সাইদী রাজাকার, কি রাজাকার না—পশারী মুক্তিযোদ্ধা কি মুক্তিযোদ্ধা না, সে ভিন্ন আলোচনা।
কিন্তু একটা মানুষকে, রিপিট, একটা মানুষকে দাফন করতে বাধা দেওয়া হয়েছে, জানাজা পড়তে দেওয়া হয়নি! এই অধিকার এই গ্রহের, এই রাষ্টের, রাষ্ট্রের কোনও সন্তানের, সেই সন্তানেরও কোনও রুহানি সন্তানের, কোনও শুয়োরের, কোনও কুত্তার, কোনও-একটা গুয়ে-ভাসা কৃমির, কারও নেই। রিপিট, কারও নেই!
খালেদ মুহিউদ্দিন, এর কাজ হচ্ছে, 'গুইসাপ ৭৫০ বছর বাঁচে' [১], এই সমস্ত কাজের প্রশ্নগুলো না-করে এনায়েত উল্লাহ আব্বাসীকে হুজুর ডেকে-ডেকে মুখে ফেনা তুলে ফেলা। এর মিনিমাম প্রস্তুতিও নেই [*]!
সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের ভাইরা-সব সন্ত্রাসী, এই সব মোক্ষম প্রশ্ন না-করে হাবিজাবি কথা বলা [**। প্রকারান্তরে এদেরকে এক প্রকার ছাড় বা বৈধতা দেওয়া।
যাই হোক, খালেদ মুহিউদ্দিনকে নিয়ে আলোচনা করাটা 'শব্দের অপচয়'! মূল প্রসঙ্গ থেকে সরে গেছি!
"মানিক পশারীকে পিরোজপুরের মাটিতে দাফন করতে দেওয়া হবে না..."
একে গ্রেফতার করে, আইনের আওতায় আনতে হবে। আমি মুক্তিযোদ্ধা চিনি না, আমি রাজাকার চিনি না—আমি চিনি একজন মানুষকে, আমি চিনি একজন মুসলমানকে, যাকে আপনি জানাজায়-কবরস্থ করতে বাধা দিচ্ছেন।
এই লোক কার পক্ষ নিয়ে এমন ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে! এর টি-শার্টে যে 'মাসুদ সাইদী'র নাম, কে সে—আমার জানার প্রয়োজন নেই। তাকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। হু দ্য হেল ইয়্যু আ' মাসুদ সাইদী—একটা মৃতদেহের প্রতি এই অসম্মান জানাবার সাহস আপনি কোথায় পেলেন?


No comments:
Post a Comment