Friday, June 27, 2008

দলছুট, খাপছাড়া।

ছবিটা দেখে মন কেমন করে। সিড়িটার সোজা আকাশে উঠে যাওয়ার আজন্ম সাধ অথচ জানা নেই গন্তব্য, ফেরার পথও অজানা।

বিস্মৃত হয়ে যাওয়া ধুসর...যে অল্প ক্ষমতা নিয়ে এসেছিলাম, কাজে লাগাতে পারলাম না! আজ নিজেকে থুথু দিতে ইচ্ছা করে। অবশ্য নিজেকে নিজেই থুথু দেয়ার পদ্ধতি ক-জনার জানা?


স্বর্গ নরকের মাঝামাঝি জায়গাটার চমত্কার একটা নাম আছে, ভুলে গেছি। স্বর্গ নরকের মাঝামাঝি ঝুলে থাকাটা কোন কাজের কাজ না- এদের মত অভাগা আর কেউ নাই! এমন দলছুট, এমনই খাপছাড়া- না তেলে মেশে, না পানিতে। আমারও যে বড় ইচ্ছা করে ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যেতে, বৃত্তের মাঝে অনবরত ঘুরপাক খেতে। কী হয় এমনটা করলে, আটকায় কে?


*ছবি স্বত্ব: সংরক্ষিত

দূর হ. বন্য সুন্দর...

আমার সাজানো বাগানটা কেমন করে ক্রমশ জঙ্গলে পরিণত হল জানাই হল না! রূপান্তরটা একদিনে নিশ্চয়ই হয়নি, সময় নিয়ে হয়েছে। হায় সময়- গড়িয়ে যাওয়া পানি!
 

এ তো হওয়ারই ছিল, বিচিত্র কিছু না। শুভ্র-সাদা থেকে ধুসর, ধুসর থেকে হলদেটে অবশেষে কালো, এইই নিয়তি। নিয়তিকে খন্ডায় কোন হার্মাদ- গোল হয়ে তামাশা দেখায় যে সুখ, এ সুখ সংগম ব্যতীত কোথায়!
 

এ গাছ আমি লাগাইনি কিন্তু দেখো দেকিনি কান্ড, আবার ঢং করে ফুলও ফুটেছে। ফুলের নামও বলিহারি। আমার স্মরণশক্তি যাচ্ছেতাই, সবার মত স্মৃতিশক্তিও আমার হাত ছেড়ে দিয়ে না থাকলে সম্ভবত এই ফুলের নাম 'বার্ডস অভ প্যারাডাইস'। বনবাদাড়ের ফুলের নামের কী নমুনা, কী রূপ!
দূর-দূর, নাম-রূপ, ছ্যা! দূর হ. বন্য সুন্দর...।



















 *ছবি স্বত্ব: সংরক্ষিত