Search

Tuesday, August 28, 2012

একালের দেবী: তসলিমা নাসরিন

­"...চারটে ছেলে এসেছে তোমার সঙ্গে দেখা করতে। একবার তোমাকে প্রণাম করতে এসেছে। করেই চলে যাবে।
আমি প্রণামের লোভে নয়, কেন এসেছেন...। ...আমার দিকে এগিয়ে হাত বাড়ালো আমার পায়ের দিকে...শংকর নামের ছেলেটি করজোড়ে আমার সামনে দাঁড়িয়ে বলল, 'দিদি, আপনি আমাদের দেবী। আপনাকে দেখতে পেয়ে জীবন আমাদের সার্থক হল। ...একবার প্রণাম করতে দেন...। আবারও মাথা আমার পায়ের দিকে নাবাতেই বলি, না না প্রণাম করতে হবে না।

Thursday, July 26, 2012

একজন ড্রাগ ডিলারের প্রস্থান এবং চুতিয়া মিডিয়ার উত্থান!

(চুতিয়া শব্দটায় যাদের এলার্জির সমস্যা হয় তারা চুতিয়ার জায়গায় 'কুতিয়া' পড়বেন। অবশ্য কুতিয়া শব্দের অর্থ কি এটা আমি জানি না।)

হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে এক লেখায় লিখেছিলাম,
"এই দেশে যারা সাহিত্য চিবিয়ে খান তাঁরা হুমায়ূন আহমেদের লেখায় গভীরতা খুঁজে পান না। ...হুমায়ূন আহমেদের বই পড়ে অনেক কঠিন সময় পার করেছি, এর কী কোন মূল্য নাই? তাঁর কোনো বই হাতে নিয়েছি কিন্তু পড়ে শেষ করিনি এমনটা হয়নি, এখনো! এই যে এখনো আমাকে ধরে রাখার ক্ষমতা- কী বিপুল এক ক্ষমতা! কী এক অদ্ভুত ব্যাপার! পারলে মানুষটার হাত সোনা দিয়ে বাঁধাই করে দিতাম। হুমায়ূন আহমেদকে কোনো ইশকুলে পড়তে হয় না, তিনি নিজেই একটা ইশকুল..."।

Friday, June 22, 2012

পাঠকের কাঠগড়ায়

­হাসান সোহেল আমার একটা পোস্টে [১] কঠিন এক মন্তব্য করেছেন। তাঁর মন্তব্য এখানে তুলে দিচ্ছি:
"মাহমেদ ভাই, কেন ম্যানিপুলেশন করেন? মিনার মাহমুদ মারা যাওয়ার পরে তাকে নিয়ে লেখা আপনার পোস্টটা ডিলিট করে ফেলেছেন। মারা গেলে কি তার সব কর্ম মাফ হয়ে যায়? লেখাচুরি হালাল হয়ে যায়? মিনার মাহমুদের নিরপেক্ষ বিশ্লেষণে আপনার লেখাটা থাকলে কি ক্ষতি হতো খুব?

Wednesday, June 20, 2012

ব্লগগুরু, মহোদয়গণ।

আমার কেবলই মনে হচ্ছে আমাদের ব্লগস্ফিয়ার নিয়ে অনবরত কুৎসিত শলা হচ্ছে, কেমন করে একে দাবিয়ে রাখা যায়। সরকারী লোকজনেরা আদা খেয়ে এর পেছনে লেগেছেন আর বেসরকারী চামুচ টাইপের লোকজনেরাও পিছিয়ে নেই! তাদের তো আর আদা খেয়ে পেছনে লাগার সুযোগ নেই তারা আদার বদলে মুড়ি খেয়ে লেগেছেন। আমরা ব্লগের ভাষায় বলি, 'মুড়ি খাও'।
এই রে, জাত গেল-জাত গেল। আমি যে ব্লগের ভাষা বলে ফেললুম, এখন উপায়? আমাকে কী গোবর খেয়ে প্রায়শ্চিত্ত করতে 'হপে'? সেরেছে গোবর পাই কই- সব কাজকাম (আসলে হবে 'অকাজকাম') ফেলে এখন কী গরুর (মতান্তরে ব্লগগুরু) পেছনে পেছনে আমাকে পট নিয়ে ঘুরতে হবে?

Sunday, April 29, 2012

গণতন্ত্রের হত্যাকারী


ছবি ঋণ: প্রথম আলো
এটা পুরনো লেখা। হরতাল নিয়ে নতুন লেখার কিছু নাই। দুয়েকটা শব্দ এদিক-ওদিক করে দিলেই হয়।

তিনি [১] যেমনটা বলেছিলেন হও, আর হয়ে গেল! তেমনি বিরোধীদল বলল, হরতালের নামে কারাগার হও- ব্যস, হয়ে গেল!
তখন কারও জীবনের দাম যাই থাকুক, এ দিন কারও জীবন রক্ষার দায়িত্ব ঈশ্বর ব্যতীত আর কারও না।
কী এক কারণে যেন এদিন ঈশ্বরের ভারী ঘুম পায়!

Wednesday, April 4, 2012

তেলের খনি!

­বাংলাদেশের সমুদ্রজয়ে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা দেয়া হবে ২৮ এপ্রিল। কী প্রকারে এটা দেওয়া হবে এটার জন্য শেরাটন হালের রূপসি বাংলা হোটেলে বাংলাদেশের অধিকাংশ বুদ্ধিজীবী এক সভার আয়োজন করেন। অবশ্য চর্বচোষ্য সহযোগে কিনা এটা জানা যায়নি। যেমনটা জানা যায়নি এই পঞ্চতারকা হোটেলের বলরুমের ভাড়া কার গাঁটের পয়সায় পরিশোধ করা হয়েছে।

Friday, March 30, 2012

মিনার মাহমুদ, এটা আপনি কী করলেন!


"শোনা গেল লাশকাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে;...।"
মিনার মাহমুদ, লাশকাটা ঘরে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়াটা, কাজটা কী ঠিক হলো, আপনার? এটা তো কোনো কাজের কাজ হলো না! আচ্ছা, ওই মানুষটা আপনার কানে কানে কি বলে গেল!
...আরো এক বিপন্ন বিস্ময় রক্তের ভিতরে খেলা করে..."?
ব্যস, আপনি বিশ্বাস করে বসলেন? ধুর বোকা! আচ্ছা, বিপন্ন বিস্ময় কি কেবল আপনাদের রক্তের ভেতরেই খেলা করে? আহা, আমাদের করে না বুঝি! আমাদেরও যে চলন্ত ট্রেন, ছাদে ঝোলানো পাখা বড়ো টানে! অদেখা ঘুমে যে চোখ জড়িয়ে আসে! আমাদের ইচ্ছা করে না বুঝি লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ি? কে বলল আপনাকে করে না, ইচ্ছা করে তো, কী আর করা- কপালের ফের! কেন করে, আমি জানি না!

Tuesday, March 13, 2012

মাতব্বর!

­বিষয়টা পুরনো কিন্তু আবারও নতুন করে সামনে চলে এসেছে, ফেসবুকের একটি নোটের সূত্র ধরে। অনুবাদের একটা বিষয় নিয়ে সালাহ উদ্দিন শুভ্র, ফারুক ওয়াসিফের বিরুদ্ধে কঠিন এক অভিযোগ এনেছেন [১]। ফারুক ওয়াসিফও পাল্টা এক নোট লিখে এর উত্তর দিয়েছেন [২]। কে ঠিক কে বেঠিক এটা আমার আলোচনার বিষয় না। এটা প্রমাণের দায় এঁদের উপরই বর্তায়। তাঁরা নোট চালাচালি করতে থাকুন...

Friday, March 9, 2012

জীবিতদের মধ্যে...

­

Saturday, February 25, 2012

কাবাব মে হাড্ডি

গোটা শিরোনাম দূরের কথা পারতপক্ষে হিন্দি শব্দ নিয়ে একটি শব্দও এখন আর লিখতে চাই না কারণ এখন দাদাদের উপর গোটা দেশ ক্ষেপে আছে। লেখার কারণে আমার উপর কেউ চটে গেলে তো মুশকিল। অবশ্য চটে-মটে কেউ একটা দুম করে ঘুষি বসিয়ে দেবেন এই নিয়ে আমি খুব একটা উদ্বিগ্ন না কারণ পাঠক আমার নাগাল পাবেন কোথায়? আমার নাকের বদলে পাঠক রাগে নিজেই নিজের মনিটর নিজেই গুড়িয়ে দিলে আমি বলার কে?
অবশ্য আমি নিজেও এটা মনে করি,

Tuesday, February 21, 2012

আ মরি বাংলা ভাষা!

­আগে এক লেখায় লিখেছিলাম, "ফেব্রুয়ারি মাসটা আমাদের জন্য বড়ো জরুরি কারণ এই মাস এলেই আমরা ভাষার জন্য ঝাপিয়ে পড়ি, চোখের জল ফেলার সুযোগ পাই। বিস্তর কান্নাকাটি করি। আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীরা তো কাঁদতে কাঁদতে অন্তর্বাস ভিজিয়ে ফেলেন! ফেব্রুয়ারি যাওয়ামাত্র যথারীতি আমরা সমস্ত কিছুই বিস্মৃত হই"! ...[১]

হে যুবক, হে নীরোগ, এভাবে চলে যেতে হয় না

­বাচ্চাদের জন্য 'মশা' নিয়ে কিছু লেখা লিখেছিলাম, কিটি মাস্ট ডাই: এক[১], কিটি মাস্ট ডাই: দুই[২]। বাচ্চাদের বইয়ে নাকি ছবি-টবি আঁকার কিছু বিষয় থাকে। নেশাখোর আর্টিস্ট ভেগে যাওয়ায় প্রকাশক ভাইয়ার সেই পরিকল্পনা ডোবায় তলিয়ে যায়। পরে আমিও বুদ্ধি করে এই লেখাগুলোই বড়দের বইয়ে ঢুকিয়ে দিয়েছিলাম।

Wednesday, February 15, 2012

একজন সাগর এবং নড়বড়ে সাঁকোটা

ছবি ঋণ: আরাফাতুল্ ইসলাম
সাগর সরওয়ারের সঙ্গে তেমন স্মৃতি নাই আমার। আমার সঙ্গে একবারই দেখা হয়েছিল। ডয়চে ভেলের অফিসে। জার্মানিতে আমার সময়টা ছিল স্বল্প আর আমি ছিলাম দৌড়ের উপর। উল্লেখ করার মত স্মৃতি থাকার কথা না কিন্তু তাঁর সঙ্গে আমার স্মৃতি এখনও দগদগে কারণ...।

Sunday, February 12, 2012

কৈশোর!

­আহ কৈশোর! হারিয়ে যাওয়া কৈশোর? কি জানি! আমি তো বলি, কৈশোর ফিরে আসে বারবার। সম্ভবত কৈশোরের স্মৃতিই আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে...।

আজকের অতিথি বিশ্বজিত পাল বাবু। তিনি লিখেছেন অন্য রকম এক কলম দিয়ে- 'ক্যামেরাকলম'। এ কলমে কালি বের হয় না এ সত্য, অবশ্য আজকাল আর কলমে কালি কোথায়! কীবোর্ড চেপে আর যাই হোক কালি বেরুবার যো নেই।
যাই হোক, কখনও-কখনও একটি ছবি যে হাজার-হাজার শব্দের চেয়ে শক্তিশালি তা আবারও জানলাম। ছবিগুলোয় বিশ্বজিত পাল বাবু খানিকটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছেন:

Friday, February 10, 2012

বাংলা ভাষার লড়াইয়ে উর্দুভাষী একজন তাজুল!

আজকের অতিথি লেখক, সমীর চক্রবর্তী। তিনি লিখেছেন অসাধারণ একজন মানুষকে নিয়ে। যে মানুষটা বাংলা ভাষার জন্য লড়াই করেছিলেন, তিনি উর্দুভাষী একজন মানুষ তাজুল ইসলাম!

সমীর চক্রবর্তী জানাচ্ছেন:
"ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি আসার পর থেকেই খুব করে চাচ্ছিলাম এ নিয়ে বিশেষ কোনো প্রতিবেদন করতে। কিন্তু গতানুগতিকের বাইরে কোনো বিষয় পাচ্ছিলাম না।

Friday, February 3, 2012

হাসপাতাল পর্ব, তেরো: মানবিকতা

আমি আগের এক লেখায় লিখেছিলাম, পেপার বিছানার কথা [১]। রাতে পেপার বিছিয়ে আরামে ঘুমিয়ে পড়তাম। প্রথম দিনই একটা ভজকট হয়ে গেল। সেলফোনে সকাল সাতটায় এলার্ম দিয়ে ঘুমিয়েছিলাম। সম্ভবত সাড়ে ছটা পৌনে সাতটা হবে, ঘুমের মধ্যে শুনছিলাম কে যেন বাঁজখাই গলায় চেঁচাচ্ছে, এই-এই, এইডা কেডারে, কেডা? ওই, ওই-ই ওইত...।
আমি চোখের সিকিভাগ খুলে ঘটনাটা বোঝার চেষ্টা করছিলাম। এরইমধ্যে একজন আমার কপালে ধাক্কা মেরে বলছে, উঠেন-উঠেন।

আমি উঠে বসে

Wednesday, February 1, 2012

নাচপুতুল-পুতুলনাচ

­

বন্ধুর জন্য এলিজি

­আমার এই বন্ধুর সঙ্গে পরিচয়পর্ব খানিকটা নাটকীয়! সালটা সম্ভবত ১৯৯৮। আমি কোনো এক কাজে বাসার বাইরে। একজন হাঁফাতে হাঁফাতে এসে বললেন, 'আপনার বাসার দিকে আর্মির গাড়ি গেছে'।
তখন আমি সম্ভবত কারও সঙ্গে কথা বলছিলাম, বিশেষ গা করলাম না। একটু পর আবারও একজন, 'তাড়াতাড়ি বাসায় যান, আর্মি আপনাকে খুঁজতাছে'। আমি বাসার দিকে যেতে যেতে ভাবছিলাম: খোদা, এ আবার কোন মুসিবত!

Sunday, January 29, 2012

হাতুড়ি-ভাইয়া

ছবি ঋণ: প্রথম আলো, ২৫ জানুয়ারি, ২০১২
এটা একটা অসাধারণ ছবি। আমি অভিভূত! 'বঙ্গাল' বলে কথা!

Saturday, January 28, 2012

মিডিয়ার অপরাধ এবং মুক্তিযুদ্ধে 'জনৈক সালাউদ্দিন'

­দানবীর নূতন সিংকে নিয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম [১]। এই লেখাটা প্রথমে লেখা হয়েছিল অন্য একটি ওয়েবসাইটে, ২০০৭ সালে পরে আমার নিজস্ব সাইটে ২০১০-এ।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধে নূতন সিংহের হত্যা আমার মনে অসম্ভব দাগ কেটেছিল অন্য কারণে। এই মানুষটিকে যখন হত্যা করা হয় তখন তিনি প্রার্থনারত অবস্থায় ছিলেন। এবং অতি ঘৃণ্য এই কাজটা করেছিল তারাই যারা ধর্মের ঝান্ডা টিকিয়ে রাখার জোর দাবী জানিয়ে আসছিল! সাচ্চা মুসলমান!

Thursday, January 26, 2012

অপুষ্ট জাতি!

­আমি এক লেখায় বলেছিলাম, "...ফল যা হওয়ার তাই হচ্ছে। ফি-বছর নিয়ম করে বাচ্চা! এখন আমাদের লোকসংখ্যা কত? ১৬ কোটি কি ছাড়িয়ে গেছে? আফসোস, আমাদের দেশে ৬ মাসে বাচ্চা হওয়ার কোন সুযোগ নেই নইলে আমরা অনায়াসে ভারত-চীনকে ছাড়িয়ে যেতে পারতাম। আরেক সুপার পাওয়ার হয়ে উঠতাম।  [১]
...স্বাস্থ্যসচিব হাইকোর্টে হলফনামা দিয়েছেন, এই দেশের সব দম্পতি পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত [২]

Saturday, January 21, 2012

মুখোশ!

­আমার বারবার বলে আসছি আমাদের দেশটা বড় বিচিত্র, ততোধিক বিচিত্র এই দেশের মানুষ। মাছের পচন শুরু হয় নাকি মাথা থেকে, হবে হয়তো। কিন্তু গোটা মাছটাই যে পচে গেছে, এখানে মাথা না লেজ এই কুতর্ক করে লাভ কী!
এখন এখানে প্রতিভা বিক্রি হয় কেজি দরে। একজন এই কথাটাই শুনে শ্লেষভরা কন্ঠে বলেছিলেন, কেনে কে? আপনি নিশ্চিত, হরেদরেও তাহলে বিক্রি করা যায়? আসলে ক্রমশ আমরা হয়ে উঠছি একেকটা যন্ত্রমানব হয়ে। ক্যারিয়ার, বড় হওয়ার জন্য শর্টকাট রাস্তা ব্যতীত অন্য কোনো রাস্তায় আমরা হাঁটতে চাই না। এই জন্য আত্মা বন্ধক রাখতে হলেও কোনো সমস্যা নাই। প্রয়োজনে আমরা বিক্রি করে দেব প্রিয়মানুষের লিভার-কিডনি।

Thursday, January 19, 2012

BSF: এক নেকড়ের নাম!

­ভুবনেশ্বর নামে অসম্ভব শক্তিশালী একজন লেখকের অসাধারণ এক গল্প পড়েছিলাম [১], বাপ-বেটাকে নেকড়ে দৌড়াচ্ছে। বাপ যখন দেখলেন বাঁচার আর কোনো উপায় নেই তখন পা থেকে জুতো জোড়া ছেলেকে দিয়ে নেকড়ের মাঝখানে লাফিয়ে পড়লেন।
সোজা কথায় নেকড়ের হাত থেকে যখন বাঁচা যাবেই না তখন নেকড়ের হাতে নিজেকে তুলে দেয়াটাই শ্রেয়, ন্যূনতম সম্পদ বাঁচল এই পাওয়া।

আজ ভুবনেশ্বরের এই গল্পটা, নেকড়ের কথা কেন মনে পড়ল?

Tuesday, January 17, 2012

আদালত-আইন এবং গতি!

­আদালত অবমাননার কারণে রুহূল আমিন নামের একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত এ তো আমরা সবাই জানি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। তার এই কর্মকান্ড কতটা যুক্তিসঙ্গত আজকের লেখার বিষয়বস্তু এটা না। কলম এবং ছুঁরি মধ্যে মূলত খুব একটা পার্থক্য নাই। ছুঁরি দিয়ে কে আপেল কেটে খাবে কে চোখ উপড়ে ফেলবে, নির্ভর করবে কার হাতে ছুঁরিটা। সে ভিন্ন প্রসঙ্গ...।

পত্র-পত্রিকা থেকে আমরা জানতে পাই, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক

Monday, January 16, 2012

একজন ভাগীরথী এবং অজ্ঞাতনামা রাজাকার

"অষ্টাদশী ভাগীরথী ছিল বরিশাল জেলার পিরোজপুর থানার বাঘমারা কদমতলীর এক বিধবা পল্লীবালা। বিয়ের এক বছর পর একটি পুত্র সন্তান কোলে নিয়েই তাকে বরণ করে নিতে হয় সুকঠিন বৈধব্য। স্বামীর বিয়োগ ব্যথা তার তখনও কাটেনি। এরই মধ্যে দেশে নেমে এল ইয়াহিয়ার ঝটিকা বাহিনী। গত মে মাসের এক বিকালে ওরা চড়াও হলো ভাগীরথীদের গ্রামে। হত্যা করলো অনেককে যাকে যেখানে যেভাবে পেলো।

এ নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের মধ্যে ভাগীরথীকে

Sunday, January 15, 2012

"যাহা ছাপিব সত্য ছাপিব, সত্য বৈ..."

মিডিয়ার লোকজনের কী দবদবা! একেকজন চলমান জ্ঞানের ভান্ডার! এঁরা হাঁটেন পা ফাঁক করে তবে সাবধানে, খানিক কাত হলেই জ্ঞান গড়িয়ে পড়বে যে!
কে সুশীল, কে কুশীল, কে সাহিত্যিক, কে সাহিত্যিক নন- কার লেখা পেশাবের ফেনা সবই এরা ঠিক করে দেন। কে সাদামনের মানুষ নাকি কালোমনের মানুষ সবই তার ইচ্ছা! জমিনের ঈশ্বর আর কী! হও বললেন হয়ে গেল।
তবে নিজেদের স্বার্থে আঘাত এলে এদের নোংরা মোজা ছোঁড়াছুড়ি নিয়ে কী নোংরামী হতে পারে এর খানিক নমুনা আমরা দেখেছি [১]!
এদের কু-কান্ড নিয়ে প্রচুর লেখালেখি হয়েছে চর্বিতচর্বণ আর করি না [২], [৩]। তবে...।

Saturday, January 14, 2012

কালের কন্ঠ, ছাগুবান্ধব প্রিন্ট মিডিয়া!

­আমরা সাধারণ পাঠক ৮০০ পয়সা কবুল করে যখন পত্রিকা খরিদ করি তখন লক্ষ রাখি পয়সা কেমন উসুল হলো। যখন বাড়তিটা পেয়ে যাই তখন আমাদের আনন্দ দেখে কে। বিনে পয়সায় পাবলিক আলকাতরা খায় আর আমরা বিনোদন খাব না, তা কী হয়!

আমাদের দেশের সমস্ত মিডিয়া ইলেকট্রনিক-প্রিন্ট-ওয়েব পোর্টাল সবই ব্যবসায়ীদের হাতে। ব্যবসায়ী বলে কথা- এরা নিজেদের স্বার্থে মিডিয়াকে ব্যবহার করবেন এটা জানার জন্য রকেটবিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

Friday, January 13, 2012

Thursday, January 12, 2012

তিতাস: ধন্যবাদ, প্রথম আলো

তিতাস নিয়ে শেষ লেখাটায় বলেছিলাম, অচিরেই এই রাস্তা-বাঁধটা অপসারণ করা হবে [১]। এখন বলা যেতে পারে অতি দ্রুতই এই কাজটা এরা শুরু করেছিলেন। ধন্যবাদার্হ!

আমাদের প্রিন্ট মিডিয়ার অনেক 'নখরামি'। এমনিতে নখরায়ুধদের নখ দেখা যায় বটে কিন্তু মিডিয়ার নখ থাকে অপ্রকাশ্যে! এদের কর্মকান্ড বোঝা ভার।
আর এরা কখন কোন প্রতিবেদন ছাপাবেন তা নির্দিষ্ট করা আছে। যেমন ধরা যাক, মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত কোনো প্রতিবেদন। ডিসেম্বর, মার্চ না-এলে এরা কলমই স্পর্শ করবেন না। দশ মাস কলম চিবুতে চিবুতে ইকড়ি-মিকড়ি খেলা খেলবেন। এরপর...এরপর মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে অন্তর্বাস ভিজিয়ে ফেলবেন। সেই অন্তর্বাস রোদে মেলে দিয়ে রোদ পোহাবেন।

Saturday, January 7, 2012

তিতাস, ঘরের মেয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছে

এই ছবিটির সূত্র: http://tinyurl.com/6lv3f57
­­ট্রানজিটের নামে তিতাসের মাঝখানে বাঁধ-রাস্তা তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল দেশবাসীর মধ্যে, আমার মধ্যে [১] 
এবং আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেছি, ৭২৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের মধ্যে বাংলাদেশ ১০০ মেগাওয়াট পাবে বলে আশা করা হয়েছিল কিন্তু বাংলাদেশ ১ ওয়াট বিদ্যুতও পাচ্ছে না তাহলে আমরা এতো যন্ত্রণা করতে গেলাম কেন?

Friday, January 6, 2012

আমাদের কি দায় পড়েছে, দাদা?

তিতাস নদীর মাঝে রাস্তা করা নিয়ে তুলকালাম কান্ড হচ্ছে। আমি মনে করি, এই জাগরণ প্রতিবাদের অবশ্যই প্রয়োজন আছে। এখানে কাজ করেছে স্রেফ দেশের জন্য আবেগ।


Wednesday, January 4, 2012

ব্লগ বনাম প্রিন্ট মিডিয়া

আবারও চর্বিতচর্বণ, অসংখ্যবার আমি এ কথাটা বলেছি, ব্লগস্ফিয়ার, ব্লগের শক্তিটা আসলে আমরা আঁচ করতে পারছি না। আমি নিজেও না! কে জানে, একটা ব্লগ পরিবর্তন করে ফেলতে পারে কারো দৃষ্টিভঙ্গি, কোনো দেশের জাতীয় সিদ্ধান্ত। দেশটা কঙ্গো না তিউনিসিয়া সেটা আলোচ্য বিষয় না।...
কারণ ব্লগিং হচ্ছে নির্মেদ-মেদহীন। আমার ভাষায় যেটা বলি, টলটলে পানি- যার উৎস অদেখা ঝরনা। প্রিন্ট মিডিয়ায় যেটা সম্ভব না কারণ এরা বাড়তি মেদের ভারে পৃথুল!

সম্প্রতি এক আলোচনায় বলেছিলাম,

Monday, January 2, 2012

হাসপাতাল পর্ব, বারো: বর্জ্য

­আমরা হাতি কিনি কিন্তু হাতির খাবারের কথা চিন্তা করি না কারণ জাতি হিসাবে আমরা বড়ো হুজুগে! চিন্তার দৌড় আমাদের বড়ো সীমিত!
যেমন ধরা যাক, এই যে আমরা রাশিয়ার সঙ্গে শলা করে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছি কিন্তু এই চুল্লি থেকে যে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য থেকে যাবে তার বিষয়ে আমাদের পরিষ্কার করে কোনো ধারণা নাই।
এই বর্জ্য কি রাশিয়া নিয়ে যাবে নাকি এটা আমাদের দেশের কোনো অংশে ফেলে দেয়া হবে এটা আমরা জানি না!
রাশিয়া এটা এখন ভাসা ভাসা স্বীকার গেলেও শেষপর্যন্ত

Friday, December 30, 2011

বার্তাকু ওরফে বেগুন!

­'নষ্ট শিক্ষক নষ্ট লেখক' [১] নামে একটা লেখা আছে আমার। ইমদাদুল হকের একটা লেখা নিয়ে প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হয়ে লেখাটা লিখেছিলাম। মিলনদের মত এই সব লেখকরা সম্ভবত এটা বিস্মৃত হয়ে যান, যে তিনি চটি লেখক না, একটা জাতীয় দৈনিকে মন্তব্য প্রতিবেদন লিখছেন। আবার ওই দৈনিকের সম্পাদকের দন্ডটাও যে ওঁর হাতেই! এও বিস্মৃত হন, আমরা পাঠকেরা ফ্লাওয়ার-ভাসে মস্তিষ্ক জমা রেখে এঁদের লেখা পড়তে বসি না! এই সব মানুষদের প্রতি আমার করুণা হয় যারা পাঠককে

Wednesday, December 28, 2011

হাসপাতাল পর্ব, এগারো: ' পেপার-বিছানা '

­আমি মানুষটা ছোট কিন্তু আমার স্বপ্নগুলো বড়ো বড়ো। স্বপ্ন আকাশসম হবেই না কেন? এই বিষয়ে আমার বক্তব্য হচ্ছে, স্বপ্নেই যখন খাব তখন ডাল-ভাত খাব কেন, তিমি মাছের ঝোলই খাই!
সাধ্য থাকলে, সম্ভব হলে কমলাপুর স্টেশনের ধারে-কাছে কোথাও একটা ডর্ম টাইপের খুলতাম। যেখানে বিনামূল্যে লোকজনেরা নিশিযাপন করতে পারতেন। সবাই কিন্তু না। কেবল যারা দূরদূরান্তর থেকে ঢাকায় এসেছেন চাকুরির ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য। যারা অসামর্থ্য, যে দুয়েক দিন ঢাকায় থাকবেন তাঁরাই কেবল

Monday, December 26, 2011

হাসপাতাল পর্ব, দশ: হাসপাতাল মহাপরিচালক, যথাযথ সম্মানপূর্বক

আমি বারবার যেটা বলে আসছি, 'ন্যাশনাল' এই হাসপাতালে কি কি সুবিধা আছে এটা না-বলে জিজ্ঞেস করা প্রয়োজন কী নেই? অত্যাধুনিক একটা হাসপাতালের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা এখানে আছে। কিন্তু...।
আফসোস, নেই কেবল দেখভাল করার লোকজন। ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই। স্ট্রেচার আছে কিন্তু এই স্ট্রেচারের নমুনা দেখলে মনে হয় এই হাসপাতালের পরিচালকের বাপ-দাদা যখন এই হাসপাতাল চালাতেন তখন থেকে এখন পর্যন্ত এর কোনো যত্ম নেয়া হয়নি! অথচ এই স্ট্রেচারগুলোর মোটা চটের কাপড় পাল্টাতে বা রঙ করতে ক-টাকা লাগে?

Friday, December 23, 2011

তিতাস একটি ...এর নাম

শিরোনামটা আমি দিতে চেয়েছিলাম, 'তিতাস এক ধর্ষিতার নাম'। রগরগে একটা শব্দ বেছে নিয়েছি বলে কেউ কেউ কটাক্ষ করবেন কেবল এই কারণে শিরোনামটা দিলাম না, এমনটা না। কারও ভাবাভাবিতে আমার বয়েই গেছে!
কিছু কিছু শব্দ আমি এড়িয়ে চলি যেমন ধর্ষণ, ধর্ষিতা। বহুলব্যবহৃত এই শব্দটা ব্যবহারে আমার বিশেষ উৎসাহ নাই। কারণ আমি বিলক্ষণ জানি, অন্য রকম করে লিখলেও একজন প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকের এটা বুঝতে বাকী থাকে না। তাছাড়া আমি সৈয়দ হক,

Monday, December 12, 2011

হাসপাতাল পর্ব, নয়: দৈন্যতা

পরের দিন সকালে যে নার্স এসেছেন তিনি মা-মা টাইপের! অসম্ভব মায়া মানুষটার মনে। এই হাসপাতালে আমি কিছু-কিছু মানুষ পেয়েছি যাদের দেখে আমার বুকের গভীর থেকে যে অনুভূতিটা বেরিয়ে আসত, এঁরা এতো ভাল কেন! কোন কারণে আজ পোস্ট অপারেটিভের অন্য রোগিরা অন্যত্র চলে গেছেন। আছেন কেবল আমার মা।
নার্স ভদ্রমহিলা লজ্জিত গলায় বললেন, অটিতে কেউ নেই আমাকে একটু যেতে হবে। আপনি কি আপনার মার কাছে একটু থাকতে পারবেন?
আমি মনের আনন্দ গোপন করে বললাম, কোনো সমস্যা নাই। আহা, কী মজা, কেবল আমরা আমরাই।

বাইরে ঝকঝকে রোদ।

Saturday, December 10, 2011

হাসপাতাল পর্ব, আট: মাখন

আমার মাকে অপারেশনের পর পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। এনেসথেসিয়ার প্রভাবে তাঁর দীর্ঘ সময় ঘোরে থাকার কথা। কিন্তু আধ-ঘন্টার মধ্যেই তিনি তীব্র ছটফট শুরু করলেন। এতোটাই তীব্র যে অক্সিজেন মাস্ক, অসংখ্য নল সব খুলে ফেলে দেন, এমন।
আমার ধারণা ভুলও হতে পারে। এনেসথেটিস্ট ভদ্রলোক সম্ভবত বাড়তি ঝুঁকি নিতে চাননি, তাছাড়া ঝাড়া চার ঘন্টা অপারেশন চলেছে, অনেকটা সময় এখানেই চলে গেছে।

আমার বোন প্রাণপণ শক্তিতেও ধরে রাখতে পারছে না।

Tuesday, December 6, 2011

হাসপাতাল পর্ব, সাত: সম্ভাব্য খুনি!

অপারেশন সফল হয়েছে। যে রোগীর ওটিতেই মৃত্যুবরণ করার কথা সেই রোগী ফিরে এসেছে বেঁচেবর্তে এর চেয়ে মিরাকল, আনন্দের আর কী হতে পারে। আমাদের সবার চোখেই বিস্ময় থইথই করছিল।

কিন্তু, একটা কিন্তু আমাকে ভাবাচ্ছিল। একটা টিউমার...!

Monday, December 5, 2011

হাসপাতাল পর্ব, ছয়: রক্তের দাগ

জরুরি একটা বিষয় ভুলে গেছি। অপারেশনের জন্য রক্ত প্রয়োজন। আমার মার রক্তের গ্রুপ হচ্ছে 'বি পজেটিভ'।
আমি দিতে পারব না কারণ আমার 'এবি পজেটিভ।' বাঁচোয়া, আমার বোনের 'বি পজেটিভ'। কিন্তু আরও রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। আবার কোথায় কোথায় গিয়ে রক্ত খুঁজব। এখানেও মিরাকল। সিনেমার মত অনেকটা। সাদিক বাংলায় যা বলল বলিউডের ভাষায় অনুবাদ করলে দাঁড়াবে,

Saturday, December 3, 2011

হাসপাতাল পর্ব, পাঁচ: অপেক্ষা!

আমার বড় ঘুম পাচ্ছিল। তীব্র দুশ্চিন্তা এখন আর তেমন কাবু করতে পারছে না। এদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে আমি হাত-পা ঝাড়া!
ঈদের ছুটি তখনও শেষ হয়নি। ঢাকার রাস্তা-ঘাট ফাঁকা-ফাঁকা। কুৎসিত ঢাকার মধ্যে এখন একটা আদর্শ শহর-শহর ভাব চলে এসেছে। একটা শহরেরও হয়তো আনন্দিত হওয়ার প্রয়োজন পড়ে- অনুমান করতে দোষ কোথায় ঢাকা এখন সুতীব্র আনন্দে ভাসছে। এ সত্য, ঢাকা শহর বুঝে গেছে এ ক্ষণিকের আনন্দ, তার সন্তানেরা তাকে আনন্দে থাকতে দেবে না। আবারও যেই কে সেই- স্বভাব যায় না মলে ইল্লত যায় না ধুলে।

ন্যাশনাল হাসপাতালে যখন পৌঁছলাম

Thursday, December 1, 2011

হাসপাতাল পর্ব, চার: ভারহীন

আমি সাদিকের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, সাদিক মোঃ আলম। আমি ঢাকা এসেছি এটা কাউকে জানাইনি, জানিয়েছিলাম কেবল সাদিককে। কারণ সাদিকের সঙ্গে আমার জরুরি প্রয়োজন ছিল। আমি সাদিকের কাছে কিছু টাকা পাই। এটা ঈদের পর আমাকে পাঠিয়ে দেয়ার কথা কিন্তু এটা এখন আমার জরুরি ভিক্তিতে প্রয়োজন, এখানেই, চিকিৎসার জন্য।

সাদিকের কাছে টাকা পাওয়ার গল্পটা বলি।

Wednesday, November 30, 2011

হাসপাতাল পর্ব: তিন

ডাঃ তৌহিদুল আলমের সঙ্গে আমার আলাপ, কথাবার্তা নিম্নরূপ:
ডাক্তার: ওয়েল, রেডি থাকেন, কালকে পেটটা কেটে ফেলি।
আমি: (অদম্য রাগ সামলে): উম-ম, কালকে-কালকে। আচ্ছা। তা খরচ-টরচ কেমন পড়বে?
ডাক্তার: খরচ বেশি না।
আমি: আমি তো ঢাকায় থাকি না, বিস্তারিত জেনে টাকাটা যোগাড় তো করতে হবে।
ডাক্তার: আমি নেব ত্রিশ। ওটি এবং ওষুধ আলাদা।
আমি: ওটির খরচ কত?

Monday, November 28, 2011

হাসপাতাল পর্ব: দুই

ঈদের পর পরই যানজটের হ্যাপা থাকার কথা না তবুও আমি ঝুঁকি নিলাম না। ভোর পাঁচটায় রওয়ানা হলাম। অ্যামবুলেন্স ঝড়ের গতিতে ছুটছে। ছোটবোনটা মার হাত ধরে বসে আছে। আমি ইচ্ছা করেই সামনে বসেছি। মার মুখটা কী পান্ডুর। তবুও কী তীব্র তাঁর চোখের দৃষ্টি! এই দৃষ্টি পড়ার ক্ষমতা আছে কেবল নিজ সন্তানের। পারতপক্ষে আমি মার চোখে চোখ পড়ুক এটা চাচ্ছিলাম না, আপ্রাণ চেষ্টায় এড়িয়ে যেতে চাচ্ছিলাম।

Sunday, November 27, 2011

হাসপাতাল পর্ব: এক

কোরবানী ঈদ নামের ত্যাগবাজির [১] রেশ তখনও শেষ হয়নি- রক্তের দাগগুলো ভাল করে শুকায়নি!। আমার মাথায় নেমে এলো ঘোর বিপদ! সমস্যাটা আমার মাকে নিয়ে।

আমার মার 'কলোনস্কপি' করেছিলেন গ্রীন রোডের ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার এন্ড জেনারেল হাসপাতালে, তৌহিদুল আলম নামের একজন 'পাকোয়াজ' ডাক্তার। যার নাম আমি দিয়েছিলাম গু-ডাক্তার [২]। তিনি মতামত দিয়েছিলেন, আলসার। "...Findings consistent with ulcerative colitis." (21 aug, 2011)


Sunday, October 23, 2011

'সন্তান উৎপাদন কারখানা' এটাও থাকুক প্রকাশ্যে

সৌদি আরবে আট বাংলাদেশির শিরোচ্ছেদে এই দেশের প্রচুর লোকজনকে নগ্ন উল্লাস করতে দেখা গেছে। সৌদি আরব বলে কথা- ওখান থেকে যে উট আসে সেই উটের পেশাব খাওয়ার লোকজনেরও লাইন পড়ে যায়। পত্রিকা আবার এটা ঘটা করে ছাপায়!
অবশ্য এ দেশের অধিকাংশ মানুষই শোকে-কষ্টে-বেদনায় তীব্র প্রতিবাদও জানিয়েছেন। বেদনায় নীল হয়েছেন।

Thursday, October 13, 2011

Tuesday, September 27, 2011

জলেভাসা পদ্ম

­

Sunday, September 25, 2011

হালকা সবুজে মোড়ানো গণতন্ত্র

ছবি ঋণ: প্রথম আলো
­কেউ এমনটা বলতেই পারেন যে ছবিটা দেখে খুব বিচলিত হয়েছি এটা বলতে পারছি না কারণ