Search

Tuesday, February 11, 2014

আহ, জীবন!



এর নাম বাবুল। চট করে যেটা চোখে পড়বে যে এর একটা পা নেই। কিন্তু একটু ভাল করে লক্ষ করলে বোঝা যাবে অন্য পা-তেও কেবল একটাই আঙ্গুল, বুড়ো আঙ্গুল।
এর সম্বন্ধে আমি বিশেষ কিছু জানি না- আসলে জানতে ইচ্ছা করেনি। আমি তো আর দুঁদে সাংবাদিক না যে কারো কাতর মুখে বুম ধরে বলব, আপুনি এখন কেমন বোধ করিতেছেন? কেবল লক্ষ করেছি, এ একা। এর সঙ্গে কেউ নেই!

কেন আমার জানতে ইচ্ছা করেনি? কারণ এই শিশুটির এই সমস্ত বিষয়ে কথা বলতে বিশেষ আগ্রহ নেই। আমি খানিকটা আঁচ করতে পারি এর ভুবনটা পুরোটাই এলোমেলো হয়ে আছে। যেখানে কেবল অন্ধকার, নিকষ অন্ধকার! আর অতীতে সম্ভবত একে অসংখ্যবার এই সমস্ত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে, ক্যামনে হইল, বাড়ি কই, থাহোস কই, বাড়িতে কে কে আছে, এইসব?

বাবুলকে আমি দেখেছি হামাগুড়ি দিয়ে চলাফেরা করতে। আমি কেবল জানতে চেয়েছিলাম, ক্রাচ বললে বুঝবে না তাই বলেছিলাম, ‘ভর দেওন্না লাঠি দিলে হাঁটতে পারবা’?
বাবুল গা দুলিয়ে বলে, ‘হ’।
আমি খানিকটা বিপাকে পড়ি কারণ আমার কাছে যে ক্রাচ আছে সেগুলো প্রমাণ সাইজের, এর হবে না। এর ক্রাচ বানাতে হবে এর সাইজের। এটা অবশ্য খুব বড়ো কোনো সমস্যা না। কোনো কাঠমিস্ত্রিকে বললে অল্প টাকায় এর মাপে একটা কাঠের ক্রাচ বানিয়ে দেবে।

আমি আমার অল্প জ্ঞান নিয়ে এই শিশুটির মনঃসমীক্ষণ বোঝার চেষ্টা করছিলাম। ব্যর্থ চেষ্টা- এই নিতল কুয়ায় দেখার ক্ষমতা আমার নাই। আমি কেবল ভাবার চেষ্টা করছিলাম, বাবুলের কাছে জীবনটা কেমন?
আমাদেরটা জীবন তো বোঝা খানিকটা সহজ। আমাদের জীবনকে দেখার প্রয়াস একেক জনের কাছে একেক রকম। আমরা কেউ নেশায় বুঁদ হয়ে জীবনকে বোঝার চেষ্টা করি তো কেউ কাজে ডুবে যাই। অবশ্য আমার মত সামান্য মানুষ দিশামিশা না-পেয়ে ‘ছাতাফাতা’ লেখালেখির চেষ্টা করে।

তো...। বাবুলের কাছে জীবন মানে কি ডিম দিয়ে একবেলা সাদা-সাদা ভাত খাওয়া? বা একটা ক্রাচ পেলে খানিকটা আরাম করে হাঁটা?
পূর্বে কোথাও লিখেছিলাম, “জীবনকে দেখতে হবে কোনো মৃত্যুপথযাত্রীর চোখ দিয়ে”। তখন চকচকে একটা পাতা দেখেও মনে হবে, আহ, জীবন! আজ এর সঙ্গে খানিকটা যোগ করি, আসলে জীবনকে দেখতে হবে বাবুলের চোখ দিয়ে...।

Sunday, February 9, 2014

ঋণ শোধ করার সময়, এখনই


আমি অসাধারণ এক মুক্তিযোদ্ধার কথা লিখেছিলাম, সায়েরা বেগম [১]। তৎকালীন ৩ নং সাব-সেক্টরের কমান্ডার, মেজর জেনারেল সায়ীদ আহমেদ (অব.)। লিখিত আকারেও তিনি সায়েরা বেগম সম্বন্ধে বলেছিলেন:
“...সায়েরা বেগমের বিস্তারিত এবং নির্ভুল তথ্যের উপর ভিক্তি করে মুকুন্দপুরে ১৮ ও ১৯ নভেম্বর ‘৭১-এ পাকিস্তানি বাহিনীর উপর তীব্র আক্রমণ চালিয়ে অনেক পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা এবং ২৯ জনকে বন্দী করে মুকুন্দপুর শক্রমুক্ত করি। পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে নিজের জীবন বাজী রেখে সায়েরা বেগম মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদান রেখেছেন।...।“

বেশ কিছু দিন পূর্বে সায়েরা বেগম এবং তাঁর স্বামী এসেছিলেন ডাক্তার দেখাতে [২]।
আমি এটাও লিখেছিলাম কথাপ্রসঙ্গে আমরা জেনে যাই তিনি অনুমান করছেন তাঁর পেটে টিউমার- টাকার অভাবে তিনি এর কোনো সুরাহা করতে পারছেন না। ওদিন কিছু পরীক্ষা-নিরিক্ষা করার জন্য দেওয়া হয়েছিল বিষয়টা নিশ্চিত হতে। তাদের অনেক ঝামেলা, ঝামেলা মিটিয়ে অবশেষে টেস্টগুলো করিয়েছিলেন।
এই শুক্রবারে ডা. @Gulzar Hossain Ujjal রিপোর্টসব খুঁটিয়ে দেখে নিশ্চিত হয়েছেন সায়েরা বেগমের অনুমান নির্ভুল- ‘বিনাইন টিউমার’। এবং এটা অপারেশন করে অপসারণ করাটা জরুরি।
অপারেশনের বিষয়ে সার্জন আবদুল্লাহ আল মামুন সহায়তা করার নিশ্চয়তা দিয়েছেন। Muquit Mohammad এই অপারেশনের খরচের একটা অংশ শেয়ার করার বিষয়ে সহৃদয়তার কথা জানিয়েছেন। বাকী টাকারও কোনো-না-কোনো একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে। হতেই হবে, এর অন্যথা হওয়ার কোনো উপায় আমার জানা নাই কারণ এ যে ফেলে আসা দায় শোধ করার অতি ক্ষুদ্র এক চেষ্টা...।

Saturday, February 8, 2014

আলো-অন্ধকার!

আমার বাড়ির পাশেই থাকেন এরা। জাতে ধোপা। আজ এই পরিবারের মেয়ের বিয়ে। হিন্দুদের বিয়েতে ঢোল-সানাই, আলোর খেলা অবধারিত। সবই আছে। বাড়তি যোগ হয়েছে হালের সাইন্ড সিস্টেম। অনেক পদের রান্নাও হয়েছে। চারদিকে আনন্দ আর আনন্দ।

থেকে থেকে সানাইয়ের, সাউন্ড সিস্টেমের চড়া সুর ভেসে আসছে। সানাইয়ের সুর আমাকে মোটেও টানছে না কারণ আমি জানি এই আলোর পেছনে অন্ধকারের কথা। এদের মেয়ের এই বিয়ের আয়োজন করতে গিয়ে মেয়ের বাবা তাঁর ভাগের শেষ সম্বল আধা-শতক জায়গা বিক্রি করেছেন। ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা থেকে বিয়ের সমুদয় খরচ উঠে আসছে।

মৃত্যু যখন অবধারিত তখন হাল ছেড়ে দেয়ারই নিয়ম আর এমন আনন্দের তামাশা যখন নিশ্চিত তখন এই নিরুপায় তামাশার একজন দর্শক হওয়া ব্যতীত আমার আর কীই-বা করার আছে...!

Thursday, February 6, 2014

ফার্স্ট লেডি- লাস্ট লেডি- সেকেন্ড লেডি


একদা এই ভদ্রমহিলা এই দেশের ফার্স্ট লেডি ছিলেন। তিনি যে অভূতপূর্ব ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন এর উদাহরণ; অন্য গ্রহের কথা জানি না অন্তত এই গ্রহে আছে এমনটা আমি নিজে বিশ্বাস করি না। রাতারাতি যে তার গর্ভ হয়েছিল এমনই না তিনি তরতাজা একটা সন্তানের জন্মও দিয়েছিলেন। 
ব্রিগেডিয়ার শামসুদ্দীন আহমদ (অব.) তখন দৈনিক ভোরের কাগজে (১৩.১০.৯২) একটা ধারাবাহিক লেখা লিখছিলেন, ‘যখন বঙ্গভবনে ছিলাম’। ওখানে তিনি উল্লেখ করেন:
"...রাষ্ট্রপতি আহসানউল্লা আনন্দে উল্লসিত। একটা ভয়ানক ঘটনা ঘটে গেছে হঠাৎ করেই। জেনারেল এরশাদের ছেলে হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আনন্দে আত্মহারা। ...তিনি সেনাভবনে গিয়েছিলেন। বেগম আহসানউদ্দিনও তাঁর সাথে ছিলেন। তবে শুধু জেনারেলর এরশাদের সঙ্গে সাক্ষাত করে ফিরে এসেছেন।  বেগম রওশন এরশাদ এবং নবজাতক শিশু যে কামরায় ছিলো সেখানে কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি।  
...বেগম রওশন এরশাদ যে সন্তানসম্ভবা এবং তাঁর সন্তান ভূমিষ্ট হবার সম্ভাব্য মাস তারিখ সম্পর্কে আগে কোনো আভাষ পাওয়া যায়নি। না সংবাদপত্রের মাধ্যমে; না লোকমুখে। তাছাড়া মাত্র এক মাস আগে ১৬ ডিসেম্বরে বিজয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় সম্বর্ধনায় বেগম এরশাদকে দেখা গেছে। মাত্র দুই সপ্তাহ হবে ৪ জানুয়ারি যুবরাজ করিম আগা খানের সম্মানে বঙ্গভবনে আয়োজিত ভোজসভাতেএ বেগম রওশন এরশাদ উপস্থিত ছিলেন। কেউ তখনও বলেনি তিনি সন্তানসম্ভবা। তাঁকে দেখেও তেমন কিছু মনে হয়নি।..."
তো, পরে এই ভদ্রমহিলা ফার্স্ট লেডি থেকে লাস্ট লেডি হয়ে গেলেন। কমিশন তখন এরশাদের বিরুদ্ধে ৫৩৪টি এবং রওশন এরশাদের বিরুদ্ধে ২১২টি মামলা করার জন্য সুনির্দিষ্ট অভিযোগ খুঁজে পায়। পরে ঠিক কতগুলো মামলা রওশন এরশাদের বিরুদ্ধে হয়েছিল এর সঠিক তথ্য আমার কাছে নাই বা তিনি কয়টা মামলার নিষ্পত্তি করেছেন।
এরশাদ ছিলেন এক ছল-রাজ, ছলের রাজা। তার প্রত্যেকটা কাজেই ছিল কোন-না-কোন একটা চাল!
হঠাৎ করে সাইকেল চালিয়ে অফিসে যাওয়া এক তামাশা শুরু করলেন!
পাহারা দেওয়ার জন্য উপরে আবার হেলিকপ্টার ঘুরপাক খায়!

কাম ব্যাক পিটার, কাম ব্যাক পলের মত ঠিক-ঠিক রওশন এরশাদ আবারও লাস্ট লেডি থেকে সেকেন্ড লেডিতে রূপান্তরিত হয়েছেন। ফ্রানজ কাফকার মেটামরফোসিসের মতই দানবীয় এ রূপান্তর!

Monday, February 3, 2014

আজো তবুও অবিরাম প্রয়াণ চলেছে মানুষের



ঘটনাটা হাজার বছর পূর্বের না, মাত্র সেদিনের! বিরোধী মতের একজনকে নগ্ন করে ৩ দিন অনাহারে রাখা হয়। এরপর সেই মানুষটাকে খাঁচায় আটকে রাখা ৫টি ক্ষুধার্ত হিংস্র কুকুরের মাঝে ছেড়ে দেওয়া হয়। কুকুরগুলো সেই মানুষটাকে ছিঁড়ে-খুবলে খেয়ে ফেলে। পুরো প্রক্রিয়াটা শেষ হতে সময় লাগে ১ ঘন্টা। এই কর্মকান্ডের সময় উপস্থিত ছিলেন সেই দেশের প্রায় ৩০০ জন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা।
কেবল তাই না এই অভাগা মানুষটার পুরো পরিবারকে হত্যা করা হয় রাষ্ট্রের নির্দেশে।

দেশটি হচ্ছে উত্তর কোরিয়া। আর মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার এই পদ্ধতির নাম ‘কুয়ান জুই’। আর যে অভাগা মানুষটির কথা বলা হলো তিনি ছিলেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের আপন ফুফা, জ্যাং স্যাং থ্যাক।

উইকি বলছে, ‘...উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি মূলত পর্যটনভিত্তিক।... উত্তর কোরিয়ার সাক্ষরতার হার উচ্চ, প্রায় ৯৩%...।’
বাহ, বেশ তো, তা উত্তর কোরিয়ায় অন্য দেশের লোকজনেরা কী দেখতে যায়? ১২০,৫৪০ বর্গ কিঃমিঃ-এর উত্তর কোরিয়ার ২ কোটি ৪০লক্ষ মানুষকে নগ্ন দেখার জন্য? ওই দেশের লোকজনেরা চকচকে কাপড়ে শরীর মুড়িয়ে রাখলেই বুঝি নগ্নতা ঢাকা যায়!

আর এই গ্রহে যারা বনবন করে ছড়ি ঘোরান সেই সমস্ত মহোদয়গণ বা মানবাধিকার সংস্থার লোকজনেরা আমাদের দেশে এসে চোখের জলে যে আন্ডারওয়্যার ভিজিয়ে ফেলেন তারা উত্তর কোরিয়ায় গিয়ে কেঁদে বুক ভাসিয়েছেন এমনটা তো নমুনা দেখিনি! কেন রে বাওয়া, ওখানে গেলে কী চোখের জলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মুত্রও শুকিয়ে যায়?

*লেখাটার শিরোনাম নেওয়া হয়েছে, জীবনানন্দ দাশের ‘এইখানে সূর্যের’ কবিতা থেকে।       

Saturday, February 1, 2014

উইপোকা-ঘুঘু-মুরগি!

আজ বিকেলে মেজাজ তিরিক্ষি। ঘটনাটা অনেকের কাছে সামান্য হলেও আমার কাছে অসামান্য।
বিকেলে আমার বৈঠকখানায় ঢুকে মনে হলো কোথায় কী যেন একটা পরিবর্তন আছে। হুমম, আমার ঢাউস যে আলমারিটা আছে- যেটায় আমার হাবিজাবি জিনিস দিয়ে ঠাসা। সবচেয়ে পুরনো জিনিসটা হচ্ছে ৯৫০ সালের। এটায় সাপের মাথা, ব্যাঙের পা কী নেই। অধিকাংশ লোকজনের কাছে যা ভারী অকাজের জিনিস। আমি অবশ্য নিজেই অকাজের মানুষ তাই এই সমস্ত মন্তব্যে আমার শ্বাসে বাতাস ভারী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

সেই আলমারিটাই বিপদজনক ভঙ্গিতে সামনের দিকে হেলে আছে। ঘটনার আগামাথা কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। যখন বুঝতে পারলাম তখন হাত-পা ছড়িয়ে নভেলের নায়িকাদের মত কাঁদতে পারলে খানিকটা আরাম পাওয়া যেত। কিন্তু জীবনটা তো আর নভেল না।

উইপোকা আলমারিটার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে এমনটাই না আমার অতি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, জিনিসও বিনষ্ট করেছে। কোথাও পড়েছিলাম, উইপোকা নাকি জন্মান্ধ। এরা জন্মান্ধ হোক বা ট্রেনে ধাক্কা খেয়ে অন্ধ হোক তাতে আমার কী! ক্ষমা নাই ওরে, ক্ষমা নাই। তখন কেউ উইপোকার হালুয়া বা ভর্তা বানিয়ে দিলে কোনো সন্দেহ নাই যে কপকপ করে খেয়ে ফেলতাম।

এরিমধ্যে দুলাল ঘোষের তাড়া। নৌকমান্ডো ফজলুল হক ভূঁইয়ার বাসায় যাওয়ার কথা স্থির হয়ে ছিল। কারণটা জরুরি। পূর্বেই লিখেছিলাম, মাদকব্যবসায়ীরা তাঁর ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল [১], তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে ছুঁরি মেরেছিল [২]। জরুরি ভিক্তিতে এখন সেই পোড়া ঘরটার কিছুটা হলেও মেরামত প্রয়োজন। অতি দ্রুত এর একটা ব্যবস্থা করা আশু দরকার। যাই হোক, একটা ব্যবস্থা হলো- আগামীকাল থেকে এই কাজটা শুরু হবে।

আমি বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করলাম, মাদকব্যবসায়ীদের যে ঘরটা তা ফজলুল হক ভূঁইয়ার ঘরের একেবারে লাগোয়া। তিন দিকে পানি আর এক দিকে ফজু ভাইয়ের ঘরটা। নেশাখোরদের এখানে ঢোকার রাস্তাটা ছিল পানির উপর সাঁকো ফেলে।
এই প্রজন্মের ছেলেপেলেরা একেকটা বিচ্ছু বললে কম বলা হয়। এরা কী কী কেরামতি করেছে কে জানে এখন, আজ মাদকব্যবসায়ীর বাড়ি বা আড্ডাখানার কোনো চিহ্নই নেই! কেবল শূন্য ভিটিটা পড়ে আছে।

সেকালে একটা কথা প্রচলিত ছিল, ‘তোর ভিটেয় ঘুঘু চরিয়ে ছাড়ব’। এখন, একালের কথা হচ্ছে, ‘তোর ভিটেয় মুরগি চরিয়ে ছাড়ব’। কারণ আজ আমি মাদকব্যবসায়ীদের ভিটেয় মুরগি চরতে দেখেছি। মুরগিটা তার পুত্র-কন্যা নিয়ে চলে এসেছে।
অনাবিল আনন্দে কখন আমার তিরিক্ষি ভাবটা কেটে গেছে বুঝতেই পারিনি!

১. https://www.facebook.com/ali.mahmed1971/posts/10151898740697335?stream_ref=10
২. https://www.facebook.com/photo.php?fbid=10151900545282335&set=a.10151298132117335.465193.723002334&type=1&stream_ref=10
WhatsApp