মামুনুর রশীদ 'রুচির দুর্ভিক্ষ' নিয়ে যে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা চালু ভাষায় 'ভাইরাল' হয়ে গেছে। এই যে ভাইরাল জিনিসটা বাজারে চালু হলো এটাও এক প্রকারের রুচির দুর্ভিক্ষ!
একজন জিরো আলম কেমন করে হিরো থেকে অনায়াসে মহা-হিরো হয়ে উঠে তা কী আপনার বোঝা হয়েছে! বক্তব্যর সমস্ত প্রসঙ্গ বাদ নিয়ে প্রথম আলোর মত মিডিয়ারাও ঝাপিয়ে পড়ে নিউজের হেড লাইন করে,:
"রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান..."।
মামুনুর রশীদ গুণিজন। তাঁর বক্তব্য নিয়ে আপত্তি থাকার কথা ছিল না আমার। কিন্তু..., একটা কিন্তু থেকে যায়! তিনি বলতে গিয়ে কেবল হিরো আলমের কথা উল্লেখ করেছেন। এখানে বেশ খানিকটা ঝামেলা-'ঝালেমা' হয়ে গেছে। আমি তো বলব এই উদাহরণটা দেওয়ার কারণে মামুনুর রশীদের অসাধারণ পর্যবেক্ষণ-বক্তব্য বাদামের খোসা হয়ে গেছে। সবিনয়ে এ-ও বলি, আপনার এক চোখে নারকেল তেল অন্য চোখে বাটার অয়েল!
প্রিয় মামুনুর রশীদ, এই মিডিয়া টাইকুন ওরফে এটিএন-এর কর্ণধার মাহফুজুর রহমানের গান শোনার পর 'আপুনি কেমন বোধ করিতেছেন? ভালু বোধ করিতেছেন'! সুপ্রিয়, এখন 'রুচির দুর্ভিক্ষ' মনে হচ্ছে না! হে প্রিয়, আপনি আবার দুম করে এটা বলে বসবেন না যে মাহফুজুর রহমানের গান শোনার সুযোগ আপনার অদ্যাবদি হয়নি!
এমনিতে আড়ালে আবডালে যেটা চলে সেটাকে আমরা ঘুষ-অন্যায় বলি কিন্তু সেটাই যখন প্রকাশ্যে লেনদেন হয় তখন কোন প্রকারেই ঘুষ বলা চলে না। ফালতু মানুষের কথা ধার করে বলতে হয়, 'স্পিড মানি'! আপনাদের মত মানুষদের জন্য অনেকখানি আড়াল- সোশ্যাল মিডিয়ায় হিরো আলমের অতি জঘণ্য গাণ শ্রবণ করার দুর্লভ সুযোগ পেলেন কিন্তু ভাঁড় মাহফুজুর রহমানের 'ঘান' মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় শোনার সুযোগ পেলেন না, এ অবিশ্বাস্য!
যাগ গে, স্যার, আপনাকে এখন মাহফুজুর রহমানের 'ঘান' শোনার সুযোগ করে দিলাম এখন কি আপনি কেবল হিরো আলমকেই নিয়ে পড়ে থাকবেন নাকি দু-চারটে 'শব্দশেল' মাহফুজুর রহমানের বেলায়ও ব্যয় করবেন। নাকি এখানে এসে কবি নীরব হয়ে পড়েন...!
No comments:
Post a Comment