প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার অতীত নিয়ে, ১৭ বছর লন্ডনে থাকা নিয়ে আলাপে যদি না যাই তাহলে আমি বলব তাঁর শুরুটা খুবই চমৎকার ছিল। আমরা অতিরিক্ত আশাবাদী হয়ে পড়েছিলাম!
অবশ্য মিনমিন করে এটাও নোকতা আকারে যুক্ত করা হয়েছিল, তাঁর আশেপাশের লোকজনেরা তাঁকে ভাল থাকতে দেবে না! কিন্তু এটা যে এত দ্রুত হবে তা কল্পনাতীত!
তাঁর যেমন অনেক সবল দিক আছে—অনুমান করি, দুর্বল দিক সব ছাপিয়ে যাবে। আশেপাশে অনেকেই আছেন যারা তাঁর গুরুজন—তাঁর মা'র সময়ে ছিলেন।
এই গর্ভনের সময়ে মানুষ ব্যাংগুলোর উপর আস্থা ফিরে পেয়েছিল, রেমিটেন্স যোদ্ধারা ঝাপিয়ে পড়ে টাকায় দেশ সয়লাব করে দিয়েছেন আমি এই সমস্ত কু-তর্কে যাব না।
ধরে নিলাম, এই গর্ভনরের অনেক অনাচার নিয়ে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন, কোন সমস্যা নেই। পদত্যাগ করান, তথ্য-উপাত্তের ভিক্তিতে বিচার করুন, ফায়ারিং-স্কোয়াডে হাজার রাইফেল তাক করুন, কোন সমস্যা নেই।
তখন জিয়াউর রহমানের সময়। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বিক্ষোভ করে সমস্ত দেশের ব্যাংকগুলো অচল করে দিলেন। এদেরকে বাবা-সোনা বলে অনেক বোঝাবার চেষ্টা হলো—একটা জরুরি প্রতিষ্ঠান এভাবে বন্ধ রাখা যায় না। লাভ হলো না! জিয়াউর রহমান সবগুলোকে ছাঁটাই করলেন। এরপর দেশের অন্যরা মরা সাপের মত সোজা...!


No comments:
Post a Comment