Search

Showing posts with label ভাঁড়. Show all posts
Showing posts with label ভাঁড়. Show all posts

Saturday, May 21, 2016

আবদুন নুর তুষার, 'গোলমালেষু'...

আবদুন নুর তুষার নামের মানুষটার মধ্যে কোথায় যেন একটা অমায়িক গোলমাল আছে। বিজয় এবং অভ্রের সমস্যার সময় আমরা যখন জব্বার ভাইয়ার লোভের লকলকে জিব দেখে আঁতকে উঠে তীব্র প্রতিবাদ করি তখন তুষার সাহেব কোনও এক বিচিত্র কারণে আজব এক যুক্তি দেন, ‘"…যদি সফটওয়্যার দিয়ে বাংলা লিখতে গেলে সেই সফটওয়্যারটি ফ্রি হতেই হবে, এটি আমরা বলি, তাহলে কলম দিয়ে বাংলা লিখতে গেলে, সকল কলম ফ্রি করে দেয়া উচিত৷..."[১]
এরপর এই মানুষটাকে আমার স্রেফ একটা ভাঙ্গাচোরা রোবট মনে হয়। যার কাছে ভাষা, দেশ এই সব আবেগের স্থান নেই।

মানুষটার মধ্যে ভারী গোলমাল মনে হয়েছিল বহু বছর পূর্বে তখনই যখন ‘শুভেচ্ছা’ নামের নিজের অনুষ্ঠানে পথশিশুর কথা বলে ভেউভেউ করে কান্না করছিলেন। দৃশ্যটা রগরগে নাটককেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। আহা, কেউ কী আবেগপ্রবণ হবে না? হবে, হবে না কেন! কিন্তু অনুষ্ঠানটা লাইভ ছিল না যে কেউ ফোনে বলল, আপনাকে … করতে চাই আর নিরুপায় দর্শক হাঁ করে শুনল।

প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনকে যখন খুন করা হলো তখন বুদ্ধিজীবী তুষার ফেনিয়ে-ফাপিয়ে বলা শুরু করলেন দীপন কেমন-কেমন করে ধর্মীয় অনুশাসন পালন করতেন। বাহ, যেন ধর্মীয় অনুশাসন পালন না-করলে একজন মানুষকে খুন করলে বিশেষ সমস্যা নেই!

যাই হোক, উনি ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন শিক্ষককে কুৎসিত অপমান করার পর যারা নিজের কানধরা ছবি দিচ্ছেন তাদের তীব্র সমালোচনা করে। কেন রে বাপু, সমস্যা কী! প্রতিবাদের ভাষা একেকজনের কাছে একেক রকম। নির্মেলেন্দু গুণের মত কেউ তাকে পুরস্কার না-দিলে লাজহীন মানুষের মত হইচই করেন [২] আবার কেউ বা প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে না-খেয়ে অনশন করেন। অবশ্য তুষার স্যার না-খেয়ে অনশনের ধার ধারবেন না কারণ এটা তার গা-গতরে সইবে না।
জনাব তুষার তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, "…একজনকে নগ্ন করা হলো,তার প্রতিবাদে সবাই যদি নগ্ন হয়,তাহলে নগ্নতার যে লজ্জা বা মানসিক যন্ত্রনা সেটা কমে যায়।…"
ওহো, আপনি তো দেখি ‘বাত কা বাতাঙ্গার’ বানিয়ে ফেলছেন। কথা হচ্ছিল উপরের অংশ নিয়ে আপনি সরাসরি নীচের অংশে চলে গেলেন- একেবারে ডাইরেক্ট অ্যাকশন। আর আপনি যে এই অংশটুকু লিখেছেন, "…শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষা বিষয়ে গোটা দেশ বিশেষ করে নেট ব্যবহারকারী ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রত্যেকের কানধরা ছবি পোষ্ট করা হচ্ছে…।"
শোনো কথা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রত্যেকে- কেউ কি বাদ নেই? অন্তত আমি যে নেই এটা বলতে পারি। তো,আক্ষরিক অর্থে এই কথাটা গ্রহণ করলে মশিয়ে তুষারকে বুরবাক বলাটাই সমীচীন।

তুষার মহোদয় লিখেছেন, "…ছিনতাই নিয়ে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে কৌতুক করা হয়। (আমি কখনো শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে এটা করি নাই। শুধু তাই না, বুয়া , দারোয়ান, রিকশাওয়ালাদের নিয়েও কোন কৌতুক করি নাই)…।"
এই নিয়ে আপনার পোঁ ধরা কেন, বাপু? ছিনতাই নিয়ে কৌতুক থাকলে কৌতুক করতে ‘অসুবিদা’ কোথায়, স্যার! আমার এক পরিচিত মানুষ রিকশা করে যাচ্ছিলেন। বাচ্চা কোলে। বাচ্চা কাপড় নষ্ট করে দিয়েছে। নতুন কাপড় ফেলতে বড়ো মায়া তাই একটা পোঁটলায় ঢুকিয়ে ফেললেন। ছিনতাইকারী পোঁটলা নিয়ে উধাও। এই নিয়ে রসিকতা করলে কারও রস শুকিয়ে যাওয়ার তো কথা না।
আর আপনি যে বললেন, আমি কখনও শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে বুয়া, দারোয়ান, রিকশাওয়ালাদের নিয়েও কৌতুক করি নাই- জ্বী, আপনি বড়ো ‘ভালু লুক’! আপনার দয়ার শরীর- ইয়ে, কৌতুকের কথা বলছেন, আহা, শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে আপনার ভেউভেউ করে কান্নার চেয়ে বড়ো কৌতুক আর কী হতে পারে!

তুষার মহাশয় আরও লিখেছেন, "…বোন ধর্ষিত হলে কি আমরা সবাই ধর্ষিত হয়ে ছবি পোস্ট করব?..." আপনি আসলে হরেদরে সব সমান দেখেন বলেই বোধহয় ন্যায়-অন্যায় গুলিয়ে ফেলেন। তাই কী অতি বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান থেকেও ‘চেহারাবেচার’ টাকা অবলীলায় নেন?
ওহো, এতো মুশকিল হলো দেখি! কেউ লিখল, ‘পিতা, তোমার শবযাত্রায়…[৩]। ব্যস, ডাগদর সাহেব, শিক্ষক শ্যামল কান্তির গা টিপেটুপে ডেভিডসনের বই ঘাঁটাঘাঁটি করে বিমল আনন্দে মাথা দুলিয়ে বলবেন, ‘ইউরিয়া’, মানুষটা এখনও জীবিত। বটে, কত বুদ্ধি ঘটে!
বা হেলাল হাফিজ যখন লেখেন, "…এক জীবনে কতটা আর নষ্ট হবে/ এক মানবী কতটা আর কষ্ট দেবে…।" তখন পন্ডিতবর তুষার ক্ষেপে যাবেন। ক-ক্ক-ক্কী, এক জীবন মানে? আমাদের আবার কয়টা জীবন, হে? আমরা কী হিন্দু যে আমাদের অনেক জীবন? হাফিজ ব্যাটা…। ব্যস, এরপর হয়তো তুষার স্যারের চেলা-চামুন্ডা বাহিনী এই নিয়ে গ্রহ মাতাবেন। হেলাল হাফিজকে ধর্মীয় ট্যাগ লাগিয়ে দিলে আটকাচ্ছে কে।

অন্যত্র মহাত্মন তুষার লিখেছেন, "…জর্জ বুশকে যদি জুতা মারা যায়,তাহলে অপমানকারীকে জুতা দেখানো যাবে না কেন? তার কানধরা কুশপুত্তলিকা বানানো যাবে না কেন? তার কুশপুত্তলিকায় চড় মারা যাবে না কেন?...নিজের নাক কেটে অপমানে সমান নয় বরং অপমানকারীর নাক বরাবর মুষ্টি প্রয়োগ করেন।"
এই মানুষগুলো যে কোন ভুবনে বাস করেন! যেন অন্য গ্রহ থেকে ভূর্জপত্র গাত্রে ভূর্লোকে তসরিফ গ্রহন করেন। এই দেশের বুদ্ধিজীবী টাইপের মানুষগুলোর বিকট এই এক সমস্য। এরা চোখে কালোর চশমা লাগিয়ে অন্ধ সেজে থাকেন। তখন অমায়িক ভঙ্গিতে সাদাকে কালো-কালোকে সাদা বলতে পারেন। ‘নাক বরাবর মুষ্টিঘাত’, এই সব শব্দশেল পড়তে ভালই লাগে। যে সংসদ সদস্য এই কর্মকান্ড করেছেন তার সম্বন্ধে আগুনমানুষ তুষারের কী কোনও প্রকারের ধারণা আছে?

এই সংসদ সদস্য সম্বন্ধে খানিকটা ধারণা পাওয়া যাবে এক সাংবাদিকের সঙ্গে ফোনালাপের অডিও ট্র্যাকটা শুনলে, আহ, মধু-মধু! আর এই সংসদ সদস্য কোন পরিবারের এটা কি তার জানা আছে? ইতিপূর্বে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এই পরিবার সম্বন্ধে কি বলেছেন এটা কি বিস্মৃত হয়েছেন, হের তুষার? "...রাজনৈতিকভাবে ‘হেয়’ করতে ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার হচ্ছে দাবি করে সে বিষয়ে জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।..."
এরপর আমাদের মত সাধারণ মানুষের দাঁড়াবার আর জায়গা থাকে না। 'সজাগ' থাকতে থাকতে আমাদের মধ্যে তীব্র হতাশা কাজ করে বুকের গহীন থেকে অক্ষমতার হাহাকার বেরিয়ে আসে। তখন আমরা নিজের কান ধরব, নাকি ...!


কোন দেশে যে তুষারের মত লোকজনরা বসবাস করেন! যে দেশের ঘটনা রগরগে মুভিকেও হার মানায়। ফরিদপুরের যুবলীগ নেতা আসলামের ফাঁসির আয়োজনের সমস্ত কাজ সমাপ্ত। মাত্র একদিন পূর্বে সাজা মওকুফ করা হয় রাষ্ট্রপতির দয়ায়। প্রথমবার নাকচ হলেও দ্বিতীয়বার তা মঞ্জুর করা হয়! আমরা হতভম্ব বাকহীন হতেও ভুলে যাই। মিয়া, গ্যলারিতে পপকর্ন নিয়ে খেলা দেখে চ্যাটাং চ্যাটাং বাতচিত করা খুবই সোজা। যান না, নারায়নগঞ্জে গিয়ে দুম করে একটা ঘুষি মেরে আসুন না। আমরাও হাত খুলে লিখব, ওই আসে অগ্নিপুরুষ।
ওহে অগ্নিপুরুষ, তোমারই অপেক্ষায়…। 

সূত্র:
৩. পিতা, তোমার শবযাত্রায়: http://www.ali-mahmed.com/2016/05/blog-post_18.html

Thursday, June 18, 2015

লাখের বাতি- লাখ টাকার প্রিন্স!

আগেকার সময়ে লোকজন লাখপতি হলে নাকি লাখের বাতি জ্বালাতো। এখন তো আর সেই দিন নাই রে, বাপু। এখন লাখপতি হলে লোকজন প্রিন্স হয়ে যায়। বাংলাদেশের ব্যাংকে নাকি প্রিন্স মুসার লাখ টাকা আছে! আজকাল ছিনতাইয়ের যে ভয় লোকজন ভয়ে অন্তর্বাসের ভাঁজে ‘ট্যাকাটুকা’ রাখে। মুসা সেই ঝুঁকি নেননি, তিনি ব্যাংকে রেখেছেন। মুসার বুদ্ধির আমি তারিফ করি।

এই মুসার কথা আমি জেনেছিলাম, সালটা ঠিক মনে নেই। তখন সবেধন নীলমনি ইলেকট্রনিক মিডিয়া বলতে বিটিভি। বিটিভিতে মুসার একটা সাক্ষাৎকারের মত নিচ্ছিল। ফাঁকে ফাঁকে মুসার এটা-সেটা দেখাতে দেখাতে তার জুতার কালেকশন দেখানো শুরু করল। তখন তো আর লেখালেখি করি না যে লিখে রাগ কমাবো। সাদাকালো ফিলিপস ২০ ইঞ্চি টিভির স্ত্রিণে টিস্যু ছুড়ে মেরেছিলাম মনে আছে। টিস্যুর সঙ্গে ‘থুক’ ছিল এটা এখানে উল্লেখ করাটা জরুরি না। শক্ত কিছুই হয়তো ছুড়তাম কিন্তু টিভিটা আমার ছিল না, ছিল আমার বাপের। সাহস হয়নি!

যাই হোক, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ক্ষেপে চটে গেলেন। চটে গিয়ে চটি নিয়ে এলেন। হুবহু মনে নেই অনেকটা এমন; গুছিয়ে যেটা বলছিলেন যেটা হচ্ছে, ‘বিটিভি কি আমার ছেঁড়া চটিটা দেখাবে টাকা যা লাগে দেব’।
সেই প্রথম মুসা স্যারের সঙ্গে আমার ‘চিনপরিচয়’। এরপর ‘চিত্রবাংলা’ নামের আউলা-ঝাউলা টাইপের একটা পত্রিকায় মুসা মহোদয়ের বিশদ কাহিনী এই আছে-সেই আছে পড়লাম। সেখানে এটাও পড়েছিলাম প্রিন্সেস ডায়না নাকি মুসার জন্য পাগল ছিলেন। পাগল না হয়ে উপায় আছে যা একখান ‘পিগার’ রে মাইরি! তখন মুসাকে নিয়ে লিখেছিলাম [১]
মুসা একটা আবদার করেছিলেন তার পরিবারকে ‘সেভেন স্টার ফ্যামেলি’ আখ্যা দেওয়া হোক [২]

হালে মুসার সাহেবের একটা ভিডিও দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। সেই ভিডিওটার শুরু হয়েছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। তারপরই বলা হচ্ছে দেশ স্বাধীন হলো, মুসা মিয়া দেশের হাল ধরলেন বৈদেশে লোক পাঠিয়ে [৩]
থাকুক সেসব পুরনো কথা। নতুন কথা হচ্ছে ফেসবুকে একটা ইভেন্ট খোলা হয়েছে মুসা লোকজনের সঙ্গে দেখা করবেন। দেখা করবেন ৭ আগস্ট অথচ এখন পর্যন্ত ২৩৪০১ জন দেখা করার জন্য অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। আমি যখন লেখাটা লিখছি এই সংখ্যাটা আরও বেড়েছে বলেই অনুমান করি। আগস্ট মাস আসতে আসতে সংখ্যা কোটি ছাড়িয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। বঙ্গাল বলে কথা! মুসার অনুরক্ত লোকজনেরা মুসাকে ১ টাকা করে দিয়ে আসলেও মুসা অনায়াসে ‘ক্রোড়পতি’ বনে যাবেন। তখন মুসাকে আমরা ‘কুটিপতি’ বলে সম্বোধন করব। ‘মুসা বান গিয়া ক্রোড়পতি’...।

সহায়ক সূত্র:
১. যাত্রার প্রিন্স: http://www.ali-mahmed.com/2013/07/blog-post_2395.html
২. সেভেন স্টার ভাঁড়: http://www.ali-mahmed.com/2011/01/blog-post_08.html
৩. একজন নুলা মুসা এবং আমাদের মিডিয়া: http://www.ali-mahmed.com/2014/12/blog-post_19.html

Thursday, September 4, 2014

পুনর্মূষিকো ভব!

অবশেষে এক বছরের জন্য তসলিমা নাসরিনের ভারতীয় ভিসার মেয়াদ বেড়েছে। তসলিমার স্বপ্নপূরণ হলো। বাংলাদেশ তাকে ফিরতে দিত কি দিত না সে ভিন্ন প্রসঙ্গ কিন্তু আদৌ তসলিমা ফিরতে চান কি না?

পুরনো এই লেখাটায় [১] একজন পাঠক, ‘সায়ন’ তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন:
...আমি নিশ্চিত ওকে এসেসেফ নিরাপত্তা দিলেও এখন সে বাংলাদেশে আসবে না।” আমার কাছে এই মন্তব্যটা অতিশয়োক্তি মনে হয়েছিল। আমি নিশ্চিত ছিলাম তিনি রাগের মাথায় এটা বলেছিলেন। তাই গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কোনও কারণ নাই!

কিন্তু কখনও-কখনও বাস্তব ফিকশনকেও ছাড়িয়ে যায়- তসলিমা নাসরিন নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে যান! ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার পর তসলিমা সাফ-সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চান না। তার মুখেই শোনা যাক:
আমি ভারতেই থাকতে চাই। ...২০ বছরে বাংলাদেশ থেকে অনেক বন্ধু হয়েছে এই দেশে, যারা (আমার) ভাষাকে বুঝেছে। তাই এমন বন্ধু বা আত্মীয় আমি চাই না যারা আমার আবেগকে মুল্য দেয় না।

তসলিমা নাসরিন বিজেপির জন্য নিজের দেশকে বিকিয়ে দিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেননি। ‘লজ্জা’ নামের এক আবর্জনা প্রসব করেছিলেন। এর রেশ ধরে বিজেপি তসলিমাকে মাথায় তুলে রেখেছিল। দেবীর মর্যাদায়। বিজেপি তসলিমার ছবি দিয়ে শহর বিলবোর্ডে ছেয়ে ফেলেছিল। এই ব্যবস্থা অভূতপূর্ব!
পেছনের কথা ভিন্ন! বিজেপি বাবরি মসজিদ নিয়ে যে পুরীষ গায়ে মেখেছিল তা ধোয়ার জন্য তসলিমার 'লজ্জা' নামের সাবানটার খুব প্রয়োজন ছিল। সেই মহান সুযোগটা করে দিয়েছিলেন তসলিমা। তসলিমা নাসরিন দুনিয়ার খবর রাখেন কিন্তু এটা বিস্মৃত হয়েছিলেন বিজেপি কেবল বাপীই না পাপীও। বিজেপির হাতে লেগে আছে হাজার মানুষের রক্ত। সেই রক্তের স্রোত মাড়িয়ে তসলিমা বিজেপির সঙ্গে নেচেছেন। নাচ যখন শেষ হলা তখন বিজেপি কলার খোসার ন্যায় তসলিমাকে ছুড়ে ফেলল। ভিসার মেয়াদ বাড়াতে স্রেফ অস্বীকার করল।

তখন তসলিমা নাসরিন এক চোখে জল অন্য চোখে পানি নিয়ে টুইটারে টুইট করলেন, “আমার পায়র তলায় মাটি নেই।
পরে তসলিমা বিস্তর কান্নাকাটি একে-ওকে ধরাধরি করে অবশেষে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে সমর্থ হলেন। তসলিমাকে অভিনন্দন জানিয়ে এবং হালে তসলিমা যে ক্রমশ ‘শরম’ নামের জিনিসটা প্রসব করছেন তা ‘লজ্জা’-কেও ছাড়িয়ে যাক এই আশাবাদ ব্যক্ত করে লেখাটা এখানেই শেষ করছি।

এবার অন্য প্রসঙ্গ। প্রসঙ্গ আষাঢ় মাস। আষাঢ় মাস সবে শেষ হলো। আষাঢ় মাসে আষাঢ়ে গল্প হবে না তাই বুঝি হয়! এক অতি লাজুক মহিলা নাইন ওয়ান ওয়ান টাইপের জরুরি নাম্বারে ফোন করে কেবল ওই রাজ্যের পুলিশকেই ডাকলেন না বিশেষ ব্যবস্থায় পাশের রাজ্যের পুলিশকেও।
প্যাঁ-পোঁ সাইরেন বাজিয়ে দুই রাজ্যের পুলিশ হাজির। অভিযোগ কঠিন। পুরুষেরা বড়ো পাজি, বড়ো নচ্ছার! শহরের পুরুষেরা নগ্ন গাত্রে। কী সর্বনাশ-কী সর্বনাশ! কিন্তু শেরিফ এসেই বললেন, ‘হাউডি ম্যাম, আমি তো এমন কাউকে দেখলাম না’।
লাজুক মহিলা লজ্জার মাথা খেয়ে শেরিফকে বললেন, ‘বি...পুলিশ হয়েছেন। আসুন আমার সঙ্গে’। বলে উপরতলায় নিয়ে গিয়ে তর্জনি নাচিয়ে বললেন, ‘বা...পুলিশ আপনারা। এখন বলেন, এই সব কী’!
শেরিফ দেখলেন আশেপাশের দেওয়ালঘেরা বাড়িগুলোর সুইমিংপুলে কেউ-কেউ জলকেলি করছে এটা সত্য।
শেরিফ চিঁ চি করে বললেন, ‘কিন্তু এরা সবাই তো পানির নীচে। মগ্ন না নগ্ন তাও তো বুঝতে পারছি না’? আর হলোই বা’।
লাজুক মহিলা কথা কেড়ে নিয়ে ক্ষেপে গিয়ে বললেন, ‘আপনি ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করে দেখুন না ওরা পানি থেকে বের হলে তখন ঠিক দেখবেন...’।

অন্য রাজ্যের শেরিফের মেজাজ ভাল নেই কারণ তিনি ঝড়ের গতিতে চার ঘন্টার ড্রাইভ করে এসেছেন। তিনি মুখ লম্বা করে বললেন, ‘তো ম্যাম, সে যাই হোক। ইয়ে, এটা তো আর আমার এলাকা না। তা আমাকে ডেকেছেন কেন'!
লাজুক মহিলা এবার চিল চিৎকার করে বললেন, ‘আমি কি আপনার সঙ্গে ইয়ে...করতে ডেকেছি’!
বলেই তিনি অন্য রাজ্যের শেরিফের হাত ধরে হিড়হিড় করে টেনে ছাদে নিয়ে গেলেন। ছাদে ইয়া বড়ো এক টেলিস্কোপ। তিনি এদিক-ওদিক, ওপর-নীচ বিস্তর সময় ব্যয় করে টেলিস্কোপটা দূর-দূরান্তে স্থির করে বললেন, ‘দেখুন, এবার দেখে বলুন। আপনার রাজ্যের পুরুষেরা যে গোসল করছে এদের গায়ে কী একটা সুতোও আছে- হা, বলুন, আছে...’?

*১. একালের দেবী, তসলিমা নাসরিন: http://www.ali-mahmed.com/2012/08/blog-post.html

Wednesday, November 6, 2013

ধন্যবাদ শফিক রেহমান, আপনার পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য


...১৭ ও ১৮ জুলাই ২০১০-এ নিউ ইয়র্কে আমেরিকা-বাংলাদেশ-কানাডা কনভেনশন (সংক্ষেপে এবিসি কনভেনশন):
'প্রথমেই আমি এবিসি কনভেনশনের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই এই রকম একটি বিরাট আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের এক নেড়িকুকুরকে নিমন্ত্রণ করার জন্য থ্যাংক ইউঘেউ ঘেউ...।" -শফিক রেহমান



বিশ্বের বিখ্যাত-আলোচিত-ক্ল্যাসিক, মুভি, গান, বই, লেখা সম্বন্ধে যারা খোঁজ রাখেন তাদের অন্যতম শফিক রেহমান। যার রস বোধ তীব্র, প্রখর, অতুলনীয়...।
এ দেশে যে অল্প ক-জন আছেন, লেখক বানাবার মেশিন—তাঁদের মধ্যে অন্যতম, শফিক রেহমান! এমন একটা মানুষ নিজেকে নেড়ি কুত্তা বলে দাবী করলেই মেনে নেয়াটা কতটা যৌক্তিক হয় এ প্রশ্নটা থেকেই যায়?
অবশ্য এও সত্য, এই মানুষটাই যখন যাযাদিন সাপ্তাহিকে ভিনসেন্ট পিউরিফিকেশনের নামে তিনি অতি কুৎসিত রসিকতা করতেন [] তখন মানুষটার রুচিবোধ নিয়ে ঘোর সন্দেহ দেখা দিত। রসিকতা যখন একটা সীমা ছাড়িয়ে যায় তখন সেটা হয়ে উঠে নিতান্তই অরুচিকর, অন্যায়!
এখানে অবশ্য তার জোকার-মার্কা পোশাকের আলোচনায় গেলাম না কারণ কখনও তিনি যদি দু-পায়ে দু-রঙের মোজা পরেন তাহলে আটকাচ্ছে কে! বা কিছু পোশাকে তাকে যে বুড়া শকুনের মতো দেখায় সেটাও এখানে বলাটা জরুরি না।  

যাই হোক, দৈনিক নয়া দিগন্তে (১ নভেম্বর ২০১৩) শফিক রেহমান ১০ ওভারে হাসিনা-খালেদার টেলিম্যাচের ধারাবিবরণী নামে দু-পৃষ্ঠাব্যাপি দীর্ঘ এক লেখা লিখেছেন।
হাসিনা-খালেদার টেলিফোন সংলাপ নিয়ে টান-টান উত্তেজনায় ছিল সমগ্র দেশ। তবে পত্রিকায় তাঁদের যে আলাপচারিতা পড়লাম এই বিষয়ে আমার নিজস্ব মত হচ্ছে, কার পাল্লা ভারী-হালকা সেই প্রসঙ্গে আমি যাব না। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে, এই দুজন বছরের-পর-বছর ধরে এই দেশটার অতি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন বিধায় তাঁদের উপস্থাপনা, কথার ধাঁচ, সহিষ্ণুতা, প্রজ্ঞার উল্লেখযোগ্য তেমন কিছুই চোখে পড়েনি বরং অর্থহীন-খেলো বিষয় নিয়ে অধিকাংশ মূল্যবান সময়ের অপচয় হয়েছে। যেসব নিয়ে লেখাটা আমার কাছে কেবশব্দের অপচয়!

কিন্তু শফিক রেহমান লিখেছেন, দু-হাতে, দু-পৃষ্ঠায়! এই নিয়ে আমার গাত্রদাহ হওয়ার কারণ ছিল না কিন্তু যে হরতাল নিয়ে বারবার এখানে প্রসঙ্গ এসেছে সেটা নিয়ে তিনি টুঁশব্দও করেননি! আহ, হরতাল! বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন আওয়ামীলীগ শত-শত হরতাল দিয়েছে কিন্তু বিএনপি এক সেকেন্ড আগেও ক্ষমতা ছাড়েনি। এবার বিএনপিও যখন হরতালের-পর-হরতাল দিয়েছে আওয়ামীলীগও ক্ষমতা থেকে সরে আসেনি! তাহলে এই হরতাল, এই অসংখ্য প্রাণহানি, এই বিপুল অর্থের অপচয় কী ফল বয়ে আনল?
এই শফিক রেহমানই আমাকে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন, ...যাযাদি (ওরফে শফিক রেহমান) সবসময়ই হরতালের বিরুদ্ধে ছিল এবং আছে... []।
অথচ এখানে এসে গণেশ উল্টে গেল! তখন শফিক রেহমানের কাছে হরতাল হয়ে গেল করতাল! রেহমানের রহমতে খাদ্য গ্রহণ এবং বর্জন-মুখ একাকার হয়ে যায়...।

এবার তার লেখার মূল প্রসঙ্গ, ওই লেখায় তিনি কেবল একজনেরই দোষ খুঁজে পেয়েছেন—পাশাপাশি অন্যজনের কোনো দোষই খুঁজে পাননি! এবং শফিক রেহমানের কেবল একজনেরই এই যে দোষ খুঁজে পাওয়া এবং অন্যজনকে মহান বানাবার অতি হাস্যকর ভঙ্গি এতোটাই স্থুল যে এ নিয়ে আলোচনা করাটাও পন্ডশ্রম। দলের প্রতি দলবাজিরওএকটা সীমা থাকে- এই মানুষটা সেটাও অবলীলায় ছাড়িয়ে গেছেন।

এই মানুষটার 'গ্রে মেটার' ক্রমশ 'ইয়েলো মেটার'-এ পরিণত হয়! ইয়েলো মেটারে মাখামাখি হয়ে পড়ে থাকা শফিক রেহমানের মত অসম্ভব প্রতিভাবান মানুষটাকে দেখে আমার মন সত্যি সত্যি বিষাদে ভরে উঠে।
বিষাদের সঙ্গে এও বলি, তার অদৃশ্য লেজ দৃশ্যমান হয়! তার নিজের সম্বন্ধে তার জোরালো দাবী (ঘেউ-ঘেউ) নিয়ে যে সন্দেহটা আমার মনে ছিল সেই সন্দেহের অবসান ঘটাবার জন্য একটা ধন্যবাদ অবশ্য শফিক রেহমান (https://www.facebook.com/ShafikRehmanPresents) পাওনা হন...।

*সেকালের পন্ডিত এবং একালের বুদ্ধিজীবী, মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। এরাই শাসনের চোখ, কান! কিন্তু এরা যখন অনাবশ্যক লেজ নাড়াতে শুরু করেন তখন সেই শাসক হন অন্ধ এবং বধির। ফল যা হওয়ার তাই হয়।
আর সেই মানুষটা শফিক রেহমান নাকি গাফফার চৌধুরী তাতে কী আসে যায়!
"সুজীবং অহিরিকেন কাকসূরেন ধংসিনা,
পকখন্দিনা পগবভেন সঙকিলিটঠেন জীবিতং।"(ধম্মপদ, মলবগগো: ১০, ২৪৪)
বাংলাটা হচ্ছে, যে খাদ্যসংগ্রহে নির্লজ্জ কাকের ন্যায় ধূর্ত, পরের অনিষ্টকারী, দুঃসাহসী, প্রগলভ এবং কলঙ্কিত জীবন-যাপন করে; তার পক্ষে জীবিকা নির্বাহ অতি সহজ।

শফিক রেহমান নিজেকে নেড়িকুকুর হিসাবে দাবী না-করে ধূর্ত কাক হিসাবে দাবী করলেই সমীচীন হতো কারণ এই বুদ্ধবাণীর সঙ্গে অনেকাংশেই এই বুদ্ধিজীবীর মিল আছে। কেউ-কেউ বিক্রি হন ক্ষুধার জ্বালায় কিন্তু রেহমানদের মত মানুষ বিক্রি হন কুৎসিত কালো লকলকে জিবের কারণে- অতি লোভের ক্ষিধা, কেবল চোখের ক্ষিধা...।
  
সহায়ক সূত্র:

Saturday, January 8, 2011

সেভেন স্টার ভাঁড়

মুসা বিন শমসেরকে নিয়ে অনেক আগে লেখা হয়েছিল শুভ'র ব্লগিং-এ। সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে মুসা ঘটা করে আমাদেরকে যেটা জানিয়েছিলেন, ওখান থেকে খানিকটা শেয়ার করি:
"...

১. তার সম্পদের মূল্য ধারণা করা হয় ৩ বিলিয়নের বেশি।
২. মাঝে মাঝে তিনি তার ব্যক্তিগত জেট বিমান তার হাই প্রোফাইলের বন্ধুদের ধার দেন।
৩. টনি ব্লেয়ারকে ৫ মিলিয়ন পাউন্ড চাঁদা দিতে গিয়ে আলোচনায় আসেন।
৪. তিনি এক স্যুট কখনও দ্বিতীয়বার গায়ে দেন না, প্রতিটি স্যুটের মূল্য ৫ থেকে ৬ হাজার পাউন্ড। এমন স্যুট তার হাজার তিনেক। পোশাকের জন্য বছরে খরচ ৫ কোটি টাকা।
৫. এই লোক গ্রীসের ৭ তারা হোটেল কিনে নেয়ার পর, ওই দেশের পত্রিকায় ফলাও করে লেখা হয: মুসা কি গ্রীস কিনে নিচ্ছেন?
৬. লন্ডনে তার রয়েছে রোলস রয়েস।
৭. তার গুলশানের প্রাসাদোপম ভবনের আসবাবপত্র ইটালি থেকে আমদানি করা এবং প্রতি ৬ মাস অন্তর পরিবর্তন করা হয়। ওই ভবনে তার সেবার জন্য এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে ৫০ জন মানব, যারা সব সময় ডিনার জ্যাকেট পরে থাকে।
৮. এই অতি সুদর্শন মানুষটার জন্য ডায়ানা নাকি পাগল ছিলেন।

(তবে মুসার ছবি দেখে আমার মনে হয়েছে, মানুষটার মুখের ইয়া বড় যে আঁচিলটা আছে, ডায়ানা সম্ভবত এটার জন্যই পাগল ছিলেন। মহিলাগণ পাগল হলে আঁচিল তার কি কাজে লাগে এটা অবশ্য আমি জানি না। তবে আজিজ নামে আমার যে বন্ধু আছে তার ড্রাইভারের সৌন্দর্যের কাছে মুসা মিয়া নস্যি।)...।"

এই মানুষটা প্রথম আলোচনায় আসেন ৯৪ সালে যখন ব্রিটেনের লেবার পার্টিকে পাঁচ মিলিয়ন পাউন্ড চাঁদা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। লেবার পার্টি অবশ্য মুসার এই চাঁদা গ্রহন করেনি, সঙ্গত কারণেই। লেবার পার্টির ডেভিড ব্ল্যাংকেট বলেছিলেন, "...বাংলাদেশে এমন অনেক প্রকল্প আছে যেখানে প্রচুর টাকা প্রয়োজন। ডঃ শমসের ওখানে টাকা বিনোয়োগ করলে বাংলাদেশের দুর্গত মানুষের উপকার হবে"।
ওহো, বলতে ভুলে গিয়েছিলাম এই মানুষটা একজন ডক্টর খেতাবধারী। কোন বিষয়ে তিনি ডক্টরেট করেছেন এটা আমার জানা নাই। আমাদের দেশে অবশ্য বিচিত্র কিছু মানুষের এই উপাধি আছে। এদের মধ্যে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যানও একজন! তিনি কি বিষয়ে এই জিনিসটা বাগিয়েছেন এটাও আমার জানা নাই।
মুসা আরেকবার আলোচনায় আসেন যেবার বিটিভিতে মুসার জুতা দেখানো হয়েছিল, যে জুতায় হিরা বসানো ছিল। আমি সেই অভাগাদের একজন যাকে বিটিভিতে মুসার জুতা দেখতে হয়েছিল। নিজের কপালে নিজেই জুতাঘাত করার পর এক লেখায় আমি লিখেছিলাম, বিটিভি কি আমার ছেঁড়া চটি দেখাবে? এই জন্য যা টাকা লাগে দেব। প্রয়োজনে আত্মা বন্ধক রেখে টাকা যোগাড় করব...। 

তো, এখন পর্যন্ত মুসা এই দেশের দুর্গত মানুষদের জন্য কিছু করেছেন এমনটাও আমরা জানি না। তিনি শীতার্ত মানুষকে একটা কম্বলও দিয়েছেন এতেও আমার ঘোর সন্দেহ আছে। মানবজমিন (২০ ডিসেম্বর ২০১০) জানাচ্ছে, "মুসার নাকি সুইস ব্যাংকে ৫১ হাজার কোটি টাকা আটকে আছে। তিনি এই টাকাটা ফিরে পাওয়ার জন্য লাফালাফি-দৌড়াদৌড়ি করছেন। এখন তিনি চাচ্ছেন এই টাকাটা পেলে এই দেশের কল্যাণে খরচ করবেন। এখানে সাক্ষাৎকারে মুসার কেবল একটাই আবদার, সরকারের পক্ষ থেকে তার পরিবারকে 'সেভেন স্টার ফ্যামেলি' আখ্যা দেয়া হোক।"
ওহে, আর্মস ডিলার মুসা, আপনি এই দেশে এই টাকা খরচ করলে সেভেন স্টার কোন ছার আমরা আপনাকে ১৬ কোটি স্টার আখ্যা দেব। সয়্যার অন ইয়োরস...