ঘটনাটা ভারতের দিল্লির। দিল্লির প্রতি আমার অন্য রকম মুগ্ধতা আছে। ওখানকার পুরনো স্থাপনা এক পাশে সরিয়ে রাখলেও উঠে আসে ক্যারিশম্যাটিক কেজরিওয়ালের কথা। এই আলোচনা অন্য কোন দিন।
ঘটনাটা ভারতের দিল্লির। দিল্লির প্রতি আমার অন্য রকম মুগ্ধতা আছে। ওখানকার পুরনো স্থাপনা এক পাশে সরিয়ে রাখলেও উঠে আসে ক্যারিশম্যাটিক কেজরিওয়ালের কথা। এই আলোচনা অন্য কোন দিন।
বাংলাদেশ এখন পারমাণবিক অস্ত্র এটম বোমার অধিকারী। যারা পদ্মা সেতু নিয়ে লাফাচ্ছেন তারা এ সম্বন্ধে 'বে-খবর'! আমি পাশ্ববর্তী দেশগুলোর আতংক উপভোগ করছি। এরা এখন বুঝবে কত ধানে, না-না-না কত চালে কত ধান হয়! আমি আমাদের দেশের সরকারকে জোর অনুরোধ করব এঁরা অন্তত এখন যেন মাথা ঠান্ডা রাখেন কারণ ক্ষমতার একটা উত্তাপ আছে তাও আবার এটম বোমার মত একটা বড় পোটলা। পাশ্ববর্তী দেশগুলোর ভুলটুল যেন এখন ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা হয়। বড় ভাই সুলভ...।
হালে ৩০০০ বছর পুরনো মিশরের মমির গলার স্বর কেমন হতে পারে এর একটা নমুনা দাঁড় করিয়েছেন বিজ্ঞানিরা:
লেখক: Shawkat Ali
কিছু-কিছু মানুষ দেখে মনে হয়, আহা...। পায়ে লাগু। আ মিন পা ধরে সালাম করি।
যেমন ধরা যাক, এই ভিডিওটি। এই ১৩ বছরের বাচ্চাটাটা... ভুল বললাম, আগুনের গোলাটা যে প্রকারে আগুন ধরিয়ে দিল এই আগুন চোখে দেখাও এক অমায়িক সুখ! দেখো দিকি কান্ড কেমন করে আবার বুক ঠুকে বলছে, আমি চামার:
বেচারা শরীর! লাইনচ্যুত হল। একটা অস্ত্রাঘাত যার চালু নাম অপারেশনের প্রয়োজন হল। এখন কেউ যদি রসিকতা করেও বলে, 'কী মাঝি, ডরাইছ'? আমি সপাটে বলব, হ, ডরাইছি।
একজন জ্ঞানি মানুষ নাকি মৃতের জন্য শোক করেন না। একজন জ্ঞানি মানুষের কাছে মৃত্যু নাকি কেবল খোলস ত্যাগ করা। হবে হয়তো! আমি জ্ঞানি নই বলেই এ নিয়ম আমার বেলায় খাটে না। তাই আমি আমার মৃত মার জন্য হাহাকার করি, আপাতত জীবিত নিজের জন্য ভয় পাই।
প্রত্যেক ছবির পেছনে একটা গল্প থাকে। আমার একটা লেখা ছিল, 'ছবির পেছনে গল্প' [১]। অসম্ভব স্রোতের মাঝে নৌকায় করে ছবি উঠাবার চেষ্টা করছিলাম। তাও কী ক্যামেরা- ক্যামেরা নামের কলন্ক! ৩.২ মেগা-পিক্সেলের এন-৭৩ টাইপের মোবাইল ফোন (কিন্তু এটা দিয়েই কিছু ছবি উঠিয়েছি, ভয়ংকর সুন্দর [২])। সঙ্গে মিডিয়ার কিছু লোকজন ছিলেন। ওদের সঙ্গে আবার কামানসম ক্যামেরা। এরা সব বাদ দিয়ে আমার ছবি নিয়ে কখন কস্তাকস্তি করছিলেন টেরটিও পাইনি।
পাকিস্তানের এই নাগরিক যিনি ১৯৭১-কে খুব কাছ থেকে দেখেছেন কারণ তখন তিনি পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীতে ছিলেন। এই মানুষটার বক্তব্য পরিষ্কার। তিনি হাতে ধরে-ধরে পাকিস্তানের ভুল, ভয়াবহ অন্যায়গুলো আমাদের চোখের সামনে নিয়ে এসেছেন। এখন পর্যন্ত পাকিস্তান তার ভুল, ভয়াবহ অন্যায়গুলোর জন্য ক্ষমা চায়নি বা এই দেশের যে বিপুল আর্থিক ক্ষতি করেছে সেই আলাপেও যাওয়ার আগ্রহ দেখায়নি।
আমার কয়েক হাজার লেখালেখির মধ্যে ডাক্তারের কালো-কালো হাত নিয়ে যে-সমস্ত লেখা লিখেছি তার সংখ্যা জিরো পয়েন্ট ব্লা-ব্লা হবে কি না সন্দেহ। অন্য পেশার লোকজনকে নিয়ে লেখলে সমস্যা নাই কিন্তু ডাক্তারকে লিখলে ডাক্তার স্যাররা ভারী 'নাগ' করেন। নাক দিয়ে ধোঁয়া বের হয়। পারলে সাদা-সাদা দাঁত দিয়ে চিবিয়ে ফেলেন। বড় চিত্র-বিচিত্র! এমনিতে আমার খুব ভাল বন্ধুদের অনেকেই আবার ডাক্তার।
এমনিতে দারাজ আমার খুব পছন্দের একটা প্রতিষ্ঠান কারণ আমার মত বেকুব টাইপের লোকজন যারা বোকার মত মূল স্রোতের উল্টোদিকে সাঁতরায় মানে গ্রাম-গ্রাম মফঃস্বল টাইপের জায়গায় থাকে তাদের জন্য এই অনলাইন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানটি ভারী কাজের। শহরে যারা চট করে একটা জিনিস হাতের নাগালে পেয়ে যান সেটা আমাদের জন্য বড় একটা সমস্যা।
আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বপ্রাচীন জাতি হচ্ছে ম্রো-রা! এবং এঁরা বান্দরবান জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতি। আজ থেকে প্রায় ৬০০ বছর পূর্বে ম্রোরা পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে। ব্রিটিশ আমল থেকে আমরা যারা এই দেশে বাস করে আদিমানুষের তকমা লাগিয়ে রাখি এদের বাস তারও অনেক পূর্বের!
কালে-কালে আমরা নাকি সভ্য হয়েছি। এই সমস্ত কেতাবি কথা বাদ দিয়ে আমি আমার কথা বলি। কীসের সভ্য, কীসের সভ্যতা!? আমি জানি না এই সব গালভরা কথার আদৌ কোন মানে রাখে কিনা! কেবল মোটাদাগের কথাটা জানি, আমরা কেবল গু-ভরা ভান্ড যেটা প্রকৃতি চামড়া দিয়ে মুড়িয়ে রাখে সেটার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উৎস যে দুইটা মুখ সামনে এবং পেছনে ওগুলো ঢেকে রাখা শিখেছি। ব্যস...। নাঙ্গাপাঙ্গা থেকে গাছের বাকল, লতাপাতা এরপর ক্রমশ বিভিন্ন চকচকে পোশাক নামের আচ্ছাদন!
আমাদের দেশের মিডিয়া খুব আগ্রহ নিয়ে এই সমস্ত প্রতিবেদনগুলো করে- যেমন সাকিব আমেরিকায় ঘাস কাটছে। অতি উত্তম। সাকিব ঘাস কাটতে পারে এই নিয়ে আমরা বঙ্গাল উল্লসিত। কারণ আমরা জানতাম না যে সাকিব ঘাস কাটতে জানে এবং আগে জানলে অন্যদের কথা জানি না আমার বাগানের ঘাসটা কাটিয়ে নিতাম। অবশ্যই ঘন্টা হিসাবে পে করতাম।
লেখক: সানজিদা সেতু
"এরা এইচএসসি পরীক্ষার্থী। বড়জোর ১৮ বছর বয়স। গ্রুপ খুলে পরিকল্পনা করছে তাদেরই ব্যাচমেটকে ৪৬৫ জন মিলে ধর্ষণ করার! শতাব্দী রায় কি করেছে? মেয়েটা অটোপ্রোমোশানের মতো অযৌক্তিক একটা আদেশের বিরুদ্ধে রিট করেছে। সে পরীক্ষা দিতে চায়।
There is no joy in 'His' mind. But what a huge power 'He' has! What is not— immortality, infinite time, infinite power. But even after him there is no joy in His mind.
It just seems to fit in the shell of the capsule. No problem, you have to decide 100 years-thousands of years-millions of years. You will go to a 'temporary sleep' in his language—that sleep will be broken in time. But this is to lose oneself to oneself. No one has to explain but how to keep an eye on yourself?
আমার হাবিজাবি কাজের একটা অংশ হলো স্টেশনে একটা চক্কর লাগানো। বিচিত্র-সব অভিজ্ঞতার পাশাপাশি মানুষের সীমাহীন কষ্ট কাছ থেকে দেখার বিরল এক সুযোগ। অসহায় মানুষের এক ভরসাস্থল হচ্ছে এই স্টেশনগুলো। কারণ এখানে শুয়ে-বসে থাকলে তেমন সমস্যা নেই। রাতে ঘুমালেও সচরাচর কেউ কিছু বলে না। তবে এর ব্যত্যয়ও আছে। সেটা পরে বলছি।
আমি আমার লেখালেখির জীবনে সম্ভবত লক্ষ-লক্ষ শব্দ লিখেছি কিন্তু আজকের পূর্বে ধর্ষণ শব্দটা পারতপক্ষে লিখতে চাইনি। লিখতে ইচ্ছা হয়নি। লিখেছি হয়তো এভাবে চরম শারীরিক নির্যাতন বা অন্য কোন প্রকার শব্দ-বাক্য। আমি সব সময় আমার পাঠককে আমার চেয়ে বুদ্ধিমান মনে করে এসেছি। তাই ধর্ষণ লিখে বা পাতার-পর-পাতা ধর্ষণের বর্ণনা দিয়ে এঁদের বুদ্ধিকে খাটো করার কোনও প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনি।
1. "You depraved yourselves before another Gods and serve them but you know that you will perish."
2. "If you obey the commands of the Lord, you will be blessed. And if you don't obey the commands of your God and follow other Gods, you will be cursed."
১৯৭১ সালের ২৯ আগষ্ট পাকিস্তানি আর্মিদের হাতে গ্রেপ্তার হন ঢাকা কাঁপানো ২ নম্বর সেক্টরের অন্যতম গেরিলা বদিউল আলম বদি, বীর বিক্রম। তারপর গ্রেপ্তার হয়েছিলেন গেরিলা আবদুস সামাদ। সামাদের স্বীকারোক্তিতে গ্রেপ্তার হন আলতাফ মাহমুদসহ গেরিলা দলের অনেকে। বদির গ্রেপ্তার হওয়া নিয়ে অনেকে অনেক রকমের গল্প বলার চেষ্টা করেন। প্রকৃত ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন প্রখ্যাত গেরিলা হাবিবুল আলম বীর প্রতীক। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলাম ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে।