Search

Wednesday, September 2, 2026

পদার্থ-অপদার্থ, ডান-বাম!

আপনি ডান, বাম চিনবেন কিভাবে? সহজ! ডান দিকের উল্টোটাই বাম। পদার্থ, অপদার্থ ওভাবেই বের করে ফেলবেন।

আমাদের ধর্মীয় শিক্ষকরা জানেন না এমন কোন বিষয় নাই! মাওলানা আবদুর রাজ্জাকের একজন নারী, মা'র পেট থেকে জন্ম নিতে কোন সমস্যা নাই কিন্তু নারীকে, নারীজাতিকে নিয়ে যে মন্তব্য করেন তা একজন সুস্থ মানুষ ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না:

বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সময় তিনি উঠে দাঁড়াননি! কেবল তাই না তিনি রসিয়ে-রসিয়ে অন্যদের বিষয়েও বলছেন—তাঁরা দাঁড়িয়ে কেমন করে রসাতলে যাবেন। বেশ, তাও না-হয় মেনে নিলাম।


ধরে নিলাম, কাউকে দেখে দাঁড়ালে পাপ হবে।
আচ্ছা, প্রধানমন্ত্রী বাদ দেন! একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছে ভঙ্গিটা দেখেন। একজন মানুষ দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে, পারলে শুয়ে পড়েন—দৃশ্যটা কল্পনা করতেও তো কল্পনা লাগে!
এখানে বাস্তবে আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বসে আছেন। কেবল বসে আছেন এমন না একটা মানুষ দাঁড়িয়ে আর তিনি বসে-বসে কুশল বিনিময়টা সারছেন। তমিজের সঙ্গে বলি, কেন? আপনি কি হাঁটতে পারেন না নাকি পেছনটা উঠাতে তকলিফ হচ্ছে!
আচ্ছা-আচ্ছা, ধরে নিলাম, আপনি খুঁজে-খুঁজে বের করেছেন ধর্মে নিষেধ আছে! আপনি একজন বি-রা-ট মা-ও-লা-না! আপনি যে একজন বড় নিষ্পাপ মানুষ, গো। অথচ দেখুন, এই আপনিই কিন্তু এই ভিডিও ক্লিপটার ৫০ সেকেন্ড থেকে বলছেন:
"...আপনি আমাকে অপমান করে বিদায় করে দিলেন, টাকা-পয়সা দিলেন না। দিলেন না তো দিলেন না! আমি চলে যাব। কতদিন প্রোগ্রাম করেছি, এক পয়সা দেয়নি। পরীক্ষা করে দেখেছি।

আপনি তো খুব জাঁক করে বলছেন, আপনি পরীক্ষা করেছেন, টাকা-পয়সা না-দিলে নিজ থেকে আর চাচ্ছেন না। মানে কী! প্রোগ্রাম, আ মিন, ওয়াজ? আহা, ওয়াজ করে তাহলে আপনি টাকা-পয়সা নেন! অই মা, তা বুঝলুম, আপনি মহান—না দিলে চান না কিন্তু ওয়াজ করে টাকা-পয়সা নেন তো। বাহ! তা ধর্মে কোথায় বলা আছে আপনারা ওয়াজ করে, আমাদেরকে নসিহত করে পয়সা কামাবেন! তাহলে আপনাদের মধ্যে আর ড্রাগ ডিলারের মধ্যে পার্থক্য কী!

আপনি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন, মুড়ি বেচেন, হালুয়া বানান কোন সমস্যা তো নাই কিন্তু ওয়াজ করে টাকা-পয়সা নেবেন আবার আমাদেরকে দমে-দমে নসিহত করবেন! 

...

অপদার্থ চিনবেন কীভাবে? সেটা ভারী পদার্থ হলেও? দেখার বিষয় ইয়ে কতটা জড়াজড়ি হয়ে আছে!

এই যেমন ধরুন, স্যার, মহিউদ্দিন মোহাম্মদ! ধরুন, তিনি সক্রেটিসের ভাতিজা লাগেন। বা ধরুন, তিনি 'দোরা কাউয়ার লুক' ব্রাত্য রাইসুর চেয়েও বড় চিন্তক []! অথবা ধরুন, স্যার, নোয়াম চমস্কির 'চামচাতো ভাই'। এবার এই ধরাধরি বাদ দিয়ে বলি, যে মানুষটা নিজেই নিজেকে বলছে, দার্শনিক, বুদ্ধিজীবী সেই মানুষটা যে ইয়েলো-মেটার এবং গ্রে-মেটারে মাখামাখি হয়ে থাকা একটা...!

সূত্র:
১. পক্ষী বিশেষজ্ঞ ব্রা ত্য রাইসু: https://www.ali-mahmed.com/2026/07/blog-post_11.html?m=1


No comments:

WhatsApp