শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেছেন:
কুমিল্লা একটা সেন্টার ব্যতীত কোন সেন্টারে পানি উঠেনি! ... ওই সেন্টারের একজন পরিক্ষার্থী পানিতে ভিজে গিয়েছিল। বাড়ি থেকে তার কাপড় আনা হয়েছিল এবং ১ ঘন্টা দেরিতে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল!
এটা জেনে আমার খুব কান্না পাচ্ছিল, বুঝলেন! এতো মায়া-এতো মায়া! আমার এক চোখে জল, অন্য চোখে পানি চলে এসেছিল!
মন্ত্রীরা সব জানেন, সর্বদা সত্য কথা বলেন এবং প্রচন্ড গরমের মধ্যেও স্যুট পরে থাকেন। এবং বিচিত্র কারণে আমরা যে দেখতে পাই তা দেখতে পান না!
'মন্ত্রীরা সব জানেন', অনেকে ভাবছেন, এটা আমি ফান করে বলছি। না! এটা আমি প্রমাণ করে মার্কেটে ছেড়ে দেব। শেখ হাসিনার সময় একজন বানিজ্য মন্ত্রী ছিলেন।
তিনি বললেন:
তার এলাকার লোকজন এখন খুব সুখে আছে। মহিলারা তিনবার লিপিস্টিক লাগাচ্ছে!
অন্যদের কথা জানি না কিন্তু আমার বউ কয় বেলা লিপিস্টিক লাগায় এটা আমি নিজেই জানি না অথচ মন্ত্রী তার এলাকার হাজার-লক্ষ মহিলাদের তিনবেলা লিপিস্টিক লাগাবার খবর দিব্যি জেনে বসে আছেন। আড়াই বার, পৌনে তিনবার না, একেবারে নিত্তিতে মেপে-মেপে তিনবার!
যাই হোক, ফ্যাসিস্ট আমলের প্রসঙ্গ থাকুক। কিন্তু, কপাল আমার! জীবনে যা চেয়েছি তার উল্টোটা হয়েছে। কাকে ছেড়ে কাকে বিশ্বাস করব—মন্ত্রীকে বিশ্বাস করব নাকি এই ভিডিও ফুটেজগুলো? আমি খুব করে চাই কেউ এসে প্রমাণ করে দিক এই ফুটেজগুলো এআই দ্বারা নির্মিত।
এটা কুমিল্লা না! যতটুকু জানি কুমিল্লায় মেট্রোরেল নেই! অবশ্য শিক্ষামন্ত্রী যদি বলেন, কুমিল্লায় মিরপুর আছে, মেট্রোরেল আছে। তাহলে আছে। মন্ত্রীর কথার উপর কথা চলে না।এটাও কুমিল্লা না! বাই দ্য ওয়ে, বাপটা স্যুট পরে মিডিয়ার সামনে আসেনি, এটা পচা কাজ হলো!

No comments:
Post a Comment