Search

Friday, July 12, 2024

এক কাপ চায়ে দু-কাপ চিনি!

সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ধামড়া-ধামড়া বুদ্ধিমান মানুষদেরকে স্রেফ হাফ-প্যান্টপরা খোকা বানিয়ে দিচ্ছে। আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলি কোন খোকা না-আবার 'ইয়েখানা' থেকে পকেটে করে খানিকটা ইয়ে নিয়ে এসে আমাদেরকে বলে বসে: দেখবা, এক খাবলা নিয়া আসলাম।

এদিকে আবার কালে-কালে কিছু খোকা নিজেদেরকে স্টার আদলে একেকটা তালগাছ মনে করছে। এই গ্রহের এমন কোন জ্ঞান নাই যা এদের হাঁটু তলে নাই!

কে বোঝাবে এদেরকে যে সোশ্যাল মিডিয়া একটা বাজারের মত। বাজারের নিজস্ব কিছু ভাষা আছে। বাজারে দাঁড়িয়ে সব বলা যায় না, করা যায় না। 'ধুম মাচা দে', গানটা গাইতে কোন দোষ নাই কিন্তু কোনও অফিসের টেবিলের উপর দাঁড়িয়ে গানটা গাইলে ধরে নিতে হবে মস্তিষ্কের ভেতরের জিনিসপত্র নীচের দিকে নেমে এসেছে। আহা, গ্রে-মেটার আর ইয়েলো মেটার জড়াজড়ি হয়ে থাকাটা ভাল দেখায় না।

এদের এমন নমুনার সংখ্যা লক্ষ-লক্ষ! নমুনা হিসাবে একটা উদাহরণ দেই:

'এই নিন', বলে তিনি আমাদের হাতে যে লেখাটা ধরিয়ে দিয়েছেন ওখানে আবার ঘটা করে বলেছেন: 

'আমি ইংল্যান্ডে পড়েছি, সুইডেনে পড়েছি। অক্সফোর্ড, হার্ভার্ডে পড়েছি...'।

বেশ-বেশ! এটা আমরা আপনার লেখায় অনেকবার পড়ে ফেলেছি। কারণ সুযোগ পেলেই এটা ঘটা করে জানিয়ে দেন। এতে অবশ্য সমস্যা নেই। আমাদের জেনে ভাল লাগে, লাগতেই থাকে...!

তো, ড. আমিনুল ইসলাম নামের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক, এই ভদ্রলোক এস্তোনিয়ানের কোন-এক ইউনিভার্সিটিতে পড়ান। এটা আমাদের জন্য অবশ্যই গর্বের। সত্যি-সত্যি, শপথ আমার লেখালেখির।

এই মানুষটাকে নিয়ে লিখছি ভয়ে-ভয়ে কারণ একে তো ওঁর আছে বিরাট ফ্যান-ফলোয়ার বাহিনী তার উপর আরেক কাহিনী! ভদ্রলোকের হাতের মুঠোয় দেশের সমস্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন। আপাতত আমাদের দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে কোন কাজ নাই! এদের একটাই কাজ ল্যাপটপ-ট্যাব-সেল ফোন হাতে নিয়ে বসে থাকা আর আমিনুল স্যারের লেখার অপেক্ষা করা ।

আমিনুল ইসলাম স্যার 'মাসুক নানা'-কুয়াশা-কিরিটির কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর-পরই এফবি ওরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখা প্রসব করা মাত্রই আইনের লোকজনেরা দুষ্টদেরকে পাকড়াও করে ফেলেন। যার চালু নাম গ্রেফতার! নমুনা:

'এই নিন',
বলে তিনি আরেকটা ভেরি-ভেরি গোপন তথ্য সফটওয়ারের 'নরোমতারের' ঢেলে 'ছৌছাল মিডিয়ায়' জানাচ্ছেন। তিনি জানাবার আগ-পর্যন্ত কিন্তু এই গ্রহের কেউ কিসসু জানে না! সাংবাদিকরা তখন কুহুতুর পর্বতে ব্লাডার খালি করতে গিয়েছিল। ফিরে এসে দেখে স্যার আমিনুল কাজ সেরে ফেলেছেন! সাংবাদিক বেচারারা কেঁদে-কেঁদে অন্তর্বাস ভিজিয়ে ফেলল, দুঃখে! তো, এখানে আমিনুল স্যার জানাচ্ছেন:
সকালে আমি পোস্ট দেয়ার পর বিসিএস প্রশ্ন ফাঁসের আলোচিত ড্রাইভার এবং তার ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ... 
অ আল্লা, কী সর্বনাশ-কী সর্বনাশ! স্যার পোস্ট দিলেই লোকজন গ্রেফতার হয়ে যায়! আমিনুল স্যারের ক্ষমতা দেখে ভয়ে আমার এক চোখে অনল অন্য চোখে জল চলে আসল।
 
ইয়ে, সোশ্যাল মিডিয়া লোকজনকে কেমন নির্বোধ বানায় এর আরেকটা উদাহরণ:
স্যার বলছেন, 'আমাদের এই ছবিটা বেশ ভাইরাল হয়েছে। তাই ভাবলাম আবার দেই...'! ভাল, এই
রকম পারিবারিক ছবি বেশি-বেশি করে দেন। 'বেশ ভাইরাল' থেকে ফুল ভাইরাল হওয়ার পর আবারও দেবেন চরম ভাইরাল হওয়ার জন্য। কাজটা করে যাবেন, প্লিজ, বারংবার...!
 
 
এখানে স্যার উষ্মা প্রকাশ করছেন, 'সে কবে তো লেখক হলো? তার কি কোন লেখা প্রকাশিত হয়েছে? ...এতে আমাদের মত লেখকদের অপমান করা হয়'। 
স্যার, আপনাদের মত লেখক? কারা এরা? যাদের হাতে ছ-টা আঙ্গুল থাকে! 
 
নাকি আপনার মত লেখক কাম গায়ক যারা! যখন-তখন একটা গিটার বা ইউকুলেলে নিয়ে 'হান্ড্রেড মাইলস' গেয়ে আরেক ডক্টর মাহফুজুর রহমানকে ছাড়িয়ে যান!
থ্যাংক ইউ, স্যার। আপনার মত লোকজনের জন্য বাংলা ভাষায় চালু বাক্যগুলো হলো, 'বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি', বা 'অল্প জলে সফরী ফরফরায়তে',  আবার গ্রামে চালু আছে, 'দারোগার নাইয়ের মাঝির শালা'...। আমি আমারটা বলি, এক কাপ চায়ে...! 
 
ঋণ: স্ক্রিণশটগুলো নেওয়া হয়েছে ড. আমিনুল ইসলামের ফেসবুক পেজ থেকে। গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।

Wednesday, July 3, 2024

বিহঙ্গ হয়েছে অন্ধ, বন্ধ করেছে পাখা

লেখক: Najmul Albab Opu
"চল্লিশ পেরুলে বয়েস পরস্পরের আলাপের বিষয় হয় ওষুধের তালিকা। কোন কবি বলেছিলেন এই কথা? কোন কবিতায় আছে এই কথা? নাকি কোন গদ্যে?
কথাটা মিথ্যে নয়। নির্দিষ্ট বয়েস পেরুলে পরে বন্ধুদের আলাপেও ঢুকে পড়ে সাম্প্রতিক স্বাস্থ্যবার্তা। আমরা সিনেমা নিয়া কথা বলি। তত্ত্ব বা তথ্য থাকে না সেখানে। নিজেদের মধ্যে কার হৃদয়ে ছুরি চিকিৎসা হলো তার গল্প করতে করতে মান্নাদা বলে, সিনেমাটা খারাপ না। দেখতে পারিস।
আমরা তরল সিনেমার তালিকা করতে থাকি। কঠিন বাস্তবতার গল্পগুলো এড়িয়ে যাবার পদ্ধতি নিয়ে আলাপ করি। এ এক প্রাত্যহিক গল্প বলা। সিনেমার দৃশ্যান্তরে ধারাবাহিকতা নিয়ে আলাপ হয়। গল্পের সময়কাল নিয়ে চিন্তা না করা পরিচালককে আমরা গাধা নাম দেই। মান্নাদা বলে, তুই যেমন ভাবছিস, তেমন না আসলে। অন্ধ একটা মানুষ এই সমাজে যেমন অবিচারের শিকার হয়, তেমন না, বরং প্রতিশোধ নিতে পারার এক সুপারম্যানিয় ঘটনা। সিনেমাটা সিনেমাই। অন্যকিছু না।
 
কম টাকায় তৈরি হওয়া সিনেমার তালিকা করি আমরা। ভালো সিনেমার জন্য টাকা কোন বিষয় না। কম টাকা দিয়ে বিস্তর ভালো সিনেমা তৈরি হয়েছে। অন্ধ হলেই বিহঙ্গ পাখা বন্ধ করে না, সিনেমাটা সেই সূত্রেই হয়তো তৈরি। কিন্তু হিন্দিওয়ালারা রবীন্দ্রনাথ কেনো পড়বে? হয়তো কোন কোরিয়ান সিনেমার নকল! বোম্বে শুধু হলিউড থেকেই নকল করে না, আরো আরো দেশ থেকেও চুরি করে। ফারুকীকে নিয়ে কথা উঠলেই আমরা হাসাহাসি করি। কিন্তু সেতো দেশের বড় পরিচালক। আমরা কী? আমরা কেউ না। আমরা রাজা উজির মারা আম পাব্লিক, যাদের সাথে রাজার দুরে থাক উজিরেরও কখনো দেখা হয়না। অথচ আমরা রাজা উজির মারি সর্বদা। মানুষ হিসেবে আমরা ক্ষুদ্র। আমাদের আনন্দ জমা হয় টিভির পর্দায়, মোবাইলের স্ক্রিনে। সিনেমার বাড়ি এখন ওটিপি প্লাটফর্মে।
আমাদের বয়েস চল্লিশ পেরিয়েছে। আমাদের শরীরে বাসা বেঁধেছে চর্বিযুক্ত শর্করা! নাকী শর্করা যুক্ত চর্বি? কোনকালেই আমি বিজ্ঞানের সন্তান নই, আমি জানিনা শরীরের কলকব্জা। ক্লাস নাইনে সাইদুর রহমান স্যার বলেন, সাইন্স নেরে নজমুল।
আমি বলি, না স্যার, মাথায় কুলাইত নায়।
 
আমি পরিবেশ পরিচিতি সমাজে মন দিয়েছিলাম। আমাদের সিনেমাও সর্বদাই সামাজিক। সামাজিক এ্যাকশন... এই সমাজ এ্যাকশন ভালোবাসে। অথচ আক্রান্ত হৃদয় নজমুল আলবাবরা সেসবে নিজের ভূমিকায় ঠিকঠাক অভিনয় করতে পারেনা। না পারার বেদনায় অক্ষম আক্রোশে কাঁপতে থাকে। রক্তের চাপ উর্ধ্বমুখী হয়। হাতে বাঁধা ছোট কাঁচে ভালোবাসার চিহ্ন ভেসে উঠে, মিলিয়ে যায়, বিপ শব্দ হয়। আমাদের আঁকাআকির ক্লাসে একজন দু'জন ছিলো শুধু ভালো আঁকতে পারতো। বাকিরা লবডঙ্কা। অথচ সবাই আমরা পানপাতা আঁকতে পারতাম।
 
আমরা ইঁচড়েপাকা ছিলাম। আমরা লাল রঙ দিয়ে লাভ সাইন আঁকতাম। আমাদের পছন্দের সিনেমা ছিলো চাঁদনি। শাবনাজ নাঈমের। আমরা তরল ছিলাম। তারপর আমাদের গোঁফ গজালো। আমরা ক্রমেই ভাব নিতে শিখলাম। আমরা মোটা-মোটা বই আর ভারিক্কি সিনেমা দেখতে শুরু করলাম। আমাদের কেউ-কেউ চশমার মালিক হলাম। অথচ এখন সেইসব সিনেমা থেকে আমরা পালিয়ে বেড়াই।
 
আমরা আবার তরল হয়ে 'পুষ্পা' দেখি... 'ঝুঁকেগা নেহি, সালা'! কিন্তু আমরা ঠিকই ঝুঁকে গেছি প্রত্যেকে। আমাদের মেরুদণ্ড ক্রমেই ভঙ্গুর হয়ে উঠেছে। সিনেমার বিবরণ পড়ি। মেরুদণ্ডে শিরশির হতে পারে এমন কোন উপাদান আছে কীনা সেটা দেখি। অকেজো হতে চলা হৃদয়ে ঠিক কোন প্রতিক্রিয়া হবে তার হিসাব নিই। আরো নিশ্চিত হতে দেখি ট্রেলার। নড়াইলের বিবরণ পড়ে বুঝি এই দৃশ্যকল্প আমার জন্য নয়। তারপরও ট্রেলার দেখা হয়ে যায়। নিঃশ্বাস ভারী হয়। পরিবেশ অপরিচিত সমাজ আমাকে থাপড়া দেয়। দিতেই থাকে। আমার গলায় ঝুলতে থাকে জুতোর মালা। আমার মাথায় কেউ ঢেলে দেয় ময়লার ভাগাড়...আমাদের বিহঙ্গ অন্ধ, বন্ধ করেছে পাখা। আমরা উড়তে পারিনা।
নায়ক অন্ধ হলেও লড়াই করতে পারে, কারণ সেটা সিনেমা। পরিবেশ অপরিচিত পঁচা গলা সমাজ বিজ্ঞানে দুর্বলেরা কিছুই পারেনা। আমাদের জীবন বাঁধা পড়েছে নিয়মে। আমরা দেখি তরল সিনেমা।"
_____________
জুন ২৪, ২০২২
লেখক: Najmul Albab Opu

Saturday, June 1, 2024

দেবরাজ ইন্দ্র, সতী অহল্যা এবং একজন মাতুব্বর!

আরজ আলী মাতুব্বরের এই বইটি অনেক আগে পড়েছিলাম। ওখানে দেবরাজ ইন্দ্রকে নিয়ে একটা প্রসঙ্গ আছে। এটা এখানেই আমি প্রথম জানতে পাই! কোন-এক কারণে যখন বইটা আবারও পড়ছি তখন একটা ছোট্ট খটকা লেগেছে তিনি যে এটার উল্লেখ করলেন এর সূত্র কি? অন্য প্রসঙ্গে দিলেও তিনি এটায় কোন প্রকার রেফারেন্স দেননি! দেয়াটা অবশ্য প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ওই সময় সীমাহীন সীমাবদ্ধতার মধ্যে এই লেখক মানুষটা যা করে দেখিয়েছেন তা প্রায় অসাধ্য এক কাজ! কাউকে আহত করার জন্য না কেবল তিনি একের-পর-এক প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন। পারলে আপনি উত্তর দিন, সমস্যা তো নেই।

কিন্তু আরজ আলীর সেই সময় এখন আর নাই। এখনকার এই প্রজন্মের অনেকে প্রচুর পড়াশোনা করেন। ব্লগস্ফিয়ারে বা অনলাইনে ভুলভাল বলে পার পাওয়ার কোন সুযোগ নাই। এখানে লিখে আমি ভয়ে কাঠ হয়ে থাকি এইরে, কেউ-একজন ক্যাঁক করে ধরে ফেলল! অবশ্য কেউ ভুল ধরিয়ে দিলে লজ্জিত হই এবং কৃতজ্ঞও হই। তো, রেফারেন্স আমার খুব প্রয়োজন বিধায় তালাশের শুরু...।

আরজ আলী মাতুব্বর রচনা সমগ্র-১, পৃ:১৫৬ প্রকাশক: পাঠক সমাবেশ

এমনিতে আরজ আলী মানুষটাকে আমি যতটা পড়েছি বা জেনেছি আমার দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছে তিনি স্বঘোষিত নাস্তিক ছিলেন এ সত্য কিন্তু ধর্মবিদ্বেষী ছিলেন না। আমাদের অনেকের কাছেই এটা পরিষ্কার না যে নাস্তিকতা আর ধর্মবিদ্বেষ এই দুইটা বিষয় এক না। আমি অনেককেই দেখেছি এরা বিশেষ কোন একটা ধর্মকে টার্গেট করেন এবং অনবরত সেই ধর্মের বিশ্বাসীকে অহেতুক খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করেন। কাজটা অনেকটা ইচ্ছাকৃত এবং এতে তার ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, এ অন্যায়। আপনি যেমন একজনের মাকে নিয়ে কুৎসিত কথা বলতে পারেন না তেমনি মনগড়া কথা বলে কারও ধর্মবিশ্বাসকে আহত করতে পারেন না! আরজ আলী মাতুব্বরকে আমি যতটুকু পড়েছি বানোয়াট কোন প্রসঙ্গের অবতারণা করতে দেখিনি! বা বিশেষ কোন ধর্মকে খাটো করার চেষ্টাও ছিল না। কিন্তু ওই যে বললাম সূত্রটা জরুরি।

আমার এক উপন্যাসে কাহিনীর প্রয়োজনে মহাপাতকের উল্লেখ ছিল। কী কী করলে একজন মহাপাতক হয়? এক, ব্রহ্মহত্যা। দুই ব্রহ্মস্বাপহরণ। তিন, সুরাপান। চার, গুরুপত্মীহরণ। পাঁচ, মহাপাতকী সংসর্গ। উপন্যাসের ওই চরিত্রের কাছে 'গুরুপত্মীহরণ' গুরুতর মনে হয়েছিল।

আলোচ্য বিষয়ে ইন্দ্র গুরুপত্মী অহল্যার সতীত্ব নষ্ট করেন এবং গুরু ঋষি গৌতমের শাপগ্রস্ত হন। হিন্দু ধর্মে অহল্যাকে খুবই সম্মানের চোখে দেখা হয় কারণ পঞ্চকন্যার (পাঁচ আদর্শ সতী) অহল্যাকে প্রথমা মনে করা হয়। হিন্দু ধর্মমতে, এই 'পঞ্চকন্যার' নাম আবৃত্তি করলে পাপস্খালন ঘটে।

যাই হোক,  রামায়নে দেবরাজ ইন্দ্রের এই প্রসঙ্গ পাওয়া গেল অন্য প্রকারে। অবশেষে সোমদেব ভট্ট রচিত 'কথাসরিৎসাগর'-এ এর রেফারেন্স মিলল। এই কথাসরিৎসাগর অনুবাদ করেছিলেন শ্রীহিরেন্দ্রলাল বিশ্বাস। অনুবাদটির প্রথম সংস্করণ ছাপা হয়েছিল ১৯৫৭ সালে এবং প্রকাশিত হয়েছিল অ্যাকাডেমিক পাবলিশার্স ৫এ ভবানী দত্ত লেন, কলিকাতা ৭ থেকে।

কথাসরিৎসাগর, প্রথম খন্ড। পৃ: ১৪৮

এখানে উল্লেখ আছে, ঋষি গৌতম অহল্যাকেও শাপ দিয়েছিলেন সেটা ভিন্ন প্রসংগ কিন্তু ইন্দ্রকে যেটা বলেছিলেন:

"...সঙ্গে সঙ্গে গৌতম ইন্দ্রদেবকেও এই শাপ দিলেন, তুই যে স্ত্রী অঙ্গ অভিলাষ করিয়াছিলি তোর সমস্ত দেহ তাহার আকৃতিতে পূর্ণ হইবে... ইন্দ্রের দেহ তৎক্ষণাৎ হীন চিহ্নে আবৃত হইল কারণ দুশ্চরিত্রের অবমাননাকর অবস্থা কেন না হইবে (১৩৩-১৪৭)..."।

Wednesday, May 15, 2024

অমানুষ এবং এক বস্তা...!

লেখক: ওয়ালিদ ইসলাম, Oalid Islam (লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)
ওয়ালিদ ইসলাম
"
আমি যেহেতু খুব আশাবাদী একজন মানুষ তাই নিজেকে কখনো ভিক্টিম ভাবি না বা ভিক্টিম সাজতে নিতান্তই অপছন্দ করি। কিন্তু গত ১০ জানুয়ারি আমার লৈঙ্গিক পরিচয় প্রকাশ করার পর থেকে যে বিষয়গুলোর মুখোমুখি হয়েছি তার সামান্য চিত্র একটু তুলে ধরি: 
১. অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি যে, ছেলেদের সাথে এতো ঢলাঢলি কিসের যা আমার বা আমাকে নিয়ে করা বিভিন্ন জনের পোস্টের মন্তব্যে গেলেই বুঝতে পারবেন। আমারও প্রশ্ন জাগে আমি ঢলাঢলি করার জন্য মেয়ে বা তৃতীয় লিঙ্গের কাউকে কোথায় পাবো!
২. বিবিসির করা সংবাদের মন্তব্যে দেশে গেলে গণপিটুনি দিয়ে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়েছে সরাসরি। তবুও দেশে গিয়েছি, দেশে ফিরবো এ আশাও রাখি।
৩. অনেক অপরিচিত হাটুর বয়সী জুনিয়র নির্ভয়ে তুমি/তুই সম্বোধন করে বন্ধু হওয়ার চেষ্টা করেছে এবং ফ্রড করার সহজ উপায় খুঁজেছে। এতোটা ব্যক্তিত্ত্বহীনঁএকজন মানুষকে কেন ভাবতে হবে?
৪. অনেক বন্ধু বা সম্মানিত সিনিয়র ফেসবুকে 'ক্লাসিফাইড ভিডিও' পাঠিয়েছেন যার কারণ আজও আমার বোধগম্য হয় না! এই বিকৃত রুচির মানুষেরা হয়তো ভেবেছেন পর্ণ দেখা আমার নেশা। আর তাদের পাঠানো পর্ণ দেখলেই হয়তো তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়বো।
৫. কেউ কেউ তার ইজ্জত-আব্রু উপেক্ষা করে তার যক্ষের ধনের ছবি পাঠাতে শুরু করেছে। বাবা, এতে কী ধরনের আনন্দ পাওয়া যায় আমি বুঝি না!
৬. অনেক স্নেহাশিস জুনিয়র আমার পেছনে-পেছনে এমন কিছু নোংরা মন্তব্য করে যা প্রায়ই আমার কান পর্যন্ত পৌছে যায়। যাই হোক, আমার সম্ভবত এতেই কৃতজ্ঞ থাকা উচিত এরা আমার সামনে তো আর করে না।
৭. ২০২০ সালে টাঙ্গাইলের রাস্তায় একটা অ্যাক্সিডেন্ট করি এবং ছোটভাই সুমন সেখানেই মারা যায়। আমরা বেঁচে থাকা তিন জন সেই ব্যথা বয়ে বেড়াচ্ছি। দেশে থাকলে সময় করে সুমনের কবরের পাশে গিয়ে বসে থাকতাম আর চিন্তা করতাম কবে আমিও ওর পাশে গিয়ে শায়িত হবো। কিন্তু এখন কাউকে না-জানিয়ে খুব ভোরে লুকিয়ে-লুকিয়ে ওর কবরের ওখানে যেতে হয়।
৮. আমার কাছের বন্ধু/জুনিয়র ছেলেগুলো যাদের সাথে সবসময়ই ওঠাবসা তাদেরকে নিয়ে তাদের বন্ধু-বান্ধবীদের হাসি-ঠাট্টার অন্ত নেই। যার একমাত্র কারণ হলাম আমি আর আমার সাথে তাদের সম্পর্ক।
৯. একটা সমাজসেবামূলক কাজে কয়েকজন জুনিয়রকে যুক্ত করা হলো। সেখানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব একজন ম্যাডাম তৃতীয় লিঙ্গের একজনকে যুক্ত করলেন। তাতে একজন জুনিয়র ম্যাডামকে উত্তর দিলেন যে, তৃতীয় লিঙ্গের ওই মানুষটাকে সাথে নিয়ে সে তার ক্যাম্পাসে গড়ে ওঠা ইমেজটার বারোটা বাজাতে চান না। চিন্তা করি, তার গড়ে তোলা ইমেজের ফুটেজ আমি কতোখানি নষ্ট করেছি।
১১. পজিটিভ/নেগেটিভ যাই হোক, অনেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জীবনধারার উপর থিসিস করতে চান এবং আমি কিভাবে সহায়তা করতে পারিেএই বিষয়ে!
১২. বলতে ঘৃণা লাগে একটা ট্রেনিং অর্গানাইজেশনে পুরোদস্তুর একটা ক্লাস নেয়া হয়েছিলো আমার উপরে। ট্রেনিংরত অবস্থায় বিভিন্ন মেইল পার্টিসিপ্যান্টের উপর নাকি আমার কুদৃষ্টি ছিলো এটা তারা আগেই লক্ষ্য করেছিলেন। অথচ, সেখানকার প্রতিটা পার্টিসিপ্যান্ট মেইল/ফিমেইল প্রত্যেকের সাথেই আমার স্নেহ/সম্মান ও শ্রদ্ধার সম্পর্ক ছিলো যা এখনো টিকে আছে।
১৩. সবচেয়ে অবাক করা বিষয় যেটি 'হিজড়া' আমাদের সমাজে একটি গালি। কিন্তু, আমার জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তন করতে গিয়ে দেখলাম অন্যান্য সব দেশের ন্যাশনাল আইডি সিস্টেমে যেরকম উল্লেখ থাকে 'মেইল/ফিমেইল/আদার' আমাদের সিস্টেমে সেটা নেই। আমাদের সিস্টেমে উল্লেখ 'মেইল/ফিমেইল/হিজড়া' যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু বা শ্রুতিকটু। তাই আমার জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তন করলেও পাসপোর্ট পরিবর্তন করতে সাহস পাচ্ছি না। কারণ, আমার ই-পাসপোর্টে তো এই গালিটারই উল্লেখ থাকবে!

আরও অনেক কিছুই ঘটে বা ঘটেছে যা উল্লেখ করতে রুচিতে বাধছে। আমি অত্যন্ত তুচ্ছ মানুষ। আমার সৌভাগ্য, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিয়োজিত আছি। এই আমাকে যদি এতো কিছুর সম্মুখীন হতে হয় তাহলে আপনি বা আপনারা একটু চিন্তা করে বলুন তো আপনারা তৃতীয় লিঙ্গের কমিউনিটিকে কোথায় পতিত করেছেন? এরপর যখন তারা বাচ্চা নাচিয়ে/রাস্তার মোড়ে মোড়ে টাকা তুলে জীবিকার পথ খুঁজবে আপনারাই চেঁচামেচি-হইচই করেন যে তারা উৎপাত করে, চাঁদাবাজী করে।

জন্মই যেন আমাদের আজন্ম পাপ, ধর্মই যেনো না-জায়েজ হিসেবে পৃথিবীতে পাঠিয়েছে এই কমিউনিটির মানুষগুলোকে।"

-লেখক: ওয়ালিদ ইসলাম, First Secretary at Bangladesh Embassy Tehran (https://www.facebook.com/oalid.islam)

...

আমার এই ওয়েবসাইট- ব্লগস্পট, ওয়েবসাইট এটা একটু জাঁক করে বলা! ২০০৭ সাল থেকে শুরু করা এটা আসলে এখন একটা প্রগৈতিহাসিক জিনিস! এফবি-টেফবির যুগে এই জিনিস এখন অচল। ব্লগস্ফিয়ারে এখন কার কাছে এত 'ফিযুল' সময় যে কোন নির্দিষ্ট একটা ওয়েবসাইটে গিয়ে ঢুঁ মারবে! পূর্বে 'ব্লগ-চলের' কারণে হয়তো এখানে কেমন-কেমন করে যেন ১৮ লাখের মত পড়ুয়াদের পড়া হয়ে গেছে!‍ এখন অবশ্য আমার এখানে খুব কমই লেখা হয়, কারণ...সে এক ইতিহাস। অল্প করে বলি, মাছের নাকি পচন শুরু হয় মাথা থেকে আর একজন লেখকের, লিখতে না পেরে! তো, আপাতত আমি এখন নিজেকে 'মৃতমানুষ' বলেই মনে করি!

যাই হোক, মূল প্রসঙ্গে আসি। কারও লেখা খুব ভাল লাগলে বা দরকারি মনে হলে আমি খুবই বিনয়ের সঙ্গে অনুমতি প্রার্থনা করি। লেখাটা এখানে পাবলিশ করার অনুমতির জন্য।  কখনও-কখনও আমার ভঙ্গিটা হয় অনেকটা ভিক্ষুকের মত। কেন আমার এই 'লালচি' আচরণ? এই সাইটের ভিউ বাড়াবার জন্য? আরে না, এখন পাঠক কোথায় যে ভিউ বাড়বে। লেখা চাইলে কেউ-কেউ সহৃদয়তার সঙ্গে অনুমতি দেন। অনেকে আবার দড়াম করে নাকের উপর দরোজা লাগিয়ে দেন। মানে না করে দেন। ভঙ্গিটা কর্কশ হলেও এতে আমার আহত হওয়ার কিছু নাই, ভিক্ষুক যে আমি। তো, ভাঙ্গা নাক খানিকটা সোজা হলে আমি আবারও কারও কাছে...! কেন রে বাবা, ভাঙ্গা নাক বা নেড়া আবারও বেলতলায়? কেন যায়!

আমার কাছে কেবলই মনে হয় আমরা তো আর 'পাইপমানুষ' না যে একজন মানুষের মুখে খাবার আর পেছনে ইয়ে নিয়ে একটা আস্ত পাইপ...। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আমরা কী কিছুই রেখে যাব না! ধরুন, এফবি টাইপের কোন-এক সোশ্যাল মিডিয়ার 'তারতুরে' আগুন ধরে রাতারাতি সব লেখা উধাও বা আমার এই সাইটের তারগুলো সব উইপোকা খেয়ে ফেলল? হতে পারে না এমনটা, বেশ পারে। তো, আমার মতে দরকারি তথ্য-লেখা যতটা ছড়িয়ে রাখা যায়।

জনাব, ওয়ালিদ ইসলামের এই লেখাটা যখন পড়া শুরু করলাম আমার খুব কাছ থেকে ছুরি খাওয়ার অভিজ্ঞতা হলো। ক্রমশ মনে হলো গা থেকে একেক করে কাপড় খসে পড়ছে। হা ঈশ্বর, এক চিলতে কাপড়ের যে বড় প্রয়োজন!

এ এক বিচিত্র দেশ! কারও মধ্যে খানিকটা অসঙ্গতি বা কেউ খানিকটা অন্য রকম হলেই আমরা অবলীলায় পাগল বলি। বেদম হাসাহাসি করি। সাইকিয়াট্রিস্টকে বলি, পাগলের ডাক্তার! এমন নৃশংস আচরণ এই গ্রহের আর কোথাও পাবেন না। শিক্ষিত লোক, লেখক-কবি-শিল্পী এই দোষে দুষ্ট। আমি নিজেও!

পুতুপুতু কথা অনেক হলো এবার একটু কঠিন করে বলি। স্যার, আপনাকে বলছি, যারা ওয়ালিদ ইসলামের মত কাউকে নিয়ে ট্রল করেন, হাসাহাসি করেন। ওয়ালিদ ইসলামের মত কারও হলুদ পোশাক নিয়ে বা অন্য কারও টুথব্রাশ গোঁফ নিয়ে কথা বলেন এটা সমীচীন না তবুও... আমরা উদাসিন ভঙ্গিতে না-দেখার ভান করব। 

কিন্তু, যেটাতে আমার হাত নাই তা নিয়ে আপনি বলার কে হে? আপনি, আপনার বাবা মিলে আজ পর্যন্ত একটা কোষ বানাতে পারলেন না! নিজের জন্মের সময় আপনি বা আপনার বাবা হাত দুইটার জায়গায় তিনটা বা ঠ্যাং দুইটার জায়গায় চারটা আনতে পারলেন না? আফসোস, আপনার নিজের জন্মটাই আটকাতে পারলেন না! মিয়া, আপনি রসের সাগর, তাহলে আপনার এত রস-রসিকতা আসে কোথা থেকে!

ডিয়ার রসিক স্যার, আপনি এই গ্রহের সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষ হলেও আপনার জন্য গুন্টার গ্রাসের কথা ধার করে বলি: 'আপনি এক বস্তা গু'! আর আমার এক পাঠকের কথাও এখানে যুক্ত করতে চাই, ইয়ে ফেটে না-গেলে আপনার জন্মটা আটকানো যেত! আহা, বেচারা এই গ্রহ আপনার ভার সয় কেমন করে...!                 

Saturday, April 27, 2024

HENRIK IBSEN-এর ROSMERSHOLM!

হেনরিক ইবসেনের 'রোজমারশোম'-এ অতি অল্প চরিত্র:

1. JOHANNES ROSMER, owner of Rosmersholm, a retired minister.

2. REBECCA WEST, companion of the late Mrs. Rosmer and still living at Rosmersholm.

3. RECTOR KROLL, ROSMER's brother-in-law.

4. ULRIC BRENDEL.

5. PETER MORTENSGÅRD.

6. MRS. HELSETH, housekeeper at Rosmersholm.

কিছু বই পড়ে আমার মত তুচ্ছ পাঠক বোঝার চেষ্টা করি এটা নিয়ে এমন মাতামাতি হওয়ার কারণ কী! ইবসেনের 'রোজমারশোম' না-পড়লে বুকের ভেতর থেকে একটা হাহাকার বের হয়ে আসবে, কেন? ওই সময়ের প্রক্ষাপটে এর হয়তো বিপুল আবেদন থাকতে পারে কিন্তু যুগের-পর-যুগ ধরে এই আবেদনের জোয়াল বইতে হবে, কেন? লেখাটা ইবসেনের বলে! 

সে কথা বললে আমি তো বলব ইবসেনের 'An enemy of the people' একটা মাস্টারপিস! অসাধারণ ১০০ বইয়ের তালিকা করলে এটাকে আমি তালিকায় রাখব, ১০টা বইয়ের তালিকায়ও রাখব চোখ বন্ধ করে। আমার তো মনে হয় ইবসেন 'An enemy of the people' লিখে আর একটা শব্দ না-লিখলেও সমস্যা ছিল না। তিনি অমর হয়ে থাকতেন। কী অসাধারণ কাজ-কী অসাধারণ ভাবনা! ভাবা যায়, এই গ্রহের কোন-একটা পবিত্র স্থানের অতি পবিত্র পানীয় জল দূষিত...?

যাই হোক, 'রোজমারশোম' আমার মত বেকুব পাঠকের খুব একটা হজম হলো না। কেবল, কেবল শেষ অংশটা দমকা বাতাসের ন্যায় ছুঁয়ে গেল। রেবেকা এবং রোজমারের বিদায় বেলার (আত্মহত্যা) সংলাপ:

"... REBECCA. Only as far as the bridge.

ROSMER. And over it too. I will go with you as far as you go For now I dare do it.

REBECCA. Are you so infallibly sure that this road is the best for you?

ROSMER. It is the only one. I know that.

REBECCA. And, if you are deceiving yourself about it ? If it is all a mistake? One of the white horses of Rosmersholm?

ROSMER. Let it be so. We cannot escape them—we at the manor.

REBECCA. Then stay behind, Johannes.

ROSMER. The husband must go with his wife, as the wife with her husband.

REBECCA. Yes, but first tell me this. Are you going with me, or am I going with you?

ROSMER. We shall never solve that question.

REBECCA. And yet I fain would know.

ROSMER. We follow one another, Rebecca. I thee and thou me.

REBECCA. And thus it is well.

ROSMER. For we are now one.

REBECCA. Yes. We are now one. Come! We will go cheerfully..."

-(ROSMERSHOLM p:107, By HENRIK IBSEN TRANSLATED BY M. CARMICHAEL)

Thursday, April 25, 2024

ফেরা...

লেখক: Badsha Khaled Apu https://www.facebook.com/khaled.h.apu (লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)

"'ইউ-এস বাংলার' চেয়ে বিমানের টিকেট ছয় হাজার টাকা বেশী দিয়ে কেনার পর যখন ফ্লাইট পাঁচ ঘন্টা ডিলে হয় এবং চোখের সামনে দিয়ে 'ইউ-এস বাংলার' যাত্রীরা ঢং-ঢাং করতে করতে চলে যায় (তারা স্বাভাবিক ভাবেই যাচ্ছিল, আমার কাছে ঢং ঢাং লাগছিল আর কি!) তখন মেজাজ যতটুকু খারাপ হবার কথা, আমার মেজাজ ঠিক ততটুকুই খারাপ হয়েছে।

Wednesday, April 3, 2024

ডিয়ার মামুনুর রশীদ, আপনার 'মননের দুর্ভিক্ষ'!

মামুনুর রশীদ 'রুচির দুর্ভিক্ষ' নিয়ে যে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা চালু ভাষায় 'ভাইরাল' হয়ে গেছে। এই যে ভাইরাল জিনিসটা বাজারে চালু হলো এটাও এক প্রকারের রুচির দুর্ভিক্ষ!

Sunday, March 24, 2024

একজন 'মহা-লেখক' এবং আমার শপথ!

এ সত্য, আমার সমস্ত জীবনে অন-লাইন মিডিয়ার মিলিয়ন-মিলিয়ন শব্দের মধ্যে প্রিন্ট মিডিয়ায় লক্ষ-লক্ষ শব্দ ছাপা হয়েছে কিন্তু এখনও আমি নিজেকে লেখক বলে দাবী করি না। কারণ যে জিনিস আমার না তা আমি দাবী করব কেমন করে! কে লেখক কে লেখক না এটা ঠিক করেন পাঠক। পাঠককে খাটো করে দেখার কোন অবকাশ নাই কারণ একজন পরিণত পাঠক তাঁর গ্রে-মেটার ফ্লাওয়ার ভাসে রেখে কোন লেখকের লেখা পাঠ করতে বসেন না। এরা একেকটা ক্ষুরধার ব্রেন...!

Tuesday, December 12, 2023

বেলা বয়ে যায়-পাঠ রয়ে যায়!

মেঘে মেঘে বেলা বয়ে যায়- বুকের গভীর থেকে বেদনা পাক খেয়ে উঠে, আহারে-আহারে, জাগতিক সব বেদনা এক পাশে সরিয়ে কেবল তিনটা কাজ করলাম না কেন?! পড়া-পড়া আর পড়া, এই...! দেখো দিকি কান্ড, হাজার-লক্ষ বই এখনও পড়ার বাকী- কিছুই তো পড়ার সুযোগ হল না। মানুষের জন্য ৩০০-৪০০ বছর কচ্ছপের আয়ু পাওয়াটা ভয়াবহ এক ব্যাপার কিন্তু বই পড়া কেবল এই একটা কারণে সেই ভয়াবহ ব্যাপারটাই এক তুলতুলে আরাম হয়ে যায়!

Thursday, August 17, 2023

পছন্দের ১০টি বই!

ছবিস্বত্ব: লেখক

লেখক, হিমাংশু কর (https://www.facebook.com/himangsu.kar)

"ইউরোপ আর এশিয়ার মাঝামাঝি রয়েছে বিশাল এক ঘাসি জমি। এই অঞ্চলটাকে বলা হয় স্তেপ। শুধুমাত্র নদীর পাড়গুলো ছাড়া এই বিশাল অঞ্চলে বড় কোন গাছ নেই।

Wednesday, June 7, 2023

ইলন মাস্কের গুইট-গুইট!

আমি পূর্বের এক লেখায় লিখেছিলাম, ইলন মাস্ক এই গ্রহের কেউ না। মানুষটা কিছুতেই হাল ছেড়ে দেন না! এটা এখনও বলি, তবে...! আমি আমার মোটা বুদ্ধিতে জ্ঞান বলতে বুঝি একটা সরল রেখা। একজন শিখতে থাকবে, শিখতেই থাকবে, থামাথামি নাই- নাথিং গনা স্টপ। যখন ভাবে শেখা শেষ তখন সেই সরল রেখা আর সরল থাকে না বৃত্ত হয়ে পড়ে। তখন কেবল একটাই কাজ বৃত্তে ঘুরপাক খাওয়া। কেউ এই গ্রহের সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষটাও কলুর বলদের মত ঘুরপাক খায়।

Friday, February 3, 2023

Saturday, October 22, 2022

একজন মাহমুদুল হাসান সোহাগ এবং ...!

 লেখক: আনসারি তৌফিক

" রকমারি প্রতিষ্ঠাতা, বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী, এসএসসি ও এইচএসসি-তে ঢাকা বোর্ডে স্ট্যান্ড করা ছাত্র, মাহমুদুল হাসান সোহাগ সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিন নাস্তিক ছিলেন। তারপর নাস্তিক থেকে এখন আস্তিক হয়েছেন। ব্যক্তি-মানুষের স্বাধীন চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দৃষ্টান্ত হিসেবে খুবই চমৎকার ব্যাপার এটি। কে আস্তিক হবে, নাস্তিক হবে, সেটি তার তার ব্যক্তি বিবেচনা।

Sunday, October 2, 2022

এক Attention Seeker পিনাকি ভট্টা...

পিনাকিকে নিয়ে লেখা ক্রমশ শব্দের অপচয় মনে হচ্ছে কারণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে গিয়ে কেউ নাঙ্গাপাঙ্গা হলে তো সমস্যা। তাই তাকে নিয়ে লেখা 'হুজ্জতে সমস্যা'! পূর্বের এক লেখায় [] শিক্ষককে নিয়ে লিখতে গিয়ে কাপড়ের সঙ্গে পিনাকীর চামড়াও খসে পড়ার কারণে  'হলুদাভ পদার্থ' উম্মুক্ত হয়ে পড়েছিল। ওয়াক...!

Friday, September 30, 2022

সাম্বা-ধিক!

 

লেখক: Anupam Shaikat Shanto (https://www.facebook.com/anupam.shanto)

 "আমাদের হরেক রকম টিভি চ্যানেল আমাদের সাফ জয়ী কন্যাদের লাইন দিয়ে ডাকছে। সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। সেখানে এই বাচ্চামেয়েদের হরেক কিসিমের প্রশ্ন করছে। সবচেয়ে বেশি কিম্ভুত প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে সানজিদা। তার কিছু নমুনা:

Saturday, September 10, 2022

এক ব্ল্যাকহোল-কৃষ্ণগহ্বরের বিদায় এবং একালের দাস-সেকালের দাস!

বৃটেনের রানি মারা গেছেন। মারা যাওয়ার সময় লুট করে নিয়ে যাওয়া কোহিনুর তার মাথায় ছিল কিনা সেটা জানা যায়নি। জানা গেলে ভাল হত। কারণ কোন জাঁকালো অনুষ্ঠানে রাজমুকুটে সগর্বে এটা পরা হয়। বিদায়অনুষ্ঠানেও চোরের মার গলায় চুরির জিনিস থাকাটাই সমীচীন!  

Thursday, September 8, 2022

'ল্যাকক': ৫

ইমদাদুল হক মিলন নামের মানুষটা ভাল লেখক কিনা জানি না কিন্তু মন্দ একজন ঢুলি এটা বিলক্ষণ জানি! সেই টাইপ ঢুলি যারা ঢোল বাজিয়ে ঢোল ফাটিয়ে ফেলে। ঢোল বাজাবার নমুনা। তিনি যে পত্রিকায় চাকরি করতেন সেই পত্রিকায়ই লিখলেন [১]:
"...'ভালবাসার সুখ দুঃখ'...বইটি নিয়ে ক্রেজ সৃষ্টি হলো। এমনও দিন গেছে, আমাকে পুলিশ দিয়ে পাহারায় রাখতে হয়েছে। ...হাজার হাজার পাঠক লাইন দিয়ে বইটি কিনত। ...এমনকি ওই বইয়ের জন্য মেলায় মারামারি পর্যন্ত হয়েছে।...।" 

Monday, September 5, 2022

'ল্যাকক': ৪

আমি আমার সমস্ত জীবনে হাজার-হাজার বই পড়েছি যা অনেকের কাছে ঈর্ষনীয়। জ্ঞান অর্জন-টর্জন বুঝি না ক্ষিধা লাগলে যেমন খাবারের প্রয়োজন তেমনি অন্য-এক ক্ষিধার জন্য বই! কিন্তু এক বেদনা পাক খেয়ে উঠে এখনও এই গ্রহের লক্ষ-কোটি বই পড়া হয়নি অথচ মেঘে-মেঘে বেলা বয়ে যায়, মাঠে-মাঠে খেলা শেষ হয়ে যায়। সময় নাই রে, পাগলা- সময় নাই! কেবল এই একটা জায়গায় এসে মনে হয় কচ্ছপের মত দীর্ঘ বছর বাঁচলে মন্দ হত না।

Saturday, September 3, 2022

'ল্যাকক': ১

কারও-কারও ধারণা আমি এই-ওই ভাষা জানি। ভুল! আমি বাংলা ভাষাটাই ভাল জানি না! কেবল যে ভাষায় আমার মা কথা বলতেন সেই ভাষায় গুছিয়ে খানিকটা বলতে-লিখতে পারি।
আহা, তাই বলে লে-খক মমতা ব্যানার্জির ছড়া-কবিতার মর্ম অল্পও হলেও বুঝব না এমনটা নয়। আহ, মধু-মধু! কী অসাধারণ শব্দের ছন্দ! যেন একেকটা শব্দশেল! শব্দবোমা!! একের-পর-এক শব্দের বুনন, ভাবায়...! মননে ছন্দের-পর-ছন্দ পাক খেয়ে ওঠে। গোল হয়ে লাড্ডুর মত ঘুরপাক খায়...। এই যেমন 'আজব ছড়া' (মহা) গ্রন্হের ৩১ নম্বর পৃষ্ঠার :

Thursday, September 1, 2022

'ল্যাকক': ৩

'ল্যাকক' হওয়া [] বড় কষ্ট, জীবন নষ্ট! আহারে, কী যন্ত্রণাই না সইতে হয় হালের ল্যাককদের!

Saturday, August 27, 2022

লালন বেচারা মরে বেঁচে গেছেন!

লেখক: Rohit Hasan Kislu
"লালন ফকিরের নামে ২০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা হয়েছে। তার অপরাধ গুরুতর! তিনি নাকি বন্যপ্রাণীর অধিকার হরণ করে একটা গান লিখেছেন! এখন এই গান শুনে সাধারণ মানুষ উদ্বুদ্ধ হয়ে বন্যপ্রাণীর অধিকার হরণ করতে পারে! তাই এই ক্ষতিপূরণ মামলা!

Tuesday, August 23, 2022

একালের দাস!

লেখক: Muquit Mohammad

" ১.
রাষ্ট্রের উর্দি-পেটোয়াদের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে ধর্মঘট বন্ধ করে চা-বাগান শ্রমিকদের কাজে ফেরত যেতে বাধ্য করা হলো। এবং আর কখনো যেন এমন বেয়াদবি না-করে সেটার 'শিক্ষা' হিসেবে আগের দিন ঘোষিত প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ টাকার উপহার সম্বলিত পঁচিশ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণাও বাতিল করে দেয়া হলো।

Sunday, August 21, 2022

চা বাগান এবং 'চা বাগানের বিচিত্র জীবন'!

চা-বাগানে গেছি ম্যানেজার সাহেবের আমন্ত্রণে। সাহেব কাকে বলে সেদিন দেখলাম। ম্যানেজার সাহেব তার সেলফোনটা খোঁজ করামাত্র বাংলোর কাজের লোক সেলফোনটা নিয়ে এসেছে পিরিচে করে! নত চোখে, বড় তমিজের সঙ্গে। আর বাংলো? বারান্দাটা হচ্ছে ছোটখাটো ফুটবল খেলার মাঠ। আমার সঙ্গে ফৌজি একজন ছিলেন তিনি আবার গলফ খেলার জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছিলেন। আমার মত আনাড়ির শেখার জন্য বারান্দায় খেলতে খুব একটা সমস্যা হচ্ছিল না। ডাইনিং টেবিলে ত্রিশ-বত্রিশ জন অনায়াসে খেতে পারবেন। তাও আবার দুইটা!

Thursday, August 11, 2022

ফাস্টিং!

"'দুই দিন ধরে কিচ্ছু খাই নাই, স্যার। কয়টা টেকা দেন'!

Wednesday, August 10, 2022

সন্দেশ!

লেখক: Sharif Hossen (লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)
"ওভারব্রিজ থেকে অনেকটা দূরে এক বৃদ্ধ বসেছিলেন। আমি ট্রেনের সময়ের খানিকটা আগে বিরামপুর স্টেশনের ওভারব্রিজটার উপরে এসে কেবল সিগারেট ঠোঁটে নিয়ে দিয়াশলাইর জন্য পকেটে হাত দিতে যাবো, ওমনি... বলা নেই কওয়া নেই, লোকটি ফস করে দিয়াশলাই জ্বালিয়ে হাত বাড়িয়ে আগুনটা এগিয়ে দিতে দিতে বললেন, 'নারিকেলবাড়িয়া যাতিছেন?'

Tuesday, August 9, 2022

'ল্যাকক': ২

বিভিন্ন পদের 'ল্যাকক' দেখি আর মুগ্ধ হই! ল্যাকক হওয়ার তরিকার শেষ নেই- আহারে, আহারে। এক জীবনে কত কিছু করতে হয়। অসম্ভব জনপ্রিয় লেখককেও সাক্ষাৎকারে বলতে হয়, আমি নিজের আনন্দের জন্য লিখি। তা বেশ তো, দেওয়ালে পা তুলে দিয়ে পায়ের সঙ্গে যুক্ত রেখে পেট ভাসিয়ে নিজের লেখা নিজে পড়লে হয়। তা না, বইমেলায় শত-শত ছোকরা-ছুকরিকে বাদ্যসহ নাচানাচি করাতে হয়। কী কষ্ট-কী কষ্ট! কষ্ট করে লেখো আবার ইয়েদের মত ইয়েটা মেলে দাও।

Thursday, August 4, 2022

বিদ্যুৎ জ্বালানি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য নিয়ে কিছু কথা।

লেখক: Arifuzzaman Tuhin (লেখকের অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)

"গত ২৫ জুলাই সমকাল রিপোর্টটিতে বলেছে, বিদ্যুৎ না কিনেই সরকারের খরচ ৯০ হাজার কোটি টাকা। গত নয় বছরে রেন্টাল ও আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ৯০ হাজার কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। সমকালের বক্তব্য, এই ৯০ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে সরকার কোনো বিদ্যুৎ কেনেনি।

Saturday, July 23, 2022

জাপানের লোডশেডিং।

লেখক: Ashir Ahmed (লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)
"জাপানে কি লোডশেডিং হয়? হয় না মানে! প্রতি মিনিটে মিনিটে হয়, আমার সবজান্তা বন্ধুর ঝটপট উত্তর। আমি ভাবলাম, ৩৩ বছর জাপানে আছি, মাত্র ৩ বার কারেন্ট যাবার কাহিনি দেখেছি। এসব সে কি বলে!

আমি নিশ্চিত সে অন্য কিছু বোঝাতে চায়। সে বললো, আগে দেখ লোডশেডিং এর মানে বুঝস কিনা। আমি ফেসবুকে সমস্ত বন্ধুদের জিজ্ঞাস করলাম। লোডশেডিং এর মানে কি, এটার বাংলা কি? কত সুন্দর-সুন্দর উত্তর।

Sunday, July 17, 2022

হাসিবোমা!

Moin Akter নাকি ২০১১ সালে মারা গেছেন। কে বলে মইন আক্তাররা মারা যান এরা কেবল পারফর্ম করা বন্ধ করে দেন! কেন? তাঁর খুশি! ২০১১, ২০২১, ২০৩১...এঁদের মৃত্যু নেই। মৃত্যু এদের গা ছুঁয়ে বলার সাহস পায় না, পাগল রে, তোকে ছুঁয়ে দিলাম।

Wednesday, July 13, 2022

James Webb Space Telescope!

আমার মত এক-চামুচ (চা’র চামচ) ঘিলুর লোকজনেরা কোন-এক বিশালত্ব বোঝাতে গিয়ে দু-দিকে দু-হাত ছড়িয়ে দেই। অকল্পনীয় বিশালতা বোঝাতে গিয়ে সেই ছড়ানো হাত আরেকটু পেছনে নিয়ে যাই। এই আমাদের দৌড়!

Monday, July 11, 2022

অদেখা স্বর্গ...!

লেখক: Symon Abdullah (লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)
"কাশ্মির বেড়ানোর প্ল্যান ছিলো ২০১৯ এ। ইন্ডিগো এয়ারের টিকেট কাটা ছিলো, শ্রীনগরে একরাতের জন্য হোটেলও বুক করেছিলাম। মোটামুটি ছক আঁকা ছিলো কোথায় বেড়াবো, কি করবো। সে সময়েই খবর এলো ৩৭০ ধারা রদের। সব ফ্লাইট ক্যান্সেল, কাশ্মির সবার জন্য নিষিদ্ধ! সেবার আর কাশ্মির যাওয়া হয়নি। ঘুরে এসেছিলাম শিমলা, মানালি। এরপর এলো করোনাকাল। ২ বছর সমস্ত ঘোরাঘুরি বন্ধ।

Wednesday, July 6, 2022

Ray Ban এবং একজন টম ক্রুজ!

লেখক: Syed Nazmus Sakib (লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)
"সূর্যের রশ্মি বা Ray কে যেন বিমানের পাইলটদের চোখে যাওয়ার আগেই আটকে ফেলা যায়, বা Ban করা যায়- সেই ধারণা থেকেই একটি সানগ্লাস কোম্পানি চালু হয় ১৯৩৭ সালে। নামটা ছিল কাজের মতই, শর্ট এন্ড সিম্পল, Ray Ban. কোম্পানির দুজন মালিক ছিলেন Bausch and Lomb. প্রথমে প্লাস্টিকের তৈরি আর সবুজ লেন্স থাকলেও, পরের বছরেই মেটালের সানগ্লাস তৈরি হয়।

Sunday, July 3, 2022

একজন জুতাবাবা এবং একজন 'দানব-পিনাকী'!

শপথ আমার লেখালেখির, শপথ আমার সন্তানের- 'জুতাবাবা' এই কথাটা লিখতে আমার বড় কষ্ট হচ্ছে, বড় কষ্ট! কিন্তু কেউ যখন তার বাপকে জুতা মারে, জুতা মেরে উল্লাস করে তখন সেই বাপকে 'জুতাবাবা' বলাটাই সমীচীন।

Monday, June 20, 2022

হাফ-কুকড ট্রুথ!

চমৎকার পর্যবেক্ষণ এবং অসাধারণ এই লেখাটি লিখেছেন লেখক। (এখানে লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)

Hasnath A Kalam (Suhan)

"ইন্টারনেটের হাফ-কুকড ট্রুথের জমানায় অনেক জিনিস ভাইরাল হয়, যা মূলত: পুরো সত্য জানলে অন্য অর্থ দাঁড়ায়। যেমন একটা হচ্ছে, বাবা দিবসে হুমায়ুন আহমেদের নামে। 'পৃথিবীতে অনেক খারাপ মানুষ আছে, কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নেই'। শুরুর দিকে কয়েক বছর বেদবাক্যের মতো এই উক্তি ওঁর নামে চালানো হয়েছে।

Wednesday, June 15, 2022

আ মরি বাংলা ভাষা, আ মরি মায়ের ভাষা!

ভিসি স্যারের হড়বড় করে বলা সব কথা আমি বুঝিনি। মূল কথা যেটা বোঝা গেল তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের র‌্যাংকিং নিয়ে তিনি কাতর না।

Saturday, June 11, 2022

সাহেব আসিলেন, বিনা পয়সায় ট্রেনে চড়িলেন, ৬ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ৬ সেকেন্ডে দেখিলেন!

২০১৬ সালে আখাউড়া-লাকসাম ডাবল লাইনের খরচ ধরা হয়েছিল ৬৫০০ কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নের তারিখ দেওয়া ছিল ২০২০ সালের জুন মাস। এখন ২০২২ সালের জুন মাস। অনায়াসে ২ বছর চলে গেছে কিন্তু এই কাজ এখনও চলমান। কবে নাগাদ শেষ হবে এটা আমরা প্রজাতন্ত্রের ট্যাক্সপেয়িরা জানি না বটে কিন্তু প্রজাতন্ত্রের বেতনভুক্ত কর্মচারিরা বিলক্ষণ জানবেন এমনটা আশা করাটা দোষের না। তবে অতীব আশার বিষয় হচ্ছে, আমাদের জীবদ্দশায় এর শেষ দেখে যেতে পারলেই আমরা খুশি!

Saturday, May 21, 2022

রে নচ্ছার, রে পাজি, রে...!

 


ঘটনাটা ভারতের দিল্লির। দিল্লির প্রতি আমার অন্য রকম মুগ্ধতা আছে। ওখানকার পুরনো স্থাপনা এক পাশে সরিয়ে রাখলেও উঠে আসে ক্যারিশম্যাটিক কেজরিওয়ালের কথা। এই আলোচনা অন্য কোন দিন।

Tuesday, May 17, 2022

অভিনন্দন বাংলাদেশ: এখন এটম বোমার অধিকারী!

বাংলাদেশ এখন পারমাণবিক অস্ত্র এটম বোমার অধিকারী। যারা পদ্মা সেতু নিয়ে লাফাচ্ছেন তারা এ সম্বন্ধে 'বে-খবর'! আমি পাশ্ববর্তী দেশগুলোর আতংক উপভোগ করছি। এরা এখন বুঝবে কত ধানে, না-না-না কত চালে কত ধান হয়! আমি আমাদের দেশের সরকারকে জোর অনুরোধ করব এঁরা অন্তত এখন যেন মাথা ঠান্ডা রাখেন কারণ ক্ষমতার একটা উত্তাপ আছে তাও আবার এটম বোমার মত একটা বড় পোটলা। পাশ্ববর্তী দেশগুলোর ভুলটুল যেন এখন ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা হয়। বড় ভাই সুলভ...।

Sunday, May 15, 2022

মিশরের সভ্যতা বনাম আমাদের অসভ্যতা!

হালে ৩০০০ বছর পুরনো মিশরের মমির গলার স্বর কেমন হতে পারে এর একটা নমুনা দাঁড় করিয়েছেন বিজ্ঞানিরা:

 

Wednesday, May 11, 2022

সূর্যের চেয়ে বালির...!

আমাদের দেশে সরি বলার চল কম আর রাজনীতিবিদদের বেলায় তো একেবারেই নৈব নৈব চ! 'আমার দেশ' বলতে বলতে এঁদের অভ্যাস খারাপ হয়ে যায় তখন সব কিছুই আমার রাস্তা, আমার ব্রিজ, আমার কালভার্ট ইত্যাদি। সেদিক দিয়ে আমি রেলমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই কারণ তিনি বিব্রত হয়ে প্রকারান্তরে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। নিজের জন্য না তাঁর স্বজনদের অপরাধের জন্য। কারণ তিনি এর দায় এড়াতে পারেন না:

Monday, April 25, 2022

আহা জীবন!

লেখক: Shawkat Ali

"১০০ মিলিয়ন শুক্রাণুর মধ্যে একটিমাত্র শুক্রাণু মানব ভ্রুণ জন্ম দিয়ে থাকে।

সাধারণত নয় মাস একজন মা শিশুকে গর্ভে ধারণ করেন। একটি ভ্রূণ থেকে পূর্ণাঙ্গ মানবশিশু হয়ে গর্ভে বেড়ে ওঠা একটি বিস্ময়কর ব্যাপার।

Wednesday, April 6, 2022

পায়ে লাগু...!

কিছু-কিছু মানুষ দেখে মনে হয়, আহা...। পায়ে লাগু। আ মিন পা ধরে সালাম করি। 

যেমন ধরা যাক, এই ভিডিওটি। এই ১৩ বছরের বাচ্চাটাটা... ভুল বললাম, আগুনের গোলাটা যে প্রকারে আগুন ধরিয়ে দিল এই আগুন চোখে দেখাও এক অমায়িক সুখ! দেখো দিকি কান্ড কেমন করে আবার বুক ঠুকে বলছে, আমি চামার:

Tuesday, March 8, 2022

আবার আসিব ফিরে...।

বেচারা শরীর! লাইনচ্যুত হল। একটা অস্ত্রাঘাত যার চালু নাম অপারেশনের প্রয়োজন হল। এখন কেউ যদি রসিকতা করেও বলে, 'কী মাঝি, ডরাইছ'? আমি সপাটে বলব, হ, ডরাইছি।

একজন জ্ঞানি মানুষ নাকি মৃতের জন্য শোক করেন না। একজন জ্ঞানি মানুষের কাছে মৃত্যু নাকি কেবল খোলস ত্যাগ করা। হবে হয়তো! আমি জ্ঞানি নই বলেই এ নিয়ম আমার বেলায় খাটে না। তাই আমি আমার মৃত মার জন্য হাহাকার করি, আপাতত জীবিত নিজের জন্য ভয় পাই।

Wednesday, February 2, 2022

একজন ওসি প্রদীপ হয়ে উঠার পেছনের মহান কুশীলবগণ...!

আসলে একজন ওসি প্রদীপ কেউ না, কিছু না []। ইমাজিন, একটা বিদেশী মিডিয়ার সঙ্গে নাকি ওসি প্রদীপের কানেকশন []! শবরি কলা মাখানো ফাঁসির দড়ির সাধ্য নেই যে নাগাল পাবে মিডিয়ার মায় আমাদের []। ওসি প্রদীপকে নিয়ে অসাধারণ এই লেখাটি লিখেছেন, Zia Hassan :
"বাংলাদেশ থেকে অনেকে সাংবাদিক এখন  উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশে যাচ্ছেন। আমি আশা করবো তাদের কেউ একটি পিএইচডি পর্যায়ে গবেষণা করবেন, কিভাবে ৪ই জানুয়ারি ২০১৯ এ টেকনাফ থানায় দায়িত্ব প্রাপ্ত হওয়ার পরে, ১৫০ জনের উপরে নাগরিককে  হত্যার রিপোর্ট বাংলাদেশের মিডিয়া এড়িয়ে গেছে! সুশীল সমাজের মাঝে  কোন সংবেদনশীলতা তৈরি করেনি  এবং ফাইনালি বাংলাদেশের এলিট শ্রেণির নাগরিক মেজর অবসরপ্রাপ্ত সিনহা হত্যার পরে ওসি প্রদীপের ম্যাসাকার  আলোচনায় এসেছে। 

Saturday, January 1, 2022

...পিকচার টেলস আ স্টোরি!

প্রত্যেক ছবির পেছনে একটা গল্প থাকে। আমার একটা লেখা ছিল, 'ছবির পেছনে গল্প' []। অসম্ভব স্রোতের মাঝে নৌকায় করে ছবি উঠাবার চেষ্টা করছিলাম। তাও কী ক্যামেরা- ক্যামেরা নামের কলন্ক! ৩.২ মেগা-পিক্সেলের এন-৭৩ টাইপের মোবাইল ফোন (কিন্তু এটা দিয়েই কিছু ছবি উঠিয়েছি, ভয়ংকর সুন্দর [])। সঙ্গে মিডিয়ার কিছু লোকজন ছিলেন। ওদের সঙ্গে আবার কামানসম ক্যামেরা। এরা সব বাদ দিয়ে আমার ছবি নিয়ে কখন কস্তাকস্তি করছিলেন টেরটিও পাইনি।

Wednesday, December 29, 2021

মেটামরফোসিস

পাকিস্তানের এই নাগরিক যিনি ১৯৭১-কে খুব কাছ থেকে দেখেছেন কারণ তখন তিনি পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীতে ছিলেন। এই মানুষটার বক্তব্য পরিষ্কার। তিনি হাতে ধরে-ধরে পাকিস্তানের ভুল, ভয়াবহ অন্যায়গুলো আমাদের চোখের সামনে নিয়ে এসেছেন। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান তার ভুল, ভয়াবহ অন্যায়গুলোর জন্য ক্ষমা চায়নি বা এই দেশের যে বিপুল আর্থিক ক্ষতি করেছে সেই আলাপেও যাওয়ার আগ্রহ দেখায়নি।

Wednesday, December 8, 2021

পৃথিবীকে পাল্টে ফেলি...!

অতীতের অভিজ্ঞতা ধার করে বলি, গু শব্দে সূক্ষরূচির পাঠকের গা গুলালে গু-এর জায়গায় সু পড়বেন। ওরে, দেখো দিকি কান্ড, গুন্টার গ্রাস নোবেলকে এক বস্তা গু বললে সমস্যা হয় না বা মার্কেজের 'নো ওয়ান রাইট টু কর্ণেল'-এ কর্ণেলকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, খাবা কি? কর্ণেলের উত্তর, গু।
 
যাই হোক, অসাধারণ এই লেখাটি লিখেছেন, Mohammad Abul Kalam Azad (https://www.facebook.com/mohammad.a.azad.7)
"আমরা যতবার হাগি, একটু করে পৃথিবীকে পাল্টে ফেলি। হাসেন যত ইচ্ছা, কিন্তু ঘটনা সিরিয়াস। হাগা বিষয়টাতে আমাদের অনেক ধরণের অবস্থান আছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে বিব্রত হওয়া। মানুষ নিজের হাগু নিয়ে বিব্রত। অনেকে তো তার প্রেমিকা যে হাগে এ বিষয়টাতেও বিব্রত, অন্তত প্রেমের প্রথমদিকে। অধিকাংশ স্বর্গেই মানুষ হাগে না।

Monday, November 29, 2021

ছায়াছবি বনাম 'জীবনছবি'!

এটা দেখার পর আমার মাথায় সব কেমন জট পাকিয়ে গিয়েছিল। পঙ্গু একজন মানুষকে যে-ভঙ্গিতে লাথি মেরে হুইল-চেয়ার থেকে ফেলে দিল ইসরাইলের এই পাশবিকতার তুলনা চলে কীসের সঙ্গে? হায়রে, অক্ষমতা! আমার লেখালেখির শপথ, নিজেকে গুয়ে পড়ে-থাকা পোকার চেয়েও নিকৃষ্ট মনে হচ্ছিল! নিজের কষ্ট ছাড়িয়ে যাচ্ছিল এই গ্রহের কষ্টে- ভাগ্যিস এই দায় আমার না, এই গ্রহের! অপরূপ সুন্দর এই গ্রহটা যেন নগ্ন-উবু হয়ে পেট পরিষ্কার করছে। আহারে-আহারে, এই গ্রহের সন্তান হয়ে আমার জন্য এ যে কী লজ্জার...‍!

Friday, July 2, 2021

অন্য ভুবনে ভাল থেকো হে, 'বুড়ো শেরপা'!

আমার কয়েক হাজার লেখালেখির মধ্যে ডাক্তারের কালো-কালো হাত নিয়ে যে-সমস্ত লেখা লিখেছি তার সংখ্যা জিরো পয়েন্ট ব্লা-ব্লা হবে কি না সন্দেহ। অন্য পেশার লোকজনকে নিয়ে লেখলে সমস্যা নাই কিন্তু ডাক্তারকে লিখলে ডাক্তার স্যাররা ভারী 'নাগ' করেন। নাক দিয়ে ধোঁয়া বের হয়। পারলে সাদা-সাদা দাঁত দিয়ে চিবিয়ে ফেলেন। বড় চিত্র-বিচিত্র! এমনিতে আমার খুব ভাল বন্ধুদের অনেকেই আবার ডাক্তার। 

Sunday, April 25, 2021

আহারে জীবন...!

লেখক: Shawkat Ali
"আমাদের সৌরজগতের মত অনেকগুলো সৌর জগৎ মিলে একটি গ্যালাক্সি তৈরি হয়। প্রতিটা সৌরজগতেই আছে নক্ষত্র। যাকে আবর্তন করে ঘুরছে পৃথিবীর মতো অসংখ্য গ্রহ। যদি আমাদের গ্যালাক্সি অর্থাৎ মিল্কিওয়ের কথাই বলি, এই মিল্কিওয়ের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তের দূরত্ব ২ লক্ষ আলোকবর্ষ! মানে, আলোর বেগে গেলেও দুই লক্ষ বছর লাগবে শুধু মিল্কিওয়ের এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে! আমাদের গ্যালাক্সিসহ ৫৫ টি গ্যালাক্সি একত্র হয়ে তৈরি করে লোকাল গ্রুপ।

Monday, November 23, 2020

দারাজ, চালবাজ এক প্রতিষ্ঠান।

এমনিতে দারাজ আমার খুব পছন্দের একটা প্রতিষ্ঠান কারণ আমার মত বেকুব টাইপের লোকজন যারা বোকার মত মূল স্রোতের উল্টোদিকে সাঁতরায় মানে গ্রাম-গ্রাম মফঃস্বল টাইপের জায়গায় থাকে তাদের জন্য এই অনলাইন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি ভারী কাজের। শহরে যারা চট করে একটা জিনিস হাতের নাগালে পেয়ে যান সেটা আমাদের জন্য বড় একটা সমস্যা।

Wednesday, November 11, 2020

ভূমিপুত্র!

আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বপ্রাচীন জাতি হচ্ছে ম্রো-রা! এবং এঁরা বান্দরবান জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতি। আজ থেকে প্রায় ৬০০ বছর পূর্বে ম্রোরা পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে। ব্রিটিশ আমল থেকে আমরা যারা এই দেশে বাস করে আদিমানুষের তকমা লাগিয়ে রাখি এদের বাস তারও অনেক পূর্বের!

Monday, November 2, 2020

সভ্য, সভ্যতা!

কালে-কালে আমরা নাকি সভ্য হয়েছি। এই সমস্ত কেতাবি কথা বাদ দিয়ে আমি আমার কথা বলি। কীসের সভ্য, কীসের সভ্যতা!? আমি জানি না এই সব গালভরা কথার আদৌ কোন মানে রাখে কিনা! কেবল মোটাদাগের কথাটা জানি, আমরা কেবল গু-ভরা ভান্ড যেটা প্রকৃতি চামড়া দিয়ে মুড়িয়ে রাখে সেটার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উৎস যে দুইটা মুখ সামনে এবং পেছনে ওগুলো ঢেকে রাখা শিখেছি। ব্যস...। নাঙ্গাপাঙ্গা থেকে গাছের বাকল, লতাপাতা এরপর ক্রমশ বিভিন্ন চকচকে পোশাক নামের আচ্ছাদন!

Wednesday, October 28, 2020

DW: ভাল লাগা-মন্দ লাগা এবং খালেদ মুহিউদ্দিনের জানতে চাওয়া...।

আমাদের দেশের মিডিয়া খুব আগ্রহ নিয়ে এই সমস্ত প্রতিবেদনগুলো করে- যেমন সাকিব আমেরিকায় ঘাস কাটছে। অতি উত্তম। সাকিব ঘাস কাটতে পারে এই নিয়ে আমরা বঙ্গাল উল্লসিত। কারণ আমরা জানতাম না যে সাকিব ঘাস কাটতে জানে এবং আগে জানলে অন্যদের কথা জানি না আমার বাগানের ঘাসটা কাটিয়ে নিতাম। অবশ্যই ঘন্টা হিসাবে পে করতাম।