Search

Saturday, May 9, 2026

পবিত্র কোরানের আয়াত।

১. সুরা বাকারা (২:২৬)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আল্লাহ মশা কিংবা তার চেয়েও ক্ষুদ্র কোনো বস্তুর উপমা দিতে লজ্জা করেন না..."  

আরবি: "...إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي أَن يَضْرِبَ مَثَلًا مَّا بَعُوضَةً فَمَا فَوْقَهَا..."


২. সুরা বাকারা (২:২৯)  

বাংলা: "...তিনিই যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীর সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন এবং তাকে সাত আকাশে বিন্যস্ত করলেন..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ فَسَوَّاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ..."


৩. সুরা বাকারা (২:৫৭)  

বাংলা: "...আর আমি তোমাদের উপর মেঘের ছায়া দিলাম এবং তোমাদের প্রতি মান্না ও সালওয়া নাযিল করলাম..."  

আরবি: "...وَظَلَّلْنَا عَلَيْكُمُ الْغَمَامَ وَأَنزَلْنَا عَلَيْكُمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَىٰ..."


৪. সুরা বাকারা (২:৬৫-৬৬)  

বাংলা: "...আর তোমরা অবশ্যই তাদের জানো, যারা তোমাদের মধ্যে শনিবার সম্পর্কে সীমালঙ্ঘন করেছিল। আমি তাদের বললাম, তোমরা ঘৃণিত বানর হয়ে যাও। অতঃপর আমি এ ঘটনাকে তাদের সমসাময়িক ও পরবর্তীদের জন্য দৃষ্টান্ত করলাম..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ الَّذِينَ اعْتَدَوْا مِنكُمْ فِي السَّبْتِ فَقُلْنَا لَهُمْ كُونُوا قِرَدَةً خَاسِئِينَ ۝ فَجَعَلْنَاهَا نَكَالًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهَا وَمَا خَلْفَهَا..."


৫. সুরা বাকারা (২:৭৪)  

বাংলা: "...এরপরও তোমাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেল। তা পাথরের মতো কিংবা তার চেয়েও কঠিন। আর নিশ্চয় পাথরের মধ্যে কিছু আছে যা থেকে নদী প্রবাহিত হয়..."  

আরবি: "...ثُمَّ قَسَتْ قُلُوبُكُم مِّن بَعْدِ ذَٰلِكَ فَهِيَ كَالْحِجَارَةِ أَوْ أَشَدُّ قَسْوَةً وَإِنَّ مِنَ الْحِجَارَةِ لَمَا يَتَفَجَّرُ مِنْهُ الْأَنْهَارُ..."


৬. সুরা বাকারা (২:৯০)  

বাংলা: "...কত নিকৃষ্ট সেই জিনিস যার বিনিময়ে তারা নিজেদের বিক্রি করেছে, যে তারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তা অস্বীকার করে। ফলে তারা ক্রোধের উপর ক্রোধ নিয়ে ফিরল..."  

আরবি: "...بِئْسَمَا اشْتَرَوْا بِهِ أَنفُسَهُمْ أَن يَكْفُرُوا بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ... فَبَاءُوا بِغَضَبٍ عَلَىٰ غَضَبٍ..."


৭. সুরা বাকারা (২:১০২)  

বাংলা: "...আর তারা অনুসরণ করে যা শয়তানরা সুলায়মানের রাজত্বের বিরুদ্ধে আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফরি করেনি, কিন্তু শয়তানরাই কুফরি করেছিল। তারা মানুষকে জাদু শিক্ষা দিত..."  

আরবি: "...وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُو الشَّيَاطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَانَ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ..."


৮. সুরা বাকারা (২:১৬৪)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টিতে, রাত ও দিনের পরিবর্তনে, সেই নৌযানে যা মানুষের উপকার নিয়ে সাগরে চলে... মেঘমালায় যা আকাশ ও পৃথিবীর মাঝে নিয়ন্ত্রিত, এসবে নিদর্শন রয়েছে বুদ্ধিমান সম্প্রদায়ের জন্য..."  

আরবি: "...إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَالْفُلْكِ الَّتِي تَجْرِي فِي الْبَحْرِ... وَالسَّحَابِ الْمُسَخَّرِ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ..."


৯. সুরা বাকারা (২:২৫৯)  

বাংলা: "...অথবা সেই ব্যক্তির মতো যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যা তার ছাদের উপর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। সে বলল, আল্লাহ একে মরার পর কিভাবে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে একশ বছর মৃত রাখলেন..."  

আরবি: "...أَوْ كَالَّذِي مَرَّ عَلَىٰ قَرْيَةٍ وَهِيَ خَاوِيَةٌ عَلَىٰ عُرُوشِهَا قَالَ أَنَّىٰ يُحْيِي هَٰذِهِ اللَّهُ بَعْدَ مَوْتِهَا فَأَمَاتَهُ اللَّهُ مِائَةَ عَامٍ..."


১০. সুরা বাকারা (২:২৬০)  

বাংলা: "...আর যখন ইবরাহিম বলল, হে আমার প্রতিপালক, আমাকে দেখান কিভাবে আপনি মৃতকে জীবিত করেন। তিনি বললেন, তুমি কি বিশ্বাস কর না? সে বলল, অবশ্যই করি, কিন্তু আমার অন্তরের প্রশান্তির জন্য..."  

আরবি: "...وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ أَرِنِي كَيْفَ تُحْيِي الْمَوْتَىٰ قَالَ أَوَلَمْ تُؤْمِن قَالَ بَلَىٰ وَلَٰكِن لِّيَطْمَئِنَّ قَلْبِي..."


১১. সুরা আলে ইমরান (৩:৫৯)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আল্লাহর কাছে ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের মতো। তাকে তিনি মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে বললেন, হও, ফলে সে হয়ে গেল..."  

আরবি: "...إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِندَ اللَّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِن تُرَابٍ ثُمَّ قَالَ لَهُ كُن فَيَكُونُ..."


১২. সুরা মায়িদা (৫:৬০)  

বাংলা: "...বল, আমি কি তোমাদের জানাব তাদের চেয়েও নিকৃষ্ট পরিণামের কথা আল্লাহর কাছে? তারা হলো যাদের উপর আল্লাহ লা’নত করেছেন ও ক্রোধ নাযিল করেছেন এবং যাদের কতককে বানর ও শূকর করেছেন..."  

আরবি: "...قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ اللَّهِ مَن لَّعَنَهُ اللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ وَجَعَلَ مِنْهُمُ الْقِرَدَةَ وَالْخَنَازِيرَ..."


১৩. সুরা মায়িদা (৫:১১০)  

বাংলা: "...যখন আল্লাহ বলবেন, হে মারইয়াম পুত্র ঈসা, আমার নেয়ামত স্মরণ কর... আর যখন তুমি কাদা দিয়ে পাখির আকৃতি গড়তে আমার অনুমতিক্রমে, অতঃপর তাতে ফুঁ দিতে, ফলে তা পাখি হয়ে যেত আমার অনুমতিক্রমে..."  

আরবি: "...إِذْ قَالَ اللَّهُ يَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ اذْكُرْ نِعْمَتِي عَلَيْكَ... وَإِذْ تَخْلُقُ مِنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ بِإِذْنِي فَتَنفُخُ فِيهَا فَتَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِي..."


১৪. সুরা আনআম (৬:২)  

বাংলা: "...তিনিই তোমাদের কাদা থেকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর একটি মেয়াদ নির্ধারণ করেছেন। আর একটি নির্ধারিত মেয়াদ তাঁর কাছে রয়েছে..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن طِينٍ ثُمَّ قَضَىٰ أَجَلًا وَأَجَلٌ مُّسَمًّى عِندَهُ..."


১৫. সুরা আনআম (৬:৬)  

বাংলা: "...তারা কি দেখেনি, আমি তাদের আগে কত মানবগোষ্ঠী ধ্বংস করেছি? তাদের আমি পৃথিবীতে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলাম যেমন তোমাদের করিনি। আর তাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করেছিলাম..."  

আরবি: "...أَلَمْ يَرَوْا كَمْ أَهْلَكْنَا مِن قَبْلِهِم مِّن قَرْنٍ مَّكَّنَّاهُمْ فِي الْأَرْضِ مَا لَمْ نُمَكِّن لَّكُمْ وَأَرْسَلْنَا السَّمَاءَ عَلَيْهِم مِّدْرَارًا..."


১৬. সুরা আনআম (৬:৩৮)  

বাংলা: "...আর পৃথিবীতে বিচরণকারী কোনো জীব এবং দুই ডানায় উড়ে চলা কোনো পাখি নেই, কিন্তু তারা তোমাদের মতোই জাতি..."  

আরবি: "...وَمَا مِن دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا طَائِرٍ يَطِيرُ بِجَنَاحَيْهِ إِلَّا أُمَمٌ أَمْثَالُكُم..."


১৭. সুরা আরাফ (৭:৫৪)  

বাংলা: "...নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, যিনি আকাশ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি রাত দিয়ে দিনকে ঢেকে দেন..."  

আরবি: "...إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ..."


১৮. সুরা আরাফ (৭:৭১)  

বাংলা: "...সে বলল, তোমাদের উপর তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অপবিত্রতা ও ক্রোধ অবধারিত হয়ে গেছে। তোমরা কি আমার সাথে এমন নামগুলো নিয়ে বিতর্ক করছ..."  

আরবি: "...قَالَ قَدْ وَقَعَ عَلَيْكُم مِّن رَّبِّكُمْ رِجْسٌ وَغَضَبٌ أَتُجَادِلُونَنِي فِي أَسْمَاءٍ..."


১৯. সুরা আরাফ (৭:১০৭-১০৮)  

বাংলা: "...অতঃপর সে তার লাঠি নিক্ষেপ করল, ফলে তা সাথে সাথে এক স্পষ্ট অজগর হয়ে গেল। আর সে তার হাত বের করল, ফলে তা দর্শকদের সামনে উজ্জ্বল সাদা হয়ে গেল..."  

আরবি: "...فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُّبِينٌ ۝ وَنَزَعَ يَدَهُ فَإِذَا هِيَ بَيْضَاءُ لِلنَّاظِرِينَ..."


২০. সুরা আরাফ (৭:১৩৩)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি তাদের উপর পাঠালাম তুফান, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত - স্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে। তবুও তারা অহংকার করল..."  

আরবি: "...فَأَرْسَلْنَا عَلَيْهِمُ الطُّوفَانَ وَالْجَرَادَ وَالْقُمَّلَ وَالضَّفَادِعَ وَالدَّمَ آيَاتٍ مُّفَصَّلَاتٍ فَاسْتَكْبَرُوا..."


২১. সুরা আরাফ (৭:১৪৩)  

বাংলা: "...আর যখন মুসা আমার নির্ধারিত সময়ে আসল এবং তার প্রতিপালক তার সাথে কথা বললেন, সে বলল, হে আমার প্রতিপালক, আমাকে দেখান, আমি আপনাকে দেখব। তিনি বললেন, তুমি আমাকে কখনো দেখবে না। কিন্তু পাহাড়ের দিকে তাকাও..."  

আরবি: "...وَلَمَّا جَاءَ مُوسَىٰ لِمِيقَاتِنَا وَكَلَّمَهُ رَبُّهُ قَالَ رَبِّ أَرِنِي أَنظُرْ إِلَيْكَ قَالَ لَن تَرَانِي وَلَٰكِنِ انظُرْ إِلَى الْجَبَلِ..."


২২. সুরা আরাফ (৭:১৫২)  

বাংলা: "...নিশ্চয় যারা গোবৎসকে উপাস্য করেছে, শীঘ্রই তাদের উপর তাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে ক্রোধ ও পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনা পতিত হবে..."  

আরবি: "...إِنَّ الَّذِينَ اتَّخَذُوا الْعِجْلَ سَيَنَالُهُمْ غَضَبٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَذِلَّةٌ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا..."


২৩. সুরা আরাফ (৭:১৬০)  

বাংলা: "...আর আমি তাদের বারো গোত্রে বিভক্ত করলাম। আর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম, যখন তার সম্প্রদায় তার কাছে পানি চাইল, যে তোমার লাঠি দিয়ে পাথরে আঘাত কর..."  

আরবি: "...وَقَطَّعْنَاهُمُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ أَسْبَاطًا أُمَمًا وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ إِذِ اسْتَسْقَاهُ قَوْمُهُ أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْحَجَرَ..."


২৪. সুরা আরাফ (৭:১৭১)  

বাংলা: "...আর যখন আমি পাহাড়কে তাদের উপর তুলে ধরলাম, যেন তা একটা ছাউনি। আর তারা ধারণা করল যে তা তাদের উপর পতিত হবে..."  

আরবি: "...وَإِذْ نَتَقْنَا الْجَبَلَ فَوْقَهُمْ كَأَنَّهُ ظُلَّةٌ وَظَنُّوا أَنَّهُ وَاقِعٌ بِهِمْ..."


২৫. সুরা আনফাল (৮:১১)  

বাংলা: "...যখন তিনি তোমাদের তন্দ্রায় আচ্ছন্ন করলেন তাঁর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা হিসেবে এবং আকাশ থেকে তোমাদের উপর পানি বর্ষণ করলেন..."  

আরবি: "...إِذْ يُغَشِّيكُمُ النُّعَاسَ أَمَنَةً مِّنْهُ وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُم مِّنَ السَّمَاءِ مَاءً..."


২৬. সুরা তাওবা (৯:৪০)  

বাংলা: "...যদি তোমরা তাকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহ তাকে সাহায্য করেছেন। যখন কাফেররা তাকে বের করে দিয়েছিল, দুজনের দ্বিতীয়জন। যখন তারা দুজন গুহায় ছিল..."  

আরবি: "...إِلَّا تَنصُرُوهُ فَقَدْ نَصَرَهُ اللَّهُ إِذْ أَخْرَجَهُ الَّذِينَ كَفَرُوا ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ..."


২৭. সুরা ইউনুস (১০:৫)  

বাংলা: "...তিনিই সূর্যকে দীপ্তিময় এবং চাঁদকে আলোকময় করেছেন এবং তার জন্য মনযিল নির্ধারণ করেছেন..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي جَعَلَ الشَّمْسَ ضِيَاءً وَالْقَمَرَ نُورًا وَقَدَّرَهُ مَنَازِلَ..."


২৮. সুরা ইউনুস (১০:২২)  

বাংলা: "...তিনিই তোমাদের স্থলে ও সমুদ্রে ভ্রমণ করান। এমনকি যখন তোমরা নৌকায় থাক এবং সেগুলো তাদের নিয়ে অনুকূল বাতাসে চলে..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي يُسَيِّرُكُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ حَتَّىٰ إِذَا كُنتُمْ فِي الْفُلْكِ وَجَرَيْنَ بِهِم بِرِيحٍ طَيِّبَةٍ..."


২৯. সুরা ইউনুস (১০:৯২)  

বাংলা: "...অতঃপর আজ আমি তোমার দেহকে রক্ষা করব, যাতে তুমি তোমার পরবর্তীদের জন্য নিদর্শন হও..."  

আরবি: "...فَالْيَوْمَ نُنَجِّيكَ بِبَدَنِكَ لِتَكُونَ لِمَنْ خَلْفَكَ آيَةً..."


৩০. সুরা হুদ (১১:৪০)  

বাংলা: "...অবশেষে যখন আমার আদেশ আসল এবং চুলা উথলে উঠল, আমি বললাম, এতে উঠিয়ে নাও প্রত্যেক শ্রেণীর দুই জোড়া..."  

আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا جَاءَ أَمْرُنَا وَفَارَ التَّنُّورُ قُلْنَا احْمِلْ فِيهَا مِن كُلٍّ زَوْجَيْنِ اثْنَيْنِ..."


৩১. সুরা হুদ (১১:৪৪)  

বাংলা: "...আর বলা হলো, হে পৃথিবী, তোমার পানি গিলে ফেল। হে আকাশ, থেমে যাও। আর পানি হ্রাস পেল এবং কাজ সমাপ্ত হলো..."  

আরবি: "...وَقِيلَ يَا أَرْضُ ابْلَعِي مَاءَكِ وَيَا سَمَاءُ أَقْلِعِي وَغِيضَ الْمَاءُ وَقُضِيَ الْأَمْرُ..."


৩২. সুরা হুদ (১১:৮২-৮৩)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন আমার আদেশ আসল, আমি তার উপরকে নিচ করে দিলাম এবং তাদের উপর পোড়ামাটির পাথর বর্ষণ করলাম স্তরে স্তরে। যা তোমার প্রতিপালকের কাছে চিহ্নিত..."  

আরবি: "...فَلَمَّا جَاءَ أَمْرُنَا جَعَلْنَا عَالِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهَا حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ مَّنضُودٍ ۝ مُّسَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ..."


৩৩. সুরা ইউসুফ (১২:৪৩)  

বাংলা: "...আর বাদশাহ বলল, আমি স্বপ্নে দেখলাম সাতটি মোটাতাজা গাভী, তাদের খাচ্ছে সাতটি শীর্ণ গাভী। আর সাতটি সবুজ শীষ এবং অন্যগুলো শুকনো..."  

আরবি: "...وَقَالَ الْمَلِكُ إِنِّي أَرَىٰ سَبْعَ بَقَرَاتٍ سِمَانٍ يَأْكُلُهُنَّ سَبْعٌ عِجَافٌ وَسَبْعَ سُنبُلَاتٍ خُضْرٍ وَأُخَرَ يَابِسَاتٍ..."


৩৪. সুরা রা’দ (১৩:২)  

বাংলা: "...আল্লাহই আকাশমণ্ডলীকে স্তম্ভ ছাড়া উঁচু করেছেন, যা তোমরা দেখছ। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। আর তিনি সূর্য ও চাঁদকে নিয়ন্ত্রিত করেছেন..."  

আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي رَفَعَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ وَسَخَّرَ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ..."


৩৫. সুরা নাহল (১৬:৬৯)  

বাংলা: "...অতঃপর প্রত্যেক ফল থেকে কিছু-কিছু খাও এবং তোমার প্রতিপালকের সহজ পথে চল। তার পেট থেকে বের হয় বিভিন্ন রঙের পানীয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে আরোগ্য..."  

আরবি: "...ثُمَّ كُلِي مِن كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا يَخْرُجُ مِن بُطُونِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ..."


৩৬. সুরা ইসরা (১৭:১)  

বাংলা: "...পবিত্র সেই সত্তা যিনি তাঁর বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যার চারপাশ আমি বরকতময় করেছি..."  

আরবি: "...سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِ لَيْلًا مِّنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى الَّذِي بَارَكْنَا حَوْلَهُ..."


৩৭. সুরা ইসরা (১৭:৪৪)  

বাংলা: "...সাত আকাশ ও পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যে যা আছে সব তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। আর এমন কিছু নেই যা তাঁর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করে না..."  

আরবি: "...تُسَبِّحُ لَهُ السَّمَاوَاتُ السَّبْعُ وَالْأَرْضُ وَمَن فِيهِنَّ وَإِن مِّن شَيْءٍ إِلَّا يُسَبِّحُ بِحَمْدِهِ..."


৩৮. সুরা ইসরা (১৭:৬০)  

বাংলা: "...আর স্মরণ কর, যখন আমি তোমাকে বলেছিলাম, নিশ্চয় তোমার প্রতিপালক মানুষকে পরিবেষ্টন করে আছেন। আর আমি যে দৃশ্য তোমাকে দেখিয়েছি তা কেবল মানুষের জন্য পরীক্ষা..."  

আরবি: "...وَإِذْ قُلْنَا لَكَ إِنَّ رَبَّكَ أَحَاطَ بِالنَّاسِ وَمَا جَعَلْنَا الرُّؤْيَا الَّتِي أَرَيْنَاكَ إِلَّا فِتْنَةً لِّلنَّاسِ..."


৩৯. সুরা ইসরা (১৭:৮৮)  

বাংলা: "...বল, যদি মানুষ ও জিন এই কোরআনের মতো কিছু আনার জন্য একত্র হয়, তারা এর মতো আনতে পারবে না, যদিও তারা একে অপরের সাহায্যকারী হয়..."  

আরবি: "...قُل لَّئِنِ اجْتَمَعَتِ الْإِنسُ وَالْجِنُّ عَلَىٰ أَن يَأْتُوا بِمِثْلِ هَٰذَا الْقُرْآنِ لَا يَأْتُونَ بِمِثْلِهِ وَلَوْ كَانَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ ظَهِيرًا..."


৪০. সুরা কাহফ (১৮:৯-২৬)  

বাংলা: "...তুমি কি মনে কর যে গুহা ও রকীমের অধিবাসীরা আমার নিদর্শনগুলোর মধ্যে বিস্ময়কর ছিল? যখন যুবকরা গুহায় আশ্রয় নিল... আর আমরা তাদের গুহায় তিনশ বছর ঘুমিয়ে রাখলাম এবং আরও নয় বছর বাড়ালাম..."  

আরবি: "...أَمْ حَسِبْتَ أَنَّ أَصْحَابَ الْكَهْفِ وَالرَّقِيمِ كَانُوا مِنْ آيَاتِنَا عَجَبًا ۝ إِذْ أَوَى الْفِتْيَةُ إِلَى الْكَهْفِ... وَلَبِثُوا فِي كَهْفِهِمْ ثَلَاثَ مِائَةٍ سِنِينَ وَازْدَادُوا تِسْعًا..."


৪১. সুরা কাহফ (১৮:৬০-৮২)  

বাংলা: "...আর যখন মুসা তার যুবককে বলল, আমি চলতে থাকব যতক্ষণ না দুই সাগরের মিলনস্থলে পৌঁছি... অতঃপর তারা আমার বান্দাদের একজনকে পেল, যাকে আমি আমার পক্ষ থেকে রহমত দিয়েছিলাম..."  

আরবি: "...وَإِذْ قَالَ مُوسَىٰ لِفَتَاهُ لَا أَبْرَحُ حَتَّىٰ أَبْلُغَ مَجْمَعَ الْبَحْرَيْنِ... فَوَجَدَا عَبْدًا مِّنْ عِبَادِنَا آتَيْنَاهُ رَحْمَةً مِّنْ عِندِنَا..."


৪২. সুরা কাহফ (১৮:৮৬)  

বাংলা: "...অবশেষে যখন সে সূর্যাস্তের স্থানে পৌঁছল, সে তাকে একটি কর্দমাক্ত ঝরনায় অস্ত যেতে দেখল..."  

আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا بَلَغَ مَغْرِبَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَغْرُبُ فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ..."


৪৩. সুরা কাহফ (১৮:৯৪-৯৮)  

বাংলা: "...তারা বলল, হে যুলকারনাইন, নিশ্চয় ইয়াজুজ ও মাজুজ পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করছে... সে বলল, তোমরা আমাকে লোহার পাত এনে দাও... অতঃপর যখন সে তা আগুনের মতো করল, বলল, গলিত তামা আনো..."  

আরবি: "...قَالُوا يَا ذَا الْقَرْنَيْنِ إِنَّ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ مُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ... قَالَ آتُونِي زُبَرَ الْحَدِيدِ... قَالَ آتُونِي أُفْرِغْ عَلَيْهِ قِطْرًا..."


৪৪. সুরা ত্বাহা (২০:৫)  

বাংলা: "...দয়াময় আরশে সমাসীন হলেন..."  

আরবি: "...الرَّحْمَٰنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَىٰ..."


৪৫. সুরা ত্বাহা (২০:২০)  

বাংলা: "...অতঃপর সে তা নিক্ষেপ করল, ফলে তা সাথে সাথে সাপ হয়ে ছুটতে লাগল..."  

আরবি: "...فَأَلْقَاهَا فَإِذَا هِيَ حَيَّةٌ تَسْعَىٰ..."


৪৬. সুরা ত্বাহা (২০:৭৭)  

বাংলা: "...আর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম যে, আমার বান্দাদের নিয়ে রাতে বের হও এবং তাদের জন্য সমুদ্রে শুকনো পথ তৈরি কর..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ أَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَسْرِ بِعِبَادِي فَاضْرِبْ لَهُمْ طَرِيقًا فِي الْبَحْرِ يَبَسًا..."


৪৭. সুরা ত্বাহা (২০:৮১)  

বাংলা: "...আমার দেওয়া পবিত্র রিযিক থেকে খাও এবং এতে সীমালঙ্ঘন করো না, নইলে তোমাদের উপর আমার ক্রোধ নেমে আসবে। আর আমার ক্রোধ যার উপর পতিত হয়, সে ধ্বংস হয়ে যায়..."  

আরবি: "...كُلُوا مِن طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ وَلَا تَطْغَوْا فِيهِ فَيَحِلَّ عَلَيْكُمْ غَضَبِي وَمَن يَحْلِلْ عَلَيْهِ غَضَبِي فَقَدْ هَوَىٰ..."


৪৮. সুরা ত্বাহা (২০:৮৬)  

বাংলা: "...অতঃপর মুসা তার সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গেল ক্রুদ্ধ, দুঃখিত হয়ে। সে বলল, হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতিপালক কি তোমাদের উত্তম প্রতিশ্রুতি দেননি..."  

আরবি: "...فَرَجَعَ مُوسَىٰ إِلَىٰ قَوْمِهِ غَضْبَانَ أَسِفًا قَالَ يَا قَوْمِ أَلَمْ يَعِدْكُمْ رَبُّكُمْ وَعْدًا حَسَنًا..."


৪৯. সুরা আম্বিয়া (২১:৩০)  

বাংলা: "...কাফেররা কি দেখে না যে আকাশ ও পৃথিবী মিলিত ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে আলাদা করলাম। আর আমি পানি থেকে প্রত্যেক জীবন্ত বস্তু সৃষ্টি করলাম..."  

আরবি: "...أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ..."


৫০. সুরা আম্বিয়া (২১:৩৩)  

বাংলা: "...আর তিনিই রাত ও দিন এবং সূর্য ও চাঁদ সৃষ্টি করেছেন। প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে..."  

আরবি: "...وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ كُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ..."


৫১. সুরা আম্বিয়া (২১:৬৯)  

বাংলা: "...আমি বললাম, হে আগুন, তুমি ইবরাহিমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও..."  

আরবি: "...قُلْنَا يَا نَارُ كُونِي بَرْدًا وَسَلَامًا عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ..."


৫২. সুরা আম্বিয়া (২১:৭৮-৭৯)  

বাংলা: "...আর দাউদ ও সুলায়মান, যখন তারা শস্যক্ষেত্র সম্পর্কে বিচার করছিল... অতঃপর আমি সুলায়মানকে তা বুঝিয়ে দিলাম। আর প্রত্যেককে আমি প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দিয়েছিলাম..."  

আরবি: "...وَدَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِي الْحَرْثِ... فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًا..."


৫৩. সুরা আম্বিয়া (২১:৮২)  

বাংলা: "...আর শয়তানদের মধ্যে কিছু ছিল যারা তার জন্য ডুব দিত এবং এছাড়া অন্য কাজও করত। আর আমি ছিলাম তাদের রক্ষক..."  

আরবি: "...وَمِنَ الشَّيَاطِينِ مَن يَغُوصُونَ لَهُ وَيَعْمَلُونَ عَمَلًا دُونَ ذَٰلِكَ وَكُنَّا لَهُمْ حَافِظِينَ..."


৫৪. সুরা আম্বিয়া (২১:৮৭)  

বাংলা: "...আর মাছওয়ালা, যখন সে ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গেল এবং ধারণা করল যে আমি তার উপর সংকীর্ণ করব না। অতঃপর সে অন্ধকারে ডেকে বলল, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই..."  

আরবি: "...وَذَا النُّونِ إِذ ذَّهَبَ مُغَاضِبًا فَظَنَّ أَن لَّن نَّقْدِرَ عَلَيْهِ فَنَادَىٰ فِي الظُّلُمَاتِ أَن لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ..."


৫৫. সুরা আম্বিয়া (২১:৯৬)  

বাংলা: "...অবশেষে যখন ইয়াজুজ ও মাজুজকে খুলে দেওয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উঁচু ভূমি থেকে ছুটে আসবে..."  

আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا فُتِحَتْ يَأْجُوجُ وَمَأْجُوجُ وَهُم مِّن كُلِّ حَدَبٍ يَنسِلُونَ..."


৫৬. সুরা হজ (২২:১৮)  

বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহকে সিজদা করে যা কিছু আকাশে আছে এবং যা কিছু পৃথিবীতে আছে, আর সূর্য, চাঁদ, তারকা, পাহাড়, গাছ, জীবজন্তু..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يَسْجُدُ لَهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَمَن فِي الْأَرْضِ وَالشَّمْسُ وَالْقَمَرُ وَالنُّجُومُ وَالْجِبَالُ وَالشَّجَرُ وَالدَّوَابُّ..."


৫৭. সুরা হজ (২২:৬৫)  

বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ তোমাদের জন্য পৃথিবীর সবকিছু নিয়ন্ত্রিত করেছেন এবং নৌযান সমুদ্রে তাঁর আদেশে চলে। আর তিনি আকাশকে ধরে রেখেছেন যাতে তা পৃথিবীর উপর পতিত না হয়..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ وَالْفُلْكَ تَجْرِي فِي الْبَحْرِ بِأَمْرِهِ وَيُمْسِكُ السَّمَاءَ أَن تَقَعَ عَلَى الْأَرْضِ..."


৫৮. সুরা মু’মিনুন (২৩:১৪)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি শুক্রকে জমাট রক্ত করলাম, অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিণ্ড করলাম, অতঃপর মাংসপিণ্ডকে হাড় করলাম, অতঃপর হাড়কে মাংস দিয়ে ঢেকে দিলাম..."  

আরবি: "...ثُمَّ خَلَقْنَا النُّطْفَةَ عَلَقَةً فَخَلَقْنَا الْعَلَقَةَ مُضْغَةً فَخَلَقْنَا الْمُضْغَةَ عِظَامًا فَكَسَوْنَا الْعِظَامَ لَحْمًا..."


৫৯. সুরা মু’মিনুন (২৩:১৭)  

বাংলা: "...আর আমি তোমাদের উপর সাতটি পথ সৃষ্টি করেছি। আর আমি সৃষ্টি সম্পর্কে উদাসীন নই..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ خَلَقْنَا فَوْقَكُمْ سَبْعَ طَرَائِقَ وَمَا كُنَّا عَنِ الْخَلْقِ غَافِلِينَ..."


৬০. সুরা নূর (২৪:৩৫)  

বাংলা: "...আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবীর আলো। তাঁর আলোর উপমা যেন একটি তাক, যাতে আছে একটি প্রদীপ। প্রদীপটি একটি কাঁচের মধ্যে..."  

আরবি: "...اللَّهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ..."


৬১. সুরা নূর (২৪:৪০)  

বাংলা: "...অথবা গভীর সমুদ্রের অন্ধকারের মতো, তাকে ঢেকে রাখে ঢেউয়ের উপর ঢেউ, তার উপরে মেঘ। অন্ধকারের উপর অন্ধকার..."  

আরবি: "...أَوْ كَظُلُمَاتٍ فِي بَحْرٍ لُّجِّيٍّ يَغْشَاهُ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِ سَحَابٌ ظُلُمَاتٌ بَعْضُهَا فَوْقَ بَعْضٍ..."


৬২. সুরা নূর (২৪:৪৩)  

বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ মেঘকে চালান, অতঃপর তাদের একত্র করেন, অতঃপর স্তূপ করেন। অতঃপর তুমি তার মাঝ থেকে বৃষ্টি বের হতে দেখ..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ يُزْجِي سَحَابًا ثُمَّ يُؤَلِّفُ بَيْنَهُ ثُمَّ يَجْعَلُهُ رُكَامًا فَتَرَى الْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَالِهِ..."


৬৩. সুরা নূর (২৪:৪৫)  

বাংলা: "...আর আল্লাহ প্রত্যেক জীবকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তাদের মধ্যে কিছু পেটে ভর দিয়ে চলে, কিছু দুই পায়ে চলে, আর কিছু চার পায়ে চলে..."  

আরবি: "...وَاللَّهُ خَلَقَ كُلَّ دَابَّةٍ مِّن مَّاءٍ فَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ بَطْنِهِ وَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ رِجْلَيْنِ وَمِنْهُم مَّن يَمْشِي عَلَىٰ أَرْبَعٍ..."


৬৪. সুরা ফুরকান (২৫:৪৫)  

বাংলা: "...তুমি কি তোমার প্রতিপালকের দিকে দেখ না, কিভাবে তিনি ছায়াকে লম্বা করেন। আর তিনি চাইলে তাকে স্থির রাখতে পারতেন..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ إِلَىٰ رَبِّكَ كَيْفَ مَدَّ الظِّلَّ وَلَوْ شَاءَ لَجَعَلَهُ سَاكِنًا..."


৬৫. সুরা ফুরকান (২৫:৫৩)  

বাংলা: "...আর তিনিই দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেছেন। এটি মিষ্টি, সুপেয়। আর এটি লবণাক্ত, তিক্ত। আর উভয়ের মাঝে রেখেছেন একটি অন্তরায়..."  

আরবি: "...وَهُوَ الَّذِي مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ هَٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ وَهَٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَجَعَلَ بَيْنَهُمَا بَرْزَخًا..."


৬৬. সুরা ফুরকান (২৫:৫৯)  

বাংলা: "...যিনি আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝে যা আছে সব ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি দয়াময়..."  

আরবি: "...الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ الرَّحْمَٰنُ..."


৬৭. সুরা শুআরা (২৬:৬৩)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি মুসার প্রতি ওহী পাঠালাম, তোমার লাঠি দিয়ে সমুদ্রে আঘাত কর। ফলে তা ফেটে গেল এবং প্রত্যেক ভাগ বিশাল পাহাড়ের মতো হয়ে গেল..."  

আরবি: "...فَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنِ اضْرِب بِّعَصَاكَ الْبَحْرَ فَانفَلَقَ فَكَانَ كُلُّ فِرْقٍ كَالطَّوْدِ الْعَظِيمِ..."


৬৮. সুরা নমল (২৭:১৮)  

বাংলা: "...অবশেষে যখন তারা পিঁপড়ার উপত্যকায় পৌঁছল, এক পিঁপড়া বলল, হে পিঁপড়ারা, তোমাদের গর্তে প্রবেশ কর..."  

আরবি: "...حَتَّىٰ إِذَا أَتَوْا عَلَىٰ وَادِ النَّمْلِ قَالَتْ نَمْلَةٌ يَا أَيُّهَا النَّمْلُ ادْخُلُوا مَسَاكِنَكُمْ..."


৬৯. সুরা নমল (২৭:২০-২২)  

বাংলা: "...আর সে পাখিদের খোঁজ নিল, অতঃপর বলল, আমার কী হলো যে আমি হুদহুদকে দেখছি না... সে বলল, আমি এমন কিছু জেনেছি যা আপনি জানেন না..."  

আরবি: "...وَتَفَقَّدَ الطَّيْرَ فَقَالَ مَا لِيَ لَا أَرَى الْهُدْهُدَ... فَقَالَ أَحَطتُ بِمَا لَمْ تُحِطْ بِهِ..."


৭০. সুরা নমল (২৭:৩৮-৪০)  

বাংলা: "...সে বলল, হে সভাসদ, তোমাদের মধ্যে কে তার সিংহাসন আমার কাছে নিয়ে আসবে... যার কাছে কিতাবের জ্ঞান ছিল সে বলল, আমি তা আপনার কাছে আনব আপনার চোখের পলক ফেরার আগেই..."  

আরবি: "...قَالَ يَا أَيُّهَا الْمَلَأُ أَيُّكُمْ يَأْتِينِي بِعَرْشِهَا... قَالَ الَّذِي عِندَهُ عِلْمٌ مِّنَ الْكِتَابِ أَنَا آتِيكَ بِهِ قَبْلَ أَن يَرْتَدَّ إِلَيْكَ طَرْفُكَ..."


৭১. সুরা কাসাস (২৮:৭-৮)  

বাংলা: "...আর আমি মুসার মায়ের প্রতি ওহী পাঠালাম, তাকে দুধ পান করাও। অতঃপর যখন তুমি তার ব্যাপারে ভয় কর, তখন তাকে নদীতে নিক্ষেপ কর..."  

আরবি: "...وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ أُمِّ مُوسَىٰ أَنْ أَرْضِعِيهِ فَإِذَا خِفْتِ عَلَيْهِ فَأَلْقِيهِ فِي الْيَمِّ..."


৭২. সুরা কাসাস (২৮:৩১)  

বাংলা: "...আর তোমার লাঠি নিক্ষেপ কর। অতঃপর যখন সে তাকে সাপের মতো ছুটতে দেখল, সে পিছনে ফিরে পালাল..."  

আরবি: "...وَأَنْ أَلْقِ عَصَاكَ فَلَمَّا رَآهَا تَهْتَزُّ كَأَنَّهَا جَانٌّ وَلَّىٰ مُدْبِرًا..."


৭৩. সুরা আনকাবুত (২৯:১৪)  

বাংলা: "...আর আমি নূহকে তার সম্প্রদায়ের কাছে পাঠিয়েছিলাম। অতঃপর সে তাদের মধ্যে পঞ্চাশ কম এক হাজার বছর অবস্থান করল..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِ فَلَبِثَ فِيهِمْ أَلْفَ سَنَةٍ إِلَّا خَمْسِينَ عَامًا..."


৭৪. সুরা আনকাবুত (২৯:৪১)  

বাংলা: "...যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যদের অভিভাবক গ্রহণ করে তাদের দৃষ্টান্ত মাকড়সার মতো, যে ঘর বানায়। আর নিশ্চয় সবচেয়ে দুর্বল ঘর মাকড়সার ঘর..."  

আরবি: "...مَثَلُ الَّذِينَ اتَّخَذُوا مِن دُونِ اللَّهِ أَوْلِيَاءَ كَمَثَلِ الْعَنكَبُوتِ اتَّخَذَتْ بَيْتًا وَإِنَّ أَوْهَنَ الْبُيُوتِ لَبَيْتُ الْعَنكَبُوتِ..."


৭৫. সুরা রুম (৩০:৪৮)  

বাংলা: "...আল্লাহই বাতাস পাঠান, অতঃপর তা মেঘমালা সঞ্চালিত করে। অতঃপর তিনি তা আকাশে যেভাবে চান ছড়িয়ে দেন..."  

আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي يُرْسِلُ الرِّيَاحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَيَبْسُطُهُ فِي السَّمَاءِ كَيْفَ يَشَاءُ..."


৭৬. সুরা লুকমান (৩১:১০)  

বাংলা: "...তিনি আকাশমণ্ডলী সৃষ্টি করেছেন স্তম্ভ ছাড়া, যা তোমরা দেখছ। আর পৃথিবীতে পাহাড় স্থাপন করেছেন যাতে তা তোমাদের নিয়ে হেলে না পড়ে..."  

আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا وَأَلْقَىٰ فِي الْأَرْضِ رَوَاسِيَ أَن تَمِيدَ بِكُمْ..."


৭৭. সুরা সাজদা (৩২:৪)  

বাংলা: "...আল্লাহই আকাশ ও পৃথিবী এবং এ দুয়ের মাঝে যা আছে সব ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন..."  

আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ..."


৭৮. সুরা সাজদা (৩২:৫)  

বাংলা: "...তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সব বিষয় পরিচালনা করেন। অতঃপর তা তাঁর কাছে উঠে যায় এমন এক দিনে যার পরিমাণ তোমাদের গণনায় এক হাজার বছর..."  

আরবি: "...يُدَبِّرُ الْأَمْرَ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الْأَرْضِ ثُمَّ يَعْرُجُ إِلَيْهِ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ أَلْفَ سَنَةٍ مِّمَّا تَعُدُّونَ..."


৭৯. সুরা আহযাব (৩৩:৭২)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আমি আকাশ, পৃথিবী ও পাহাড়ের কাছে আমানত পেশ করেছিলাম। অতঃপর তারা তা বহন করতে অস্বীকার করল এবং এতে ভীত হলো..."  

আরবি: "...إِنَّا عَرَضْنَا الْأَمَانَةَ عَلَى السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالْجِبَالِ فَأَبَيْنَ أَن يَحْمِلْنَهَا وَأَشْفَقْنَ مِنْهَا..."


৮০. সুরা সাবা (৩৪:১০-১১)  

বাংলা: "...আর আমি দাউদকে আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ দিয়েছিলাম। হে পাহাড়, তার সাথে তাসবীহ পাঠ কর। আর পাখিদেরও। আর আমি তার জন্য লোহা নরম করেছিলাম..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ آتَيْنَا دَاوُودَ مِنَّا فَضْلًا يَا جِبَالُ أَوِّبِي مَعَهُ وَالطَّيْرَ وَأَلَنَّا لَهُ الْحَدِيدَ..."


৮১. সুরা সাবা (৩৪:১২)  

বাংলা: "...আর সুলায়মানের জন্য বাতাস, তার সকালের যাত্রা এক মাসের পথ এবং বিকালের যাত্রা এক মাসের পথ। আর আমি তার জন্য গলিত তামার ঝরনা প্রবাহিত করেছিলাম..."  

আরবি: "...وَلِسُلَيْمَانَ الرِّيحَ غُدُوُّهَا شَهْرٌ وَرَوَاحُهَا شَهْرٌ وَأَسَلْنَا لَهُ عَيْنَ الْقِطْرِ..."


৮২. সুরা সাবা (৩৪:১৪)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন আমি তার মৃত্যুর ফয়সালা করলাম, পৃথিবীর পোকা ছাড়া কেউ তাদের তার মৃত্যু সম্পর্কে জানায়নি, যা তার লাঠি খাচ্ছিল..."  

আরবি: "...فَلَمَّا قَضَيْنَا عَلَيْهِ الْمَوْتَ مَا دَلَّهُمْ عَلَىٰ مَوْتِهِ إِلَّا دَابَّةُ الْأَرْضِ تَأْكُلُ مِنسَأَتَهُ..."


৮৩. সুরা ফাতির (৩৫:১)  

বাংলা: "...সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, ফেরেশতাদের বানিয়েছেন বার্তাবাহক, যাদের দুই দুই, তিন তিন, চার চার ডানা আছে..."  

আরবি: "...الْحَمْدُ لِلَّهِ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَاعِلِ الْمَلَائِكَةِ رُسُلًا أُولِي أَجْنِحَةٍ مَّثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ..."


৮৪. সুরা ফাতির (৩৫:২৭)  

বাংলা: "...তুমি কি দেখ না যে আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর আমি তা দিয়ে বিভিন্ন রঙের ফল বের করি। আর পাহাড়ের মধ্যে আছে সাদা ও লাল রেখা..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ أَنَّ اللَّهَ أَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجْنَا بِهِ ثَمَرَاتٍ مُّخْتَلِفًا أَلْوَانُهَا وَمِنَ الْجِبَالِ جُدَدٌ بِيضٌ وَحُمْرٌ..."


৮৫. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৩৮)  

বাংলা: "...আর সূর্য তার নির্ধারিত স্থানের দিকে চলছে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নির্ধারণ..."  

আরবি: "...وَالشَّمْسُ تَجْرِي لِمُسْتَقَرٍّ لَّهَا ذَٰلِكَ تَقْدِيرُ الْعَزِيزِ الْعَلِيمِ..."


৮৬. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৩৯)  

বাংলা: "...আর চাঁদের জন্য আমি মনযিল নির্ধারণ করেছি, অবশেষে তা পুরনো খেজুর শাখার মতো হয়ে ফিরে আসে..."  

আরবি: "...وَالْقَمَرَ قَدَّرْنَاهُ مَنَازِلَ حَتَّىٰ عَادَ كَالْعُرْجُونِ الْقَدِيمِ..."


৮৭. সুরা ইয়াসিন (৩৬:৪০)  

বাংলা: "...সূর্যের সাধ্য নেই চাঁদকে ধরার, আর রাত দিনকে অতিক্রম করতে পারে না। আর প্রত্যেকে নিজ নিজ কক্ষপথে সাঁতার কাটছে..."  

আরবি: "...لَا الشَّمْسُ يَنبَغِي لَهَا أَن تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ..."


৮৮. সুরা সাফফাত (৩৭:৬-৭)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আমি দুনিয়ার আকাশকে তারকারাজির সৌন্দর্য দিয়ে সাজিয়েছি। আর প্রত্যেক অবাধ্য শয়তান থেকে রক্ষা করেছি..."  

আরবি: "...إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ ۝ وَحِفْظًا مِّن كُلِّ شَيْطَانٍ مَّارِدٍ..."


৮৯. সুরা সাফফাত (৩৭:১০২)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন সে তার সাথে চলার বয়সে পৌঁছল, সে বলল, হে আমার পুত্র, আমি স্বপ্নে দেখছি যে আমি তোমাকে জবাই করছি..."  

আরবি: "...فَلَمَّا بَلَغَ مَعَهُ السَّعْيَ قَالَ يَا بُنَيَّ إِنِّي أَرَىٰ فِي الْمَنَامِ أَنِّي أَذْبَحُكَ..."


৯০. সুরা সাফফাত (৩৭:১৪২-১৪৫)  

বাংলা: "...অতঃপর মাছ তাকে গিলে ফেলল, আর সে ছিল তিরস্কৃত। যদি সে তাসবীহ পাঠকারীদের অন্তর্ভুক্ত না হতো, তবে সে কিয়ামত পর্যন্ত তার পেটে থাকত..."  

আরবি: "...فَالْتَقَمَهُ الْحُوتُ وَهُوَ مُلِيمٌ ۝ فَلَوْلَا أَنَّهُ كَانَ مِنَ الْمُسَبِّحِينَ ۝ لَلَبِثَ فِي بَطْنِهِ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ..."


৯১. সুরা সাদ (৩৮:৩৬-৩৮)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি তার জন্য বাতাসকে নিয়ন্ত্রিত করলাম, যা তার আদেশে যেখানে সে চাইত নরমভাবে প্রবাহিত হতো। আর শয়তানদের, প্রত্যেক নির্মাতা ও ডুবুরি..."  

আরবি: "...فَسَخَّرْنَا لَهُ الرِّيحَ تَجْرِي بِأَمْرِهِ رُخَاءً حَيْثُ أَصَابَ ۝ وَالشَّيَاطِينَ كُلَّ بَنَّاءٍ وَغَوَّاصٍ..."


৯২. সুরা জুমার (৩৯:৫)  

বাংলা: "...তিনি আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাতকে দিনের উপর জড়িয়ে দেন এবং দিনকে রাতের উপর জড়িয়ে দেন..."  

আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ يُكَوِّرُ اللَّيْلَ عَلَى النَّهَارِ وَيُكَوِّرُ النَّهَارَ عَلَى اللَّيْلِ..."


৯৩. সুরা জুমার (৩৯:৬৭)  

বাংলা: "...আর তারা আল্লাহকে যথাযথ মর্যাদা দেয়নি। আর কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর মুঠোয় এবং আকাশমণ্ডলী থাকবে তাঁর ডান হাতে গুটানো..."  

আরবি: "...وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ وَالْأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّمَاوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ..."


৯৪. সুরা গাফির (৪০:৬৪)  

বাংলা: "...আল্লাহই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বাসস্থান এবং আকাশকে ছাদ করেছেন। আর তিনি তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন..."  

আরবি: "...اللَّهُ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ قَرَارًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ..."


৯৫. সুরা ফুসসিলাত (৪১:১১)  

বাংলা: "...অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করলেন, আর তা ছিল ধোঁয়া। অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়..."  

আরবি: "...ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ وَهِيَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْأَرْضِ ائْتِيَا طَوْعًا أَوْ كَرْهًا..."


৯৬. সুরা ফুসসিলাত (৪১:১২)  

বাংলা: "...অতঃপর তিনি দুই দিনে সাত আকাশ বানালেন এবং প্রত্যেক আকাশে তার বিধান ওহী করলেন। আর আমি দুনিয়ার আকাশকে প্রদীপ দিয়ে সাজিয়েছি..."  

আরবি: "...فَقَضَاهُنَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ فِي يَوْمَيْنِ وَأَوْحَىٰ فِي كُلِّ سَمَاءٍ أَمْرَهَا وَزَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ..."


৯৭. সুরা শুরা (৪২:১৬)  

বাংলা: "...আর যারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে, তার কাছে আত্মসমর্পণের পর, তাদের যুক্তি তাদের প্রতিপালকের কাছে বাতিল। আর তাদের উপর ক্রোধ এবং তাদের জন্য কঠিন শাস্তি..."  

আরবি: "...وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِن بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِندَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ..."


৯৮. সুরা ফাতহ (৪৮:৬)  

বাংলা: "...আর যাতে তিনি মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী এবং মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারীদের শাস্তি দেন, যারা আল্লাহ সম্পর্কে খারাপ ধারণা করে। তাদের উপর রয়েছে খারাপ পরিণতি..."  

আরবি: "...وَيُعَذِّبَ الْمُنَافِقِينَ وَالْمُنَافِقَاتِ وَالْمُشْرِكِينَ وَالْمُشْرِكَاتِ الظَّانِّينَ بِاللَّهِ ظَنَّ السَّوْءِ عَلَيْهِمْ دَائِرَةُ السَّوْءِ..."


৯৯. সুরা মুজাদালা (৫৮:১৪)  

বাংলা: "...তুমি কি তাদের দেখ না, যারা এমন সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে যাদের উপর আল্লাহ ক্রুদ্ধ হয়েছেন। তারা তোমাদেরও নয়, তাদেরও নয়..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ تَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِم مَّا هُم مِّنكُمْ وَلَا مِنْهُمْ..."


১০০. সুরা মুমতাহিনা (৬০:১৩)  

বাংলা: "...হে মুমিনগণ, তোমরা এমন সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করো না যাদের উপর আল্লাহ ক্রুদ্ধ হয়েছেন। তারা আখিরাত থেকে নিরাশ হয়ে গেছে..."  

আরবি: "...يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَوَلَّوْا قَوْمًا غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ قَدْ يَئِسُوا مِنَ الْآخِرَةِ..."


১০১. সুরা ক্বাফ (৫০:৬)  

বাংলা: "...তারা কি তাদের উপরের আকাশের দিকে তাকায় না, কিভাবে আমি তা বানিয়েছি এবং সাজিয়েছি। আর তাতে কোনো ফাটল নেই..."  

আরবি: "...أَفَلَمْ يَنظُرُوا إِلَى السَّمَاءِ فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنَاهَا وَزَيَّنَّاهَا وَمَا لَهَا مِن فُرُوجٍ..."


১০২. সুরা হাক্কাহ (৬৯:১৩-১৭)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন শিংগায় ফুঁ দেওয়া হবে - একবার ফুঁ। আর পর্বতমালা সমেত পৃথিবী তুলে নেওয়া হবে, অতঃপর এক আঘাতে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে। সেদিন কিয়ামত সংঘটিত হবে। আর আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে, আর সেদিন তা হবে দুর্বল। আর ফেরেশতারা থাকবে তার কিনারায়। আর সেদিন তোমার প্রতিপালকের আরশকে আটজন তাদের উপরে বহন করবে..."  

আরবি: "...فَإِذَا نُفِخَ فِي الصُّورِ نَفْخَةٌ وَاحِدَةٌ ۝ وَحُمِلَتِ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَاحِدَةً ۝ فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ۝ وَانشَقَّتِ السَّمَاءُ فَهِيَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ ۝ وَالْمَلَكُ عَلَىٰ أَرْجَائِهَا وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَانِيَةٌ..."


১০৩. সুরা যারিয়াত (৫১:৪৭)  

বাংলা: "...আর আকাশ, আমি তা নির্মাণ করেছি শক্তি দিয়ে। আর নিশ্চয় আমি সম্প্রসারণকারী..."  

আরবি: "...وَالسَّمَاءَ بَنَيْنَاهَا بِأَيْدٍ وَإِنَّا لَمُوسِعُونَ..."


১০৪. সুরা হাদিদ (৫৭:৪)  

বাংলা: "...তিনিই আকাশ ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশে সমাসীন হলেন। তিনি জানেন যা পৃথিবীতে প্রবেশ করে..."  

আরবি: "...هُوَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ يَعْلَمُ مَا يَلِجُ فِي الْأَرْضِ..."


১০৫. সুরা তুর (৫২:৪৪)  

বাংলা: "...আর যদি তারা আকাশের একটি খণ্ড পতিত হতে দেখে, বলবে, এটা তো পুঞ্জীভূত মেঘ..."  

আরবি: "...وَإِن يَرَوْا كِسْفًا مِّنَ السَّمَاءِ سَاقِطًا يَقُولُوا سَحَابٌ مَّرْكُومٌ..."


১০৬. সুরা নাজম (৫৩:১)  

বাংলা: "...শপথ তারকার, যখন তা অস্ত যায়..."  

আরবি: "...وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ..."


১০৭. সুরা নাজম (৫৩:৪৯)  

বাংলা: "...আর তিনিই শি’রা নক্ষত্রের প্রতিপালক..."  

আরবি: "...وَأَنَّهُ هُوَ رَبُّ الشِّعْرَىٰ..."


১০৮. সুরা কামার (৫৪:১)  

বাংলা: "...কিয়ামত নিকটে এসেছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে..."  

আরবি: "...اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ..."


১০৯. সুরা কামার (৫৪:১১-১২)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি আকাশের দরজাগুলো খুলে দিলাম মুষলধারে বৃষ্টি দিয়ে। আর পৃথিবী থেকে ঝরনা উৎসারিত করলাম। অতঃপর পানি মিলিত হলো এক নির্ধারিত কাজে..."  

আরবি: "...فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُّنْهَمِرٍ ۝ وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَىٰ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ..."


১১০. সুরা রহমান (৫৫:১৯-২০)  

বাংলা: "...তিনি দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেছেন, তারা মিলিত হয়। উভয়ের মাঝে রয়েছে এক অন্তরায়, যা তারা অতিক্রম করে না..."  

আরবি: "...مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ ۝ بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ..."


১১১. সুরা রহমান (৫৫:৩৩)  

বাংলা: "...হে জিন ও মানুষ সম্প্রদায়, যদি তোমরা আকাশ ও পৃথিবীর সীমানা থেকে বের হতে পার, তবে বের হও। তোমরা ক্ষমতা ছাড়া বের হতে পারবে না..."  

আরবি: "...يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانفُذُوا لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ..."


১১২. সুরা রহমান (৫৫:৩৭)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন আকাশ বিদীর্ণ হয়ে যাবে এবং তা গোলাপের মতো লাল চামড়ার মতো হয়ে যাবে..."  

আরবি: "...فَإِذَا انشَقَّتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ..."


১১৩. সুরা ওয়াকিয়া (৫৬:৬৮-৭০)  

বাংলা: "...তোমরা কি সেই পানি সম্পর্কে ভেবে দেখেছ যা তোমরা পান কর? তোমরা কি তা মেঘ থেকে নামিয়েছ, নাকি আমিই বর্ষণকারী..."  

আরবি: "...أَفَرَأَيْتُمُ الْمَاءَ الَّذِي تَشْرَبُونَ ۝ أَأَنتُمْ أَنزَلْتُمُوهُ مِنَ الْمُزْنِ أَمْ نَحْنُ الْمُنزِلُونَ..."


১১৪. সুরা ওয়াকিয়া (৫৬:৭৫-৭৬)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি শপথ করছি তারকাদের পতনস্থলের। আর নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে..."  

আরবি: "...فَلَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ ۝ وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ..."


১১৫. সুরা হাশর (৫৯:২১)  

বাংলা: "...যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর নাযিল করতাম, তবে তুমি তাকে আল্লাহর ভয়ে বিনীত, বিদীর্ণ দেখতে..."  

আরবি: "...لَوْ أَنزَلْنَا هَٰذَا الْقُرْآنَ عَلَىٰ جَبَلٍ لَّرَأَيْتَهُ خَاشِعًا مُّتَصَدِّعًا مِّنْ خَشْيَةِ اللَّهِ..."


১১৬. সুরা জুমুআ (৬২:৫)  

বাংলা: "...যাদের তাওরাতের ভার দেওয়া হয়েছিল, অতঃপর তারা তা বহন করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত গাধার মতো, যে পুস্তকের বোঝা বহন করে..."  

আরবি: "...مَثَلُ الَّذِينَ حُمِّلُوا التَّوْرَاةَ ثُمَّ لَمْ يَحْمِلُوهَا كَمَثَلِ الْحِمَارِ يَحْمِلُ أَسْفَارًا..."


১১৭. সুরা তাগাবুন (৬৪:৩)  

বাংলা: "...তিনি আকাশ ও পৃথিবী যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতি সুন্দর করেছেন..."  

আরবি: "...خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ بِالْحَقِّ وَصَوَّرَكُمْ فَأَحْسَنَ صُوَرَكُمْ..."


১১৮. সুরা মুলক (৬৭:৩)  

বাংলা: "...যিনি সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি দয়াময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসঙ্গতি দেখবে না..."  

আরবি: "...الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا مَّا تَرَىٰ فِي خَلْقِ الرَّحْمَٰنِ مِن تَفَاوُتٍ..."


১১৯. সুরা মুলক (৬৭:৫)  

বাংলা: "...আর আমি দুনিয়ার আকাশকে প্রদীপমালা দিয়ে সাজিয়েছি এবং সেগুলোকে শয়তানদের জন্য নিক্ষেপের বস্তু করেছি..."  

আরবি: "...وَلَقَدْ زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيحَ وَجَعَلْنَاهَا رُجُومًا لِّلشَّيَاطِينِ..."


১২০. সুরা মুলক (৬৭:১৬)  

বাংলা: "...তোমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছ যে, যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের পৃথিবীতে ধসিয়ে দিবেন না..."  

আরবি: "...أَأَمِنتُم مَّن فِي السَّمَاءِ أَن يَخْسِفَ بِكُمُ الْأَرْضَ..."


১২১. সুরা নূহ (৭১:১৫-১৬)  

বাংলা: "...তোমরা কি দেখনি, আল্লাহ কিভাবে সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। আর তাদের মধ্যে চাঁদকে আলো এবং সূর্যকে প্রদীপ করেছেন..."  

আরবি: "...أَلَمْ تَرَوْا كَيْفَ خَلَقَ اللَّهُ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا ۝ وَجَعَلَ الْقَمَرَ فِيهِنَّ نُورًا وَجَعَلَ الشَّمْسَ سِرَاجًا..."


১২২. সুরা জিন (৭২:৮-৯)  

বাংলা: "...আর আমরা আকাশ স্পর্শ করেছিলাম, অতঃপর তাকে পেলাম কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিণ্ডে ভরা। আর আমরা তার বিভিন্ন জায়গায় বসতাম সংবাদ শোনার জন্য..."  

আরবি: "...وَأَنَّا لَمَسْنَا السَّمَاءَ فَوَجَدْنَاهَا مُلِئَتْ حَرَسًا شَدِيدًا وَشُهُبًا ۝ وَأَنَّا كُنَّا نَقْعُدُ مِنْهَا مَقَاعِدَ لِلسَّمْعِ..."


১২৩. সুরা মুজ্জাম্মিল (৭৩:১৪)  

বাংলা: "...যেদিন পৃথিবী ও পাহাড় কেঁপে উঠবে এবং পাহাড় হবে বিক্ষিপ্ত বালুকারাশির মতো..."  

আরবি: "...يَوْمَ تَرْجُفُ الْأَرْضُ وَالْجِبَالُ وَكَانَتِ الْجِبَالُ كَثِيبًا مَّهِيلًا..."


১২৪. সুরা মুদ্দাসসির (৭৪:১-২)  

বাংলা: "...হে চাদর আবৃত, ওঠ, অতঃপর সতর্ক কর..."  

আরবি: "...يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ ۝ قُمْ فَأَنذِرْ..."


১২৫. সুরা কিয়ামাহ (৭৫:৮-৯)  

বাংলা: "...আর যখন চাঁদ আলোহীন হয়ে যাবে এবং সূর্য ও চাঁদকে একত্র করা হবে..."  

আরবি: "...وَخَسَفَ الْقَمَرُ ۝ وَجُمِعَ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ..."


১২৬. সুরা ইনসান (৭৬:১)  

বাংলা: "...মানুষের উপর কি এমন এক সময় আসেনি যখন সে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না..."  

আরবি: "...هَلْ أَتَىٰ عَلَى الْإِنسَانِ حِينٌ مِّنَ الدَّهْرِ لَمْ يَكُن شَيْئًا مَّذْكُورًا..."


১২৭. সুরা মুরসালাত (৭৭:৮-১০)  

বাংলা: "...অতঃপর যখন তারকারাজি নিভে যাবে এবং যখন আকাশ ফেটে যাবে এবং যখন পাহাড় চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে..."  

আরবি: "...فَإِذَا النُّجُومُ طُمِسَتْ ۝ وَإِذَا السَّمَاءُ فُرِجَتْ ۝ وَإِذَا الْجِبَالُ نُسِفَتْ..."


১২৮. সুরা নাবা (৭৮:৬-৭)  

বাংলা: "...আমি কি পৃথিবীকে বিছানা করিনি। আর পাহাড়কে পেরেক..."  

আরবি: "...أَلَمْ نَجْعَلِ الْأَرْضَ مِهَادًا ۝ وَالْجِبَالَ أَوْتَادًا..."


১২৯. সুরা নাবা (৭৮:১৯)  

বাংলা: "...আর আকাশ খুলে দেওয়া হবে, ফলে তা দরজায় পরিণত হবে..."  

আরবি: "...وَفُتِحَتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ أَبْوَابًا..."


১৩০. সুরা নাযিয়াত (৭৯:২৭-৩০)  

বাংলা: "...তোমাদের সৃষ্টি কি কঠিন, নাকি আকাশ। তিনি তা নির্মাণ করেছেন। তিনি তার ছাদ উঁচু করেছেন, অতঃপর তা সুষম করেছেন..."  

আরবি: "...أَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ السَّمَاءُ بَنَاهَا ۝ رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّاهَا..."


১৩১. সুরা আবাসা (৮০:২৫-২৭)  

বাংলা: "...অতঃপর আমি পানি বর্ষণ করেছি প্রচুর পরিমাণে। অতঃপর পৃথিবীকে বিদীর্ণ করেছি। অতঃপর তাতে শস্য উৎপন্ন করেছি..."  

আরবি: "...أَنَّا صَبَبْنَا الْمَاءَ صَبًّا ۝ ثُمَّ شَقَقْنَا الْأَرْضَ شَقًّا ۝ فَأَنبَتْنَا فِيهَا حَبًّا..."


১৩২. সুরা তাকভীর (৮১:১-৩)  

বাংলা: "...যখন সূর্য আলোহীন করা হবে। আর যখন তারকারাজি খসে পড়বে। আর যখন পাহাড় চালিত করা হবে..."  

আরবি: "...إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ ۝ وَإِذَا النُّجُومُ انكَدَرَتْ ۝ وَإِذَا الْجِبَالُ سُيِّرَتْ..."


১৩৩. সুরা ইনফিতার (৮২:১-৩)  

বাংলা: "...যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে। আর যখন তারকারাজি বিক্ষিপ্ত হবে। আর যখন সমুদ্রগুলো উথলে উঠবে..."  

আরবি: "...إِذَا السَّمَاءُ انفَطَرَتْ ۝ وَإِذَا الْكَوَاكِبُ انتَثَرَتْ ۝ وَإِذَا الْبِحَارُ فُجِّرَتْ..."


১৩৪. সুরা মুতাফফিফীন (৮৩:২৪)  

বাংলা: "...তুমি তাদের চেহারায় নেয়ামতের সজীবতা চিনতে পারবে..."  

আরবি: "...تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ..."


১৩৫. সুরা ইনশিকাক (৮৪:১)  

বাংলা: "...যখন আকাশ ফেটে যাবে..."  

আরবি: "...إِذَا السَّمَاءُ انشَقَّتْ..."


১৩৬. সুরা বুরুজ (৮৫:১)  

বাংলা: "...শপথ বুরুজবিশিষ্ট আকাশের..."  

আরবি: "...وَالسَّمَاءِ ذَاتِ الْبُرُوجِ..."


১৩৭. সুরা তারিক (৮৬:১-৩)  

বাংলা: "...শপথ আকাশের এবং রাতে আগমনকারীর। তুমি কি জান রাতে আগমনকারী কী। তা হলো উজ্জ্বল তারকা..."  

আরবি: "...وَالسَّمَاءِ وَالطَّارِقِ ۝ وَمَا أَدْرَاكَ مَا الطَّارِقُ ۝ النَّجْمُ الثَّاقِبُ..."


১৩৮. সুরা আ’লা (৮৭:১-২)  

বাংলা: "...তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ঘোষণা কর। যিনি সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর সুষম করেছেন..."  

আরবি: "...سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى ۝ الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ..."


১৩৯. সুরা গাশিয়াহ (৮৮:১৭-২০)  

বাংলা: "...তারা কি উটের দিকে তাকায় না, কিভাবে তা সৃষ্টি করা হয়েছে। আর আকাশের দিকে, কিভাবে তা উঁচু করা হয়েছে। আর পাহাড়ের দিকে, কিভাবে তা স্থাপন করা হয়েছে। আর পৃথিবীর দিকে, কিভাবে তা বিছানো হয়েছে..."  

আরবি: "...أَفَلَا يَنظُرُونَ إِلَى الْإِبِلِ كَيْفَ خُلِقَتْ ۝ وَإِلَى السَّمَاءِ كَيْفَ رُفِعَتْ ۝ وَإِلَى الْجِبَالِ كَيْفَ نُصِبَتْ ۝ وَإِلَى الْأَرْضِ كَيْفَ سُطِحَتْ..."


১৪০. সুরা ফাজর (৮৯:১-২)  

বাংলা: "...শপথ ফজরের। আর দশ রাতের..."  

আরবি: "...وَالْفَجْرِ ۝ وَلَيَالٍ عَشْرٍ..."


১৪১. সুরা বালাদ (৯০:১-২)  

বাংলা: "...আমি শপথ করছি এই নগরের। আর তুমি এই নগরে অবস্থানকারী..."  

আরবি: "...لَا أُقْسِمُ بِهَٰذَا الْبَلَدِ ۝ وَأَنتَ حِلٌّ بِهَٰذَا الْبَلَدِ..."


১৪২. সুরা শামস (৯১:১-৪)  

বাংলা: "...শপথ সূর্যের এবং তার কিরণের। আর চাঁদের, যখন তা তার অনুসরণ করে। আর দিনের, যখন তা তাকে প্রকাশ করে। আর রাতের, যখন তা তাকে ঢেকে দেয়..."  

আরবি: "...وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا ۝ وَالْقَمَرِ إِذَا تَلَاهَا ۝ وَالنَّهَارِ إِذَا جَلَّاهَا ۝ وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَاهَا..."


১৪৩. সুরা লাইল (৯২:১-২)  

বাংলা: "...শপথ রাতের, যখন তা ঢেকে দেয়। আর দিনের, যখন তা প্রকাশিত হয়..."  

আরবি: "...وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَىٰ ۝ وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّىٰ..."


১৪৪. সুরা দুহা (৯৩:১-২)  

বাংলা: "...শপথ পূর্বাহ্ণের। আর রাতের, যখন তা নিঝুম হয়..."  

আরবি: "...وَالضُّحَىٰ ۝ وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَىٰ..."


১৪৫. সুরা তীন (৯৫:১-৩)  

বাংলা: "...শপথ তীন ও যয়তুনের। আর তুর পাহাড়ের। আর এই নিরাপদ নগরের..."  

আরবি: "...وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ ۝ وَطُورِ سِينِينَ ۝ وَهَٰذَا الْبَلَدِ الْأَمِينِ..."


১৪৬. সুরা আলাক (৯৬:১-২)  

বাংলা: "...পড় তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে..."  

আরবি: "...اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ ۝ خَلَقَ الْإِنسَانَ مِنْ عَلَقٍ..."


১৪৭. সুরা কদর (৯৭:১)  

বাংলা: "...নিশ্চয় আমি তা নাযিল করেছি কদরের রাতে..."  

আরবি: "...إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ..."


১৪৮. সুরা যিলযাল (৯৯:১-২)  

বাংলা: "...যখন পৃথিবী তার প্রচণ্ড কম্পনে কেঁপে উঠবে। আর পৃথিবী তার বোঝা বের করে দিবে..."  

আরবি: "...إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا ۝ وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا..."


১৪৯. সুরা ক্বারিয়াহ (১০১:৪-৫)  

বাংলা: "...যেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো। আর পাহাড় হবে ধুনিত রঙিন পশমের মতো..."  

আরবি: "...يَوْمَ يَكُونُ النَّاسُ كَالْفَرَاشِ الْمَبْثُوثِ ۝ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ الْمَنفُوشِ..."


১৫০. সুরা মাআরিজ (৭০:৮-১১)  

বাংলা: "...যেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মতো। আর পাহাড় হবে ধুনিত পশমের মতো। আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞেস করবে না..."  

আরবি: "...يَوْمَ تَكُونُ السَّمَاءُ كَالْمُهْلِ ۝ وَتَكُونُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ ۝ وَلَا يَسْأَلُ حَمِيمٌ حَمِيمًا..."




Friday, May 8, 2026

সহীহ হাদিস।

১. ঘোড়ার কপালে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ।  

হাদিস: ...ঘোড়ার কপালের চুলে কিয়ামত পর্যন্ত কল্যাণ বাঁধা আছে - সওয়াব ও গনিমত।  

উৎস: সহিহ বুখারি 2849; সহিহ মুসলিম 1873  


২. কালো কুকুর শয়তান।  

হাদিস: ...কালো কুকুর শয়তান... নামাজের সামনে দিয়ে গেলে নামাজ নষ্ট হয়...  

উৎস: সহিহ মুসলিম 510  


৩. মাছি পড়লে ডুবাও।  

হাদিস: ...খাবারে মাছি পড়লে পুরোটা ডুবিয়ে দাও। এক ডানায় রোগ, অন্য ডানায় শিফা।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3320  


৪. উটের প্রস্রাব ওষুধ।  

হাদিস: ...উরাইনার লোকদের পেটের অসুখে নবি ﷺ উটের দুধ ও প্রস্রাব খেতে বলেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 233; সহিহ মুসলিম 1671  


৫. সাতটা আজওয়া খেজুর = অ্যান্টি-বিষ।  

হাদিস: ...যে সকালে সাতটা আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন বিষ বা জাদু ক্ষতি করতে পারবে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5445; সহিহ মুসলিম 2047  


৬. জ্বর জাহান্নামের তাপ।  

হাদিস: ...জ্বর জাহান্নামের তাপ থেকে হয়। পানি দিয়ে ঠাণ্ডা করো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5723; সহিহ মুসলিম 2209  


৭. হাই তুললে শয়তান ঢোকে।  

হাদিস: ...হাই শয়তানের পক্ষ থেকে। হাই তোলার সময় মুখ চেপে ধরো, নইলে শয়তান ঢোকে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3289; সহিহ মুসলিম 2994  


৮. শয়তান নাকে রাত কাটায়।  

হাদিস: ...ঘুম থেকে উঠে ৩ বার নাক ঝাড়ো। শয়তান নাকের বাঁশিতে রাত কাটায়।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3295; সহিহ মুসলিম 238  


৯. শয়তান নামাজে বায়ূত্যাগ করে।  

হাদিস: ...শয়তান নামাজে এসে বায়ূত্যাগ করে চলে যায় যাতে মনে হয় অজু ভেঙেছে... শব্দ বা গন্ধ না পাওয়া পর্যন্ত নামাজ ছাড়বে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 608; সহিহ মুসলিম 389  


১০. সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝে ওঠে।  

হাদিস: ...সূর্য ওঠার ও ডোবার সময় নামাজ পড়ো না। সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝে ওঠে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3273; সহিহ মুসলিম 832  


১১. মোরগ ফেরেশতা দেখে, গাধা শয়তান দেখে।  

হাদিস: ...মোরগ ডাক শুনলে আল্লাহর ফজল চাও, কারণ সে ফেরেশতা দেখেছে। গাধার ডাক শুনলে শয়তান থেকে পানাহ চাও, কারণ সে শয়তান দেখেছে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3303; সহিহ মুসলিম 2729  


১২. ইঁদুর ইহুদি ছিল।  

হাদিস: ...ইঁদুরের একটা দল মাসখ হয়ে গেছে। প্রমাণ: উটের দুধ দিলে খায় না, ছাগলের দুধ খায়। কারণ ইহুদিরা উটের দুধ খায় না।  

ব্যাখ্যা: নবি ﷺ "মনে করি" হিসাবে বলেছেন, সরাসরি ফতোয়া না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3305; সহিহ মুসলিম 2997  


১৩. কাক ফাসিক।  

হাদিস: ...পাঁচটা ফাসিক প্রাণী: কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর। ইহরাম-হেরেমেও মারো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3314; সহিহ মুসলিম 1198  


১৪. সাপ জ্বিন হতে পারে।  

হাদিস: ...মদিনার ঘরে সাপ দেখলে ৩ বার সাবধান করো। না গেলে মারো, সে শয়তান।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2236  


১৫. গরু কথা বলে।  

হাদিস: ...গরু চাষীকে বলে: "আমাকে চাষের জন্য সৃষ্টি করা হয়নি।" আবু বকর-উমর বিশ্বাস করেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3663  


১৬. নেকড়ে কথা বলে।  

হাদিস: ...নেকড়ে রাখালকে বলে: "আল্লাহর রিজিক কেড়ে নিলে?" রাখাল: "নেকড়ে কথা বলে!" নেকড়ে: "এর চেয়ে আশ্চর্য মদিনায় নবি।"  

উৎস: সহিহ বুখারি 3663  


১৭. পাথর কাপড় নিয়ে দৌড়ায়।  

হাদিস: ...মুসা গোসল করছিলেন। পাথরে কাপড় রাখেন। পাথর কাপড় নিয়ে দৌড় দেয়। মুসা নগ্ন হয়ে "কাপড় দে" বলে দৌড়ান... বনু ইসরাইল দেখে ফেলে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 278; সহিহ মুসলিম 339  


১৮. পাথর সালাম দিত।  

হাদিস: ...মক্কায় একটা পাথর ছিল, নবুয়তের আগে আমাকে সালাম দিত। আমি এখনো চিনি।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2277  


১৯. গাছ হেঁটে এসে সাক্ষ্য দেয়।  

হাদিস: ...বেদুইন প্রমাণ চায়। নবি ﷺ গাছকে ডাকেন। গাছ মাটি চিরে হেঁটে এসে ৩ বার সাক্ষ্য দেয়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 3012  


২০. খাবার তাসবিহ পড়ে।  

হাদিস: ...সাহাবিরা নবি ﷺ-এর সাথে খাবার খাওয়ার সময় খাবার থেকে তাসবিহ শুনতেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3579  


২১. আঙুল থেকে পানির ঝর্ণা।  

হাদিস: ...হুদাইবিয়ায় পানি শেষ। নবি ﷺ পাত্রে হাত দেন। আঙুল থেকে পানির ঝর্ণা বের হয়। ১৫০০ লোক খায়, অজু করে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3576; সহিহ মুসলিম 1856  


২২. থুথু দিয়ে চোখ ভালো।  

হাদিস: ...খায়বারের দিন আলির চোখ উঠেছিল। নবি ﷺ থুথু দেন। সাথে ভালো হয়ে যায়।  

উৎস: সহিহ বুখারি 2942; সহিহ মুসলিম 2406  


২৩. ঘাম সুগন্ধি।  

হাদিস: ...উম্মে সুলাইম নবি ﷺ-এর ঘাম শিশিতে ভরতেন। সুগন্ধির চেয়ে ভালো গন্ধ।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2331  


২৪. থুথু-কফ বরকত।  

হাদিস: ...সাহাবিরা নবি ﷺ-এর অজুর পানি, থুথু-কফ গায়ে মাখতেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 189  


২৫. চাঁদ দুই টুকরা।  

হাদিস: ...মক্কার কাফিররা নিদর্শন চায়। নবি ﷺ আঙুল দিয়ে ইশারা করেন। চাঁদ দুই টুকরা হয়ে হেরা পাহাড়ের দুই পাশে চলে যায়।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3869; সহিহ মুসলিম 2802  


২৬. সূর্য আরশের নিচে সিজদা করে।  

হাদিস: ...আবু জরকে বলেন: সূর্য কোথায় যায়? বলেন: আরশের নিচে সিজদা করে, অনুমতি চায়... একদিন বলা হবে: যেখান থেকে এসেছ সেখানে ফিরে যাও। তখন পশ্চিম থেকে উঠবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3199; সহিহ মুসলিম 159  


২৭. বাম হাতে খেলে শয়তান খায়।  

হাদিস: ...বাম হাতে খেও না, শয়তান বাম হাতে খায় ও পান করে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2019  


২৮. দাঁড়িয়ে পানি খেলে বমি করো।  

হাদিস: ...দাঁড়িয়ে পানি খেও না। ভুলে খেলে বমি করো।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2026  


২৯. পড়ে যাওয়া লোকমা খাও।  

হাদিস: ...লোকমা পড়ে গেলে ময়লা মুছে খেয়ে ফেলো। শয়তানের জন্য ছেড়ো না।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2034  


৩০. খাওয়ার পর আঙুল চাটো।  

হাদিস: ...খাওয়ার পর আঙুল চেটে খাও। তোমরা জানো না কোন খাবারে বরকত আছে। শয়তান শেষ লোকমায় থাকে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2033  


৩১. আজান শুনে শয়তান বায়ূত্যাগ করে।  

হাদিস: ...আজান শুনে শয়তান বায়ূত্যাগ করতে পালায়।  

উৎস: সহিহ বুখারি 608; সহিহ মুসলিম 389  


৩২. কাতারে ফাঁক রাখলে শয়তান ঢোকে।  

হাদিস: ...কাতারে ফাঁক রাখো না। শয়তান ছোট কালো বকরির মতো ঢোকে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 719; সহিহ মুসলিম 434  


৩৩. ইমামের আগে মাথা তুললে গাধার মাথা।  

হাদিস: ...ইমামের আগে মাথা তুললে আল্লাহ মাথা গাধার মাথা বানিয়ে দেবেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 691; সহিহ মুসলিম 427  


৩৪. উপুড় হয়ে শুলে শয়তান শোয়।  

হাদিস: ...উপুড় হয়ে শুয়ো না। এটা জাহান্নামিদের শোয়া। শয়তান এভাবে শোয়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2715  


৩৫. রসুন খেয়ে মসজিদে না।  

হাদিস: ...রসুন-পেঁয়াজ খেয়ে মসজিদে এসো না। ফেরেশতারা কষ্ট পায়।  

উৎস: সহিহ বুখারি 855; সহিহ মুসলিম 564  


৩৬. নারী, গাধা, কালো কুকুর নামাজ নষ্ট করে।  

হাদিস: ...সামনে দিয়ে নারী, গাধা, কালো কুকুর গেলে নামাজ নষ্ট হয়... আয়েশা রাগ করেন: "আমাদের গাধা-কুকুর বানালে?"  

উৎস: সহিহ মুসলিম 510; সহিহ বুখারি 511  


৩৭. বেশিরভাগ জাহান্নামি নারী।  

হাদিস: ...আমি জাহান্নামে উঁকি দিয়ে দেখলাম, বেশিরভাগ নারী। কারণ তারা স্বামীর অকৃতজ্ঞতা করে, লানত বেশি করে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 29; সহিহ মুসলিম 885  


৩৮. নারীর বুদ্ধি-ধর্ম কম।  

হাদিস: ...নারীদের বুদ্ধি ও দ্বীন কম। সাক্ষী দুইজন = এক পুরুষ। মাসিকের জন্য নামাজ-রোজা নেই।  

উৎস: সহিহ বুখারি 304; সহিহ মুসলিম 79  


৩৯. স্বামী ডাকলে স্ত্রী না আসলে ফেরেশতা লানত দেয়।  

হাদিস: ...স্বামী ডাকলে স্ত্রী না আসলে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতা লানত দেয়।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3237; সহিহ মুসলিম 1436  


৪০. স্বামীর অনুমতি ছাড়া নফল রোজা না।  

হাদিস: ...স্বামী ঘরে থাকলে তার অনুমতি ছাড়া নারী নফল রোজা রাখবে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5195; সহিহ মুসলিম 1026  


৪১. বড় পুরুষকে দুধ খাওয়ানো।  

হাদিস: ...সাহলার স্বামী সেবক সালিমকে ঘৃণা করত। নবি ﷺ বলেন: "তাকে ৫ বার দুধ খাওয়াও, হারাম হয়ে যাবে।" সাহলা বলে: "বড় দাড়িওয়ালা পুরুষ।" বলেন: "খাওয়াও।"  

ব্যাখ্যা: এটা সাহলা-সালিমের জন্য খাস হুকুম ছিল। আম নয়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 1453  


৪২. কুকুরের লালা ৭ বার ধোও।  

হাদিস: ...কুকুর পাত্রে মুখ দিলে ৭ বার ধোও, প্রথমবার মাটি দিয়ে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 279  


৪৩. বিড়াল নাপাক না।  

হাদিস: ...বিড়াল নাপাক না। তোমাদের ঘরে ঘুরে বেড়ায়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 281  


৪৪. সমুদ্রের মৃত প্রাণী হালাল।  

হাদিস: ...সমুদ্রের পানি পাক, মৃত প্রাণী হালাল।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5493; সহিহ মুসলিম 1935  


৪৫. গোবর-হাড্ডি জ্বিনের খাবার।  

হাদিস: ...গোবর, হাড্ডি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করো না। এগুলো জ্বিনের খাবার।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 450  


৪৬. জ্বিন মসজিদে কুরআন শোনে।  

হাদিস: ...নাসিবিনের জ্বিনরা এসে কুরআন শোনে। নবি ﷺ তাদের হাড্ডি খাবার বানান।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 450  


৪৭. বাজার সবচেয়ে খারাপ জায়গা।  

হাদিস: ...সবচেয়ে খারাপ জায়গা বাজার, সবচেয়ে ভালো জায়গা মসজিদ।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 671  


৪৮. ভ্রু প্লাক করলে লানত।  

হাদিস: ...ভ্রু প্লাককারী, দাঁত ফাঁককারী, সৌন্দর্যের জন্য সৃষ্টি বদলকারীকে আল্লাহ লানত দেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5931; সহিহ মুসলিম 2125  


৪৯. উল্কি আঁকলে লানত।  

হাদিস: ...উল্কি আঁকা, আঁকানো, সুদ খাওয়া - সবাইকে লানত।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5962  


৫০. পুরুষের সোনার আংটি হারাম।  

হাদিস: ...নবি ﷺ নিজের সোনার আংটি খুলে ফেলে দেন... এক জ্বলন্ত আগুনের টুকরা হাতে নিচ্ছো...  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2091  


৫১. রেশমের বিছানা হারাম।  

হাদিস: ...রেশমের কাপড় পরো না, রেশমের বিছানায় শুয়ো না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5832  


৫২. ছবিওয়ালা বালিশ ছিঁড়ো।  

হাদিস: ...আয়েশার ছবিওয়ালা বালিশ দেখে নবি ﷺ দরজায় দাঁড়িয়ে যান। চেহারা লাল হয়ে যায়। বলেন: ছিঁড়ে ফেলো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5954; সহিহ মুসলিম 2107  


৫৩. ঘরে কুকুর থাকলে ফেরেশতা আসে না।  

হাদিস: ...যে ঘরে কুকুর বা প্রাণীর ছবি থাকে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা ঢোকে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3225; সহিহ মুসলিম 2106  


৫৪. টাখনুর নিচে কাপড় = জাহান্নাম।  

হাদিস: ...টাখনুর নিচে কাপড়ের যতটুকু যাবে, ততটুকু জাহান্নামে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5787  


৫৫. দাবা খেললে শূকরের রক্তে হাত।  

হাদিস: ...যে দাবা খেলে সে শূকরের মাংস ও রক্তে হাত ডুবায়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2260  


৫৬. ছবি আঁকলে কিয়ামতে রুহ দিতে বলবে।  

হাদিস: ...ছবি আঁকনেওয়ালাকে কিয়ামতে বলা হবে: এতে রুহ দাও। সে পারবে না, আজাব হবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5951; সহিহ মুসলিম 2110  


৫৭. গান-বাজনা হারাম হবে।  

হাদিস: ...আমার উম্মতে কিছু লোক জিনা, রেশম, মদ, বাদ্যযন্ত্র হালাল করবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5590  


৫৮. কবর পাকা করা হারাম।  

হাদিস: ...কবর পাকা করতে, তার উপর বসতে, তার উপর ঘর বানাতে নিষেধ করেছেন।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 970  


৫৯. নারী নেতা হলে সফল না।  

হাদিস: ...যে জাতি নারীকে নেতা বানায়, তারা সফল হবে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 4425  


৬০. মেয়ে শিশু কাঁধে নিয়ে নামাজ।  

হাদিস: ...নবি ﷺ উমামা বিনতে জয়নবকে কাঁধে নিয়ে নামাজ পড়তেন। সিজদায় নামাতেন, দাঁড়ালে তুলতেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 516; সহিহ মুসলিম 543  


৬১. বিড়াল বেঁধে মারলে জাহান্নাম।  

হাদিস: ...এক নারী বিড়াল বেঁধে রেখে না খাইয়ে মেরে ফেলে। তাই জাহান্নামে গেছে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3318; সহিহ মুসলিম 2242  


৬২. পতিতা কুকুরকে পানি খাওয়াইয়া জান্নাত।  

হাদিস: ...এক পতিতা কূপের পাশে হাঁপানো কুকুর দেখে মোজায় পানি তুলে খাওয়ায়। আল্লাহ মাফ করে জান্নাত দেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3321; সহিহ মুসলিম 2245  


৬৩. ১০০ উট দিয়াত।  

হাদিস: ...মুসলিম হত্যার দিয়াত ১০০ উট।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6896  


৬৪. চোরের হাত কাটো।  

হাদিস: ...চোর পুরুষ-নারী উভয়ের হাত কাটো। ১/৪ দিনার চুরি করলেও।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6789; সহিহ মুসলিম 1684  


৬৫. মদ খেলে ৮০ বেত।  

হাদিস: ...নবি ﷺ মদখোরকে জুতা ও খেজুর ডাল দিয়ে ৪০ বার মারেন। আবু বকর ৪০, উমর ৮০ করেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6773; সহিহ মুসলিম 1706  


৬৬. দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেছেন।  

হাদিস: ...নবি ﷺ এক গোত্রের আবর্জনার জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 224; সহিহ মুসলিম 273  


৬৭. পিঁপড়া পোড়ানো নিষেধ।  

হাদিস: ...এক নবিকে পিঁপড়া কামড়ায়। তিনি পুরা বাসা পুড়িয়ে দেন। আল্লাহ বলেন: একটা পিঁপড়ার জন্য পুরা জাতি পোড়ালে? এরপর পোড়ানো নিষেধ।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3019; সহিহ মুসলিম 2241  


৬৮. ব্যাঙ মারা নিষেধ।  

হাদিস: ...ডাক্তার ব্যাঙ দিয়ে ওষুধ বানাতে চায়। নবি ﷺ ব্যাঙ মারা নিষেধ করেন।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 1937  


৬৯. হুদহুদ, পিঁপড়া, মৌমাছি মারা নিষেধ।  

হাদিস: ...৪টা প্রাণী মারা নিষেধ: হুদহুদ, পিঁপড়া, মৌমাছি, সুরাদ।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3319  


৭০. বদনজর সত্য।  

হাদিস: ...বদনজর সত্য। ভাগ্যকে কিছু ডিঙাতে পারলে বদনজর পারত।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2188  


৭১. জুতা পরে কবরস্থানে হাঁটা নিষেধ।  

হাদিস: ...নবি ﷺ একজনকে জুতা পরে কবরের মাঝে হাঁটতে দেখে বলেন: সাবতিয়া জুতা খোলো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1347  


৭২. মৃতের জন্য ৩ দিনের বেশি শোক না।  

হাদিস: ...স্বামী ছাড়া মৃতের জন্য ৩ দিনের বেশি শোক করো না। স্বামীর জন্য ৪ মাস ১০ দিন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5334; সহিহ মুসলিম 1486  


৭৩. মৃতকে গালি দিও না।  

হাদিস: ...মৃতকে গালি দিও না। তারা যা করেছে তার কাছে পৌঁছে গেছে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1393  


৭৪. আত্মহত্যা করলে জাহান্নামে তাই করবে।  

হাদিস: ...যে পাহাড় থেকে লাফ দেয়, জাহান্নামে তাই করবে চিরকাল... যে ছুরি মারে, জাহান্নামে ছুরি মারবে... যে বিষ খায়, জাহান্নামে বিষ খাবে...  

উৎস: সহিহ বুখারি 5778; সহিহ মুসলিম 109  


৭৫. ঋণগ্রস্তের জানাজা পড়তেন না।  

হাদিস: ...নবি ﷺ ঋণগ্রস্তের জানাজা পড়তেন না। বলতেন: তোমরা পড়ো। ঋণ শোধ হলে পড়তেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 2289; সহিহ মুসলিম 1619  


৭৬. জানাজা দ্রুত নিয়ে যাও।  

হাদিস: ...জানাজা দ্রুত নিয়ে যাও। ভালো হলে ভালোর দিকে, খারাপ হলে ঘাড় থেকে নামাও।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1315; সহিহ মুসলিম 944  


৭৭. কবরে খেজুর ডাল গাড়েন।  

হাদিস: ...দুই কবরে আজাব হচ্ছিল। নবি ﷺ খেজুর ডাল দুই টুকরা করে গাড়েন। বলেন: শুকানো পর্যন্ত হালকা হবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1361; সহিহ মুসলিম 292  


৭৮. কবরের উপর বসো না।  

হাদিস: ...কবরের উপর বসো না, কবরের দিকে নামাজ পড়ো না।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 972  


৭৯. কবর যিয়ারত করো।  

হাদিস: ...আমি কবর যিয়ারত নিষেধ করেছিলাম। এখন করো, মৃত্যু স্মরণ করায়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 977  


৮০. মৃতের হাড্ডি ভাঙা জীবিতের মতো।  

হাদিস: ...মৃতের হাড্ডি ভাঙা জীবিতের হাড্ডি ভাঙার মতো।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 970  


৮১. শহীদকে গোসল না।  

হাদিস: ...উহুদের শহীদদের গোসল দেওয়া হয়নি, রক্তমাখা কাপড়েই দাফন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1343  


৮২. নবিদের দেহ মাটি খায় না।  

হাদিস: ...আল্লাহ মাটির উপর নবিদের দেহ খাওয়া হারাম করেছেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1396  


৮৩. নবি ﷺ কবরে দরুদ শোনেন।  

হাদিস: ...আমার কাছে দরুদ পৌঁছানো হয়। আমি জবাব দেই।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 384  


৮৪. জুমার দিন বেশি দরুদ।  

হাদিস: ...জুমার দিন আমার উপর বেশি দরুদ পড়ো। দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 384  


৮৫. নবি ﷺ-এর নামে মিথ্যা = জাহান্নাম।  

হাদিস: ...যে আমার নামে মিথ্যা বলে, সে জাহান্নামে বসার জায়গা করে নেয়।  

উৎস: সহিহ বুখারি 110; সহিহ মুসলিম 3  


৮৬. কুরআন ৭ হরফে নাজিল।  

হাদিস: ...কুরআন ৭ হরফে নাজিল হয়েছে। যেটা সহজ পড়ো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 4992; সহিহ মুসলিম 818  


৮৭. সুরা ইখলাস = ১/৩ কুরআন।  

হাদিস: ...কুল হুয়াল্লাহু আহাদ কুরআনের ১/৩।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5015; সহিহ মুসলিম 811  


৮৮. আয়াতুল কুরসি = শ্রেষ্ঠ আয়াত।  

হাদিস: ...আয়াতুল কুরসি কুরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 810  


৮৯. সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত যথেষ্ট।  

হাদিস: ...যে রাতে সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়বে, তার জন্য যথেষ্ট।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5009; সহিহ মুসলিম 808  


৯০. সুরা কাহাফ দাজ্জাল থেকে বাঁচায়।  

হাদিস: ...যে সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে, দাজ্জাল থেকে বাঁচবে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 809  


৯১. সুরা মুলক কবরের আজাব থেকে বাঁচায়।  

হাদিস: ...সুরা মুলক পড়া লোকের জন্য সুপারিশ করবে, কবরের আজাব থেকে বাঁচাবে।  

ব্যাখ্যা: তিরমিজি 2891, হাসান। মুসলিমে নাই।  

উৎস: তিরমিজি 2891  


৯২. যে ঘরে সুরা বাকারা পড়া হয় শয়তান পালায়।  

হাদিস: ...যে ঘরে সুরা বাকারা পড়া হয়, শয়তান পালায়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 780  


৯৩. আল্লাহ হাসেন।  

হাদিস: ...আল্লাহ দুই ব্যক্তিকে দেখে হাসেন: একজন আরেকজনকে হত্যা করে, দুজনই জান্নাতে যায়।  

উৎস: সহিহ বুখারি 2826; সহিহ মুসলিম 1890  


৯৪. আল্লাহ প্রতি রাতে নিচে নামেন।  

হাদিস: ...আল্লাহ প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আসমানে নেমে বলেন: কে ডাকবে, কবুল করব... কে মাফ চাইবে, মাফ করব...  

উৎস: সহিহ বুখারি 1145; সহিহ মুসলিম 758  


৯৫. ৩ শ্বাসে পানি খাও।  

হাদিস: ...৩ শ্বাসে পানি খাও। বেশি তৃপ্তি, হজম ভালো, শিফা।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2028  


৯৬. খাবার দোষ ধরো না।  

হাদিস: ...নবি ﷺ কখনো খাবার দোষ ধরেননি। ভালো লাগলে খেতেন, না লাগলে রেখে দিতেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3563; সহিহ মুসলিম 2064  


৯৭. পেটের ৩ ভাগ।  

হাদিস: ...আদম সন্তান পেটের চেয়ে খারাপ পাত্র ভরে না। কয়েক লোকমা যথেষ্ট... বেশি খেলে ১/৩ খাবার, ১/৩ পানি, ১/৩ শ্বাস।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2054  


৯৮. মিসওয়াক।  

হাদিস: ...উম্মতের কষ্ট না হলে প্রতি নামাজে মিসওয়াক ফরজ করতাম।  

উৎস: সহিহ বুখারি 887; সহিহ মুসলিম 252  


৯৯. জুমার দিন গোসল।  

হাদিস: ...জুমার দিন গোসল করা প্রত্যেক বালেগের উপর ওয়াজিব।  

উৎস: সহিহ বুখারি 879; সহিহ মুসলিম 846  


১০০. আতর ভালোবাসতেন।  

হাদিস: ...নবি ﷺ আতর ভালোবাসতেন... ইসমিদ সুরমা দিতেন... বলে: চোখ ভালো করে, চুল গজায়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2254  


১০১. হেনা-কাতাম দিয়ে চুল রাঙাও।  

হাদিস: ...ইহুদি-খ্রিস্টান চুলে রং করে না। তোমরা করো। হেনা ও কাতাম দিয়ে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3462; সহিহ মুসলিম 2103  


১০২. কালো কলপ।  

হাদিস: ...শেষ যুগে কালো কলপ দিয়ে রাঙাবে... জান্নাতের গন্ধও পাবে না।  

ব্যাখ্যা: আলেমদের মতে বার্ধক্য ঢাকতে কালো কলপ মাকরুহ। জিহাদের জন্য জায়েজ।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2102  


১০৩. ডান হাতে ইস্তিঞ্জা না।  

হাদিস: ...ডান হাতে লজ্জাস্থান ধরো না, ডান হাতে ইস্তিঞ্জা করো না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 153; সহিহ মুসলিম 267  


১০৪. পায়খানায় ঢুকার দোয়া।  

হাদিস: ...পায়খানায় ঢুকার আগে বলো: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল খুবসি ওয়াল খাবাইস।  

উৎস: সহিহ বুখারি 142; সহিহ মুসলিম 375  


১০৫. পায়খানা থেকে বের হয়ে গুফরানাকা।  

হাদিস: ...বের হয়ে বলো: গুফরানাকা।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 373  


১০৬. বিসমিল্লাহ না বললে শয়তান খায়।  

হাদিস: ...বিসমিল্লাহ না বললে শয়তান খাবার খায়... এক বেদুইন না বলে খেতে লাগল, নবি ﷺ হাত ধরলেন।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2017  


১০৭. খাওয়ার শেষে আলহামদুলিল্লাহ।  

হাদিস: ...আল্লাহ বান্দার উপর খুশি হন যখন খেয়ে-পরে আলহামদুলিল্লাহ বলে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2734  


১০৮. ঘুমের দোয়া।  

হাদিস: ...ঘুমানোর সময়: বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমুতু ওয়া আহইয়া। উঠে: আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বা'দা মা আমাতানা।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6324; সহিহ মুসলিম 2711  


১০৯. সাত আকাশ।  

হাদিস: ...আল্লাহ সাত আকাশ স্তরে সৃষ্টি করেছেন। দয়াময়ের সৃষ্টিতে কোনো অসঙ্গতি দেখবে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3193; সহিহ মুসলিম 2809  


১১০. আরশ পানির উপর।  

হাদিস: ...আল্লাহর আরশ পানির উপর ছিল... তারপর আসমান-জমিন সৃষ্টি করেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 7418  


১১১. আরশ বহনকারী ফেরেশতা।  

হাদিস: ...আরশ বহনকারী ফেরেশতার কানের লতি থেকে কাঁধ ৭০০ বছরের রাস্তা।  

উৎস: সহিহ বুখারি 4880  


১১২. জিবরাইলের ৬০০ ডানা।  

হাদিস: ...জিবরাইল ফেরেশতা। তার ৬০০ ডানা, প্রতিটা দিগন্ত ঢেকে ফেলে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3232; সহিহ মুসলিম 174  


১১৩. জিবরাইল আসল রূপে ২ বার।

হাদিস: ...নবি ﷺ জিবরাইলকে আসল রূপে ২ বার দেখেন: মক্কায় ও সিদরাতুল মুনতাহায়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 177  


১১৪. ফেরেশতা ডানা বিছায়।  

হাদিস: ...জ্ঞান অন্বেষণকারীর জন্য ফেরেশতা ডানা বিছিয়ে দেয়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2699  


১১৫. কিয়ামতে সূর্য ১ মাইল দূরে।  

হাদিস: ...কিয়ামতে সূর্য ১ মাইল দূরে আসবে। ঘাম হাঁটু, কোমর, মুখ পর্যন্ত হবে... লাগাম হয়ে যাবে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2864  


১১৬. পুলসিরাত চুলের চেয়ে সরু।  

হাদিস: ...পুলসিরাত জাহান্নামের উপর। চুলের চেয়ে সরু, তলোয়ারের চেয়ে ধারালো... তার উপর কাঁটা আছে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 183  


১১৭. মিজান।  

হাদিস: ...কিয়ামতে মিজান আনা হবে। আসমান-জমিন রাখলেও জায়গা হবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 7516  


১১৮. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ৯৯ আমলনামার চেয়ে ভারী।  

হাদিস: ...৯৯টা আমলনামা, প্রতিটা দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ কার্ড রাখলে কার্ড ভারী হবে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 45  


১১৯. কিবলার দিকে মুখ/পিঠ করে পেশাব-পায়খানা না।  

হাদিস: ...কিবলার দিকে মুখ বা পিঠ করে পেশাব-পায়খানা করো না। পূর্ব বা পশ্চিমে ফিরো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 144; সহিহ মুসলিম 264  


১২০. ৩ ঢিলার কমে ইস্তিঞ্জা না।  

হাদিস: ...৩ ঢিলার কমে ইস্তিঞ্জা করো না।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 262  


১২১. গোবর-হাড্ডি দিয়ে ইস্তিঞ্জা না।  

হাদিস: ...গোবর, হাড্ডি দিয়ে ইস্তিঞ্জা করো না। এগুলো তোমাদের ভাই জ্বিনের খাবার।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 450  


১২২. জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়ো।  

হাদিস: ...যে জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়বে, তার জন্য দুই জুমার মাঝে নূর হবে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 809  


১২৩. আজানের জবাব দাও।  

হাদিস: ...মুয়াজ্জিন যা বলে তাই বলো। শেষে আমার উপর দরুদ পড়ো। তারপর ওসিলা চাও।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 384  


১২৪. আজান ও ইকামতের মাঝে দোয়া ফেরত যায় না।  

হাদিস: ...আজান ও ইকামতের মাঝে দোয়া ফেরত দেওয়া হয় না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 614  


১২৫. মসজিদে দুনিয়াবি কথা না।  

হাদিস: ...শেষ যুগে মসজিদে দুনিয়াবি কথা হবে। তাদের সাথে বসো না। আল্লাহর তাদের দরকার নাই।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 671  


১২৬. মসজিদে কেনা-বেচা না।  

হাদিস: ...মসজিদে কেনা-বেচা করতে দেখলে বলো: আল্লাহ তোমার ব্যবসায় লাভ না দিক।  

উৎস: তিরমিজি 1321, সহীহ  


১২৭. হারানো জিনিস মসজিদে খোঁজা না।  

হাদিস: ...মসজিদে হারানো জিনিস খুঁজলে বলো: আল্লাহ ফিরিয়ে না দিক।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 569  


১২৮. কাতার সোজা করো।  

হাদিস: ...কাতার সোজা করো। কাতার সোজা নামাজের পূর্ণতা।  

উৎস: সহিহ বুখারি 723; সহিহ মুসলিম 433  


১২৯. প্রথম কাতারে ফেরেশতা দরুদ পড়ে।  

হাদিস: ...আল্লাহ ও ফেরেশতারা প্রথম কাতারের উপর দরুদ পড়েন।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 430  


১৩০. জামাতে নামাজ ২৭ গুণ।  

হাদিস: ...জামাতে নামাজ একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ উত্তম।  

উৎস: সহিহ বুখারি 645; সহিহ মুসলিম 650  


১৩১. ফজর ও এশা মুনাফিকের জন্য ভারী।  

হাদিস: ...মুনাফিকের জন্য ফজর ও এশা সবচেয়ে ভারী নামাজ। সওয়াব জানলে হামাগুড়ি দিয়ে আসত।  

উৎস: সহিহ বুখারি 657; সহিহ মুসলিম 651  


১৩২. সূর্য ওঠার সময় নামাজ না।  

হাদিস: ...সূর্য ওঠার সময় নামাজ পড়ো না। শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝে ওঠে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 581; সহিহ মুসলিম 828  


১৩৩. আসরের পর নামাজ না।  

হাদিস: ...আসরের পর সূর্য ডোবা পর্যন্ত নামাজ নাই।  

উৎস: সহিহ বুখারি 586; সহিহ মুসলিম 827  


১৩৪. কবরের দিকে নামাজ না।  

হাদিস: ...কবরের দিকে নামাজ পড়ো না, কবরের উপর বসো না।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 972  


১৩৫. জুতা পরে জানাজা পড়া যায়।  

হাদিস: ...নবি ﷺ জুতা পরে জানাজা পড়েছেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1338  


১৩৬. শিশুর জানাজা পড়ো।  

হাদিস: ...মুসলিমের শিশু মরলে জানাজা পড়ো। সে মা-বাবার জন্য আগে যাবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1248; সহিহ মুসলিম 2635  


১৩৭. আত্মহত্যাকারীর জানাজা পড়া যায়।  

হাদিস: ...নবি ﷺ আত্মহত্যাকারীর জানাজা পড়েননি, সাহাবিরা পড়েছেন।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 978  


১৩৮. শহীদের জানাজা নাই।  

হাদিস: ...উহুদের শহীদদের জানাজা পড়া হয়নি।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1343  


১৩৯. গায়েবানা জানাজা জায়েজ।  

হাদিস: ...নবি ﷺ নাজ্জাশির গায়েবানা জানাজা পড়েছেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1317; সহিহ মুসলিম 951  


১৪০. জানাজায় ৪ তাকবির।  

হাদিস: ...নবি ﷺ জানাজায় ৪ তাকবির দিতেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1333; সহিহ মুসলিম 957  


১৪১. দাফনের পর তালকিন।  

হাদিস: ...দাফনের পর কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মৃতের জন্য মাগফিরাত চাও। এখন জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2871  


১৪২. কবরে পানি ছিটাও।  

হাদিস: ...নবি ﷺ ছেলের কবরে পানি ছিটিয়েছেন।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2872  


১৪৩. কবরের আজাব থেকে পানাহ চাও।  

হাদিস: ...নামাজে কবরের আজাব থেকে পানাহ চাও।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1377; সহিহ মুসলিম 588  


১৪৪. দাজ্জাল থেকে পানাহ চাও।  

হাদিস: ...নামাজে দাজ্জালের ফিতনা থেকে পানাহ চাও।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 588  


১৪৫. কিয়ামতে ৭০ হাজার বিনা হিসাবে জান্নাত।  

হাদিস: ...আমার উম্মতের ৭০ হাজার বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে। তারা ঝাড়ফুঁক করে না, পাখি উড়ায় না, লোহা পোড়ায় না, রবের উপর ভরসা করে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6541; সহিহ মুসলিম 218  


১৪৬. হাউজে কাউসার।  

হাদিস: ...আমার হাউজ ১ মাসের রাস্তা। পানি দুধের চেয়ে সাদা, মিশকের চেয়ে সুগন্ধি। পেয়ালা তারার মতো। যে খাবে পিপাসা পাবে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6579; সহিহ মুসলিম 2292  


১৪৭. হাউজ থেকে তাড়ানো হবে।  

হাদিস: ...কিছু লোককে হাউজ থেকে তাড়ানো হবে। আমি বলব: আমার উম্মত। বলা হবে: তুমি জানো না এরা পরে কী করেছে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6584; সহিহ মুসলিম 2297  


১৪৮. সুপারিশ।  

হাদিস: ...কিয়ামতে আমি সুপারিশ করব। বলা হবে: যার অন্তরে সরিষা পরিমাণ ঈমান আছে তাকে জান্নাতে ঢুকাও।  

উৎস: সহিহ বুখারি 7510; সহিহ মুসলিম 193  


১৪৯. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বললে জান্নাত।  

হাদিস: ...যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে মরবে, জান্নাতে যাবে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 26  


১৫০. ৯৯ নাম।  

হাদিস: ...আল্লাহর ৯৯ নাম। যে গণনা করবে জান্নাতে যাবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 2736; সহিহ মুসলিম 2677  


১৫১. সুবহানাল্লাহ ১০০ বার = ১০০০ নেকি।  

হাদিস: ...১০০ বার সুবহানাল্লাহ বললে ১০০০ নেকি লেখা হয়, ১০০০ গুনাহ মাফ হয়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2698  


১৫২. আলহামদুলিল্লাহ মিজান ভরে।  

হাদিস: ...আলহামদুলিল্লাহ মিজান ভরে দেয়। সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহ আসমান-জমিন ভরে দেয়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 223  


১৫৩. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা জান্নাতের ভাণ্ডার।  

হাদিস: ...লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ জান্নাতের ভাণ্ডার।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6384; সহিহ মুসলিম 2704  


১৫৪. সাইয়েদুল ইস্তিগফার।  

হাদিস: ...সকালে পড়ে মরলে জান্নাতি, সন্ধ্যায় পড়ে মরলে জান্নাতি।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6306  


১৫৫. আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমালে শয়তান আসে না।  

হাদিস: ...রাতে আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমালে সকাল পর্যন্ত আল্লাহ পাহারা দেন, শয়তান আসে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 2311  


১৫৬. সুরা ইখলাস ৩ বার = পুরা কুরআন।  

হাদিস: ...কুল হুয়াল্লাহু আহাদ ৩ বার পড়লে পুরা কুরআন খতমের সওয়াব।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 811  


১৫৭. সুরা কাফিরুন শিরক থেকে মুক্তি।  

হাদিস: ...ঘুমানোর সময় কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরুন পড়ো। শিরক থেকে মুক্তি।  

উৎস: তিরমিজি 3403, সহীহ  


১৫৮. সুরা ফালাক-নাস ঝাড়ফুঁক।  

হাদিস: ...নবি ﷺ সুরা ফালাক-নাস দিয়ে ঝাড়ফুঁক করতেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5016; সহিহ মুসলিম 2192  


১৫৯. বিসমিল্লাহ বলে দরজা বন্ধ করো।  

হাদিস: ...সন্ধ্যায় বিসমিল্লাহ বলে দরজা বন্ধ করো। শয়তান বন্ধ দরজা খোলে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3304; সহিহ মুসলিম 2012  


১৬০. বিসমিল্লাহ বলে খাবার ঢাকো।  

হাদিস: ...রাতে খাবার ঢেকে রাখো, বিসমিল্লাহ বলো। বছরে এক রাতে মহামারি নামে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2014  


১৬১. সালাম দাও।  

হাদিস: ...তোমরা জান্নাতে যাবে না যতক্ষণ ঈমান না আনো। ঈমান আনবে না যতক্ষণ ভালো না বাসো। সালাম প্রচার করো, ভালোবাসা হবে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 54  


১৬২. মুচকি হাসি সদকা।  

হাদিস: ...ভাইয়ের সামনে মুচকি হাসি সদকা।  

উৎস: তিরমিজি 1956, সহীহ  


১৬৩. রাস্তা থেকে কষ্ট দূর করা ঈমান।  

হাদিস: ...ঈমানের ৭০ শাখা। সর্বনিম্ন রাস্তা থেকে কষ্ট দূর করা।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 35  


১৬৪. লজ্জা ঈমানের অঙ্গ।  

হাদিস: ...লজ্জা ঈমানের অঙ্গ।  

উৎস: সহিহ বুখারি 24; সহিহ মুসলিম 36  


১৬৫. আমানত না থাকলে ঈমান নাই।  

হাদিস: ...যার আমানত নাই তার ঈমান নাই। যার ওয়াদা নাই তার দ্বীন নাই।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 58  


১৬৬. মুনাফিকের ৩ আলামত।  

হাদিস: ...মুনাফিকের আলামত ৩টা: মিথ্যা বলে, ওয়াদা ভাঙে, আমানতের খেয়ানত করে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 33; সহিহ মুসলিম 59  


১৬৭. গালি দেওয়া ফাসেকি।  

হাদিস: ...মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসেকি, হত্যা করা কুফরি।  

উৎস: সহিহ বুখারি 48; সহিহ মুসলিম 64  


১৬৮. অহংকার হারাম।  

হাদিস: ...যার অন্তরে সরিষা পরিমাণ অহংকার আছে, জান্নাতে যাবে না।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 91  


১৬৯. আত্মীয়তা ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না।  

হাদিস: ...আত্মীয়তা ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5984; সহিহ মুসলিম 2556  


১৭০. প্রতিবেশী কষ্ট দিলে জান্নাত নাই।  

হাদিস: ...যার কষ্ট থেকে প্রতিবেশী নিরাপদ না, সে জান্নাতে যাবে না।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 46  


১৭১. এতিমের মাথায় হাত বুলাও।  

হাদিস: ...এতিমের মাথায় হাত বুলালে প্রতি চুলে নেকি। আমি ও এতিমের কাফিল জান্নাতে এভাবে - দুই আঙুল মিলালেন।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6005  


১৭২. বিধবার জন্য দৌড়ানো জিহাদ।  

হাদিস: ...বিধবা ও মিসকিনের জন্য দৌড়ানো আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ বা রাতভর নামাজ, দিনভর রোজার মতো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 6006; সহিহ মুসলিম 2982  


১৭৩. কন্যা সন্তান জাহান্নামের ঢাল।  

হাদিস: ...যার ৩ মেয়ে, ধৈর্য ধরে, খাওয়ায়-পরায়, কিয়ামতে জাহান্নামের ঢাল হবে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2631  


১৭৪. মা-বাবার সাথে সদ্ব্যবহার।  

হাদিস: ...এক লোক জিহাদের অনুমতি চায়। বলেন: মা-বাবা জীবিত? বলে: হ্যাঁ। বলেন: তাদের মধ্যে জিহাদ করো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3004; সহিহ মুসলিম 2549  


১৭৫. মা ৩ গুণ বেশি হকদার।  

হাদিস: ...কে বেশি হকদার? বলেন: তোমার মা। তারপর? তোমার মা। তারপর? তোমার মা। তারপর? তোমার বাবা।  

উৎস: সহিহ বুখারি 5971; সহিহ মুসলিম 2548  


১৭৬. বাবা জান্নাতের দরজা।  

হাদিস: ...বাবা জান্নাতের মধ্য দরজা। চাইলে নষ্ট করো, চাইলে রক্ষা করো।  

উৎস: তিরমিজি 1900, সহীহ  


১৭৭. স্বামী সন্তুষ্ট অবস্থায় মরলে জান্নাত।  

হাদিস: ...যে নারী মরে আর স্বামী সন্তুষ্ট, সে জান্নাতে যাবে।  

উৎস: তিরমিজি 1161, সহীহ  


১৭৮. দুনিয়া মুমিনের জেল।  

হাদিস: ...দুনিয়া মুমিনের জেল, কাফিরের জান্নাত।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2956  


১৭৯. দুনিয়া আল্লাহর কাছে মশার ডানার সমান না।  

হাদিস: ...দুনিয়া আল্লাহর কাছে মশার ডানার সমান হলে কাফিরকে এক ঢোক পানি দিতেন না।  

উৎস: তিরমিজি 2320, সহীহ  


১৮০. সবচেয়ে ধনী দরিদ্র।  

হাদিস: ...কিয়ামতে দুনিয়ার সবচেয়ে ধনীকে এনে জাহান্নামে এক ডুব দিয়ে বলা হবে: কখনো সুখ পেয়েছ? বলবে: না। দুনিয়ার সবচেয়ে দুঃখীকে জান্নাতে এক ডুব দিয়ে বলা হবে: কখনো কষ্ট পেয়েছ? বলবে: না।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2807  


১৮১. কবরের আজাব।  

হাদিস: ...মৃতকে কবরে রাখলে দুই ফেরেশতা আসে। জিজ্ঞেস করে: তোমার রব কে? দ্বীন কী? এই লোক কে? মুমিন বলে: আল্লাহ রব, ইসলাম দ্বীন, মুহাম্মদ নবি। কাফির বলে: হায় হায়, জানি না। লোহার হাতুড়ি দিয়ে মারে। চিৎকার জিন-ইনসান ছাড়া সবাই শোনে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1374; সহিহ মুসলিম 2870  


১৮২. কিয়ামতের আলামত: দাসী মনিব প্রসব করবে।  

হাদিস: ...জিবরাইল জিজ্ঞেস করেন: কিয়ামত কখন? বলেন: প্রশ্নকারী জানলেওয়ালার চেয়ে বেশি জানে না। আলামত: দাসী মনিব প্রসব করবে, নগ্নপদ রাখাল উঁচু বিল্ডিং বানাবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 50; সহিহ মুসলিম 8  


১৮৩. কিয়ামতের আলামত: ইলম উঠে যাবে।  

হাদিস: ...কিয়ামতের আগে ইলম উঠে যাবে, মূর্খতা-জিনা-মদ বাড়বে, পুরুষ কমবে, নারী বাড়বে। ৫০ নারীর ১ পুরুষ।  

উৎস: সহিহ বুখারি 81; সহিহ মুসলিম 2671  


১৮৪. কিয়ামতের আলামত: আরব আবার বাগান হবে।  

হাদিস: ...কিয়ামত হবে না যতক্ষণ আরব ভূমি আবার বাগান ও নদী না হয়।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 157  


১৮৫. কিয়ামতের আলামত: সোনার পাহাড়।  

হাদিস: ...ফোরাত নদী সোনার পাহাড় বের করবে। ৯৯ জন মরবে। প্রত্যেকে বলবে: আমি বাঁচব।  

উৎস: সহিহ বুখারি 7119; সহিহ মুসলিম 2894  


১৮৬. কিয়ামতের আলামত: কাবা ধ্বংস।  

হাদিস: ...হাবশি সরু পায়ে কাবা ধ্বংস করবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1591; সহিহ মুসলিম 2909  


১৮৭. কিয়ামতের আলামত: কাহতান থেকে লোক।  

হাদিস: ...কাহতান থেকে লোক বের হয়ে লাঠি দিয়ে মানুষ তাড়াবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3517; সহিহ মুসলিম 2910  


১৮৮. কিয়ামতের আলামত: আগুন।  

হাদিস: ...হেজাজ থেকে আগুন বের হবে। বসরার উটের ঘাড় আলো করবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 7118; সহিহ মুসলিম 2902  


১৮৯. শেষ যুগে মিথ্যুক দাজ্জাল।  

হাদিস: ...শেষ যুগে মিথ্যুক দাজ্জাল বের হবে। এমন হাদিস বলবে যা তোমরা-বাপদাদা শোনোনি। সাবধান।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 6  


১৯০. ইলম উঠে যাবে আলেম মরে।  

হাদিস: ...আল্লাহ ইলম তুলে নেন না, আলেম তুলে নেন। মূর্খরা ফতোয়া দেবে, গোমরাহ হবে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 100; সহিহ মুসলিম 2673  


১৯১. কুরআন পড়ে কিন্তু গলার নিচে যায় না।  

হাদিস: ...একদল বের হবে। কুরআন পড়বে, গলার নিচে যাবে না। ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে তীরের মতো।  

উৎস: সহিহ বুখারি 3610; সহিহ মুসলিম 1064  


১৯২. মুসলিম সংখ্যায় বেশি, ফেনার মতো।  

হাদিস: ...তোমরা সংখ্যায় বেশি হবে, কিন্তু ফেনার মতো। শত্রুর অন্তর থেকে ভয় উঠে যাবে, তোমাদের অন্তরে ওয়াহান ঢুকবে। ওয়াহান: দুনিয়ার মহব্বত, মৃত্যুর ভয়।  

উৎস: আবু দাউদ 4297, সহীহ  


১৯৩. ৭৩ দল।  

হাদিস: ...ইহুদি ৭১ দল, খ্রিস্টান ৭২ দল। আমার উম্মত ৭৩ দল। ৭২ জাহান্নামে, ১ জান্নাতে। তারা: জামাত।  

উৎস: তিরমিজি 2641, সহীহ  


১৯৪. গুরাবা।  

হাদিস: ...ইসলাম গরিব অবস্থায় শুরু, গরিব অবস্থায় ফিরবে। গুরাবার জন্য সুসংবাদ। গুরাবা: মানুষ নষ্ট হলে যারা ঠিক করে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 145  


১৯৫. শামে বরকত।  

হাদিস: ...হে আল্লাহ, আমাদের শামে বরকত দাও, ইয়েমেনে বরকত দাও। বলল: নজদেও। বললেন: ওখানে ভূমিকম্প-ফিতনা, শয়তানের শিং ওঠে।  

উৎস: সহিহ বুখারি 1037  


১৯৬. কনস্টান্টিনোপল বিজয়।  

হাদিস: ...কনস্টান্টিনোপল বিজয় হবে। সেনাপতি কত উত্তম, সেনা কত উত্তম।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2920  


১৯৭. রোম বিজয়।  

হাদিস: ...তোমরা কি কনস্টান্টিনোপল শুনেছ? হ্যাঁ। বললেন: আগে রোম বিজয় হবে।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2920  


১৯৮. ইমাম মাহদি।  

হাদিস: ...মাহদি আমার বংশে, ফাতিমার সন্তান। পৃথিবী জুলুমে ভরে গেলে ন্যায় দিয়ে ভরবেন। ৭ বছর রাজত্ব করবেন।  

উৎস: আবু দাউদ 4285, সহীহ  


১৯৯. ঈসা দামেস্কে নামবেন।  

হাদিস: ...ঈসা দামেস্কের পূর্বে সাদা মিনারে নামবেন। দুই ফেরেশতার ডানায় হাত রেখে। মাহদির পিছনে নামাজ পড়বেন।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2937  


২০০. টিকটিকি মারো, ১০০ নেকি।  

হাদিস: ...টিকটিকি মারো। প্রথম আঘাতে মারলে ১০০ নেকি, দ্বিতীয় আঘাতে কম... কারণ ইবরাহিমের আগুনে ফুঁ দিয়েছিল।  

উৎস: সহিহ মুসলিম 2240; সহিহ বুখারি 3359"