প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার অতীত নিয়ে, ১৭ বছর লন্ডনে থাকা নিয়ে আলাপে যদি না যাই তাহলে আমি বলব তাঁর শুরুটা খুবই চমৎকার ছিল। আমরা অতিরিক্ত আশাবাদী হয়ে পড়েছিলাম!
অবশ্য মিনমিন করে এটাও নোকতা আকারে যুক্ত করা হয়েছিল, তাঁর আশেপাশের লোকজনেরা তাঁকে ভাল থাকতে দেবে না! কিন্তু এটা যে এত দ্রুত হবে তা কল্পনাতীত!
তাঁর যেমন অনেক সবল দিক আছে—অনুমান করি, দুর্বল দিক সব ছাপিয়ে যাবে। আশেপাশে অনেকেই আছেন যারা তাঁর গুরুজন—তাঁর মা'র সময়ে ছিলেন। কঠিন হওয়া তাঁর জন্য কঠিন!
বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর কেবল একটা পদ না, একটা প্রতিষ্ঠান—একটা প্রতিষ্ঠানকে রাতের আঁধারে গুড়িয়ে দেওয়া চলে না। তেমনই বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন গভর্নরকে এভাবে বের করে দেওয়া যায় না!
আহসান এইচ মনসুরকে যে ভঙ্গিতে বিদায় দেওয়া হলো তা কেবল নজীর বিহীনই না, অসভ্যতা–অন্যায়!
এই গর্ভনের সময়ে মানুষ ব্যাংগুলোর উপর আস্থা ফিরে পেয়েছিল, রেমিটেন্স যোদ্ধারা ঝাপিয়ে পড়ে টাকায় দেশ সয়লাব করে দিয়েছেন আমি এই সমস্ত কু-তর্কে যাব না।
ধরে নিলাম, এই গর্ভনরের অনেক অনাচার নিয়ে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন, কোন সমস্যা নেই। পদত্যাগ করান, তথ্য-উপাত্তের ভিক্তিতে বিচার করুন, ফায়ারিং-স্কোয়াডে হাজার রাইফেল তাক করুন, কোন সমস্যা নেই।
কিন্তু নির্বাচিত সরকারের সময় এমন বিদায়, তার উপদেষ্টা আহসান উল্লাহকে যারা ব্যাংক থেকে বের করে দিল এরা কি 'মববাজ' না! সিরিয়াসলি, একটা নির্বাচিত সরকারের সময়? মব, তাও বাংলাদেশ ব্যাংকে!
স্বয়ং অর্থমন্ত্রী বলছেন তিনি জানেন না:
তখন জিয়াউর রহমানের সময়। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বিক্ষোভ করে সমস্ত দেশের ব্যাংকগুলো অচল করে দিলেন। এদেরকে বাবা-সোনা বলে অনেক বোঝাবার চেষ্টা হলো যে একটা জরুরি প্রতিষ্ঠান এভাবে বন্ধ রাখা যায় না। লাভ হলো না! জিয়াউর রহমান সবগুলোকে ছাঁটাই করলেন। এরপর দেশের অন্যরা মরা সাপের মত সোজা...!... ... ...
আরেকটা ঘটনা ঘটেছে, অহেতুক-হুদাহুদি! এ সত্য, মোহন রায়হানের নাম আগে কখনও শুনিনি! পরে খোঁজ নিয়ে দেখলাম, দুধে ভাসা মাছি—সব দুধই ভাসে। সবই সত্য কিন্তু লেজেগোবরে করে আম-জনতার হাতে ক্ষুর তুলে দেওয়া যায় না।
আজব, দমাদম করে কেউ এভাবে কফিনে পেরেক ঠোকার কাজ করে!
অনুমান করি, বাই এনি চান্স, জনগণের হইচই-এর কারণে মোহন রায়হান নামের এই ব্যক্তিত্বহীন মানুষটাকে পরবর্তীতে পুরষ্কার দেয়া হলে তিনি প্রত্যাখ্যান করবেন না।
অথচ এই সমস্ত অনাচারের আড়ালে ঢাকা পড়ে গেছে কী অসাধারণ, চোখ ভিজে যাওয়ার মত একটা উদ্যোগ!
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষকের কৃষি-ঋণ সুদে-আসলে এই সরকার মওকুফ করে দিয়েছে। ভাবা যায়! এতে ১২ লক্ষ কৃষক উপকৃত হবেন—প্রকারান্তরে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ! (একটা পরিবারে অন্তত ৫ জন সদস্য ধরলে)
... ... ....
এই যে আরেকটা। একজন হাই-কমিশনারকে সরিয়ে দেওয়া হবে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু, এভাবে!
এই ভদ্রলোক নাকি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা! যে ভাষা, যে দেহভঙ্গি—একটা এয়ারপোর্টে হেঁটে-হেঁটে যে ভংগিতে একজন হাই-কমিশারকে বহিষ্কার করছেন তা অকল্পনীয়! ... ... ...
ফ্যামেলি কার্ডের মাধ্যমে বস্তিতে বসবাসরত নিম্নবিত্ত লোকজনেরা ২৫০০ টাকা করে পেয়েছে। কী খুশি এরা! কত অল্পতেই না এরা খুশি হয়: