My Blog List

Wednesday, July 28, 2010

আবারও কুইজ

(আগের কুইজের [১] মতই এটারও পুরস্কার একই।)
এই ছবিটা একটা অসম্ভব দুর্ধর্ষ ছবি এটা বললেও কম বলা হয়! আমার মত অগাবগা কল্পনাও করতে পারি না এমন একটা অসাধারণ ছবি উঠাতে পারব। একটা ছবি উঠাতে কেমন দক্ষযজ্ঞ করতে হয় তার খানিকটা নমুনা এখানে পাওয়া যাবে [২]। দালি সাহেবের কান্ড দেখুন!

ছবিটা মেহেরপুর সদর থেকে তোলা হয়েছে সে না-হয় বুঝলুম কিন্তু এমন অসাধারণ ছবিটা উঠিয়েছে কে এই সম্বন্ধে কোন দিক-নির্দেশনা এখানে নাই। আজকের কুইজটা এটা নিয়েই। কে উঠিয়েছে ছবিটা?

ক. মতিউর রহমান স্বয়ং?
খ. প্রথম আলো অফিসের কোন চাপরাসি?
গ. এমন কোন ব্যক্তি যার নাম প্রথম আলো (ছদ্মনামে আছেন, নিজ নামে আত্মপ্রকাশ করতে চান না)?
ঘ. ছবির এই কাঠবিড়ালি ক্যামেরায় (কাঠবেড়ালিরা কোন জাতের ক্যামেরা ব্যবহার করে এটা আমার জানা নাই) অটো-টাইমিং দিয়ে নিজে নিজেই এই ছবিটা উঠিয়েছে?
ঙ. অলম্পাস, নাইকন, হাট্টিমাটিম নামের কোন একটা ক্যামেরা নিজে নিজেই এটা উঠিয়েছে এবং স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রথম আলো অফিসে মেইল করেছে?
চ. গোয়েন্দা সংস্থা বিভিন্ন জায়গায় যেসব ক্লোজ-সার্কিট ক্যামেরা লাগিয়ে রেখেছে; এদের সঙ্গে প্রথম আলোর দহরম-মহরম থাকার কারণে ওখান থেকে ছবিটা সংগ্রহ করা হয়েছে?
ছ. এর কোনটাই না। প্রথম আলোর কোন একজন আলোকচিত্রি ছবিটা উঠিয়েছেন। 'প্রথম আলো তাঁকে টাকা দিচ্ছে, আবার তাঁর নামও দেবে'? প্রথম আলো এই নীতিতে বিশ্বাসী বলে তাঁর নামটা আসেনি?

*ছবি ঋণ: প্রথম আলো

সহায়ক লিংক:
১. কুইজ প্রতিযোগিতা: http://www.ali-mahmed.com/2010/07/blog-post_13.html 
২. দক্ষযজ্ঞ: http://www.ali-mahmed.com/2009/05/blog-post_6543.html

অতিথি নারায়ন

সচরাচর চট করে আমি মুগ্ধ হই না। আবার মুগ্ধ হওয়ার মত কিছু দেখলে হাঁ করে তাকিয়ে থাকি! তখন কেউ কেউ বলে বসেন, গেরাম থিক্যা আইছেন নাকি? 
আমি মাথা নাড়ি, জ্বে। 
পিঠে গ্রাম্য ছাপ লাগা নিয়ে আমার মধ্যে উল্লেখ করার মত বিকার দেখা যায় না। আনন্দটাই বড়ো, ছাপ দিয়ে কী করব! আর আমি তো গ্রাম-গ্রাম টাইপের একটা জায়গাতেই বড়ো হয়েছি, এখনও থাকি। জায়গাটা ছেড়ে যাওয়ার গোপন কোন ইচ্ছাও আমার নাই। তাই শরীর থেকে এখনও সরষে তেলের গন্ধটা পুরোপুরি যায়নি!

একটা অতিথিশালা দেখে আমার মুগ্ধতা কাটে না, কাটবে বলে এই দুরাশাও করি না। আজকাল এই যান্ত্রিক যুগে অতিথিশালা কোথায়? সেই রাজাও নেই, বাদশাও উধাও। কার দায় পড়েছে অতিথিসেবা করার। আমরা আজ ভুলতেই বসেছি অতিথি নারায়নেরই আরেক রূপ, অতিথি নারায়ন। কিন্তু ব্যতিক্রম কোথাও-না-কোথাও থাকেই, হোক দু-একটা, তাতে কী আসে যায়!

দিন-রাত নেই, হলিডে-উইকএন্ড নেই, সাবমেরিন ক্যাবেল কাটা-ফাটা নেই; আনুমানিক ৩০০ অতিথি একটা ওয়েব-সাইটে অবস্থান করতে থাকেন, করতেই থাকেন; ছাড়াছাড়ি নাই। কী এক বিচিত্র কারণে দরোজা বন্ধ করেই এরা আসা-যাওয়া করেন। লগ-ইন এর নামে প্রকাশ্যে আসার তকলিফ করতে চান না!
তবে আমি খানিকটা ভয়ে ভয়ে থাকি অতিথিদের পদভারে না এই সাইটটা খানিকটা কাত হয়ে যায়। যেমনটা ঢাকাকে নিয়ে আমার উদ্বেগের শেষ নাই, কোনদিন না ঢাকা হুড়মুড় করে ধসে পড়ে।
সত্যি এ যুগে এমন অতিথিপরায়ণ-অতিথিপরিচর্যা-অতিথিবৎসল-অতিথিসৎকার-অতিথিসেবা-অতিথিশালা বিরল! এ অভূতপূর্ব, এ অভাবনীয়!

কুইজ প্রতিযোগির ফলাফল ঘোষণা

পত্রিকাওয়ালাদের দেখাদেখি আমিও একটা কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম। এই প্রতিযোগিতার পুরস্কার দেয়ার বিষয়ে বলা হয়েছিল,
"সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে থেকে লটারির মাধ্যমে যিনি জিতবেন তিনি পাবেন নগদ ২০০ টাকা। যাদের নগদ টাকার প্রতি মোহ নাই তাঁদের জন্য অন্য অপশন আছে। আস্ত মুরগীর রোস্ট, কয়লার আঁচে ঝলসানো (এটার সমস্যা হচ্ছে, কষ্ট করে এসে খেয়ে যেতে হবে এবং এটাও কথা দিচ্ছি ওই আস্ত রোস্টে আমি ভাগ বসাব না।, এককিনিও না। কেবল তাকিয়ে থাকব, আপত্তি থাকলে অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে রাখব।)।"

পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়েছে। বিজয়ী হয়েছেন জনাব, সুব্রত। তিনি দয়া করে alimahmed.bangladesh@gmail.com এই ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারেন। যে কোন অপশন বেছে নিতে পারেন।
ধন্যবাদ সবাইকে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করার জন্য। আগামীতে আরও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজনের গোপন ইচ্ছা রাখি। আপনারা সাদরে আমন্ত্রিত :)। 

*ছবি ঋণ: প্রথম আলো
সহায়ক লিংক:
১. কুইজ প্রতিযোগিতা: http://www.ali-mahmed.com/2010/07/blog-post_13.html