দাউদ হায়দার। তাঁর সঙ্গে আমার বেশ কিছু ছবি কিন্তু তখন তাঁর নিরাপত্তার কারণে তাঁর ছবি ছাপাবার বিষয়ে সমস্যা ছিল। আহা, আজ আর সেই সমস্যা নেই। এখন তিনি সমস্ত নিরাপত্তার ঊর্ধ্বে চলে গেছেন!
দাউদ হায়দার। তাঁর সঙ্গে আমার বেশ কিছু ছবি কিন্তু তখন তাঁর নিরাপত্তার কারণে তাঁর ছবি ছাপাবার বিষয়ে সমস্যা ছিল। আহা, আজ আর সেই সমস্যা নেই। এখন তিনি সমস্ত নিরাপত্তার ঊর্ধ্বে চলে গেছেন!
কপালের ফের! যাপিত জীবন পেছনে ফেলে মাস ছয়েক হলো ইট পাথর-কংক্রিটের বস্তিতে, যার চালু নাম 'ঢাকা শহর'! তাও নিজের বাড়ি ফেলে এখন ভাড়া বাড়িতে!
ঢাকা, এ বড় বিচিত্র এক নগর! এর বিচিত্রতা নিয়ে অন্য কোন এক দিন আলাপ করা যাবে!
আজ ২৬ শে মার্চ, আমাদের স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা কেমন এ নিয়ে তাবড়-তাবড় মানুষদের বড়-বড় আলাপ আছে। আমার আলাপ খুব ছোট। স্বাধীনতা কি এটা আপনাকে জানতে হবে একজন প্যালেস্টাইন নাগরিকের কাছ থেকে। নিদেনপক্ষে আমার কাছ থেকে যে নিজের বাড়ি এবং ভাড়া বাড়ির মধ্যে তফাতটা কেমন!
লেখক: Shariful Hasan: (https://www.facebook.com/
"অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নিয়োগ পেলেও কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা প্রয়োজন ছাড়া তিনি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে আসেননি! রাষ্ট্রপতির জন্য নির্ধারিত কোনো কিছু তিনি গ্রহণ করেননি। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে বিদেশি অতিথিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত উপহার তিনি সরকারি তোষাখানায় জমা দিয়েছেন। সাধারণ পোশাক-পরিচ্ছদই তাঁর সবসময় পছন্দ ছিল। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর অনেকেই তাঁকে নতুন কিছু জামাকাপড় বা স্যুট তৈরির কথা বলেছিলেন। সেসব কথাকে তিনি আমল দেননি।
| |||
লেখক: Enamul Haque Mony. লেখক তখন দ. কোরিয়ার কিয়ংপুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছিলেন।
"র্যাব-২, বসিলা, মোহাম্মাদপুরে আমাকে যে রুমে গুম করে রাখা হয়েছিলো, টয়লেট সাইজ একটা ছোট্ট রুমের মধ্যেই টয়লেট করার জায়গা। বাকী ফাঁকা জায়গায় একটা স্বাভাবিক মানুষ পা মেলে দিয়ে শুয়ে থাকতে পারে না। অসম্ভব!
'আফগানিস্তানে একচুয়ালি কী হচ্ছে, এটা আপনিও চোখে দেখছেন না, আমিও দেখছিনা, শুধু মিডিয়ার মাধ্যমে খন্ডচিত্র আমাদের কাছে যেটুকু আসে তাই নিয়ে আমাদের ধারণা।'
আইনজীবী জেড আই খান পান্না সফল হননি, হলে সর্বনাশ হয়ে যেত! তিনি খুন করার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ভিকটিম বেঁচে গেছে! নইলে আবারও সর্বনাশ হয়ে যেত।
আইনজীবী পান্নার বিরুদ্ধে 'হত্যাচেষ্টার মামলা' হয়েছে। ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আহাদুল ইসলাম নামের একজনকে গুলি এবং মারধর শুরু করেন ১৮০ জন দুষ্কৃতিকারী। অবশ্য এরমধ্যে কে গুলি করেছেন আর কে মারধরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তা এখনও জানা যায়নি! ক্রমশ জানা যাবে। তদন্তসাপেক্ষে পরে এটাও হয়তো প্রমাণিত হবে যে ১৮০ জন একসঙ্গে গুলি করেননি! করলে তো আর আহাদুল বেঁচে থাকতেন না। ১৮০টা গুলি খাওয়ার পর এই জগতে কে বেঁচেছে!
সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ধামড়া-ধামড়া বুদ্ধিমান মানুষদেরকে স্রেফ হাফ-প্যান্টপরা খোকা বানিয়ে দিচ্ছে। আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলি কোন খোকা না-আবার 'ইয়েখানা' থেকে পকেটে করে খানিকটা ইয়ে নিয়ে এসে আমাদেরকে বলে বসে: দেখবা, এক খাবলা নিয়া আসলাম।
আরজ আলী মাতুব্বরের এই বইটি অনেক আগে পড়েছিলাম। ওখানে দেবরাজ ইন্দ্রকে নিয়ে একটা প্রসঙ্গ আছে। এটা এখানেই আমি প্রথম জানতে পাই! কোন-এক কারণে যখন বইটা আবারও পড়ছি তখন একটা ছোট্ট খটকা লেগেছে তিনি যে এটার উল্লেখ করলেন এর সূত্র কি? অন্য প্রসঙ্গে দিলেও তিনি এটায় কোন প্রকার রেফারেন্স দেননি! দেয়াটা অবশ্য প্রয়োজন ছিল।
![]() |
| ওয়ালিদ ইসলাম |
হেনরিক ইবসেনের 'রোজমারশোম'-এ অতি অল্প চরিত্র:
1. JOHANNES ROSMER, owner of Rosmersholm, a retired minister.
2. REBECCA WEST, companion of the late Mrs. Rosmer and still living at Rosmersholm.
3. RECTOR KROLL, ROSMER's brother-in-law.
4. ULRIC BRENDEL.
5. PETER MORTENSGÅRD.
6. MRS. HELSETH, housekeeper at Rosmersholm.
লেখক: Badsha Khaled Apu https://www.facebook.com/khaled.h.apu (লেখকের লিখিত অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)
"'ইউ-এস বাংলার' চেয়ে বিমানের টিকেট ছয় হাজার টাকা বেশী দিয়ে কেনার পর যখন ফ্লাইট পাঁচ ঘন্টা ডিলে হয় এবং চোখের সামনে দিয়ে 'ইউ-এস বাংলার' যাত্রীরা ঢং-ঢাং করতে করতে চলে যায় (তারা স্বাভাবিক ভাবেই যাচ্ছিল, আমার কাছে ঢং ঢাং লাগছিল আর কি!) তখন মেজাজ যতটুকু খারাপ হবার কথা, আমার মেজাজ ঠিক ততটুকুই খারাপ হয়েছে।
মামুনুর রশীদ 'রুচির দুর্ভিক্ষ' নিয়ে যে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা চালু ভাষায় 'ভাইরাল' হয়ে গেছে। এই যে ভাইরাল জিনিসটা বাজারে চালু হলো এটাও এক প্রকারের রুচির দুর্ভিক্ষ!
এ সত্য, আমার সমস্ত জীবনে অন-লাইন মিডিয়ার মিলিয়ন-মিলিয়ন শব্দের মধ্যে প্রিন্ট মিডিয়ায় লক্ষ-লক্ষ শব্দ ছাপা হয়েছে কিন্তু এখনও আমি নিজেকে লেখক বলে দাবী করি না। কারণ যে জিনিস আমার না তা আমি দাবী করব কেমন করে! কে লেখক কে লেখক না এটা ঠিক করেন পাঠক। পাঠককে খাটো করে দেখার কোন অবকাশ নাই কারণ একজন পরিণত পাঠক তাঁর গ্রে-মেটার ফ্লাওয়ার ভাসে রেখে কোন লেখকের লেখা পাঠ করতে বসেন না। এরা একেকটা ক্ষুরধার ব্রেন...!
মেঘে মেঘে বেলা বয়ে যায়- বুকের গভীর থেকে বেদনা পাক খেয়ে উঠে, আহারে-আহারে, জাগতিক সব বেদনা এক পাশে সরিয়ে কেবল তিনটা কাজ করলাম না কেন?! পড়া-পড়া আর পড়া, এই...! দেখো দিকি কান্ড, হাজার-লক্ষ বই এখনও পড়ার বাকী- কিছুই তো পড়ার সুযোগ হল না। মানুষের জন্য ৩০০-৪০০ বছর কচ্ছপের আয়ু পাওয়াটা ভয়াবহ এক ব্যাপার কিন্তু বই পড়া কেবল এই একটা কারণে সেই ভয়াবহ ব্যাপারটাই এক তুলতুলে আরাম হয়ে যায়!
লেখক: আনসারি তৌফিক
" রকমারি’র প্রতিষ্ঠাতা, বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী, এসএসসি ও এইচএসসি-তে ঢাকা বোর্ডে স্ট্যান্ড করা ছাত্র, মাহমুদুল হাসান সোহাগ সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিন নাস্তিক ছিলেন। তারপর নাস্তিক থেকে এখন আস্তিক হয়েছেন। ব্যক্তি-মানুষের স্বাধীন চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দৃষ্টান্ত হিসেবে খুবই চমৎকার ব্যাপার এটি। কে আস্তিক হবে, নাস্তিক হবে, সেটি তার তার ব্যক্তি বিবেচনা।
লেখক: Anupam Shaikat Shanto (https://www.facebook.com/anupam.shanto)
"আমাদের হরেক রকম টিভি চ্যানেল আমাদের সাফ জয়ী কন্যাদের লাইন দিয়ে ডাকছে। সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। সেখানে এই বাচ্চামেয়েদের হরেক কিসিমের প্রশ্ন করছে। সবচেয়ে বেশি কিম্ভুত প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে সানজিদা। তার কিছু নমুনা:
বৃটেনের রানি মারা গেছেন। মারা যাওয়ার সময় লুট করে নিয়ে যাওয়া কোহিনুর তার মাথায় ছিল কিনা সেটা জানা যায়নি। জানা গেলে ভাল হত। কারণ কোন জাঁকালো অনুষ্ঠানে রাজমুকুটে সগর্বে এটা পরা হয়। বিদায়অনুষ্ঠানেও চোরের মার গলায় চুরির জিনিস থাকাটাই সমীচীন!
"...'ভালবাসার সুখ দুঃখ'...বইটি নিয়ে ক্রেজ সৃষ্টি হলো। এমনও দিন গেছে, আমাকে পুলিশ দিয়ে পাহারায় রাখতে হয়েছে। ...হাজার হাজার পাঠক লাইন দিয়ে বইটি কিনত। ...এমনকি ওই বইয়ের জন্য মেলায় মারামারি পর্যন্ত হয়েছে।...।"
আমি আমার সমস্ত জীবনে হাজার-হাজার বই পড়েছি যা অনেকের কাছে ঈর্ষনীয়। জ্ঞান অর্জন-টর্জন বুঝি না ক্ষিধা লাগলে যেমন খাবারের প্রয়োজন তেমনি অন্য-এক ক্ষিধার জন্য বই! কিন্তু এক বেদনা পাক খেয়ে উঠে এখনও এই গ্রহের লক্ষ-কোটি বই পড়া হয়নি অথচ মেঘে-মেঘে বেলা বয়ে যায়, মাঠে-মাঠে খেলা শেষ হয়ে যায়। সময় নাই রে, পাগলা- সময় নাই! কেবল এই একটা জায়গায় এসে মনে হয় কচ্ছপের মত দীর্ঘ বছর বাঁচলে মন্দ হত না।
চা-বাগানে গেছি ম্যানেজার সাহেবের আমন্ত্রণে। সাহেব কাকে বলে সেদিন দেখলাম। ম্যানেজার সাহেব তার সেলফোনটা খোঁজ করামাত্র বাংলোর কাজের লোক সেলফোনটা নিয়ে এসেছে পিরিচে করে! নত চোখে, বড় তমিজের সঙ্গে। আর বাংলো? বারান্দাটা হচ্ছে ছোটখাটো ফুটবল খেলার মাঠ। আমার সঙ্গে ফৌজি একজন ছিলেন তিনি আবার গলফ খেলার জিনিসপত্র নিয়ে গিয়েছিলেন। আমার মত আনাড়ির শেখার জন্য বারান্দায় খেলতে খুব একটা সমস্যা হচ্ছিল না। ডাইনিং টেবিলে ত্রিশ-বত্রিশ জন অনায়াসে খেতে পারবেন। তাও আবার দুইটা!
বিভিন্ন পদের 'ল্যাকক' দেখি আর মুগ্ধ হই! ল্যাকক হওয়ার তরিকার শেষ নেই- আহারে, আহারে। এক জীবনে কত কিছু করতে হয়। অসম্ভব জনপ্রিয় লেখককেও সাক্ষাৎকারে বলতে হয়, আমি নিজের আনন্দের জন্য লিখি। তা বেশ তো, দেওয়ালে পা তুলে দিয়ে পায়ের সঙ্গে যুক্ত রেখে পেট ভাসিয়ে নিজের লেখা নিজে পড়লে হয়। তা না, বইমেলায় শত-শত ছোকরা-ছুকরিকে বাদ্যসহ নাচানাচি করাতে হয়। কী কষ্ট-কী কষ্ট! কষ্ট করে লেখো আবার ইয়েদের মত ইয়েটা মেলে দাও।
লেখক: Arifuzzaman Tuhin (লেখকের অনুমতিক্রমে প্রকাশিত)
"গত ২৫ জুলাই সমকাল রিপোর্টটিতে বলেছে, বিদ্যুৎ না কিনেই সরকারের খরচ ৯০ হাজার কোটি টাকা। গত নয় বছরে রেন্টাল ও আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে ৯০ হাজার কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। সমকালের বক্তব্য, এই ৯০ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে সরকার কোনো বিদ্যুৎ কেনেনি।
Moin Akter নাকি ২০১১ সালে মারা গেছেন। কে বলে মইন আক্তাররা মারা যান এরা কেবল পারফর্ম করা বন্ধ করে দেন! কেন? তাঁর খুশি! ২০১১, ২০২১, ২০৩১...এঁদের মৃত্যু নেই। মৃত্যু এদের গা ছুঁয়ে বলার সাহস পায় না, পাগল রে, তোকে ছুঁয়ে দিলাম।
"ইন্টারনেটের হাফ-কুকড ট্রুথের জমানায় অনেক জিনিস ভাইরাল হয়, যা মূলত: পুরো সত্য জানলে অন্য অর্থ দাঁড়ায়। যেমন একটা হচ্ছে, বাবা দিবসে হুমায়ুন আহমেদের নামে। 'পৃথিবীতে অনেক খারাপ মানুষ আছে, কিন্তু একজনও খারাপ বাবা নেই'। শুরুর দিকে কয়েক বছর বেদবাক্যের মতো এই উক্তি ওঁর নামে চালানো হয়েছে।
২০১৬ সালে আখাউড়া-লাকসাম ডাবল লাইনের খরচ ধরা হয়েছিল ৬৫০০ কোটি টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়নের তারিখ দেওয়া ছিল ২০২০ সালের জুন মাস। এখন ২০২২ সালের জুন মাস। অনায়াসে ২ বছর চলে গেছে কিন্তু এই কাজ এখনও চলমান। কবে নাগাদ শেষ হবে এটা আমরা প্রজাতন্ত্রের ট্যাক্সপেয়িরা জানি না বটে কিন্তু প্রজাতন্ত্রের বেতনভুক্ত কর্মচারিরা বিলক্ষণ জানবেন এমনটা আশা করাটা দোষের না। তবে অতীব আশার বিষয় হচ্ছে, আমাদের জীবদ্দশায় এর শেষ দেখে যেতে পারলেই আমরা খুশি!
ঘটনাটা ভারতের দিল্লির। দিল্লির প্রতি আমার অন্য রকম মুগ্ধতা আছে। ওখানকার পুরনো স্থাপনা এক পাশে সরিয়ে রাখলেও উঠে আসে ক্যারিশম্যাটিক কেজরিওয়ালের কথা। এই আলোচনা অন্য কোন দিন।