Search

Showing posts with label দু:স্বপ্নের ফেরিওয়ালা. Show all posts
Showing posts with label দু:স্বপ্নের ফেরিওয়ালা. Show all posts

Saturday, July 11, 2020

Catch me if you can!

শাহেদনামা:
শাহেদ নামের এই মানুষটার একটা ঠ্যাং আমার। আরে না, এটা মুরগিসংক্রান্ত ঘটনা না যে কপাকপ করে খেয়ে ফেললাম। কসম, ভরা-বাজারে সবার সামনে ঠ্যাং ধরে কদমবুসি- সালাম করার জন্য। শাহেদ স্যারকে নিয়ে যদি মুভি তৈরি করা হয়, 'আমি শাহেদম্যান, ক্যাচ মি মাই ঠ্যাং', এটার পাশে হলিউডের 'ক্যাচ মি ইফ ইয়্যু ক্যান'  দাঁড়ানো দূরের কথা এক টেবিলে বসতে সাহস করবে না!

Wednesday, February 25, 2015

নৈতিক-অনৈতিক এবং আমার ব্যাখ্যা।

এই লেখাটার প্রেক্ষিতে [১] কেউ-কেউ ভিন্ন মত পোষণ করেছেন কেউ আবার আমাকে মাহমুদুর রহমান মান্নার সাগরেদ বানিয়ে দিয়েছেন! বাপুরে, চোর-ডাকাতের সাগরেদ বানিয়ে দিন বুকে কষ্ট চেপে তবুও নাহয় মেনে নেব কিন্তু রাজনীতিবিদদের সাগরেদ হতে যাব কোন দুঃখে! এদের সাগরেদ হওয়ার দুঃস্বপ্নে চোখ বন্ধ করে ফেলি, ভয়ে।

আমি ওই লেখায় বলেছিলাম, “...রাষ্ট্র কখনও-কখনও কিছু কর্মকান্ড করে যেটা বাথরুম সমতুল্য যেটা প্রকাশ্যে দৃশ্যমান হওয়া অসভ্যতা-অশ্লীলতার পর্যায়ে পড়ে।
আরেকটু খোলাসা করে বললে রাষ্ট্র এটা করে তার নাগরিককে রক্ষা করার নামে। রাষ্ট্রযন্ত্রের একটি প্রতিষ্ঠান পুলিশ যখন কাউকে ধরে নিয়ে যায় তখন জিজ্ঞাসাবাদের সময় কেবল হালুয়া-পুরিই খাওয়ায় না এমন কিছু কায়দা-কানুন করে যেটা অনৈতিক। এখন এই কায়দা-কানুনগুলো যদি কোনও মিডিয়া ইতিবাচকভঙ্গিতে আমাদেরকে জানায় সেটা আমাদের জন্য অবশ্যই সুখের না। এটা তো মিডিয়ার কাজ না। মিডিয়া তো রাষ্ট্রের অন্ধকার দিকগুলো আলোকিত ভঙ্গিতে উম্মোচনের মুখপাত্র না।

রাষ্ট্র মান্নাকে বিপদজনক মনে করলে তাকে নজরদারিতে রাখবে কি রাখবে না বা কতটুকু সীমা লঙ্ঘন করবে সে ভিন্ন তর্কের বিষয়। ধরে নিলাম তাকে নজরদারিতে রাখা হলো, তার সমস্ত আচার-আচরণ তীক্ষ দৃষ্টিতে লক্ষ রাখা হচ্ছে। বেশ তো, প্রমাণাদিসহ রাষ্ট্র তাকে আটক করুক না। প্রয়োজনে আদালতে একটা কেন দশটা কথোপকথনের প্রমাণ দাখিল করুক, তাতে সমস্যা তো নেই।

যেটা আমি পুর্বের লেখায় লিখেছিলাম, “...তখন মনে হচ্ছিল এরা দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমানেরই যোগ্য চ্যালা।
আমার দেশের সম্পাদক কি করেছিলেন? তিনি বিচারপতির স্কাইপ সংলাপ বা থাবাবাবার নামে বিভিন্ন লেখা হুবহু তার পত্রিকায় ছেপে দিচ্ছিলেন, দাঁড়ি-কমাসহ। যেটা তিনি করতে পারেন না বলেই মনে করছিলাম। কিন্তু তিনি ওই অনৈতিক কাজটাই করেছিলেন।

মিডিয়া একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এরা ইচ্ছা করলেই যা খুশি তা করতে পারে না- যথেষ্ঠ ক্ষমতা ভোগ করার পাশাপাশি সীমাবদ্ধতাও আছে। আমি একজনকে ‘চু...ভাই’ বললাম আর মিডিয়া লিখে দিল তিনি ‘...ভাই’ বলেছেন এমনটা হয় না, অসমীচীন। তাই বলে কি মিডিয়া লিখবে না, লিখবে কিন্তু খানিকটা ঘুরিয়ে ‘অশ্রাব্য ভাষা’, ‘লেখার অযোগ্য ভাষা’ ব্যবহার করেছেন। পাঠক এতেই যা বোঝার বুঝে যাবে।
আর মিডিয়া যখন যেটা খুশি সেটা করলেই আমাকে মেনে নিতে হবে কেন? অন্য একটা উদাহরণ দেই। এখন পাবলিক প্লেসে ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা যত্রতত্র লাগানো হয় কিন্তু কয়টা জায়গায় এটা চোখে পড়ে যে প্রকাশ্যে এটা লিখে রাখা হয়েছে, ‘ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত’ অথচ এইটাই নিয়ম। কিন্তু তেমন কেউ নিয়মটা মানছে না বলে কি এটা নৈতিক হয়ে যাবে!

রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকান্ডের জন্য মান্নাকে গ্রেফতার করা হবে এতে কোনও সমস্যা নেই কিন্তু তাকে যে প্রকারে গ্রেফতার করা হয়েছে তা নৈতিকতার বালাই নেই বলেই প্রতীয়মান হয়। রাতে কাউকে আটক করার বিষয়ে আইনের ব্যাখ্যা কি এটা আইনজ্ঞ ভাল বলতে পারবেন। অন্য বিষয় বলি। ২০০৩ সালের ৭ এপ্রিল , ‘ব্লাস্ট বনাম বাংলাদেশ’ মামলায় বিচারপতি মো. হামিদুল হক ও বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ একটি রায় দিয়েছিলেন। রায়ে এও বলা হয়েছিল, হাইকোর্টের এ নির্দেশনা আপিল বিভাগেও বহাল থাকে। সেই রায়ে বলা হয়েছিল:
১. আটকাদেশ দেয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে না।
২. কাউকে গ্রেফতারের সময় পুলিশ তার পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে।
৩. অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির আত্মীয় বা কাছের কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের বিষয়টি অবহিত করতে হবে।

মান্নার গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কি এই নিয়মগুলো পালন করা হয়েছিল? সাদা পোশাকের লোকজনেরা কি তাদের পরিচয়পত্র দেখিয়েছিলেন? অবিলম্বে কি মান্নার আত্মীয়-স্বজনকে অবহিত করা হয়েছিল?
অবিলম্বে মানে কি ২১ ঘন্টা? আমরা জানি ২১ ঘন্টা পূর্বে এই দেশের কোন সংস্থাই এটা জানাতে পারেনি মান্নাকে কারা উঠিয়ে নিয়ে গেছে? কারও পরিবারের জন্য এ এক অবর্ণনীয়, ভয়ংকর এক অভিজ্ঞতা। আজ মান্নার বেলায় এটা হয়েছে বলে এতে উল্লসিত হওয়ার কোনও কারণ নাই।

আমার স্পষ্ট কথা, অপরাধ করে কোনও অপরাধি পার পেয়ে যাবে এটা আমার বক্তব্য না। মান্না নিরাসক্ত ভঙ্গিতে যে প্রকারে বিশ্ববিদ্যালয় অশান্ত করা এবং এই অশান্ত করতে গিয়ে খুন-খারাপির কথা বলেছেন সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ কিনা এর এখতিয়ার আদালতের কিন্তু আমাদের মত সাধারণ মানুষের জন্য এটা গভীর উদ্বেগের, ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে শ্বাস আটকে যাওয়ার জন্য যথেষ্ঠ। 
এবং এমনটায় রাষ্ট্র তাকে আটকাবার প্রয়োজন বোধ করলে আটকে রাখবে এতে অন্তত আমার কোনও কাতরতা নেই কিন্তু স্বচ্ছতা থাকুক এবং যার যার দায়িত্ব সেই পালন করুক সেটাই সবার জন্য মঙ্গল।

সহায়ক সূত্র:
১. নৈতিকতার বাবা মৃত, মা মৃতপ্রায়: http://www.ali-mahmed.com/2015/02/blog-post_24.html

Tuesday, September 29, 2009

ধুতুরাকে যে নামেই ডাকা হোক...

নাম পাল্টালে কী আসে যায়? রাজা মিয়া নামের মানুষকে দেখেছি ডাকপিয়নের কাজ করতে, ফকির চাঁদ নামের মানুষটা টাকার বস্তায় গড়াগড়ি খান। ধুতুরার নাম পাল্টালে কী গোলাপ হয়, হয় না? নিয়ম নাই‍!

মৃত্যুকে যে নামেই ডাকা হোক তা মৃত্যুই থেকে যায়, সে আপনি ক্রসফায়ার বলুন বা আত্মহত্যা কিংবা ফাঁসি (এরশাদ সাহেবের আমলে
মিরপুরের ১২ বছরের বালককে ফাঁসির নামে খুন করা হয়েছিল, কর্নেল তাহেরকেও)। এই যে দেশে লাগাতার ক্রসফায়ার হচ্ছে কাহিনী কিন্তু একই, বুলেট পরস্পরকে ক্রস করার সময় বুক চিতিয়ে দেয়া মানুষটার না-মরে উপায় থাকছে না! বিডিআরদেরও দেখছি একই কাহিনী, ফট করে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বা দুম করে এরা আত্মহত্যা করে বসছেন। নিজেকে নিজেই মেরে ফেললে-আত্মহত্যা করলে কার কী বলার আছে? একটা কিন্তু থেকেই যায়।

বিডিআর সদস্যরা আদালতকে জানিয়েছেন, 'পিলখানার ভেতরে জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। অনেকে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন'।
গোল্ডা মায়ারের সেই বিখ্যাত উক্তিটা আবারও শেয়ার করি, 'নিজের হাতে হত্যা করা এবং হত্যার সিদ্ধান্ত দেয়ার মধ্যে কোন ফারাক নাই'। তেমনি কাউকে আত্মহত্যা করার জন্য প্ররোচিত করা, ঠেলে দেয়া আর খুন করার মধ্যে খুব একটা ফারাক আছে কী?

বিডিআর বিদ্রোহের পর এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে যাদের সম্বন্ধে বলা হচ্ছে হৃদরোগ, আত্মহত্যা ও নানা অসুস্থতাজনিত রোগ। কেবলমাত্র ২ বিডিআর সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হচ্ছে। ফরেনসিক রিপোর্টে এদের নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আমরা এখনও সবটুকু জানি না হয়তো কখনও জানা হবে না, এই নারকীয় তান্ডব, ভয়াবহ-নৃশংস কান্ডটা কেন ঘটেছিল। এর পেছনে চেনা-অচেনা, কোন আকৃতির দানব, কেমন প্ররোচনা, কবেকার ক্ষোভ কাজ করেছে! বিডিআরের পোশাক পরা একজন মানুষ কেন দানবের ভূমিকায় অভিনয় করল?

আমি জানি না, এদেশের কোন মনোবিদ এদের মস্তিষ্কে উঁকি মেরে দেখেছেন কিনা- কোন নিতল থেকে এমন নৃশংসতা উঠে এলো, কেন এলো? অভাগা দেশ- আমাদের এতো সময় কোথায়! আমরা কখনও বিষবৃক্ষটার খোঁজ করি না, কয়টা ফল ধরল এই নিয়ে হইচই করে বিচি মাথায় তুলি।

সামান্য একটা ছবি কী নারকীয় তান্ডব ঘটাতে পারে এর খোঁজ রাখার সময় কোথায় আমাদের। ক-দিন পূর্বে জুইশ ওরফে ইসরাইল কর্তৃক যে শোডাউন করা হয়েছে এর যেসব ছবি আমরা দেখেছি আধুনিক মিডিয়ার কল্যাণে- এদের ধারণা মুসলমান মানেই টেররিস্ট! আমি নিশ্চিত পুতুপুতু টাইপের একটা বালকের হাতেও যদি ক্ষমতাটা দেয়া হয় সে কালবিলম্ব না-করে ইসরাইল নামের দেশটি পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলবে।
অথচ ১৯৯৪ সালে মাত্র কয়েক মাসে রোয়ান্ডায় ১০ লাখ মানুষকে অতি নৃশংসতায় হত্যা করা হয়েছে কিন্তু এ নিয়ে আমরা খুব একটা আবেড়তাড়িত হইনা কারণ বিভিন্ন কারণে ভয়াবহতার আঁচ আমাদের গায়ে লাগেনি।

*এই লিংকটা কেন দিলাম এটা আমি নিজেও জানি না। সম্ভবত মনের ভুলে...।

Friday, January 18, 2008

একজন দু:স্বপ্নের ফেরিওয়ালা...

একজন মানুষ কেমন করে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা থেকে দু:স্বপ্নের ফেরিওয়ালা হয়ে পড়ে? সাধে কী?
গত বছরের মাঝামাঝি মুখোমখি হলাম সীমাহীন বিপর্যয়ের! ঝপ করে চোখের সামনে নেমে এলো একগাদা বাজে ক্ষণ- চোখের মনি মাখামাখি হয়ে গেল নিকষ কালিতে!
বড় ধরনের আর্থিক বিপর্যয়। এমন সমস্যা অনেকটা গোপন অসুখের মত, চট করে কাউকে বলা যায় না। বললে কেউ না আবার ভেবে বসেন: এইরে, এই বুঝি কোন হেল্প চাইবে!
টানেলের শেষ মাথায় কোন আলো নাই, অল্প আলোও শুষে নেয় অন্ধকার। আমি বিমর্ষ মুখে ঘুরে বেড়াই। পৃথিবীর যাবতীয় কিছুই অর্থহীন মনে হয়। কেমন বদলে যেতে থাকলাম। আগে ফান করে নিজেকে পোকামানব বলতাম- সত্যি সত্যিই পোকামানব বনে গেলাম।
সামনে বই-মেলা, ডেড লাইন পেরিয়ে যাচ্ছে। আমি নিরাসক্ত ভংগিতে ভাবি, গোল্লায় যাক বই-মেলা। আমার ছাতাফাতা লেখার জন্য কে মুখিয়ে আছে, আবর্জনা সৃষ্টি না করলে আটকাচ্ছে কে!

মড়ার উপর খাড়ার ঘা, নাকি খাড়ার উপর মড়ার ঘা? বছরের শেষের দিকে বুলডজার চলে এসেছে আমার বাড়ি ভেংগে দিতে। ব্রিটিশ আমলে এটা নাকি রেলওয়ের জায়গা ছিল- এই দীর্ঘ বছর পর এরা এক্ষণ আবিষ্কার করেছে জায়গাটা তাদের! ব্রিটিশ আমলে নাকি কারা কারা ভুল করে গেছে। বেশ যাহোক, এই জের আমাকে বইতে হবে কেন? তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম নাহয় কিন্তু ভাংতে হবে কেন?
বুলডজারের সামনে কলম বড় হাস্যকর একটা ঢাল, আমার মত কলমবাজের এই কলম ছাড়া আছেই বা কী! আমার অবস্থাটা দাড়াল পিংপং বলের মত- এখান থেকে ওখানে, ওখান থেকে এখানে। যেসব মানুষদের কাছ থেকে শত-হাত দূরে থেকেছি তাদের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকি। দু-কলম লেখার চেষ্টা করি বলে প্রথম শ্রেণীর একজন কর্মকর্তা আমাকে শেখান সাহিত্য কি। আমি শিখি- সময় আমাকে শেখায়। ইনি নাকি সময়ের অভাবে সাহিত্য প্রসব করতে পারছেন না- নইলে এই দেশে হাংগামা করে ফেলতেন!
পিংপং বলের গতির সংগে যোগ হয় টাকা চালাচালি। আমাদের এই কর্মকর্তা কাম নব্য সাহিত্যিক অভব্যর মত অন্যায্য টাকা নেন, এতে তার কোন লাজ নাই, আমারো। আমি একজন পোকামানব নির্বিকারচিত্তে টাকা দেই...ভয়ে নিজের চোখের দিকে তাকাই না।

হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়ে রিটের আবেদন করলে হাইকোর্ট নিষেধাজ্ঞা দেন কিন্তু এখানেও কাহিনীর শেষ নাই। আজ আর এটা নিয়ে বলতে ইচ্ছা করছে না- হয়তো অন্য কোন সময়।
তো, আমি ভোরে শীতে কাপতে কাপতে ঢাকা যাই- অপেক্ষায় থাকি ন্যায়ের জন্য। নিজের সংগে অভিমান কি না জানি না অভুক্ত থাকতেই ভাল লাগে। পা ছড়িয়ে বসে থাকি অভুক্ত, শ্রান্ত, বিষণ্ন, বিমর্ষ। পা ছড়িয়ে কাদতে পারলে বেশ হতো- পুরুষ মানুষদের নাকি কাদতে নাই, নিয়ম নাই। কাদলেও চট করে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারাই বড় কথা।
প্রকাশক ফোন করে বলেন, ভাল খবর, আপনার বইয়ের কাজ শেষ। আমি উদাস হয়ে বলি, বেশ! একদিন বললেন বইয়ের ব্যাক-কভারের জন্য কিছু লিখে মেইল করে দেন। আমি কেমন করে বলি মেইল দূরের কথা একটি বাক্য, শব্দও আমার মাথায় নাই।
একদা অবলীলায় বলতাম, আমি এ দেশ ছেড়ে কোথাও যেতে চাই না, পৃথিবীর সবচে সুন্দর দেশেও না। কিন্তু আজ পারলে এই দেশ, সম্ভব হলে এ গ্রহ ছেড়ে যেতে একপায়ে খাড়া- আজ নিজের প্রাণটা বড় তুচ্ছ মনে হয়...
WhatsApp