প্রকাশক ঈশ্বরতুল্য! অন্তত একজন লেখকের চোখে। কারণ একজন প্রকাশকই নির্ধারণ করে দেন কে লেখক, কে পাচক!
"...দেবতা তবুও ধরেছে মলিন ঝাঁটা/ স্পর্শ বাঁচিয়ে পুণ্যের পথে হাঁটা..."
এঁরা দেবতা-দেবতা! সাক্ষাৎ দেবতা! দয়ার শরীর—ধরায় আছেন বলে নইলে আকাশলোকে থাকতেন। ইনি আবার কেবল দেবতাই নন, পাখা লাগানো দেবতা—একজন লেখকও! ইদসংখ্যার আবেদন এই প্রজন্ম বুঝবে না—সম্ভবত তখন বিচিত্রায় 'পাথর সময়' ছাপা হয়েছিল মঈনুল আহসান সাবেরের!
তখন দিব্য প্রকাশনীর মঈনুল আহসান সাবেরের সঙ্গে করলাম। লেখা প্রসংগে তিনি কিছুই জানতে চাইলেন না, চাবানো-চাবানো ছোট্ট উত্তর ছিল:
আমরা (একজন লেখক কাম প্রকাশক) অথরের (লেখকের) ফিন্যান্স ছাড়া বই ছাপি না।
তো, একজন মননশীল লেখক এবং একজন সৃজনশীল প্রকাশক সাবের স্যারের কাছে সবিনয়ে বলি:
বই ছাপাতে লেখককে যদি আপনাকে টাকাই দিতে হয় তাহলে লজ্জা পাবেন না, স্যার; ঠাঠারি বাজার ওরফে কাপ্তান বাজারে গিয়ে ইয়ের মাংস বিক্রি করেন। কথা দিচ্ছি, আপনার দোকান থেকে আস্ত-এক ইয়ের রান কিনব। তবুও স্যার, লজ্জা পাবেন না!
ওহ, আরেকটা কথা স্যার, কেবল নগ্ন গাত্রই অশ্লীল না—আপনার মত একজন লেখক অন্য লেখকের টাকায় বই ছাপিয়ে যেটা করেন ওটাও এক প্রকার অশ্লীলতা...!
সূত্র: ১ম স্ক্রিনশট: মঈনুল আহসান সাবের স্যারের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেওয়া। স্যারের প্রতি ঋণ এবং কৃতজ্ঞতা।
২য় স্ক্রিনশট, একজন ফয়সাল আরেফিন দীপন: https://www.ali-mahmed.com/2015/12/blog-post.html?m=1


No comments:
Post a Comment