লেখক: Amirun Nahin
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রাম। গ্রামটি বাংলাদেশের অংশ হলেও ভারত দীর্ঘদিন তা অপদখল করে রেখেছিলো। অনেকবার দাবী জানাবার পরও তারা গ্রামটি ফেরত দিচ্ছিল না।
![]() |
| ঋণ: Saeed Milton |
"...ফ্লাইং করার অনুমতি মিলল না। সব বাঙালি অফিসারদের গ্রাউন্ডেড করে রাখা হলো। মতিকে করা হলো ফ্লাইট সেফটি অফিসার। No Flying কিন্তু প্রয়োজন হলে প্লেনের কাছে যেতে পারবে।"
"অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ অনেক হয়েছে এবার ধর্ষণ যুদ্ধ শুরু করতে হবে। গাজার ঘরে-ঘরে ঢুকে ওদের নারীদের ধর্ষণ করতে হবে। মা-বোন-স্ত্রী-কন্যা কেউ যেন বাদ না যায়"।
"কেরালায় হাতি মারা তো কিছুই না। মানুষ নামের প্রাণীটার কিছু কীর্তিকলাপের কথা বলি। শুনেন, ইউরোপীয়রা আসার আগে সারা আমেরিকার তৃণভূমি গুলো জুড়ে লাখ-লাখ বাইসন ঘুরে বেড়াত। বাইসন মানে আমেরিকান বুনো মহিষ, আমাদের গয়ালের মত। এক একটা ঝাঁকে কয়েক হাজার বাইসন থাকত, এরকম কয়েক শ ঝাঁক। মনের আনন্দে সবুজ ঘাস চিবিয়ে দিননিপাত করত তারা। শিকারী বলতে পুমা/নেকড়ে এরকম কিছু প্রাণী ছিলো। তবে মানুষ নামের দো-পেয়ের কাছে তারা কিছুই না।লেখক: Sumona Choudhury |
আসিফা- আট বছরের শিশুটিকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। তারপর ঘুমের ইঞ্জেকশন দিয়ে একসপ্তাহ
বেঁহুশ করে টানা ধর্ষন করে গেল কয়েকজন মিলে, মন্দিরে! মিরাট থেকে আত্মীয়
গেল ধর্ষন-উৎসবে শরীক হতে। পুলিশ অফিসারই বা বাদ যায় কেন? উত্থিত লিঙ্গ
নিয়ে সেও চড়াও হলো। হ্যাঁ ততক্ষণে শিশুটি আর বেঁচে নেই। তাও লিঙ্গসুখ
মেটানো হলো শেষবারের মতো। তাও... তাও!| লেখক: | Sumon Rahman |