১৪৮. সুরা যিলযাল (৯৯:১-২)
বাংলা: "...যখন পৃথিবী তার প্রচণ্ড কম্পনে কেঁপে উঠবে। আর পৃথিবী তার বোঝা বের করে দিবে..."
আরবি: "...إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا..."
১৪৯. সুরা ক্বারিয়াহ (১০১:৪-৫)
বাংলা: "...যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো। আর পাহাড় হবে ধুনিত রঙিন পশমের মতো..."
আরবি: "...يَوْمَ يَكُونُ النَّاسُ كَالْفَرَاشِ الْمَبْثُوثِ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ الْمَنفُوشِ..."
১৫০. সুরা মাআরিজ (৭০:৮-১১)
বাংলা: "...যেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মতো। আর পাহাড় হবে ধুনিত পশমের মতো। আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞেস করবে না..."
আরবি: "...يَوْمَ تَكُونُ السَّمَاءُ كَالْمُهْلِ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا..."
