যদিও Warrant of Precedence অনুযায়ী একজন স্পিকারের নাম্বার হচ্ছে, তিন। কিন্তু সংসদে, তার অনুমতি ব্যতীত প্রধানমন্ত্রীও বলতে পারেন না!
যাই হোক, আমরা আরেকটা 'আরবিট্রারি ডিটেনশন'-এর নমুনা দেখলাম। ইউনূসের আমলে অবশ্য আমরা অনেক দেখেছি। ইউনূস নিজেই মব-সর্দার ছিলেন! তেলতেলে গা দুলিয়ে-দুলিয়ে মবের উস্কানি দিতেন। কিন্তু এখন তো নির্বাচিত সরকার!
সাবেক স্পিকার নাকি কাকে যেন হত্যার চেষ্টা করেছেন। তার সঙ্গে আর কতশত লোক জড়িত ছিলেন বা শিরীন শারমিন কি অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন, ড্যাগার-পিস্তল নাকি আস্ত কামান নিয়ে গিয়েছিলেন তার বিস্তারিত জানা যাচ্ছে না:
সাবেক স্পিকারকে আদালতে নিয়ে যা করা হয়েছে তা স্রেফ একটা দেশের নগ্নতা! এই গ্রহে এতো বাতাস অথচ এই মানুষটার এক ফোঁটা বাতাসের জন্য কী হাহাকার! এই দেশ অভিশাপে এখনও ভেসে যায়নি, এটাই ঢের!
ভাবা যায়, সিএমএম কোর্টে বিচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় একজন প্রধান বিচারপতি [১], একজন স্পিকারকে। তাও যেটা পুরানো ঢাকায় অবস্থিত। সব সময় এখানে মাছ বাজার লেগেই থাকে।
ভাল কথা, আওয়ামী-স্পিকার এই অপরাধে শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়ে থাকলে আওয়ামী-প্রেসিডেন্ট মি. চুপ্পুকে আটক করা হবে না কেন? নাকি এখানে অন্য হিসাব?
মি. চুপ্পুর মেয়াদ শেষ করার পর ক্ষমতাশীনদের নতুন প্রেসিডেন্ট আসবেন। এবং দলের মেয়াদ শেষ হলেও নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় থেকে যাবেন!
আওয়ামী শাসনামলের খুনি-ডাকুদের বিচার না-করে কেবল আওয়ামীলীগের সময়কার সব চিহ্ন মিটিয়ে ফেলতে চাইলে প্রথমে শুরু করতে হবে বিগত ১৫ বছরে জন্মানো গাছগুলো দিয়ে। কারণ এগুলো আওয়ামীগাছ! জড়-সহ উপড়ে ফেলতে হবে...!
আচ্ছা, কোন ইডিওটের মাথা থেকে এই সব আইডিয়া বের হয়! স্পিকারকে খুনের মামলায় অভিযুক্ত করা। এগুলো এখন পাবলিক খায়? এ আমি বিশ্বাস করি না!
শোনেন, তারচেয়ে বরং স্পিকারকে মসজিদের স্পিকার চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত করুন। এর সঙ্গে জুড়ে দিন স্পিকার চুরির কারণে মসজিদের আযান শোনা যায়নি! যেটা ধর্মপ্রাণ মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এনেছে। ব্যস, কেল্লা-ফতে।
তবে...মসজিদের খাম্বা বেয়ে একজন স্পিকার তরতর করে উঠে যাচ্ছেন এটা কল্পনা করাও একটা কল্পনা...!
সূত্র:
১. প্রধান বিচারপতি এবং মুরগি চুরি ...: https://www.ali-mahmed.com/2025/07/blog-post_26.html?m=1
২. মহামান্য রাষ্ট্রপতি...: https://www.ali-mahmed.com/2026/02/blog-post_24.html?m=1



No comments:
Post a Comment