Search

Sunday, November 30, 2014

সব্ই পণ্য, বিক্রির জন্য।

‘জননী’ [১] লেখাটায় লিখেছিলাম, “...আর এই মহিলাটির কথাও ঘুরে ঘুরে আসে, তার এই মমতার উৎস কী? এই মহিলার সঙ্গে কখনও বাচ্চাকাচ্চা দেখিনি-তবে কী অদেখা সন্তানের মায়া ঝপ করে নেমে আসে!।”

মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে আজ আমাকে এই লেখাটা লিখতে হবে এটা আমার কল্পনাতেও ছিল না! আমার জন্য এ বেদনার, বড় কষ্টের। কখনও-কখনও বাস্তবতাকে মেনে নিতে মন সায় দেয় না। চোখের দেখা তথ্য গ্রহণে মস্তিষ্ক আগ্রহ দেখায় না। এটাও মনে হয়েছিল, থাক, এই বেদনার কথা পাঠককে জানিয়ে কাজ নেই। কিন্তু এই ভাবনা থেকে সরে আসতে হলো কারণ আনন্দের গল্প শেয়ার করলে বেদনার কেন নয়?

‘জননী’ লেখাটা যাকে নিয়ে সেই মহিলাকে আজ দেখা গেল অতি ব্যস্ত রাস্তায় চট বিছিয়ে রোদে এই শিশুটিকে ফেলে রেখে চিকিৎসার নাম করে টাকা উঠাতে। ভঙ্গি একই কেবল লোক বদলেছে! আসলে শারীরিক অসুবিধাসম্পন্ন এই শিশুটি কেবল একটা লাভজনক পণ্য। মানুষ বদলায় কিন্তু শিশুটির নিয়তির কোনও হেরফের হয় না।
এবার জরুরি আলাপটা সারি, এই শিশুটির জন্য একটা নিরাপদ আশ্রয়ের প্রয়োজন, ‘শেল্টার হোম’ টাইপের কিছু একটা। এই বিষয়ে সহায়তা চাচ্ছি। কারও কি জানা আছে এমন কোনও শেল্টার হোমের খোঁজ। দয়া করে কোনও একটা ব্যবস্থা কি করে দিতে পারেন কেউ?

১. জননী: http://www.ali-mahmed.com/2014/11/blog-post_45.html 

No comments: