Monday, July 4, 2011

শিক্ষা!

শফিক রেহমানের ভয়াবহ রকমের যে বাড়াবাড়িটা ছিল তা নিয়ে ইতিপূর্বে লিখেছিলাম, "সব কিছু নিয়ে কুৎসিত রসিকতা করা। ভিনসেন্ট পিউরিফিকেশনের নামে যা তা রসিকতা। একবার দিলেন এমন, মাস্তান নামের অসভ্যরা ইডেন কলেজের কিছু ছাত্রীর জামা ছিঁড়ে ফেলেছিল, ভেতরের অন্তর্বাস দেখা যাচ্ছিল। শফিক রেহমান এই ছবিটার পাশে বোম্বের ব্রা প্রদর্শনীর একটা ছবি দিয়ে কুৎসিত রসিকতা করার চেষ্টা করেন।"[১]


সূত্র: যায়যায়দিন, ০৮.১২.৯২
এরশাদকে নিয়ে পুরনো কিছু তথ্য-উপাত্ত খুঁজছিলাম। যেটা খুঁজছিলাম সেটা পেলাম না, পেয়ে গেলাম এটা! এরশাদবিরোধী আন্দোলনে শফিক রেহমানও ছিলেন সোচ্চার। যতটুকু মনে পড়ে এরশাদ সাহেব যায়যায়দিন বন্ধ রেখেছিলেন। এরশাদ সাহেবের প্রতি বিদ্বেষের কারণে কিনা জানি না শফিক রেহমান ৯২ সালে ভিনসেন্ট পিউরিফিকেশনের নামে এখানে যে রসিকতা করার চেষ্টা করলেন এটা অতি কুৎসিত রসিকতা। এখানে এসে এই মানুষটার বুদ্ধিশুদ্ধি নিয়ে সংশয় জাগে। বিস্তর পড়াশোনা, অতি রুচিশীল-মার্জিত আচার, ধোপদুরস্ত পোশাক এই মানুষটার নিম্নমানের রুচি ঢাকতে পারেনি! 

মিছিলে পুলিশ লাঠিপেটা করছে। একজন মহিলা প্রেসক্লাবের কাছে প্রাণ বাঁচাবার জন্য কাঁটাতারের বেড়া টপকাবার চেষ্টা করছেন। এখানে এই মানুষটার অসহায়ত্ব তাঁর চোখে পড়েনি! সম্ভবত মানুষটা তালেয়া রেহমান না বলে! শফিক রেহমান লিখলেন...। থাক, এটা এখানে আর লিখে শফিক রেহমানের মত শিক্ষিত, মার্জিত হওয়ার চেষ্টা করি না...।

সহায়ক সূত্র:
১. তবুও একজন শফিক রেহমান: http://www.ali-mahmed.com/2009/05/blog-post_20.html

No comments: