অষ্টম সংসদের চিফ হুইপ ও বিএনপির বর্তমান মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার সংসদের ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব সামগ্রী নিয়েছেন। তাও দুইটা বাসার জন্য। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ধরে। শূণ্য পয়সায়।
এতে দোষ কোথায়? কেন রে বাপু, একজনের দুইটা বউ খাকলে দোষ নেই, একজন মানুষের দুইটা বাসা থাকলে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে কেন? দুইটা বাসায় দুইটা রাবনের চুলা জ্বললে এর জন্য কী দুই ফর্দে রসদের প্রয়োজন হতে পারে না? কী ছন্নছাড়া কথা- পারে, বেশ পারে।
তাছাড়া দেলোয়ার সাহেব নিজে একজন আইনজীবী, আইনের বই কী উনার বগলে থাকবে নাকি আমার মত ছদুমদুর? তিনি নাকি কোন আইনের বিদ্যালয়ের পড়াতেনও। আইন না বুঝেই বুঝি কেউ শিক্ষক হয়?
দুইটা বাসার জন্য তিনি প্রতি মাসে যেসব সামগ্রী নিয়েছেন:
১. আড়াই মন কাটারিভোগ চাল।
২. ত্রিশ কেজি পোলাউয়ের চাল।
৩. ত্রিশ কেজি আটা।
৪. পঁয়ত্রিশ লিটার সয়াবিন তেল।
৫. তিন কেজি ঘি।
৬. পনের কেজি মসুর ডাল।
৭. সাড়ে সাত কেজি বুটের ডাল।
৮. সাড়ে সাত কেজি মুগের ডাল।
৯. পনের কেজি পিঁয়াজ।
১০. সাড়ে সাত কেজি রসুন।
১১. সাত কেজি আদা।
১২. পনের কেজি চিনি।
১৩. পাঁচ কেজি সুজি।
১৪. সাত কেজি চিড়া।
১৫. সাত কেজি মুড়ি।
১৬. পাঁচ কেজি চানাচুর।
১৭. ষোল প্যাকেট নুডুলস।
১৮. ডানো বড় তিনটা।
১৯. ট্যাং বড় দুটি।
২০. ওভালটিন দুটি।
২১. মালটোভা দুটি।
২২. আমের আচার তিনটি।
২৩. কমলার জুস।
২৪. দুধ (কনডেন্স) সাতটি।
২৫. টোস্ট বিস্কুট কেজি।
২৬. গরম মসলা।
পত্রিকায় এসেছে, আইটেম হচ্ছে মোট ৩৭টি। পত্রিকায় উল্লেখিত লিস্টে এখানে পেলাম ২৬। আর কী কী নিতেন এটা জানি বলে খানিকটা বিব্রত বোধ করছি। আসলে আমি কখনও ভিআইপি ক্যাফেটেরিয়ারে যাইনি তো, ওখানে কী কী বিক্রি হয় তাও জানা নাই। কিন্তু ভয়ে ভয়ে আছি, ওয়াল্লা, স্যানেটারী ন্যাপকিন বিক্রি হলে তো সর্বনাশ!
*স্কেচ: আলী মাহমেদ। ভাব-ঋণ: উম্মাদ
No comments:
Post a Comment