ali-mahmed.com
"ন্যানো ড্রাইভটা ফেলেছি হারিয়ে/ যেটায়—রাখা ছিল ৮০০ কোটি/ ইউনিটের স্মৃতি জড়িয়ে থাকা/ গাদা-গাদা ডিএনএ প্রোফাইল।"
Friday, June 26, 2026
বারিস্তা—বারিস্তার!
Tuesday, June 23, 2026
একজন আসাদুজ্জামান নূর—একজন বাকের ভাই!
সালটা ৯৩! এই প্রজন্ম বাকের ভাইকে চেনার কথা না! কী অকল্পনীয় শক্তি তার—সেদিন গোটা দেশের মানুষ ভেঙে পড়েছিল টিভিসেটের সামনে!
আজ বাকের ভাইয়ের ফাঁসি!
যাই হোক, আমার এই গল্প ফাঁদার মূল উদ্দেশ্য এটা না যে বাকের ভাই ওরফে আসাদুজ্জামান নূর খুন করে পার পেয়ে যাবেন। আর আমি অন্ধ দলবাজ না যে বলব, ওমুক ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র!
আসাদুজ্জামান নূর এখন বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আটক আছেন। একজন অপরাধ করলে শাস্তি পাবেন এতে আমার কোন কথা নেই। কিন্তু একজন মানুষকে মারতে বা আহত করতে যদি ৪০০ মানুষের প্রয়োজন হয় আর এদের মধ্যে যদি থাকেন সাবেক প্রধান বিচারপতি [১] তাহলে আমার কথা আছে! একজন বিচারপতি চানখারপুল টাইপের কোন জায়গায় লুঙ্গি মালকোঁচা মেরে ভোঁতা দা নিয়ে একজনকে তাড়া করছেন এই দৃশ্য কল্পনা করতেও কল্পনা লাগে! আবার এজাহারে যদি লেখা থাকে তিনি আদুল গায়ে ছিলেন তাহলে ঝামেলা আরও বেড়ে যায়!
আমাদের জজ সাহেবরা কী এজাহার পড়েন না! একবারের জন্যও কী এই প্রশ্ন জাগে না যে একটা খুনের মামলার ৪০০জন আসামী! আর একজন প্রধান বিচারপতিকে নিম্ন আদালত বিচারের জন্য দাঁড় করান কেমন করে!
নূর আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এ সত্য। আওয়ামীলীগ দেশটাকে নরক বানিয়েছিল এ-ও সত্য। গুমকে তো এরা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল! কিন্তু এটাও মাথায় থাকতে হবে, এরা একনাগাড়ে ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল। জেনে, না-জেনে অনেকে জড়িয়ে গেছেন—এখন ১৫ বছর ধরে যে সমস্ত গাছ জন্ম নিয়েছে সব তো উপড়ে ফেলা যাবে না!
আগে যে-রকম শিবির বলে ফট করে একটা মানুষকে পিটিয়ে মেরে ফেলা যেত বা বছরের-পর বছর ধরে আটক রাখা যেত আর আমরা পেট-ভাসিয়ে নির্বিকারভাবে এই খবরগুলো দেখতাম; এখন ঠিক তেমনই হচ্ছে একজন মানুষের সঙ্গে আওয়ামীলীগ নামে! আমাদের আর রূপান্তর হলো না—আমরা আর মানুষ হলাম না! আফসোস, বড়ই আফসোস!
তো, আমি জানার চেষ্টা করছিলাম নূর কি-কি অপরাধে আটক আছেন?
![]() |
| ছবি স্বত্ব: সুপ্রভা |
সূত্র:
১. সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং মুরগি চুরি: https://www.ali-mahmed.com/2025/07/blog-post_26.html?m=1
২. ইউনুসনামা: https://www.ali-mahmed.com/2026/05/blog-post_10.html?m=1
Monday, June 22, 2026
৫০১—মামুনুল হক—বিজয় নিশান!
মামুনুল হককে নিয়ে আমি যখন এই নিউজটা দেখি তখন আমি ভেবেছিলাম, আনোয়ার টিভি-জানোয়ার টিভি টাইপের এডিট করা কিছু। 'উরিবাবা', এ তো বিজয় নিশান! ভাগ্যিস, টাইমে মিলবে না নইলে এটাও বলে বসতেন, ওখানে যাওয়ার কারণে যে সন্তান জন্ম নিয়েছে সে লড়াই করে হাসিনাকে ফেলে দিয়েছে!
যাই হোক, পরে মামুনুল হকের সোশ্যাল মিডিয়ায় গিয়ে দেখি, ঘটনা সত্য!
"রয়েল রিসোর্টে আরেকজনের নাম এন্ট্রি প্রসঙ্গ:আমার আইডি কার্ডের বিস্তারিত পরিচয়ে স্ত্রীর নাম আছে 'আমিনা তাইয়েবা'। আর জান্নাত আরার আইডি কার্ডে তার নাম হলো 'শাহিদা ইসলাম' এবং স্বামী হিসেবে শহিদলু ইসলামের নাম লেখা। যা তখনো পরিবর্তন করে নি। তাই আমরা দুজন কথা বলেই স্ত্রীর ঘরে আমার প্রথমার নাম বলেছিলাম।"
"ফোন কলে প্রথমার কাছে শহিদলু ইসলামের ওয়াইফ বলে পরিচয় দেওয়া প্রসঙ্গ:আমার প্রথম স্ত্রীকে বিষয়টি যে ভাবে শান্ত মাথায় বললে তার জন্য মেনে নেওয়া সহজ হতো সেটা করতে পারি নি, তাই আমি তার কাছে জান্নাত আরার সাবেক পরিচয় বলেছি। যেহেতু জান্নাত আরাকে আগে থেকে সে শহিদলু ইসলামের ওয়াইফ হিসেবেই চিনত।"
জান্নাত আরা ইতিপূর্বে আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হাফেজ শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ছিল এবং আঃরহমান জামি ও ওবায়দুর রহমান তামিম নামে তাদের দুজন সন্তান রয়েছে। বনিবনা না হওয়ায় তারা উভয়ে স্বেচ্ছায় বিচ্ছেদ ঘটায়। একটা সময় জান্নাত আরা স্বপ্রণোদিত হয়ে ফোনে আমার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং আমার সহযোগিতা কামনা করে।
![]() |
| মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ 1961, ধারা: 7(2) |
![]() |
| 1974 ধারা ৫, উপধারা ৪ |
"...ধিক এই রাষ্ট্রযন্ত্রকে!ধিক এই সুশীলতাকে!!ধিক এই দ্বিচারিতাকে!!!এখনো যারা এই নির্মম রাষ্ট্রীয় নির্লজ্জতার সুরে সুর মিলিয়ে কথা বলে হাসিনার নির্লজ্জতাকে বৈধতা দেয়, তাদের নীতি নৈতিকতা কোন লেভেলের? নাকি নীতি নৈতিকতা শুধু লুঙ্গির তলেই থাকে?রাষ্ট্র চেয়েছিল করতে আমাকে ধ্বংসআল্লাহ করেছেন আমাকে রক্ষা..."
"রাষ্ট্রীয় আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতির বাধ্যবাধকতার জটিলতায় কাবিন করাটাও সমস্যাপূর্ণ ছিল। আর ইসলামেও কাবিন করা বাধ্যতামূলক নয়। আমার প্রথম বিবাহেও স্ত্রী রাষ্ট্রীয় আইনে অপ্রাপ্তবয়স্কা হওয়ায় কাবিন করিনি।"
Saturday, June 20, 2026
ইরান চুক্তি: নতজানু... এবং ইতর ট্রাম্প!
Key Points-US-Iran Islamabad MoU, 2026
1. Ceasefire: Immediate and permanent end to military operations on all fronts, including Lebanon.
2. Sovereignty: Both sides respect each other's sovereignty, territorial integrity, and refrain from interfering in internal affairs.
3. Timeline: 60 days max to negotiate final deal, extendable by mutual consent. Countdown started after signing.
4. Blockade: US to remove naval blockade and impediments on Iranian ports within 30 days. US forces to move out of "proximity of Iran" within 30 days of final deal.
5. Strait of Hormuz: Iran to allow safe passage of commercial vessels with no charge. Traffic to start immediately after de-mining.
6. Reconstruction: US and regional partners to develop $300bn plan for Iran reconstruction. US not required to pay directly.
7. Sanctions: US to terminate all economic sanctions, including UN resolutions and unilateral ones. Schedule to be set in final deal.
8. Nuclear: Iran agrees not to procure or develop nuclear weapon. Enriched uranium to be "downblended" under IAEA supervision.
9. Status Quo: No new US sanctions during 60-day period. US to issue waivers for oil export, banking, transportation.
10. Frozen Funds: US to make frozen/restricted Iranian funds available once MoU signed. Release procedures to be agreed.
11. Monitoring: US and Iran to establish mechanism to monitor MoU implementation and future deal compliance.
এই চুক্তির পর ট্রাম্পকে স্রেফ এমন মনে হচ্ছে!
Friday, June 19, 2026
এক বস্তা 'ডুমকফ' এবং একজন হুমায়ুন আজাদ!
আমার মতে, জ্ঞান হচ্ছে একটা সরলরেখা। আপনি শিখতে থাকবেন আর এগুতে থাকবেন—একটা সরলরেখা। থামাথামি নাই—নাথিং গনা স্টপ ইয়্যু!
আর, নির্বুদ্ধিতা হচ্ছে, আমি অনেক বড়—আমি জানি—অনেক জানি। তখন সরলরেখাটা ক্রমশ বৃত্তে রূপ নেয়। বে-সিন, ব্যস! ওই মানুষটা তখন অনবরত বৃত্তে ঘুরপাক খায়। এক বস্তা ডুমকফ—নির্বোধ!
আজকের কাগজ হুমায়ুন আজাদের একটা সাক্ষাৎকার ছাপিয়েছিল। ১৯৯২ সালে।
হু. আজাদ (হুমায়ুন আজাদ):
আমি যদি হুমায়ুন আজাদের লেখার পাঠক হতাম তাহলে তার বই আগ্রহ সহকারে পড়তাম। আর মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বলতাম, কবিতার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তবে আরো কবিতা লেখা উচিত ছিলো। সমালোচনার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, হয়তো বাংলাদেশের সমালোচকদের মধ্যে দু'জনের একজন।
ভাষা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনিই সবচেয়ে ভালো। কিশোর সাহিত্যের ক্ষেত্রে বলতাম, তার লেখাই মননশীল হয়েছে। কলামের ক্ষেত্রেও 'ভাবতাম তার কলামই শ্রেষ্ঠ, যেমন ভাবেন অন্য পাঠকরা; নারীবাদী তার ক্ষেত্রে বলতাম, বাংলাদেশে নারীবাদের কোনো জননী নেই, জনক রয়েছে, সে হচ্ছে হুমায়ুন আজাদ।
কাগজ: লেখক হিসেবে মূল্যায়ন করুন?
হু. আজাদ: লেখক হিসেবে এখন কিছু বলতে চাইনা। বলবো আরো পনেরো বছর পর।
(আজকের কাগজ ১২.১১.৯২)
হু আ (হুমায়ুন আজাদ):
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, তারাশংকর বা বিভূতিভূষন- এদেরকে বিশ্বমাপের বা দ্বিতীয়-তৃতীয় মাপের বলেও মনে করি না।
মননশীলতার কথা যদি ধরা হয়, পাশ্চাত্যে বা পশ্চিমে আমার চেয়ে বেশি মননশীল কেউ আছে বলে আমার মনে হয় না। ভাষা বিজ্ঞানের যে চর্চা আমি করেছি সেটা বিশ্বমাপের নয়, কিন্তু বাংলাদেশে যারা ভাষাবিজ্ঞানের চর্চা করছে, তাদের প্রায় সবার চেয়ে গুরুত্বপূর্ন আমার কাজ। সাহিত্য সমালোচনার ক্ষেত্রে আমি দুইজনকে গন্য করি। একজন অত্যন্ত বিতর্কিত ব্যক্তি সৈয়দ আলী আহসান, আব্দুল মান্নান সৈয়দ। তাঁরা বেশ ভালো কাজ করেছেন। এঁদের চেয়ে ভালো কাজ বাংলাদেশেতো বটেই পশ্চিম বাংলায়ও হয়নি।
(বিচিন্তা ১৪/২/৯২)
প্রেস এ্যাডভাইস, সেই নোংরা টেলিফোন!
লেফটেন্যান্ট জেনারেল হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ যিনি 'লেজে হোমো এরশাদ' নামে পরিচিত ছিলেন, আমাদের কাছে! ০৩.০১.৯২ সালে মিনার মাহমুদের বিচিন্তায় ছাপা হয়েছিল:
"এরশাদ ক্ষমতায় ছিলেন ৩১৫৯ দিন। বাংলাদেশের ইতিহাসের এটাই এখন পর্যন্ত সর্ব দীর্ঘ শাসনকাল। স্বাভাবিকভাবেই এ আমলে প্রেস এ্যাডভাইসের সংখ্যাও অনেক। এক হিসেব অনুযায়ী '৮২ থেকে '৯০-এর আট বছরে সর্বমোট ৬৯৩ দিন সংবাদপত্রকে 'এ্যাডভাইস' দেয়া হয়েছে।
এরশাদ জমানায় প্রদত্ত অভিনব কিছু প্রেস এ্যাডভাইস তুলে ধরা যেতে পারে।
৭ মে, ১৯৮২
তথ্য অধিদপ্তর: কমলাপুর বৌদ্ধমন্দিরে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের বক্তৃতার ছবি শেষ পাতায় এবং খবর ছাপতে হবে প্রথম পাতাম।
২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২
তথ্য অধিদপ্তর: মোহামেডান-আবাহনী খেলা চলার সময় যে গুলি হয়েছে সে সম্পর্কে বাসস যে খবর পরিবেশন করবে শুধু সেটা ছাপা হবে।
২১ ডিসেম্বর, ১৯৮২
তথ্য অধিদপ্তর: জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের খবর ছবিসহ তৃতীয় পাতায় ছাপতে হবে।
১৯ মে, ১৯৮৩
তথ্য অধিদপ্তর: খুলনা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের ছাত্ররা শিক্ষা মন্ত্রীকে 'কালো পতাকা' দেখিয়েছে। এ খবর ছাপা হবে না।
১৮ আগস্ট, ১৯৮৫
তথ্য অধিদপ্তর: প্রেসিডেন্ট এরশাদ মনপুরা গিয়ে পোলিও আক্রান্ত যে শিশুটিকে কোলে নিয়েছেন তা ভালভাবে ছাপতে হবে, প্রয়োজনে ছবিসহ।
১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫
তথ্য অধিদপ্তর: মীরপুর ডিফেন্স স্টাফ কলেজে অধ্যায়নরত একজন কেনীয় ক্যাডেট গতকাল মাতাল অবস্থায় বনানীতে পানিতে ডুবে মারা গেছেন। এ খবর প্রকাশিত হবে না।
তথ্য অধিদপ্তর: উপ সামরিক আইন প্রশাসক এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদের ছবি ব্যবহার করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেছেন, আর ছবি ছাপা হয় না।
২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫
প্রেসিডেন্ট সচিবালয়: আগামীকাল শেখ হাসিনা যে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন তাতে যুতসই প্রশ্ন করার জন্যে রিপোর্টারকে বলে দিতে হবে।
২১ অক্টোবর, ১৯৮৫
তথ্য অধিদপ্তর: জে এরশাদ জগন্নাত হলে যাওয়ার সময় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের কাছে তার গাড়ীর উপর ইট পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এ ঘটনার কোন বিবরণ ছাপা হবে না।
৩ নভেম্বর, ১৯৮৫
প্রেসিডেন্ট সচিবালয়: মালয়েশিয়া যাত্রার প্রাক্কালে জে এরশাদ যে কবিতা লিখেছেন তা ছাপতে হবে।
২৯ জানুয়ারী, ১৯৯০
প্রধানমন্ত্রী: কোন পরিস্থিতিতেই আমার খবর বা ছবিকে জে এরশাদের ছবি বা খবরের চেয়ে প্রাধান্য দেয়া যাবে না।
৩ নভেম্বর, ১৯৮২
তথ্য অধিদপ্তর: শেখ মুজিবের বাড়ীর সামনে এবং বনানী কবরস্থানের সামনে পুলিশের সংগে সংঘর্ষের কোন খবর ছাপা হবে না।
১৪ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮৩
তথ্য অধিদপ্তর: আজকে ঢাকা শহরে যে সব ঘটনা (গুলী, হত্যা) ঘটেছে, সেসব বিষয়ে কোন খবর ছাপা হবে না।
৯ এপ্রিল, ১৯৮৩
তথ্য অধিদপ্তর: জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (মিলন)-এর সাংবাদিক সম্মেলনের খবর ভালভাবে ছাপতে হবে।
২৪ জুলাই, ১৯৮৫
তথ্য অধিদপ্তর: পুলিশের গুলীতে মিরপুরের দুজন নিহত হওয়ার খবর ছাপা যাবে না।
২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫
তথ্য অধিদপ্তর: পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বাহিনীর হামলায় সেনাবাহিনীর দু'জন অফিসার নিহত হওয়ার খবর ছাপা হবে না।
২২ অক্টোবর, ১৯৮৫
তথ্য অধিদপ্তর: জে এরশাদ আগামীকাল প্রেস কনফারেন্সে বক্তৃতা করবেন। এমন একজনকে পাঠাতে হবে যে বিব্রতকর কোন প্রশ্ন করবে না।
৫ ডিসেম্বর, ১৯৮৫
তথ্য অধিদপ্তর: রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন করতোয়ায় বাংলাদেশী ও ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর ছাপা হবে না।
২৪ জুলাই, ১৯৯০
তথ্য অধিদপ্তর: যোগাযোগ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সচিবালয়ের লিফটে এক ঘন্টা আটকা পড়েছিলেন। বেরিয়ে আসার পর লিফটম্যানকে হেনস্তা করায় সবিচালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীরা তাকে ঘেরাও করে। খবরটি ছাপা যাবে না।
২৫ জুলাই, ১৯৯০
শান্তিবাহিনী রাঙ্গামাটিতে রেডিও রিলে স্টেশনে হামলা চালিয়ে তা কিছুক্ষণ দখল করে রাখে খবরটি ছাপা হবে না।
১৬ অক্টোবর, ১৯৯১
....মহিলার সংগে প্রেসিডেন্ট জে এরশাদের ছবি ছাপা যাবে না।
২৬ নভেম্বর, ১৯৯০
তথ্য অধিদপ্তর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদের বিরুদ্ধে হামলার সময় যে মাইক্রোবাসটি ব্যবহৃত হয় তা ছিল শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের। এ খবর ছাপা যাবে না।
এরশাদের পতনের পরও প্রেস এ্যাডভাইস এসেছে। আসছে। এইরূপ প্রথম এ্যাডভাইস ছিল অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদের টুঙ্গিপাড়া সফর সংক্রান্ত। মুজিবের মাজার জেয়ারত শেষে জনাব সাহাবুদ্দিন সেখানে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। কিন্তু ঢাকায় জিয়ার মাজারে বক্তৃতা দেয়ার মত লোক পাওয়া যায়নি। সরকার এ্যাডভাইস পাঠিয়ে এ খবর ছাপতে নিষেধ করেছে। বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দুটি বড় ধরনের এ্যাডভাইস ছিল বাবরী মসজিদ এবং সামরিক বিষয়াদির খবর সংক্রান্ত। বাবরী মসজিদ নিয়ে সরকার উত্তেজক খবর পরিবেশন করতে নিষেধ করে। অন্যদিকে সামরিক প্রসঙ্গে সরকার জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি স্মরন করিয়ে দিয়ে বলেন যে, এখন থেকে সামরিক বাহিনীর সাথে সংশ্লিষ্ট কোন খবর প্রকাশ অবশ্যই এড়িয়ে যেতে হবে। তথ্য অধিদপ্তর এই নির্দেশের যথেষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি।
-মনোয়ার মুস্তাফা"
Thursday, June 18, 2026
ওয়াক!
এটা পর্ব আকারে হবে না কিন্তু বমনযোগ্য মাল-সামান পাওয়া গেলেই সময়ে-সময়ে এখানে যোগ হবে! অনেকেই জানেন না এই যে 'পেট নামা', এই যে হড়হড় করে বমি করে দেওয়া—এতে আমরা অস্থির হয়ে যাই। কিন্তু এটা ভুল!
প্রাকৃতিক ভাবে শরীর তার ভেতরের অসহ্য, বিষাক্ত পদার্থ বের করে আমাদেরকে সুস্থ রাখে। কিন্তু আমরা শরীরের এই দুই কর্মকান্ডেই বড় বিরক্ত হই এবং যথাসম্ভব দ্রুত আটকাবার চেষ্টা করি, ওষুধ খেয়ে!
যারা আমার লেখার সঙ্গে পরিচিত তাঁরা বলার চেষ্টা করবেন, আরে, এই সমস্ত অপগন্ডকে নিয়ে লেখার কোন অর্থ হয়...! ভুল, বড় ধরনের ভুল! যারা এদেরকে খাটো করে দেখেন এরা ভুলের ভুবনে বাস করছেন! এই প্রজন্মের একটা অংশের কাছে এরা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সামনে চলেই আসে, বিশেষ করে সোস্যাল মিডিয়ায়।
এবং অজান্তেই অনেকে এদেরকে অনুকরণ করা শুরু করে! এদেরকে যে কেবল লেখার কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে এমন না, এদেরকে আইনের আওতায়ও নিয়ে আসতে হবে!
বাংলাদেশের সবচেয়ে সুদর্শন প্রাণী!
একজন রাত ৪টায় আমাকে বলেছে, তোমার বাসার ছাদে হেলিকপ্টার পাঠাচ্ছি!
এখানে আর ব্যাখ্যায় যাই না বুদ্ধিমান পাঠক বুঝে গেছেন, এখানে আলাপচারিতা গে সংক্রান্ত! সে ভিন্ন আলোচনার বিষয়। কিন্তু আমার আপত্তি হচ্ছে, পাগলাগারদে রাতের বেলায় ফোন কেন দেওয়া হয় যে তারা-কেউ খান সাহেবকে রাত ৪টায় ফোন করে। চুতিয়া কোথাকার!
এই যে আরেকজন, ইনি মুভি দেখে বের হয়েছেন! 'সো-কল্ড সাংবাদিক' প্রশ্ন করছেন, ছাড়াছাড়ি নাই!
আইনে এমন ব্যবস্থা থাকলে একে গ্রেফতার করে সোজা নিতে হবে দুদক অফিস।
এই যে, আরেক 'মহিলা মাওলানা'। ইনি যেমন ধার্মিক তেমনই আবার সাংসারিকও!
আমি নিশ্চিত, আমার এই মন্তব্যের কারণে নারীবাদীরা আমার উপর ক্ষেপে যাবেন। তাঁদের বাকস্বাধীনতা—শরীর স্বাধীনতা—ফ্যাশন স্বাধীনতা মারাত্মক ক্ষুন্ন হয়! শোনেন, বাকস্বাধীনতা মানে এই না আপনি একটা পাবলিক প্লেসে, একটা থিয়েটারে-সিনামা হলে মজাচ্ছলে আগুন-আগুন বলে চেঁচাবেন! আপনার এই আচরণে পদপিষ্ট হয়ে নারা যেতে পারে বিস্তর মানুষ!
তেমনি 'ফ্যাশন-স্বাধীনতা' মানে এই না যে আপনি মাথায় ওড়না-চাড্ডি বেঁধে ঘুরবেন! আপনার ভাল লাগলে আপনি টি-শার্ট পরেন, সমস্যা নেই। কেউ বলছে না আপনি আপাদমস্তক কাপড়ের বস্তায় মুড়িয়ে বের হন।
'বেধড়ক স্টাইলিশ' লোকজনেরা, আপনাদেরকে কথাটা কানে-কানে বলি, কেন করেন এইসব, 'ইয়ে অ্যাপিল' তো? শোনেন গো, দিন-রাত, আলো-অন্ধকার প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ নইলে সবই দিন হত, ফকফকা! রাত নেই—কোথাও কোন রহস্য নেই—জরিনা আর ক্যাটরিনার মধ্যেও কোনও তফাত নেই!
প্রত্যেকটা সমাজব্যবস্থায় কিছু রীতিনীতি, ভ্যালুজ থাকে, আপনি সামাজিক-কেউ হলে মিনিমাম ঔচিত্যবোধ আপনার মধ্যে থাকলে তা মেনে চলা উচিত।
এখানে আমি একটা অন্য উদাহরণ দেব।
*কিছু জন্তুদের নিয়ে আগেও লিখেছিলাম। পুনরাবৃত্তি করি না আর!
এই সমস্ত জন্তুদের খাঁচায় আটকাতে হবে: https://www.ali-mahmed.com/2026/03/blog-post_13.html?m=1
** এই লেখা অসমাপ্ত। কালে-কালে 'বমনযোগ্য উপকরণ' যোগ দেবেন এখানে।
হাদিসের আলোকে তৎকালীন সময়ের দাস-দাসী!
Wednesday, June 17, 2026
স্বাস্থ্যমন্ত্রী অর্বাচীন সিদ্ধান্ত এবং আইনের শাসন!
এটা তো সুস্পষ্ট আইনের ব্যতয়! দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ২০২: তথ্য গোপন। এর জন্য শাস্তি? সাধারণ অপরাধে ৬ মাস জেল/জরিমানা। মৃত্যুদণ্ড/যাবজ্জীবন অপরাধে ২ বছর জেল/জরিমানা।
আবার দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ২১৭: সরকারি কর্মচারীর গাফিলতি!শাস্তি? ২ বছর জেল/জরিমানা উভয় শাস্তি।
দাঁড়ান-দাঁড়ান, আরও আছে! দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এ ধারা ২১: দুর্নীতির তথ্য গোপন করলে ৩ বছর জেল, জরিমানা!
নাকি, মন্ত্রী বাহাদুরদের জন্য অন্য আইন!
Tuesday, June 16, 2026
রাজনীতি এবং...: সেকাল-একাল!
একাল: ভয়ংকর অস্ত্র বলা যাবে না তবে বোমা-অস্ত্র বানাবার বই ধরা পড়েছে—হাসিনা, কাদেরকে নিয়ে লেখা বই! আস্ত ২ জন ম্যাজিস্ট্রেট লেগেছে বমাল ধরতে!
সেকাল: ওই বইগুলোর নাম ছিল জঙ্গি-বই! বইগুলো সামনে রেখে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের ছবি তোলা হতো!
(প্রশ্নকর্তার উদ্দেশ্যে) উনি বললেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মানুষ মারা গেছে। আবার উনি বললেন, লোডশেডিং হচ্ছে। বিদ্যুৎ থাকে বলেই তো বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়! তাহলে লোডশেডিং হয় কেমন করে...!
১৭ কোটি মানুষের বিদ্যুৎ আওয়ামীলীগ দিয়েছে। বন্ধ করে দেই?
এখানে তারেক জিয়া আসার পূর্বে অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছিল কিন্তু তিনি আসামাত্রই বৃষ্টি থেমে গেছে...!
এটুকু বলে বৃষ্টির মত তিনিও থেমে গেলে ভাল ছিল কিন্তু এই কথার পর তিনি যোগ করলেন, এটাই হচ্ছে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়ার সন্তান আল্লাহর রহমত!
সেকাল: আমাদের এক 'জিন্দা অলি' ছিলেন! কথায়-কথায় ধর্ম কপচাতেন:
হোমো এরশাদ! কমবেশি সবাই পাজি হয় কিন্তু এই লোক 'পাজিমির' কোন সেক্টর ছাড়েননি[১],[২],[৩],[৪],[৫],[৬][৭],[৮],[৯],[১০],[১১! খুন-হত্যা-কারাবাস, নারী কেলেংকারী মায় সাহিত্য-কবিতায়ও! একবার বললেন,
কোন রাষ্ট্রপ্রধানের প্রার্থনায় বৃষ্টি এসেছে, আমি এরশাদের প্রার্থনায় বৃষ্টি নেমেছে।
একাল:
একাল: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক 'গান-ঘান' শোনান, শোনাবেনই—ছাড়াছাড়ি নাই!
সেকাল: সেকালে একজন মাহফুজুর রহমান নামের গাতক ছিলেন। তিনিও 'গান-ঘান' গেয়ে বেড়াতেন:
সূত্র:
২. মদ্যপ এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2016/05/blog-post_27.html৩. অন্ধকার থেকে এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2011/06/blog-post_4419.html৪. বাপ এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2014/02/blog-post_6.html৫. শাসক এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2010/05/blog-post_3701.html৬. 'কোবি' এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2009/03/blog-post_09.html৭. জিয়া-মন্জুর-এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2013/05/blog-post_23.html৮. প্রেস এডভাইজ, এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2011/07/blog-post_17.html৯. ফ্রিডম অভ স্পিচ, এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2019/07/blog-post_15.html১০. পাকিস্তানে এরশাদ: https://www.ali-mahmed.com/2010/03/blog-post_03.html১১. সাহাবুদ্দিন আহমদ: https://www.ali-mahmed.com/2009/02/blog-post_9839.html



























