মি. করোনার যে সাক্ষাৎকারের ঘটনা হুজুর বললেন এরপর আর কথা চলে না।
Friday, March 13, 2020
করোনা আসিলেন, হুজুর কহিলেন, পাবলিক শুনিলেন।
বিভাগ
:D
Monday, March 9, 2020
"তু সালা কাসাই"!
বিভাগ
চাবকানো প্রয়োজন
Saturday, March 7, 2020
জীবন বড় সুন্দর!
বিভাগ
ভাললাগা
Saturday, February 8, 2020
বেটা, জীবন বড়ই সুন্দর, রে!
লেখক: Shawkat Ali
১৯৯৭ সালে মুুক্তিপ্রাপ্ত ইতালিয়ান ছবি লা ভিটা ই বেলা (লাইফ ইজ বিউটিফুল)
গল্পের শুরুটা দুই বন্ধুকে নিয়ে। প্রেক্ষাপট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কয়েক বছর আগের। স্থান ইতালির একটি ছোট শহর। এই দুই বন্ধুর একজন গুইডো। অভিনয়ে রবার্তো বেনিনি। তিনিই এই সিনেমার পরিচালক এবং গল্পলেখক।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
বেপারি!
লেখক: Rumi Ahmed
"মগবাজারে বাসা| আশিউর্ধ ভদ্রলোক মাগরেব নামাজ পড়ে জায়নামাজে বসে ওজিফা পড়ছেন। এই অবস্থায়ই তার স্ট্রোক হলো! খুব গরম লাগলো, খারাপ ফিল করলেন, মুখের কথা স্লার্ড হয়ে গেলো। তাঁকে বিছানায় নিয়ে শুইয়ে দেয়া হলো। নিচের ফ্ল্যাটের এক ডাক্তার সাহেবকে ডেকে আনা হলো। উনিও বললেন, স্ট্রোক হচ্ছে।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Saturday, January 18, 2020
কোবতে !
* সবিনয় নিবেদন: কবিরা যখন শব্দ নিয়ে লোফালুফি খেলেন তখন তা হয় কবিতা। কিন্তু আমার মত 'অ-কবিরা' চেষ্টা করলে আঙ্গুলের ফাঁক গলে শব্দ ক্রমশ গড়ায়। তখন ১২ , ১১, ১০, ১১, ৭, ১৭, ১১, ১৩, ৮ অক্ষরের ছন্দ মেলাতে গিয়ে কালঘামও শব্দের সঙ্গে গড়াগড়ি খায়...।
১২
"কাল বিকেলে নাকি আজ সকালে
ন্যানো ড্রাইভটা ফেলেছি হারিয়ে
যেটায়- রাখা ছিল ৭০০ কোটি
মানুষের ডিএনএ প্রোফাইল।"
"কাল বিকেলে নাকি আজ সকালে
ন্যানো ড্রাইভটা ফেলেছি হারিয়ে
যেটায়- রাখা ছিল ৭০০ কোটি
মানুষের ডিএনএ প্রোফাইল।"
বিভাগ
আবর্জনা
Sunday, January 12, 2020
দলবাজ এবং 'পাবলিকবাজ'!
সিভিল সার্জন
বিভাগ
অসভ্য কান্ড
Wednesday, December 4, 2019
শপথ।
১. "শপথ তাদের যারা ছোটে হাঁপাতে হাঁপাতে,"
(সুরা আদিয়াত) ১০০:১
২. "শপথ তিন (ডুমুর) ও জয়তুন (জলপাই)-এর!"
সুরা তিন ৯৫:১
৩. "আর শপথ সিনাই প্রান্তরস্থ তুর পর্বতের"
সুরা তিন ৯৫:২
Tuesday, December 3, 2019
আহা জীবন!
"কেভিন কার্টার ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার একজন বিখ্যাত ফটোসাংবাদিক । তিনি ১৯৯৩ সালে সুদান দুর্ভিক্ষের অসাধারণ কিছু ছবি তোলেন Vulture and Little Girl- তেমনই একটি ছবি।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, November 25, 2019
সমস্ত প্রাণী আনন্দ পান করে প্রকৃতির স্তনে।
"ডেভিড গুডাল, লন্ডনে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। উদ্ভিদ ও পরিবেশ
বিজ্ঞানী। বয়স ১০৪। তিনি চুড়ান্তভাবে অসুস্থ ছিলেন না, মানসিক মেজাজ ছিল
খুব ভাল, কোন ধরনের নিদারুণ যন্ত্রণাও ছিল না। কিন্তু ডেভিড মনে করেন,
ওঁর সাম্প্রতিক জীবন উপভোগ্য না বরং কিছু ক্ষেত্রে এটি এক ধরণের 'প্রবীণ
নির্যাতন'। তিনি আর জীবনকে চালিয়ে নিয়ে লম্বা করতে রাজী ছিলেন না।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, November 22, 2019
রিউনিট ডোম
"উনত্রিশটা কোরাল দ্বীপ ও পাঁচটা বাসযোগ্য ছোট বড় দ্বীপের সমন্বয়ে একটা দেশ যার নাম, 'মার্শাল আইল্যান্ডস'। লস এঞ্জেলেসের পাঁচ হাজার মাইল পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরের এক কোনায় এর অবস্থান। ৭০ বর্গমাইলের এই দ্বীপের বাসিন্দার সংখ্যা এ বছরের হিসাব অনুযায়ী আটান্ন হাজার সাতশ' একানব্বই জন মাত্র।
চার যুগের বেশী সময় ধরে আমেরিকার করায়ত্ত থেকে ১৯৮৬ সালে দেশটা স্বায়ত্ব শাসন লাভ করে যদিও আমেরিকার সাহায্যের উপর এখনো পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে আছে দেশটা।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Sunday, November 17, 2019
ডিজিটাল বলদের তিন সফর!
লেখক: রুবাইয়্যাত আহসান
"বাংলাদেশের একজন সেলিব্রেটির নাম বলুন? প্রত্যেক শ্রেণীর একজন করে সেলিব্রেটি ঠিক করা আছে। আপনার আছে, আমার আছে।
"বাংলাদেশের একজন সেলিব্রেটির নাম বলুন? প্রত্যেক শ্রেণীর একজন করে সেলিব্রেটি ঠিক করা আছে। আপনার আছে, আমার আছে।
কিশোর, কিশোরী, তরুণ-তরুণীর কাছে সেলিব্রেটি জাস্টিন বিবার। আমি জাস্টিন বিবারের নাম কেবল শুনে এসেছি কিন্তু চর্মচক্ষে দেখার সাধ হলো দু'দিন আগে, একটা তরুণীর কমেন্ট দেখে। দেখুন কত্তবড় ক্ষ্যাত আমি!
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
সাদিয়ারা এমনই হয়...!
লেখক: Muhammad Arif Hossain
পুরান ঢাকা থেইকা ছাত্রীর মা ফোন দিয়া কইলো:
- মাস্টর নি?
- জি আন্টি।
- এই আমি ছেপ ফেললাম। হুগানের আগে আমার বাছায় আইবা।
- কী আশ্চর্য।
পুরান ঢাকা থেইকা ছাত্রীর মা ফোন দিয়া কইলো:
- মাস্টর নি?
- জি আন্টি।
- এই আমি ছেপ ফেললাম। হুগানের আগে আমার বাছায় আইবা।
- কী আশ্চর্য।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Saturday, November 16, 2019
রবিদাদা বেঁচে থাকলে আজ শ্রীঘরে থাকতেন!
ভাগ্যিস রবিদাদা আজ আর বেঁচে নেই- মরে বেঁচে গেছেন! নইলে এই মানুষটাকে খুনের দায়ে কালাপানিতে না-হোক শ্রীঘরে যেতেন নিশ্চিত।
বিভাগ
চুতিয়া
টিয়ার্স ইন হেভেন, (মামা)!
"'টিয়ার্স ইন হেভেন', এরিক ক্ল্যাপটন-এর বিখ্যাত গানগুলোর একটি। এটাকে বিশ্বের সেরা ১০০ গানের একটি হিসেবে ধরা হয়। এই গানের এ্যালবাম বিক্রি হয়েছিল কয়েক মিলিয়ন কপি । ক্ল্যাপটন ৪ বছরের ছেলে কনোর মারা যায় নিউইয়র্কের ৫৪ তলা এক হাইরাইজ ব্লিল্ডিং-এর জানালা থেকে পড়ে। সেখানে সে গিয়েছিল তার মার সাথে বেড়াতে। তাকে নিয়েই মূলত ক্ল্যাপটনের এই হৃদয়স্পর্শী গান।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Tuesday, November 12, 2019
'রাঙ্গা'-কে রাঙ্গিয়ে।
রে রাঙ্গা, তোর বাপই তো ছিল
ভায়াগ্রাখোর, বিশ্ববেহায়া, বিশ্বচোর।
[১], [২], [৩], [৪], [৫], [৬], [৭], [৮], [৯], [১০]
রে রাঙ্গা, তোর বাপই তো ছিল
ভায়াগ্রাখোর, বিশ্ববেহায়া, বিশ্বচোর।
বিভাগ
চুতিয়া
Thursday, October 31, 2019
আমাদের সাকিব এবং...।
লেখক: Anupam Shaikat Shanto
"সাকিব
আল হাসানকে নিয়ে করা রিপোর্টগুলো দেখলাম। ১৮ মাসের সাম্ভাব্য সাজার কথা
অনেকেই হেডলাইন করেছেন! হেডলাইনে না-থাকলেও নিউজগুলোর ভেতরেই আছে সাকিব
ভারতীয় জুয়াড়িদের কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েছিলেন কিন্তু তিনি তা
প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, October 28, 2019
আমাদের নায়ক-আমাদের কষ্ট!
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Wednesday, October 23, 2019
আসিফার জন্মটা যদি আটকে দেওয়া যেত...!
লেখক: Sumona Choudhury |
আসিফা- আট বছরের শিশুটিকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। তারপর ঘুমের ইঞ্জেকশন দিয়ে একসপ্তাহ
বেঁহুশ করে টানা ধর্ষন করে গেল কয়েকজন মিলে, মন্দিরে! মিরাট থেকে আত্মীয়
গেল ধর্ষন-উৎসবে শরীক হতে। পুলিশ অফিসারই বা বাদ যায় কেন? উত্থিত লিঙ্গ
নিয়ে সেও চড়াও হলো। হ্যাঁ ততক্ষণে শিশুটি আর বেঁচে নেই। তাও লিঙ্গসুখ
মেটানো হলো শেষবারের মতো। তাও... তাও!
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, October 18, 2019
দুইটি ছোট গল্প ও কূপমন্ডূক আমরা...!
লেখক: Mahmud Rayhan
"ওটিতে বসে আছি। আমাদের ওটি-ব্রাদার এসে বলছে, 'স্যার আমার এক আত্মীয় ইন্ডিয়া যাবে ডাক্তার দেখাতে। কিন্তু ওর ব্যাথাই কমতেছে না। আপনি কোন একটা ঔষধ লিখে দেন যেন আর চার পাঁচটা দিন একটু সহ্য করতে পারে'।
"ওটিতে বসে আছি। আমাদের ওটি-ব্রাদার এসে বলছে, 'স্যার আমার এক আত্মীয় ইন্ডিয়া যাবে ডাক্তার দেখাতে। কিন্তু ওর ব্যাথাই কমতেছে না। আপনি কোন একটা ঔষধ লিখে দেন যেন আর চার পাঁচটা দিন একটু সহ্য করতে পারে'।
আমিও একটু উৎসুক হয়ে জানতে চাইলাম, 'কী এমন ব্যথা যে ইন্ডিয়া যাওয়া লাগবে'?
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Thursday, October 17, 2019
মাকাল ফল এবং অন্যান্য...।
বিভাগ
চাবকানো প্রয়োজন
Friday, October 11, 2019
তেলাপোকা যেমন আছে...।
| লেখক: | Sumon Rahman |
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Thursday, October 10, 2019
আসেন একটু 'গফ' করি...।
যেহেতু এটা পত্রিকা অফিস না তাই গফ-গল্প করলে খানিকটা আঞ্চলিকতার টান থাকাটা খুব একটা দোষের কিছু না। ওহ, 'গফ' করলে তো একটা টপিক লাগে, লাগে না?
Saturday, October 5, 2019
একটা মানুষ কেবল একটা সংখ্যা না...।
লেখক: Joynal Abedin
"রবিউল রক্তশূন্য মুখে কাঁপতে কাঁপতে বলল, 'স্যার আমারে কি মাইরা ফেলবেন'?
রবিউল যখন প্রশ্নটা করল তখন আমি সিগারেটে সর্বশেষ টান দিচ্ছি। প্রশ্ন শুনে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য থামলাম। তারপর আবার লম্বা করে টান দিয়ে ঠোঁট গোল করে উপর দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে সিগারেট মাটিতে ফেলে বুট দিয়ে ঘষে আগুন নেভালাম। রবিউলের জবাব না দিয়েই বললাম, 'ফারুক! ওর চোখ বাঁধো'।
রবিউল যখন প্রশ্নটা করল তখন আমি সিগারেটে সর্বশেষ টান দিচ্ছি। প্রশ্ন শুনে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য থামলাম। তারপর আবার লম্বা করে টান দিয়ে ঠোঁট গোল করে উপর দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে সিগারেট মাটিতে ফেলে বুট দিয়ে ঘষে আগুন নেভালাম। রবিউলের জবাব না দিয়েই বললাম, 'ফারুক! ওর চোখ বাঁধো'।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, October 4, 2019
আহা, কান পেতে রই!
কখনও-কখনও আমরা থমকে যাই হাঁ করে তাকিয়ে থাকি এ যেন এক হিমালয়, এ যেন এক আগ্নেয়গিরি। মানুষ মরণশীল এ-ও কী আর বলা লাগে! তাহলে কি অমর বলে কিছু নেই, হওয়ার উপায়ই-বা কী!
কিন্তু এই মানুষটাকে দেখে মনে হচ্ছে আছে নিশ্চয়ই কোনও-না-কোনও একটা উপায়। এই মুক্তো তুলে এনেছেন, অনির্বাণ বন্দোপাধ্যায়:
বিভাগ
ভাললাগা
Thursday, October 3, 2019
আমাদের অভিধানে অসম্ভব বলে কিছু নেই!
Wednesday, October 2, 2019
JU Corruption: Behind the Screen !
| লেখক: | Sheikh Baten |
"আমি কিছুটা বিস্মিত হলাম প্রথম আলো পত্রিকায় প্রতিবেদনের প্রথম বাক্যটি এরকম, প্রধানমন্ত্রী শোভন-রাব্বানীকে
সরিয়ে দেবেন। আমি বুঝতে পারি না, প্রধানমন্ত্রী একটি রাষ্টে্র নির্বাহী
প্রধান। এক হিসেবে রাষ্ট্রের সব ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক একই রকম
হবার কথা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের
শুধু একটি ছাত্র সংগঠনের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে সরিয়ে দেবেন কিভাবে? এমন
সামান্য ব্যাপারে তাঁর সিদ্ধান্ত থাকবে কেনো!
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Tuesday, October 1, 2019
সব সম্ভবের দেশ!
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Sunday, September 29, 2019
ম্যান ইজ মরটাল।
লেখক:
"ইউনিভার্সিটি অভ শিকাগো প্রেস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
৫ জন শিক্ষকের পিএইচডির গবেষণা সন্দর্ভকে প্লেজারিজম বা কূম্ভীলকবৃত্তি বা
রচনাচুরির অভিযোগে অভিযুক্ত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিক
ভাবে জানিয়েছে। তারা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, পত্রিকায় তা জানলাম।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, September 27, 2019
ক্যাসিনো কড়চা।
ক্যাসিনো নিয়ে সবাই হঠাৎ ক্ষেপে গেল। জূয়া বলে হয়তো। জুয়া না-হলে সমস্যা ছিল না। বিষয়টা দেখছি খুবই গুরুগম্ভীর! কিছু হালকা চালের কথা বলা যাক। এক চিড়িয়াখানায় লোকজনেরা এদিক-সেদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। হঠাৎ এক লোককে দেখা গেল 'গুছলেংটি' দিয়ে এক দৌড়ে কিউরেটরের কাছে হাজির। হন্তদন্ত হয়ে বললেন, 'তাড়াতাড়ি আসুন আমার সঙ্গে, ওরাংওটাংরা তাস খেলছে'।
বিভাগ
স্বপ্নভংগ
Monday, September 23, 2019
চোর, সেকাল-একাল।
আগে চোর বলতেই চোখে ভেসে উঠত পাতলা-দুবলা কালো-কালো তেলমাখা একটা শরীর। কিন্তু সেই দিন এখন আর নাই। এখনকার চোরগুলো দেখলে বোঝা কার সাধ্য, চেহারা-ছবি দেখে মেয়ের বাবারা আনন্দের সঙ্গেই সানাই বাজাবেন। ভাগ্যিস ক্লোজ-সার্কিট ক্যামেরা বাবাজি ছিল...।
বিভাগ
চোর
Friday, September 20, 2019
হায় প্রক্টর-হায় ভিসি!
![]() |
| সূত্র: প্রথম আলো |
বিশ্বের ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে আমাদের কোনও প্রতিষ্ঠান নাই বলে অনেকে ওয়াশরুমে চোখের জল ফেলেন, সেই জল মেশে নর্দমার জলে। সেই জল আর মল মিলেমিশে একাকার। এক হাজার কেন এই রকম লোকজন বিশ্ববিদ্যালয় চালাবার দায়িত্বে থাকলে এক লাখ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেও আমাদের কোনও প্রতিষ্ঠান থাকবে না্। আই বেট...।
বিভাগ
বাজ-অফ
Friday, September 13, 2019
আমাদের একজন শাহ আব্দুল করিম।
(কা্দায় মাখামাখি হয়ে অমূল্য এই মুক্তোটা তুলে এনেছিলেন খোয়াব-এর সম্পাদক টি এম আহমেদ কায়সার আর সেই মুক্তোটা ছড়িয়ে দিয়েছেন, হাসান মোরশেদ)
লেখক: হাসান মোরশেদ.
"শাহ আব্দুল করিমের এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহন করেছিলেন কবি বন্ধু টি এম আহমেদ কায়সার, ছোট কাগজ 'খোয়াব' এর পক্ষ থেকে। সময়কাল ১৯৯৭ এর সেপ্টেম্বর। হুমায়ূন আহমেদ এর এক প্যাকেজ প্রোগ্রামে ফুলবালাগনের নৃত্য ও শরীর প্রদর্শনের কল্যাণে নাগরিকগণ সবে মাত্র শাহ আব্দুল করিমের গানের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, তাঁর গানকে পছন্দের তালিকায় গ্রহন করে তারা ধন্য করেছেন প্রত্যন্ত উজান ধলের এই জৌলুসহীন মানুষটাকে।
"শাহ আব্দুল করিমের এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহন করেছিলেন কবি বন্ধু টি এম আহমেদ কায়সার, ছোট কাগজ 'খোয়াব' এর পক্ষ থেকে। সময়কাল ১৯৯৭ এর সেপ্টেম্বর। হুমায়ূন আহমেদ এর এক প্যাকেজ প্রোগ্রামে ফুলবালাগনের নৃত্য ও শরীর প্রদর্শনের কল্যাণে নাগরিকগণ সবে মাত্র শাহ আব্দুল করিমের গানের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, তাঁর গানকে পছন্দের তালিকায় গ্রহন করে তারা ধন্য করেছেন প্রত্যন্ত উজান ধলের এই জৌলুসহীন মানুষটাকে।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
একটি ডিভোর্স এবং 'ওথেলো সিনড্রম'।
লেখক: Jobayer Ahmed
"সত্য ঘটনা অবলম্বনে
"সত্য ঘটনা অবলম্বনে
বৃষ্টিস্নাত মন খারাপের বিকেলে জানালা দিয়ে আকাশ থেকে বৃষ্টির নেমে আসা
দেখছি। কেমন একটা করুণ কান্নার মত লাগছে আজকের বৃষ্টি পড়ার শব্দ। আকাশের মনে হয় আজ মন খারাপ।সকাল থেকে অজোরে ঝরে যাচ্ছে।
তবে মন খারাপ আমার। একটু আগে ফোন দিয়ে আমার বন্ধু সোফিয়া বললো, 'হারামজাদারে ডিভোর্স দিছি গতকাল আর সহ্য হচ্ছিল না এই পোকামাকডের জীবন'
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Thursday, September 12, 2019
আহা, অনেকদিন পর আরেকজন মানুষ দেখে ভালো লাগলো!
লেখক: Md Saimon Hossain Raul
১।
- আচ্ছা দাদা, আপনি কি হিন্দু?
- জ্বী, হিন্দু।
- বাহ, আমিও হিন্দু। আপনি বৈষ্ণব, নাকি শাক্ত?
- বৈষ্ণব।
- হরে কৃষ্ণ আমিও বৈষ্ণব। আপনি গৌড়ীয় বৈষ্ণব, নাকি চৈতন্য বৈষ্ণব?
- চৈতন্য বৈষ্ণব।
- হরে কৃষ্ণ। আমিও চৈতন্য বৈষ্ণব।
- তা আপনি কি ইস্কন নাকি শ্রী গুরু?
- ইস্কন।
- হরে কৃষ্ণ, আমাদের দেশি ইস্কন নাকি বিদেশি ইস্কন?
১।
- আচ্ছা দাদা, আপনি কি হিন্দু?
- জ্বী, হিন্দু।
- বাহ, আমিও হিন্দু। আপনি বৈষ্ণব, নাকি শাক্ত?
- বৈষ্ণব।
- হরে কৃষ্ণ আমিও বৈষ্ণব। আপনি গৌড়ীয় বৈষ্ণব, নাকি চৈতন্য বৈষ্ণব?
- চৈতন্য বৈষ্ণব।
- হরে কৃষ্ণ। আমিও চৈতন্য বৈষ্ণব।
- তা আপনি কি ইস্কন নাকি শ্রী গুরু?
- ইস্কন।
- হরে কৃষ্ণ, আমাদের দেশি ইস্কন নাকি বিদেশি ইস্কন?
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Tuesday, September 10, 2019
জাপানীরা কেন বাঙালিদের ভালোবাসে?
লেখক: Apu Nazrul
জাপানীরা ১৯৩৭ সালে নানকিং (এখন নানজিং) এ চাইনিজদের কচুকাটা করেছিলো। খুন
-ধর্ষণ মিলিয়ে এমন নৃশংসতা কমই দেখেছে বিশ্ব। The flowers of war নামে
একটি মর্মস্পর্শী মুভি আছে এই গণহত্যা নিয়ে। জাপানীরা এর আগে পরেও লাখে
লাখে মরেছে-মেরেছে। শেষতক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জব্দ জাপান বাধ্য হয়েই
রক্তের নেশা ছেড়ে জাতি গঠনে মনোযোগ দিয়েছিলো বলেই আজ তারা পৃথিবীর অন্যতম
সভ্য জাতিতে পরিণত হতে পেরেছে।
জাপানীরা ১৯৩৭ সালে নানকিং (এখন নানজিং) এ চাইনিজদের কচুকাটা করেছিলো। খুন
-ধর্ষণ মিলিয়ে এমন নৃশংসতা কমই দেখেছে বিশ্ব। The flowers of war নামে
একটি মর্মস্পর্শী মুভি আছে এই গণহত্যা নিয়ে। জাপানীরা এর আগে পরেও লাখে
লাখে মরেছে-মেরেছে। শেষতক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জব্দ জাপান বাধ্য হয়েই
রক্তের নেশা ছেড়ে জাতি গঠনে মনোযোগ দিয়েছিলো বলেই আজ তারা পৃথিবীর অন্যতম
সভ্য জাতিতে পরিণত হতে পেরেছে।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, September 9, 2019
শাড়ি নিয়ে সায়ীদিয় ভ্রান্ত থিওরি ও বাড়াবাড়ি!
"সায়ীদ স্যারের 'শাড়ি' নিয়ে ফেসবুকে নারীদের ক্ষোভ কমে এসেছে। কিন্তু এখন
গর্ত থেকে বের হয়েছেন তাঁর কিছু সাগরেদ। তারা ইনিয়ে বিনিয়ে বুঝানোর চেষ্টা
করছেন স্যার সুশীল সাহিত্যসেবী। তার রচনাতে কোনো অশ্লীলতা নেই, জাতিবিদ্বেষ
নেই, নারীকে হীন করে কিছু বলা হয়নি। সবই সাহিত্য। এসব জায়েজ ছিল, জায়েজ
আছে।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, September 6, 2019
বেয়াদবের বড় গলা!
বিচারকের অধিকাংশেরই আচরণ দেখে মনে হচ্ছে স্রেফ একেকটা ঘোড়ামুখো তেলাপোকা। বেয়াদবরা বেয়াদবি করে
বিভাগ
চুতিয়া
Wednesday, September 4, 2019
একজন আবদুল্লাহ আবু সা্য়ীদ
লেখাটি লিখেছেন, মো. নাজমুল হাসান:
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদকে আরো ভালোভাবে বুঝতে হলে তাঁর পলিটিকাল আইডিওলজিটাকে বুঝতে হবে। তখন ব্লগের যুগ।
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদকে আরো ভালোভাবে বুঝতে হলে তাঁর পলিটিকাল আইডিওলজিটাকে বুঝতে হবে। তখন ব্লগের যুগ।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Wednesday, August 28, 2019
লেখকের কাটা পা এবং অসংখ্য 'পাইপমানুষ'!
কিছু মানুষ আছে যাদের নিয়ে লেখাটা আমার কাছে মনে হয় 'শব্দের অপচয়'! এদের মধ্যে তসলিমা নাসরিন [১], [২] থাকবে না তা কী হয়।
তসলিমা সর্বত্রই অতি তৎপর যেমনটা সামাজিক বিভিন্ন মাধ্যমেও। এই যে একটা ঠ্যাং যেটা লেখক মহোদয় দাবী করছেন ঠ্যাংটা তার, আমরা নাহয় সেটা মেনে নিলুম। অন্য ঠ্যাংটার জন্য শোক
বিভাগ
চুতিয়া
Monday, August 5, 2019
সব সম্ভবের দেশ!
বিভাগ
অশ্লীলতা
Saturday, August 3, 2019
সেবা প্রকাশনীর স্বরূপ!
"ইফতেখার আমিন সাহেবকে অজস্র ধন্যবাদ। সম্প্রতি ‘দিন যায় কথা থাকে’-শিরোনামে এক পোস্টে তিনি সেবা প্রকাশনী এবং কাজী আনোয়ার হোসেন সাহেবকে নিয়ে যা কিছু লিখেছেন তা বর্ণে বর্ণে সত্যি।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, July 26, 2019
আপনাদের সো-কল্ড ক...ওরফে একজন ডাক্তার বলছি-।
লেখক: মনোয়ার হোসেন ফয়সল
"আমি একজন সাধারন মানুষ,পেশায় চিকিৎসক। নিজেকে সাধারণ দাবি করার কারণ হচ্ছে আমি দেখতে সাধারণ আমার ক্যারিয়ারও সাধারণ। এখনও বড় ডাক্তার হই নাই আবার একদম জুনিয়রও নই। আমি মফস্বলের মানুষ স্কুল-কলেজ সবই ছোট্ট এক জেলা শহরের। মেডিকেলের পড়া পড়েছি ছোট-এক বিভাগীয় শহরের পুরনো এক মেডিকেল কলেজে। বাবাও একজন সাধারণ মানুষ, স্কুল শিক্ষক।
"আমি একজন সাধারন মানুষ,পেশায় চিকিৎসক। নিজেকে সাধারণ দাবি করার কারণ হচ্ছে আমি দেখতে সাধারণ আমার ক্যারিয়ারও সাধারণ। এখনও বড় ডাক্তার হই নাই আবার একদম জুনিয়রও নই। আমি মফস্বলের মানুষ স্কুল-কলেজ সবই ছোট্ট এক জেলা শহরের। মেডিকেলের পড়া পড়েছি ছোট-এক বিভাগীয় শহরের পুরনো এক মেডিকেল কলেজে। বাবাও একজন সাধারণ মানুষ, স্কুল শিক্ষক।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Saturday, July 20, 2019
আমাদের বাবুটা!
লেখক: Chand Sultana Chy
"আমাদের ফুটফুটে, দূরন্ত, নিস্পাপ বাচ্চা মো: ইরতিজা শাহাদ (প্রত্যয়)! আগামী ২৩ জুলাই যার ৭ বছর পূর্ণ হত। গত ০৫/০৭/২০১৯ ইং তারিখে স্কয়ার হাসপাতালে PICU (Paediatric Intensive Care unit)-এ ডেংগু জ্বরের চিকিৎসাধীন অবস্থায় PICU-এর consultant Dr. Ahmed Syed-এর চরম অবহেলা, জরুরি সময়ে অনুপস্থিতি এবং Unskilled Duty Doctor-এর ডেঙ্গু জ্বরের একমাত্র চিকিৎসা Fluid Management-
"আমাদের ফুটফুটে, দূরন্ত, নিস্পাপ বাচ্চা মো: ইরতিজা শাহাদ (প্রত্যয়)! আগামী ২৩ জুলাই যার ৭ বছর পূর্ণ হত। গত ০৫/০৭/২০১৯ ইং তারিখে স্কয়ার হাসপাতালে PICU (Paediatric Intensive Care unit)-এ ডেংগু জ্বরের চিকিৎসাধীন অবস্থায় PICU-এর consultant Dr. Ahmed Syed-এর চরম অবহেলা, জরুরি সময়ে অনুপস্থিতি এবং Unskilled Duty Doctor-এর ডেঙ্গু জ্বরের একমাত্র চিকিৎসা Fluid Management-
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, July 19, 2019
মনে রেখ, স্রেব্রেনিৎসা!
লেখক: Nadia Islam
১৯৯৫ সালের ১১ জুলাইয়ের এক সকালে স্রেব্রেনিৎসার পতোচারি গ্রামের সকল পুরুষরে পিছমোড়া কইরা হাত বাইন্ধা এক লাইনে দাঁড় করায়ে গুলি কইরা হত্যা করা হয়। উনাদের কারো চোখ বাঁধা হয় না। উনাদের চোখ খোলা রাখা হইছিলো যেন উনারা নিজেদের হত্যাকারীরে চোখ দিয়া দেখতে পারেন, যেন বুঝতে পারেন কী অপরাধে উনাদের হত্যা করা হইতেছে! উনাদের হত্যা করা হইছে, কারণ উনাদের অপরাধ ছিলো, উনারা সবাই ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম ছিলেন।
৮ বছরের শিশু থিকা ৮০ বছরের বৃদ্ধ সহ প্রায় ২০,০০০ মুসলিম পুরুষরে মাত্র এক দিনে, ১৯৯৫ সালের ১১ জুলাইয়ের এক সকালে পিছমোড়া কইরা হাত বাইন্ধা এক লাইনে দাঁড় করায়ে হত্যা করে মিলোসোভিচের সার্বিয়ান অর্থোডক্স আর্মি। শুধুমাত্র উনারা সবাই ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম ছিলেন বইলা!
এই বছরের ১১ জুলাই আমি স্রেব্রেনিৎসাতে গেছিলাম। স্রেব্রেনিৎসার ৬ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে পতোচারি গ্রাম। গ্রীষ্মের সকালে পাহাড়ের ঢালে দাঁড়ায়ে আমি যেইদিকেই তাকাইলাম, সেইদিকেই দেখলাম হাজার হাজার কবরের হাজার হাজার সাদা পাথরের টুম্বস্টোন দেখা যায়।
সেই টুম্বস্টোনের নিচে লাশ নাই, কারণ গণহত্যা শেষে উনাদের লাশ বেয়নেট দিয়া খোঁচায়ে ক্ষতবিক্ষত কইরা দেওয়া হয়, কুকুর এবং শেয়ালদের খাওয়ার জন্য সেই লাশ ফালায়ে রাখা হয় পাহাড়ের ঢাল জুইড়। তাই টুম্বস্টোনের নিচে লাশ নাই একটাও। আমি দেখলাম, একটা টুম্বস্টোনের পাশে হেলান দিয়া একজন ভদ্রমহিলা বইসা বইসা একমনে সুরা ইয়াসিন পড়তেছেন। উনার চোখভর্তি পানি। আমি তাকায়ে দেখলাম টুম্বস্টোনের গায়ে তারিখ লেখা। ১৯৮০-১৯৯৫। ভদ্রমহিলা আমার দিকে শূন্যদৃষ্টিতে তাকাইলেন। আমি কথা না বাড়ায়ে দ্রুত হাঁইটা গেলাম সামনে। দুপুরবেলা জানাজা নামাজ হইল।
এইরকম জানাজা নামাজ আমি এর আগে দেখি নাই। মুসলিম এবং দাড়ি টুপি হিজাবধারী থিকা শুরু কইরা অর্থোডক্স খ্রিশ্চান এবং ইহুদি ও শর্টস পরা, ট্যাটু করা সকল মানুষ একসাথে পাহাড়ের ঢালে বুকে হাত বাইন্ধা দাঁড়াইলেন। কেউ কইতে আসলেন না, মেয়েরা জানাজা নামাজ পড়তে পারবেন না, কেউ কইতে আসলেন না, মেয়েরা পুরুষদের আগে লাইনে দাঁড়াইতে পারবেন না, কেউ কইতে আসলেন না, ইহুদীরা ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে সেজদা দিতে পারবেন না।
আমি শুনলাম, মৃত্যু উপতক্যার মাঝখানে পাহাড়ের দেয়ালে দেয়ালে ইমামের গলার স্বর প্রতিধ্বনিত হইতেছে, উনি বলতেছেন, “অন্যায়ভাবে হত্যা হওয়া পৃথিবীর সকল মানুষকে তুমি তোমার পাশে আসন দিও, আল্লাহ!”
আমি নিজের অজান্তে আমার অস্ত্বিত্বহীন ঈশ্বরের অস্তিত্বের বাসনায় হাত উঠাইলাম আকাশে! ভাবতে চাইলাম এই পৃথিবী ভালোবাসায় সৃষ্টি হওয়া পৃথিবী, ১৫ বছরের কিশোরের লাশহীন কবরের পাশে বইসা থাকা মায়েদের শূণ্যদৃষ্টির জন্য, পুরুষশূণ্য বিধবাদের গ্রামের জন্য, মর্টারে উইড়া যাওয়া কনসেনট্রেশান ক্যাম্পের রক্তের দাগে আঁকা আজকের মৃতদের হিসাবের জন্য, ধর্ম আর রাজনীতি আর সীমানা আর ক্ষমতার যুদ্ধে কংকালসার জীবন্ত লাশের সারির জন্য নিশ্চই এই পৃথিবীর সৃষ্টি হয় নাই!
আমি চোখ তুইলা দেখলাম, বার্চ গাছের আড়ালে দাঁড়ায়ে পনেরো বছরের একজন কিশোর কী জানি এক আপেল না কীসে কামড় দিতে দিতে আমার দিকে তাকায়ে মুচকি মুচকি হাসতেছেন।
৮ বছরের শিশু থিকা ৮০ বছরের বৃদ্ধ সহ প্রায় ২০,০০০ মুসলিম পুরুষরে মাত্র এক দিনে, ১৯৯৫ সালের ১১ জুলাইয়ের এক সকালে পিছমোড়া কইরা হাত বাইন্ধা এক লাইনে দাঁড় করায়ে হত্যা করে মিলোসোভিচের সার্বিয়ান অর্থোডক্স আর্মি। শুধুমাত্র উনারা সবাই ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম ছিলেন বইলা!
এই বছরের ১১ জুলাই আমি স্রেব্রেনিৎসাতে গেছিলাম। স্রেব্রেনিৎসার ৬ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে পতোচারি গ্রাম। গ্রীষ্মের সকালে পাহাড়ের ঢালে দাঁড়ায়ে আমি যেইদিকেই তাকাইলাম, সেইদিকেই দেখলাম হাজার হাজার কবরের হাজার হাজার সাদা পাথরের টুম্বস্টোন দেখা যায়।
সেই টুম্বস্টোনের নিচে লাশ নাই, কারণ গণহত্যা শেষে উনাদের লাশ বেয়নেট দিয়া খোঁচায়ে ক্ষতবিক্ষত কইরা দেওয়া হয়, কুকুর এবং শেয়ালদের খাওয়ার জন্য সেই লাশ ফালায়ে রাখা হয় পাহাড়ের ঢাল জুইড়। তাই টুম্বস্টোনের নিচে লাশ নাই একটাও। আমি দেখলাম, একটা টুম্বস্টোনের পাশে হেলান দিয়া একজন ভদ্রমহিলা বইসা বইসা একমনে সুরা ইয়াসিন পড়তেছেন। উনার চোখভর্তি পানি। আমি তাকায়ে দেখলাম টুম্বস্টোনের গায়ে তারিখ লেখা। ১৯৮০-১৯৯৫। ভদ্রমহিলা আমার দিকে শূন্যদৃষ্টিতে তাকাইলেন। আমি কথা না বাড়ায়ে দ্রুত হাঁইটা গেলাম সামনে। দুপুরবেলা জানাজা নামাজ হইল।
এইরকম জানাজা নামাজ আমি এর আগে দেখি নাই। মুসলিম এবং দাড়ি টুপি হিজাবধারী থিকা শুরু কইরা অর্থোডক্স খ্রিশ্চান এবং ইহুদি ও শর্টস পরা, ট্যাটু করা সকল মানুষ একসাথে পাহাড়ের ঢালে বুকে হাত বাইন্ধা দাঁড়াইলেন। কেউ কইতে আসলেন না, মেয়েরা জানাজা নামাজ পড়তে পারবেন না, কেউ কইতে আসলেন না, মেয়েরা পুরুষদের আগে লাইনে দাঁড়াইতে পারবেন না, কেউ কইতে আসলেন না, ইহুদীরা ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে সেজদা দিতে পারবেন না।
আমি শুনলাম, মৃত্যু উপতক্যার মাঝখানে পাহাড়ের দেয়ালে দেয়ালে ইমামের গলার স্বর প্রতিধ্বনিত হইতেছে, উনি বলতেছেন, “অন্যায়ভাবে হত্যা হওয়া পৃথিবীর সকল মানুষকে তুমি তোমার পাশে আসন দিও, আল্লাহ!”
আমি নিজের অজান্তে আমার অস্ত্বিত্বহীন ঈশ্বরের অস্তিত্বের বাসনায় হাত উঠাইলাম আকাশে! ভাবতে চাইলাম এই পৃথিবী ভালোবাসায় সৃষ্টি হওয়া পৃথিবী, ১৫ বছরের কিশোরের লাশহীন কবরের পাশে বইসা থাকা মায়েদের শূণ্যদৃষ্টির জন্য, পুরুষশূণ্য বিধবাদের গ্রামের জন্য, মর্টারে উইড়া যাওয়া কনসেনট্রেশান ক্যাম্পের রক্তের দাগে আঁকা আজকের মৃতদের হিসাবের জন্য, ধর্ম আর রাজনীতি আর সীমানা আর ক্ষমতার যুদ্ধে কংকালসার জীবন্ত লাশের সারির জন্য নিশ্চই এই পৃথিবীর সৃষ্টি হয় নাই!
আমি চোখ তুইলা দেখলাম, বার্চ গাছের আড়ালে দাঁড়ায়ে পনেরো বছরের একজন কিশোর কী জানি এক আপেল না কীসে কামড় দিতে দিতে আমার দিকে তাকায়ে মুচকি মুচকি হাসতেছেন।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, July 15, 2019
ফ্রিডম অভ স্পিচ: সেকাল-একাল
লেখক: মোয়াজ্জেম হোসেন, বিবিসি বাংলা, লন্ডন।
নয় বছরের শাসনামলে সেনাশাসক জেনারেল এরশাদকে কোন সংবাদ সম্মেলনে এরকম বিব্রতকর প্রশ্নের মুখোমুখি সম্ভবত আর হতে হয়নি।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Tuesday, July 2, 2019
Gracias, Escribano!
Elias Escribano, ভারী অবাক হয়েছিল আমি তার অতি প্রিয় লেখক সারভান্তিসকে নিয়ে লিখেছে বলে [১] কিন্তু সে তারচেয়েও বেশি অবাক করে দিল আমাকে হাবিজাবি এই সাক্ষাৎকারের লিংক খুঁজে দিয়ে। সেই কবে, 'গ্লোবাল ভয়েসেস' আমাকে কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। আমি তো আর তখন (চুপিচুপি বলি, এখনও!) জানতাম না যে কেমন করে সাক্ষাৎকার দিতে হয়। মাথায় যা এসেছিল তাই বলেছিলাম। শোনো কথা, ওটা আবার নাকি স্পেনিশ ভাষায় Juan Manzioni অনুবাদও করেছেন!
বিভাগ
Español (spanish)
Wednesday, May 22, 2019
আহারে-আহারে!
আমার কাছে টাইম মেশিনের সুবিধা থাকলে এই সময়ের এই ট্র্যাকটা মুছে ফেলতাম...
বিভাগ
ইচ্ছা
Thursday, April 18, 2019
স্পিচলেস!
Saturday, April 13, 2019
জীবন বড়ই আনন্দময়!
এই ওয়াজে সমস্ত লেখা-মন্তব্যই ফিযুল!।
Subscribe to:
Posts (Atom)







