Search

Showing posts with label চাবকানো প্রয়োজন. Show all posts
Showing posts with label চাবকানো প্রয়োজন. Show all posts

Sunday, February 22, 2026

আফগানিস্তান-বাংলাস্তান!

আফগানিস্তান এমন এক জাতি যাদের কেউ পরাস্ত করতে পারেনি! না সুপার পাওয়ার রাশিয়া, না আমেরিকা! এ এক বিস্ময়!


Tuesday, February 3, 2026

একে গ্রেফতার করতে হবে, এখনই...

 

খালেদুজ্জামান, এই লোকটা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে আর্মিকে যে ভঙ্গিতে বলছে:

Monday, February 2, 2026

পুরুষ ইতর—মহিলা ইতর!

ইতর তো ইতরই, তার আবার জেন্ডার কী! আহা, লেডিস ফার্স্ট বলে একটা কথা আছে না। তো, লেডিস, আ মিন মহিলা, 'মহিলা ইতর' দিয়েই শুরু করি:


Saturday, January 17, 2026

একজন মাচাদো এবং একজন মাদাচো!

'শান্তিতে নোবেল' কেন যেন ক্রমশ নো-বেল হয়ে যায়! কোথায়, কীসের যেন একটা ঝামেলা আছে। 

যেমন ধরুন, ওবামা। কেন নোবেল পেয়েছেন ওবামা নিজেও সম্ভবত জানেন না। কেবলমাত্র গদিতে বসেছেন—কেরামতি দেখাবার পূর্বেই ক্যারামবোর্ডের গুটির মত উঠিয়ে গলায় নোবেল ঝুলিয়ে দিল।

Sunday, June 15, 2025

এক 'মহিলা ইতর'!

প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, এটা আমার জ্ঞানের স্বল্পতা! ইতর শব্দটার স্ত্রী লিঙ্গ কি হয় এটা আমার জানা নাই বিধায় আপাতত 'মহিলা ইতর' দিয়ে কাজ চালাচ্ছি। কাউকে নিয়ে 'বডি শেমিং' করাটা অন্যায় কারণ প্রকৃতিগত ভাবে কারও শরীরের কোন বিচ্যুতি নিয়ে সমালোচনা চলে না।

Tuesday, May 17, 2022

অভিনন্দন বাংলাদেশ: এখন এটম বোমার অধিকারী!

বাংলাদেশ এখন পারমাণবিক অস্ত্র এটম বোমার অধিকারী। যারা পদ্মা সেতু নিয়ে লাফাচ্ছেন তারা এ সম্বন্ধে 'বে-খবর'! আমি পাশ্ববর্তী দেশগুলোর আতংক উপভোগ করছি। এরা এখন বুঝবে কত ধানে, না-না-না কত চালে কত ধান হয়! আমি আমাদের দেশের সরকারকে জোর অনুরোধ করব এঁরা অন্তত এখন যেন মাথা ঠান্ডা রাখেন কারণ ক্ষমতার একটা উত্তাপ আছে তাও আবার এটম বোমার মত একটা বড় পোটলা। পাশ্ববর্তী দেশগুলোর ভুলটুল যেন এখন ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা হয়। বড় ভাই সুলভ...।

Wednesday, December 29, 2021

মেটামরফোসিস

পাকিস্তানের এই নাগরিক যিনি ১৯৭১-কে খুব কাছ থেকে দেখেছেন কারণ তখন তিনি পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীতে ছিলেন। এই মানুষটার বক্তব্য পরিষ্কার। তিনি হাতে ধরে-ধরে পাকিস্তানের ভুল, ভয়াবহ অন্যায়গুলো আমাদের চোখের সামনে নিয়ে এসেছেন। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান তার ভুল, ভয়াবহ অন্যায়গুলোর জন্য ক্ষমা চায়নি বা এই দেশের যে বিপুল আর্থিক ক্ষতি করেছে সেই আলাপেও যাওয়ার আগ্রহ দেখায়নি।

Saturday, October 24, 2020

একালের প্রজন্ম

লেখক: সানজিদা সেতু

"এরা এইচএসসি পরীক্ষার্থী। বড়জোর ১৮ বছর বয়স। গ্রুপ খুলে পরিকল্পনা করছে তাদেরই ব্যাচমেটকে ৪৬৫ জন মিলে ধর্ষণ করার! শতাব্দী রায় কি করেছে? মেয়েটা অটোপ্রোমোশানের মতো অযৌক্তিক একটা আদেশের বিরুদ্ধে রিট করেছে। সে পরীক্ষা দিতে চায়।

Tuesday, September 15, 2020

একজন তথাগত রায় বনাম একটা চলমান দানব!

তথাগত রায় (Tathagata Roy)। ওনাকে দাদা বলতে পারলে আরাম পেতাম কিন্তু তিনি কেবল রায় 'ভংশের' লোকই না উনার পদ-পদবী, 'ল্যাকাপড়া' দবদবার এন্টেনা এতোই উপরে যে আমি এর নাগাল পাব না। চাঁদ কী আর নাগাল পাওয়া যায়, রে পাগল!

Monday, July 27, 2020

জঙ্গলে জঙ্গলের আইন!

কখনও-কখনও কিছু ঘটনা সময়কে আটকে ফেলে! সময় থেমে যায় না এ সত্য কিন্তু কেবল গভীর বেদনা পাক খেয়ে উঠে আহা, ওই সময়টাকে যদি মুছে ফেলা যেত। এমনই একটা ঘটনা ঘটে গেল।

Thursday, March 19, 2020

জমিদারের নীচে না লাটসাহেবের উপরে না!

বেশ আগের একটা ঘটনা। সামাজিক সংস্থার একটা কাজে একজনকে সাথে নিয়ে বিসিএস ওয়ালা এক সরকারী কর্মকর্তার আপিসে গেছি। জাস্ট ফর্মালিটিজ, কাগজে তিনি একটা সই করবেন কেবল। এই বিষয়ে তাঁর অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার নেই কেবল

Monday, March 9, 2020

Thursday, October 17, 2019

মাকাল ফল এবং অন্যান্য...।

এসপি মহোদয় বললেন, আবরারের পরিবার [১] জামায়েত-শিবির:

Thursday, July 12, 2018

ট্রাম্প, তুই ল্যাংটা!

এক ইতরকে অন্য একজন পাদুকাঘাত করার পর সেই ইতর বলছে, আরেকটা দিয়া দেখ…। ইতিমধ্যে সেই ইতরকে দু-দশ চপেটাঘাত-পাদুকাঘাত করার পরও তার সেই একই রা, আরেকটা দিয়া দেখ মার্ডার হয়া যাইবি কিন্তু। পরে একজন সেই ইতরকে জিজ্ঞেস করল, মিয়া ঘটনা কী! তোমারে এত্তোগুলা জুতা মারল আর তুমি বা…! সেই ইতরের সাফ উত্তর, জুতায় তো আর গু

Wednesday, July 11, 2018

রোগী কে?

প্রফেসর ডা. একেএম ফজলুল হক। এই ডাক্তার সাহেবকে নিয়ে ইতিপূর্বেও আমি বেশ কিছু লেখা লিখেছি [১], [২], [৩]। সব ফেলে কাউকে নিয়ে সিরিজ লেখা শুরু করলে তো সমস্যা। আমার মনে হয় এই প্রতিজ্ঞা করাটা এখন আমার জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে যে প্রফেসর ডা. ফজলুল হককে নিয়ে আর লিখিব না লিখিলে দাঁত দিয়ে চোখ কামড়াতে বাধ্য থাকিব।

কপালের ফের!

Tuesday, July 10, 2018

ইয়ে অমলিন!

গতকাল আমাদের মেয়েরা ক্রিকেটে স্বাগতিক হল্যান্ডকে একেবারে লম্বা করে দিয়েছে- ৭ উইকেটে হারিয়ে!

একবার একজন আমাকে বলেছিলেন কোন দেশ সম্বন্ধে জানতে হলে তার এয়ারপোর্ট এবং পত্রিকার নমুনা দেখবে। এয়ারপোর্টের বিষয়টা বুঝেছিলাম কিন্তু

Friday, June 29, 2018

জরু-গরু, পোলা-ছোলা সবই যাক, কেবল...।

‘…মিডিয়া’ ফুটবলের উম্মাদনা কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছে এর নমুনা দিয়ে শেষ করা যাবে না। রাশিয়ায় এই বিশ্বকাপ রাশিয়ার জন্য 'ইদ-চান'! সরকার সেই দেশের অনেক অন্যায্য কাজ আড়াল করে ফেলার চেষ্টা করছে। যেমন, বর্তমানে রাশিয়ান নারীদের অবসরের বয়সসীমা ৫৫ এবং পুরুষদের ৬০। এখন সরকার চাচ্ছে এই বয়সসীমা যথাক্রমে ৬৩ এবং ৬৫ করতে। এতে করে ভবিষ্যতে সরকারের এক ট্রিলিয়ন রুবল সাশ্রয় হবে।

আমাদের দেশে

Wednesday, May 23, 2018

ডাকাতের মার গলা...।

চোরের মার বড় গলা এটা সবাই জানে কিন্তু ডাকাতের মার গলা এতোটাই বড় থাকে যে কোহিনূর হিরার মত অজস্র ধনও দিব্যি এঁটে যায়! সেই ডাকাতের নাতিপুতিরা যখন বিবাহ করে তখন আমাদের আনন্দ দেখে কে! উল্লাসে নগ্ননৃত্য করতে বললেও আমরা বিমলানন্দে রাজি হয়ে যাব।দুরস্ত পোশাকপরা কেউ যখন এমন লেখা প্রসব করে, ‘আমাদের রাজার বিবাহ। আমরা দুয়া করি’, তখন মানুষটাকে স্রেফ নগ্ন মনে হয়।

Thursday, November 30, 2017

কাল-নটেশ কালবৈশাখী এক লেখক!

ব্রাত্য রাইসু নামের এক কাল-নটেশ কালবৈশাখী লেখক, যাকে কবি-কোবির বলয়ে আটকে রাখার দুঃসাহস না-করাই শ্রেয়। যেমন ধরুন, 'দোরা কাউয়া পেয়ারা গাছে', রাইসুর এই রচনাটা। এটাকে কি বলা যাবে? গোয়ানিজ শিশুর চোখ দিয়ে দেখলে অবলীলায় এটা ছররা থেকে ছড়া হয়ে উঠে। আবার এটাই কবির খদ্দরের চাদরের ফাঁক গলে হুঁকোর জল গড়িয়ে হুক্কাহুয়া রবে প্রসব হয় জলজ্যান্ত কিলবিলে দুঁদে আস্ত এক কবিতায়।

দেখো দিকি কান্ড, ‘ডাকদর’ মাহফুজুর রহমান যখন এই রচনাটা গুনগুন করেন তখন এটা আবার হয়ে উঠে অসাধারণ একটা গান। সেই গানে ধরাশায়ী হয় অজস্র প্রাণ। আবার ধরুন, আগাম জানিয়ে রাখি ধরাধরি পর্বটার বেশ খানিকটা বাহুল্যই থাকবে। তো, ধরুন এই রচনাটাই আবার 'ছাল ওঠা কুত্তা বাঘা তার নাম'-কেও ছাড়িয়ে গজিয়ে উঠবে ‘কা-কা-ই ডো’ এক উপন্যাসে। এই রচনাটাই শতবার পাঠ করলে ওটা হয়ে উঠবে কালের ছাল ছড়ানো দগদগে আস্ত এক উপন্যাস, 'কেন্ডাসট্যাং'। কালে-কালে উপন্যাস থেকে হাজারবার পাঠে এক মহাকাব্য।

আমি মানসনেত্রে দেখতে পাই হোমার এই লেখাটা পেলে হুম-হাম আওয়াজ তুলে লোফালুফি খেলে-খেলে ক্লান্ত হয়ে ‘কুতকুত’ না-খেলে 'হুদহুদ' খেলতেন। বানভট্ট একচোখে জল একচোখে পানি নিয়ে সজল চোখে পানি-জলের বান বইয়ে দিতেন। বেচারার কপাল না-ভিজে কপোল ভিজে যেত কারণ তাঁর ঠ্যাং বাঁধা আছে কলাগাছে!
তাঁদের বুকের ভেতর থেকে অদেখা এক বেদনা পাক খেয়ে উঠত, আহা-আহা, আমরাও পেয়ারাগাছ ওরফে একটা 'গয়ামগাছ' পেলুম না ক্যান রে-এ? আহারে-আহারে, গয়াম গাছের সঙ্গে গ… মারামারি করলুম না কেন রে-এ-এ? ওরে-ওরে, জীবনগাছটা এতো ছোটগাছ কেন রে-এ-এ-এ!
আসলে রাইসুর মত এই ধরনের 'ল্যাকক' ওরফে লেখকের জন্মদিন-মৃত্যুদিন বলে আলাদা করে কিছু নেই…।

ব্রাত্য রাইসুর 'অমড়' সৃষ্টি।

*  ইমেজ আকারে কবিতা ঋণ: ব্রাত্য রাইসু
...
০৫.০৩.২০২২
'বুদ্ধা রইস' মানে বুদ্ধিজীবী রাইসু একটা 'এসটাটাস' প্রসব করেছেন, হালে:
কিন্তু আজকালকার পোলাপানরা মানি লুকের মান রাখতে জানে না। সুকান্ত ধর পাপ্পুর এহেন কর্মকান্ডে নিন্দা জানাই :)
 
 

Friday, July 8, 2016

শিরোনামহীন।

[আজকের লেখার শিরোনাম খুঁজে পাচ্ছি না তাই শিরোনাম শিরোনামহীন! ]
গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে যে নারকীয় হামলা হয়ে গেল এর ভয়াবহতা গুছিয়ে লেখার ক্ষমতা আমার নাই। নারকীয় কর্মকান্ড করে যে পাঁচ জন সন্ত্রাসী মারা গেল এদের স্থান নরক ব্যতীত অন্যত্র কোথায় আর। এরা জঙ্গী না ঢঙ্গি এই বাহাসে যাওয়া অর্থহীন কারণ সন্ত্রাসী সন্ত্রাসীই তার আবার জাত-পাত কী, ভিন্ন নামই বা কী! এরা স্রেফ একটা চলমান দানব যে দানব যে তার মাকে খেয়ে ফেলে- ধর্ম, দেশ কোন ছার।
আই্এস থেকে হামলার পরই ‘আমাক নিউজের’ বরাতে যে পাঁচজন সন্ত্রাসীর ছবি ছাপা হয়েছিল এদের মধ্যে একজন নিয়ে ঘাপলা হলো সে হচ্ছে এখানকার শেফের সহকারী। এদিকে আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করলাম, আইএসপিআর ছয় জন হামলাকারীর মৃত্যুর কথা বললেও পুলিশ ৫ জন সন্ত্রাসীর ছবি প্রকাশ করে। এই পাঁচজন সন্ত্রাসীর মধ্যে ‘রোহান’ নামের সন্ত্রাসীর ছবি ছিল না, ছিল শেফের সহকারীর ছবি। অথচ আইএস যে পাঁচজনের ছবি প্রকাশ করেছিল ওখানে রোহানের ছবি ছিল। পরে আমরা জানলাম রোহানের বাবা হচ্ছেন ক্ষমতাশীন দলের লোক!

পুলিশ মৃত ওই পাঁচজন দানবের যে নাম আমাদেরকে জানায় তারা হচ্ছে আকাশ, বিকাশ, ডন, বাঁধন ও রিপন। তবে তখন তাদের বিশদ পরিচয় আর জানানো হয়নি। কিন্তু চৌকশ লোকজন ঠিকই এটা বের করে ফেলল এই পাঁচজনের নাম আকাশ-বাতাস, ফুল-ফল না এদের নাম হচ্ছে নিবরাস, রোহান, মোবাশ্বের, খায়রুল এবং উজ্জল। এবং এদের অধিকাংশই উচ্চবিত্ত পরিবারের এবং ভালই শিক্ষিত। এর মধ্যে খায়রুলের পরিবার হচ্ছে গরীব, দুবলাপাতলা। আর যায় কোথায়! তার পরিবারের লোকজনকে নিয়ে চলছে ডাকাডাকির নামে গ্রেফতার অথচ রোহান, নিবরাসের পরিবারের লোকজনকে ‘অমায়িক ডাকাডাকি’ করার কথা তো শুনিনি! এই সব করে-করে সরকারের সদিচ্ছার প্রতি আমাদের মধ্যে এক ধরনের আস্থাহীনতা এবং পাশাপাশি ক্ষোভমিশ্রিত ভয়ও কাজ করে।
যেমনটা তীব্র ক্ষোভে আমরা কাবু হয়ে হই যখন দেখি এই হামলার পরপরই প্রধানমন্ত্রীর ঘটা করে চার লেইনের সড়ক উদ্বোধনের নামে ঢাকঢোল পেটানো হয়। এই কাজটা ৪৮-৭২ ঘন্টা পিছিয়ে দিলে সূর্য ক-হাত নীচে নেমে আসত এমনটা মনে হয় না এমনিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করাতেই হবে এটা জরুরি কিছু না।

একটা খুব ইন্টরেস্টিং বিষয় লক্ষ করলাম, গুলশান ঘটনায় আমাদের দুইজন পুলিশ অফিসার মারা গেছেন অনেক পুলিশম্যান গুরুতর আহত হয়েছেন- পুলিশের লোকজনের প্রতি স্যালুট। অথচ জামাতে ইসলামী বিবৃতি দিল, “দুর্বৃত্তদের নিরস্ত্র করে জীবিতবস্থায় আটক করা উচিত ছিল…ব্লা-ব্লা-ব্লা”।
চুতিয়াগিরির একটা সীমা থাকা দরকার।

এই হামলার পর-পরই তিন দানবের এক ভিডিও বার্তায় ছড়িয়ে পড়ে (সঙ্গত কারণেই ভিডিও ক্লিপটা এখানে দিচ্ছি না।)। ওয়াল্লা, এই দানবগুলো দেখি আবার বাংলায় কথাও বলে! তিন দানবের মধ্যে এক দানব গুলশান হামলা প্রসঙ্গে বলছে,‘রামাদানের এই বরকতময় সময়ে খেলাফতের ভাইদের এতো চমৎকার একটি অপারেশনের খবর পড়ে আমি সত্যিই অভিভূত...’।

আমাদের দেশের চৌকশ লোকজন ঠিকই বের করে ফেলল এই তিন দানবের পরিচয়। আমাদের জন্য বিস্ময়ের-পর-বিস্ময় অপেক্ষা করে; এরাও প্রায় সবাই উচ্চবিত্ত পরিবার থেকে এসেছে এবং ভাল একাডেমিক শিক্ষা নিয়ে।
ভিডিও ঋণ: রুহুল কুদ্দুস রুহেল
ঈদের দিন শোলাকিয়ার অতি নিকটে যে হামলা হলো ওখানে পুলিশ যথাসময়ে এদেরকে আটকে না-দিলে কী ম্যাসাকার হতো তা আমি কল্পনাও করতে পারি না। একজন পুলিশ অফিসার মুর্শেদ জামান শেলাকিয়ায় নামায পড়তে গিয়েছিলেন। পরঞ্জাবি-পায়জামা পরা, কোথায় বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট কোথায় হেলমেট- লড়ে গেছেন বীরের মত। পুলিশের লোকজনের প্রতি আবারও স্যালুট। ওখানে হাতেনাতে যে জঙ্গিকে ধরা হয়েছে সে নাকি নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটির। এই নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটি তো দেখি দানব বানাবার কারখানা! একে নিয়ে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারে না-গেলেই হয় কারণ ইতিপূর্বে ফাহিমকে [১] নিয়ে পুলিশ অস্ত্রউদ্ধারে গেছে। এসপি বাবুল আকতারের স্ত্রী মিতু খুনের সন্দেহভাজন যে খুনি সেও ক্রসফায়ারে মারা গেছে।

আচ্ছা, পুলিশ এতো অস্ত্র উদ্ধারে যায় কেন! অন্যের অস্ত্রের প্রতি পুলিশের এহেন লালচ কেন! পুলিশের কী অস্ত্রের অভাব? আহা, এমনটা হয়ে থাকলে আমরা দেশবাসীরা নাহয় চাঁদা করে কিনে দেব নে...।
ঋণ: www.bdnews24.com

১. আ হিউম্যান বম্ব! : http://www.ali-mahmed.com/2016/07/blog-post.html