লায়লা-মামুন! বয়স্ক ধুমসি শিক্ষিত এক-মহিলা লায়লা, পোলা মতান্তরে নাতির বয়সি মামুনের সঙ্গে মাসের-পর-মাস, বছরের-বছরের পর ধরে খুল্লামখুল্লা যা করে গেল এ অকল্পনীয়! তাও বিবাহ-বহির্ভুত! বাংলাদেশে!
লায়লা-মামুনের পাশাপাশি নতুন ভার্সান চলে এসেছে! এদের আইনের আওতায় না-আনলে এই সংখ্যা জ্যামেতিক হারে বাড়বে, ঝড়ের গতিতে।
মোশকাত-তিশা! বিবাহিত কিন্তু একই ঘটনা! আচ্ছা, এই চুতিয়াদের কি পরিবার-পরিজন নাই!
এই যে, আরেকটা! মনিকা কবীর, এটা এসেছে রাশিয়া থেকে। এর সাথে আবার প্রায় সময়ই মা থাকে! মধ্য-রাস্তায় পোশাক পরিবর্তন, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে নাচানাচি করা, গায়ে পড়ে লোকজনের সাথে ঝগড়া লাগানো—সেটা আবার সোশ্যাল মিডিয়ার জাঁক করে বলে বেড়ায়!
তনি নামের এই মহিলা অফ-লাইন অন-লাইনে কাপড় বেচে। যতটা না বিক্রির জন্য হাত চলে তার চেয়ে চলে এর মুখ! খিস্তিখেউড় বস্তিবাসীকে ছাড়িয়ে যায়!
এডলফ খান নামের এই পুরুষ(!), এ নাকি বঙালদেশের সুদর্শন পুরুষ! ওয়াক!
রুমি কারিম নামের এই পুরুষ(!), এ নাকি ডিজাইনার! কোন চুতিয়ারা এদের পুরস্কার দেয়!
আর শুয়োরের ছানা মিডিয়াগুলোও! এই মিডিয়াগুলো পারলে এদের ইয়েতে বুম নিয়ে ঢুকে যাবে।
দেশে এখন কাক বেশি না মিডিয়া এটা গবেষণার বিষয়:
আর এর বাপ কত টাকা ট্যাক্স দেয় এটা আমাদের আয়কর বিভাগের পেটমোটা স্যারদের দেখা অতীব জরুরি।
যে দেশে সবচেয়ে বেশি দূর্নীতি হয় রমজান মাসে (ঘুষখোর শুয়োরের বাচ্চারা রোজা রেখে দেদারসে ঘুষ খায় বরং ইদ সামনে রেখে বেশী-বেশী খায়!) সেই দেশে ইদ নিয়ে এই সমস্ত নোংরামি হবে এ আর বিচিত্র কী! এই দুই ইদকে সামনে রেখে কতশত মানুষের চোখের জল ভেসে যায়, নর্দমায়! অথচ আগের ইদগুলো এমন ছিল না।
*(বাই দ্য ওয়ে, কালের কন্ঠ লেখার সময় আমি ভয়ে-ভয়ে থাকি। ভুলে 'ক'-এর স্থলে 'ব' লিখে ফেললে সর্বনাশ!)
এই সমস্ত জন্তুদের আয়ের উৎস কি, আয়কর দেয় কত টাকা?
এই, আরেকটা! এ উটের দুধ খাওয়ার জন্য হরহামেশা দুবাই যেত। যাক, উটের দুধ না-খেয়ে বাঘের দুধ খাক এতে সমস্যা নেই! কিন্তু এখন নাকি দুবাইয়ে স্বর্ণের শো-রুম খুলেছে। এ বাংলাদেশ থেকে দুবাই টাকা নিল কোন উপায়ে! দুদক-ফুদকের কি ধারণা, ভ্যানেটি ব্যাগে করে নিশ্চয়ই নেয়নি?
ইদকে কীভাবে 'একটা চুতিয়া ইদে' পরিণত করেছিল এই সমস্ত চুতিয়া মিডিয়া (অতীতে ঈদসংখ্যা নামে বিভিন্ন আবর্জনা প্রসব করে)। হালে, নমুনা:
এই সমস্ত চুতিয়া মিডিয়াকেও আইনের আওতায় আনতে হবে, কেন?
যে ইঁচড়েপাকা বালিকাকে নিয়ে এই প্রতিবেদনটা ছাপিয়েছে যুগান্তর, তাদের কী জানা নেই বালিকা বিবাহ, এটা আইনত দণ্ডনীয়—শাস্তিযোগ্য অপরাধ! এই নিউজের সঙ্গে আবার জুড়ে দিয়েছে, "প্রসংসায় ভাসছেন, সেই লুবাবা..."।
হলি কাউ, এই সম্পাদক তো দেখছি কবি আব্দুল হাই শিকদার!
প্রথমেই সবিনয়ে বলি, যেহেতু ইনি জনগণের নির্বাচিত সংসদ সদস্য তাই তাঁর বেলায় শিরোনামের 'জন্তু' শব্দটি প্রযোজ্য হবে না।
তো, আমাদের মহান সংসদের এই 'মহান আইনপ্রণেতা-সাংসদ'! 'মহান আইনের আওতায়' না-আনার তো কোন কারণ দেখছি না!
অপরাধ এক: ভয়াবহ 'বডি শেমিং'! পাশের কিছু সাংসদের ভুঁড়ি নিয়ে কটাক্ষ করছেন, তা-ও আবার পাশের মহিলা সাংসদদেরকে জড়িয়ে।
অপরাধ দুই: তিনি এ-ও বলছেন, "ভুঁড়ি চিরলে..."!
প্রকারান্তরে তিনি প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন।
অপরাধ তিন: তিনি বলছেন, "ভুঁড়ি চিরলে ভেতর থেকে ব্রিজ-কালভার্ট বের হবে..."!
এরা, ব্রিজ-কালভার্ট মানে এগুলোর টাকা হজম করে বসে আছেন।
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে কেন এখনও গ্রেফতার করা হচ্ছে না, এ এক বিস্ময়! মির্জা আব্বাস মুমূর্ষু অবস্থায় বিদেশে চিকিৎসাধীন আর এই অমানুষ পাটোয়ারী 'আব্বাস' বলে সবগুলো বিভৎস দাঁত বের করে পাঞ্চিং বলে ঘুসি মারছে!
এই মহিলার নাকি মাসে ১ লাখ টাকার টয়লেট টিস্যু লাগে। এই মহিলার ট্যাক্স ফাইল আমি দেখতে চাই:
** এই লেখাটা অসমাপ্ত। সময়ে-সময়ে চরিত্র যোগ হবে।


No comments:
Post a Comment