ইতর তো ইতরই, তার আবার জেন্ডার কী! আহা, লেডিস ফার্স্ট বলে একটা কথা আছে না। তো, লেডিস, আ মিন মহিলা, 'মহিলা ইতর' দিয়েই শুরু করি:
আমি দুঃখ প্রকাশ করি এই কারণে যে, আমি এই মহিলা ইতরের নাম জানি না। তাতে কী আসে যায়, ইতর তো ইতরই!
ব্যক্তিগত ভাবে কেউ হাদির চেহারা, তার গালি জাস্টিফাই করার প্রচেষ্টা, তার আইডোলজি অপছন্দ করতেই পারেন কিন্তু হাদির মৃত্যু নিয়ে এই মহিলা ইতরের যে উল্লাস, ডাইনির হাসি তা সব ছাপিয়ে যায়, ইতরকেও! সমস্যা হচ্ছে, 'চৌকিদারের নীচে চাকরি নাই', এটা জানি কিন্তু ইতরের নীচে 'কোন তর'?, এটা জানি না!
এপস্টিন ফাইলে এখন যে সমস্ত রগরগে ঘটনা জানা যাচ্ছে, যেমন ছোট-ছোট বাচ্চাদের চরম শারীরিক নির্যাতন করে রোস্ট করে খেয়ে ফেলা। একটা মানুষ একটা ছোট বাচ্চাকে রোস্ট করে খেয়ে ফেলছে, কেমন করে সম্ভব এটা? এরা কারা? কারা আবার? এই মহিলার মত ইতররা!
এবার আসি পুরুষ ইতরের কথায়:
এবাদুর রহমানের উপন্যাসের দাম ৩ লাখ কেন ৩ কোটি হলেও সমস্যা নেই! তিনি ১৭ কপি ছাপাচ্ছেন, ১ কপি ছাপালে আরও ভাল হতো—কষ্ট করে নিজের লেখা নিজেই পড়লেন। আমি খুবই লজ্জিত, স্যার এবাদুর রহমান নামের এমনতর লেখকের লেখা পুর্বে পড়ার সুযোগ হয়নি! কপাল, এখন হল:
স্যার এবাদুর রহমান, তারেক জিয়ার মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে, সর্বমিত্রকে জড়িয়ে এই লেখাটা প্রসব করেছেন। স্যার এবাদুরের প্রচন্ড কষ্টের প্রসব বেদনার প্রতি সম্মান রেখেই স্যার এবাদুরকে ইতর না-বলাটা অসমীচীন হয়!
স্যার এবাদুর কেবল উঁচু মাপের না, 'উঁচু ছাদের লোক'! তিনি যে ফি-ঘন্টায় ফুকো'র সংগে লেট্রিনের ছাদে সিগারেট ফুঁকেন তা বোঝাবার জন্য এই লেখার সংগে Francois Hollande, Jacques Chirac, Antoine Gallard এদের ধরে নিয়ে এসেছেন, সাক্ষী মেনে।
এমন 'উঁচু ছাদের লেখক' (ভবিষ্যতে যিনি ১টা বই ছেপে নিজের বই নিজেই পড়বেন), যার এমন লেখা পড়ে আমিও বিনয়কে সাক্ষী রেখে সবিনয়ে স্যার এবাদুরকে বলি, 'আপনি একটা ইতর'! ওহো, বলতে ভুলে গেছি, 'পুরুষ ইতর'!
*ঋণ: স্ক্রিনশট ২টা এবাদুর রহমান স্যারের সোস্যাল মিডিয়া, ফেসবুক থেকে নেওয়া।



No comments:
Post a Comment