Thursday, August 9, 2018

একজন শহিদুল আলমের নগ্ন পা!


আমি যখন প্রথম খবরটা শুনি তখন আমি নিশ্চিত শহীদুল আলমকে সন্ত্রাসীরা ধরে নিয়ে গেছে। কারণ ওই ভবনের আশেপাশের লোকজনের বক্তব্য এবং সম্মেলনে শহীদুল আলমের স্ত্রী বলেছিলেন, “…ওই লোকগুলো বাসায় ঢুকেই সিসি ক্যামেরায় স্কচটেপ মেরে দেন, ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণের ডিভিআর বক্সও নিয়ে যায় তারা"।
ডিবি অফিসের সামনে সারা রাত বসে থেকেও তিনি শহীদুলের বিষয়ে কোনো তথ্য পাননি।

ওখানে উপস্থিত অন্য লোকজনের ভাষ্যও হুবহু এক।
ওই এলাকার থানাও এই বিষয়ে কিছুই জানত না। বিবিসির কাছে  থানার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এই মর্মেই বক্তব্য দেন।

শহীদুল আলমের স্ত্রী অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ আরও জানান, ধানমন্ডি থানায় অভিযোগ দিয়ে তিনি মিন্টো রোড়ের ডিবি অফিসে যান। সেখানে সারা রাত বসে থেকেও তিনি শহীদুলের বিষয়ে কোনো তথ্য পাননি
কল্পনা করা যায় একজন মানুষের স্বজন সমস্ত রাত্র ধরে অপেক্ষায় আছেন। জানা নেই কে বা কারা তাঁর স্বজনকে কোথায় নিয়ে গেছে। এটা কী একটা শব নিয়ে অপেক্ষার চেয়ে খুব কম একটা কিছু! 
বাংলাদেশের অসংখ্য গুমের ঘটনার মতই এটার পরিণতিও অনুমান করা যাচ্ছিল। অধ্যাপক রেহনুমা যখন সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছিলেন ঠিক তখনই ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়। ডিবি অফিস থেকে তাঁকে ফোনে অতি দ্রুত সেখানে যেতে বলা হয়। 

এরপরই আমরা জানতে পারি শহীদুল আলমকে অপহরণ করা হয়নি, ডিবির লোকজনেরা উঠিয়ে নিয়ে গেছেন। আজব একটা দেশ! তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম শহীদুল আলম আইন ভঙ্গ করেছেন তাঁকে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। সমস্যা নাই তো, আইনের নিয়ম মেনে তাঁকে যেভাবে আটক করা প্রয়োজন রাষ্ট্র তা করবে। এভাবে নোংরা ভাবে কেন? এখন দেখা গেল কাউকে সত্যি-সত্যি অপহরণ করা বা গুম করা হয়েছে আর আমরা ধরে নিলাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে তুলে নিয়ে গেছে। তখন এর দায় কে নেবে?

আরেকটা বিষয় মাথায় খেলা করলে ভাল হয় সেটা হচ্ছে শহিদুল আলম ছলিমুল্লা-কলিমুল্লা  টাইপের কেউ না। ছদরুদ্দিন-মদুরুদ্দিনও না যে তাকে গ্রেফতারের বেলায় এমন 'হাসহাস-হিসহিস' করার অপ-প্রয়োজন দেখা দেবে। তিনি চোর-ছ্যাচ্চড় না যে গা ঢাকা দিয়ে ভারত গিয়ে বসে থাকবেন। পৃথিবীর যে সমস্ত দেশে নাগরিকত্ব নেওয়ার জন্য এই দেশের অধিকাংশ মানুষ পারলে আত্মা বিক্রি করে দেয় সেই সমস্ত দেশ আনন্দের সঙ্গে শহিদুল আলমকে থাকার ব্যবস্থা করে দেবে। তারপরও শহিদুল আলমের মত মানুষেরা কেন এই দেশে পড়ে থাকেন এটা মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন?

অবশ্য আমার মত মোটা বুদ্ধির মানুষ বলি, আমরা টবের গাছ না আমরা নারকেল গাছ- আমাদের শেকড় ছড়িয়ে গেছে বহু দূর। নারকেল গাছ 'রিপট' করা যায় না- উপড়ে ফেললে আর বাঁচানো সম্ভব হয় না। 
শোনেন মিয়ারা, একটু কঠিন করে বলি আমাদের দেশের যেসব 'পাজামা বুদ্ধিজীবী' আছেন তাদের দৌড় কলকাতা পর্যন্তই আর এই ভদ্রলোককে উন্নত অনেক দেশ বিচারক করার জন্য সেধে নিয়ে যায়।

যাই হোক, এরপরই আমরা জানতে পারলাম তাকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় টানাহেঁচড়া চ্যাংদোলা করে আদালতে তোলা হয়।

আমরা এই ছোট্ট ভিডিও ক্লিপে 'নগ্ন পা' এই মানুষটাকে দেখব। আমার কাছে মনে হচ্ছিল আমি নগ্ন দেশকে দেখছি!
শহিদুল আলম খুঁড়িয়ে-খুঁড়িয়ে হাঁটছিলেন কিন্তু ভারী গলায় বলছিলেন, "...আমাকে আঘাত করা হয়েছে। আমরা রক্তমাখা পাঞ্জাবি ধুয়ে শুকিয়ে আমাকে আবার পরানো হয়েছে..."।

আমাদের মিডিয়া! এরা হলুদ সাংবাদিকতা কেমনতরো করে এর নমুনা:
'ঢাকা ট্রিবিউন' নামের এই নিউজ পোর্টাল এই ছবিটা ছাপিয়ে লিখেছে, 'পুলিশ এসকর্ট দৃক গ্যালারি ফাউন্ডার...', এবং ছবিটা এমন ভঙ্গিতে ছাপিয়েছে যে মনে হবে তিনি পুলিশ প্রহরায়। পুলিশ তাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছে। ব্লা-ব্লা-ব্লা অথবা বা... -বা... -বা...।

যাই হোক, নিম্ন আদালতে হাজির করা হলে শহিদুল আলম তার উপর পুলিশ কী নৃশংস অত্যাচার করেছে তার বর্ণনা দিলে বিজ্ঞ আদালত সেটা আমলেই নেননি।
বরং বিজ্ঞ আদালত পুলিশ কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছেন, 'আসামী শহিদুলের ফেসবুকের অ্যাকসেস নিতে পেরেছেন কি না'? তখন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, 'আসামির মোবাইল জব্দ করা হয়েছে কিন্তু ফোনের পাসওয়ার্ড জানা যায়নি'

এ এক বিস্ময়! একজন ফেসবুকে তার পোস্ট পাবলিশ করবেন যেটা প্রকাশ্য এর উপর তার অপরাধ বিবেচ্য হবে কিন্তু একটা মানুষের ফোন তার একান্ত বিষয় অনেকটা অর্ন্তবাসের মত। এই অধিকার কেন একজনের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হবে?
যাই হোক, পরিশেষে বিজ্ঞ আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে এজলাস ত্যাগ করেন।

আদালত প্রাঙ্গনেই এক পর্যায়ে পুলিশ শহিদুল আলমের মুখ চেপে ধরে শত-শত মানুষের সামনে, অজস্র মিডিয়ার ক্যামেরা তখন চালু!


  
পরদিন উচ্চ আদালত এই মামলার বিষয়ে মন্তব্য করেন, "আরে রাখেন, ভাগ্য ভাল যে উনাকে গুম করেনি"। 
https://bdnews24.com

https://www.dw.com

কেমন করে সংবাদ পাল্টে যায় এর চমৎকার একটা উদাহরণ 'দৈনিক ইত্তেফাক'। এরা লিখেছে, "ভাগ্য ভাল যে সে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে আছে। অন্য কেউ তাকে গুম করেনি"।

লেখক জাফর ইকবাল 'আমরা জানতে চাই' শিরোনামে অসাধারণ একটা লেখা লিখেছেন, "একই ভঙ্গিতে আমাদের গায়ে হাত দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নেওয়া হবে না—সেটি কে বলতে পারে? কিছুদিন আগে আমি ছুরিকাহত হওয়ার পর আমার রক্তাক্ত অর্ধচেতন ছবি খবরের কাগজে ছাপা হয়েছিল। সেই ছবি দেখে আমার আপনজন যতটুকু বিচলিত হয়েছিল, আমি নিশ্চিত তারা যদি দেখতো একদল পুলিশ আমাকে আঘাত করে খালি পায়ে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে, তারা তার চাইতেও একশগুণ বেশি বিচলিত হতো। এই মুহূর্তে শুধু শহিদুল আলমের পরিবারের লোকজন নয়, আমরাও অনেক বিচলিত..."

তিনি আরও লিখেছেন, "আলোকচিত্রশিল্পী শহিদুল আলমের অপরাধটি কী—আমি সেটা বুঝতে পারিনি। তিনি আল জাজিরাতে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। আমি সেটা দেখিনি, তবে বিবিসির খবরে পড়েছি, তিনি আন্দোলন দমনের ব্যাপারে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। ...কিন্তু শহিদুল আলমের মতো একজন আন্তর্জাতিক মানুষ, একজন আত্মবিশ্বাসী মানুষ, দেশের অবস্থাটি বিদেশি সাংবাদিককে বলতেই পারেন। সেটি যদি সরকারের সমালোচনা হয়, সরকারকে সেটা মেনে নিতে হবে। কিছুতেই সেটাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না..." (আমরা জানতে চাই/ জাফর ইকবাল)

কারও লেখা বক্তব্য পছন্দ না-হলে সেটা নিয়ে পাল্টা বক্তব্য দিতে তো কোনও সমস্যা নাই কিন্তু একটা মর্যাদাবান, বয়স্ক মানুষকে আপনি পশুর মত (পশুর উদাহরণ দিলাম এই কারণে যে পশু নগ্ন পায়ে থাকে জুতা পরার কোনও সুযোগ তার নাই) হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে যাবেন আর সবাইকে দিয়ে বলাবেন, আমরা উদার, গণতন্ত্রের দন্ড ধরে রেখেছি আমরাই। 
যেমনটা শহিদুল আলমকে নিয়ে পাল্টা লেখা লিখেছেন 'বাংলা ট্রিবিউনে' আমাদের এই 'সাদা গোঁফের' লেখক, বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী মহোদয়।
তিনি লেখাটা শুরু করেছেন এভাবে, "শহিদুল আলম নামের একজন খ্যাতনামা ফটোগ্রাফারকে তার ধানমন্ডির বাসা থেকে একদল লোক ধরে নিয়ে গিয়েছিল গত ৫ আগস্ট রাতে। তার স্ত্রী সংবাদ মাধ্যমে জানানোর আগে এই সংবাদ প্রচার করে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে বিদেশি মিডিয়ায় লেখালেখি করে নজরে আসা ডেভিড বার্গম্যান। যিনি আবার ড. কামাল হোসেনের জামাতা এবং ব্যারিস্টার সারা হোসেনের স্বামী..."

তা চোদরি সাব, 'একদল লোক ধরে নিয়ে গিয়েছিল', বিষয়টা মজার, না? আচ্ছা ভাইসাহেব, একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি, আপনি কি এই গ্রহে একা নাকি আপনার ইস্তারি সাহেবা বা নাতিপুতি কেউ আছে। নাই, না! ও আচ্ছা তাইলে আপনার লগে গফ কইরা মজা নাই। কারণ একটা জলজ্যান্ত মানুষকে কেউ উঠিয়ে নিয়ে গেছে এই যে উদ্বেগ এই যে তীব্র বেদনা এটা বোঝার ক্ষমতা আপনার নাই।

যাই হোক, তো ভাই সাহেব এই প্রসঙ্গে না-গিয়ে তার লেখায় ঢুকিয়ে দেন ডেভিড বার্গম্যানের কথা। গাছের সঙ্গে ডালপালা তো আসবেই তাই এর লেখায় চলে এসেঠে ড. কামাল হোসেন সারা হোসেনের কথা।
এরপর ভাই সাহেব লিখেছেন, "এসব অনেক কিছুই আমার কানে আসছে। সত্য নাকি মিথ্যা সেটা আমার জানা নেই। প্রধানমন্ত্রীর অফিসের এক কর্মকর্তা তার ফেসবুকে দাবি করেছেন,তিনি বেগম জিয়ার ফটোগ্রাফার এবং মুভি নির্মাতা, তিনি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বানানোর জন্য মুভিতে জিয়ার নকল কণ্ঠ ব্যবহার করেছিলেন। এই শহিদুল আলম, মাহমুদুর রহমান ও ফরহাদ মজহার গংরাই গণজাগরণের তরুণ প্রজন্মকে ‘নাস্তিক’ উপাধিতে ভূষিত করেছিল। মতিঝিলে হেফাজতের ঘটনায় সাড়ে তিন হাজার আলেম হত্যার গুজবের অন্যতম নায়কও তিনি।...
 
আমি শহিদুলকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না, তবে তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানি। কিন্তু ২০১০ সালে র‌্যাবের ক্রসফায়ার নিয়ে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর চেষ্টা করে তিনি খবর হয়েছিলেন মনে আছে। পুলিশ আলোকচিত্র প্রদর্শনীটি বন্ধ করে দিয়েছিল। ...শহিদুল আওয়ামী লীগ সরকারকে বিব্রত করার জন্য এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ায় আসার চেষ্টায় ছিলেন সেটা বুঝা গিয়েছিল এটা নিয়ে বিদেশি মিডিয়ায় হইচই দেখে।"


এই ভদ্রলোকের সবটা লেখা পড়াটাও এক ধরনের অত্যাচার। হা জি, ক্রসফায়ার মালুম হ্যায় জি? ক্রসফায়ার জিনিসটা কি এটা কি আপনি বোঝেন, মহাশয়? যখন বুঝবেন তখন আর বাঁচবেন না। ও আচ্ছা, সরি আমার মনে ছিল না আপনি তো আবার এই 'পিতিবিতে' একা। আফসোস।
তো এই ভদ্রলোককে সাদা গোঁফের কথা বলেছিলাম এই কারণে ইনি এই লেখায় বারবার বলছেন 'সব অনেক কিছুই আমার কানে আসছে', আমি শুনেছি', 'অবশ্য কেউ-কেউ বলছে'। মিয়া ভাই, আপনি কী এই বয়সেও ভাত অন্যের হাতে খান নাকি? সব অন্যের চোখ দিয়ে দেখছেন, সবই অন্যের কান দিয়ে শুনছেন, আজব!
আবারো আফসোস, লেখা নামের আপনার এসব ছাইপাঁশ প্রসঙ্গ নিয়ে আমার নিজের শব্দের অপচয় করলাম বলে। 

এটা সেই সময়কার কথা যখন বাঘা-বাঘা ব্লগাররা গর্তে সেঁধিয়ে আছেন, দেশ ত্যাগ করেছেন তখন এই মানুষটা 'আমি ব্লগার' এই লেখা টিশার্ট পরে সাইকেলে করে দেশ দাপিয়েছেন। 


দেশে যখন অনেকে লেখার কলম দিয়ে কান চুলকায় তখন তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসে লিখেছেন হাত খুলে:
"FOR the past month, tens of thousands of Bangladeshis have filled Shahbagh Square here, demanding justice for crimes committed in 1971, when Bangladesh (formerly East Pakistan) attained its independence from Pakistan.
Ordinary people — grandparents, people in wheelchairs, men with beards, women in hijab, teenagers in jeans — have come out in throngs, in anger, but also in joy. Children are decked out in their favorite clothes, sitting on the shoulders of parents chanting slogans they don’t understand. Women have been able to participate safely, free from the harassment that often accompanies large crowds of angry men. The year 1971 was seminal for Bangladesh. We had been denied our right to self-rule since the Indian subcontinent was partitioned in 1947. In March of ’71, the Pakistani military, supported by China and the United States, initiated a bloody suppression of 75 million Bangladeshis. Millions fled the murderous onslaught and sought refuge in India. Militias affiliated with the Islamist party Jamaat-e-Islami collaborated with the Pakistani military. They informed on, hunted out, and participated in the rape, killing and torture of ordinary citizens. They targeted hundreds of intellectuals, who were killed in cold blood. After Bangladesh achieved independence, with help from India, in December 1971, the new government promised to punish the razakars, or collaborators . Continue reading the main story We all knew who they were. But realpolitik in a young nation surrounded by powerful neighbors inevitably led to compromises. Bangladesh’s founding leader, Sheik Mujibur Rahman, set up special tribunals to try the collaborators. Several thousand cases were filed, but the quest for justice was derailed in late 1973 when Sheik Mujibur declared a general amnesty for the collaborators against whom trials had not yet been initiated. Two years later, he was assassinated, and a series of military coups followed. Bangladesh’s original Constitution had four basic principles: nationalism, democracy, socialism and secularism. Military dictators replaced that with “absolute trust and faith in the Almighty Allah as the basis of all actions” in 1977, and made another change in 1988 that led to our once-secular nation’s being redefined as an Islamist one. Martial law, amnesty and political deals allowed the collaborators to go free and Jamaat-e-Islami to gradually rejoin the political mainstream. Only in 2010 was a tribunal at last established to investigate the 1971 war crimes. It delivered its first verdict last month, sentencing a former Jamaat member, Abul Kalam Azad , to death. In a second decision, on Feb. 5, it sentenced a top current Jamaat leader, Abdul Quader Mollah , to life in prison — a sentence the protesters regard as far too lenient. The demonstrators suspect that the life sentence is part of a secret deal the current prime minister, Sheikh Hasina Wazed (a daughter of the nation’s assassinated founder) has made with Islamist leaders to preserve her power. Jamaat belongs to an opposition coalition led by the Bangladesh National Party. There is widespread fear that if a new government comes to power in approaching parliamentary elections, it will pardon Mr. Mollah, Mr. Azad and other Jamaat members still facing trial — allowing the collaborators of 1971 go free once again. The current government has set a dangerous precedent: Since 2009, Ms. Hasina has pardoned some 20 death-row convicts, including hardened criminals charged with grisly murders. Most of the young protesters in Shahbagh Square never lived under occupation or experienced the terror of midnight raids or the fear of rape, torture and wanton killing. But they are furious over government duplicity. Years of kleptocratic rule, nepotism, corruption and abuse of power have eroded trust in government in Bangladesh. People feel that the system is so corrupt that change cannot possibly emerge in the electoral arena. That’s why hundreds of thousands of Bangladeshis have gathered in the past month in a spontaneous movement that quickly spread across the country..." (বাকিটা মূল লেখায়)  
Shahidul Alam is a journalist, photographer and blogger. DHAKA, Bangladesh. FEB. 28, 2013 The New York Times
মূল লেখা এখানে: (https://www.nytimes.com/2013/03/01/opinion/bangladeshs-40-year-quest-for-justice.html)

বখতিয়ার গংরা আরেকটা কঠিন অভিযোগ করেছেন শহিদুল আলম নাকি ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জিয়াউর রহমানের কন্ঠ নকল করে বিকৃত ডকুমেন্টারি বানিয়েছেন। তাঁর এই ভিডিওটা দেখলে পরিষ্কার হয়ে যাবে যে এরা মিথ্যাবাদি!
...
ঠিক দু-দিন পরের ঘটনা। রাত ১০টায় রাস্তা থেকে সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে 'কে বা কাহারা' তুলে নিয়ে গেছে। আপাতত দৃষ্টিতে এটাও অপহরণ মনে হচ্ছে। ওই এলাকার (পল্লবী থানা) কিছু তো জানেই না তার উপর দুই বার এই মানুষটার স্বজন থানায় লিখিত অভিযোগ করতে গেলে অভিযোগই রাখা হয়নি! এই মানুষটা ৩বার সরকারি খেতাবপ্রাপ্ত এবং একজন বীর প্রতীক।

No comments: