ali-mahmed.com
"ন্যানো ড্রাইভটা ফেলেছি হারিয়ে/ যেটায়—রাখা ছিল ৮০০ কোটি/ ইউনিটের স্মৃতি জড়িয়ে থাকা/ গাদা-গাদা ডিএনএ প্রোফাইল।"
Monday, October 26, 2026
দাগ থেকে শেখা হলে দাগই ভাল, 'এআই'-ও!
Sunday, October 25, 2026
তৌহিদি লোকজন, এখন কেমন বোধ করিতেছেন?
শেখ হাসিনা যেমন গুমকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল তেমনি অনেক মাদ্রাসার শিক্ষক, মসজিদের ইমাম বলাৎকার [১, ২] এবং যৌন-নির্যাতনকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছে! এবং এই নিয়ে আব্বাসীর মত সো-কল্ড পন্ডিত সর্ব বিষয়ে ফতোয়া দেওয়ার জন্য মুখ হাঁ করে রাখবে কিন্তু এই বিষয়ে চুপ!
এরাই আবার সমকামিতা নিয়ে লম্বা-লম্বা আওয়াজ তুলবে। সমকামিতা তো হয় দুই পক্ষের সম্মতিতে। কিছু ব্যতিক্রমি অপরাধি আছে, যেমন নির্মলেন্দু গুণ!
পূর্বে শিকার ছিলাম এখন শিকারি হয়েছি! [৩]
অথচ এই মোল্লারাই যে ছোট-ছোট বাচ্চাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে এদের জীবনটাই তছনছ হয়ে যায়! সমস্তটা জীবন ট্রমা থেকে বের হতে পারে না!
এরা কেমন শিল্পি এর একটা ছোট্ট নমুনা!
দেশের অধিকাংশ মোল্লারা এখন উত্তাল! চুমুকান্ডে! এখন এরা বলছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। অথচ মাত্র কয়েকদিন আগে মানসিক ভাবে অসুস্থ শামীম নামের একজনকে পিটিয়ে খুন করে ফেলল [৪]!
এই মোল্লারা সব কিছুতে বাম হাত ঢুকিয়ে দেবে।
ওয়াজের নামে এরা ধর্মকে কেমন করে বিক্রি করে! আগে ঘুষখোরের মত লুকিয়ে ওয়াজের নামে টাকা নিত—পবিত্র কোরানে যেটা সম্পূর্ণ নিষেধ [*]! আর এই হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমাদ তাশরীফ টাকা নেয় বুক ফুলিয়ে, কাগজ ছাপিয়ে!
সব শেয়ালের এক রা!
দিনকে রাত, রাতকে দিন করা এদের পক্ষেই সম্ভব! কী চমৎকার করে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলছে মেয়ের বাবার সাথে হিন্দুরাও ছিল, ইসকন জড়িত!
মববাজরা বলছে, আমরা মব করতে চাই বা কিন্তু আমাদের বাধ্য করবেন না!
কাক নাকি কাকের মাংস খায় না কিন্তু একটা মেয়ে অন্য মেয়ের মাংস খায়!
"...পারলে আমাদের মাদ্রায়ায় যাইস, বডির জয়েন্ট ছুটায়া দিব...।"
সুত্র:
১. বলাৎকার: https://www.ali-mahmed.com/2026/09/blog-post_08.html?m=1
২. বলাৎকার এবং শরিয়া আইন: https://www.ali-mahmed.com/2026/06/blog-post.html?m=1
৩. নির্মলেন্দু গুণ: https://www.ali-mahmed.com/2009/12/blog-post_3336.html?m=1
৪. খুন, শামীম: https://www.ali-mahmed.com/2026/10/blog-post_23.html?m=1
৫. ওয়াজময় জীবন: https://www.ali-mahmed.com/2019/04/blog-post.html?m=1
* এই মোল্লারা যে ধর্ম বেচে টাকার বিনিময়ে ওয়াজ করে লক্ষ-লক্ষ টাকা আয় করেন আমরা দেখি এই বিষয়ে পবিত্র কোরানে কি বলা আছে?
পবিত্র কোরানে পরিষ্কার বলা আছে, ওয়াজের নামে টাকা নেওয়া মানে পেটে আগুন দেওয়া—কিয়ামতের দিন এদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি! এটার নাম আপনি হাদিয়া দেন বা সাদিয়া তাতে কিছুই আসে যায় না!
১. "আল্লাহ যে-কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যারা তা গোপন করে ও তার বিনিময়ে স্বল্প মূল্য গ্রহণ করে, তারা কেবল আগুন দিয়ে নিজেদের উদর পূর্তি করে। আর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না ও তাদের পবিত্রও করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে দুঃখজনক শাস্তি। (সূরা বাকারা ২:১৭৪)
২. "... আর আমার আয়াতের বদলে স্বল্পমূল্য গ্রহণ করো না।..." (সূরা বাকারা ২:৪১)
৩. "...বলো, এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাই না। এ তো শুধু বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ। (সূরা আনআম ৬:৯০)
—কোরানশরিফ, বঙ্গানুবাদ: মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
** এই মোল্লারা বলাৎকারের নামে যেটা করে, মাসুম-অবুঝ বাচ্চাদের উপর ঝাপিয়ে পড়া—ওই বাচ্চা তার সমস্ত জীবন এই ট্রমা থেকে বের হতে পারে না সে কখনও ধরে নেয় এটাও ধর্ম শিক্ষার একটা অংশ।
পবিত্র কোরান স্পর্শ করে শপথ করানো, হাফেজ হতে পারবে না এমন ভয় দেখানো, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া, পরিবারের লোকজনের ক্ষতির ভয় দেখানো, মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হবে বলে মাদ্রাসা ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়া। এই সমস্ত যে কোরানে বর্ণিত আয়াতের [+] চেয়ে কত ভয়ংকর তা কল্পনাও করা যায় না! কালে-কালে সে হয়ে উঠে আরেক বলাৎকারী!
+
"তোমরা তো এমন অশ্লীল কর্ম করছ, যা তোমাদের পূর্বে দুনিয়ায় কেউ করেনি।
তোমরা কি পুরুষের সঙ্গে উপগত হচ্ছ না?
...উত্তরে তার সম্প্রদায় এটুকুই বলল যে, আমাদের উপর আল্লাহর শাস্তি আনো...
(কোরান শরিফ, সুরা আনকাবুত ২৮-২৯)"
কোরানে বর্ণিত ওরা বিরাট পাপাচারী ছিল এ সত্য কিন্তু এখনকার মসজিদ-মাদ্রাসার যে সমস্ত বলাৎকারী তাদের ধারেকাছেও ছিল না। কারণ ওরা ছিল অবিশ্বাসী—অন্তত এখনকার মোল্লাদের মত পবিত্র কোরান স্পর্শ করিয়ে বলাৎকার করত না।
আপনি কী কল্পনা করতে পারেন, ৭ বছরের এই বাচ্চাকে যে, এই ৬ জন সিনিয়র ছাত্র-শিক্ষক মিলে দিনের-পর-দিন চরম নির্যাতন করেছে!
আপনি জাস্ট চোখ বন্ধ করে একটু কল্পনা করুন এই দৃশ্যটা দেখে, এদেরকে দেখে! ছোট্ট একটা বাচ্চা, দিনের-পর-দিন, মাসের-পর-মাস! অন্য ভুবনের কষ্ট ভোগ করছে এদের দ্বারা!
++
জামসেদ নামের একে দেখেছি ওয়াজের চেয়ে বেশি মধু বেচতে। ফেসবুকে এ যে কয়টা বিজ্ঞাপন চালায় তা এ এবং জাকারবার্গ ব্যতীত কেউ জানে না!
১ম তাকবীর, সানা
আরবি: سُبْحَانَكَ اَللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَجَلَّ ثَنَاءُكَ وَلَا اِلٰهَ غَيْرُكَ
বাংলা উচ্চারণ: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তা'আলা জাদ্দুকা, ওয়া জাল্লা ছানাউকা, ওয়া লা ইলাহা গাইরুক।
বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, তুমি পবিত্র, তোমার প্রশংসা সহ। তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা সুউচ্চ, তোমার প্রশংসা মহান, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।
২য় তাকবীর, দরুদে ইবরাহীম।
আরবি:
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।
বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, মুহাম্মদ ও তাঁর বংশধরের ওপর রহমত বর্ষণ করো যেমন ইবরাহীমের ওপর করেছো। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও মহিমাময়।
৩য় তাকবীর, মৃতের জন্য দোয়া।
আরবি:
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا
اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلَامِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيمَانِ
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লি-হাইয়্যিনা ওয়া মাইয়্যিতিনা ওয়া শাহিদিনা ওয়া গায়িবিনা ওয়া সাগীরিনা ওয়া কাবীরিনা ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসানা। আল্লাহুম্মা মান আহইয়াইতাহু মিন্না ফা-আহয়িহি আলাল ইসলাম, ওয়া মান তাওয়াফফাইতাহু মিন্না ফা-তাওয়াফফাহু আলাল ঈমান। আল্লাহুম্মাগফির লাহু ওয়ারহামহু ওয়া আফিহি ওয়াফু আনহু।
বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ, আমাদের জীবিত-মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত, ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাইকে ক্ষমা করো। আমাদের মধ্যে যাকে জীবিত রাখবে ইসলামের ওপর রাখো, যাকে মৃত্যু দেবে ঈমানের ওপর দাও। হে আল্লাহ, এই মৃত ব্যক্তিকে ক্ষমা করো, দয়া করো, নিরাপত্তা দাও ও মাফ করে দাও।
নোট: ৪র্থ তাকবীর দিয়ে ডানে-বামে সালাম—আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।"
Grok-কে বলেছিলাম যাচাই করতে:
Friday, October 23, 2026
খুন: একজন শামীম! খুনের দায়ে অভিযুক্ত: একজন আমিনী!
"...এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিয়ে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিয়েছে। বলেন, আলহামদুলিল্লাহ...!"
তিনি জানলেন কীভাবে শামীম জাহান্নামে যাবেন! এটা তো কেবল পরম করুণাময়ের এখতিয়ার—আর কারও না—মানুষ তো দূরের কথা জিন্দা অলিরও না। এই ক্ষমতা তো সেই মানুষের হাতে না, যে মানুষ ৫ মিনিট অক্সিজেন ছাড়া থাকলে পেছন দিয়ে শেষ বাতাস বেরিয়ে যায়! আব্বাসী কী জিন্দা অলিকেও ছাড়িয়ে গেছেন!
"এখন যদি বলি, আল্লাহ 'কোরান-এ কারিমে' ফেসবুক কিভাবে চালাবেন, দিয়েছেন, বিশ্বাস করবেন?...সুরা আম্বিয়ার ৮৩ নম্বর আয়াত..." :
কেউ কি এই মানুষটার ঘাড় ধরে জানতে চেয়েছে কোরানের কোথায় আছে এটা, দেখা? সুরা আম্বিয়ার ৮৩ নম্বর আয়াত এটা:
![]() |
| সুরা আম্বিয়া, আয়াত: ৮৩ । কোরানশরিফ, বঙ্গানুবাদ: মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান |
এই আব্বাসী, হামজারা যে ধর্ম বেচে টাকার বিনিময়ে ওয়াজ করে লক্ষ-লক্ষ টাকা আয় করেন আমরা দেখি এই বিষয়ে পবিত্র কোরানে কি বলা আছে?
১. "আল্লাহ যে-কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, যারা তা গোপন করে ও তার বিনিময়ে স্বল্প মূল্য গ্রহণ করে, তারা কেবল আগুন দিয়ে নিজেদের উদর পূর্তি করে। আর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না ও তাদের পবিত্রও করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে দুঃখজনক শাস্তি। (সূরা বাকারা ২:১৭৪)
২. "... আর আমার আয়াতের বদলে স্বল্পমূল্য গ্রহণ করো না।..." (সূরা বাকারা ২:৪১)
৩. "...বলো, এর জন্য আমি তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চাই না। এ তো শুধু বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ। (সূরা আনআম ৬:৯০) —কোরানশরিফ, বঙ্গানুবাদ: মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
ওয়াজের নামে টাকা নিয়ে, আগুন দিয়ে পেট ভরে যে টাকা কামাচ্ছেন —আবার সরকারকে ১ পয়সা ট্যাক্সও দেন না, এই বিষয়ে আপনাদের মত কী [৪]!
এই আব্বাসী, যিনি নিজেই নিজেকে 'গ্রান্ড মুফতি' দাবী করেন! কে তাকে গ্রান্ড মুফতির খেতাব দিয়েছে এই বিষয়ে কোন তথ্য কারও কাছে নাই! তিনি প্রায়শই একটা বদ্ধ উম্মাদের ন্যায় আচরণ করেন!
টাকার বিনিময়ে ওয়াজের নামে আমাদেরকে জানান, গুইসাপ নাকি ৭৫০ বছর বাঁচে [৩]! (এটা তিনি প্রমাণ করতে পারলে আমি লেখালেখি ছেড়ে দেব!) মানুষের ব্রেনের ওজন নাকি ৬০ গ্রাম [৩]! পুরুষের শরীরে নাকি নারীর চেয়ে ৪ গুণ লোহা! তার পূর্বপুরুষ নাকি ২ কোটি মানুষকে হিন্দু থেকে মুসলমানে কনভার্ট করেছে। এর রেফারেন্সে হান্টার-ফান্টার যাদের লেখা বইয়ের উদাহরণ দিয়েছে সেখানে এইসবের কোন বিবরণই নাই—সম্পূর্ণ মিথ্যা [৩]!
হালে সৌদিতে আমাদের ২জন বাংলাদেশিকে স্রেফ কতল করা হয়েছে, জেনা করেছে এই অভিযোগে! এটাকে আব্বাসী বলছেন,
"১০০ ভাগ সঠিক হয়েছে।"
অথচ এই আব্বাসীর জানার কথা জেনার জন্য মৃত্যুর কথা কোরানে কোথাও নাই, সহীহ হাদিসে যাও আছে তাও বিবাহিত হলে। ওই ২জন বিবাহিত ছিলেন না [৪]!
এই ভিডিও ক্লিপে আমরা যে বক্তাকে দেখছি—এই ধর্মীয় শিক্ষকের যে জ্ঞান, তা আব্বাসীর মত মানুষের ১০ ভাগের ১ ভাগও নাই!
এখন আব্বাসী ঝোলা থেকে এই ফতোয়া বের করবেন, ঘটনাটা মসজিদে হয়েছে সেই জন্য ওই কতল ১০০.০০১ পার্সেন্ট সঠিক। বটে রে!
ইমামের পাহারায় এই মোয়াল্লিম-মাদ্রাসার শিক্ষক যখন মসজিদে হিল্লা বিয়ের নামে বাসর করেছিলেন [৫], রিপিট, মসজিদে! তখন কী আব্বাসী পয়সার বিনিময়ে ওয়াজ সেরে পেট ভাসিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন!
এই মোল্লাদের মোল্লাগিরির কারণে ভাবা যায়, আমাদের একজন নোবেলে মনোনীত নারীকেও হিল্লা বিয়ের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছিল [৫]!
এই যে মাদ্রাসায় অজস্র ঘটনা ঘটছে বলাৎকারের [৬] যা জেনার চেয়েও ভীষণ অপরাধ। এই নিয়ে কিন্তু আব্বাসীর গাত্রদাহ নেই!
শামীমকে যারা পিটিয়ে খুন করেছেন তারা দেশের প্রচলিত আইনে, তাঁকে আইনের কাছে দিতে পারতেন [*]। আইন আইনের গতিতে না-চললে তখন এটা নিয়ে কথা বলার সুযোগ ছিল। উইদাউট ট্রায়ালে একটা মানুষকে মেরে ফেলা, এটা স্রেফ খুন!
যে দেশে রমজান মাসে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় (একটা ঘুষখোরকে যদি এনে দিতে পারেন ১১ মাস ঘুষ খান কিন্তু রমজান-সংযমের মাসে খান না। মাইকিং করে লোক জড়ো করে আমি পা ধরে সালাম করব)!
পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্থ দেশের মধ্যে অন্যতম একটা দেশ, বাংলাদেশ!
কিন্তু আমাদের আচার-আচরণ দেখলে মনে হবে একেকজন চলমান ফেরেশতা! একেকজন ধর্মের দন্ডটা শক্ত করে ধরে আছেন! জুমার নামাজে ১/২ ঘন্টা আগে না-গেলে মসজিদে জায়গা পাওয়ার যো নেই। অধিকাংশ মানুষ নামাজ পড়েন রাস্তায়। রাস্তা বন্ধ করে:
এটাই শেষ গাড়ি! এরপর লোকজনকে অনুরোধ করেছিলাম একটু ফাঁকা রাখার জন্য। কেউ গা করেনি! একেকজন যে বিরাট মাওলানা। এদের কাছে উপর থেকে কল এসেছে যে, এই সময়ের মধ্যে কেউ গুরুতর অসুস্থ হতে পারবেন না। আর অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হলে, 'আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়া গেছে'!২ বছর ধরে একটা অভিজাত এলাকায় শিক্ষিত মানুষদের কান্ড এটা! চিল্লায়া বলেন, সোবহান-আল্লাহ!
যাই হোক, অবশেষে শামীমকে খুন করার প্রধান আসামী আমিনীকে ধরা হয়েছে। ধরা পড়ার পর কী সে-এক অমায়িক নুরানি হাসি! ভাল! এই লোকের যেহেতু প্রচলিত আইনে বিশ্বাস নেই তাই প্রচলিত আইনের ফাঁসির দড়িকে বিশ্বাস না-করে ঝুলে পড়লেই হয়। কিসসু হবে না...!
এরা, এই আমিনীরা হয়তো ধরা পড়েন কিন্তু এদের মাস্টারমাইন্ড আব্বাসীরা থেকে যান ধরাছোঁয়ার বাইরে!
আপনি ভাবতে পারেন এই মানুষটা আইনের ঊর্ধ্বে! এখনও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ান! এই ওয়াজ যিনি করছেন তিনি একজন শায়েখ এবং ডক্টর ডিগ্রিধারীও। শাইখ ড. মাযাফফর বিন মুহসিন বলছেন:
বেনামাজিকে মেরে ফেলতে হবে। ফাঁসিতে নইলে জবাই করে, এই বিষয়ে ইমাম-মৌলভি-মোল্লাদের কোন দ্বিমত নাই। কেবল খানিকটা দ্বিমত আছে যে, হত্যা করার পর ওই মানুষটার জানাজা পড়া হবে, কি হবে না?
... পশুকে যেভাবে পায়ে দড়ি বেঁধে গর্তে ফেলে দেওয়া হয়, ওই মানুষকেও ওভাবে গর্তে ফেলে দেওয়ার নির্দেশও তিনি দিচ্ছেন...!
... ... ...
* বাংলাদেশে ধর্ম সংক্রান্ত অপরাধ- দণ্ডবিধির অধ্যায় ১৫ (Chapter XV) - ধারা ২৯৫ থেকে ২৯৮ পর্যন্ত।
১. ধারা ২৯৫: উপাসনালয় বা পবিত্র বস্তু নষ্ট করা! উপাসনালয় ভাঙা, নষ্ট করা বা অপবিত্র করা, যদি উদ্দেশ্য থাকে কোনো শ্রেণির ধর্মকে অপমান করা।
২. ধারা ২৯৫ক: ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত (Main Law)। ইচ্ছাকৃতভাবে ও বিদ্বেষপূর্ণভাবে কোনো শ্রেণির ধর্ম বা বিশ্বাসকে কথা, লেখা বা ছবি/ভিডিও দিয়ে অবমাননা করা। শর্ত: ১. ইচ্ছাকৃত হতে হবে, ২. বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য থাকতে হবে।
৩. ধারা ২৯৬: ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া! কোনো ধর্মীয় প্রার্থনা বা অনুষ্ঠান চলাকালীন ইচ্ছা করে ঝামেলা করা।
৪. ধারা ২৯৭: কবরস্থান / শ্মশান / মৃতদেহের অসম্মান! কবরস্থান বা শ্মশানে বিনা অনুমতিতে ঢোকা।
- মৃতদেহের প্রতি অসম্মান দেখানো।
- শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া মানুষের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করা।
৫. ধারা ২৯৮: কোনো ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত!
কোনো ব্যক্তির সামনে তাকে শুনিয়ে গালি, শব্দ বা অঙ্গভঙ্গি করে তার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা।
সূত্র:
১. মহা বিজ্ঞানী আব্বাসী: https://www.ali-mahmed.com/2026/10/blog-post_12.html?m=1
২. আব্বাসীর ৬০ গ্রাম ওজনের ব্রেন: https://www.ali-mahmed.com/2026/06/blog-post_09.html?m=1
৩. জৌনপুরি বনাম ২ কোটি মুসলমান: https://www.ali-mahmed.com/2025/08/blog-post_2.html?m=1
"যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তিকে ফাসেক (পাপাচারী/দুষ্ট) বলে অপবাদ দেয়, অথবা কাফের বলে অপবাদ দেয়, তাহলে যদি যাকে অপবাদ দেওয়া হলো সে আসলে তেমন না হয়, তাহলে সেই অপবাদটা অপবাদদাতার দিকেই ফিরে আসবে।" (সহীহ আল-বুখারী - ৬০৪৫)
২.
"যদি কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে বলে, 'ওহে কাফের!'—তাহলে তাদের দুজনের একজন অবশ্যই কাফের!"
Wednesday, October 21, 2026
সৌদি আরব নামের এক অমানবিক দেশ!
লেখক: M Rayhan Kabir
(https://www.facebook.com/share/1DwYxzGJuq/)
"(সৌদি থেকে ফিরে) এক আপা সন্তান কোলে দেশে ফিরে আমাকে বললেন:
ভাই, সন্তান আমার গর্ভে হয়েছে, কিন্তু আমি জানিই না এই সন্তান আসলে কার। মালিকের, মালিকের ছেলের, মালিকের বন্ধুদের, নাকি তার ড্রাইভারের?
এর চেয়ে দুঃখের কিছু হতে পারে, ভাই! বলেন? আমি শুনে বিস্মিত হইনি, কারণ এমন কেস প্রতিনিয়তই শুনছি। কিন্তু প্রতিবারের ঘটনাগুলো মনে দাগ কেটে যায়।
![]() |
| বাবুটার সাথে লেখক। |
ভিয়েনা কনভেনশন আর কূটনীতির কোনো তোয়াক্কা না-করে আমাদের দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সেই সৌদি আরবই। মন দিয়ে পড়বেন, প্রতিটা নাগরিকের এটা জানা উচিত।
এটা কোনো গল্প নয়। একদম মাঠ থেকে, নিজের হাতে কাজ করা অভিজ্ঞতা থেকে বাস্তব ঘটনা লিখছি। পড়তে পড়তে ছবি মনে আঁকতে পারেন, নিশ্চিত বলছি আঁতকে উঠবেন, ভাববেন এ কেমন বর্বরতা, এটা কি আসলেই সম্ভব? সৌদি আরবের এই শেখদের কাছে নারী, পুরুষ, শিশু সবাই এক টুকরো মাংসের মতো, কাউকেই তারা ছাড় দেয় না।
গৃহকর্মীর কাজে সৌদি আরবে গিয়ে যত নারী গর্ভবতী হয়ে বা কোলে ছোট্ট শিশু নিয়ে দেশে ফিরেছেন, আমি যাঁদের পেয়েছি তাঁদের প্রত্যেকের ঘটনা প্রায় একই রকম। প্রত্যেকের সন্তান জন্ম নিয়েছে সৌদির জেলে। একজন নারী অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় জেলে গেলেন কীভাবে, আর সেখানে সন্তান প্রসবই বা করলেন কীভাবে? চলুন, ঘটনায় নিয়ে যাই।
কাজে যাওয়া নারী, কখনো কুমারী একটা মেয়ে, মালিকের হাতে নির্যাতন আর ধর্ষণের শিকার হন। সেই অত্যাচারের বর্ণনা ফেসবুকের সেন্সরও সম্ভবত নেবে না। গৃহকর্তা, কর্তার ছেলে, কর্তার ভাই, কর্তার বন্ধু, কর্তার ড্রাইভার, পালাক্রমে রুটিন করে ধর্ষণ করে আমার দেশের সেই অসহায় নারীকে, যিনি দুই মুঠো ভাতের পয়সা জোগাড় করতে গিয়েছিলেন।
সারাদিন অমানুষিক খাটিয়ে ঘুমানোর সময় নিয়ম করে চলে অত্যাচার, এমন আচরণে যেন তাকে কেনাই হয়েছে ভোগ করার জন্য। বিচার চাইবেন কোথায়, সে দেশে এমন কোনো আইনই নেই।
তারপর একসময় সেই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। আর ঠিক তখনই সৌদির সেই শেখ তাঁর নামে চুরির মামলা দিয়ে পুলিশে দেয়। সময়টা বেছে নেওয়া হয় এমনভাবে, যেন সন্তানটা জেলেই প্রসব হয়। চুরির মামলায় আমার দেশের নারীরা গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যান, আর দু-এক মাসের মধ্যেই সেখানে বাচ্চার জন্ম দেন।
একবার চোখ বন্ধ করে ভাবুন। দুই বেলা পরিবারে ভাত দেওয়ার আশায় যে নারী বিদেশ গেলেন, তিনি প্রতিদিন গণধর্ষণের শিকার হলেন, বিচার দূরে থাক, কোথাও বলার জায়গাও পেলেন না। তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলেন, আর তাঁকেই মিথ্যা চুরির অপবাদে জেলে পাঠানো হলো। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আমরা মায়ের কত যত্ন নিই, কত বাছবিচার, কত ডাক্তার, কত চিকিৎসা।
অথচ ওই নারী ধর্ষিতা হয়ে গর্ভবতী অবস্থায় পড়ে থাকলেন জেলে। জেলেই জন্ম হলো বাচ্চার, সেই বাচ্চা কোলে নিয়েই তিনি নামলেন ঢাকা বিমানবন্দরে। মেয়েটি কুমারী, বিয়ে হয়নি, এই বাচ্চা নিয়ে গ্রামে যাবেন কীভাবে? অনেকে বাচ্চাটাকে বিমানবন্দরেই রেখে চলে যান। কখনো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বাচ্চাকে নিয়ে আসে ব্র্যাকের কাছে, আমরা আমাদের আওতার মধ্যে মা ও শিশুর জন্য যতটুকু মঙ্গল করা সম্ভব, চেষ্টা করি।
শুনলে অবাক হবেন, আমার রাষ্ট্রের ডাটাবেজে, মন্ত্রণালয়ে, দূতাবাসে কোথাও একটা কাগজেও লেখা নেই এমন নির্যাতনের শিকার হয়ে কতজন নারী ফিরলেন। কতজন গর্ভবতী হয়ে ফিরলেন, কতজন নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা করলেন, তার কোনো হিসাব নেই। বিচার তো অনেক দূরের কথা, রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণও দূরের বিষয়, এঁদের তথ্যটুকুও কোথাও নেই। আমার কাছে যে তথ্য আছে, তা আমার রাষ্ট্রের কাছে নেই, চ্যালেঞ্জ করে বললাম। এই হলো আমাদের পররাষ্ট্রনীতি আর শ্রমিক সুরক্ষার অবস্থা।
এ তো গেল নারীদের কথা। পুরুষও রেহাই পায় না। আমি নিজে একটা কেস সামলেছি, এক তরুণ ছেলে, বয়স বিশের বেশি হবে না। কাজ করতে গিয়েছিল সেই দেশে। প্রতিদিন আমাকে ফোন করে চিৎকার করে কাঁদত, ভাই, আমাকে বাঁচান। মালিক আর তার বন্ধুরা আমারে ছাগল চড়াইতে এক মরুভূমিতে এনে রাখছে, এখানে রোজ মালিক আর তার বন্ধুরা আসে, আমারে বলাৎকার করে। ছেলেটা বলছিল আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে, কিন্তু সাহসে কুলায় উঠছে না। শেষ পর্যন্ত সেই ছেলেটাকেও উদ্ধার করে এনেছিলাম।
আরও শুনুন। বিনা বিচারে, বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও সৌদি পুলিশ প্রতিদিন গড়ে ৩০০ বাংলাদেশি শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে বিশাল একটা অংশের ভিসা বৈধ থাকে, তবু গ্রেপ্তার করে দেশে পাঠিয়ে দেয়। কোনো জবাবদিহি নেই, কোনো বিচার নেই। কিসের দূতাবাস, কিসের কূটনীতি, এসব শুনলে এখন হাসি পায়।
আর সেই দেশই নাকি আমার দেশের নাগরিকদের অনৈতিক কাজের অপরাধে বিচার করে [১]। আমি এমন কেস পেয়েছি, যেখানে ধর্ষণ থেকে বাঁচতে একজন নারী নামাজ দীর্ঘ করতেন, আর দেরি হলে সৌদির এক নাগরিক তাঁকে নামাজ থেকে টেনে তুলে আনত। সেই দেশ নাকি ব্যভিচারের দায়ে আমার দেশের নাগরিককে হত্যা করে!
আজব ব্যাপার হলো, আমার দেশের মানুষই সেই মৃত্যুদণ্ডের খবরের নিচে গিয়ে কমেন্টে লিখছে, আলহামদুলিল্লাহ। এক রাজনৈতিক ব্যক্তির বক্তব্য দেখলাম, তিনি বলছেন এই পাপের লাশ তিনি দেশে চান না। অথচ ওই পাপ বয়ে দেশে ফেরা কোনো ধর্ষিতার পাশে এঁদের কেউ কোনোদিন এসে দাঁড়ায় না।
শুনুন, গুগল করে দেখুন। ২০১১ সালে সৌদি আরব রুয়াতি বিনতে সাতুবি নামের এক ইন্দোনেশীয় নারীকর্মীর শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে, আর ইন্দোনেশিয়া সরকারকে আগে একটা কথাও জানায়নি। ঠিক আমাদের দুই নাগরিকের মতো। কিন্তু ইন্দোনেশিয়া চুপ করে বসে থাকেনি। তারা সৌদি আরবে গৃহকর্মী পাঠানোই বন্ধ করে দেয়, আর কূটনৈতিক সম্পর্কে ধাক্কা লাগে।
অথচ দিনের-পর-দিন আমাদের নারীরা এভাবে অত্যাচারিত হচ্ছেন, আর একটা শব্দ করার সাহসও আমাদের রাষ্ট্রের নেই।
* ছবি: মধ্যপ্রাচ্য থেকে অত্যচারের শিকার হয়ে সন্তান নিয়ে দেশে ফিরে আসার পর ২০২২ সালে ছোট্ট শিশুটির সাথে এই ছবিটা রেখেছিলাম।"
—লেখক: M Rayhan Kabir
(https://www.facebook.com/share/1DwYxzGJuq/)
Monday, October 19, 2026
কার পাপ—হে পরম করুণাময়, তোমার কাছে জমা রইল!
সৌদিতে ২জন বাংলাদেশীর শিরোচ্ছেদ করা হয়েছে। কেউ জানে না! অথচ তিন বছর আগে থেকেই এই মামলা চলমান—আপিলে এই রায় হয়েছে।
শামা ওবায়েদ নামের আমাদের এই মন্ত্রী বাহাদুর বলছেন, অনৈতিক কাজের জন্য। আমাদেরকে আবার সবকও দিচ্ছেন। 'এটা যে আমাদের জন্য শিক্ষা', তা জেনেও আমরা শিক্ষিত হলাম!
এই পাপীদের লাশ যেন দেশে না আসে!
"কাউকে খুন করা আর খুন করার সিদ্ধান্ত দেওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই!"
দয়া করে আমাকে একটু বুঝিয়ে দেন কোন যুক্তিতে, ধর্মীয় ব্যাখ্যায় ওয়াজ করার নামে এই টাকা হালাল!
"Communication and contact with nationals of the sending State1. With a view to facilitating the exercise of consular functions relating to nationals of the sending State:(a) consular officers shall be free to communicate with nationals of the sending State and to have access to them. Nationals of the sending State shall have the same freedom with respect to communication with and access to consular officers of the sending State;(b) if he so requests, the competent authorities of the receiving State shall, without delay, inform the consular post of the sending State if, within its consular district, a national of that State is arrested or committed to prison or to custody pending trial or is detained in any other manner. Any communication addressed to the consular post by the person arrested, in prison, custody or detention shall also be forwarded by the said authorities without delay. The said authorities shall inform the person concerned without delay of his rights under this subparagraph;(c) consular officers shall have the right to visit a national of the sending State who is in prison, custody or detention, to converse and correspond with him and to arrange for his legal representation. They shall also have the right to visit any national of the sending State who is in prison, custody or detention in their district in pursuance of a judgment.2. The rights referred to in paragraph 1 of this Article shall be exercised in conformity with the laws and regulations of the receiving State, subject to the proviso, however, that the said laws and regulations must enable full effect to be given to the purposes for which the rights accorded under this Article are intended."—Source: Nations, Treaty Series Vol. 596, p. 261.
১. জিনার [অবৈধ যৌনসংযমের] কাছে যেয়ো না; এ অশ্লীল ও মন্দ পথ। (১৭ সুরা বনি-ইসরাইল: ৩২)২. আর তারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্যকে ডাকে না, আল্লাহ্ যাকে যথার্থ কারণ ছাড়া হত্যা করতে নিষেধ করেছেন তাকে হত্যা করেনা, আর ব্যভিচার করে না। যারা এসব করে তারা শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন তাদের শাস্তি বাড়ানো হবে আর সেখানে তারা হীন অবস্থায় চিরকাল থাকবে। (২৫ সুরা ফুরকান: ৬৮-৬৯)৩. হে নবিপত্নীগণ! যে-কাজ স্পষ্টত অশ্লীল তোমাদের মধ্যে কেউ তা করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেওয়া হবে। আর এ আল্লাহর জন্য সহজ। (৩৩ সুরা আহজাবঃ ৩০)৪. তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা ব্যভিচার করে তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের মধ্য থেকে তোমরা চারজন সাক্ষী নেবে, যদি তারা সাক্ষ্য দেয় তবে তাদের ঘরে আটক করবে, যে-পর্যন্ত না তাদেরকে মৃত্যু হয় বা আল্লাহ্ তাদের জন্য অন্য কোনো ব্যবস্থা করেন। আর তোমাদের (পুরুষদের) মধ্যে যে-দুজন এ করবে তাদেরকে শাস্তি দেবে। তবে যদি তারা তওবা করে ও শুদ্ধ হয় তবে তাদেরকে রেহাই দেবে। আল্লাহ তো ক্ষমা করেন, দয়া করেন। (৪ সুরা নিসাঃ ১৫-১৬)৫. (যারা ডান হাতের তাঁবে রয়েছিল) বিয়ের পর যদি তারা ব্যভিচার করে তবে তাদের শাস্তি স্বাধীন নারীর অর্ধেক। তোমাদের মধ্যে যারা ব্যাভিচারকে ভয় করে এ তাদের জন্য। আর তোমরা ধৈর্য ধরলে তো তোমাদের জন্য মঙ্গল। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (৪ সুরা নিসাঃ ২৫)৬. এ এক সুরা আমি অবতীর্ণ করেছি ও এর মধ্যে দিয়েছি অবশ্যপালনীয় বিধান। এর মধ্যে আমি স্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করেছি যাতে তোমরা সতর্ক হও। ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী, ওদের প্রত্যেককে একশো দোররা মারবে। আল্লাহর বিধান কার্যকর করতে ওদের ওপর দয়ামায়া যেন তোমাদেরকে অভিভূত না করে, যদি তোমরা আল্লাহর ও পরকালে বিশ্বাসী হও। বিশ্বাসীদের একটি দল যেন ওদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। ব্যভিচারী কেবল ব্যভিচারিণী বা অংশীবাদিনীকেই এবং ব্যভিচারিণী কেবল ব্যভিচারী বা অংশীবাদিকে বিয়ে করবে। বিশ্বাসীদের জন্য এদেরকে বিয়ে করা অবৈধ।যারা সাধ্বী রমণীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে ও সপক্ষে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করে না তাদের আশিবার কষাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য নেবে না। এরাই তো সত্যত্যাগী। তবে যদি এরপর ওরা তওবা করে ও নিজেদের কাজ সংশোধন করে তবে তো আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।আর যারা নিজেদের স্ত্রীর ওপর অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ছাড়া তাদের কোনো সাক্ষী নেই তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে আল্লাহর নামে চারবার শপথ করে বলবে যে, সে অবশ্যই সত্য বলছে, আর পঞ্চমবার বলবে, 'সে যদি মিথ্যা বলে তবে তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ নেমে আসবে।' তবে স্ত্রীর শাস্তি বন্ধ করা হবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে শপথ করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামীই মিথ্যা বলছে, আর পঞ্চমবার বলে, 'তার স্বামী সত্য বললে তার নিজের ওপর আল্লাহর গজব নেমে আসবে।' তোমাদের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে আর আল্লাহ্ তওবা গ্রহণ না করলে এবং তিনি তত্ত্বজ্ঞানী না হলে (তোমরা কেউ অব্যাহতি পেতে না)। (২৪ সুরা নূরঃ ১-১০)৭. যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই, আল্লাহ্ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত তারা যেন সংযম পালন করে। আর তোমাদের ডান হাতের তাঁবের দাসদাসীর মধ্যে কেউ (তার মুক্তির জন্য) লিখে নিতে চাইলে তাদেরকে লিখে দাও, যদি তোমরা তাদেরকে ভালো জান। আল্লাহ্ তোমাদের যে-সম্পদ দিয়েছেন তা থেকে তোমরা ওদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের টাকাপয়সার লোভে তাদেরকে ব্যভিচারীণী হতে বাধ্য কোরো না। তবে কেউ যদি তাদেরকে বাধ্য করে, তাদের ওপর সেই জবরদস্তির জন্য আল্লাহ্ তো তাদেরকে ক্ষমা করবেন, দয়া করবেন। (২৪ সুরা নূরঃ ৩৩)৮. বিশ্বাসী সচ্চরিত্রা নারী ও তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছে তাদের সচ্চরিত্রা নারী তোমাদের জন্য বৈধ করা হল, যদি তোমরা তাদেরকে মোহর প্রদান কর বিয়ের জন্য, ব্যভিচার বা উপপত্নী গ্রহণের জন্য নয়। (৫ সুরা মায়িদা: ৫)
অনুবাদ: কোরান শরীফ, মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
১. Narrated Ibn `Abbas: `Umar said, "I am afraid that after a long time has passed, people may say, 'We do not find the Verses of the Rajam (stoning to death) in the Holy Book,' and consequently they may go astray by leaving an obligation that Allah has revealed. Lo! I confirm that the penalty of Rajam be inflicted on him who commits illegal sexual intercourse, if he is already married and the crime is proved by witnesses or pregnancy or confession. Sufyan added, I have memorized this narration in this way. `Umar added, Surely Allah's Messenger carried out the penalty of Rajam, and so did we after him."
বাংলা: উমর (রা.) বলেন, আমি আশঙ্কা করি দীর্ঘদিন পর লোকেরা বলবে কোরানে রজমের আয়াত নেই, তাই আল্লাহর নাজিল করা ফরজ ছেড়ে তারা পথভ্রষ্ট হবে। জেনে রাখো, বিবাহিত কেউ যিনা করলে এবং সাক্ষী, গর্ভ বা স্বীকারোক্তি দ্বারা প্রমাণিত হলে তার উপর রজম ওয়াজিব। আল্লাহর রাসূল রজম করেছেন, আমরাও তারপর করেছি। (Sahih al-Bukhari 6829)
লিংক:https://sunnah.com/bukhari:6829২. Narrated Ibn `Abbas: When Ma'iz bin Malik came to the Prophet, the Prophet said to him, "Probably you have only kissed (the lady), or winked, or looked at her?" He said, "No, O Allah's Messenger!" The Prophet said, using no euphemism, "Did you have sexual intercourse with her?" The narrator added: At that, (i.e. after his confession) the Prophet ordered that he be stoned (to death). a077বাংলা: মায়িয বিন মালিক নবীর কাছে এসে যিনা স্বীকার করলে, নবী (সা.) বললেন, "তুমি হয়তো শুধু চুমু খেয়েছো বা ইশারা করেছো?" সে বললো না। তখন নবী স্পষ্ট ভাষায় জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি তার সাথে সহবাস করেছো?" স্বীকার করার পর নবী তাকে পাথর মেরে হত্যার আদেশ দিলেন। (Sahih al-Bukhari 6824)
লিংক:https://sunnah.com/bukhari:6824৩. Narrated `Abdullah: Allah's Apostle said, "The blood of a Muslim who confesses that none has the right to be worshipped but Allah and that I am His Apostle, cannot be shed except in three cases: In Qisas for murder, a married person who commits illegal sexual intercourse and the one who reverts from Islam (apostate) and leaves the Muslims."
বাংলা: যে মুসলিম কালেমা পড়ে, তার রক্ত হালাল নয় তিনটি কারণ ছাড়া: (১) হত্যার বদলে হত্যা, (২) বিবাহিত অবস্থায় যিনাকারী (الثيب الزاني), (৩) দ্বীন ত্যাগকারী মুরতাদ। (Sahih al-Bukhari 6878)
লিংক:https://sunnah.com/bukhari:6878
























