Search

Monday, June 30, 2008

শাসক!



















বাংগুরাদেশের এক শাসক। এই শাসক সাহেব ছিলেন যিনি বৃষ্টি নামাতে পারতেন!
আজকের কাগজ:  ০৫.০৫.১৯৯১

আবার তিনি খুবই পীর ভক্ত ছিলেন। তিনি আটরশির পীরের দরবারেই গেছেন ১০০ বার, ফল কি পেয়েছেন তা তিনিই ভাল বলতে পারবেন!

একসময় মনের দুঃখে খানিকটা 'পাগলা পানি' খাওয়া শুরু করলেন। আটরশিকে বাদ দিয়ে দশরশি নামের একজন পীরের কাছে যাতায়ত শুরু করলেন। দশরশির পায়ে আছড়ে পড়লেন।

শাসক: বাবা, মনে শান্তি নাই!
দশরশি: থাকব কেমনে, তোরে আটরশি খাইছে! বেটা, তুই কি পিসাব খায়া আইছস, পিসাবের গন্ধ পাইতাছি!
শাসক: বাবা, পিসাব না একটু পাগলা পানি দিয়া কুলি করছিলাম।
৬০ বোতল হুইস্কি। আজকের কাগজ: ০২.০৭.১৯৯১

হইছে কি বাবা, সকালে তো ওঠছি দেরীতে। চোখে জানি কি সমস্যা হইছে রাতে খালি ব্লু  দেখি! সবই নীল, ছবিও নীল—ব্লু ফিল্ম! হা হা হা, কী তামশা ছবিও ব্লু  হয়া যায়, বুঝছেন!
অসংখ্য ব্লু-ফিল্ম উদ্ধার: কাগজ, ১৮.০৭.১৯৯১
তো, রাতে ঘুমাইতে ঘুমাইতে দেরী হয়া গেল। সকালে তো ওঠছি দেরীতে, তাড়াহুড়া কইরা রুটি খাইতে গিয়া গলায় আটকায়া গেছিল। কী করি-কী করি, পাগলা পানি দিয়া একটু, হে হে হে।
দশরশি: বেটারে, বুজছি-বুজছি, আর কইতে হইব না, ইতা কইরা কুনু লাভ নাই! তুই ইয়ের মধ্যে মান্ডার তেল মালিশ করিস, ফল পাইবি। মান্ডার তেল না-পাইলে তুই তো গিলাপ চড়াইতে সৌদি যাস ওইখান থিক্যা ষাণ্ডা নিয়া আসিস। ইনশাল্লাহ, তোর পুলাপাইন হইব।

শাসক: বাবা, আচানক কথা, আপনি জানেন না? আমার এক ছেলে আছে (দ্বিতীয়টির কথা তিনি বেমালুম চেপে গিয়েছিলেন)।
দশরশি (দাড়িতে হাত বুলিয়ে অমায়িক হাসলেন) : নারে, বেটা, তোর কুনু পোলাপাইন নাই।

শাসক: বাবা, এইটা কি কন! ইয়ে মানে আসলে...আসলে আপনার কাছে গোপন করছিলাম, আমার একটা না, দুইটা ছেলে।
দশরশি: ওইটা তুই ভাবতাছস, আসলে তোর কুনু সন্তানই নাই! কারণ...!

* লেখাটা 'শুভ'র ব্লগিং' বই থেকে।
* সদয় অবগতি: এই পোস্টের সঙ্গে ভুল ছবি, ভুল খবর চলে গেছে বলে অমায়িক দুঃখ প্রকাশ করি। ছবি, খবর সরাবার বাটন খুঁজে পাচ্ছি না বলে আবারও দুঃখ প্রকাশ করি!


1 comment:

Anonymous said...

চাচারে নিয়ে টানাটানি শুরু করলেন!! আপনাদের যন্ত্রণায় ইয়াং বউটারে পর্যন্ত ছাড়তে হলো তাকে! হায়রে চাচা!! চাচা কই?

WhatsApp