Search

Saturday, March 14, 2026

দুধ ফেলে মুত খাওয়া জাতি!

 

ছোট-ছোট বাচ্চাগুলো এক ফোঁটা দুধের জন্য কী হাহাকার করছে অথচ এরা দুধ পানিতে ভাসিয়ে দিচ্ছে!

দুধ ফেলে এরা চুমুকে-চুমুকে মুত খাচ্ছে! শিক্ষিত সমাজ হয়তো মুত জিনিসটা  চট করে ধরতে পারবেন না—গরু যে মুত্র-বিসর্জন করে, ওটা। গরুরটা সম্ভবত মুত হবে না, হবে 'গোমুত'!

আমরা হলাম 'দুধ বেচে শুটকি খাওয়া জাতি' আর এরা হলো 'দুধ ফেলে মুত খাওয়া জাতি'! 

Friday, March 13, 2026

এই সমস্ত জন্তুগুলোকে আইনের খাঁচায় আটকানো আবশ্যক।

লায়লা-মামুন! বয়স্ক ধুমসি শিক্ষিত এক-মহিলা লায়লা, পোলা মতান্তরে নাতির বয়সি মামুনের সঙ্গে মাসের-পর-মাস, বছরের-বছরের পর ধরে খুল্লামখুল্লা যা করে গেল এ অকল্পনীয়! তাও বিবাহ-বহির্ভুত! বাংলাদেশে!

মোশকাত-তিশা! বিবাহিত কিন্তু একই ঘটনা! আচ্ছা, এই চুতিয়াদের কি পরিবার-পরিজন নাই!

এই যে, আরেকটা! মনিকা কবীর, এটা এসেছে রাশিয়া থেকে। এর সাথে আবার প্রায় সময়ই মা থাকে! মধ্য-রাস্তায় পোশাক পরিবর্তন, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে নাচানাচি করা, গায়ে পড়ে লোকজনের সাথে ঝগড়া লাগনো—সেটা আবার সোশ্যাল মিডিয়ার জাঁক করে বলে বেড়ায়!

তনি নামের এই মহিলা অফ-লাইন অন-লাইনে কাপড় বেচে। যতটা না বিক্রির জন্য হাত চলে তার চেয়ে চলে এর মুখ! খিস্তিখেউড় বস্তিবাসীকে ছাড়িয়ে যায়!

এডলফ খান নামের এই পুরুষ(!), এ নাকি বঙালদেশের সুদর্শন পুরুষ! 

রুমি কারিম নামের এই পুরুষ(!), এ নাকি ডিজাইনার! কোন চুতিয়ারা এদের পুরস্কার দেয়!
আর শুয়োরের ছানা মিডিয়াগুলোও! এই মিডিয়াগুলো পারলে এদের ইয়েতে বুম নিয়ে ঢুকে যাবে।
দেশে এখন কাক বেশি না মিডিয়া এটা গবেষণার বিষয়:


এটা কালের কন্ঠের মারাত্মক লেভেলের একটা খবর! এই খবরের এই জন্তুদের দেখা মেলে কেবল ইদ আসলে। প্রতিবার ইদের বাজেট ৪/৫ লাখ টাকা! ভাল কথা, এ 'টম-ফোর্ড' গায়ে না-মেখে কী চুলে দেয়! 
আর এর বাপ কত টাকা ট্যাক্স দেয় এটা আমাদের আয়কর বিভাগের পেটমোটা স্যারদের দেখা অতীব জরুরি।
যে দেশে সবচেয়ে বেশি দূর্নীতি হয় রমজান মাসে (ঘুষখোর শুয়োরের বাচ্চারা রোজা রেখে দেদারসে ঘুষ খায় বরং ইদ সামনে রেখে বেশী-বেশী খায়!) সেই দেশে ইদ নিয়ে এই সমস্ত নোংরামি হবে এ আর বিচিত্র কী! এই দুই ইদকে সামনে রেখে কতশত মানুষের চোখের জল ভেসে যায়, নর্দমায়! অথচ আগের ইদগুলো এমন ছিল না।

*(বাই দ্য ওয়ে, কালের কন্ঠ লেখার সময় আমি ভয়ে-ভয়ে থাকি। ভুলে 'ক'-এর স্থলে 'ব' লিখে ফেললে সর্বনাশ!)


বয়স্ক এই মানুষটাকে চুরির সন্দেহে নির্মম ভাবে এরা যেভাবে পেটাচ্ছে আমি নিশ্চিত, এরা আদি-অকৃত্রিম জন্তু!

** এই লেখাটা অসমাপ্ত। সময়ে-সময়ে চরিত্র যোগ হবে।



Wednesday, March 11, 2026

একজন ধর্মীয় শিক্ষক আমাদেরকে যা শেখান।

এই শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক প্রধানমন্ত্রীর একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া সবার সংগে পরিচিত হন।


তিনি তারেক জিয়ার মাথায় হাত দিয়ে রেখেছেন—এতে কোনও সমস্যা নেই। বয়সে ছোট হলেও একজন ধর্মীয় শিক্ষক এটা করতেই পারেন। কিন্তু...!

একটা গুরুতর কিন্তু আছে! সবাই উঠে হোস্ট এবং প্রধানমন্ত্রীকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন কিন্তু ব্যতিক্রম কেবল আব্দুর রাজ্জাক! তিনি সব কর্মকান্ড বসে-বসে করেছেন!

এটা খুবই সাধারণ শিষ্টাচার—কেউ আপনার সংগে দাঁড়িয়ে কথা বললে আপনি দাঁড়িয়ে কথা বলবেন। অবশ্য যাদের পা নাই তাদের জন্য এই শিষ্টাচার খাটে না। যতদূর জানি আব্দুর রাজ্জাক সাহেব আল্লাহর রহমতে সুস্থ-সবল একজন মানুষ—আলহামদুলিল্লাহ।

হয়তো ধর্মীয় আচারের কারণে তিনি এটা করেননি! জেনে ভাল লাগল।


কিন্তু এখানে শায়েখের বসে না-থেকে দাঁড়িয়ে থাকাটা দেখতে ভাল লাগছে না! চোখে লাগে, বসে যান-বসে যান...!

এমনিতে আমাদের এই ধর্মীয় শিক্ষক আমাদেরকে যা শিক্ষা দেন:


এখানে তিনি বলছেন:

"নারীর জন্ম কলঙ্ক...  অমঙ্গল...কুলক্ষণ...নারীর আত্মা নেই...স্বামী স্ত্রীকে বিক্রি করতে পারে...স্ত্রী হচ্ছে বাড়ির সম্পদ...!"

সবিনয়ে বলি, আমি ধর্মীয় শিক্ষক মহোদয়ের সাথে একমত হতে পারছি না। নারীর জন্ম না-হলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমস্যা নাই কারণ তিনি তার জন্ম বায়োলজিক্যাল বলে মনে করেন না!


কিন্তু আব্দুর রাজ্জাক সাহেব বা আমাদের জন্য তো বিপদ, মহাবিপদ! ওরে, আমাদের জন্ম আটকে যাচ্ছে যে!


এই ধর্মীয় শিক্ষক বলছেন, নারীরা চাকরি করতে পারবেন না। পর্দা করেও বাজারে যেতে পারবেন না! না মানে, না—কাভি নেহি!

এমন অসংখ্য বয়ান আছে এই ভদ্রলোকের। একটা আরেকটাকে ছাড়িয়ে যায়!

অথচ নবীর সময়ে একজন নারী নবীকে লক্ষ করে ছোড়া তীর নিজের উপর নিয়ে নবীকে রক্ষা করেন []। তীর কোথায় চলে, রান্নাঘরে নিশ্চয় না?

"...উহুদের যুদ্ধে রাসুল (সা.)-কে নুসাইবা (রা.) রক্ষা করতে গিয়ে তীরের আঘাত শরীর পেতে নিয়েছিলেন। সেই তীরের আঘাত নেয়ার জন্য নুসাইবা (রা.) সেখানে রাসুল (সা.) এর ফিজিক্যাল প্রক্সিমিটিতে উপস্থিত ছিলেন।
হঠাৎ করে উড়তে-উড়তে ঠিক তীরের আঘাতের সময় এসে তীরের আঘাত তিনি শরীর পেতে নেননি, তা নেয়ার জন্য ওখানে উনার উপস্থিতি ছিলো, এ নিশ্চিত।

শুধু নুসাইবা (রা.) একলাই না, আরো মেয়ে সাহাবারা ছিলেন। রাসুল (সা.) অলমোষ্ট যত পাবলিক স্পেইসে ছিলেন, মেয়ে/ মহিলারাও একই পাবলিক স্পেইসে ছিলেন। তারা অদৃশ্য ছিলেন না।"

সূত্র:
১. ডিয়ার জামাতে আমির...:  https://www.ali-mahmed.com/2024/11/blog-post.html?m=1


Saturday, March 7, 2026

৭ মার্চের ভাষণ বনাম আওয়ামি শাসন!

আমার হাজার-হাজার লেখার মধ্যে  মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শতশত লেখা আছে কিন্তু একটা লেখাও সাবেক প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবর রহমান বা জিয়াউর রহমানের স্তুতি-লেখা নাই! তাঁদের প্রতি অশ্রদ্ধার কারণে এমনটা কিন্তু না। এই বিষয়ে আমার সবিনয় যুক্তি হচ্ছে, এঁদের নিয়ে লেখার জন্য হাজার-হাজার লোক আছেন।

আমি না-হয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধে একজন শুয়োর-চড়ানো বীরপ্রতীক, একজন সুইপার, একজন ঠেলা-চালানো কমান্ডো এদের নিয়েই লিখলাম [১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ১৫]

এ সত্য, সাহিত্য মানেই যেমন ইংরাজি ভাষার সাহিত্য, মুভি মানেই যেমন হলিউডের তেমনি মুক্তিযুদ্ধ মানেই আওয়ামী লীগ। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে আওয়ামীলীগ-করা অধিকাংশ মানুষের মুক্তিযুদ্ধে অবদান নেই!


এরা যেমন গোটা মুক্তিযুদ্ধকে ছিনতাই করেছে, ৭ মার্চের ভাষণও! ৭ মার্চের ভাষণ হরেদরে জায়গায়-কুজায়গায় শব্দদূষণ করে বাজিয়ে সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে ফেলেছিল অথচ ৭ মার্চের ভাষণ ব্যতীত আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম কল্পনা করা যায় না। অবাক এক দেশ যেখানে আজ ৭ই মার্চের ভাষণ বাজে না কোথাও...!

কী অদ্ভুত একটা দেশ!

৭ মার্চের ভাষণ কী নিষিদ্ধ? বা ৩২ নাম্বার বাড়ি কী নিষিদ্ধ বাড়ি!


এই মানুষটাকেও কী সন্ত্রাসী আইনে গ্রেফতার করা হবে?

কারণ এই মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা দেওয়া হয়েছে, জুতা দিয়ে পেটানো হয়েছে
... ... ... 
যাক, শেষপর্যন্ত জানা গেল ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো, এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ!


... ... ...
৭ মার্চের ভাষণ কেবল আওয়ামী সম্পত্তি বা দেশের সম্পত্তি না, এই ঐতিহাসিক ভাষণ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো কর্তৃক “মেমোরি অফ দি ওয়ার্ল্ড” (Memory of the World) বা বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। 
আমরা অনেকে এটাও জানি না যে সু-অভিনেতা আবুল খায়েরের আছে বিপুল অবদান:

-সূত্র:

১. সাদী মহাম্মদhttp://www.ali-mahmed.com/2013/07/1971.html

২. মশিহুর রহমানhttp://www.ali-mahmed.com/2009/10/blog-post_06.html
৩. সুরুয মিয়াhttp://www.ali-mahmed.com/2007/06/blog-post_28.html
৪. উক্য চিংhttp://www.ali-mahmed.com/2007/06/blog-post_8752.html
৫. ভাগিরথীhttp://www.ali-mahmed.com/2007/06/blog-post_6057.html
৬. প্রিনছা খেঁhttp://www.ali-mahmed.com/2009/01/blog-post_27.html
৭. রীনা: http://www.ali-mahmed.com/2007/06/blog-post_7644.html
৮. দুলা মিয়াhttp://www.ali-mahmed.com/2009/04/blog-post_08.html
৯. মুক্তিযুদ্ধে, একজন ঠেলাওয়ালাhttp://www.ali-mahmed.com/2009/04/blog-post_18.html 
১০. মুক্তিযুদ্ধে  সুইপার: http://www.ali-mahmed.com/2007/06/blog-post_8807.html
১১. নাইব উদ্দিন আহমেদhttp://www.ali-mahmed.com/2007/06/blog-post_2292.html
১২.  একজন ট্যাংকমানবhttps://www.ali-mahmed.com/2010/03/blog-post_03.html  
১৩. ফাদার মারিনো রিগনhttp://www.ali-mahmed.com/2009/01/blog-post_7597.html
১৪. শুয়োর চড়ানো একজন বীরপ্রতীক...:  https://www.ali-mahmed.com/2013/07/blog-post_1.html?m=1
১৫. লালুhttp://www.ali-mahmed.com/2009/01/blog-post.html