Search

Wednesday, October 7, 2026

আমাদের 'বি চৌধুরী'—এক নক্ষত্রের বিদায়!

আবুল কাসেম মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা চৌধুরী—যিনি বি, চৌধুরী নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন।

আমাদের দেশের অসাধারণ একজন মানুষ! যেমন অসাধারণ ডাক্তার তেমন একজন বাকনিপুন-বাকপটু...! কী ছিলেন না তিনি?

 ভিডিও ঋণ: মাহি বি চৌধুরী

জীবনে কোন ভুল করে থাকলে সেটা হচ্ছে রাজনীতিতে আসা...। বিএনপির পররাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির 'পুতুল রাষ্ট্রপতি' হতে না-চাওয়ার কারণে  তাঁকে রাষ্টপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল!

কেমনতরো পুতুল, পুতুল রাষ্ট্রপতি হতে হয়! আমাদের দেশে একজন রাষ্ট্রপতিকে ক্রমশ একজন দলের লোক  হতে হয়!

সাবেক রাষ্টপতি বি চৌধুরীর সাথেও বিএনপির মতের মিল না-হওয়ার মূল কারণ ছিল—২০০২ সালের ৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবরে না-যাওয়া!

একটা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি নিরপেক্ষ থাকতে চেয়েছিলেন। তাঁর কবর-মাজার পরিদর্শনে না-যাওয়ার সিদ্ধান্ত একশো ভাগ সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। তিনি তো বিএনপির রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, ছিলেন গোটা রাষ্ট্রের।

এমনিতে কবর ওরফে মাজার জিয়ারতের নামে যেটা হয় তা এক অসভ্য প্রতিযোগিতা।
কল্পনা করা যায়, এরাও মানুষ! আচ্ছা, এদের পরিবার নাই—ওরা দেখে না এসব!

আহ, বি চৌধুরী নামের এই মানুষটাকে অমর্যাদার সঙ্গে কেবল বিদায় দেওয়া হয়নি; হেনেস্তাও করা হয়েছিল, চরম হেনেস্তা! পান্ডারা তাঁর উপর মটরসাইকেল তুলে দিয়েছিল, লাঞ্চিত করেছিল।

ছবি ঋণ: প্রথম আলো, ১২.০৩.০৪


Monday, October 5, 2026

মেজর আখতারুজ্জামান, 'বহু মুখ'-এর অধিকারী!

যিনি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জন বা (মেজর আখতারুজ্জামান) নামে অধিক পরিচিত।

আমাদের প্রজন্মের কাছে তিনি পূর্বে কোন দল করতেন তা ছাপিয়ে যায়, তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা! আমাদের বড় আবেগের জায়গা। এই মানুষটাই তখন ব-ড়-ড় মুখ করে মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযুদ্ধ বলতেন:

দেশ তখন উত্তাল—কোটা বিষয়ে সে সময়ে শেখ হাসিনাকে নিয়ে যে ভঙ্গিতে, যে মুখে ডিফেন্ড করছেন তা সম্ভবত তাকেই মানায়! 

এখানে আমরা দেখছি জামায়েত ইসলামি-কে তিনি যে মুখে বাংলা সাবান (এই প্রজন্ম এটা চিনবে না, সাবানটা গোল হত) দিয়ে ধুয়ে দিচ্ছেন! ধোপাও সম্ভবত লজ্জা পাবে!
জোকস এপার্ট—তিনি জামায়েত ইসলামিতে যোগ দিয়েছেন। এখন এদের নিয়ে যে মুখে সুন্দর-সুন্দর কথা বলেন! 
আহা, স্যারের একটা মুখ দৃশ্যমান, অন্যগুলো অদৃশ্য! 

হালে বিমানবন্দরে অসঙ্গতি নিয়ে যে মুখ করে, কথা বলতে গিয়ে তিনি যে আচরণ করেছেন তা ভীতিকর!
যে ভঙ্গিতে হেলমেট ছুড়ে মারলেন এটায় কারও মাথা ফেটে গেলে তো আরেক ধারা যোগ হতো!

ছিল জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন—বেকুব সরকার নিয়ে গেল কয়েদখানায়!




Saturday, October 3, 2026

সেলাম জানাই গো—'মুন এলার্ট', 'ওয়ালটন'!

Mun Alert:  (https://www.facebook.com/share/19X2ev8aB1/)

"কোন শিশু নিখোঁজ বা হারিয়ে গেলে মুহূর্তে শিশুটির তথ্য ভেসে উঠবে দেশজুড়ে ৭০০+ ওয়ালটন প্লাজার ডিসপ্লেতে থাকা টিভির স্ক্রিনে। চলুন জেনে নিই মুন অ্যালার্ট ও ওয়ালটন প্লাজার এই পার্টনারশিপ কিভাবে কাজ করবে ।

একটি শিশু নিখোঁজ হলে প্রথম ৩ ঘণ্টা সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে প্রতিটি সেকেন্ড মিনিটকে কাজে লাগাতে হবে শিশুকে নিরাপদে উদ্ধারের জন্য । বাবা মা পরিবার ও পুলিশের পাশপাশি কমিউনিটিকে যুক্ত করতে হবে নিখোঁজ শিশুটিকে খোঁজার এই মিশনে । 

কোন শিশু হারিয়ে গেলে আপনি শিশুটির ছবি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য নিকটস্থ Walton Plaza জমা দিলেই মুহূর্তে ছড়িয়ে যাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। অথবা আমরা প্রায় ফেসবুকে দেখি রাস্তায় কোন শিশুকে কান্না করতে যে তার বাবা মাকে হারিয়ে ফেলেছে মোবাইল নাম্বার বা ঠিকানা ঠিকমত বলতে পারছে না। এমন পরিস্থিতে আপনি থানা অথবা নিকটতম ওয়ালটন প্লাজায় শিশুকে নিয়ে গেলে সাহায্য পাবেন। মুন অ্যালার্ট এর ভলান্টিয়রা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করবে। এছাড়া আমাদের টোলফ্রী হেল্পলাইন  13 2 19 নম্বরে কল করে তথ্য দিলেও হবে।

একই সঙ্গে শিশু নিখোঁজ প্রতিরোধে বিভন্ন সচেতনতা মূলক উদ্যোগ গ্রহন করা হবে এই লক্ষ্যে গত (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে ওয়ালটন প্লাজা এবং মুন অ্যালার্টের মধ্যে এক পারস্পরিক সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান এবং মুন অ্যালার্ট এর প্রতিষ্ঠাতা প্রতিষ্ঠান জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সাদাত রহমান।

এই মুহূর্তে স্বল্পপরিসরে চালু করা হয়েছে অতিদ্রুত দেশব্যাপি ব্যাপক পরিসরে বাস্তবায়ন করা হবে। ওয়ালটনকে বিশেষ ধন্যবাদ আমাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য এইভাবে আমরা সকলে মিলে এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো যেন ১টি শিশু এক মুহূর্তের জন্য হারিয়ে না যায় ।"




#Zero_Missing_Children

লেখা: Mun Alert:  (https://www.facebook.com/share/19X2ev8aB1/)

...

বাচ্চারা কিভাবে হারায় তার একটা অসাধরণ প্রতিবেদন পাওয়া যাবে এখানে:


ভিডিও ঋণ: The Daily Star




Friday, October 2, 2026

'আমরা ভাইরাল' এবং মামুনুর রশীদের রুচির দুর্ভিক্ষ!

মামুনুর রশীদ হালে একটা নাটক করেছেন যেখানে তিনি কমবয়সী একটা মেয়েকে বিয়ে করেন। এই নাটকটিকে পাবলিককে খাওয়াতে বেচারা মামুনুর রশীদকে অনেক কেরামতি করতে হয়েছে। চিকন-চিকন ঠ্যাং (দৃশ্যমান ১টা কিন্তু বাস্তবে ২টা) বের করতে হয়েছে!

কত কিছুই না করতে হয়েছে! অবশ্য নাটকের জন্য এইসব করা যেতেই পারে, এটা বিষয় না।

এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি আবার এই প্রসঙ্গে পেট নাড়িয়ে হাসতে-হাসতে বলছেন, 'গুজবপ্রিয় বাঙালি'! এটার আবার তিনি নাম দিয়েছেন প্রমোশনের জন্য! 

ঠিক ধরেছেন, স্যার, আমরা সাধারণ মানুষ, শ্লা, 'বেকুব গুজবপ্রিয় বঙাল'! আহা, আপনি তো বি-রা-ট রুচিশীল মানুষ, তাই না? এই আপনিই তো বাণী দিয়েছিলেন হিরো আলমকে নিয়ে, 'রুচির দূর্ভিক্ষ' [১]! বেশ-বেশ! কিন্তু আপনার ইয়েতে এত জোর নাই যে মিডিয়া টাইকুন মাহফুজুর রহমানের গান নিয়ে এই কথাটাই বলেন। 

এখানে মামুনুর রশীদের কো-আর্টিস্ট (নাটকে যাকে বিয়ে করেছিলেন) এমন করে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন যেন তিনি এবং মামুনুর রশীদ সত্যি-সত্যি বিয়ে করেছেন!

আমরা ক্লিকবেইটের সঙ্গে  পরিচিত! 'সাকিবুল হাসান এটা কী করলেন' বা 'অমুক নায়িকা কেন ইয়ে খুললেন'! ক্লিক করে দেখা যাবে ফালতু তথ্য দিয়ে ভরা—কাজের কথা কিছুই নেই! অথবা মামুন-লায়লা, তিসা-মোস্তাকের নষ্টামি নিয়ে [২] আমরা গা করি না! অবশ্য এদেরকে গুরুত্ব না-দিয়ে আমরা এদের মত অসংখ্য ভাগাড়ের পোকা তৈরি করেছি।

কিন্তু তাই বলে মামুনুর রশীদ! সিরিয়াসলি? এই যে তার কো-আর্টিস্ট যা বলছে বা অন্যত্র যা হচ্ছে তা তিনি জানেন না এটা বিশ্বাস করা কঠিন। আসলে তিনি এই খ্যাতি (পড়ুন, ভাগাড়ের খ্যাতি) উপভোগ করছেন। তার ভাষায় এটা নাটককে কেবল নাটকীয় করাই না, প্রমোশনাল কাজ! 

আহা, নাটকের নাম, 'আমরা ভাইরাল'! কতটা অরুচিকর হলে মামুনুর রশীদের একটা নাটকের নাম হয়, 'আমরা ভাইরাল'। অন্যদের কথা জানি না কিন্তু আগামীতে মামুনুর রশীদের কোন নাটকের নাম যদি হয়, 'আমরা চুতিয়া', আমি অন্তত অবাক হব না...। 

...

লেখাটা এখান এসে সমাপ্ত হলে ভাল লাগত কিন্তু মামুনুর রশীদের মেয়ের আবেগঘন এই ভিডিও ক্লিপটা এক্ষন-মাত্র দেখে মনটা বিষন্ন হলো!

আহারে, যদি পারতাম, যদি পারতাম এমন একটা কঠিন লেখা না-লিখতে। বেশ হত—কিন্তু পারা যায় না! ১ হাজার মামুন-লায়লা-এডলফ-রুমি কারিম মিলে যতটা না অরুচিকর কর্মকান্ড করছে একা মামুনুর রশীদ সেটা করে দেখালেন। আমাদের বড় আবেগের জায়গাটা নষ্ট করে দিলেন!

আচ্ছা, শ্রদ্ধেয় মামুনুর রশীদ, আপনি আপনার মেয়ের চোখে চোখ রাখেন কেমন করে! বুকে হাত দিয়ে বলেন তো, লাজ হয় না?

সূত্র:

১. মামুনুর রশীদের রুচির দুর্ভিক্ষ: https://www.ali-mahmed.com/2024/04/blog-post.html?m=1

২. এই সমস্ত জন্তুগুলোকে আইনের খাঁচায় আটকানো আবশ্যক: https://www.ali-mahmed.com/2026/03/blog-post_13.html?m=1

ঈশপ কখনও এদেশে আসেননি কিন্তু জোঁক...!

ঈশপের জোঁকের গল্পটা তো আমরা সবাই জানি! জোঁক-ভর্তি নদী সাঁতরে পার হতে হবে। একজন যখন পার হচ্ছে, পাড়ে দাঁড়ানো লোকজনেরা এই বেকুবকে দেখে হতভম্ব হয়ে গেল। কারণ গা-ভর্তি জোঁক অথচ সে একটাকেও ফেলার চেষ্টা করছে না। নিদেনপক্ষে মুখে একটা 'হুশ কুত্তা' বা 'হুশ জোঁক' শব্দও উচ্চারণ করছে না!

সবার হইচই যখন আকাশে উঠল তখন সে নির্বিকার ভঙ্গিতে বলল, লাভ কী! একটা ফেললে আরেকটা সেই জায়গায় আসবে—নতুন করে রক্ত খাওয়া শুরু করবে! তারচেয়ে যেগুলো ঝুলছে, থাকুক—রক্ত খেয়ে এদের পেট ঢোল হয়ে আছে। আর রক্ত খাওয়ার জায়গা নাই...! আমাদের দেশে ঈশপ এসেছিলেন কিনা এ তথ্য নাই কিন্তু তাঁর জোঁকগুলো দান করে গেছেন!

রাড্ডা হাসপাতাল নিয়ে যেটা হলো সেটা এখনকার দেশের একটা চিত্র মাত্র!


পুলিশের এটা বলার কোন সুযোগ নেই যে তারা জানে না!
হেভি এক্সেভেটর লোকবল নিয়ে যখন গুড়িয়ে দিতে আসছে তখন সামনে পুলিশের গাড়ি দেখা গেছে যেন পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে!
ওখানকার ওসির বক্তব্য খুবই মাই ডিয়ার টাইপের ছিল!


'বৈধ কাগজপত্র-থাকা লোকজনেরা জায়গা বুঝে নিচ্ছে'। এই অপদার্থকে কেউ জিজ্ঞেস করেনি, বৈধ ভাবে রাতের বেলা কে-কোথায় জায়গা দখল নেয়! এই ওসি জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার কোন শাস্তি না, তার কাঁধের বল্টুগুলো (তকমা) খুলে ফেলা প্রয়োজন!

আর ওই এলাকার সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি বলছেন:

হানিফ (সন্ত্রাসী) আমার মামাশ্বশুরের ছেলে আমার নামে প্রভাব খাটান কিনা জানি না।
বিভিন্ন প্রকারে ঘুরেফিরে এই সংসদ সদস্যের নাম উঠে এসেছে! এর 'ছেনেহের হাত' ব্যতীত এই কর্ম সাধন সম্ভব না!

পরদিন ছিল শিশুদের টিকা দেওয়ার দিন। কী অবলীলায়ই-না এরা টিকাগুলো নষ্ট করেছে!

অদম্য এঁরা! তারপরও থেমে থাকেনি টিকাদান কর্মসূচি!

সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যকে কেবল বহিষ্কার করতে হবে এমনই না জড়িত প্রমাণ হলে গ্রেফতার করতে হবে!

এরা সব তছনছ করেছে। হারিয়ে গেছে রেজিষ্টার খাতা। সেখানে লিপিবদ্ধ ছিল শিশু-রোগীদের নাম। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভাঙ্গারির কাছ থেকে ১০ টাকার কাগজ ১০ হাজার টাকায় কিনতে চাইছে!

...

শেখ হাসিনার সময় যেমন গুম [১] শিল্পের পর্যায়ে চলে গিয়েছিল তেমনি এখন দখল-চাঁদাবাজ,  প্রায় শিল্পের পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। আসলে প্রকৃতি শুন্যস্থান পছন্দ করে না!

কিছু নমুনা:

মহিষকে ঘাস খাওয়াতেও চাঁদা দিতে হবে!


চাঁদা না-দেওয়ায় ঘাসের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে! সেই ঘাস খেয়ে মহিষ মারা গেছে!



একজন সিনিয়র সিটিজনের প্রাইভেট পার্ট চেপে ধরার যে দৃশ্য আমরা দেখেছি তা অকল্পনীয়!

যুবদল নেতা বলছে, ইউএনও-কে নগ্ন করে পেটাবে:

কী কনফিডেন্ট! বিএনপির এক পান্ডার শখ জেগেছে সে আস্ত মানুষকে পোড়াবে।
তাও আবার বলছে কল রেকর্ড করে রাখ!

একজন বাপকে ব্যানার টাঙিয়ে  তাঁর চোখের সামনে ধর্ষিতা মেয়ের জন্য বিচার চাইতে হয়!

এই এমপি সাহেবের কথা শুনে এক চোখে জল অন্য চোখে পানি চলে আসল।


বাদ যাচ্ছে না রোগির এম্বুল্যান্সও! একটা জায়গা এখনও বাকী আছে, কবরস্থান!

চাঁদাবাজির কারণে লোকজন স্ট্রোক করে মারাও যাচ্ছে!


শিল্পপতি, হকার কেউ বাদ নাই!

সালমান মুক্তাদিরকে বিভিন্ন কারণে অনেকে অপছন্দ করতে পারেন, এই কাতারে আমি নিজেও কিন্তু সে ভিন্ন আলোচনা।
কিন্তু তার প্রোপার্টি ভাংচুর হয়েছে এটা তো সত্য। এখন সে জিডি করেছে কি করেনি এটা অহেতুক আলাপ! এই দেশের কোথাও ক্রাইম হবে, পুলিশ দেখবে। কেউ ইচ্ছা করে ক্রাইম-সিন সাজালে সেটাও পুলিশ খুঁজে বের করবে।

তার স্টুডিও ভাংচুরের পর আগ বাড়িয়ে বিএনপির নামে যেটা বলেছে এটা অন্যায় সেটা নিয়ে সমালোচনা-আলোচনা হতে পারত কিন্তু রাষ্ট্র  মনে হয় ঝাপিয়ে পড়েছে। আমরা পূর্বে এমনটা দেখেছি, লিমনের এক পা'র বিরুদ্ধে রাষ্ট্র গোটা দেশকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল [২]! 

রাষ্ট্রের পাশাপাশি সাহেদ আলম নামের এই লোক সালমানের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য বলছে, বেশ! আইনে কুলালে মামলা করেন, সমস্যা নেই। কিন্তু এই লোক বলছে, হান্ড্রেড বিলিয়ন ডলারের মামলা করতে। এই মাটন-হেডের কী জানা আছে হান্ড্রেড বিলিয়নে কত টাকা হয়—আমাদের গোটা দেশের বাজেট কত বিলিয়ন ডলার?

সূত্র:
১. গুম...:  https://www.ali-mahmed.com/search/label/%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AE?m=1


WhatsApp