হাসিনা রেজিমের পতনের আর কোন বিকল্প ছিল না এ পরম সত্য। সব বাদ দিলেও যে-কাউকে, গুম করা বা ক্রসফায়ারে মেরে ফেলাটা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু একেক করে সবই ফিরে আসছে।
হাসিনা রেজিমের পতনের আর কোন বিকল্প ছিল না এ পরম সত্য। সব বাদ দিলেও যে-কাউকে, গুম করা বা ক্রসফায়ারে মেরে ফেলাটা শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু একেক করে সবই ফিরে আসছে।
চাঁদপুরের এক ইমাম সাহেবকে এক মুসুল্লি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে, মসজিদের ভেতরে।
লেখক:Tahiyat Chowdhury
(https://www.facebook.com/share/16vLiAFoCm/ )
(লেখকের লিখিত অনুমতক্রমে প্রকাশিত)
"সেদিন রাতে, দীর্ঘ ১৬ মাস গুম নির্যাতনের পরে আমাকে একটা কালো মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় বান্দরবানের 'টংগাবতী' নামক গহীন পাহাড়ে। যাওয়ার পূর্বে আলেপ উদ্দিন বলে:
'মুকুল রানার নাম শুনছোস...'? আমি বললাম, 'হ্যাঁ, টিভিতে শুনছি'। সে উত্তরে বললো, 'আজকে রাতে দেখা হবে, চিন্তার কিছু নাই, জান্নাতে একসাথে গল্প করবি'।
লেখক: Kamrul Hassan Mamun
(https://www.facebook.com/share/16jaJmFZ4f/) [লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত]
"চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতির জন্য সাক্ষাৎকার দিতে আসা শিক্ষককে বরখাস্তের দাবিতে একদল শিক্ষার্থী ভিসির রুমে ঢুকে যায় এবং সেখানে যেভাবে হট্টগোল করেছে তা অকল্পনীয়!
লেখক: শাফকাত রাব্বী অনীক (https://www.facebook.com/share/1D28Vv2eDL/) [লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত]
লেখক: Ahmed Noor
(https://www.facebook.com/share/15jxDnKNtW/ ) [ ফেসবুক থেকে লেখকের অনুমতিক্রমে প্রকাশিত]
" 'দৈনিক কালের কণ্ঠ’র প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সাড়ে ১২ বছর সিলেট ব্যুরো প্রধান ছিলাম।
নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিতে কখনও কার্পণ্য করিনি। সিলেট বসে যুক্তরাজ্যের দু দুটো নির্বাচন কভার করেছি। যখন অন্য পত্রিকাগুলো যুক্তরাজ্যে প্রতিনিধি পাঠিয়েছে।
শেষ অবধি শেখ হাসিনাকে এটিমের আলোচনায় আলোচনা করতে হলো? ভাল-ভাল!
আশা করছি, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে।
লেখা ও ছবিঃ প্রথম আলো।
ময়মনসিংহের ভালুকায় মহাসড়কের পাশে দৃষ্টিনন্দন একটি বাড়ি।
তাঁর কেবলই ঘুম পায়!
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, এটা আমার জ্ঞানের স্বল্পতা! ইতর শব্দটার স্ত্রী লিঙ্গ কি হয় এটা আমার জানা নাই বিধায় আপাতত 'মহিলা ইতর' দিয়ে কাজ চালাচ্ছি। কাউকে নিয়ে 'বডি শেমিং' করাটা অন্যায় কারণ প্রকৃতিগত ভাবে কারও শরীরের কোন বিচ্যুতি নিয়ে সমালোচনা চলে না।
ফতোয়ার জন্য "ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী"-কে অত্যন্ত গুরুত্বের সংগে গ্রহণ করা হয়। এটা তো সবার জানা বাদশাহ আলমগীরের নামানুসারে 'ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী" নামকরণ করা হয়েছিল। এই কিতাবের ভূমিকায় বাদশাহ আলমগীরের প্রসংগে বলা হয়েছে এভাবে:
আমিরুল মু'মেনীন, রঈসুল মুসলিমীন, ইমামুল মুজাহিদীন মহান রাষ্ট্রনায়ক আবূ মুজাফফার মুহীউদ্দিন বাহাদুর ওরফে বাদশাহ আওরংগজেব আলমগীর গাযী ওরফে বাদশা আলমগীর (র)। অতঃপর আল্লাহতা'য়ালা বাদশাহ আলমগীর (র) হৃদয়ে এমন একটা সংকলনের বিষয় ইলহাম করেন...।
যাই হোক, "ফাতাওয়ায়ে আলমগীরী", ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে ১০ খন্ডে প্রকাশিত। আমি ২য় খন্ড থেকে কেবল একটা ফতোয়া (২য় খন্ড, পৃ: ৩৯-৪০) এখানে উল্লেখ করতে চাই। এটা টাইপ করার সাহস আমার নাই বিধায় আগাম ক্ষমা প্রার্থনা!
লেখক: সাইফুল বাতেন টিটো (https://saifulbaten.blogspot.com/?m=1), https://www.facebook.com/
"সম্ভবত ২০১৪ সালের কথা। চ্যানেল আই আমাকে দিয়ে দ্বিতীয় নাটক বানাবে এই জন্য আমি ইবনে হাসান খানের সঙ্গে মিটিং শেষ করে কবি নির্মলেন্দু গুণদা'র মেয়ে প্রডিউসার মৃত্তিকা গুণের সামনে বাজেট নিয়ে কথা বলছি আর চা খাচ্ছি। সঙ্গে সম্ভবত Hassan Shantonu ছিলেন। কবিকন্যা মৃত্তিকা বললেন:
লেখক: আরিফ রহমান (https://www.facebook.com/
"আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের মৃত্যু দিন আর পাকিস্তানের সর্বোচ্চ বীর রশিদ মিনহাজের মৃত্যু দিন কিন্তু একই দিন। কারণ দুজনের মৃত্যু একই ঘটনায় ঘটে। এই ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসের গভীর এক হেঁয়ালির জন্ম দেয়। একই ঘটনায় নিহত দুই পক্ষের দুইজন মানুষ দুটি দেশের সর্বোচ্চ বীরের খেতাব পেয়েছেন!
লেখক: Nabila Idris (https://www.facebook.com/
যিনি গুম কমিশনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন, আছেন। তাঁর লেখার মাধ্যমে আমাদের বিভিন্ন ধরনের গুম সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়...:
" ১. আমরা রেগুলারলি ভিক্টিমদের থেকে গোপন ডিটেনশন সেলে ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা শুনি। এসব নির্যাতন প্রায়ই এতটা নিষ্ঠুর হয় যে তাদের শরীর ও মনে স্থায়ী ক্ষত রেখে যায়। কিন্তু মাঝে-মাঝে কিছু ভিক্টিম এমন ঘটনার বর্ণনাও দেন যেখানে আচমকা এক ধরনের অস্বাভাবিক মানবতার ঝলক দেখা যায়!
পূর্বের এই লেখায় [১] আমি উল্লেখ করেছিলাম, সীমান্তবর্তী একটা এলাকায় স্কুল চালাবার সূত্রে ওখানকার লোকজনের মুখ থেকে শুনতাম বিএসএফ কেমন করে আমাদের লোকজনকে আমাদের এলাকা থেকে ধরে নিয়ে যায়।
ধরে নিয়ে যাওয়ার পর খুব কম মানুষই ফেরত আসত। আর যারা ফেরত আসত তাদের বর্ণনা ছিল ভয়াবহ-রোমহর্ষক! বিএসএফ যে কেবল ভয়ংকর নির্যাতন করত এমনই না শরীরের নাকি পেট্রল পুশ করে দিত। অনেকের হাত-পায়ের রগ কেটে নদীতে ভাসিয়ে দিত!
এক কাপ চায়ে দু-কাপ চিনি দেওয়ার পর সেই চা যেমন কোন মানুষের খাওয়ার যোগ্য থাকে না তেমনি আমিনুল ইসলাম নামের মানুষটাকে নিয়ে এহেন মন্তব্য করার পর, তাকে নিয়ে আবারও লেখা চলে না [১]। কিন্তু, ওই যে একটা কিন্তু থেকে যায়...! কিছু মানুষ থাকেন যারা মানুষের(অ) ঊর্ধ্বে!
দাউদ হায়দার। তাঁর সঙ্গে আমার বেশ কিছু ছবি কিন্তু তখন তাঁর নিরাপত্তার কারণে তাঁর ছবি ছাপাবার বিষয়ে সমস্যা ছিল। আহা, আজ আর সেই সমস্যা নেই। এখন তিনি সমস্ত নিরাপত্তার ঊর্ধ্বে চলে গেছেন!
কপালের ফের! যাপিত জীবন পেছনে ফেলে মাস ছয়েক হলো ইট পাথর-কংক্রিটের বস্তিতে, যার চালু নাম 'ঢাকা শহর'! তাও নিজের বাড়ি ফেলে এখন ভাড়া বাড়িতে!
ঢাকা, এ বড় বিচিত্র এক নগর! এর বিচিত্রতা নিয়ে অন্য কোন এক দিন আলাপ করা যাবে!
আজ ২৬ শে মার্চ, আমাদের স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা কেমন এ নিয়ে তাবড়-তাবড় মানুষদের বড়-বড় আলাপ আছে। আমার আলাপ খুব ছোট। স্বাধীনতা কি এটা আপনাকে জানতে হবে একজন প্যালেস্টাইন নাগরিকের কাছ থেকে। নিদেনপক্ষে আমার কাছ থেকে যে নিজের বাড়ি এবং ভাড়া বাড়ির মধ্যে তফাতটা কেমন!
লেখক: Shariful Hasan: (https://www.facebook.com/
"অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ পেলেও কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা প্রয়োজন ছাড়া তিনি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে আসেননি! রাষ্ট্রপতির জন্য নির্ধারিত কোনো কিছু তিনি গ্রহণ করেননি। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে বিদেশি অতিথিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত উপহার তিনি সরকারি তোষাখানায় জমা দিয়েছেন। সাধারণ পোশাক-পরিচ্ছদই তাঁর সবসময় পছন্দ ছিল। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর অনেকেই তাঁকে নতুন কিছু জামাকাপড় বা স্যুট তৈরির কথা বলেছিলেন। সেসব কথাকে তিনি আমল দেননি।
| |||
লেখক: Enamul Haque Mony. লেখক তখন দ. কোরিয়ার কিয়ংপুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছিলেন।
"র্যাব-২, বসিলা, মোহাম্মাদপুরে আমাকে যে রুমে গুম করে রাখা হয়েছিলো, টয়লেট সাইজ একটা ছোট্ট রুমের মধ্যেই টয়লেট করার জায়গা। বাকী ফাঁকা জায়গায় একটা স্বাভাবিক মানুষ পা মেলে দিয়ে শুয়ে থাকতে পারে না। অসম্ভব!
'আফগানিস্তানে একচুয়ালি কী হচ্ছে, এটা আপনিও চোখে দেখছেন না, আমিও দেখছিনা, শুধু মিডিয়ার মাধ্যমে খন্ডচিত্র আমাদের কাছে যেটুকু আসে তাই নিয়ে আমাদের ধারণা।'
আইনজীবী জেড আই খান পান্না সফল হননি, হলে সর্বনাশ হয়ে যেত! তিনি খুন করার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ভিকটিম বেঁচে গেছে! নইলে আবারও সর্বনাশ হয়ে যেত।
আইনজীবী পান্নার বিরুদ্ধে 'হত্যাচেষ্টার মামলা' হয়েছে। ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আহাদুল ইসলাম নামের একজনকে গুলি এবং মারধর শুরু করেন ১৮০ জন দুষ্কৃতিকারী। অবশ্য এরমধ্যে কে গুলি করেছেন আর কে মারধরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তা এখনও জানা যায়নি! ক্রমশ জানা যাবে। তদন্তসাপেক্ষে পরে এটাও হয়তো প্রমাণিত হবে যে ১৮০ জন একসঙ্গে গুলি করেননি! করলে তো আর আহাদুল বেঁচে থাকতেন না। ১৮০টা গুলি খাওয়ার পর এই জগতে কে বেঁচেছে!
সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ধামড়া-ধামড়া বুদ্ধিমান মানুষদেরকে স্রেফ হাফ-প্যান্টপরা খোকা বানিয়ে দিচ্ছে। আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলি কোন খোকা না-আবার 'ইয়েখানা' থেকে পকেটে করে খানিকটা ইয়ে নিয়ে এসে আমাদেরকে বলে বসে: দেখবা, এক খাবলা নিয়া আসলাম।
আরজ আলী মাতুব্বরের এই বইটি অনেক আগে পড়েছিলাম। ওখানে দেবরাজ ইন্দ্রকে নিয়ে একটা প্রসঙ্গ আছে। এটা এখানেই আমি প্রথম জানতে পাই! কোন-এক কারণে যখন বইটা আবারও পড়ছি তখন একটা ছোট্ট খটকা লেগেছে তিনি যে এটার উল্লেখ করলেন এর সূত্র কি? অন্য প্রসঙ্গে দিলেও তিনি এটায় কোন প্রকার রেফারেন্স দেননি! দেয়াটা অবশ্য প্রয়োজন ছিল।
![]() |
| ওয়ালিদ ইসলাম |
হেনরিক ইবসেনের 'রোজমারশোম'-এ অতি অল্প চরিত্র:
1. JOHANNES ROSMER, owner of Rosmersholm, a retired minister.
2. REBECCA WEST, companion of the late Mrs. Rosmer and still living at Rosmersholm.
3. RECTOR KROLL, ROSMER's brother-in-law.
4. ULRIC BRENDEL.
5. PETER MORTENSGÅRD.
6. MRS. HELSETH, housekeeper at Rosmersholm.
লেখক: Badsha Khaled Apu https://www.facebook.com/khaled.h.apu (লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)
"'ইউ-এস বাংলার' চেয়ে বিমানের টিকেট ছয় হাজার টাকা বেশী দিয়ে কেনার পর যখন ফ্লাইট পাঁচ ঘন্টা ডিলে হয় এবং চোখের সামনে দিয়ে 'ইউ-এস বাংলার' যাত্রীরা ঢং-ঢাং করতে করতে চলে যায় (তারা স্বাভাবিক ভাবেই যাচ্ছিল, আমার কাছে ঢং ঢাং লাগছিল আর কি!) তখন মেজাজ যতটুকু খারাপ হবার কথা, আমার মেজাজ ঠিক ততটুকুই খারাপ হয়েছে।
মামুনুর রশীদ 'রুচির দুর্ভিক্ষ' নিয়ে যে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা চালু ভাষায় 'ভাইরাল' হয়ে গেছে। এই যে ভাইরাল জিনিসটা বাজারে চালু হলো এটাও এক প্রকারের রুচির দুর্ভিক্ষ!
এ সত্য, আমার সমস্ত জীবনে অন-লাইন মিডিয়ার মিলিয়ন-মিলিয়ন শব্দের মধ্যে প্রিন্ট মিডিয়ায় লক্ষ-লক্ষ শব্দ ছাপা হয়েছে কিন্তু এখনও আমি নিজেকে লেখক বলে দাবী করি না। কারণ যে জিনিস আমার না তা আমি দাবী করব কেমন করে! কে লেখক কে লেখক না এটা ঠিক করেন পাঠক। পাঠককে খাটো করে দেখার কোন অবকাশ নাই কারণ একজন পরিণত পাঠক তাঁর গ্রে-মেটার ফ্লাওয়ার ভাসে রেখে কোন লেখকের লেখা পাঠ করতে বসেন না। এরা একেকটা ক্ষুরধার ব্রেন...!
মেঘে মেঘে বেলা বয়ে যায়- বুকের গভীর থেকে বেদনা পাক খেয়ে উঠে, আহারে-আহারে, জাগতিক সব বেদনা এক পাশে সরিয়ে কেবল তিনটা কাজ করলাম না কেন?! পড়া-পড়া আর পড়া, এই...! দেখো দিকি কান্ড, হাজার-লক্ষ বই এখনও পড়ার বাকী- কিছুই তো পড়ার সুযোগ হল না। মানুষের জন্য ৩০০-৪০০ বছর কচ্ছপের আয়ু পাওয়াটা ভয়াবহ এক ব্যাপার কিন্তু বই পড়া কেবল এই একটা কারণে সেই ভয়াবহ ব্যাপারটাই এক তুলতুলে আরাম হয়ে যায়!
লেখক: আনসারি তৌফিক
" রকমারি’র প্রতিষ্ঠাতা, বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী, এসএসসি ও এইচএসসি-তে ঢাকা বোর্ডে স্ট্যান্ড করা ছাত্র, মাহমুদুল হাসান সোহাগ সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিন নাস্তিক ছিলেন। তারপর নাস্তিক থেকে এখন আস্তিক হয়েছেন। ব্যক্তি-মানুষের স্বাধীন চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দৃষ্টান্ত হিসেবে খুবই চমৎকার ব্যাপার এটি। কে আস্তিক হবে, নাস্তিক হবে, সেটি তার তার ব্যক্তি বিবেচনা।