Search

Showing posts with label বড় সাধ. Show all posts
Showing posts with label বড় সাধ. Show all posts

Monday, May 25, 2015

দুখু মিয়া-‘সুখু মিয়া’!

কাজী নজরুল ইসলামকে আমরা ‘দুখু মিয়া’ নামেও চিনি। তিনি কেবল দুখি মানুষই ছিলেন না তাঁর গোটা পরিবারই ‘দুখি পরিবার’। আমি তো বলব, ‘অভাগা পরিবার’। যাদেরকে অহরহ এটা জানতে-শুনতে-পড়তে হয়েছে কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে সিফিলিসে? কেবল দিনের-পর-দিনই না বছরের-পর-বছর যুগের-পর-যুগ ধরে এই অপবাদ বয়ে বেড়াতে হয়েছে গোটা পরিবারকে।
অথচ এটা ছিল নিরেট মিথ্যা! এখনও, আজও আমি অজস্র লেখায় এটা পাই এই মিথ্যাচার নিয়ে []।  এখানে বিশদ লিখেছি। নজরুল নিউরো সিফিলিসে ভুগছিলেন না, ভুগছিলেন Pick's disease তাঁর চিকিৎসা হয় ভিয়েনায়, ড. হফের তত্ত্বাবধায়নে। এখন এই লেখায় আর চর্বিতচর্বণ করি না।
তিনি কেবল দুখু মিয়াই ছিলেন না, সুখু মিয়াও ছিলেন। কেমন করে? বলছি...।

তিনি যখন বাবরি চুল দুলিয়ে এই এই গান লিখলেন:
"...খোদারও প্রেমের শরাব পিয়ে, বেহুঁশ হয়ে রই পড়ে...।"
ক্কী-ক-কী, কয় কী! খোদার প্রেমের সঙ্গে শরাব! কিন্তু তখন কারও চাকু-চাপাতির কোপে তাঁর বাবরি চুল লুটিয়ে পড়েনি।

যখন নজরুল লিখেলেন:
“...দোযখ আমার হারাম হ'ল পিয়ে কোরানের শিরীন শহদ।...” 
(খোদার বন্ধু /কাজী নজরুল ইসলাম।)
বলে কী- ‘কোরানের শিরীন শহদ’! মধু না বিষ সে পরের কথা কিন্তু কোরানের সঙ্গে তুলনা! তখনও কিন্তু নজরুলের বাবরি চুল গড়াগড়ি খায়নি! বুদ্ধিমান পাঠকের জন্য বাবরি চুলের সঙ্গে যে নজরুলের গোটা মাথাটাও যে গড়িয়ে পড়ত এটা আর উল্লেখ করার প্রয়োজন বোধ করলাম না।

আর যখন লিখলেন এটা:
“...খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া, উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!...
...তাজী বোর্‌রাক্ আর উচ্চৈঃশ্রবা বাহন আমার হিম্মত-হ্রেষা হেঁকে চলে!...
...আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন! আমি খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন!..."
(বিদ্রোহী/ কাজী নজরুল ইসলাম।)
কাট মাই...! বলে কী, ভগবানের বুকে...! তখনও কিন্তু খোদাভক্ত কেউ ‘কোপা সামসু’ বলে কোপায়নি বা ভগবানভক্ত কেউ ‘কোপা শংকর’ বলে ভোজালি দিয়ে নজরুলকে ফালা-ফালা করেনি!  অবশ্য তখন অনেকে নজরুলকে ‘লোকটা শয়তান না মুসলমান?' বা 'ইসলাম বৈরী মুসলমান কবি', 'ধর্মজ্ঞানশূন্য বর্বর' 'কুলাঙ্গার', ‘কাফের', 'ফেরাউন', 'নমরুদ', 'খোদাদ্রোহী', 'ধর্মদ্রোহী', ইত্যাদি সম্বোধনে সম্বধন করতে ছাড়েনি। কিন্তু নজরুলের বাবড়ি, বাবড়ির সঙ্গে মুন্ডুর কোন সমস্যা হয়নি। স্বস্থানেই ছিল।

আবার কিন্তু অনেকে লেখার উত্তর লেখা দিয়ে দিতেও ভুল করেননি। সজনীকান্ত দাস শনিবারের চিঠিতে ‘গাজী আব্বাস বিটকেল', 'ভবকুমার প্রধান' নামে লিখতেন। সজনীকান্ত দাস নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতাটির জবাবে একটি ব্যঙ্গ কবিতা লিখেছিলেন, 'ব্যাঙ'।
আমি ব্যাঙ
লম্বা আমার ঠ্যাঙ
ভৈরব রভসে বরষা আসিলে ডাকি সে
গ্যাঙোর গ্যাঙ
আমি ব্যাঙ
দুইটি মাত্র ঠ্যাঙ...।
আমাদের বাপ-দাদাদের চেয়েও আমরা যে এখন অনেক বড় মুসলমান- দা থেকে আছাড় বড়! সুখু মিয়ার ভাগ্য-সুখ দেখে ঈর্ষা-ঈর্ষা! ভাগ্যিস, নজরুল আজ আর বেঁচে নেই- ঠিক সময় মরে গিয়ে বেঁচে গেছেন! নইলে হাওয়ায় কেবল তাঁর বাবরি চুলই উড়ে বেড়াত না সঙ্গে কাটা মুন্ডুটাও...।

সহায়ক সূত্র:
১. কবি নজরুল সিফিলিসে আক্রান্ত, এই বিষয়ক মূর্খতা: http://www.ali-mahmed.com/2010/10/blog-post_21.html)। 

Friday, January 10, 2014

অতলস্পর্শ আনন্দ!

এই বালকটির হাতে যে বিশ্বজয়ের কোনো পদক না এটা বলার তো অপেক্ষা রাখে না। তুচ্ছও না, অতি তুচ্ছ- ফেলে দেওয়া একটা জিনিস! ট্রেনের কোনো যাত্রী ডাব খেয়ে ফেলে দিয়েছেন। এই শিশুটি সেটাই কুড়িয়ে পেয়েছে। তার অনুমান, এটায় পাওয়ার সম্ভাবনা আছে ডাবের সুস্বাদু শাঁস।

টেন্ডুলকার ফেরারি গাড়ি পেয়ে কতটা আনন্দে ভেসেছিলেন আমি জানি না কিন্তু এই শিশুটির যে আনন্দে ভেসে যাওয়া- অতলস্পর্শ আনন্দ সেটা ধরে রাখার ক্ষমতা এই ক্যামেরা নামের যন্ত্রের কোথায়!

Saturday, August 10, 2013

টবের গাছ-নারকেল গাছ!

ঈদ নিয়ে বড়-বড় মানুষদের চমৎকার-চমৎকার অজস্র সব কথা আছে। আমি মোটা চিন্তার মানুষ, এই সব কঠিন-জটিল কথা বুঝি কম। আমি মোটা দাগে যেটা বুঝি, ঈদ বা অন্য পার্বনগুলো আমাদের একটা অহেতুক ভুল ধারণা ভেঙ্গে দেয়!

দিনের-পর-দিন, মাসের-পর-মাস, বছরের-পর-বছর ধরে এই ভ্রান্ত ধারণা থাকি, আমরা একটা টবের গাছ! কিন্তু এই পার্বনগুলো সেই সুদূর শেকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়- যে শেকড়ের কথা আমরা সুদীর্ঘ কাল বিস্মৃত হয়ে ছিলাম। সেই শেকড় ধরে-ধরে আমরা ঠিক ঠিক আমাদের মূলের কাছে ফিরে যাই- তখন হতভম্ব হয়ে দেখি, ওয়াল্লা, আমরা দেখি নারকেল গাছ!

এই শেকড়ের কাছে ফেরার জন্য আমরা আরেকবার আকুল চেষ্টা করি কিন্তু তখন সেই বোধ আর আমাদের মধ্যে কাজ করে না! কারণ তখন আর আমাদের কোনো নাম থাকে না। সবাই তখন বলে, এই লাশ উঠাও, লাশ নামাও...।

Tuesday, November 6, 2012

স্যান্ডি এবং স্যান্ডেলের গল্প।

ঈশ্বর-গড-ভগবান এঁদের যন্ত্রণার শেষ নেই! বেচারাদের ঘুমাবার যো নেই। ঘুমাবার যো নেই এটা ভুল বললাম, আসলে হবে চোখে ঘুম নেই। সবারই গোপন ইচ্ছা, কেমন করে তাঁর সন্তান দুধেভাতে থাকবে আর অন্যরা চুনগোলা খাবে [১]। 'সবারই গোপন ইচ্ছা' এটাও ঠিক বলা হলো না- আসলে হবে 'খুল্লামখুল্লা' ইচ্ছা!
এই বিষয়ে সবার রা একই। মোটা দাগে বললে, নিজের সন্তানদের স্বর্গবাস অন্যের সন্তানদের নরকবাস। নিজের সন্তানেরা রসগোল্লা খাক, অন্যরা স্রেফ গোল্লায় যাক।

কার কথা এটা, রবিদাদার? "I love God because he has given me the freedom to deny him."

Monday, July 11, 2011

আমাদের একজন 'নীরিজা গুতরু'র বড়ো প্রয়োজন

­আমাদের দেশে উপরের নির্দেশ বলে একটা জিনিস আছে। ভয়াবহ একটা জিনিস! এর নিবাস ঠিক কোথায় এ সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান তমোময়- ভাসা ভাসা! এই দেশে উপরের নির্দেশ ব্যতীত কিচ্ছু হওয়ার যো নেই। গাছ, গাছের ছাল দূরের কথা, একটি পাতাও নড়বে না। আমি অনেকখানি ভয়ে ভয়ে, আছি কোন দিন না, বাথরুম যাওয়ার জন্যও উপরের নির্দেশের প্রয়োজন হয়। হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে! ছ্যা, প্যান্ট-ট্যান্ট নষ্ট করে বিতিকিচ্ছি এক অবস্থার সৃষ্টি হবে!

আমি কোথাও লিখেছিলাম: "আমাদের বিভাজন শুরু হয় জন্মের পর থেকেই। মানুষ না পশু? মানুষ হলে, ছেলে না মেয়ে? জাতপাত কি- হিন্দু, মুসলমান, খ্রীষ্টান? সর্বশেষে বিএনপি-আওয়ামীলীগ-জামাত-জাতীয়পার্টি...? দলটা অতি জরুরি! এই দেশে বসবাস করার জন্য

Sunday, July 5, 2009

আমি কোথাও যেতে চাই না


ছেড়ে যাওয়া ট্রেন দেখলে আমার কেবলি মনে হয়, কোথাও যেন আমার যাওয়ার ছিল। বুকের ভেতর অন্য রকম, অজানা একটা চাপা কষ্ট হয়। কিন্তু ট্রেনে চেপে বসলে আমার কোথাও যাওয়ার ইচ্ছাটা বেমালুম উবে যায়। কেবল মনে হয়, আমি তো কোথাও যেতে চাই না, কোথাও না। অন্তত ঝুপঝুপ বৃষ্টিতে আমি কোথাও যেতে চাই না।

ঝুম বৃষ্টিতে আমি মরতেও চাই না। চাই না বৃষ্টিতে আমার শব ভিজুক। ধপধপে দুধ-সাদা কাপড়টায় বিচ্ছিরি দাগ লাগুক এটা মোটেও কাম্য নয়। এটাও কাম্য না ধর্মীয় অনুশাসন পালনে ব্যস্ত লোকজন বিরক্তিভরে গর্তে উঠে আসা পানিতে আমায় ছুঁড়ে দিক।

"যেদিন মরব আমি, সেদিন কী বার হবে
বলা মুশকিল।
শুক্রবার? বুধবার? শনিবার? নাকি রবিবার?
যে বারই হোক,
সেদিন বর্ষায় যেন না ভেজে শহর, যেন ঘিনঘিনে কাদা
না জমে গলির মোড়ে। সেদিন ভাসলে পথ-ঘাট,
পূণ্যবান শবানুগামীরা বড়ো বিরক্ত হবেন।"
(শামসুর রাহমান/ নিজ বাসভূমে)

Monday, February 9, 2009

পার্থক্য কী!

প্রায় একই দৃশ্য।
আনুমানিক ২৫/৩০ বছর আগে, বালকগুলোর বদলে ছিলাম আমি। পার্থক্য কেবল একটা প্লাস্টিকের হাত-ঘড়ির, যা আমাদের সময় ভাবাও যেত না।
 

*ছবিস্বত্ব: সংরক্ষিত

Saturday, August 23, 2008

কী সাহস গো আপনার ! পেন্নাম হই।

"শোনা গেল লাশকাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে;
কাল রাতে-ফাল্গুনের রাতের আঁধারে
যখন গিয়াছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
মরিবার হ'ল তার সাধ।
বধু শুয়ে ছিল পাশে-শিশুটিও ছিলো;
...
আরো এক বিপন্ন বিস্ময়
আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভিতরে
খেলা করে;
...
লাশকাটা ঘরে
চিত হ'য়ে শুয়ে আছে টেবিলের 'পরে।"

আহা, কী সাহস গো আপনার! মরিবার হ'ল তার সাধ...! মরিবার সাধ কার না জাগে? এ্যাহ, সাধ হলেই কী! সাধ হলেই বুঝি লম্বা হয়ে শুয়ে পড়া যায়? লাশকাটা ঘরে লাশ হয়ে শুতে ভয় করে না বুঝি?

কী পাষন্ড গো আপনি! কেমন করে পারলেন, বাহে, কেমন করে? কেমন করে পারলেন শিশুটির গায়ের গন্ধ বিস্মৃত হতে?

জানি-জানি বিপন্ন একটা বিস্ময় আপনার রক্তের ভিতরে খেলা করে। সে তো আমাদের রক্তেও সবিরাম খেলা করে! তাই বলে আপনার মত সাহস আসে কেত্থেকে? ট্রাম না হোক চলমান গাড়ি তো আমাদেরও টানে- একটা শীতনিদ্রার যে বড্ড প্রয়োজন।

জীবনানন্দ দাদা, আট বছর আগের একদিন? কেন এটা যে-কোন একদিন হলে দোষ কী!

Tuesday, May 27, 2008

হ্যালো ভীতিবী, হালে ব্যাট-টিভি...

অতীতে একবার এক ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় এক বংগালের জুতার কালেকশন দেখিয়েছিল। আমি দেখে যারপর নাই মগ্ন হয়ে মুগধ(!)
ওই ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নাম তখন দিয়েছিলাম 'ভীতিবী'।
আফসোস, বঙ্গালদেশের এক পদ্যখার্তুম(!) সাহিত্যিক থিমটা ছিনতাই করে আমাকে উল্টো চোর বানিয়ে ফেলেছিলেন। হইচই করায় সবাই আমার নির্বুদ্ধিতা নিয়ে বেজায় হাসাহাসি করেছিলেন। মিয়া, যে দেশে পুকুর চুরি হয়ে যায় আর তুমি কিনা একটা শব্দের থিম নিয়ে...; তোমার সাহসও বলিহারি যা হোক। কুতায়(!) পদ্যখার্তুম(!), আর কোথায় তুমি? ৩ টাকা দামের কলমবাজ! বটে রে! ছ্যা...।

যাই হোক, এরপর ওই ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নাম আমি বদলে বদলে আজ থেকে এর নাম দিলুম ব্যাট-টিভি। তো ওই ব্যাট-টিভির ওই মহান কাজটা (ঘটা করে জুতা দেখানো) আমাকে নতুন করে ভাবাচ্ছে। জুতাওয়ালা ওই বংগালের কাহিনি নতুন করে জানার পর...।

ওয়াল্লা, ওই বংগাল সম্বন্ধে আপনাদের বলিনি বুঝি? এক পত্রিকায় তার জীবন কাহিনি পড়ে ভম্বহত(!) হছিলুম আমি। হা বিতং না করে অল্প করে মূল বিষয়গুলো বলি:
মানুষটার নাম মুসা বিন শমেশর।
১. তার সম্পদের মূল্য ধারণা করা হয় ৩ বিলিয়নের বেশি।
২. মাঝে মাঝে তিনি তার ব্যক্তিগত জেট বিমান তার হাই প্রোফাইলের বন্ধুদের ধার দেন।
৩. টনি ব্লেয়ারকে ৫ মিলিয়ন পাউন্ড চাঁদা দিতে গিয়ে আলোচনায় আসেন।
৪. তিনি এক স্যুট কখনও দ্বিতীয়বার গায়ে দেন না, প্রতিটি স্যুটের মূল্য ৫ থেকে ৬ হাজার পাউন্ড। এমন স্যুট তার হাজার তিনেক। পোশাকের জন্য বছরে খরচ ৫ কোটি টাকা।
৫. এই লোক গ্রীসের ৭ তারা হোটেল কিনে নেয়ার পর, ওই দেশের পত্রিকায় ফলাও করে লেখা হয: মুসা কি গ্রীস কিনে নিচ্ছেন?
৬. লন্ডনে তার রয়েছে রোলস রয়েস।
৭. তার গুলশানের প্রাসাদোপম ভবনের আসবাবপত্র ইটালি থেকে আমদানি করা এবং প্রতি ৬ মাস অন্তর পরিবর্তন করা হয়। ওই ভবনে তার সেবার জন্য এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে ৫০ জন মানব, যারা সব সময় ডিনার জ্যাকেট পরে থাকে।
৮. এই অতি সুদর্শন মানুষটার জন্য ডায়ানা নাকি পাগল ছিলেন। (তবে মুসার ছবি দেখে আমার মনে হয়েছে, মানুষটার মুখের ইয়া বড় যে আঁচিলটা আছে, ডায়ানা সম্ভবত এটার জন্যই পাগল ছিলেন। মহিলাগণ পাগল হলে আঁচিল তার কি কাজে লাগে এটা অবশ্য আমি জানি না। তবে আজিজ নামে আমার যে বন্ধু আছে তার ড্রাইভারের সৌন্দর্যের কাছে মুসা মিয়া নস্যি।)


আপনারা নিশ্চই আঁচ করতে পেরেছেন বংগালদেশের শীর্ষ আয়করদাতার নাম মুসা বিন শমশের। সরি চ্যাপ, আমার হাতে শীর্ষ করদাতার যে লিস্ট আছে এতে অন্তত ২৫ জনের মধ্যে মুসার মিয়ার নাম নাই!

তো, আমার কথিত ব্যাট-টিভি এই মুসার মিয়ার জুতার কালেকশন দেখিয়েছিল। অনেকটা সময় লাগিয়ে...। আচ্ছা, আমার ছেঁড়া চটিটা কী ক্ষণিকের জন্য ব্যাট-টিভি দেখাবে? টাকা যা লাগে দেব নে।


যদিও এখন আপাদমস্তক দেনায় ডুবে আছি (আমার পরিচিত বুদ্ধিমান মানুষদের জন্য উপদেশ, আমার কাছ থেকে এখন শত-হস্ত দূরে থাকেন। আশা করছি, বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই কাফি)- তবু, তবুও মৃত্যুর আগে আমার বড় সাধ, ব্যাট-টিভি একবার আমার অতিশয় পুরনো ছেঁড়া চটিটা দেখাক (অবশ্য চটিটার যা অবস্থা, কোন বিচার-আচারে কাউকে এই চটি দিয়ে মারতে চাইলে সে ক্ষুব্ধ হয়ে বলবে, আমাকে জুতায় গু লাগায় পিটান কিন্তু এই চটি দিয়া না।)

তবুও সাধ, দেখাক না ক্ষণিকের জন্য। যা টাকা লাগে ক্যাশে পেমেন্ট করব। প্রয়োজনে কিছুই বিক্রি করার না থাকলে আত্মা বিক্রি করে দেব শয়তানের কাছে। শয়তানের নামে কসম!
আজ (১৪.১০.০৯) জানলাম, লাটভিয়া ঋণদাতা সংস্থা কনটোরা লোকজনের আত্মা বন্ধকী হিসাবে রেখে বিরাট অংকের ঋণ দেয়! (রিপলি'স)।
গুড-গুড! তবুও দেখাক ব্যাট টিভি ছেঁড়া চটিখানা। দুইটা না-হলেও অন্তত একখানা...বড়ো সাধ উড়াই কিছু ফানুস...।

*ছবিঋণ: ফানবিজ
**আফসোস, মসজিদ হইতে আমার চটি কে বা কাহারা চুরি করিয়া ফেলায় ইহার ছবিহ(!) দেয়া যাইতেছে না বলিয়া বড়ই পরিতাপ বোধ করিতেছি।
নিতান্ত বাধ্য হইয়া ইন্টারনেট থেকে 'ফানবিজ' হইতে ধার করিয়া চটির ছবি দিলুম। অবশ্য আমার ধারণা, এই চটি এখন এন্টিকের পর্যায়ে চলিয়া গিয়াছে।