Tuesday, October 1, 2019
সব সম্ভবের দেশ!
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Sunday, September 29, 2019
ম্যান ইজ মরটাল।
লেখক:
"ইউনিভার্সিটি অভ শিকাগো প্রেস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
৫ জন শিক্ষকের পিএইচডির গবেষণা সন্দর্ভকে প্লেজারিজম বা কূম্ভীলকবৃত্তি বা
রচনাচুরির অভিযোগে অভিযুক্ত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিক
ভাবে জানিয়েছে। তারা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, পত্রিকায় তা জানলাম।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, September 27, 2019
ক্যাসিনো কড়চা।
ক্যাসিনো নিয়ে সবাই হঠাৎ ক্ষেপে গেল। জূয়া বলে হয়তো। জুয়া না-হলে সমস্যা ছিল না। বিষয়টা দেখছি খুবই গুরুগম্ভীর! কিছু হালকা চালের কথা বলা যাক। এক চিড়িয়াখানায় লোকজনেরা এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। হঠাৎ এক লোককে দেখা গেল 'গুছলেংটি' দিয়ে এক দৌড়ে কিউরেটরের কাছে হাজির। হন্তদন্ত হয়ে বললেন, 'তাড়াতাড়ি আসুন আমার সঙ্গে, ওরাংওটাংরা তাস খেলছে'।
বিভাগ
স্বপ্নভংগ
Monday, September 23, 2019
চোর, সেকাল-একাল।
আগে চোর বলতেই চোখে ভেসে উঠত পাতলা-দুবলা কালো-কালো তেলমাখা একটা শরীর। কিন্তু সেই দিন এখন আর নাই। এখনকার চোরগুলো দেখলে বোঝা কার সাধ্য, চেহারা-ছবি দেখে মেয়ের বাবারা আনন্দের সঙ্গেই সানাই বাজাবেন। ভাগ্যিস ক্লোজ-সার্কিট ক্যামেরা বাবাজি ছিল...।
বিভাগ
চোর
Friday, September 20, 2019
হায় প্রক্টর-হায় ভিসি!
![]() |
| সূত্র: প্রথম আলো |
বিশ্বের ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আমাদের কোনও প্রতিষ্ঠান নাই বলে অনেকে ওয়াশরুমে চোখের জল ফেলেন, সেই জল মেশে নর্দমার জলে। সেই জল আর মল মিলেমিশে একাকার। এক হাজার কেন এই রকম লোকজন বিশ্ববিদ্যালয় চালাবার দায়িত্বে থাকলে এক লাখ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও আমাদের কোনও প্রতিষ্ঠান থাকবে না্। আই বেট...।
বিভাগ
বাজ-অফ
Friday, September 13, 2019
আমাদের একজন শাহ আব্দুল করিম।
(কা্দায় মাখামাখি হয়ে অমূল্য এই মুক্তোটা তুলে এনেছিলেন খোয়াব-এর সম্পাদক টি এম আহমেদ কায়সার আর সেই মুক্তোটা ছড়িয়ে দিয়েছেন, হাসান মোরশেদ)
লেখক: হাসান মোরশেদ.
"শাহ আব্দুল করিমের এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহন করেছিলেন কবি বন্ধু টি এম আহমেদ কায়সার, ছোট কাগজ 'খোয়াব' এর পক্ষ থেকে। সময়কাল ১৯৯৭ এর সেপ্টেম্বর। হুমায়ূন আহমেদ এর এক প্যাকেজ প্রোগ্রামে ফুলবালাগনের নৃত্য ও শরীর প্রদর্শনের কল্যাণে নাগরিকগণ সবে মাত্র শাহ আব্দুল করিমের গানের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, তাঁর গানকে পছন্দের তালিকায় গ্রহন করে তারা ধন্য করেছেন প্রত্যন্ত উজান ধলের এই জৌলুসহীন মানুষটাকে।
"শাহ আব্দুল করিমের এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহন করেছিলেন কবি বন্ধু টি এম আহমেদ কায়সার, ছোট কাগজ 'খোয়াব' এর পক্ষ থেকে। সময়কাল ১৯৯৭ এর সেপ্টেম্বর। হুমায়ূন আহমেদ এর এক প্যাকেজ প্রোগ্রামে ফুলবালাগনের নৃত্য ও শরীর প্রদর্শনের কল্যাণে নাগরিকগণ সবে মাত্র শাহ আব্দুল করিমের গানের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, তাঁর গানকে পছন্দের তালিকায় গ্রহন করে তারা ধন্য করেছেন প্রত্যন্ত উজান ধলের এই জৌলুসহীন মানুষটাকে।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
একটি ডিভোর্স এবং 'ওথেলো সিনড্রম'।
লেখক: Jobayer Ahmed
"সত্য ঘটনা অবলম্বনে
"সত্য ঘটনা অবলম্বনে
বৃষ্টিস্নাত মন খারাপের বিকেলে জানালা দিয়ে আকাশ থেকে বৃষ্টির নেমে আসা
দেখছি। কেমন একটা করুণ কান্নার মত লাগছে আজকের বৃষ্টি পড়ার শব্দ। আকাশের মনে হয় আজ মন খারাপ।সকাল থেকে অজোরে ঝরে যাচ্ছে।
তবে মন খারাপ আমার। একটু আগে ফোন দিয়ে আমার বন্ধু সোফিয়া বললো, 'হারামজাদারে ডিভোর্স দিছি গতকাল আর সহ্য হচ্ছিল না এই পোকামাকডের জীবন'
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Thursday, September 12, 2019
আহা, অনেকদিন পর আরেকজন মানুষ দেখে ভালো লাগলো!
লেখক: Md Saimon Hossain Raul
১।
- আচ্ছা দাদা, আপনি কি হিন্দু?
- জ্বী, হিন্দু।
- বাহ, আমিও হিন্দু। আপনি বৈষ্ণব, নাকি শাক্ত?
- বৈষ্ণব।
- হরে কৃষ্ণ আমিও বৈষ্ণব। আপনি গৌড়ীয় বৈষ্ণব, নাকি চৈতন্য বৈষ্ণব?
- চৈতন্য বৈষ্ণব।
- হরে কৃষ্ণ। আমিও চৈতন্য বৈষ্ণব।
- তা আপনি কি ইস্কন নাকি শ্রী গুরু?
- ইস্কন।
- হরে কৃষ্ণ, আমাদের দেশি ইস্কন নাকি বিদেশি ইস্কন?
১।
- আচ্ছা দাদা, আপনি কি হিন্দু?
- জ্বী, হিন্দু।
- বাহ, আমিও হিন্দু। আপনি বৈষ্ণব, নাকি শাক্ত?
- বৈষ্ণব।
- হরে কৃষ্ণ আমিও বৈষ্ণব। আপনি গৌড়ীয় বৈষ্ণব, নাকি চৈতন্য বৈষ্ণব?
- চৈতন্য বৈষ্ণব।
- হরে কৃষ্ণ। আমিও চৈতন্য বৈষ্ণব।
- তা আপনি কি ইস্কন নাকি শ্রী গুরু?
- ইস্কন।
- হরে কৃষ্ণ, আমাদের দেশি ইস্কন নাকি বিদেশি ইস্কন?
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Tuesday, September 10, 2019
জাপানীরা কেন বাঙালিদের ভালোবাসে?
লেখক: Apu Nazrul
জাপানীরা ১৯৩৭ সালে নানকিং (এখন নানজিং) এ চাইনিজদের কচুকাটা করেছিলো। খুন
-ধর্ষণ মিলিয়ে এমন নৃশংসতা কমই দেখেছে বিশ্ব। The flowers of war নামে
একটি মর্মস্পর্শী মুভি আছে এই গণহত্যা নিয়ে। জাপানীরা এর আগে পরেও লাখে
লাখে মরেছে-মেরেছে। শেষতক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জব্দ জাপান বাধ্য হয়েই
রক্তের নেশা ছেড়ে জাতি গঠনে মনোযোগ দিয়েছিলো বলেই আজ তারা পৃথিবীর অন্যতম
সভ্য জাতিতে পরিণত হতে পেরেছে।
জাপানীরা ১৯৩৭ সালে নানকিং (এখন নানজিং) এ চাইনিজদের কচুকাটা করেছিলো। খুন
-ধর্ষণ মিলিয়ে এমন নৃশংসতা কমই দেখেছে বিশ্ব। The flowers of war নামে
একটি মর্মস্পর্শী মুভি আছে এই গণহত্যা নিয়ে। জাপানীরা এর আগে পরেও লাখে
লাখে মরেছে-মেরেছে। শেষতক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জব্দ জাপান বাধ্য হয়েই
রক্তের নেশা ছেড়ে জাতি গঠনে মনোযোগ দিয়েছিলো বলেই আজ তারা পৃথিবীর অন্যতম
সভ্য জাতিতে পরিণত হতে পেরেছে।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, September 9, 2019
শাড়ি নিয়ে সায়ীদিয় ভ্রান্ত থিওরি ও বাড়াবাড়ি!
"সায়ীদ স্যারের 'শাড়ি' নিয়ে ফেসবুকে নারীদের ক্ষোভ কমে এসেছে। কিন্তু এখন
গর্ত থেকে বের হয়েছেন তাঁর কিছু সাগরেদ। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে বুঝানোর চেষ্টা
করছেন স্যার সুশীল সাহিত্যসেবী। তার রচনাতে কোনো অশ্লীলতা নেই, জাতিবিদ্বেষ
নেই, নারীকে হীন করে কিছু বলা হয়নি। সবই সাহিত্য। এসব জায়েজ ছিল, জায়েজ
আছে।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, September 6, 2019
বেয়াদবের বড় গলা!
বিচারকের অধিকাংশেরই আচরণ দেখে মনে হচ্ছে স্রেফ একেকটা ঘোড়ামুখো তেলাপোকা। বেয়াদবরা বেয়াদবি করে
বিভাগ
চুতিয়া
Wednesday, September 4, 2019
একজন আবদুল্লাহ আবু সা্য়ীদ
লেখাটি লিখেছেন, মো. নাজমুল হাসান:
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদকে আরো ভালোভাবে বুঝতে হলে তাঁর পলিটিকাল আইডিওলজিটাকে বুঝতে হবে। তখন ব্লগের যুগ।
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদকে আরো ভালোভাবে বুঝতে হলে তাঁর পলিটিকাল আইডিওলজিটাকে বুঝতে হবে। তখন ব্লগের যুগ।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Wednesday, August 28, 2019
লেখকের কাটা পা এবং অসংখ্য 'পাইপমানুষ'!
কিছু মানুষ আছে যাদের নিয়ে লেখাটা আমার কাছে মনে হয় 'শব্দের অপচয়'! এদের মধ্যে তসলিমা নাসরিন [১], [২] থাকবে না তা কী হয়।
তসলিমা সর্বত্রই অতি তৎপর যেমনটা সামাজিক বিভিন্ন মাধ্যমেও। এই যে একটা ঠ্যাং যেটা লেখক মহোদয় দাবী করছেন ঠ্যাংটা তার, আমরা নাহয় সেটা মেনে নিলুম। অন্য ঠ্যাংটার জন্য শোক
বিভাগ
চুতিয়া
Monday, August 5, 2019
সব সম্ভবের দেশ!
বিভাগ
অশ্লীলতা
Saturday, August 3, 2019
সেবা প্রকাশনীর স্বরূপ!
"ইফতেখার আমিন সাহেবকে অজস্র ধন্যবাদ। সম্প্রতি ‘দিন যায় কথা থাকে’-শিরোনামে এক পোস্টে তিনি সেবা প্রকাশনী এবং কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেবকে নিয়ে যা কিছু লিখেছেন তা বর্ণে বর্ণে সত্যি।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, July 26, 2019
আপনাদের সো-কল্ড ক...ওরফে একজন ডাক্তার বলছি-।
লেখক: মনোয়ার হোসেন ফয়সল
"আমি একজন সাধারন মানুষ,পেশায় চিকিৎসক। নিজেকে সাধারণ দাবি করার কারণ হচ্ছে আমি দেখতে সাধারণ আমার ক্যারিয়ারও সাধারণ। এখনও বড় ডাক্তার হই নাই আবার একদম জুনিয়রও নই। আমি মফস্বলের মানুষ স্কুল-কলেজ সবই ছোট্ট এক জেলা শহরের। মেডিকেলের পড়া পড়েছি ছোট-এক বিভাগীয় শহরের পুরনো এক মেডিকেল কলেজে। বাবাও একজন সাধারণ মানুষ, স্কুল শিক্ষক।
"আমি একজন সাধারন মানুষ,পেশায় চিকিৎসক। নিজেকে সাধারণ দাবি করার কারণ হচ্ছে আমি দেখতে সাধারণ আমার ক্যারিয়ারও সাধারণ। এখনও বড় ডাক্তার হই নাই আবার একদম জুনিয়রও নই। আমি মফস্বলের মানুষ স্কুল-কলেজ সবই ছোট্ট এক জেলা শহরের। মেডিকেলের পড়া পড়েছি ছোট-এক বিভাগীয় শহরের পুরনো এক মেডিকেল কলেজে। বাবাও একজন সাধারণ মানুষ, স্কুল শিক্ষক।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Saturday, July 20, 2019
আমাদের বাবুটা!
লেখক: Chand Sultana Chy
"আমাদের ফুটফুটে, দূরন্ত, নিস্পাপ বাচ্চা মো: ইরতিজা শাহাদ (প্রত্যয়)! আগামী ২৩ জুলাই যার ৭ বছর পূর্ণ হত। গত ০৫/০৭/২০১৯ ইং তারিখে স্কয়ার হাসপাতালে PICU (Paediatric Intensive Care unit)-এ ডেংগু জ্বরের চিকিৎসাধীন অবস্থায় PICU-এর consultant Dr. Ahmed Syed-এর চরম অবহেলা, জরুরি সময়ে অনুপস্থিতি এবং Unskilled Duty Doctor-এর ডেঙ্গু জ্বরের একমাত্র চিকিৎসা Fluid Management-
"আমাদের ফুটফুটে, দূরন্ত, নিস্পাপ বাচ্চা মো: ইরতিজা শাহাদ (প্রত্যয়)! আগামী ২৩ জুলাই যার ৭ বছর পূর্ণ হত। গত ০৫/০৭/২০১৯ ইং তারিখে স্কয়ার হাসপাতালে PICU (Paediatric Intensive Care unit)-এ ডেংগু জ্বরের চিকিৎসাধীন অবস্থায় PICU-এর consultant Dr. Ahmed Syed-এর চরম অবহেলা, জরুরি সময়ে অনুপস্থিতি এবং Unskilled Duty Doctor-এর ডেঙ্গু জ্বরের একমাত্র চিকিৎসা Fluid Management-
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, July 19, 2019
মনে রেখ, স্রেব্রেনিৎসা!
লেখক: Nadia Islam
১৯৯৫ সালের ১১ জুলাইয়ের এক সকালে স্রেব্রেনিৎসার পতোচারি গ্রামের সকল পুরুষরে পিছমোড়া কইরা হাত বাইন্ধা এক লাইনে দাঁড় করায়ে গুলি কইরা হত্যা করা হয়। উনাদের কারো চোখ বাঁধা হয় না। উনাদের চোখ খোলা রাখা হইছিলো যেন উনারা নিজেদের হত্যাকারীরে চোখ দিয়া দেখতে পারেন, যেন বুঝতে পারেন কী অপরাধে উনাদের হত্যা করা হইতেছে! উনাদের হত্যা করা হইছে, কারণ উনাদের অপরাধ ছিলো, উনারা সবাই ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম ছিলেন।
৮ বছরের শিশু থিকা ৮০ বছরের বৃদ্ধ সহ প্রায় ২০,০০০ মুসলিম পুরুষরে মাত্র এক দিনে, ১৯৯৫ সালের ১১ জুলাইয়ের এক সকালে পিছমোড়া কইরা হাত বাইন্ধা এক লাইনে দাঁড় করায়ে হত্যা করে মিলোসোভিচের সার্বিয়ান অর্থোডক্স আর্মি। শুধুমাত্র উনারা সবাই ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম ছিলেন বইলা!
এই বছরের ১১ জুলাই আমি স্রেব্রেনিৎসাতে গেছিলাম। স্রেব্রেনিৎসার ৬ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে পতোচারি গ্রাম। গ্রীষ্মের সকালে পাহাড়ের ঢালে দাঁড়ায়ে আমি যেইদিকেই তাকাইলাম, সেইদিকেই দেখলাম হাজার হাজার কবরের হাজার হাজার সাদা পাথরের টুম্বস্টোন দেখা যায়।
সেই টুম্বস্টোনের নিচে লাশ নাই, কারণ গণহত্যা শেষে উনাদের লাশ বেয়নেট দিয়া খোঁচায়ে ক্ষতবিক্ষত কইরা দেওয়া হয়, কুকুর এবং শেয়ালদের খাওয়ার জন্য সেই লাশ ফালায়ে রাখা হয় পাহাড়ের ঢাল জুইড়। তাই টুম্বস্টোনের নিচে লাশ নাই একটাও। আমি দেখলাম, একটা টুম্বস্টোনের পাশে হেলান দিয়া একজন ভদ্রমহিলা বইসা বইসা একমনে সুরা ইয়াসিন পড়তেছেন। উনার চোখভর্তি পানি। আমি তাকায়ে দেখলাম টুম্বস্টোনের গায়ে তারিখ লেখা। ১৯৮০-১৯৯৫। ভদ্রমহিলা আমার দিকে শূন্যদৃষ্টিতে তাকাইলেন। আমি কথা না বাড়ায়ে দ্রুত হাঁইটা গেলাম সামনে। দুপুরবেলা জানাজা নামাজ হইল।
এইরকম জানাজা নামাজ আমি এর আগে দেখি নাই। মুসলিম এবং দাড়ি টুপি হিজাবধারী থিকা শুরু কইরা অর্থোডক্স খ্রিশ্চান এবং ইহুদি ও শর্টস পরা, ট্যাটু করা সকল মানুষ একসাথে পাহাড়ের ঢালে বুকে হাত বাইন্ধা দাঁড়াইলেন। কেউ কইতে আসলেন না, মেয়েরা জানাজা নামাজ পড়তে পারবেন না, কেউ কইতে আসলেন না, মেয়েরা পুরুষদের আগে লাইনে দাঁড়াইতে পারবেন না, কেউ কইতে আসলেন না, ইহুদীরা ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে সেজদা দিতে পারবেন না।
আমি শুনলাম, মৃত্যু উপতক্যার মাঝখানে পাহাড়ের দেয়ালে দেয়ালে ইমামের গলার স্বর প্রতিধ্বনিত হইতেছে, উনি বলতেছেন, “অন্যায়ভাবে হত্যা হওয়া পৃথিবীর সকল মানুষকে তুমি তোমার পাশে আসন দিও, আল্লাহ!”
আমি নিজের অজান্তে আমার অস্ত্বিত্বহীন ঈশ্বরের অস্তিত্বের বাসনায় হাত উঠাইলাম আকাশে! ভাবতে চাইলাম এই পৃথিবী ভালোবাসায় সৃষ্টি হওয়া পৃথিবী, ১৫ বছরের কিশোরের লাশহীন কবরের পাশে বইসা থাকা মায়েদের শূণ্যদৃষ্টির জন্য, পুরুষশূণ্য বিধবাদের গ্রামের জন্য, মর্টারে উইড়া যাওয়া কনসেনট্রেশান ক্যাম্পের রক্তের দাগে আঁকা আজকের মৃতদের হিসাবের জন্য, ধর্ম আর রাজনীতি আর সীমানা আর ক্ষমতার যুদ্ধে কংকালসার জীবন্ত লাশের সারির জন্য নিশ্চই এই পৃথিবীর সৃষ্টি হয় নাই!
আমি চোখ তুইলা দেখলাম, বার্চ গাছের আড়ালে দাঁড়ায়ে পনেরো বছরের একজন কিশোর কী জানি এক আপেল না কীসে কামড় দিতে দিতে আমার দিকে তাকায়ে মুচকি মুচকি হাসতেছেন।
৮ বছরের শিশু থিকা ৮০ বছরের বৃদ্ধ সহ প্রায় ২০,০০০ মুসলিম পুরুষরে মাত্র এক দিনে, ১৯৯৫ সালের ১১ জুলাইয়ের এক সকালে পিছমোড়া কইরা হাত বাইন্ধা এক লাইনে দাঁড় করায়ে হত্যা করে মিলোসোভিচের সার্বিয়ান অর্থোডক্স আর্মি। শুধুমাত্র উনারা সবাই ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম ছিলেন বইলা!
এই বছরের ১১ জুলাই আমি স্রেব্রেনিৎসাতে গেছিলাম। স্রেব্রেনিৎসার ৬ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে পতোচারি গ্রাম। গ্রীষ্মের সকালে পাহাড়ের ঢালে দাঁড়ায়ে আমি যেইদিকেই তাকাইলাম, সেইদিকেই দেখলাম হাজার হাজার কবরের হাজার হাজার সাদা পাথরের টুম্বস্টোন দেখা যায়।
সেই টুম্বস্টোনের নিচে লাশ নাই, কারণ গণহত্যা শেষে উনাদের লাশ বেয়নেট দিয়া খোঁচায়ে ক্ষতবিক্ষত কইরা দেওয়া হয়, কুকুর এবং শেয়ালদের খাওয়ার জন্য সেই লাশ ফালায়ে রাখা হয় পাহাড়ের ঢাল জুইড়। তাই টুম্বস্টোনের নিচে লাশ নাই একটাও। আমি দেখলাম, একটা টুম্বস্টোনের পাশে হেলান দিয়া একজন ভদ্রমহিলা বইসা বইসা একমনে সুরা ইয়াসিন পড়তেছেন। উনার চোখভর্তি পানি। আমি তাকায়ে দেখলাম টুম্বস্টোনের গায়ে তারিখ লেখা। ১৯৮০-১৯৯৫। ভদ্রমহিলা আমার দিকে শূন্যদৃষ্টিতে তাকাইলেন। আমি কথা না বাড়ায়ে দ্রুত হাঁইটা গেলাম সামনে। দুপুরবেলা জানাজা নামাজ হইল।
এইরকম জানাজা নামাজ আমি এর আগে দেখি নাই। মুসলিম এবং দাড়ি টুপি হিজাবধারী থিকা শুরু কইরা অর্থোডক্স খ্রিশ্চান এবং ইহুদি ও শর্টস পরা, ট্যাটু করা সকল মানুষ একসাথে পাহাড়ের ঢালে বুকে হাত বাইন্ধা দাঁড়াইলেন। কেউ কইতে আসলেন না, মেয়েরা জানাজা নামাজ পড়তে পারবেন না, কেউ কইতে আসলেন না, মেয়েরা পুরুষদের আগে লাইনে দাঁড়াইতে পারবেন না, কেউ কইতে আসলেন না, ইহুদীরা ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে সেজদা দিতে পারবেন না।
আমি শুনলাম, মৃত্যু উপতক্যার মাঝখানে পাহাড়ের দেয়ালে দেয়ালে ইমামের গলার স্বর প্রতিধ্বনিত হইতেছে, উনি বলতেছেন, “অন্যায়ভাবে হত্যা হওয়া পৃথিবীর সকল মানুষকে তুমি তোমার পাশে আসন দিও, আল্লাহ!”
আমি নিজের অজান্তে আমার অস্ত্বিত্বহীন ঈশ্বরের অস্তিত্বের বাসনায় হাত উঠাইলাম আকাশে! ভাবতে চাইলাম এই পৃথিবী ভালোবাসায় সৃষ্টি হওয়া পৃথিবী, ১৫ বছরের কিশোরের লাশহীন কবরের পাশে বইসা থাকা মায়েদের শূণ্যদৃষ্টির জন্য, পুরুষশূণ্য বিধবাদের গ্রামের জন্য, মর্টারে উইড়া যাওয়া কনসেনট্রেশান ক্যাম্পের রক্তের দাগে আঁকা আজকের মৃতদের হিসাবের জন্য, ধর্ম আর রাজনীতি আর সীমানা আর ক্ষমতার যুদ্ধে কংকালসার জীবন্ত লাশের সারির জন্য নিশ্চই এই পৃথিবীর সৃষ্টি হয় নাই!
আমি চোখ তুইলা দেখলাম, বার্চ গাছের আড়ালে দাঁড়ায়ে পনেরো বছরের একজন কিশোর কী জানি এক আপেল না কীসে কামড় দিতে দিতে আমার দিকে তাকায়ে মুচকি মুচকি হাসতেছেন।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, July 15, 2019
ফ্রিডম অভ স্পিচ: সেকাল-একাল
লেখক: মোয়াজ্জেম হোসেন, বিবিসি বাংলা, লন্ডন।
নয় বছরের শাসনামলে সেনাশাসক জেনারেল এরশাদকে কোন সংবাদ সম্মেলনে এরকম বিব্রতকর প্রশ্নের মুখোমুখি সম্ভবত আর হতে হয়নি।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Tuesday, July 2, 2019
Gracias, Escribano!
Elias Escribano, ভারী অবাক হয়েছিল আমি তার অতি প্রিয় লেখক সারভান্তিসকে নিয়ে লিখেছে বলে [১] কিন্তু সে তারচেয়েও বেশি অবাক করে দিল আমাকে হাবিজাবি এই সাক্ষাৎকারের লিংক খুঁজে দিয়ে। সেই কবে, 'গ্লোবাল ভয়েসেস' আমাকে কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। আমি তো আর তখন (চুপিচুপি বলি, এখনও!) জানতাম না যে কেমন করে সাক্ষাৎকার দিতে হয়। মাথায় যা এসেছিল তাই বলেছিলাম। শোনো কথা, ওটা আবার নাকি স্পেনিশ ভাষায় Juan Manzioni অনুবাদও করেছেন!
বিভাগ
Español (spanish)
Wednesday, May 22, 2019
আহারে-আহারে!
আমার কাছে টাইম মেশিনের সুবিধা থাকলে এই সময়ের এই ট্র্যাকটা মুছে ফেলতাম...
বিভাগ
ইচ্ছা
Thursday, April 18, 2019
স্পিচলেস!
Saturday, April 13, 2019
জীবন বড়ই আনন্দময়!
এই ওয়াজে সমস্ত লেখা-মন্তব্যই ফিযুল!।
Friday, January 18, 2019
নায়ক-নায়িকাগণ।
আমরা আগে এমনই ছিলাম (ভদ্রতা করে অসভ্য লিখছি না কারণ এই কাতারে আমিও পড়ি) তবে এতটা ছিলাম না! আগে ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতাম না এ সত্য তবে বাড়ি-দোকানের একপাশে ফেলে রাখতাম।
হালের নতুন এই চল হয়েছে
বিভাগ
ভাললাগা
Wednesday, January 2, 2019
আমাদের স্যার।
বিভাগ
শিরোনামহীন!
Sunday, August 12, 2018
শুয়ে আছেন এখানে, দুর্দান্ত এক অভিমানে।
আমাদের সব গেছে বানের জলে ভেসে। গেছে ছিনতাই হয়ে। মুক্তিযুদ্ধের আবেগও! নইলে কী আর ১৯৭১ সালের অনেক পরে জন্ম নিয়েও দিব্যি একালের মুক্তিযোদ্ধারা ঘুরে বেড়ায়। একজন বীর বিক্রম শহীদ সিরাজের মত অগ্নিপুরুষেরা থেকে যান এই প্রজন্মের অনেকটা চোখের আড়ালে। কিন্তু আমাদের মধ্যে থেকে থেকে কেউ-কেউ ঠিকই মাটি খুঁড়ে-খুঁড়ে এঁদেরকে নিয়ে আসেন ঠিক আমাদের চোখের সামনে।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Thursday, August 9, 2018
একজন শহিদুল আলমের নগ্ন পা!
Thursday, August 2, 2018
ঘুরে দাঁড়ায়, বাংলাদেশ।
আমরা যারা নিরাপদ দূরত্বে থাকি তারা সম্প্রতি সড়কে খুন হওয়া নিথর দেহ দেখে দু-কলম লিখে দায় সারি [১], [২] কিন্তু ছোট-ছোট বাচ্চারা রাস্তায় নেমে পড়েছে। তাদের দাবী বড় কিছু না এরা সরকারের কাছে সমুদ্রও চায়নি, স্যাটেলাইটও না কেবল ন্যায় চেয়েছে আর নিরাপদ সড়ক চেয়েছে। ব্যস, এই!
পুলিশ এদের গাল দিয়েছে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়েছে
বিভাগ
ভাললাগা
Tuesday, July 31, 2018
চলমান দানব এক!
কুমিল্লার চান্দিনায় আজকেও ট্রাক চাপায় এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়েছে।
এটা একটা সংখ্যা মাত্র, এই দেশের জন্য! কিন্তু তার বাবা-মার জন্য এটা কেবল একটা সংখ্যা না। সন্তানের নিথর দেহ সামনে নিয়ে শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দলা পাকায়, গলায় এসে। বোধবুদ্ধি হারিয়ে যায়। নইলে সন্তানহারা বেকুব বাবা কেন বারবার বলবেন, তার মেয়ের লাশ নামাবার সময়, ‘আরে কী করো-কী করো, আস্তে নামাও না মাইয়াডা দুক্কু পায় না বুঝি’।
Monday, July 30, 2018
খুনের মিছিল!
এই মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত বাস মালিক এবং এদের পেছনের ‘দাঁতাল-দাতলাগুলোকে’ আইনের আওতায় না-আনা হবে। ড্রাইভার-হেলপারকে ধরা না-ধরা সমান।
কোন পান্ডা কোন বাস মালিক কেমন করে বাসগুলো চালাচ্ছে একটু পত্র-পত্রিকায় চোখ বুলালে অনেকটা আঁচ করা যাবে। আমার হাতে এখন বাংলাদেশ প্রতিদিনের ২০ এপ্রিল ২০১৮ সালের একটা রিপোর্ট- ‘বেপরোয়া পরিবহনের মালিক কারা’।
Saturday, July 28, 2018
‘লন্ডভন্ড’-‘ভন্ডভন্ড’।
আমাদের ভ্যালুজগুলো আর থাকছে না। গায়ের কাপড়গুলো একে করে খসে পড়ছে। ছাত্র-শিক্ষকদের পিতা-পুত্রের যে সম্পর্ক এই সব এখন কেবল কেতাবেই আছে সম্ভবত। আমাদের পিতারা যখন আপিস, চাষের মাঠে তখন এই শিক্ষকরাই আমাদেরকে আঙ্গুল ধরে-ধরে পাঠশালায় শিখিয়েছেন।
বিভাগ
অশ্লীলতা
সবই সিস্টেম!
আমি বারবার যেটা বলে আসছি সেটা হচ্ছে, ‘আমরা এমনই’! আমরা একেকজন চলমান জম্বি। ঘুরছি-ফিরছি, খাচ্ছি-দাচ্ছি, চকচকে পোশাকে এবং চামড়ায় গলিত শবটাকে ঢেকে রাখছি। ফরমালিনে চুবানো দেহটা থেকে তরল পদার্থটা সরে গেলেই ভক করে তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে।
Wednesday, July 25, 2018
সুখীমানব!
আমার এখানে কেউ বেড়াতে এলে আমি খুব আগ্রহ করে এঁর কাছে নিয়ে যেতাম এটা বলে, আসেন, আপনাকে একজন সুখী মানুষ দেখাই। কেউ কাঁধ ঝাঁকাতেন তো কেউ ঠোঁট বাঁকাতেন। তাদের এই তচ্ছিল্য আমি গায়ে মাখতাম না। আমি আমার মত করে ব্যাখ্যা করতাম।
এই মানুষটাকে অনেক দিন ধরে স্টেশনে দেখি ওভারব্রিজের নীচে।
বিভাগ
কষ্ট
Monday, July 23, 2018
ভারসাম্যহীন!
বিভাগ
চুতিয়া
Wednesday, July 18, 2018
বনবন করে ঘোরে সাইকেলের চাকা, ফুটবলও।
Elias Escribano নামের ছেলেটা ২ বছর ধরে বনবাদাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে [১]। ইতিমধ্যে তার ৩৩টা দেশ ঘোরা শেষ। কিন্তু দেশ ঘোরার আকন্ঠ তৃষ্ণা এর এখনও শেষ হয়নি। মধ্যে কেবল ব্যাংককে অল্প সময়ের জন্য ওর বাবা-মার সঙ্গে দেখা হয়েছিল। ওদিন ওর জন্মদিন ছিল।
বাংলাদেশে থাকতে
বিভাগ
কষ্ট
Tuesday, July 17, 2018
বড় হতে চাইনি...।
অল্প কথায় অসাধারণ এক লেখা লিখেছেন কুঙ্গ থাঙ:
"কখনও বড় হতে চাইনি৷ বড়রা খেলাধুলা করে না, ছবি আঁকে না, সিগারেটের বাক্স জমায় না, পুরানো বোতল দিয়ে কটকটি কেনে না, প্রজাপতির ঝিলমিল ডানার পেছনে ছুটে না, গাছে উঠে না, নদীতীরে দৌড়ঝাঁপ করে না- কেবল টাকা-পয়সার হিসাব, জমিজমা, বাজার সদাই আর ঝগড়াঝাঁটি ৷
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, July 16, 2018
ন্যানো কাপ!
এটাকে মাঠ বলা চলে না, বড় জোর উঠোন। এখানে নাকি এই স্কুলের মেয়েরা ফুটবল খেলে। হেড টিচার আমাকে এটা বলার পর আমার সংক্ষিপ্ত উত্তর হওয়ার কথা, ধুর, কীসব আউলা-ঝাউলা কথা বলেন! কিন্তু এটা বলা হলো না কারণ এই স্কুলের হেড টিচার একজন কামেল মানুষ।
ধন্যবাদ, মতি ভাইয়া!
আজকের
পত্রিকার প্রথম পাতায় বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল- আমাদের মেয়েদের বিজয়ের ছবি দেখে
ভাল লাগছে। জাগো বাংলাদেশ!
অবশেষে, প্রথম পাতায় মেয়েরা জায়গা পেল এই জন্য আমি
মতিউর রহমান বাচ্চু, আমাদের মতি ভাইয়াকে ধন্যবাদ জানাই।
গতকালকের
পত্রিকায়ও
বিভাগ
অসভ্য কান্ড
Thursday, July 12, 2018
ট্রাম্প, তুই ল্যাংটা!
এক ইতরকে অন্য একজন পাদুকাঘাত করার পর সেই ইতর বলছে, আরেকটা দিয়া দেখ…। ইতিমধ্যে সেই ইতরকে দু-দশ চপেটাঘাত-পাদুকাঘাত করার পরও তার সেই একই রা, আরেকটা দিয়া দেখ মার্ডার হয়া যাইবি কিন্তু। পরে একজন সেই ইতরকে জিজ্ঞেস করল, মিয়া ঘটনা কী! তোমারে এত্তোগুলা জুতা মারল আর তুমি বা…! সেই ইতরের সাফ উত্তর, জুতায় তো আর গু
বিভাগ
চাবকানো প্রয়োজন
Wednesday, July 11, 2018
রোগী কে?
প্রফেসর ডা. একেএম ফজলুল হক। এই ডাক্তার সাহেবকে নিয়ে ইতিপূর্বেও আমি বেশ কিছু লেখা লিখেছি [১], [২], [৩]। সব ফেলে কাউকে নিয়ে সিরিজ লেখা শুরু করলে তো সমস্যা। আমার মনে হয় এই প্রতিজ্ঞা করাটা এখন আমার জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে যে প্রফেসর ডা. ফজলুল হককে নিয়ে আর লিখিব না লিখিলে দাঁত দিয়ে চোখ কামড়াতে বাধ্য থাকিব।
কপালের ফের!
বিভাগ
চাবকানো প্রয়োজন
হাতুড়ি মানব!
আমরা, সাধারণ মানুষ যারা, তারা জীবন নামের একটা আলো-ছায়ার বৃত্তে আটকে অনবরত ঘুরপাক খাই। আমাদের মধ্যে থেকে কেউ-কেউ বৃত্তের বাইরে যেতে পারেন না বটে কিন্তু তাঁর একটা পা থাকে বৃত্তের বাইরে। এঁরাই আমাদের আলোর দিশারি। যাদের চালু নাম বুদ্ধিজীবী। কিন্তু আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবী মহোদয়গণ এতোটাই আলোকিত হয়ে যান যে আমাদের চোখ ঝলসে যায়।
বিভাগ
অন্যায়
Tuesday, July 10, 2018
ইয়ে অমলিন!
গতকাল আমাদের মেয়েরা ক্রিকেটে স্বাগতিক হল্যান্ডকে একেবারে লম্বা করে দিয়েছে- ৭ উইকেটে হারিয়ে!
একবার একজন আমাকে বলেছিলেন কোন দেশ সম্বন্ধে জানতে হলে তার এয়ারপোর্ট এবং পত্রিকার নমুনা দেখবে। এয়ারপোর্টের বিষয়টা বুঝেছিলাম কিন্তু
বিভাগ
চাবকানো প্রয়োজন
Saturday, July 7, 2018
দমিনাস, জাফর ইকবাল এবং 'বাচপানা'!
ড. জাফর ইকবাল হালে একটি লেখা লিখেছেন। ‘ওয়ার্ল্ড কাপ’ [১]। সেখানে তিনি এক জায়গায় লিখেছেন, “…জাতীয় সঙ্গীত যে রকম শুধু কিছু শব্দ আর কিছু বাক্য নয় আরও অনেক বড় কিছু; জাতীয় পতাকাও সে রকম শুধু সেলাই করা দুই টুকরো কাপড় নয়, আরও অনেক বড় কিছু…”।
বিভাগ
ক্ষমতার অপব্যবহার
Tuesday, July 3, 2018
ফেরা, না-ফেরার দেশে।
প্রবাসীদের মধ্যে কেউ-কেউ নিজেদের নিয়ে একটা নিষ্ঠুর রসিকতা করেন, ‘দেশে ফিরার সময় প্লেনে বইসা আইবেন না ভিআইপি হয়া আইবেন’। ভিআইপি মানে শুয়ে-শুয়ে আসা। মানুষটা দেশে ফেরেন বটে কিন্তু না-ফেরার দেশে। কফিনবন্দি!
একবার হলো কি (এটা সত্য ঘটনা) গ্রামের দরিদ্র পরিবারের একজন প্রবাসে মারা গেছেন। এখন তাকে দেশে ফেরত আনতে গেলে বিস্তর খরচ। লাশটিকে শূন্য হাতে ফিরতে হয় কিন্তু
বিভাগ
ক্ষোভ
Monday, July 2, 2018
ভুল ভূমিকায়।
আমাদের জন্মের পর থেকেই শুরু হয় বিভাজন। প্রাণটা কি মানুষের না পশুর? এরপর ধর্মের বিভাজন। তারও পরে দলের। আর্জেন্টিনা নাকি ব্রাজিল? আওয়ামি লীগ না বিএনপি-জামাত? ইত্যাদি-ইত্যাদি-ইত্যাদি।
এ এক চলমান প্রক্রিয়া! এই প্রক্রিয়ায় আমরা ভুলতে বসি, একদা মানুষ ছিলাম রে। এমনিতে আমরা জাঁক করে বলি বটে, এন্ড অভ দ্য ডে উয়া হিউম্যান বিয়িং। কিন্তু ভুল হয়ে যায়
বিভাগ
সভ্যতা
Sunday, July 1, 2018
দানব এবং মিডিয়া।
হোলি আর্টিজেন বেকারিতে হামলার দুই বছর হলো এখনও অভিযোগপত্রই নাকি দেওয়া হয়নি! তদন্ত নামের যে-জিনিসটা এটা বড় বিচিত্র এর কোনও আগামাথা নাই জবাবদিহিতারও কোনও বালাই নাই।
মিডিয়ার শক্তি কী জিনিস
মিডিয়ার শক্তি কী জিনিস
বিভাগ
ক্ষমতার অপব্যবহার
Friday, June 29, 2018
জরু-গরু, পোলা-ছোলা সবই যাক, কেবল...।
‘…মিডিয়া’ ফুটবলের উম্মাদনা কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছে এর নমুনা দিয়ে শেষ করা যাবে না।
রাশিয়ায় এই বিশ্বকাপ রাশিয়ার জন্য 'ইদ-চান'! সরকার সেই দেশের অনেক অন্যায্য কাজ আড়াল করে ফেলার চেষ্টা করছে। যেমন, বর্তমানে রাশিয়ান নারীদের অবসরের বয়সসীমা ৫৫ এবং পুরুষদের ৬০। এখন সরকার চাচ্ছে এই বয়সসীমা যথাক্রমে ৬৩ এবং ৬৫ করতে। এতে করে ভবিষ্যতে সরকারের এক ট্রিলিয়ন রুবল সাশ্রয় হবে।
আমাদের দেশে
বিভাগ
চাবকানো প্রয়োজন
Thursday, June 21, 2018
পোকামাকড়ের থাকাথাকি।
কেবল বালকবেলায় না, এখনও, কখনও-কখনও পোকাকে 'পুকা' বলে হাসির পাত্র হই। তো, বালকবেলায় প্রায়শ এটা মাথায় ঘুরপাক খেত 'পুকার' জন্য একটা ঘর-টর করা যায় না?
সেই বালকবেলার হাস্যকর কর্মকান্ড ভাবনাকে বাস্তবে করে দেখিয়েছেন fakruddin shahariar (https://www.facebook.com/fakruddin.shahariar), এই বাপ-বেটা মিলে পোকামাকড়ের জন্য হোটেল খুলেছেন। 'বাগ হোটেল'।
বিভাগ
ভাললাগা
Sunday, June 10, 2018
হুজুগে বঙ্গাল!
বিভাগ
অসভ্য কান্ড
Saturday, June 2, 2018
ক্রসফায়ার বনাম বন্দুকযুদ্ধ।
দেশ এখন যুদ্ধাবস্থায় আছে। তুমুল 'বন্দুকযুদ্ধ' (চালু মিডিয়া সম্ভবত ক্রসফায়ার বলে-বলে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে তাই এই নতুন সংযোজন চালু করেছে।) চলছে! বন্দুকের গুলি সবগুলোই একের-পর-এক ক্রস করছে। এ এক ‘অমায়িক ক্রসফায়ার’ - যাদের গা ছুঁয়ে যাচ্ছে তারা বেজায় খুশি বেঁচে যাওয়ার আনন্দে!
কিন্তু ‘খোদা-না-খাস্তা’ কোনও একটা গুলি যদি ক্রস না-করে
Subscribe to:
Posts (Atom)







