প্রথম আলোর মতিউর রহমান ওরফে বাচ্চু ভাইয়ের পত্রিকা যেহেতু বলে দিয়েছে, 'আ্যথলেটকে হেনেস্তা', এরপর আর কথা চলে না!
তারপরও বাচ্চু ভাইয়ের প্রতি সবিনয়ে বলি, ওইটা কেবল হাফপ্যান্ট না, হাফপ্যান্টের ছোট ভাই, 'লাফপ্যান্ট'! চাড্ডির ইমিডিয়েট বড় ভাই! ডু ইয়ো নো, চাড্ডি...?
বিষয়টা ব্যাপক আলোচনায় এসেছে কারণ সাজ্জাদ হোসেন পরিচিত আ্যথলেট। নাখালপাড়ার কোন হাজ্জাদ হলে কিন্তু কিন্তু ঘটনা ভিন্ন হত। এখন সাজ্জাদের জন্য একপ্রকার নাখালপাড়ার হাজ্জাদের জন্য অন্য প্রকার এভাবে হয় না আসলে...!
তাঁকে, সাজ্জাদ হোসেনকে হেনেস্তা করা হয়ে থাকলে তা অবশ্যই নিন্দনীয় এবং বিচার্য বিষয়।
কিন্তু তিনি যে বারবার ড্রেসকোডের কথা বলছিলেন 'কোথায় লেখা আছে'? তাঁর সঙ্গে পন্ডিতরাও গলা মেলাচ্ছেন।
এটাও কিন্তু লেখা নেই যে নগ্ন হয়ে মেট্রোরেলে যাওয়া যাবে, কি যাবে না! সব কিছু পেছনে লিখে রাখতে হয় না। প্রত্যেক সমাজে কিছু ভ্যালুজ থাকে—স্থান-কাল-পাত্র বিবেচনার বোধটুকু থাকতে হয়। সব কিছু নোটিসে এবং কেতাবে লেখা থাকে না।
কোন একদিন, কোন একজন সাঁতারের পোশাকে মেট্রো-পাবলিক প্লেসে চলে এলেন এবং তাড়াহুড়োর কারণে গা মোছারও সময় পেলেন না তখন কিন্তু আপনিই পুলিশের কলার ধরতে যাবেন...।

No comments:
Post a Comment