Search

Friday, January 13, 2012

Thursday, January 12, 2012

তিতাস: ধন্যবাদ, প্রথম আলো

তিতাস নিয়ে শেষ লেখাটায় বলেছিলাম, অচিরেই এই রাস্তা-বাঁধটা অপসারণ করা হবে [১]। এখন বলা যেতে পারে অতি দ্রুতই এই কাজটা এরা শুরু করেছিলেন। ধন্যবাদার্হ!

আমাদের প্রিন্ট মিডিয়ার অনেক 'নখরামি'। এমনিতে নখরায়ুধদের নখ দেখা যায় বটে কিন্তু মিডিয়ার নখ থাকে অপ্রকাশ্যে! এদের কর্মকান্ড বোঝা ভার।
আর এরা কখন কোন প্রতিবেদন ছাপাবেন তা নির্দিষ্ট করা আছে। যেমন ধরা যাক, মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত কোনো প্রতিবেদন। ডিসেম্বর, মার্চ না-এলে এরা কলমই স্পর্শ করবেন না। দশ মাস কলম চিবুতে চিবুতে ইকড়ি-মিকড়ি খেলা খেলবেন। এরপর...এরপর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে অন্তর্বাস ভিজিয়ে ফেলবেন। সেই অন্তর্বাস রোদে মেলে দিয়ে রোদ পোহাবেন।

Saturday, January 7, 2012

তিতাস, ঘরের মেয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছে

এই ছবিটির সূত্র: http://tinyurl.com/6lv3f57
­­ট্রানজিটের নামে তিতাসের মাঝখানে বাঁধ-রাস্তা তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল দেশবাসীর মধ্যে, আমার মধ্যে [১] 
এবং আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেছি, ৭২৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের মধ্যে বাংলাদেশ ১০০ মেগাওয়াট পাবে বলে আশা করা হয়েছিল কিন্তু বাংলাদেশ ১ ওয়াট বিদ্যুতও পাচ্ছে না তাহলে আমরা এতো যন্ত্রণা করতে গেলাম কেন?

Friday, January 6, 2012

আমাদের কি দায় পড়েছে, দাদা?

তিতাস নদীর মাঝে রাস্তা করা নিয়ে তুলকালাম কান্ড হচ্ছে। আমি মনে করি, এই জাগরণ প্রতিবাদের অবশ্যই প্রয়োজন আছে। এখানে কাজ করেছে স্রেফ দেশের জন্য আবেগ।


Wednesday, January 4, 2012

ব্লগ বনাম প্রিন্ট মিডিয়া

আবারও চর্বিতচর্বণ, অসংখ্যবার আমি এ কথাটা বলেছি, ব্লগস্ফিয়ার, ব্লগের শক্তিটা আসলে আমরা আঁচ করতে পারছি না। আমি নিজেও না! কে জানে, একটা ব্লগ পরিবর্তন করে ফেলতে পারে কারো দৃষ্টিভঙ্গি, কোনো দেশের জাতীয় সিদ্ধান্ত। দেশটা কঙ্গো না তিউনিসিয়া সেটা আলোচ্য বিষয় না।...
কারণ ব্লগিং হচ্ছে নির্মেদ-মেদহীন। আমার ভাষায় যেটা বলি, টলটলে পানি- যার উৎস অদেখা ঝরনা। প্রিন্ট মিডিয়ায় যেটা সম্ভব না কারণ এরা বাড়তি মেদের ভারে পৃথুল!

সম্প্রতি এক আলোচনায় বলেছিলাম,

Monday, January 2, 2012

হাসপাতাল পর্ব, বারো: বর্জ্য

­আমরা হাতি কিনি কিন্তু হাতির খাবারের কথা চিন্তা করি না কারণ জাতি হিসাবে আমরা বড়ো হুজুগে! চিন্তার দৌড় আমাদের বড়ো সীমিত!
যেমন ধরা যাক, এই যে আমরা রাশিয়ার সঙ্গে শলা করে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছি কিন্তু এই চুল্লি থেকে যে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে যাবে তার বিষয়ে আমাদের পরিষ্কার করে কোনো ধারণা নাই।
এই বর্জ্য কি রাশিয়া নিয়ে যাবে নাকি এটা আমাদের দেশের কোনো অংশে ফেলে দেয়া হবে এটা আমরা জানি না!
রাশিয়া এটা এখন ভাসা ভাসা স্বীকার গেলেও শেষপর্যন্ত

Friday, December 30, 2011

বার্তাকু ওরফে বেগুন!

­'নষ্ট শিক্ষক নষ্ট লেখক' [১] নামে একটা লেখা আছে আমার। ইমদাদুল হকের একটা লেখা নিয়ে প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হয়ে লেখাটা লিখেছিলাম। মিলনদের মত এই সব লেখকরা সম্ভবত এটা বিস্মৃত হয়ে যান, যে তিনি চটি লেখক না, একটা জাতীয় দৈনিকে মন্তব্য প্রতিবেদন লিখছেন। আবার ওই দৈনিকের সম্পাদকের দন্ডটাও যে ওঁর হাতেই! এও বিস্মৃত হন, আমরা পাঠকেরা ফ্লাওয়ার-ভাসে মস্তিষ্ক জমা রেখে এঁদের লেখা পড়তে বসি না! এই সব মানুষদের প্রতি আমার করুণা হয় যারা পাঠককে

Wednesday, December 28, 2011

হাসপাতাল পর্ব, এগারো: ' পেপার-বিছানা '

­আমি মানুষটা ছোট কিন্তু আমার স্বপ্নগুলো বড়ো বড়ো। স্বপ্ন আকাশসম হবেই না কেন? এই বিষয়ে আমার বক্তব্য হচ্ছে, স্বপ্নেই যখন খাব তখন ডাল-ভাত খাব কেন, তিমি মাছের ঝোলই খাই!
সাধ্য থাকলে, সম্ভব হলে কমলাপুর স্টেশনের ধারে-কাছে কোথাও একটা ডর্ম টাইপের খুলতাম। যেখানে বিনামূল্যে লোকজনেরা নিশিযাপন করতে পারতেন। সবাই কিন্তু না। কেবল যারা দূরদূরান্তর থেকে ঢাকায় এসেছেন চাকুরির ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য। যারা অসামর্থ্য, যে দুয়েক দিন ঢাকায় থাকবেন তাঁরাই কেবল

Monday, December 26, 2011

হাসপাতাল পর্ব, দশ: হাসপাতাল মহাপরিচালক, যথাযথ সম্মানপূর্বক

আমি বারবার যেটা বলে আসছি, 'ন্যাশনাল' এই হাসপাতালে কি কি সুবিধা আছে এটা না-বলে জিজ্ঞেস করা প্রয়োজন কী নেই? অত্যাধুনিক একটা হাসপাতালের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা এখানে আছে। কিন্তু...।
আফসোস, নেই কেবল দেখভাল করার লোকজন। ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই। স্ট্রেচার আছে কিন্তু এই স্ট্রেচারের নমুনা দেখলে মনে হয় এই হাসপাতালের পরিচালকের বাপ-দাদা যখন এই হাসপাতাল চালাতেন তখন থেকে এখন পর্যন্ত এর কোনো যত্ম নেয়া হয়নি! অথচ এই স্ট্রেচারগুলোর মোটা চটের কাপড় পাল্টাতে বা রঙ করতে ক-টাকা লাগে?

Friday, December 23, 2011

তিতাস একটি ...এর নাম

শিরোনামটা আমি দিতে চেয়েছিলাম, 'তিতাস এক ধর্ষিতার নাম'। রগরগে একটা শব্দ বেছে নিয়েছি বলে কেউ কেউ কটাক্ষ করবেন কেবল এই কারণে শিরোনামটা দিলাম না, এমনটা না। কারও ভাবাভাবিতে আমার বয়েই গেছে!
কিছু কিছু শব্দ আমি এড়িয়ে চলি যেমন ধর্ষণ, ধর্ষিতা। বহুলব্যবহৃত এই শব্দটা ব্যবহারে আমার বিশেষ উৎসাহ নাই। কারণ আমি বিলক্ষণ জানি, অন্য রকম করে লিখলেও একজন প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের এটা বুঝতে বাকী থাকে না। তাছাড়া আমি সৈয়দ হক,

Monday, December 12, 2011

হাসপাতাল পর্ব, নয়: দৈন্যতা

পরের দিন সকালে যে নার্স এসেছেন তিনি মা-মা টাইপের! অসম্ভব মায়া মানুষটার মনে। এই হাসপাতালে আমি কিছু-কিছু মানুষ পেয়েছি যাদের দেখে আমার বুকের গভীর থেকে যে অনুভূতিটা বেরিয়ে আসত, এঁরা এতো ভাল কেন! কোন কারণে আজ পোস্ট অপারেটিভের অন্য রোগিরা অন্যত্র চলে গেছেন। আছেন কেবল আমার মা।
নার্স ভদ্রমহিলা লজ্জিত গলায় বললেন, অটিতে কেউ নেই আমাকে একটু যেতে হবে। আপনি কি আপনার মার কাছে একটু থাকতে পারবেন?
আমি মনের আনন্দ গোপন করে বললাম, কোনো সমস্যা নাই। আহা, কী মজা, কেবল আমরা আমরাই।

বাইরে ঝকঝকে রোদ।

Saturday, December 10, 2011

হাসপাতাল পর্ব, আট: মাখন

আমার মাকে অপারেশনের পর পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। এনেসথেসিয়ার প্রভাবে তাঁর দীর্ঘ সময় ঘোরে থাকার কথা। কিন্তু আধ-ঘন্টার মধ্যেই তিনি তীব্র ছটফট শুরু করলেন। এতোটাই তীব্র যে অক্সিজেন মাস্ক, অসংখ্য নল সব খুলে ফেলে দেন, এমন।
আমার ধারণা ভুলও হতে পারে। এনেসথেটিস্ট ভদ্রলোক সম্ভবত বাড়তি ঝুঁকি নিতে চাননি, তাছাড়া ঝাড়া চার ঘন্টা অপারেশন চলেছে, অনেকটা সময় এখানেই চলে গেছে।

আমার বোন প্রাণপণ শক্তিতেও ধরে রাখতে পারছে না।

Tuesday, December 6, 2011

হাসপাতাল পর্ব, সাত: সম্ভাব্য খুনি!

অপারেশন সফল হয়েছে। যে রোগীর ওটিতেই মৃত্যুবরণ করার কথা সেই রোগী ফিরে এসেছে বেঁচেবর্তে এর চেয়ে মিরাকল, আনন্দের আর কী হতে পারে। আমাদের সবার চোখেই বিস্ময় থইথই করছিল।

কিন্তু, একটা কিন্তু আমাকে ভাবাচ্ছিল। একটা টিউমার...!

Monday, December 5, 2011

হাসপাতাল পর্ব, ছয়: রক্তের দাগ

জরুরি একটা বিষয় ভুলে গেছি। অপারেশনের জন্য রক্ত প্রয়োজন। আমার মার রক্তের গ্রুপ হচ্ছে 'বি পজেটিভ'।
আমি দিতে পারব না কারণ আমার 'এবি পজেটিভ।' বাঁচোয়া, আমার বোনের 'বি পজেটিভ'। কিন্তু আরও রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। আবার কোথায় কোথায় গিয়ে রক্ত খুঁজব। এখানেও মিরাকল। সিনেমার মত অনেকটা। সাদিক বাংলায় যা বলল বলিউডের ভাষায় অনুবাদ করলে দাঁড়াবে,

Saturday, December 3, 2011

হাসপাতাল পর্ব, পাঁচ: অপেক্ষা!

আমার বড় ঘুম পাচ্ছিল। তীব্র দুশ্চিন্তা এখন আর তেমন কাবু করতে পারছে না। এদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে আমি হাত-পা ঝাড়া!
ঈদের ছুটি তখনও শেষ হয়নি। ঢাকার রাস্তা-ঘাট ফাঁকা-ফাঁকা। কুৎসিত ঢাকার মধ্যে এখন একটা আদর্শ শহর-শহর ভাব চলে এসেছে। একটা শহরেরও হয়তো আনন্দিত হওয়ার প্রয়োজন পড়ে- অনুমান করতে দোষ কোথায় ঢাকা এখন সুতীব্র আনন্দে ভাসছে। এ সত্য, ঢাকা শহর বুঝে গেছে এ ক্ষণিকের আনন্দ, তার সন্তানেরা তাকে আনন্দে থাকতে দেবে না। আবারও যেই কে সেই- স্বভাব যায় না মলে ইল্লত যায় না ধুলে।

ন্যাশনাল হাসপাতালে যখন পৌঁছলাম

Thursday, December 1, 2011

হাসপাতাল পর্ব, চার: ভারহীন

আমি সাদিকের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, সাদিক মোঃ আলম। আমি ঢাকা এসেছি এটা কাউকে জানাইনি, জানিয়েছিলাম কেবল সাদিককে। কারণ সাদিকের সঙ্গে আমার জরুরি প্রয়োজন ছিল। আমি সাদিকের কাছে কিছু টাকা পাই। এটা ঈদের পর আমাকে পাঠিয়ে দেয়ার কথা কিন্তু এটা এখন আমার জরুরি ভিক্তিতে প্রয়োজন, এখানেই, চিকিৎসার জন্য।

সাদিকের কাছে টাকা পাওয়ার গল্পটা বলি।

Wednesday, November 30, 2011

হাসপাতাল পর্ব: তিন

ডাঃ তৌহিদুল আলমের সঙ্গে আমার আলাপ, কথাবার্তা নিম্নরূপ:
ডাক্তার: ওয়েল, রেডি থাকেন, কালকে পেটটা কেটে ফেলি।
আমি: (অদম্য রাগ সামলে): উম-ম, কালকে-কালকে। আচ্ছা। তা খরচ-টরচ কেমন পড়বে?
ডাক্তার: খরচ বেশি না।
আমি: আমি তো ঢাকায় থাকি না, বিস্তারিত জেনে টাকাটা যোগাড় তো করতে হবে।
ডাক্তার: আমি নেব ত্রিশ। ওটি এবং ওষুধ আলাদা।
আমি: ওটির খরচ কত?

Monday, November 28, 2011

হাসপাতাল পর্ব: দুই

ঈদের পর পরই যানজটের হ্যাপা থাকার কথা না তবুও আমি ঝুঁকি নিলাম না। ভোর পাঁচটায় রওয়ানা হলাম। অ্যামবুলেন্স ঝড়ের গতিতে ছুটছে। ছোটবোনটা মার হাত ধরে বসে আছে। আমি ইচ্ছা করেই সামনে বসেছি। মার মুখটা কী পান্ডুর। তবুও কী তীব্র তাঁর চোখের দৃষ্টি! এই দৃষ্টি পড়ার ক্ষমতা আছে কেবল নিজ সন্তানের। পারতপক্ষে আমি মার চোখে চোখ পড়ুক এটা চাচ্ছিলাম না, আপ্রাণ চেষ্টায় এড়িয়ে যেতে চাচ্ছিলাম।

Sunday, November 27, 2011

হাসপাতাল পর্ব: এক

কোরবানী ঈদ নামের ত্যাগবাজির [১] রেশ তখনও শেষ হয়নি- রক্তের দাগগুলো ভাল করে শুকায়নি!। আমার মাথায় নেমে এলো ঘোর বিপদ! সমস্যাটা আমার মাকে নিয়ে।

আমার মার 'কলোনস্কপি' করেছিলেন গ্রীন রোডের ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে, তৌহিদুল আলম নামের একজন 'পাকোয়াজ' ডাক্তার। যার নাম আমি দিয়েছিলাম গু-ডাক্তার [২]। তিনি মতামত দিয়েছিলেন, আলসার। "...Findings consistent with ulcerative colitis." (21 aug, 2011)


Sunday, October 23, 2011

'সন্তান উৎপাদন কারখানা' এটাও থাকুক প্রকাশ্যে

সৌদি আরবে আট বাংলাদেশির শিরোচ্ছেদে এই দেশের প্রচুর লোকজনকে নগ্ন উল্লাস করতে দেখা গেছে। সৌদি আরব বলে কথা- ওখান থেকে যে উট আসে সেই উটের পেশাব খাওয়ার লোকজনেরও লাইন পড়ে যায়। পত্রিকা আবার এটা ঘটা করে ছাপায়!
অবশ্য এ দেশের অধিকাংশ মানুষই শোকে-কষ্টে-বেদনায় তীব্র প্রতিবাদও জানিয়েছেন। বেদনায় নীল হয়েছেন।

Thursday, October 13, 2011

Tuesday, September 27, 2011

জলেভাসা পদ্ম

­

Sunday, September 25, 2011

হালকা সবুজে মোড়ানো গণতন্ত্র

ছবি ঋণ: প্রথম আলো
­কেউ এমনটা বলতেই পারেন যে ছবিটা দেখে খুব বিচলিত হয়েছি এটা বলতে পারছি না কারণ

Saturday, September 24, 2011

ঘুম!


Sunday, September 18, 2011

বেচা-বিক্রি, ব্যবসা-বাণিজ্য...

­আজকের অতিথি লেখক, আবদুল মান্নান শামীম। যিনি শামীম নামেই সমধিক পরিচিত। আজকের অতিথি লেখক আবারও তিনি। তাঁর প্রোফাইলে লেখা তিনি "করপোরেট কামলা"। আমিও এক জায়গায় নিজের সম্বন্ধে লিখেছিলাম, স্বশিক্ষিত। স্বশিক্ষিত জিনিসটা রাজনীতিবিদরা হরদম লাগাচ্ছেন দেখে এই ডিগ্রিটা আমিও যোগ করেছিলাম কিন্তু প্রমাণ করার উপায় নেই।
কিন্তু শামীম নামের মানুষটা যিনি নিজেকে "করপোরেট কামলা" নামে দাবী করছেন তাঁর এই দাবীর প্রতি অন্তত আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। একজন করপোরেট ভুবনের মানুষই ভাল বুঝবেন ব্যবসাপাতি সম্বন্ধে। :)। নিজের চাঁদিতে নিজেই কিল মেরে বলি, ইউরেকা! "বিজিনেস ইজ বিজিনেস"। তাঁর কাছ থেকে ব্যবসার রহস্য আমিও জেনে গেছি!
তাঁর মুখ থেকেই আমরা শুনি: 

"ফুটপাথের এক কোনায় বসে থাকা পাগলটার গা বাঁচিয়ে সাবধানে বসলাম। মোটা এক ধরনের কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে থাকা ওর গা থেকে বেরুচ্ছে ক্যামন বিটকেলে এক গন্ধ। আজকাল আর শান্তিতে কোথাও বসার উপায় নাই!

Friday, September 16, 2011

শিরোনামহীন


Thursday, September 8, 2011

ছোট দেশের ছোট মানুষ!

এই ভিডিও ক্লিপিংসটা একটা সীমান্তের। বাংলাদেশ ভারত। আখাউড়া-আগরতলা। দু-দেশের পতাকা নামাবার সময় কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়। এটা দেখার জন্য দু-দেশের লোকজনরা ভিড় করেন, এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

Wednesday, September 7, 2011

ওই আসে সুপারম্যান

­এই গ্রহের কোন পেশার প্রতি আমার আলাদা মোহ নাই। কিন্তু...। ডাক্তার, এই পেশাটার প্রতি আমার একধরনের ঈর্ষা কাজ করে। এটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে যখন মা এবং তাঁর অদেখা সন্তানদের [১] মুখোমুখি হই। তখন কেবল মনে হয়, আহা, 'গুছলেংটি' দিয়ে লেখাপড়া না-করে কী ভুলই না করলাম।
অবশ্য আমি এই জীবনে ডাক্তার হতে পারতুম কি পারতুম না এই কুতর্কে যাব না। কারণ ডাক্তার হওয়ার জন্য চলনসই একটা ব্রেন থাকাটা জরুরি। ইতিমধ্যে অনেকে জেনে গেছেন চলনসই দূরের কথা ব্রেন নামের জিনিসটাই আমার নাই! থাকলে

Monday, August 29, 2011

"ঈদি"

­ঈদ ফিরে ফিরে আসে কিন্তু বালকবেলার ঈদ আর ফিরে আসে না। সেই হারিয়ে যাওয়া ঈদের কতশত তুচ্ছ-তুচ্ছ আনন্দ!
সেসময় "ঈদি" নামের একটি জিনিসের জন্য তীর্থের কাকের ন্যায় অপেক্ষায় থাকতাম। শেষ "ঈদি" কবে পেয়েছি ভুলেই গেছি। তখন ঈদিতে পাঁচ-দশ-বিশ টাকা পাওয়া মানে রাজ্য জয় করার সমান। সেই টাকায় নিয়ম করে স্টুডিওতে ছবি তোলা এবং হলে গিয়ে বাংলা সিনেমা দেখা। ঈদি দিতে মুরুব্বিরা ভুলে গেলেও আমরা ভুলতাম না। একবার তো তাঁরা ভুলে যাওয়ায় রুমাল বিছিয়ে দেয়া হয়েছিল।
এটা একটা ইঙ্গিত। এই ভঙ্গিটা আমরা শিখেছিলাম এক জামাই বাবাজির কাছ থেকে। তিনি জনে জনে সালাম করছিলেন এবং রুমাল বিছিয়ে দিচ্ছিলেন। সবাই ওই রুমালে টাকা-পয়সা দিচ্ছিলেন।

Saturday, August 27, 2011

হ্যালো, গু-ডাক্তার!

(সতর্কীকরণ: অতি সূক্ষ রুচি যাদের, তাদের প্রতি অনুরোধ, লেখাটা না-পড়লেই ভালো করবেন।)
লেখাটা না-লিখে আমার উপায় নেই! গু শব্দটায় যাদের গা গুলায় তাঁরা গুয়ের স্থলে 'সু' পড়ুন তাহলেই ঝামেলা মিটে যায়। :)

ঢাকা যাওয়ার কথা শুনলেই আমার ইয়ে বন্ধ হয়ে যায়! শেষ গিয়েছিলাম এবছর ফেব্রুয়ারিতে। বইমেলায় না, কারও আমন্ত্রণে। এখন আর বইমেলায় যাওয়ার কোন অর্থ নাই, বইমেলা এখন হয়ে গেছে এই দেশেরই এক বাস্তব নমুনা! বইমেলা না বলে বানিজ্যমেলা বললে ভাল হয়। শত-শত হলুদ কাপড়পরা

Friday, August 26, 2011

হারিয়ে যাওয়া একজন মানুষ

এই মানুষটাকে পাওয়া গেছে। বেওয়ারীশ! গায়ে ময়লা, দামী জুতো ছেঁড়া। মানুষটা এদিক-ওদিক ঢলে পড়ছিলেন। জহিরুল ইসলাম সাগর, একজন সদাশয় মানুষ একটা রিকশায় তুলে দিয়েছিলেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
আহা, এতো সোজা! হাসপাতালে এমন কাউকে নিয়ে গেলেই বুঝি সুড়সুড় করে ভর্তি হওয়া যায়? পুলিশি ঝামেলার কারণে বুদ্ধিমানরা গা বাঁচিয়ে চলেন।

Thursday, August 18, 2011

প্রতিভাবান (!)

সৈয়দ শামসুল হকের চিবিয়ে চিবিয়ে বলার ভঙ্গি রপ্ত করাটা চাট্টিখানি কথা না! তাই তাঁর এই বলার ভঙ্গির আমি ফিদা!
এ এক বিচিত্র! 'ভাষাকন্যা' উপাধিটা তাঁরই দেয়া। 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি' এই সব চর্বিতচর্বণ করেন তখন মানুষটার মোটেও ক্লান্তি লাগে না।

যাই হোক, ৯৩ সালে ভোরের কাগজে তিনি সিরিজ টাইপের কিছু কবিতা লিখেছিলেন।

Monday, August 15, 2011

কেন এভাবে যেতে হবে না?

সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ এবং মিশুক মুনীরের মৃত্যুর পর একটি জাতীয় দৈনিকে জটিল এই প্রশ্নটা ছুড়ে দেয়া হয়েছে, "এভাবে যেতে হবে কেন"?
যদি আমি পাল্টা প্রশ্ন করি, কেন এভাবে যেতে হবে না? গর্ত করে  রাখলে একেকজন একেক রকম করে গর্তে পড়ে নাকি?

Saturday, August 13, 2011

সাম্রাজ্য

­
আমেরিকার সাউথ ডাকোটার ছোট্ট একটি শহর, স্কেনিক। মাত্র ৪৬ একর! শহরটি যাত্রা শুরু করেছিল ১৯০৬ সালে! এন্টিক একটা শহর! ঐতিহ্যবাহী...।
এই শহরটি বিক্রি হবে। এই শহরে আছে একটি গ্যাস স্টেশন. একটি সেলুন (সামাজিক মেলামেশার স্থান), একটি জেলখানা, একটি স্টেশনারি শপ...।
এরা এদের নিজস্ব সাইটে বিস্তারিত জানাচ্ছে [১]:

Friday, August 12, 2011

একজন 'আফাধমসথক' রাষ্ট্রদূত

ঋণ: youtube,
­ডান পাশে বসা ভদ্রলোকের নাম হচ্ছে, নূরুল আলম চৌধুরী। তিনি ওমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। পত্রিকায় [১] এই রাষ্ট্রদূত সাহেবের অসাধারণ বক্তৃতা নিয়ে বিস্তারিত এসেছে।

Thursday, August 11, 2011

আমরা এখন একটা গলিত শব...

(সময় টিভির সৌজন্যে)

এই ঘটনা নিয়ে সবাই পুলিশের গুষ্ঠিশুদ্ধ উদ্ধার করছেন। না-না, পুলিশকে কোলে বসিয়ে ফিডার খাওয়ানো হোক এটা আমার বক্তব্য না। যারা যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে একজন মানুষকে খুন করার জন্য যে বিচার পাওনা হয় তার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সে পুলিশ হোক না-হোক তা নিয়েও কোন আলাদা বক্তব্য নাই।

বিষয়টা নিয়ে হইচই করার কিছু নাই।

Monday, August 8, 2011

এরাফ এবং...

­কয়েদী নামের একটা বই আছে আমার। গোটা বইটাই হরতাল নিয়ে। ওই বইয়ের একটা চরিত্র, একজন লেখক। সলাজে বলি, ওই লেখকের নাম আমি জানি না। নামের বদলে তিনি পরিচিত হয়েছেন এভাবে, 'তিনি একজন লেখক'...।

ওই লেখক একটা সমস্যায় পড়েন, ভয়াবহ সমস্যা। একজন লেখকের জন্যে এরচেয়ে গুরুতর সমস্যা আর হতে পারে না! লেখকের লেখা আটকে গেছে- তিনি লিখতে পারছেন না। কেন? কয়েদীতে [১] লেখা আছে এমন:
"লেখক একমনে লিখে যাচ্ছেন।

Friday, August 5, 2011

জিরো!

ছোট বেলা থেকেই মানুষের স্বপ্ন থাকে বড় কিছু হওয়ার। আমার তেমন কোন স্বপ্ন ছিল না। কেন ছিল না এই নিয়ে এখন আর কারও সঙ্গে কস্তাকস্তি করতে যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না! যোগ্যতা বা ক্যালিবার যে নামই বলা হউক না কেন ওই জিনিসটা আমার কস্মিনকালেও ছিল না, এখনও নাই।
সবারই যখন আছে কোন-না-কোন একটা  ক্যারিয়ার- আফসোস, আমার হাতে কেবল টিফিন-ক্যারিয়ার! কী আর করা- বড়ই আফসোস, উপর থেকেই রিজেক্ট মাল এসেছে! তাই বলে তো নিজেকে ফায়ারিং স্কোয়াডে দাঁড় করানো চলে না...। 

Wednesday, August 3, 2011

একজন মুক্তিযোদ্ধা (!)

­তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধটা হয়েছিল ১৯৭১ সালে কিন্তু এটা জানা গেল ২০১১ সালে এসে! বছরের-পর-বছর চলে গেছে অথচ এটা কেউ জানত না? আহা, কেউ জানুক, না-জানুক ওই মানুষটার তো জানার কথা? তাহলে তিনি কেন জানতেন না যে তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা! আসলে বেচারাকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। ঘটনাটা এমন:
আপনারা হিন্দি ছবিতে দেখে থাকবেন মাথায় আঘাতের বা রোড অ্যাকসিডেন্টের কারণে একজন স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে।

Wednesday, July 27, 2011

বাঁশে ভিউ-মিরর!

(এই লেখাটা পূর্বে পোস্ট করেছি কিনা মনে পড়ছে না। আজ বিশেষ একটা কারণে এই লেখাটা খুঁজছিলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম না। পূর্বে কেউ লেখাটা পড়ে থাকলে দয়া করে শিরোনামটা দেখেই লম্বা দেবেন।)

এ দেশে কেমন কেমন করে একটা ধারণা জন্মে গেছে, যারা লেখালেখি করেন তারা কেবল বায়ু সেবনই পছন্দ করেন, একেকজন চলমান বায়ুভুক আর কী! অবশ্য ভাগ্যবান কেউ কেউ বুদ্ধিজীবী হয়ে যান, অন্যরা বায়ুজীবী।

আমি বায়ুসেবন করে আরাম পাই না এটা বলতে চাই না কারণ তাহলে আমাকে এমন এক জায়গায় চলে যেতে হবে যেখান থেকে আর ফেরা যায় না; ওখানে লেখালেখি করার অনুমতি আছে কিনা এমনটাও আমার জানা নাই!

Monday, July 25, 2011

শেখ সাদী, সেকাল-একাল!

­চকচকে কাপড়ই সমস্ত সুবিধার উৎস, এই নিয়ে শেখ সাদীর চমৎকার একটা ঘটনা আছে। বিস্তারিত বলে চর্বিতচর্বণ করি না। এটা একটা বাচ্চাও জানে।

আচ্ছা, শেখ সাদী ভদ্রলোক কী মারা গেছেন? জানি-জানি, এই উদ্ভট প্রশ্ন শুনে অনেকে এতো জোরে হাসছেন যে আমার কম্পিউটারের মনিটরের পর্দাও কেঁপে কেঁপে উঠছে! বাহ, এ কেমন উদ্ভট কথা!
আসলে আমার বক্তব্য অন্য, শেখ সাদীর মতো মানুষেরা কখনও মারা যান না, এঁরা অমর। আমার কথায়, কিছু মানুষ কখনও মরেন না এঁরা কেবল খোলস বদলান মাত্র! চকচকে কাপড় পরলে মর্যাদা পাওয়া যায়, সেই কবে শেখ সাদী এটা বলে পগার পার হয়েছেন অথচ

Sunday, July 17, 2011

প্রেস এডভাইস!

­­লেজে হোমো এরশাদ ক্ষমতায় ছিলেন ৩১৫৯ দিন! এ এক ইতিহাস! তার ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে সংবাদপত্রের 'এডভাইসের' নামে কন্ঠ রোধ করা হয়েছিল। অসংখ্য আবর্জনা থেকে অল্প কয়েকটা এখানে তুলে দিলাম। নমুনা: 

১৪ ফেব্রয়ারি, ১৯৮৩: আজ ঢাকা শহরে যে গুলি হত্যার ঘটনা ঘটেছে এই সম্বন্ধে কোন প্রকার খবর প্রকাশিত হবে না।

Saturday, July 16, 2011

শাবাশ, তানজিন বৃষ্টি!

­পত্রিকায় খবরটা ভেতরের পাতায় ছাপা হয়েছে। কালই 'কালের কন্ঠে' পড়েছিলাম। এই বাসি খবরটা আজ 'প্রথম আলোয়' পড়লাম। চব্বিশ ঘন্টা পর! তবুও ভাল প্রথম আলো খবরটা ছাপিয়েছে। অনেক প্রয়োজনীয় খবর অন্য পত্রিকায় ছাপা হলেও এই পত্রিকায় এর টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যায় না। আর এমনিতে এরা কবে বুঝবে বাসি জিনিস লোকজন পছন্দ করে না, এর স্থান হয় আবর্জনায়!

'ইতিহাদ' এয়ারলাইনসের যাত্রী তানজীন বৃষ্টিকে আবুধাবি বিমানবন্দরে হেনেস্তা করা হয়, দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তিনি এই নিয়ে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হলে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। অন্যদের সাথে ইতেহাদের কান্ট্রি ম্যানেজারকেও হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে।

Monday, July 11, 2011

আমাদের একজন 'নীরিজা গুতরু'র বড়ো প্রয়োজন

­আমাদের দেশে উপরের নির্দেশ বলে একটা জিনিস আছে। ভয়াবহ একটা জিনিস! এর নিবাস ঠিক কোথায় এ সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান তমোময়- ভাসা ভাসা! এই দেশে উপরের নির্দেশ ব্যতীত কিচ্ছু হওয়ার যো নেই। গাছ, গাছের ছাল দূরের কথা, একটি পাতাও নড়বে না। আমি অনেকখানি ভয়ে ভয়ে, আছি কোন দিন না, বাথরুম যাওয়ার জন্যও উপরের নির্দেশের প্রয়োজন হয়। হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে! ছ্যা, প্যান্ট-ট্যান্ট নষ্ট করে বিতিকিচ্ছি এক অবস্থার সৃষ্টি হবে!

আমি কোথাও লিখেছিলাম: "আমাদের বিভাজন শুরু হয় জন্মের পর থেকেই। মানুষ না পশু? মানুষ হলে, ছেলে না মেয়ে? জাতপাত কি- হিন্দু, মুসলমান, খ্রীষ্টান? সর্বশেষে বিএনপি-আওয়ামীলীগ-জামাত-জাতীয়পার্টি...? দলটা অতি জরুরি! এই দেশে বসবাস করার জন্য

Saturday, July 9, 2011

নষ্ট শিক্ষক- নষ্ট লেখক!

ইমদাদুল হক মিলন কালের কন্ঠে মন্তব্য প্রতিবেদনে লিখেছেন, 'নষ্ট শিক্ষক' [১]। লেখাটা সময়োচিত-সময়োপযোগী, কাজের সময়ে কাজের একটা লেখা হয়েছে এই নিয়ে আমার কোনও অমত নাই কিন্তু এই লেখাটা পড়ছিলাম আর ভয়ে কাঠ হচ্ছিলাম, এই রে, মিলন সাহেব না হাত খুলে লিখে ফেলেন! এক জায়গায় তিনি লিখেছেন:
"­...অন্য ছাত্রীরা চলে যাওয়ার পর পরিমল দরজা বন্ধ করে দেন। মেয়েটি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার মুখ বেঁধে ফেলেন। মেয়েটি হাত-পা ছোড়াছুড়ি শুরু করলে ওড়না দিয়ে তার দুহাত বেঁধে ফেলেন। গায়ের জামা-কাপড় খুলে তার ছবি তোলেন, তারপর চালান পাশবিক নির্যাতন...।"

আমার ধারণা, তিনি হাত খুলে লিখতেন

Thursday, July 7, 2011

বেচারা গণতন্ত্র!

ছবি সূত্র: প্রথম আলো ০৭.০৭.২০১১
­এই ছবিটা সাধারণ একটা ছবি না।

এটা দেখে কার কী ভাবনা উদয় হচ্ছে আমি জানি না কিন্তু আমার কেবল মনে হচ্ছে এখানে কেবল একজন মানুষ দৌড়ে পালাচ্ছেন না, পালাচ্ছে গণতন্ত্র! বেচারা গণতন্ত্র!

Wednesday, July 6, 2011

যদভবিষ্য

­মুক্তিযোদ্ধা, নৌ-কমান্ডো ফজলুল হক ভূঁইয়াকে নিয়ে কিছু লেখা লিখেছিলাম। এই অসমসাহসী মানুষটা তীব্র অসহায়ত্বে দিনযাপন করেন [১]। চেষ্টা করা হয়েছিল বিভিন্ন সময়ে এই আগুন-মানুষটাকে শিশুদের কাছে পরিচিত করিয়ে দেয়ার । আমরা যে অপরাধগুলো করেছি আমাদের পরের প্রজন্ম যেন ঠিক সেই অপরাধগুলো না করে সেই ক্ষুদ্র চেষ্টা [২]

এই মানুষটার একটা সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য জার্মানি থেকে হণ্যে হয়ে খোঁজা হচ্ছিল। সাক্ষাৎকারটা নেয়া হবে জার্মানি থেকে ফোন

Monday, July 4, 2011

শিক্ষা!

শফিক রেহমানের ভয়াবহ রকমের যে বাড়াবাড়িটা ছিল তা নিয়ে ইতিপূর্বে লিখেছিলাম, "সব কিছু নিয়ে কুৎসিত রসিকতা করা। ভিনসেন্ট পিউরিফিকেশনের নামে যা তা রসিকতা। একবার দিলেন এমন, মাস্তান নামের অসভ্যরা ইডেন কলেজের কিছু ছাত্রীর জামা ছিঁড়ে ফেলেছিল, ভেতরের অন্তর্বাস দেখা যাচ্ছিল। শফিক রেহমান এই ছবিটার পাশে বোম্বের ব্রা প্রদর্শনীর একটা ছবি দিয়ে কুৎসিত রসিকতা করার চেষ্টা করেন।"[১]

Sunday, July 3, 2011

অন্ধকার ছেয়ে ফেলে চারদিক

এই মানুষটার বিরুদ্ধে শত-শত মামলা করা হয়েছিল কিন্তু আমাদের দেশে মামলা হচ্ছে মাকড়সার জালের মত। ক্ষমতাবানরা চট করে ছিঁড়ে ফেলে কিন্তু দুর্বল আটকে থাকে আষ্টেপৃষ্ঠে। এরশাদ সাহেব যে শত-শত মামলা (কমিশন এরশাদের বিরুদ্ধে ৫৩৪টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ চিহ্নিত করেছিল। আরও ৮২৮টি অভিযোগ তদন্তাধীন ছিল। প্রতিটি অভিযোগের জন্যে আলাদা আলাদা মামলা দায়ের করা সম্ভব ছিল) মোকাবেলা করে দাঁত কেলিয়ে তিন তিনটে আসন থেকে দাপটের সঙ্গে নির্বাচিত হয়েছেন অথচ সাধারণ মানুষ এই শত শত মামলার কেবল একটা মামলাতেই হাবুডুবু খেতে খেতে প্রাণপাত করতেন!

এরশাদ সাহেব এমন কোন দিক নেই যেটা নষ্ট করেননি

Saturday, July 2, 2011

বাংলাদেশের ভ্যালেরি টেইলর হোক ‘সিএনএন হিরো’

­আজকের অতিথি আরাফাতুল ইসলাম। তিনি লিখেছেন ভ্যালেরি টেইলর নামের একজন মানুষকে নিয়ে। কোন ধরনের সম্মাননায় এই মানুষটার কিছুই যায় আসে না কিন্তু আমাদের দেশের জন্য এই সম্মাননা অতি জরুরি বলেই আমি মনে করি। আমরা খানিকটা চেষ্টা করলেই হয়ে যায়, এতে কোন সন্দেহ অন্তত আমার নাই। আরাফাতুল ইসলাম লিখেছেন:

"ভ্যালেরি টেইলরের কথা মনে করতে পারছেন? বাংলাদেশে বসবাসরত এই ইংরেজ ফিজিওথেরাপিস্ট ঢাকার সাভারে প্রতিষ্ঠা করেছেন সিআরপি। শারীরিকভাবে অক্ষমদের পরিপূর্ণ পুনর্বাসনের জন্য কাজ করে এই সংগঠন। গরীব, দুঃখীরা অনেক ব্যয়সাপেক্ষ চিকিৎসা এখানে পাচ্ছেন বিনা খরচায়, ভ্যালেরির জন্য। ভ্যালেরি এই কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন বিভিন্নভাবে। আসুন এবার তাঁকে আরেকটি স্বীকৃতি এনে দেই, সেটি শুধু তাঁর জন্য নয় বরং আমাদের নিজেদের জন্যও।