Wednesday, August 28, 2019

লেখকের কাটা পা এবং অসংখ্য 'পাইপমানুষ'!

কিছু মানুষ আছে যাদের নিয়ে লেখাটা আমার কাছে মনে হয় 'শব্দের অপচয়'! এদের মধ্যে তসলিমা নাসরিন [১], [২] থাকবে না তা কী হয়।
তসলিমা সর্বত্রই অতি তৎপর যেমনটা সামাজিক বিভিন্ন মাধ্যমেও। এই যে একটা ঠ্যাং যেটা লেখক মহোদয় দাবী করছেন ঠ্যাংটা তার, আমরা নাহয় সেটা মেনে নিলুম। অন্য ঠ্যাংটার জন্য শোক প্রকাশের বিষয়ে আর গেলুম না। আহা, এক ঠ্যাং দেখিয়ে যদি ৫৫৬ জন পাইপ-মানুষের লাইক পাওয়া যায় তাহলে কাটা ঠ্যাংয়ের অন্য ঠ্যাংটার খোঁজ কে রাখে! 


এর বাইরে রং-বেরঙের চাদর যার চালু নাম শাড়ী জড়িয়ে এই লেখক মহোদয়ের কতিপয় 'সেটাটাস'-এর নমুনা এই রকম:
১. আজ বিকেলের শাড়ি...।
২. এই এখন...।
৩. পরশু পহেলা বৈশাখে...।
৪. নতুন একখান শাড়ি পরে...।
৫. আজ অনেক বছর পর আবার সবুজ বমকাই...।
৬. গরমে সাদা বা ঘিয়ে রংগের শাড়ি...।
৭. আজও অন্য এক পুতুল শাড়ি...।
৮. আজকের আলোছায়ায়...।
৯. আজকের শাড়ি জর্জেট...।
১০. এই জামদানি আসল...।
১১. হঠাৎ নেটে পাওয়া ছবি...।
১২. খাচ্ছি...।
 শ্লা, খাওয়ার ছবিও দিতে হবে! ভয়ে-ভয়ে আছি হলুদ ফুলসংক্রান্ত ছবি না দিয়ে বসে। মাথায় ইয়ে না-থাকলে কেউ এমনটা করে না। 'ইয়ে সমস্যা' কবলিত কেবল এই মহিলাই না হাজার-হাজার মানুষ ওখানে গিয়ে লাইক দাগিয়ে প্রমাণ করে দিচ্ছে যে আমাজন বিনষ্ট হচ্ছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এদের 'ইয়ে সমস্যা'।

মাথা খানিকটা ঠান্ডা হলে উইগ লাগিয়ে চলে "করবিতা আরবিতি":



  
আখতারুজ্জামান আজাদ যে লেখাটা লিখেছেন তাতে সন্দেহের কোন অবকাশ থাকে না যে এই মহিলা বদ্ধউম্মাদ! 

সহায়ক সূত্র: