Search

Showing posts with label গুম. Show all posts
Showing posts with label গুম. Show all posts

Friday, October 17, 2025

নরক এবং একজন ব্যারিস্টার আরমান!

লেখক: Shubhajit Bhowmik (শুভজিৎ ভৌমিক) [https://www.facebook.com/share/1FxKc5AbJB/]

"(১) ব্যারিস্টার আরমানের গুম নিয়ে বানানো ডকুমেন্টারিটা, যে-কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে  সহ্য করতে পারার মতো না। অন্তত আমি পারি নাই!

এজন্য খুব একটা সংবেদনশীল মানুষ হওয়ার দরকার নাই। জাস্ট খুব সাধারণ 'মানুষ' হলেও, আরমানের গুমের বীভৎস এই বর্ণনা আপনাকে সহ্য করতে পারার ক্ষমতার শেষ পর্যায়ে  নিয়ে যাবে।   

(২) হাসিনার গুম সিন্ডিকেটের, সম্ভবত সবচেয়ে নির্মম এবং নৃশংসতম অত্যাচারের ভিকটিম হচ্ছেন, ব্যারিস্টার আরমান। 

ওঁকে 'আট বছর' র‍্যাবের Task Force for Interrogation cell (TFI)- এই জায়গাতে গুম করে রাখা হয়েছিলো। 

সবচেয়ে নির্মম কেন বলছি এইটাকে? কারণ, গুমের শিকার অন্যান্য মানুষকে হয় মেরে ফেলা হয়েছে। নাহয় টর্চার করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

কিন্তু, ব্যারিস্টার আরমানকে আট বছর, এমন একটা পরিস্থিতিতে রাখা হয়েছিলো, যেখানে মানুষ নিজেই নিজের মৃত্যু কামনা করে। বন্দী আরমান নিজে বহুবার অনুরোধ করেছেন, এতো যন্ত্রণা দেয়ার চেয়ে তাঁকে বরং মেরে ফেলতে।

আহারে-আহারে। একটা মানুষ কোন পর্যায়ে গেলে নিজের মৃত্যু কামনা করে! কিন্তু আরমানকে মেরেও ফেলা হয়নি!

(৩) আট বছর এই মানুষটার টয়লেটে যাওয়ার স্বাধীনতাও ছিলো না। দেয়ালে হ্যান্ডকাফ দিয়ে শব্দ করে টয়লেটে যাওয়ার আবেদন জানাতে হতো। বহুবার কেউ আসেনি তাঁকে টয়লেটে নিতে।

কাপড় নষ্ট হয়েছে। সেই ময়লা আবার তাঁকেই পরিষ্কার করতে দেয়া হয়েছে। বন্ধ রুমের গরমে, ঘাম প্রস্রাব ঝরে-ঝরে মেঝেতে পানি জমে যেতো। তাঁর মধ্যে ঘুমিয়েছেন আরমান।

হাতকড়া পরে থাকতে থাকতে-থাকতে আরমানের কবজিতে ফোসকা পড়ে গিয়েছিল। তখন সেই হাতকড়া খুলে তাঁর পায়ে পরিয়ে দেয়া হয়েছে। কোরবানির গরুকেও এই নৃশংস যন্ত্রণা দেয় না মানুষ। 

(৪) জীবনের শ্রেষ্ঠতম সময়। ৩২ বছর বয়সী ৩২ বছর বয়সের যুবক আরমানকে বাসা থেকে গুম করা হয়। যখন ফিরলেন, তখন তাঁর বয়স চল্লিশ। চোখে দেখেন না। হাঁটতে পারেন না। ভয় পায়, অহেতুক!

ছোট-ছোট দুইটা মেয়ে সন্তান। বাবাকে যখন ধরে নিয়ে যাচ্ছিলো খালি পায়ে, ছোট মেয়েটা বাবার দুইটা জুতা হাতে তুলে পেছনে-পেছনে যাচ্ছিলো, 'বাবা তোমার জুতা'। 

সহ্য করার মতো নারে, ভাই।

(৫) মেয়েগুলো এখন বড় হয়ে গেছে। বাবা বেঁচেই ছিলেন, কিন্তু নিজের চোখে বাচ্চাগুলোর বড় হওয়ার দৃশ্য দেখতে পারেননি। 

বাচ্চাদের সাথে বাবার ইমোশনাল বন্ডিং তৈরি হওয়ার সময়টাতেই বাবা ছিলেন না। বাচ্চাদের টেক-কেয়ার করার জন্য বাবার মায়াময় চোখ ছিলো না। 

আরমানের স্ত্রী জানতেন না, তাঁর স্বামী বেঁচে আছে, নাকি নাই। তিনি সধবা নাকি বিধবা। এ কোন আঁধার, রাতের চেয়েও অন্ধকার...!

আহারে আমার ভাই। আহারে।

(৬) অন্ধকারে চোখ বাঁধা থাকতে-থাকতে, আরমানের চোখে ছানি পড়ে গেছে। সবকিছু ঝাপসা দেখেন। 

লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি পড়ে আসা মানুষটার উজ্জ্বল ক্যারিয়ার সম্পূর্ণ শেষ। ফ্যামিলিটাও ফাইন্যান্সিয়ালি ধ্বংস হয়ে গেছে।

অপুষ্টিতে ভুগে স্বাস্থ্যবান লোকটা শুকিয়ে জীর্ণ হয়ে গেছেন। লোকটার সংগে কথা বলার কেউ ছিলো না! এক পর্যায়ে তিনি রুমের টিকটিকির সাথে, পিঁপড়ার সাথে কথা বলা শুরু করেন। 

টিকটিকির নাম ছিলো 'টুকটুকি'। তিনি বড় আবেগ নিউএ বলতেন, 'এই টুকটুকি, তোর কয়টা বাচ্চা? আমার না দুইটা মেয়ে আছে, ছোট...'!

(৭) দাঁতে দাঁত চেপে ব্যারিস্টার আরমানের গুমের এই ডকুমেন্টারি দেখেন। ১৫০০+ মানুষের ওপর এই মধ্যযুগীয় নির্যাতন চালিয়েছিল হাসিনা আর তার লোকজন। 

ক্লাসের পাঠ্যপুস্তকে এই গুমের কাহিনী লেখা হোক। এই জাতিকে বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে আওয়ামী রেজিমের জুলুমের ইতিহাস। আয়নাঘরগুলোকে মিউজিয়াম বানিয়ে, সেখানে বাচ্চাদের শিক্ষা সফরে নিয়ে আসা হোক। 

আমরা যেন ভুলে না যাই, আওয়ামী জাহেলিয়াত কী জিনিস ছিলো। আমরা যেন মনে রাখি। 

(৭) ডকুমেন্টারির সবচেয়ে ভয়াবহ ক্লিপ হচ্ছে, আরমানের মুক্তি পাওয়ার দৃশ্যটা। 

আট বছর পর অচেনা রাস্তায় যেন একটা পশুকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সে জানে না এটা কোন জায়গা! কতো সাল? সে জানে না, সে কতো বছর বন্দী ছিলো! সে জানে না, হাসিনা পালিয়ে গেছে! সে রাস্তাঘাট কিচ্ছু চিনতে পারছে না।

সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যাচ্ছে লুঙ্গি পরা একটা জীর্ণকায় লোক। দুই পায়ে টলতে-টলতে ইবনে সিনা হাসপাতালে ঢুকছে। আট বছর পরে কেউ তাঁকে চিনতে পারছে না।  ময়লা কাপড়ের জন্য কেউ তাকে বিশ্বাস করছে না।

(৮) মানুষটা ভয়ে গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছে। যদি তাকে চিনতে পেরে আবারও কেউ ধরে নিয়ে যায়। পরাধীন থাকতে-থাকতে, মানুষটা ভুলেই গেছে যে, স্বাধীনতা এসে গেছে। 'হি ইজ ফ্রি...'।

আহারে, মানুষটা! বাকী জীবন কীভাবে কাটাবে এই ট্রমা নিয়ে?

একজনের কাছ থেকে একটা মোবাইল ধার করে আরমান নিজের নাম লিখে গুগল করেন। গুগলে তার পুরাতন চেহারার ছবি বের হয়ে আসে। নিজের চেহারার পাশে সেই মোবাইলের ছবি ধরে ইবনে সিনার কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, 'দেখেন তো, এইবার চেনা যায়?

(৯) ওই প্রথমবার, আট বছর পর মুক্ত হয়, স্বাধীন হয় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ইতিহাসে (সম্ভবত) সর্বোচ্চ নির্যাতনের শিকার, মীর আহমাদ বিন কাশেম, আরমান। আমাদের ভাই। 

কী অসম্ভব প্রাণশক্তি থাকলে, লোকটা এখনও মানসিকভাবে সুস্থ আছেন, পাগল হয়ে যাননি, ভাবতে অবাক লাগে। নিঃস্ব হয়ে গেছেন মানুষটা। এই ডকুমেন্টারি হচ্ছে আরমানের সেই জীবনের গল্প, যে জীবনের চেয়ে মৃত্যুই হয়তো ভালো ছিলো। 

(১০) আপনারা দয়া করে ডকুমেন্টারিটা দেখেন। বোঝেন। উপলব্ধি করেন। আরমানের সাথে আরমানের আটটা বছর, বিশ মিনিটে কাটিয়ে আসেন। 

এই মহাপাপ, এই মহা অন্যায়ের বিচার দাবি করেন। চোখের জলে বুক ভাসান, যেভাবে আরমান ভাসিয়েছিলেন তাঁর শুয়ে থাকার মেঝেটা। 

বাংলাদেশ রাষ্ট্র যাতে আরমান সহ গুমের প্রত্যেক ভিকটিমের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেয়, সেই দাবিটা করেন রাষ্ট্রের কাছে। 

(১১) আমাদের দুর্ভাগ্য, এতো সবকিছুর পরেও কিছু অমানুষের বাচ্চা, আওয়ামী দলদাস মাদার... গুমের জলজ্যান্ত প্রমাণকে নাটক হিসাবে দাবি করে। দেড় হাজার মানুষের লাশ অস্বীকার করে। 

মানুষ হিসাবে আপনার নিজের ওপর ঘেন্না জন্মাবে, যে এইসব অমানুষের সাথে আপনাকে একই বাতাসে অক্সিজেন শেয়ার করতে হয়। একই মাটির স্পর্শ শেয়ার করতে হয়। একই সূর্যের আলো শেয়ার করতে হয়।

এইসব অমানুষের জাত, দলবাজ শুয়ারের বাচ্চার সাথে আপনাকে পাশাপাশি বেঁচে থাকতে হয়! আফসোস, আমাদের কিছুই করার নাই।  

(১২) জ্জা যদি এইটা না হয়, তাহলে লজ্জা কী কেবল দিগম্বর থাকা? 

বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম স্বৈরাচার, শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণ্যতম পিশাচের নাম, শেখ হাসিনা। 

আর কেউ না জানুক, আরমান জানে। ভাই আমার, আপনার বাকী জীবনটা সহজ হোক। সুন্দর হোক। দুনিয়াতে এখনও সবাই দলবাজ, লীগ হয়ে যায়নি।

দুনিয়াতে এখনও কিছু 'মানুষ' আছে। যারা আপনার অন্য ভুবনের বেদনা ধারণ করার চেষ্টা করে...।"

-লেখক: Shubhajit Bhowmik (শুভজিৎ ভৌমিক) [https://www.facebook.com/share/1FxKc5AbJB/]


Thursday, August 28, 2025

আমাদের এক সেরা সন্তান!

সাবেক মেজর মো. মোহসিনুল করিম, যিনি পিলখানায় আর্মি কিলিং-এর পর সেনাপ্রধানের মুখের উপর বলেছিলেন, 'গেট আউট ফ্রম হিয়ার'!

Sunday, July 27, 2025

শুট মি!

শাকিলা ফারজানা, একজন ব্যারিস্টার, একজন মহিলাকে হাসিনার শাসনামলে র‍্যাব কর্তৃক যে মানসিক শারিরীক অত্যাচার করা হয়েছিল তা কল্পনাতীত! এরমধ্যে তিনি র‍্যাব ৭-এর লে, কর্নেল মিফতাহ উদ্দিনকে আইডিন্টিফাই করতে পেরেছিলেন। 

Thursday, July 17, 2025

একজন বীর প্রতীক, একজন যোদ্ধা লে. ক. হাসিনুর রহমান!

এই মানুষটা কেবল একজন বীর প্রতীকই না দুর্ধর্ষ এক যোদ্ধাও। সম্ভবত তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি দুই দুইবার গুম হয়েছেন।

Saturday, July 12, 2025

দ্বিতীয় জীবন!

লেখক:Tahiyat Chowdhury

(https://www.facebook.com/share/16vLiAFoCm/ )

(লেখকের লিখিত অনুমতক্রমে প্রকাশিত)

"সেদিন রাতে, দীর্ঘ ১৬ মাস গুম নির্যাতনের পরে আমাকে একটা কালো মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় বান্দরবানের 'টংগাবতী' নামক গহীন পাহাড়ে। যাওয়ার পূর্বে আলেপ উদ্দিন বলে:

'মুকুল রানার নাম শুনছোস...'? আমি বললাম, 'হ্যাঁ, টিভিতে শুনছি'। সে উত্তরে বললো, 'আজকে রাতে দেখা হবে, চিন্তার কিছু নাই, জান্নাতে একসাথে গল্প করবি'।

Thursday, May 8, 2025

গুমঘরের যত কথা!

লেখক: Nabila Idris (https://www.facebook.com/share/1BgAt6pGE8/)

যিনি গুম কমিশনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন, আছেন। তাঁর লেখার মাধ্যমে আমাদের বিভিন্ন ধরনের গুম সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হয়...:

" ১. আমরা রেগুলারলি ভিক্টিমদের থেকে গোপন ডিটেনশন সেলে ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা শুনি। এসব নির্যাতন প্রায়ই এতটা নিষ্ঠুর হয় যে তাদের শরীর ও মনে স্থায়ী ক্ষত রেখে যায়। কিন্তু মাঝে-মাঝে কিছু ভিক্টিম এমন ঘটনার বর্ণনাও দেন যেখানে আচমকা এক ধরনের অস্বাভাবিক মানবতার ঝলক দেখা যায়!

Saturday, March 15, 2025

গুম: যে জীবন ঘাসফড়িঙের!

লেখক: রাজীব হোসেন
"গাজীপুর জেলা কারাগারে আমাকে যেদিন ট্রান্সফার করে, সেদিনই রেজা স্যারকে সেখান থেকে কাশিমপুর জেলখানায় পাঠিয়ে দেয়। আমাদের পরস্পরের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল। কাশিমপুরে আমি আর সুবায়েল (ক্যাপ্টেন সুবায়েল বিন রফিক) সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য পাশাপাশি সেলে ছিলাম। এখন আমি অন্য কারাগারে চলে এলাম। গাজীপুর জেলে সংক্ষিপ্ত কিন্তু ঘটনাবহুল সময় কেটেছে। প্রায় এক বছরের মতো সময় ছিলাম। 

Thursday, March 6, 2025

গুম: একজন আদর্শ বাবা, আদর্শ স্বামী মহিউদ্দিন ফারুকী

লেখক: Enamul Haque Mony. লেখক তখন দ. কোরিয়ার কিয়ংপুক ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করছিলেন।

"র‍্যাব-২, বসিলা, মোহাম্মাদপুরে আমাকে যে রুমে গুম করে রাখা হয়েছিলো, টয়লেট সাইজ একটা ছোট্ট রুমের মধ্যেই টয়লেট করার জায়গা। বাকী ফাঁকা জায়গায় একটা স্বাভাবিক মানুষ পা মেলে দিয়ে শুয়ে থাকতে পারে না। অসম্ভব!

Monday, June 23, 2014

কোর্ট মার্শাল এবং অতঃপর...।


'কোর্ট মার্শাল' [১] নামের লেখাটায় লিখেছিলাম:
...২০১২, বছরের শুরুজানুয়ারি মাসের ২০ তারিখের পত্র-পত্রিকায় ছেয়ে গেল...সরকার উৎখাতের চেষ্টা ব্যর্থ ...সেনাবাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এরা এখন কোথায়? কোন আদালতে তাঁদের বিচার চলছে- সামরিক, নাকি বেসামরিক? কতটুকু অপরাধের সঙ্গে এরা জড়িত ছিলেন?... 

Wednesday, June 19, 2013

ফাইভ হানড্রেড ডেইজ!

অনেকের হয়তো মনে আছে, ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখের পত্র-পত্রিকায় ছেয়ে গিয়েছিল। কাঁপছিল পত্রিকা ছাপাবার যন্ত্র, কাঁপছিল দেশও। কী, ঘটনা কী?! সরকার উৎখাতের চেষ্টা ব্যর্থ। কী সর্বনাশ-কী সর্বনাশ! গণতান্ত্রিক একটা সরকার উৎখাত করার অপচেষ্টা!

Tuesday, December 4, 2012

কোর্ট-মার্শাল!

সবাই বলে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় নাকি মারা গেছেন! আরে-আরে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যারে মত মানুষদের আবার কেমন করে মৃত্যু হয়! যার হাত দিয়ে এমন একটা জিনিস বের হয়! 'ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি' নামে তাঁর একটা কবিতা আছে:
"প্রিয় ইন্দিরা, তুমি বিমানের জানলায় বসে,
গুজরাটের বন্যা দেখতে যেও না
এ বড় ভয়ঙ্কর খেলা...
তোমার শুকনো ঠোঁট কতদিন সেখানে চুম্বনের দাগ পড়েনি,...
ইন্দিরা, তখন সেই বন্যার দৃশ্য দেখেও একদিন তোমার মুখ ফস্কে
বেরিয়ে যেতে পারে, বাঃ কী সুন্দর...!" 
এই কবিতাটি এখানে দেয়ার কারণ হচ্ছে, তখন ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতায়। বিপুল ক্ষমতা ইন্দিরার। কিন্তু এই কবিতার কারণে ইন্দিরা সুনীলের প্রতি একটা শব্দ উচ্চারণ করারও স্পর্ধা দেখিয়েছেন বলে আমার জানা নাই।
...
২০১২, এ বছরের শুরু। জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখের পত্র-পত্রিকায় ছেয়ে গেল। কাঁপছিল পত্রিকা ছাপাবার যন্ত্র, কাঁপছিল দেশ। কী?! সরকার উৎখাতের চেষ্টা ব্যর্থ। কী সর্বনাশ-কী সর্বনাশ! গণতান্ত্রিক একটা সরকার উৎখাত করার অপচেষ্টা।
WhatsApp