আমাদের বারিস্তার সাব বলছেন, ল্যাকাপড়ার প্রয়োজন নাই! আমি স্যারের সঙ্গে একমত! সমস্ত স্কুল-কলেজ ভেঙ্গে ক্রিকেট খেলার মাঠ করতে হবে।
ইয়ারব, এখানেও ঝামেলা লেগে গেছে! স্যার, আবার খেলা বা ক্রিকেট খেলা দুই চোক্কে দেখতে পারেন না! স্যারের বক্তব্য হল, গোল একটা বল নিয়ে ১১ জন একটা কাঠি নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে বিষয়টা বহুত না-ইনসাফি! আমি বলি কি প্রত্যেককে একটা করে বল ধরিয়ে দিলেই তো হয়—না, আমি বারিস্টার সাহেবের কাছ থেকে নিতে বলছি না। ১১ জনকে ১১টা বল ধরিয়ে দিলে এরা আর ঝামেলা পাকাবে না! স্থির থাকবে।
এদিকে আবার আরেক ঝামেলা! বারিস্তা(র) সাব ১৬ ডিসেম্বরকে বিজয় দিবস মানেন না। তিনি 'সার্চ দ্য খোঁজে' আছেন। আমি স্যারকে ক্লু দিচ্ছি, ৩০ ফেব্রুয়ারি হলে কেমন হয়?
বারিস্তা(র) সাব বলছেন, যদি কোন টিভি উপস্থাপিক তাকে বিব্রত প্রশ্ন করে তাহলে তিনি তাকে '...শ্যা' বানিয়ে দেবেন। কীভাবে বানাবেন?তরীকা কী! টুলস কি—উইপন কি? এটা অবশ্য আমাদেরকে জানাননি!
এবার অন্য প্রসঙ্গ। তখন বাংলা ভাই, শায়েখ আবদুর রহমানের যুগ। কী দবদবা তাদের! একসঙ্গে সব জেলায় বোমা ব্লাস্ট, ভাবা যায়! এরমধ্যে কেবল একটা ফাটেনি!
তখন আমি ব্লগস্ফিয়ারে লেখালেখি করি। বাংলা ভাইয়ের ভয়াবহ অস্ত্র নিয়ে তখন লিখেছিলাম। এই অস্ত্রটা ইয়ে স্যারের কাছে আছে কি না জানি না অবশ্য।
যাই হোক, পরে ওই লেখাটাই আমার-এক বইয়ে ছাপা হয়েছিল। আমি একজন ভীতু মানুষ! আজ আর সেই বাংলা ভাইয়ের ভয়াবহ অস্ত্র-এর কথা বা বাংলা ভাইয়ের কথা ভাবতে ভয় পাই। তাই বই থেকে ভয়ে-ভয়ে ইমেজ আকারে দিয়ে দিলাম:
* বুদ্ধিমান পাঠকের জন্য 'চার্জার'-এর ব্যাখ্যায় আর গেলাম না। কারণ বাংলা ভাই চার্জারে রাখা বোমা খালাসের জন্য টাট্টিখানা ওরফে হালের রেস্টরুমের খোঁজ করছিলেন। 'আকালমানকে লিয়ে ইশারা' আর বারিস্তা-এর জন্য বারিস্তারই কাফি...!

No comments:
Post a Comment