My Blog List

  • আলোর সঙ্গে... - ডা. রুমি আলম যে হুইলচেয়ারটা দিয়েছিলেন [১] এটা যে এমন কাজে লাগবে তা আমাদের আগাম জানা ছিল না। কোর্টের সামনে এমরান নামের এই মানুষটাকে উকালতির সূত্রে ফি রোজ নি...

Monday, November 3, 2008

এক লালচওয়ালার খপ্পরে

আমি মানুষটা বেশ লালচি!
প্রবাসে আমার যেসব সুহৃদরা থাকেন, এরা দেশে ফেরার আগেই আমার খপ্পরে পড়েন। আমি অম্লান, নির্বিকার ভঙ্গিতে অনায্য দাবীতে বলি: দেখিয়েন, খালি হাতে আমার এখানে আসিয়েন না কিন্তক।
বেচারা-রা আ আ, কী আর করবেন, মুখ লম্বা করে, লজ্জার মাথা খেয়ে আমার জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসেন।



মাহবুব সুমন:
ইনার ধারণা, আমি একজন দুর্ধর্ষ শিকারি। অস্ট্রেলিয়া থেকে বয়ে নিয়ে আসলেন 'বুমেরাং'। হায় খোদা, আমি তো পিপড়াও মারতে পারি না, শিকার করব কী!


আনোয়ার সাদাত শিমুল:
ইনার ধারণা, আমি নাকি কলমযোদ্ধা- দুই কলম লেখার এই ফল! একদা ৩ টাকার কলম নিয়ে কস্তাকস্তি করতাম দেখে হয়তো তার ধারণা জন্মে গেছে আমি কলম-মারকুটে! তাই কী ব্যাংকক থেকে এক দুর্ধর্ষ যোদ্ধার প্রতিমূর্তি নিয়ে এলেন। দেখো দিকিনি কান্ড, এই যোদ্ধার নাকই তো চার কলম!



বাবু:
এই মানুষটাকে সরকার একের পর এক ট্রেনিং দিয়েও রোবট বানাতে পারেনি। যে মানুষটার একটা ফোনে সরকারি কোষাগারে জমা হয় কোটি-কোটি টাকা, সেই মানুষটারই কিনা কাঁচা কটা আম ভেট পেয়ে সবগুলো দাঁত বেরিয়ে পড়ে।
হা ঈশ্বর! কিন্তু কঙ্গোর এই মহিলার...। লালচি থেকে লো...। রাম-রাম!




মাহবুবুল হুদা:
কট্টর এই মুসলমানের দেখার চোখটা বড় ঝকঝকে-স্বচ্ছ! নইলে কী আর আমাদের দেশের সবচেয়ে চালু মূর্তিপুজার প্রসঙ্গ একপাশে সরিয়ে এটা দেন!


সাদিক মো: আলম:
বিচিত্র এই মানুষ ততোধিক বিচিত্র তার আচরণ- সিংগাপুর থেকে নিয়ে এসেছিলেন এই সিংহাসন কিন্তু এটায় বসার উপায় নেই!



2 comments:

Ahmed Arif said...

কালেকশনে তো বেশ ভালো ভালো জিনিস জমা পড়েছে :D

আলী মাহমেদ-ali mahmed said...

কালেকশন বাড়ার অপেক্ষায় আছি...।