Search

Wednesday, March 11, 2026

একজন ধর্মীয় শিক্ষক যা শেখান।

এই শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক প্রধানমন্ত্রীর একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া সবার সংগে পরিচিত হন।


তিনি তারেক জিয়ার মাথায় হাত দিয়ে রেখেছেন—এতে কোনও সমস্যা নেই। বয়সে ছোট হলেও একজন ধর্মীয় শিক্ষক এটা করতেই পারেন। কিন্তু...!

একটা গুরুতর কিন্তু আছে! সবাই উঠে হোস্ট এবং প্রধানমন্ত্রীকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন কিন্তু ব্যতিক্রম কেবল আব্দুর রাজ্জাক! তিনি সব কর্মকান্ড বসে-বসে করেছেন!

এটা খুবই সাধারণ শিষ্টাচার—কেউ আপনার সংগে দাঁড়িয়ে কথা বললে আপনি দাঁড়িয়ে কথা বলবেন। অবশ্য যাদের পা নাই তাদের জন্য এই শিষ্টাচার খাটে না। যতদূর জানি আব্দুর রাজ্জাক আল্লাহর রহমতে সুস্থ-সবল একজন মানুষ।

হয়তো ধর্মীয় আচারের কারণে তিনি এটা করেননি! জেনে ভাল লাগল।


কিন্তু এখানে শায়েখের বসে না-থেকে দাঁড়িয়ে থাকাটা দেখতে ভাল লাগল না!

এমনিতে আমাদের এই ধর্মীয় শিক্ষক যা শিক্ষা দেন:


এখানে তিনি বলছেন:

"নারীর জন্ম অমঙ্গল-কুলক্ষণ...নারীর আত্মা নেই...স্বামী স্ত্রীকে বিক্রি করতে পারে...স্ত্রী হচ্ছে বাড়ির সম্পদ...!"

সবিনয়ে বলি, আমি শিক্ষক মহোদয়ের সাথে একমত হতে পারছি না। নারীর জন্ম না-হলে নরেন্দ্র মোদির সমস্যা নাই কারণ তিনি তার জন্ম বায়োলজিক্যাল বলে মনে করেন না!


কিন্তু আব্দুর রাজ্জাক বা আমাদের জন্য তো বিপদ, মহাবিপদ! আমাদের জন্ম আটকে যাচ্ছে যে!


এই ধর্মীয় শিক্ষক বলছেন, নারীরা চাকরি করতে পারবেন না। পর্দা করেও বাজারে যেতে পারবেন না! না মানে না, কাভি নেহি!

এমন অসংখ্য বয়ান আছে। একটা আরেকটাকে ছাড়িয়ে যায়! অথচ নবীর সময়ে একজন নারী নবীকে লক্ষ করে ছোড়া তীর নিজের উপর নিয়ে নবীকে রক্ষা করেন []।

"...উহুদের যুদ্ধে রাসুল (সা.)-কে নুসাইবা (রা.) রক্ষা করতে গিয়ে তীরের আঘাত শরীর পেতে নিয়েছিলেন। সেই তীরের আঘাত নেয়ার জন্য নুসাইবা (রা.) সেখানে রাসুল (সা.) এর ফিজিক্যাল প্রক্সিমিটিতে উপস্থিত ছিলেন।
হঠাৎ করে উড়তে-উড়তে ঠিক তীরের আঘাতের সময় এসে তীরের আঘাত তিনি শরীর পেতে নেননি, তা নেয়ার জন্য ওখানে উনার উপস্থিতি ছিলো, এ নিশ্চিত।

শুধু নুসাইবা (রা.) একলাই না, আরো মেয়ে সাহাবারা ছিলেন। রাসুল (সা.) অলমোষ্ট যত পাবলিক স্পেইসে ছিলেন, মেয়ে/ মহিলারাও একই পাবলিক স্পেইসে ছিলেন। তারা অদৃশ্য ছিলেন না।"

সূত্র:
১. ডিয়ার জামাতে আমির...:  https://www.ali-mahmed.com/2024/11/blog-post.html?m=1


No comments: