(এই স্ক্রিনশট নঈম নিজাম স্যারের ফেসবুক পেইজ থেকে নেওয়া। স্যারের প্রতি ঋণ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।)
নঈম নিজামের লেখাটা অনেক বড়! সবটা পড়লে অনায়াসে এক চোখে জল অন্য চোখে পানি চলে আসে।
নঈম নিজাম কেবল একজন প্রথিতযশা সংবাদকর্মীই নন, লেখকও! এটা অনেকবার বলা হয়ে গেছে, দারিদ্রতা মানুষকে মহান করে না স্রেফ ছাগল বানিয়ে দেয়। এটা যেমন আমরা বুঝি তেমনি নিমকের সংগে নিমকহারামিও করা যায় না এটাও আমরা বুঝি।
এই পেট, এই একপেট আবর্জনাকে যারা অবহেলার চোখে দেখেন তারা বেকুব। আমরা 'পাইপ মানুষ' একদিকে খাবার ঢালি অন্যদিকে বর্জ্য বের হয় বলেই আমরা বেঁচে আছি—চালু ভাষায় ভাবি সূর্য উঠে, নামে নইলে আমরা একেকজন অকেজো পাইপ!
কিন্তু নঈম নিজাম যেটা করছেন এতে একেক করে খসে পড়ে কাপড়—গায়ে দেয়া গোলাপী রঙ ক্রমশ পরিবর্তিত হয় হলুদে! আহা, একপেট হলুদ আবর্জনা ওরফে 'মলবাক্স' যে উম্মুক্ত হয়ে পড়ে!
আহা, আপনি নিমহারামি না-করে নিমকের গুহায় লুকিয়ে থাকলেই তো হয়! তা না, একেবারে চোর-ডাকুর-গলা হয়ে গেলেন যে বড়!
কেন, নঈম নিজামের মত দুঁদে সাংবাদকর্মী কী জানেন না একজন আহমেদ আকবর সোবহান কেমন আধোয়া ধুতরাগাছের পাতা? এমন কতশত প্রমাণ লাগবে হে, নঈম নিজাম?
'হামার বাড়িত যাইস বন্ধু, বসবার দিমু পিঁড়হা, সিদল পুড়ি ভর্তা খিলাইন, কাঁচামরিচ দিয়া...'।
*সদয় অবগতি: বন্ধুর স্থলে 'নিজাম' হবে এবং ভর্তার স্থলে 'তথ্য-প্রমাণ'।



No comments:
Post a Comment