Search

Friday, April 10, 2026

সালাউদ্দিন আম্মার নামের জঙ্গি!

আম্মার রাবির জিএস হওয়ার পর তার উদযাপন, লুঙ্গি-ড্যান্স:


এর মুখের ভাষা!
বড় বিচিত্র এই দেশ! নারীদের স্পর্শকাতর যে অঙ্গ নিয়ে এ কুৎসিত গালি দিচ্ছে সেই নারীরাই গা দুলিয়ে এর সঙ্গে গলা মেলাচ্ছে!

এর ভঙ্গি দেখে মনে হয় সমস্ত আইলের ঊর্ধ্বে চলে গেছে। শিক্ষক-ডিনদের পদত্যাগপত্র নিজেই লিখে নিয়ে এসেছে!

রাবির রেজিস্ট্রার বললে বাধ্য হয়েছেন, এ যে একটা বেয়াদব।

বাকস্বাধীনতা মানে এই না আপনি যা খুশি করার লাইসেন্স পেয়ে গেলেন। বিভিন্ন রাজনীতিবিদদের কার্টুন-ক্যারিকেচার আঁকা দোষের না কিন্তু এই জঙ্গি আম্মার যেটা করেছে:
আবার এই জঙ্গি প্রভোক করছে, "বাক-স্বাধীনতার আরেক নাম শেখ তারেক রহমান..."!




Wednesday, April 8, 2026

শিরীন শারমিন—মসজিদের স্পিকার চুরি...!

 

যদিও Warrant of Precedence অনুযায়ী একজন স্পিকারের নাম্বার হচ্ছে, তিন। কিন্তু সংসদে, তার অনুমতি ব্যতীত প্রধানমন্ত্রীও বলতে পারেন না!

যাই হোক, আমরা আরেকটা 'আরবিট্রারি ডিটেনশন'-এর নমুনা দেখলাম। ইউনূসের আমলে অবশ্য আমরা অনেক দেখেছি। ইউনূস নিজেই মব-সর্দার ছিলেন! তেলতেলে গা দুলিয়ে-দুলিয়ে মবের উস্কানি দিতেন। কিন্তু এখন তো নির্বাচিত সরকার!

সাবেক স্পিকার নাকি কাকে যেন হত্যার চেষ্টা করেছেন। তার সঙ্গে আর কতশত লোক জড়িত ছিলেন বা শিরীন শারমিন কি অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন, ড্যাগার-পিস্তল নাকি আস্ত কামান নিয়ে গিয়েছিলেন তার বিস্তারিত জানা যাচ্ছে না:
সাবেক স্পিকারকে আদালতে নিয়ে যা করা হয়েছে তা স্রেফ একটা দেশের নগ্নতা! এই গ্রহে এতো বাতাস অথচ এই মানুষটার এক ফোঁটা বাতাসের জন্য কী হাহাকার! এই দেশ অভিশাপে এখনও ভেসে যায়নি, এটাই ঢের!

ভাবা যায়, সিএমএম কোর্টে বিচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় একজন প্রধান বিচারপতি [], একজন স্পিকারকে। তাও যেটা পুরানো ঢাকায় অবস্থিত। সব সময় এখানে মাছ বাজার লেগেই থাকে।
বড় বিচিত্র একটা দেশ! আমাদের ল-অফিসার এজলাসের ভেতর ফটোসেশান করে! এই দেশে 'আইনের শাসন' এরচেয়ে হাস্যকর আর কোন শব্দ নাই!

ভাল কথা, আওয়ামী-স্পিকার এই অপরাধে শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়ে থাকলে আওয়ামী-প্রেসিডেন্ট মি. চুপ্পুকে আটক করা হবে না কেন? নাকি এখানে অন্য হিসাব? 
মি. চুপ্পুর মেয়াদ শেষ করার পর ক্ষমতাশীনদের নতুন প্রেসিডেন্ট আসবেন। এবং দলের মেয়াদ শেষ হলেও নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় থেকে যাবেন!

আওয়ামী শাসনামলের খুনি-ডাকুদের বিচার না-করে কেবল আওয়ামীলীগের সময়কার সব চিহ্ন মিটিয়ে ফেলতে চাইলে প্রথমে শুরু করতে হবে বিগত ১৫ বছরে জন্মানো গাছগুলো দিয়ে। কারণ এগুলো আওয়ামীগাছ! জড়-সহ উপড়ে ফেলতে হবে...!

আচ্ছা, কোন ইডিওটের মাথা থেকে এই সব আইডিয়া বের হয়! সাবেক স্পিকারকে খুনের মামলায় অভিযুক্ত করা? এগুলো এখন আর পাবলিক খায়? পাগল, এ আমি বিশ্বাস করি না!
শোনেন, তারচেয়ে বরং সাবেক স্পিকারকে মসজিদের স্পিকার চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত করুন। এর সঙ্গে জুড়ে দিন স্পিকার চুরির কারণে মসজিদের আযান শোনা যায়নি! যেটা ধর্মপ্রাণ মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এনেছে। ২টা অভিযোগ, চুরি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত—ডাবল ব্যারেল বন্দুকের গুলি। ২টা গুলি মিস হওয়ার চান্স নাই!
ব্যস, কেল্লা-ফতে।

তবে...মসজিদের খাম্বা বেয়ে একজন স্পিকার তরতর করে উঠে যাচ্ছেন এটা কল্পনা করাটাও একটা কল্পনা...!

সূত্র:
১. প্রধান বিচারপতি এবং মুরগি চুরি ...https://www.ali-mahmed.com/2025/07/blog-post_26.html?m=1
২. মহামান্য রাষ্ট্রপতি...https://www.ali-mahmed.com/2026/02/blog-post_24.html?m=1


Tuesday, April 7, 2026

একজন হান্নান মাসউদ।

সাংসদ হান্নান মাসউদ পুর্বে টিউশনি করে মাসে ৭০-৮০ হাজার টাকা আয় করতেন!
এই দেশে অতি চৌকশ ব্যতীত, বিশেষ করে ইংরেজি শিক্ষক ব্যতীত কয়জন মাসে-মাসে নিজে পড়ে, অন্যকে পড়িয়ে এই টাকা উপার্জন করতে পারে এ এক বিস্ময়। এমন টিউশনি আমি নিজেও করতে চাই।
আর মাশাল্লা, হান্নান মাসউদের যে ইংরেজি বাচন-জ্ঞান তা অভূতপূর্ব!

মানুষের দেশের বাড়িতে একটা পুকুরই সামলাতে হিমশিম খেতে হয়। 
আর হান্নান মাসউদের দেড় একর একক বাড়ির মধ্যে এখন পুকুরই আছে তিন-তিনটা!
অথচ ৫ আগস্টের পর-পরই আমরা শুনেছিলাম গ্রামের সবচেয়ে ভাঙা ঘরটা হান্নান মাসউদদের!
নির্বাচনী হলফনামায় তিনি সম্পদ দেখিয়েছেন ৭৮ লক্ষ টাকা!

জুলাইয়ে যারা আহত হয়েছিলেন তাঁদেরকে সরকারের তরফ থেকে জাতীয় সংসদে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এটা একটা অসাধারণ কাজ হয়েছে:

সংসদে হান্নান মাসউদের এঁদেরকে দেখে আনন্দিত হওয়ার কথা কিন্তু তিনি যে তর্জনী দিয়ে এদের শাসাচ্ছেন মনে হচ্ছে এ এক অশ্লীল তর্জনী!
তা হান্নান মাসউদ কেন ক্ষেপে গেলেন?
ওহো, এই তাহলে কাহিনী!
মাসউদরা চাচ্ছে এঁরা সর্বদা রাজপথেই থাকুক। 'এই রাজুতে আয়', বলা মাত্র যেন চলে আসতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া পরে এঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন, মমতা দেখিয়েছেন। গুড জব, প্রাইম মিনিস্টার!
 

Friday, April 3, 2026

মীরজাফর, সেকাল-একাল!

 


ভারত মীর জাফরের বংশধরের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে; নাতি-পুতি, পুতি-তস্য পুতি, তা প্রায় ১৫০ জনের অধিক!
আহা, ভারত নীতিবোধ দেখে এক চোখে পানি, এক চোখে জল চলে এলো। এমনিতে 'মীর জাফর' নামটি ঘৃণ্য কেন তা একটা বাচ্চাও জানে। অন্তত 'মীর জাফর' বললে বুঝতে পারে এর সঙ্গে 'কু' জড়িত! 
মীর জাফর যে ভয়াবহ অন্যায় করেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা, সহজ করে বললে দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন। নইলে, কে জানে, হয়তো আমাদের ইতিহাস অন্য ভাবে লেখা হতো।

কিন্তু কথা হচ্ছে, একালের মীর জাফর কী নাই! আছে তো, দেশে-দেশে! আমাদের বংগালদেশেও আছে। কিন্তু যেহেতু সেকালের মীর জাফরের নিবাস ভারতে এবং ওই একজনের পাপে তার চৌদ্দপুরুষকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে; তা ভারতে মীর জাফর নাই!

মোদি যে দেশের মান-সম্মান-আত্মসম্মান সব বিকিয়ে দিয়েছেন—'সেকালের মীর জাফর' রাণীর পায়ে আর 'একালের মীর জাফর' রাজা ট্রাম্পের পায়ে।
না, এটা আমার কথা না; রাহুল গান্ধীর কথা। আহা, রাহুল গান্ধীর কথা তো আর বেদবাক্য না।
মহান এপস্টিন ফাইলে মোদিজির নাম এসেছে, বারবার। এটাও আমার কথা না।

আর মোদিজি ট্রাম্পকে স্যার-স্যার করে মুখে ফেনা তুলে ফেলারই কথা! সরি টু সে, এটাও আমার কথা না! ট্রাম্পের মুখের কথা—অবশ্য ট্রাম্পের মুখ কোনটা এটা একটা গবেষণার বিষয়। আমার সেই মেধা নেই, বয়সও নেই নইলে এই বিষয়ে একটা পিএচডি বাগিয়ে নিতাম।

যাইহোক, মোদিজি যে নেতানিয়াহু-ইসরালকে ফাদার-ফাদারল্যান্ড বলবেন এতে অবাক হওয়ার কী আছে! এটাও মোদিজির নিজের মুখে কথা! আমার না...! 

ফাদারল্যান্ড-মাদারল্যান্ড, আমার জন্মের পূর্বে, এদের বিবাহ হয়েছিল সম্ভবত, আমার দেখার সুযোগ হয়নি! এরপরই 'গরুল্যান্ড' জন্ম নিল। এবং গো-মুত্র দিয়ে গরুল্যান্ড বিশুদ্ধ হলো []।

তা ওদের পার্লামেন্টেই এই নিয়ে যা বলা হচ্ছে:

তবে বিষাদের সঙ্গে বলি, এটা আমার কথা। তা একালের 'মীর জাফর' মোদির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে না?

সূত্র:
১. গো-রক্ষা, বেলের শরবত...: https://www.ali-mahmed.com/2009/04/blog-post_289.html?m=1