Monday, April 30, 2018

মধু! মধু!!



Sunday, April 29, 2018

'লেখুড়ে'।

নেপালে আমাদের বিমান মুখ থুবড়ে পড়ল। চোখের নিমিষেই নরক! বিমানের চারপাশ জুড়ে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। আমাদেরই কারও-না-কারও স্বজনের চামড়া চড়চড় করে পুড়ছে, শ্বাসনালি পুড়ছে। আমাদের চারপাশে হু হু করে বাতাস বয় কিন্তু এই মানুষগুলোর গোটা শরীর জুড়ে অন্য ভুবনের কষ্ট- তাঁরা এক ফোঁটা বাতাসের জন্য হাহাকার করছেন।
পরে আমরা জেনেছি কারও-কারও শতভাগ চামড়া পুড়ে গোটা শরীর অঙ্গার হয়েছে। স্রেফ কয়লা! অতি প্রিয় মানুষটিকেও চেনার উপায় নেই! কারও শরীরের ৩০, ৫০, ৮০ ভাগ চামড়া পুড়ে গেছে।

ওদিকে খুব কাছাকাছি সময়েই মিরপুর বস্তিতে আগুন ধরে হাজার-হাজার পরিবার নিঃস্ব হল। নোংরা ওয়াসার পানির সঙ্গে মিশে যায় তাঁদের চোখের জল। ঠিক তখন, ঠিক তখনই, একজন, একজন ‘লেখুড়ে’ এই লেখাটা দিলেন হাসতে হাসতে, বিমল আনন্দের ইমোসহ।
লেখার মোদ্দা কথা হলো, এক রাজনৈতিক নেতার জামিন হওয়ার সম্ভাবনা দিয়েছে। এবং এই সম্ভাবনা হতে-না-হতেই এই প্রলয়কান্ড ঘটে গেছে। কোনও উপায়ে এই রাজনৈতিক নেতা মুক্ত হয়ে ক্ষমতায় গেলে দেশের আকাশ ভেঙ্গে পড়বে। ব্লা-ব্লা-ব্লা। বাহ, কী চমৎকার ভাবনা, গ্রে মেটার-ইয়েলো মেটার জড়াজড়ি হওয়ার কুফল! শোনো কথা, সাধারণ একজন মানুষের কারণে নাকি আকাশ থেকে প্লেন ঝুলে পড়ে, আপনা-আপনি আগুন ধরে সব ছারখার হয়ে যায়। ‘লেখুড়ে’ মহোদয়ের ওই লেখায় আবার আল্লাহ-খোদার দোহাইও আছে! বাহ…! ভারী খোদাভক্ত মানুষ দেখছি।
কারও-কারও কাছে আলোচিত এই রাজনৈতিক নেতার অসংখ্য কর্মকান্ড নিয়ে সমালোচনা করার মত রসদ থাকতেই পারে কেউ সেসব নিয়ে সমালোচনা করতেই পারেন সে ভিন্ন প্রসঙ্গ, কিন্তু…!

‘রসিকমানুষ’ টাইপের লোকজনেরা এটাকে রসিকতা বলার চেষ্টা করলে আমি বলব ওই সময়ের জন্য এটা অতি কদর্য রসিকতা। মূহ্যমান- শোকার্ত হাহাকারকরা একটা দেশের অক্সিজেন পাইপে পা রেখে আর যাই হোক রসিকতা করা চলে না। তারপরও ‘লেখুড়ে’ ‘রসিকমানুষ’ কেউ এটাকে রসিকতা বলে কস্তাকস্তি করলে আমি তাদের সঙ্গে কুস্তি লড়তে যাব না কেবল ‘তাজুরবার’ হাত ধরে বলব, আগুনে যখন চামড়া পোড়ে অনুভূতিটা কেমন লাগে কোনও প্রকারের কি কোনও ধারণা আছে, মহোদয়গণ? নাই?
অাহা, এর জন্য নেপাল বা মিরপুরে ‘ভরমন’ করার প্রয়োজন নাই মাত্র ১০ সেকেন্ড নিজের চামড়ায় একটা জ্বলন্ত সিগারেট ঠেসে ধরলেই হবে? ইয়ে কেমন লাগছে- অনুভূতিটা কেমন? মজা, না?

এই ব্লগস্ফিয়ারে বিশেষ করে ‘ফেসবুক’ নামের এই লেখালেখির জায়গাটা একেবারেই ভিন্ন। এখানে অনেকে যা-খুশি লিখে দেশ উদ্ধার করেন এবং কেউ-কেউ অল্প সময়েই একেকটা স্টার বনে যান। এদের জাঁক করার নমুনা শুনলে আকাশের স্টার গড়িয়ে পড়বে- চলমান একেকটা স্টার যে। আমরা পুরনো পাপী যারা তারা এইসব খানিকটা উদাসীন দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করি। যাক, বঙ্গালের লেখার জায়গা নেই যে-কোনও প্রকারে লিখছে যখন, আহা লিখুক না। লিখছে তো…।
তো, এদের নিয়ে শব্দের অপচয় করাটা আমার কাছে মস্ত বেওকুফি- এখানে শব্দকৃপণতা না করে উপায় নেই।

কিন্তু এই ‘লেখুড়ে’ মহোদয়ের বেলায় এই কৃপণতা খাটে না। যতটুকু জানি এই মানুষটা বৈদেশে লেখাপড়া করেছেন। সো কল্ড উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করার প্রয়াস করেছেন। এবং পূর্বেও বিভিন্ন ব্লগস্ফিয়ারে লিখেছেন। তো, তার ওই লেখাটা (স্ক্রিণশট:১) পড়ার পর কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। আবার সহৃদয় কেউ-কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইডি কী হ্যাক হলো রে?

না, ভুল। তারও পূর্বে বিভিন্ন সময়ে লেখুড়ে মহোদয় যে সমস্ত লেখা লিখেছেন ওখান থেকে একটা উদাহরণ দেই।
এর সারমর্ম হলো ডায়াপার পরার সময় থেকেই বেদম শখ ডায়াপারের পকেটে(!) কোন এক বিচিত্র উপায়ে নিউক্লিয়ার বোমা পেয়ে গেলে তিনি পাকিস্তানের একটি শহরকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতেন।
এ সত্য, পাকিস্তানি আর্মি নামের চলমান দানবদের কোনও প্রকারেই যোদ্ধা বলা চলে না। অন্তত আমি পাকিস্তানি আর্মিকে যোদ্ধা বলে স্বীকার করি না, এরা ছিল একেকটা সাইকোপ্যাথ, দানব! আফসোস, এদের সহযোগীদেরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো গেলেও এদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যায়নি! আফসোস, মর্মান্তিক আফসোস! আজ এদের অনেকেই জীবিত নেই- অধিকাংশই বয়সের ভারে ন্যুব্জ, অনেকেই মরে ভূত।

সবই সত্য কিন্তু এই মানুষটা এখন, এই সময়ে এসে ঠান্ডা মাথায় একটি শহরের ৩০ লক্ষ যুবা, শিশু, মহিলা যাদের অধিকাংশই ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জন্মায়নি তাদের সবাইকে মেরে ফেলতে চাচ্ছেন। এমন একটা ভাবনা একজন মানুষের হয় কেমন করে! এ যে মানবের খোলস খুলে দানবে রূপান্তরিত হওয়ার চেষ্টা মাত্র। এ যেন দানবের জয় মানবের পরাজয়!

যে-কারও দেশপ্রেম থাকাটা খুব জরুরি। দেশপ্রেম হচ্ছে একটা মা’র মত। কিন্তু তীব্র মমতায় মাকে এতটা জোরে আঁকড়ে ধরা চলে না যেন দমবন্ধ হয়ে মা’র মৃত্যু হয়…।

Thursday, April 26, 2018

ধারা ৫৭...।

দেবতা তবুও ধরেছে মলিন ঝাঁটা
স্পর্শ বাঁচিয়ে পুণ্যের পথে হাঁটা” (অমিয় চক্রবর্তী)

লোকজন দেবতার হাতেও ঝাঁটা ধরিয়ে দেন। শোনো কান্ড, তাও মলিন ঝাঁটা। আহা, দেবতার যেখানে ছাড় নেই সেখানে মানুষ কোন ছাড়! হোমার সামটাইমস নডস- দেবতারও ভুল হয়। কিন্তু এ এক বিস্ময়, এই দেশের মানুষের ভুল হওয়ার চল কোথায়, হলেও স্বীকারের সততা নাই। শোনো কথা, যেন মানুষ চলে যাবে সমস্ত সমালোচনার উর্ধ্বে!
আচ্ছা, গেলে কী হয়! যা হওয়ার তাই হয়- ফল হাতেনাতে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচকে বাংলাদেশ তার দন্ডটা শক্ত হাতে ধরে রেখেছে- আগের অবস্থান থেকে একচুল নড়েনি। এই জগদ্দল পাথর সরাবার সাধ্যি কার? দেব জান তবুও দেব না মান- ছাড়াছাড়ি নাই। বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে আমরা ১৪৬তম। পাকিস্তানের মত দেশও আমাদের চেয়ে ভাল অবস্থানে। হায় বাকস্বাধীনতা, হায়!
‘এক কাপ চায়ে দুই কাপ চিনি’ দিলে যা হয় তাই হচ্ছে। কার যে কেমন করে মান চলে যাচ্ছে এটা বোঝা খুব দুস্কর হয়ে যাচ্ছে। নিজ শিক্ষকের সঙ্গে বেয়াদবি করেন একজন সাংসদ আর মানহানী মামলা করলেন কিনা সাংসদের এক অনুচর। তিনি ১০০ কোটি টাকার মানহানীর মামলা করে দিলেন সাংসদের ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে [১]

হালে একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ৫৭ ধারায় মামলা করে দিলেন ফাহিম মাসরুরের বিরুদ্ধে। ব্যস, আর যায় কোথায়, পুলিশ ধরে নিয়ে গেল ফাহিম মাসরুরকে। পরে পুলিশ মাসরুরকে ছেড়ে দিয়েছে এ সত্য। কেন ছেড়ে দিয়েছে এটা বোঝার জন্য অবশ্য রকেটবিজ্ঞানী হওয়া লাগে না। তবে ছাড়ার পূর্বে মাসরুরের কাছ থেকে মুচলেকা রাখা হয়েছে। কেন, মুচলেকা কেন? একজন মর্যাদাশীল মানুষের জন্য এর চেয়ে অমর্যাদার কিছু নেই।
অবশ্য এর সদয় উত্তর দিয়েছেন এডিসি নাজমুল। তিনি জানিয়েছিলেন, “তার (মাসরুর) কাছ থেকে কিছু ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে…”। যাক বাঁচা গেল, বাজুকা-টাজুকা পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, “পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলে তাকে যাতে পাওয়া যায়, সেজন্য মুচলেকা রাখা হয়েছে”। (বিডিনিউজ২৪ডটকম, ২৫.০৪.২০১৮ ২১:৩৬:৫০ বিডি টাইম)।

যে মানুষটা আমাদের দেশে অতি পরিচিত, অতি সম্মানের এবং যে মানুষটার এই দেশের জন্য রয়েছে অসাধারণ-সব কাজ। সেই মানুষটা কী চোর-ছ্যাচ্ছড় যে ‘উঠল বাই দুম করে পালিয়ে যাই’…!

সহায়ক সূত্র:
১. খসে পড়ে...http://www.ali-mahmed.com/2018/03/blog-post_22.html

Tuesday, April 24, 2018

আমাদের নায়ক!

(আমাদের গল্প করার মত গল্প খুব কম তেমনি আমাদের জীবনে রিয়েল লাইফ হিরো আরও কম! যাদেরকে দেখিয়ে আমরা আমাদের সন্তানদেরকে বলতে পারি: ব্যাটা, ওই দেখ, মরদ একটা! হি ইজ সুপার, এক্সসেপশনাল... হি ইজ আ ভলকানো, আ হানড্রেড পারসেন্ট এক্সামপাল।)

আজকের অতিথি লেখক, Imran Choudhury তিনি এমনই একজন অসাধারণ মানুষকে নিয়ে লিখেছেন:
"১৮ বছর আগে ২০০১ সালের ১৬ এপ্রিল সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পদুয়ায় ভারতের কব্জা থেকে বাংলাদেশ কর্তৃক একটি ভূখণ্ড অতর্কিত আক্রমণের মাধ্যমে দখলমুক্ত করে পুনরুদ্ধার করার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বহুল আলোচিত পদুয়া-বড়াইবাড়ীর যুদ্ধের।

এর দুই দিন পর ভারত পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে পদুয়া থেকে আনুমানিক আড়াইশো কিলোমিটার দূরে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ীতে হামলা করে। সেখানেও ভারতের সামরিক পরাজয় ঘটে। আর বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ করে এমন এক যুদ্ধের, যেখানে প্রশিক্ষিত বিডিআর সৈন্যদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন ১৯৭১ সালে অস্ত্র সমর্পণ করা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। এমনকি ছমিরন নামের এক ষাটোর্ধ বৃদ্ধাও কুঠার বা রামদা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন আঙ্গিনায় অনুপ্রবেশকারী বিএসএফ সৈন্যদের প্রতিহত করতে।

৪/৫ দিন স্থায়ী এই যুদ্ধের ঠিক দুই মাস পরই তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার বিচারপতি লতিফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলো। অর্থাৎ সময়টি ছিল নির্বাচনের এবং অতীব স্পর্শকাতর। ফলে নির্বাচনী বছরে ঘটা এই যুদ্ধ নিয়ে কানাঘুষা শুরু হতে বেশি সময় নেয়নি। ব্যাপকভাবে ছড়ানো হয়েছিলো, নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগকে বেকায়দায় ফেলতেই এই যুদ্ধ ঘটানো হয়েছিলো। এটা এমনকি ২০১১ সালেও শুনতে পেয়েছি। সেই বছর স্বাধীন বাংলাদেশের চল্লিশতম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিবিসি বাংলা কতৃক আয়োজিত 'চল্লিশে বাংলাদেশ' নামের একটি সিরিজে স্বাধীনতার পরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে ২০০১ সালের বাংলাদেশ-ভারত যুদ্ধও আলোচিত হয়। সেখানে বিবিসির সাংবাদিক কাদির কল্লোল সরাসরিই ২০০১ সালের যুদ্ধের নায়ক জেনারেল ফজলুর রহমানকে জিজ্ঞেস করেছিলেন এই বিষয়ে।
এও অভিযোগ তোলা হয়েছিলো জেনারেল ফজলুর রহমান পাকিস্তান থেকে উৎকোচের বিনিময়ে এই যুদ্ধ লাগিয়েছিলেন। কিন্তু কথা হচ্ছে, যেখানে দুই দুইটি স্থানে যুদ্ধে ভারত বাংলাদেশের নিকট পরাজিত হয়েছিলো সেখানে কিভাবে বাংলাদেশ সরকার তার দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে?

যাই হোক, পাকিস্তানের কথা যখন আসেই তখন 'কাউবয় জেনারেলের' (এ নামেই জেনারেল ফজলুর রহমান পরিচিত ছিলেন) সঙ্গে পাকিস্তানীদের কতিপয় মজার ঘটনার উল্লেখ না করে আর পারলাম না। এটা ২০১৪ সালের দিকে শোনা। কিন্তু জেনারেল ফজলুর রহমান আমাকে ওই ঘটনা শেয়ার করতে নিরুৎসাহিত করায় এতদিন তা করিনি। তবে আজ মনে হয় সেই ঘটনা উল্লেখ করার সময় এসেছে! নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি যখন 'কাউবয় জেনারেল' ব্রিগেডিয়ার মনসবে ছিলেন তখন তিনি উচ্চতর প্রশিক্ষণে আমেরিকায় যাবার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতির কুচক্রে চাল করে তাঁর কোর্স আমেরিকার বদলে পাকিস্তানে বদলে দেওয়া হয়।
আর বাংলাদেশে অলিখিত দস্তুর হচ্ছে, যে অফিসার পাকিস্তান থেকে এনডিসি করে আসবেন তিনি প্রধান সেনাপতির পদের জন্য কার্যত অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। অর্থাৎ জেনারেল ফজলুর রহমানের ক্যারিয়ার ধ্বংস করার ছক কষা হয়ে গিয়েছিল।

যাহোক, পাকিস্তানের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে কোর্সে যোগদানের জন্য নিজের বৃত্তান্ত ঢাকাস্থ পাকিস্তানী হাইকমিশনে দাখিল করার সময় তিনি নিজের বৃত্তান্তে লাল বোল্ড ইংরেজি হরফে নিজের বিশেষ যোগ্যতা সম্পর্কে লিখেছিলেন, "PARTICIPATED IN THE WAR OF LIBERATION OF BANGLADESH ACTIVELY IN 1971 AS A MUKTI BAHINI CAMP COMMANDER"!

ইসলামাবাদে গিয়েও বেশ কয়েকবার তিনি পাকিস্তানীদের কয়েকবার হার্ট বিট মিস করান। স্থানাভাবে এমন দুটির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া যেতে পারে। কোর্স চলাকালীন সময়ে বিদেশী শিক্ষার্থীদের কান্ট্রি প্রেজেন্টেশনের সময় এনডিসিতে উন্মুক্ত আলোচনা হয়ে থাকে। উন্মুক্ত মানে উন্মুক্ত। এতে মত প্রকাশে কোন কূট-কৌশল অবলম্বনের ধার ধারতে হয় না। এমনই এক উন্মুক্ত আলোচনায় হল ভর্তি বিভিন্ন মনসবের বিভিন্ন দেশীয় অফিসারদের সামনে ব্রিগেডিয়ার ফজলুর রহমানের সামনে কতিপয় পাকিস্তানী অফিসারদের দিক থেকে বাঙ্গালীদের পাকিস্তান ভাঙ্গার দায়ে অভিযুক্ত করে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলা হয়।

তির্যক প্রশ্নের তির্যক জবাব দিতে গিয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল উল্লেখ করে জেনারেল ফজলুর রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে বেয়াড়া সংখ্যালঘিষ্ঠদের স্বেচ্ছাচারিতা থেকে পাকিস্তানকে রক্ষা করতেই বাঙ্গালীরা অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলো! অধিকিন্তু, তিনি মনে করেন বর্তমান পাকিস্তান বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং বাংলাদেশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে তিনি পাকিস্তানকে এখানে দাঁড়িয়ে ক্লেইম করতে পারেন! কেবল তাই নয়, তিনি মনে করেন বাংলাদেশের মত না নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের নাম বদলে কেবল পাকিস্তান রাখা আইন বহির্ভূত কাজ হয়েছে! এটা শুনে রাগে কাঁপতে কাঁপতে এক পাকিস্তানী অফিসার বলে ওঠেন, 'তাহলে পূর্ব পাকিস্তানের নাম বদলালো কেন'? তখন ফজলুর রহমান বললেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে বাঙ্গালীর সেই অধিকার রয়েছে, যা সংখ্যালঘিষ্ঠ হিসেবে পশ্চিম পাকিস্তানের নেই!

আর যায় কই! হল জুড়ে তীব্র হৈহৈ শুরু হয়ে গেল। অফিসারদের শান্ত করতে স্বয়ং এনডিসি কমান্ডেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ মকবুল উঠে দাঁড়ান এবং বলেন, "Gentlemen, I think Fazl has a point. I am agree with him!" এটা শুনে নাকি পুরো হল নিস্তব্ধ হয়ে গেছিলো। তবে এই ঘটনার পর জেনারেল ফজলুর রহমান বেশ কয়েকদিন কতিপয় পাকিস্তানী অফিসারের চোখের আগুনে ভস্মীভূত হতে থাকেন।

আরেকবার এরচেয়েও আরও স্পর্শকাতর বেজায়গায় আঘাত করেন তিনি। একবার এনডিসির রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস গ্রুপে 'Aim and Objective of Pakistan in 21st century' নিয়ে আলোকপাত করতে গিয়ে ব্রিগেডিয়ার ফজলুর রহমান ভারত বা পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তির বদলে কাশ্মীরের পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে মত দিয়ে পুরা এনডিসির মাথার উপরে আকাশ ভেঙ্গে ফেলেন! এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ অফিসাররা ফজলুর রহমানকে ঘেরাও করে প্রতিবাদ ও রক্তচক্ষু দেখানো শুরু করে। কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর কমান্ডেন্ট জেনারেল মকবুলের মধ্যস্থতায় ফজলুর রহমান ছাড়া পান। তবে তাকে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিতে হয়েছিলো, যার জন্য তিনি এখনো প্রায়ই দুঃখ করে থাকেন!

এই প্রসঙ্গ থাকুক, কথা শুরু হয়েছিলো ২০০১ সালের বাংলাদেশ-ভারত যুদ্ধ নিয়ে। সেই যুদ্ধের শেষে ভারত একটি সরকারী চিঠি দিয়েছিলো। সেই চিঠিতে নিঃশর্ত আলোচনার কথা ছিল। আমার মনে হয়, বিভিন্ন স্থানে থাকা ওই চিঠির অনুলিপি প্রকাশ করলেই ল্যাঠা চুকে যায়। এতে স্পষ্ট হবে, ওই যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো নাকি ভারত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো! কারণ পরে কিন্তু আমরা দেখলাম, জেনারেল ফজলুর রহমানকে প্রথমে বিডিআর থেকে বদলী করে বগুড়ার জিওসি করা হলো। ২০০১ সালের অক্টোবরে নতুন সরকার ক্ষমতাসীন হবার কয়েক মাসের মাথায় জেনারেল ফজলুর রহমানকে সেনাবাহিনী থেকেই বের করে দেয়া হলো।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে, তাঁকে পূর্ণ মেয়াদে চাকুরি করার সুযোগ দেয়া হলে, আর জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরীর পর ছয় জেনারেলকে ডিঙ্গিয়ে জেনারেল মইন উদ্দীন আহমেদকে প্রধান সেনাপতি না করা হলে, ২০০৬-০৭ সালে জেনারেল ফজলুর রহমানই হয়তো সেনাপ্রধান থাকতেন। সেক্ষেত্রে দেশের বর্তমান ইতিহাস আর যাই হোক ঠিক আজকের মতো থাকতো না...হয়তো!

*ছবি: এটা ২০০১ সালের যুদ্ধের পরের। তখন জেনারেল ফজলুর রহমান বগুড়ার ১১ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি। তাঁর মাথায় ছিল 'ট্রেডমার্ক কাউবয় হ্যাট'। এজন্য ভারতীয়রা তাঁর নিক নেম দিয়েছিলো 'কাউবয় জেনারেল'। আমি মনে করি, যে উদ্দেশ্যেই নামটি দেয়া হয়ে থাকুক না কেন এটা জেনারেল ফজলুর রহমানের সামরিক জীবনের একটি বড় প্রাপ্তি বটে।" Imran Choudhury

Sunday, April 22, 2018

ক্ষমতার দবদবা !


প্রায়শ আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চালু দুইটা বক্তব্য শুনি। একটা হচ্ছে: এই বিষয়ে জানা নেই। খোঁজ নিয়ে জানাব।
দ্বিতীয়টা হচ্ছে: এই বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি।

কেউ অভিযোগ করেনি, বাহ,বেশ তো! এই বিষয়ে পূর্বের এক লেখায় লিখেছিলাম, ধরা যাক, কোনো-এক এতিম খুন হলো। যেহেতু তার স্বজন কেউ নেই তো অভিযোগ করারও কোনও প্রকারের হ্যাপা নেই, ব্যস। এতিম বেচারা মরে বেঁচে গেল আর আমরাও শব-বাচা বেঁচে গেলাম!

প্রথম সিসিটিভি ফুটেজে চালু বক্তব্যের প্রথমটা অচল কারণ আমরা দেখতে পাচ্ছি ঘটনাটা ঘটার সময় ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
আর  দ্বিতীয় ফুটেজের ভয়াবহতা নিয়ে বলার কিছু নেই কারণ সবটা দূরের কথা খন্ডিত অংশ দেখাই অসম্ভব।    

Saturday, April 14, 2018

রঙিন চশমা!

কোটা সংস্কার নিয়ে দেশ যখন উত্তাল তখন আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে অনেক কিছুই লক্ষ করলাম। ‘বাংলা ট্রিবিউন’ নামের একটা ওয়েব পোর্টাল আছে। এদের যন্ত্রপাতি এতোটাই অত্যাধুনিক যে এরা তারেক রহমানের ফোনালাপও ফাঁস করে দিতে পারে। বিমল আনন্দে আমাদের চোখ ছোট হয়ে আসছে বলে আমাদের কারও এটা জানার আগ্রহ নেই যে কোন নিতল থেকে উঠে আসে এমন যন্ত্রপাতি যা যে-কারও ফোনের আদ্যপান্ত জেনে যেতে পারে। বালকবেলায় পড়া কবিতার প্রথম ছত্র মাথায় কেবল ঘুরপাক খায়, ‘পুত্র, আমি তোমার জন্য একটি বিষবৃক্ষ রোপণ করেছি…’।

তো, এই বাংলা ট্রিবিউনে মুহম্মদ জাফর ইকবাল মহোদয়ের একটা লেখা পড়ার সৌভাগ্য হল। “দাবি, আন্দোলন ও আন্দোলন প্রক্রিয়া” নামের এই লেখায় তিনি তাঁর ভাবনা নিয়ে লিখেছেন। তিনি কোটা সংস্কার সম্বন্ধে ভাল ধারণা রাখেন না লোকজন তাঁকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে, সরকারি মূল চাকরির ৫৬ শতাংশ নানা ধরনের কোটা।

আমরা সোজা ভাষায় যেটা বলি 'দা থেকে আছাড় বড়' এটার সংস্কার হতেই পারে এটা দোষের কিছু না। কোটা সংস্কারের পক্ষে-বিপক্ষে কেউ তাঁর ভাবনা প্রকাশ করবেন সেটা এখানে এই আলোচনার বিষয় না। কিন্তু তিনি প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যে বিষয়টি নিয়ে সেটা হচ্ছে, তিনি লিখেছেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদের সাত খুন মাপ, তারা যখন খুশি পুরো শহর, পুরো দেশের মানুষকে জিম্মি করে ফেলতে পারে, তাদের কারও কাছে জবাবদিহি করতে হবে না। ঢাকা শহরকে ছেলেমেয়েরা অচল করে দিয়েছে। …তাদের এই কর্মকান্ডে যে শিশুটি স্কুলে যেতে পারেনি, যে রোগীটি হাসপাতালে যেতে পারেনি, গার্মেন্টসের যে মেয়েটি কাজে যেতে পারেনি, যে রিকশাওয়ালা তার পরিবারের খাবার যোগাড় করতে পারেনি।…'। ব্লা-ব্লা-ব্লা।

স্যারের লেখাটা পড়ে আমার এক চোখে পানি এক চোখে জল চলে এলো। আহারে-আহারে, কী মায়া গো মানুষটার! ও ভালমানুষ গো, আপনি রঙিন চশমার কারণে তো জানেনই না যে এটাই হচ্ছে আমাদের খাসলত! আমরা রাস্তা ব্যতীত কোনও কাজ করতে পারি না। আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গফ করি, রাস্তায় বাজার বসাই, রাস্তা আটকে এটা-সেটা ফেলে রাখি এমনকি আমরা সমস্ত আবর্জনা রাস্তায় ছুড়ে ফেলি- টিব্যাগ, ছেঁড়া স্যান্ডেল, ফলের খোসা (আগেও আমরা অসভ্য ছিলাম। ময়লা ফেলতাম রাস্তার পাশে। এই দু-চার বছর হল এখনকার 'কলচর' হচ্ছে রাস্তার মাঝখানে ফেলা )। যখন পথচারি থাকি তখন যান্ত্রিক বাহনকে গালি দেই যান্ত্রিক বাহনে থাকলে পথচারিকে। রাস্তা বলতে কোনও জিনিস আমাদের অভিধানে নাই- টাট্টিখানার পেছন, এর-ওর বাড়ির পাশ দিয়ে হাঁটতে পারলেই আমরা সুখি। ফায়ার ফাইটিংয়ের গাড়ি বা অ্যামবুলেন্স নিয়ে মাথা ঘামাবার সময় কোথায় আমাদের।

এরপর বুঝলেন স্যার, খাসলত ছাড়িয়ে যায় ‘রাসলতে’। এই রাস্তা নিয়ে ‘রাস্তামি’ করতে আমাদেরকে শিখিয়েছেন আমাদের রাজনীতিবিদ মহোদয়গণ। কেউ বৈদেশ গমণ করবেন দাও রাস্তা আটকে তো কেউ কোর্টে হাজিরা দিতে যাবেন দাও রাস্তা বন্ধ করে। আর গণতন্ত্র রক্ষা দাবী-দাওয়া আদায়ের জন্য রাস্তা ব্যতীত জায়গা কোথায় আমাদের, বলুন! আহা, তাহলে আন্দোলন জমে না যে। বুঝলেন, কালে-কালে আমরা হয়ে গেলাম ‘রাস্তার লোক’!

যাই হোক, অন্য কেউ হলে আমি এই ‘রাস্তালাপে’ যেতাম না কিন্তু জাফর ইকবাল ভাজনেষু, এই বেলা ছেলেমেয়েদের রাস্তা আটকে রাখায় আপনার চটাচটি দেখে অনেকখানি বিভ্রান্তির মধ্যে আছি কারণ অন্য সময় রাস্তা নিয়ে ‘রাস্তামি’ কালে আপনাকে তো চটতে দেখিনি যে বড়! প্রধান দুটি রাজনীতিক দল বছরের-পর-বছর ধরে হরতালের নামে কেবল ঢাকা না গোটা দেশ অচল করে দিয়েছিল কিন্তু অমায়িক পরিহাস কেউই কিন্তু এক সেকেন্ড পূর্বেও ক্ষমতা ছাড়েনি।
আহ, সেই সময়কার রাস্তা! তখন হয়তো আপনি আপনার লম্বা-লম্বা পা ফেলে আকাশপানে তাকিয়ে রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করতে পেরেছেন কিন্তু আমরা সাধারণ মানুষ পারিনি, বুঝলেন। আমাদেরই কারও স্বজনের গা থেকে কাপড় খুলে বিবস্ত্র করে ফেলা হয়েছে তো কারও গায়ে পেট্রল বোমা, গানপাউডার দিয়ে ঝলসে ফেলা হয়েছে। চড়চড় করে যখন গায়ের চামড়া পোড়ে তখনকার অনুভূতিটার এক শতাংশও কী আমাদের পক্ষে অনুমান করা সম্ভব, ডিয়ার স্যার?
চুতিয়া মিডিয়া চালু করল 'ঢিলেঢালা হরতাল' [১]। সিম্পল, যে হরতালে একটাও লাশ পড়বে না সেই হরতাল তাদের ভাষায় বেজায় পানশে!

আপনি তো আবার আলাভোলা একজন মানুষ দেশ-দশের কোনও খবর রাখেন না তবুও একটু মনে করিয়ে দেই। আপনি যখন প্রথম আলো দৈনিকে ‘সাদাসিধে কথা’ নামে নিয়মিত কলাম লিখতেন সেই দৈনিকেই ১০ এপ্রিল ২০১৩ সালে শশী আক্তারের এই আহাজারিটা ছাপা হয়েছিল, ‘হরতালে মা মইরা গেল রে’। ঘটনা সামান্য। কিসসু না, রাস্তামির কারণে অ্যাম্বুলেন্স আসতে পারেনি!
হরতালের প্রসঙ্গ কেন এলো? এই আপনিই সাদাসিধে কলামে লিখেছিলেন, "তোমাদের কাছে ক্ষমা চাই" শিরোনামে, 'শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে হরতালের আওতামুক্ত রাখা যায় না? হরতালের দিনেও ছেলেমেয়েরা স্কুলে যাবে…'।

হোয়াড আ আইডিয়া, ম্যান! হরতালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আওতামুক্ত অতি চমৎকার-উপাদেয় বটে। প্রকারান্তরে আপনি হরতাল মেনে নিলেন কিন্তু চিঁ চিঁ করে যেটা বললেন, শিক্ষা জাতির মেরু-‘দন্ড’। ভাগ্যিস, আপনি এই দন্ডটার কথা বিস্মৃত হননি। আচ্ছা স্যার, বিশ্বশিক্ষক, সেই সময়ে একটা মেয়ে ঢাকা বা অন্য জেলা থেকে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবে ভর্তি পরীক্ষা দিতে। সে কি আপনার বিদ্যালয়ের পালকি দিয়ে আসবে নাকি তৎকালীন রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টারে করে? আচ্ছা, আপনি এটা কেন বললেন, নিজে একজন শিক্ষক বলে? একজন শিক্ষক কি জন্ম নেয় শিক্ষক হয়ে মারাও যায় শিক্ষক হয়ে! শিক্ষার দবদবায় তার মানুষ হওয়ার প্রয়োজন নাই, নাকি…!

সহায়ক সূত্র:
১. ঢিলেঢালা হরতাল...http://www.ali-mahmed.com/2015/01/blog-post_30.html

Sunday, April 1, 2018

গ্রেট চুতিয়া!




...
আপডেট:
পূর্ণিমা দুঃখপ্রকাশ করেন কিন্তু দায়সারা গোছের। তার মোটা মাথায় সমস্যাটা অবশ্য বোঝার কথা না... : https://tinyurl.com/y824d7yx
কিন্তু এই অনুষ্ঠানের প্রযোজক সোহেল রানা বিদ্যুৎ অকপটে যে ভঙ্গিতে সমস্ত দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তাঁর কাছ থেকে আমাদের শেখার আছে অনেক কিছু: https://tinyurl.com/ycbcgjp4