Tuesday, September 27, 2011
জলেভাসা পদ্ম
বিভাগ
কষ্ট
Sunday, September 25, 2011
হালকা সবুজে মোড়ানো গণতন্ত্র
Saturday, September 24, 2011
Sunday, September 18, 2011
বেচা-বিক্রি, ব্যবসা-বাণিজ্য...
আজকের অতিথি লেখক, আবদুল মান্নান শামীম। যিনি শামীম নামেই সমধিক পরিচিত। আজকের অতিথি লেখক আবারও তিনি। তাঁর প্রোফাইলে লেখা তিনি "করপোরেট কামলা"। আমিও এক জায়গায় নিজের সম্বন্ধে লিখেছিলাম, স্বশিক্ষিত। স্বশিক্ষিত জিনিসটা রাজনীতিবিদরা হরদম লাগাচ্ছেন দেখে এই ডিগ্রিটা আমিও যোগ করেছিলাম কিন্তু প্রমাণ করার উপায় নেই।
কিন্তু শামীম নামের মানুষটা যিনি নিজেকে "করপোরেট কামলা" নামে দাবী করছেন তাঁর এই দাবীর প্রতি অন্তত আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। একজন করপোরেট ভুবনের মানুষই ভাল বুঝবেন ব্যবসাপাতি সম্বন্ধে। :)। নিজের চাঁদিতে নিজেই কিল মেরে বলি, ইউরেকা! "বিজিনেস ইজ বিজিনেস"। তাঁর কাছ থেকে ব্যবসার রহস্য আমিও জেনে গেছি!
তাঁর মুখ থেকেই আমরা শুনি:
"ফুটপাথের এক কোনায় বসে থাকা পাগলটার গা বাঁচিয়ে সাবধানে বসলাম। মোটা এক ধরনের কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে থাকা ওর গা থেকে বেরুচ্ছে ক্যামন বিটকেলে এক গন্ধ। আজকাল আর শান্তিতে কোথাও বসার উপায় নাই!
কিন্তু শামীম নামের মানুষটা যিনি নিজেকে "করপোরেট কামলা" নামে দাবী করছেন তাঁর এই দাবীর প্রতি অন্তত আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। একজন করপোরেট ভুবনের মানুষই ভাল বুঝবেন ব্যবসাপাতি সম্বন্ধে। :)। নিজের চাঁদিতে নিজেই কিল মেরে বলি, ইউরেকা! "বিজিনেস ইজ বিজিনেস"। তাঁর কাছ থেকে ব্যবসার রহস্য আমিও জেনে গেছি!
তাঁর মুখ থেকেই আমরা শুনি:
"ফুটপাথের এক কোনায় বসে থাকা পাগলটার গা বাঁচিয়ে সাবধানে বসলাম। মোটা এক ধরনের কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে থাকা ওর গা থেকে বেরুচ্ছে ক্যামন বিটকেলে এক গন্ধ। আজকাল আর শান্তিতে কোথাও বসার উপায় নাই!
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Friday, September 16, 2011
শিরোনামহীন
বিভাগ
ভাললাগা
Thursday, September 8, 2011
ছোট দেশের ছোট মানুষ!
এই ভিডিও ক্লিপিংসটা একটা সীমান্তের। বাংলাদেশ ভারত। আখাউড়া-আগরতলা। দু-দেশের পতাকা নামাবার সময় কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়। এটা দেখার জন্য দু-দেশের লোকজনরা ভিড় করেন, এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বিভাগ
অসভ্য কান্ড
Wednesday, September 7, 2011
ওই আসে সুপারম্যান
এই গ্রহের কোন পেশার প্রতি আমার আলাদা মোহ নাই। কিন্তু...। ডাক্তার, এই পেশাটার প্রতি আমার একধরনের ঈর্ষা কাজ করে। এটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে যখন মা এবং তাঁর অদেখা সন্তানদের [১] মুখোমুখি হই। তখন কেবল মনে হয়, আহা, 'গুছলেংটি' দিয়ে লেখাপড়া না-করে কী ভুলই না করলাম।
অবশ্য আমি এই জীবনে ডাক্তার হতে পারতুম কি পারতুম না এই কুতর্কে যাব না। কারণ ডাক্তার হওয়ার জন্য চলনসই একটা ব্রেন থাকাটা জরুরি। ইতিমধ্যে অনেকে জেনে গেছেন চলনসই দূরের কথা ব্রেন নামের জিনিসটাই আমার নাই! থাকলে
অবশ্য আমি এই জীবনে ডাক্তার হতে পারতুম কি পারতুম না এই কুতর্কে যাব না। কারণ ডাক্তার হওয়ার জন্য চলনসই একটা ব্রেন থাকাটা জরুরি। ইতিমধ্যে অনেকে জেনে গেছেন চলনসই দূরের কথা ব্রেন নামের জিনিসটাই আমার নাই! থাকলে
বিভাগ
অন্যায়
Monday, August 29, 2011
"ঈদি"
ঈদ ফিরে ফিরে আসে কিন্তু বালকবেলার ঈদ আর ফিরে আসে না। সেই হারিয়ে যাওয়া ঈদের কতশত তুচ্ছ-তুচ্ছ আনন্দ!
সেসময় "ঈদি" নামের একটি জিনিসের জন্য তীর্থের কাকের ন্যায় অপেক্ষায় থাকতাম। শেষ "ঈদি" কবে পেয়েছি ভুলেই গেছি। তখন ঈদিতে পাঁচ-দশ-বিশ টাকা পাওয়া মানে রাজ্য জয় করার সমান। সেই টাকায় নিয়ম করে স্টুডিওতে ছবি তোলা এবং হলে গিয়ে বাংলা সিনেমা দেখা। ঈদি দিতে মুরুব্বিরা ভুলে গেলেও আমরা ভুলতাম না। একবার তো তাঁরা ভুলে যাওয়ায় রুমাল বিছিয়ে দেয়া হয়েছিল।
এটা একটা ইঙ্গিত। এই ভঙ্গিটা আমরা শিখেছিলাম এক জামাই বাবাজির কাছ থেকে। তিনি জনে জনে সালাম করছিলেন এবং রুমাল বিছিয়ে দিচ্ছিলেন। সবাই ওই রুমালে টাকা-পয়সা দিচ্ছিলেন।
সেসময় "ঈদি" নামের একটি জিনিসের জন্য তীর্থের কাকের ন্যায় অপেক্ষায় থাকতাম। শেষ "ঈদি" কবে পেয়েছি ভুলেই গেছি। তখন ঈদিতে পাঁচ-দশ-বিশ টাকা পাওয়া মানে রাজ্য জয় করার সমান। সেই টাকায় নিয়ম করে স্টুডিওতে ছবি তোলা এবং হলে গিয়ে বাংলা সিনেমা দেখা। ঈদি দিতে মুরুব্বিরা ভুলে গেলেও আমরা ভুলতাম না। একবার তো তাঁরা ভুলে যাওয়ায় রুমাল বিছিয়ে দেয়া হয়েছিল।
এটা একটা ইঙ্গিত। এই ভঙ্গিটা আমরা শিখেছিলাম এক জামাই বাবাজির কাছ থেকে। তিনি জনে জনে সালাম করছিলেন এবং রুমাল বিছিয়ে দিচ্ছিলেন। সবাই ওই রুমালে টাকা-পয়সা দিচ্ছিলেন।
বিভাগ
ভাললাগা
Saturday, August 27, 2011
হ্যালো, গু-ডাক্তার!
(সতর্কীকরণ: অতি সূক্ষ রুচি যাদের, তাদের প্রতি অনুরোধ, লেখাটা না-পড়লেই ভালো করবেন।)
লেখাটা না-লিখে আমার উপায় নেই! গু শব্দটায় যাদের গা গুলায় তাঁরা গুয়ের স্থলে 'সু' পড়ুন তাহলেই ঝামেলা মিটে যায়। :)
ঢাকা যাওয়ার কথা শুনলেই আমার ইয়ে বন্ধ হয়ে যায়! শেষ গিয়েছিলাম এবছর ফেব্রুয়ারিতে। বইমেলায় না, কারও আমন্ত্রণে। এখন আর বইমেলায় যাওয়ার কোন অর্থ নাই, বইমেলা এখন হয়ে গেছে এই দেশেরই এক বাস্তব নমুনা! বইমেলা না বলে বানিজ্যমেলা বললে ভাল হয়। শত-শত হলুদ কাপড়পরা
বিভাগ
হাসপাতাল পর্ব
Friday, August 26, 2011
হারিয়ে যাওয়া একজন মানুষ
এই মানুষটাকে পাওয়া গেছে। বেওয়ারীশ! গায়ে ময়লা, দামী জুতো ছেঁড়া। মানুষটা এদিক-ওদিক ঢলে পড়ছিলেন। জহিরুল ইসলাম সাগর, একজন সদাশয় মানুষ একটা রিকশায় তুলে দিয়েছিলেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
আহা, এতো সোজা! হাসপাতালে এমন কাউকে নিয়ে গেলেই বুঝি সুড়সুড় করে ভর্তি হওয়া যায়? পুলিশি ঝামেলার কারণে বুদ্ধিমানরা গা বাঁচিয়ে চলেন।
আহা, এতো সোজা! হাসপাতালে এমন কাউকে নিয়ে গেলেই বুঝি সুড়সুড় করে ভর্তি হওয়া যায়? পুলিশি ঝামেলার কারণে বুদ্ধিমানরা গা বাঁচিয়ে চলেন।
Thursday, August 18, 2011
প্রতিভাবান (!)
সৈয়দ শামসুল হকের চিবিয়ে চিবিয়ে বলার ভঙ্গি রপ্ত করাটা চাট্টিখানি কথা না! তাই তাঁর এই বলার ভঙ্গির আমি ফিদা!
এ এক বিচিত্র! 'ভাষাকন্যা' উপাধিটা তাঁরই দেয়া। 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি' এই সব চর্বিতচর্বণ করেন তখন মানুষটার মোটেও ক্লান্তি লাগে না।
যাই হোক, ৯৩ সালে ভোরের কাগজে তিনি সিরিজ টাইপের কিছু কবিতা লিখেছিলেন।
এ এক বিচিত্র! 'ভাষাকন্যা' উপাধিটা তাঁরই দেয়া। 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি' এই সব চর্বিতচর্বণ করেন তখন মানুষটার মোটেও ক্লান্তি লাগে না।
যাই হোক, ৯৩ সালে ভোরের কাগজে তিনি সিরিজ টাইপের কিছু কবিতা লিখেছিলেন।
বিভাগ
অন্যায়
Monday, August 15, 2011
কেন এভাবে যেতে হবে না?
সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ এবং মিশুক মুনীরের মৃত্যুর পর একটি জাতীয় দৈনিকে জটিল এই প্রশ্নটা ছুড়ে দেয়া হয়েছে, "এভাবে যেতে হবে কেন"?
যদি আমি পাল্টা প্রশ্ন করি, কেন এভাবে যেতে হবে না? গর্ত করে রাখলে একেকজন একেক রকম করে গর্তে পড়ে নাকি?
যদি আমি পাল্টা প্রশ্ন করি, কেন এভাবে যেতে হবে না? গর্ত করে রাখলে একেকজন একেক রকম করে গর্তে পড়ে নাকি?
বিভাগ
আয়না
Saturday, August 13, 2011
সাম্রাজ্য
আমেরিকার সাউথ ডাকোটার ছোট্ট একটি শহর, স্কেনিক। মাত্র ৪৬ একর! শহরটি যাত্রা শুরু করেছিল ১৯০৬ সালে! এন্টিক একটা শহর! ঐতিহ্যবাহী...।
এই শহরটি বিক্রি হবে। এই শহরে আছে একটি গ্যাস স্টেশন. একটি সেলুন (সামাজিক মেলামেশার স্থান), একটি জেলখানা, একটি স্টেশনারি শপ...।
এরা এদের নিজস্ব সাইটে বিস্তারিত জানাচ্ছে [১]:
আমেরিকার সাউথ ডাকোটার ছোট্ট একটি শহর, স্কেনিক। মাত্র ৪৬ একর! শহরটি যাত্রা শুরু করেছিল ১৯০৬ সালে! এন্টিক একটা শহর! ঐতিহ্যবাহী...।
এই শহরটি বিক্রি হবে। এই শহরে আছে একটি গ্যাস স্টেশন. একটি সেলুন (সামাজিক মেলামেশার স্থান), একটি জেলখানা, একটি স্টেশনারি শপ...।
এরা এদের নিজস্ব সাইটে বিস্তারিত জানাচ্ছে [১]:
বিভাগ
ইচ্ছা
Friday, August 12, 2011
একজন 'আফাধমসথক' রাষ্ট্রদূত
| ঋণ: youtube, ambassador10000 |
বিভাগ
ক্ষমতার অপব্যবহার
Thursday, August 11, 2011
আমরা এখন একটা গলিত শব...
(সময় টিভির সৌজন্যে)
এই ঘটনা নিয়ে সবাই পুলিশের গুষ্ঠিশুদ্ধ উদ্ধার করছেন। না-না, পুলিশকে কোলে বসিয়ে ফিডার খাওয়ানো হোক এটা আমার বক্তব্য না। যারা যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে একজন মানুষকে খুন করার জন্য যে বিচার পাওনা হয় তার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সে পুলিশ হোক না-হোক তা নিয়েও কোন আলাদা বক্তব্য নাই।
বিষয়টা নিয়ে হইচই করার কিছু নাই।
বিভাগ
অন্যায়
Monday, August 8, 2011
এরাফ এবং...
কয়েদী নামের একটা বই আছে আমার। গোটা বইটাই হরতাল নিয়ে। ওই বইয়ের একটা চরিত্র, একজন লেখক। সলাজে বলি, ওই লেখকের নাম আমি জানি না। নামের বদলে তিনি পরিচিত হয়েছেন এভাবে, 'তিনি একজন লেখক'...।
ওই লেখক একটা সমস্যায় পড়েন, ভয়াবহ সমস্যা। একজন লেখকের জন্যে এরচেয়ে গুরুতর সমস্যা আর হতে পারে না! লেখকের লেখা আটকে গেছে- তিনি লিখতে পারছেন না। কেন? কয়েদীতে [১] লেখা আছে এমন:
"লেখক একমনে লিখে যাচ্ছেন।
ওই লেখক একটা সমস্যায় পড়েন, ভয়াবহ সমস্যা। একজন লেখকের জন্যে এরচেয়ে গুরুতর সমস্যা আর হতে পারে না! লেখকের লেখা আটকে গেছে- তিনি লিখতে পারছেন না। কেন? কয়েদীতে [১] লেখা আছে এমন:
"লেখক একমনে লিখে যাচ্ছেন।
বিভাগ
ভাললাগা
Friday, August 5, 2011
জিরো!
ছোট বেলা থেকেই মানুষের স্বপ্ন থাকে বড় কিছু হওয়ার। আমার তেমন কোন স্বপ্ন ছিল না। কেন ছিল না এই নিয়ে এখন আর কারও সঙ্গে কস্তাকস্তি করতে যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না! যোগ্যতা বা ক্যালিবার যে নামই বলা হউক না কেন ওই জিনিসটা আমার কস্মিনকালেও ছিল না, এখনও নাই।
সবারই যখন আছে কোন-না-কোন একটা ক্যারিয়ার- আফসোস, আমার হাতে কেবল টিফিন-ক্যারিয়ার! কী আর করা- বড়ই আফসোস, উপর থেকেই রিজেক্ট মাল এসেছে! তাই বলে তো নিজেকে ফায়ারিং স্কোয়াডে দাঁড় করানো চলে না...।
বিভাগ
শুভ'র ব্লগিং
Wednesday, August 3, 2011
একজন মুক্তিযোদ্ধা (!)
তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধটা হয়েছিল ১৯৭১ সালে কিন্তু এটা জানা গেল ২০১১ সালে এসে! বছরের-পর-বছর চলে গেছে অথচ এটা কেউ জানত না? আহা, কেউ জানুক, না-জানুক ওই মানুষটার তো জানার কথা? তাহলে তিনি কেন জানতেন না যে তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা! আসলে বেচারাকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। ঘটনাটা এমন:
আপনারা হিন্দি ছবিতে দেখে থাকবেন মাথায় আঘাতের বা রোড অ্যাকসিডেন্টের কারণে একজন স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে।
আপনারা হিন্দি ছবিতে দেখে থাকবেন মাথায় আঘাতের বা রোড অ্যাকসিডেন্টের কারণে একজন স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে।
বিভাগ
অন্যায়
Wednesday, July 27, 2011
বাঁশে ভিউ-মিরর!
(এই লেখাটা পূর্বে পোস্ট করেছি কিনা মনে পড়ছে না। আজ বিশেষ একটা কারণে এই লেখাটা খুঁজছিলাম কিন্তু পাচ্ছিলাম না। পূর্বে কেউ লেখাটা পড়ে থাকলে দয়া করে শিরোনামটা দেখেই লম্বা দেবেন।)
এ দেশে কেমন কেমন করে একটা ধারণা জন্মে গেছে, যারা লেখালেখি করেন তারা কেবল বায়ু সেবনই পছন্দ করেন, একেকজন চলমান বায়ুভুক আর কী! অবশ্য ভাগ্যবান কেউ কেউ বুদ্ধিজীবী হয়ে যান, অন্যরা বায়ুজীবী।
আমি বায়ুসেবন করে আরাম পাই না এটা বলতে চাই না কারণ তাহলে আমাকে এমন এক জায়গায় চলে যেতে হবে যেখান থেকে আর ফেরা যায় না; ওখানে লেখালেখি করার অনুমতি আছে কিনা এমনটাও আমার জানা নাই!
এ দেশে কেমন কেমন করে একটা ধারণা জন্মে গেছে, যারা লেখালেখি করেন তারা কেবল বায়ু সেবনই পছন্দ করেন, একেকজন চলমান বায়ুভুক আর কী! অবশ্য ভাগ্যবান কেউ কেউ বুদ্ধিজীবী হয়ে যান, অন্যরা বায়ুজীবী।
আমি বায়ুসেবন করে আরাম পাই না এটা বলতে চাই না কারণ তাহলে আমাকে এমন এক জায়গায় চলে যেতে হবে যেখান থেকে আর ফেরা যায় না; ওখানে লেখালেখি করার অনুমতি আছে কিনা এমনটাও আমার জানা নাই!
বিভাগ
ব্যবসা
Monday, July 25, 2011
শেখ সাদী, সেকাল-একাল!
চকচকে কাপড়ই সমস্ত সুবিধার উৎস, এই নিয়ে শেখ সাদীর চমৎকার একটা ঘটনা আছে। বিস্তারিত বলে চর্বিতচর্বণ করি না। এটা একটা বাচ্চাও জানে।
আচ্ছা, শেখ সাদী ভদ্রলোক কী মারা গেছেন? জানি-জানি, এই উদ্ভট প্রশ্ন শুনে অনেকে এতো জোরে হাসছেন যে আমার কম্পিউটারের মনিটরের পর্দাও কেঁপে কেঁপে উঠছে! বাহ, এ কেমন উদ্ভট কথা!
আসলে আমার বক্তব্য অন্য, শেখ সাদীর মতো মানুষেরা কখনও মারা যান না, এঁরা অমর। আমার কথায়, কিছু মানুষ কখনও মরেন না এঁরা কেবল খোলস বদলান মাত্র! চকচকে কাপড় পরলে মর্যাদা পাওয়া যায়, সেই কবে শেখ সাদী এটা বলে পগার পার হয়েছেন অথচ
আচ্ছা, শেখ সাদী ভদ্রলোক কী মারা গেছেন? জানি-জানি, এই উদ্ভট প্রশ্ন শুনে অনেকে এতো জোরে হাসছেন যে আমার কম্পিউটারের মনিটরের পর্দাও কেঁপে কেঁপে উঠছে! বাহ, এ কেমন উদ্ভট কথা!
আসলে আমার বক্তব্য অন্য, শেখ সাদীর মতো মানুষেরা কখনও মারা যান না, এঁরা অমর। আমার কথায়, কিছু মানুষ কখনও মরেন না এঁরা কেবল খোলস বদলান মাত্র! চকচকে কাপড় পরলে মর্যাদা পাওয়া যায়, সেই কবে শেখ সাদী এটা বলে পগার পার হয়েছেন অথচ
বিভাগ
অন্যায়
Sunday, July 17, 2011
প্রেস এডভাইস!
লেজে হোমো এরশাদ ক্ষমতায় ছিলেন ৩১৫৯ দিন! এ এক ইতিহাস! তার ক্ষমতায় থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে সংবাদপত্রের 'এডভাইসের' নামে কন্ঠ রোধ করা হয়েছিল। অসংখ্য আবর্জনা থেকে অল্প কয়েকটা এখানে তুলে দিলাম। নমুনা:
১৪ ফেব্রয়ারি, ১৯৮৩: আজ ঢাকা শহরে যে গুলি হত্যার ঘটনা ঘটেছে এই সম্বন্ধে কোন প্রকার খবর প্রকাশিত হবে না।
১৪ ফেব্রয়ারি, ১৯৮৩: আজ ঢাকা শহরে যে গুলি হত্যার ঘটনা ঘটেছে এই সম্বন্ধে কোন প্রকার খবর প্রকাশিত হবে না।
বিভাগ
অসভ্য কান্ড
Saturday, July 16, 2011
শাবাশ, তানজিন বৃষ্টি!
পত্রিকায় খবরটা ভেতরের পাতায় ছাপা হয়েছে। কালই 'কালের কন্ঠে' পড়েছিলাম। এই বাসি খবরটা আজ 'প্রথম আলোয়' পড়লাম। চব্বিশ ঘন্টা পর! তবুও ভাল প্রথম আলো খবরটা ছাপিয়েছে। অনেক প্রয়োজনীয় খবর অন্য পত্রিকায় ছাপা হলেও এই পত্রিকায় এর টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যায় না। আর এমনিতে এরা কবে বুঝবে বাসি জিনিস লোকজন পছন্দ করে না, এর স্থান হয় আবর্জনায়!
'ইতিহাদ' এয়ারলাইনসের যাত্রী তানজীন বৃষ্টিকে আবুধাবি বিমানবন্দরে হেনেস্তা করা হয়, দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তিনি এই নিয়ে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হলে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। অন্যদের সাথে ইতেহাদের কান্ট্রি ম্যানেজারকেও হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে।
'ইতিহাদ' এয়ারলাইনসের যাত্রী তানজীন বৃষ্টিকে আবুধাবি বিমানবন্দরে হেনেস্তা করা হয়, দেশে ফেরত পাঠানো হয়। তিনি এই নিয়ে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হলে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। অন্যদের সাথে ইতেহাদের কান্ট্রি ম্যানেজারকেও হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে।
বিভাগ
ভাললাগা
Monday, July 11, 2011
আমাদের একজন 'নীরিজা গুতরু'র বড়ো প্রয়োজন
আমাদের দেশে উপরের নির্দেশ বলে একটা জিনিস আছে। ভয়াবহ একটা জিনিস! এর নিবাস ঠিক কোথায় এ সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান তমোময়- ভাসা ভাসা! এই দেশে উপরের নির্দেশ ব্যতীত কিচ্ছু হওয়ার যো নেই। গাছ, গাছের ছাল দূরের কথা, একটি পাতাও নড়বে না। আমি অনেকখানি ভয়ে ভয়ে, আছি কোন দিন না, বাথরুম যাওয়ার জন্যও উপরের নির্দেশের প্রয়োজন হয়। হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে! ছ্যা, প্যান্ট-ট্যান্ট নষ্ট করে বিতিকিচ্ছি এক অবস্থার সৃষ্টি হবে!
আমি কোথাও লিখেছিলাম: "আমাদের বিভাজন শুরু হয় জন্মের পর থেকেই। মানুষ না পশু? মানুষ হলে, ছেলে না মেয়ে? জাতপাত কি- হিন্দু, মুসলমান, খ্রীষ্টান? সর্বশেষে বিএনপি-আওয়ামীলীগ-জামাত-জাতীয়পার্টি...? দলটা অতি জরুরি! এই দেশে বসবাস করার জন্য
আমি কোথাও লিখেছিলাম: "আমাদের বিভাজন শুরু হয় জন্মের পর থেকেই। মানুষ না পশু? মানুষ হলে, ছেলে না মেয়ে? জাতপাত কি- হিন্দু, মুসলমান, খ্রীষ্টান? সর্বশেষে বিএনপি-আওয়ামীলীগ-জামাত-জাতীয়পার্টি...? দলটা অতি জরুরি! এই দেশে বসবাস করার জন্য
বিভাগ
বড় সাধ
Saturday, July 9, 2011
নষ্ট শিক্ষক- নষ্ট লেখক!
ইমদাদুল হক মিলন কালের কন্ঠে মন্তব্য প্রতিবেদনে লিখেছেন, 'নষ্ট শিক্ষক' [১]। লেখাটা সময়োচিত-সময়োপযোগী, কাজের সময়ে কাজের একটা লেখা হয়েছে এই নিয়ে আমার কোনও অমত নাই কিন্তু এই লেখাটা পড়ছিলাম আর ভয়ে কাঠ হচ্ছিলাম, এই রে, মিলন সাহেব না হাত খুলে লিখে ফেলেন! এক জায়গায় তিনি লিখেছেন:
"...অন্য ছাত্রীরা চলে যাওয়ার পর পরিমল দরজা বন্ধ করে দেন। মেয়েটি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার মুখ বেঁধে ফেলেন। মেয়েটি হাত-পা ছোড়াছুড়ি শুরু করলে ওড়না দিয়ে তার দুহাত বেঁধে ফেলেন। গায়ের জামা-কাপড় খুলে তার ছবি তোলেন, তারপর চালান পাশবিক নির্যাতন...।"
আমার ধারণা, তিনি হাত খুলে লিখতেন
"...অন্য ছাত্রীরা চলে যাওয়ার পর পরিমল দরজা বন্ধ করে দেন। মেয়েটি কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার মুখ বেঁধে ফেলেন। মেয়েটি হাত-পা ছোড়াছুড়ি শুরু করলে ওড়না দিয়ে তার দুহাত বেঁধে ফেলেন। গায়ের জামা-কাপড় খুলে তার ছবি তোলেন, তারপর চালান পাশবিক নির্যাতন...।"
আমার ধারণা, তিনি হাত খুলে লিখতেন
বিভাগ
অসভ্য কান্ড
Thursday, July 7, 2011
বেচারা গণতন্ত্র!
![]() |
| ছবি সূত্র: প্রথম আলো ০৭.০৭.২০১১ |
এটা দেখে কার কী ভাবনা উদয় হচ্ছে আমি জানি না কিন্তু আমার কেবল মনে হচ্ছে এখানে কেবল একজন মানুষ দৌড়ে পালাচ্ছেন না, পালাচ্ছে গণতন্ত্র! বেচারা গণতন্ত্র!
Wednesday, July 6, 2011
যদভবিষ্য
মুক্তিযোদ্ধা, নৌ-কমান্ডো ফজলুল হক ভূঁইয়াকে নিয়ে কিছু লেখা লিখেছিলাম। এই অসমসাহসী মানুষটা তীব্র অসহায়ত্বে দিনযাপন করেন [১]। চেষ্টা করা হয়েছিল বিভিন্ন সময়ে এই আগুন-মানুষটাকে শিশুদের কাছে পরিচিত করিয়ে দেয়ার । আমরা যে অপরাধগুলো করেছি আমাদের পরের প্রজন্ম যেন ঠিক সেই অপরাধগুলো না করে সেই ক্ষুদ্র চেষ্টা [২]।
এই মানুষটার একটা সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য জার্মানি থেকে হণ্যে হয়ে খোঁজা হচ্ছিল। সাক্ষাৎকারটা নেয়া হবে জার্মানি থেকে ফোন
এই মানুষটার একটা সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য জার্মানি থেকে হণ্যে হয়ে খোঁজা হচ্ছিল। সাক্ষাৎকারটা নেয়া হবে জার্মানি থেকে ফোন
বিভাগ
ক্ষোভ
Monday, July 4, 2011
শিক্ষা!
শফিক রেহমানের ভয়াবহ রকমের যে বাড়াবাড়িটা ছিল তা নিয়ে ইতিপূর্বে লিখেছিলাম, "সব কিছু নিয়ে কুৎসিত রসিকতা করা। ভিনসেন্ট পিউরিফিকেশনের নামে যা তা রসিকতা। একবার দিলেন এমন, মাস্তান নামের অসভ্যরা ইডেন কলেজের কিছু ছাত্রীর জামা ছিঁড়ে ফেলেছিল, ভেতরের অন্তর্বাস দেখা যাচ্ছিল। শফিক রেহমান এই ছবিটার পাশে বোম্বের ব্রা প্রদর্শনীর একটা ছবি দিয়ে কুৎসিত রসিকতা করার চেষ্টা করেন।"[১]
বিভাগ
অসভ্য কান্ড
Sunday, July 3, 2011
অন্ধকার ছেয়ে ফেলে চারদিক
এই মানুষটার বিরুদ্ধে শত-শত মামলা করা হয়েছিল কিন্তু আমাদের দেশে মামলা হচ্ছে মাকড়সার জালের মত। ক্ষমতাবানরা চট করে ছিঁড়ে ফেলে কিন্তু দুর্বল আটকে থাকে আষ্টেপৃষ্ঠে। এরশাদ সাহেব যে শত-শত মামলা (কমিশন এরশাদের বিরুদ্ধে ৫৩৪টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ চিহ্নিত করেছিল। আরও ৮২৮টি অভিযোগ তদন্তাধীন ছিল। প্রতিটি অভিযোগের জন্যে আলাদা আলাদা মামলা দায়ের করা সম্ভব ছিল) মোকাবেলা করে দাঁত কেলিয়ে তিন তিনটে আসন থেকে দাপটের সঙ্গে নির্বাচিত হয়েছেন অথচ সাধারণ মানুষ এই শত শত মামলার কেবল একটা মামলাতেই হাবুডুবু খেতে খেতে প্রাণপাত করতেন!
এরশাদ সাহেব এমন কোন দিক নেই যেটা নষ্ট করেননি
এরশাদ সাহেব এমন কোন দিক নেই যেটা নষ্ট করেননি
Saturday, July 2, 2011
বাংলাদেশের ভ্যালেরি টেইলর হোক ‘সিএনএন হিরো’
আজকের অতিথি আরাফাতুল ইসলাম। তিনি লিখেছেন ভ্যালেরি টেইলর নামের একজন মানুষকে নিয়ে। কোন ধরনের সম্মাননায় এই মানুষটার কিছুই যায় আসে না কিন্তু আমাদের দেশের জন্য এই সম্মাননা অতি জরুরি বলেই আমি মনে করি। আমরা খানিকটা চেষ্টা করলেই হয়ে যায়, এতে কোন সন্দেহ অন্তত আমার নাই। আরাফাতুল ইসলাম লিখেছেন:
"ভ্যালেরি টেইলরের কথা মনে করতে পারছেন? বাংলাদেশে বসবাসরত এই ইংরেজ ফিজিওথেরাপিস্ট ঢাকার সাভারে প্রতিষ্ঠা করেছেন সিআরপি। শারীরিকভাবে অক্ষমদের পরিপূর্ণ পুনর্বাসনের জন্য কাজ করে এই সংগঠন। গরীব, দুঃখীরা অনেক ব্যয়সাপেক্ষ চিকিৎসা এখানে পাচ্ছেন বিনা খরচায়, ভ্যালেরির জন্য। ভ্যালেরি এই কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন বিভিন্নভাবে। আসুন এবার তাঁকে আরেকটি স্বীকৃতি এনে দেই, সেটি শুধু তাঁর জন্য নয় বরং আমাদের নিজেদের জন্যও।
"ভ্যালেরি টেইলরের কথা মনে করতে পারছেন? বাংলাদেশে বসবাসরত এই ইংরেজ ফিজিওথেরাপিস্ট ঢাকার সাভারে প্রতিষ্ঠা করেছেন সিআরপি। শারীরিকভাবে অক্ষমদের পরিপূর্ণ পুনর্বাসনের জন্য কাজ করে এই সংগঠন। গরীব, দুঃখীরা অনেক ব্যয়সাপেক্ষ চিকিৎসা এখানে পাচ্ছেন বিনা খরচায়, ভ্যালেরির জন্য। ভ্যালেরি এই কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন বিভিন্নভাবে। আসুন এবার তাঁকে আরেকটি স্বীকৃতি এনে দেই, সেটি শুধু তাঁর জন্য নয় বরং আমাদের নিজেদের জন্যও।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Thursday, June 30, 2011
সাদাকে কালো বলিব
আগেও এই বিষয় নিয়ে লিখেছিলাম, নাম ভুল লেখে, কেন? কান্ডটা আজও 'সকালের খবর' নামের দৈনিকটা করেছে!
এটা যে এবারই প্রথম হয়েছে এমন না, পত্রিকাওয়ালা ইচ্ছা করে এই কাজটা করে! ব্যাটারা এই সব ফাজলামি আর কত কাল যে করবে? এরা কলাম্বিয়ার গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, তুরস্কের ওরহান পামুক, ফিলিস্তিনের মাহমুদ দারবিশ, ইন্দোনেশিয়ার প্রমোদিয়া অনন্ত তোয়ের লিখতে পারে; কেবল পারে না আলী মাহমেদ লিখতে- মাহমেদ শব্দটা আহমেদ হয়ে যায়! তখন বেচারাদের কলমের নিব ভেঙ্গে যায়! বেচারা, আহা বেচারা!
এখন আর এই সব নিয়ে লিখতে
এটা যে এবারই প্রথম হয়েছে এমন না, পত্রিকাওয়ালা ইচ্ছা করে এই কাজটা করে! ব্যাটারা এই সব ফাজলামি আর কত কাল যে করবে? এরা কলাম্বিয়ার গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস, তুরস্কের ওরহান পামুক, ফিলিস্তিনের মাহমুদ দারবিশ, ইন্দোনেশিয়ার প্রমোদিয়া অনন্ত তোয়ের লিখতে পারে; কেবল পারে না আলী মাহমেদ লিখতে- মাহমেদ শব্দটা আহমেদ হয়ে যায়! তখন বেচারাদের কলমের নিব ভেঙ্গে যায়! বেচারা, আহা বেচারা!
এখন আর এই সব নিয়ে লিখতে
বিভাগ
ক্ষমতার অপব্যবহার
Wednesday, June 29, 2011
উঠে আসে অন্ধকার, অন্ধকার থেকে...।
| স্কেচ: আলী মাহমেদ |
আমি পূর্বে লিখেছিলাম, এ বড়ো বিচিত্র দেশ, ততোধিক বিচিত্র এ দেশের মানুষ! এরশাদ নামের শাসককবি কেবল কবিতা লিখেই ক্ষান্ত দেননি, এইবার তিন তিনটে আসন থেকে নির্বাচন করে তিনটাতেই বিজয়ী হয়েছেন, তাও একটা ঢাকা থেকে (ঢাকার ভোটারদের সালাম)। ঢাকার মানুষগুলো আবার নিজেদেরকে 'একটু বেশি শিক্ষিত' বলে দাবী করে থাকেন কি না! এই দেশ গণতন্ত্রের জন্য আদর্শই বটে।
'সব হয়েছে নষ্ট, বেড়েছে কেবল কষ্ট'! বাকী ছিল সাহিত্য এটাও গেছে নষ্টদের অধিকারে। সাহিত্যক্ষেত্রের এই নষ্টের হোতা আমাদের এরশাদ সাহেব।
বিভাগ
অসভ্য কান্ড
Sunday, June 26, 2011
দেশপ্রেম মাপার ফিতা
কখনও কখনও আলোর ছটায় ফকফকা জ্যোৎস্নাকে ম্রিয়মান মনে হয়! সাধারণ আমরা যখন অসাধারণের মুখোমুখি হই তখন কেমন আড়ষ্ট হয়ে যাই। কেবল জনান্তিকে বলি, আহারে-আহারে, ভাগ্যবান হলুম বটি!
তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটির উদ্দেশে শেখ সেলিম সাহেব বলেন, "...আপনারা যা পারেন করুন গিয়ে
তেল-গ্যাস রক্ষা কমিটির উদ্দেশে শেখ সেলিম সাহেব বলেন, "...আপনারা যা পারেন করুন গিয়ে
বিভাগ
ক্ষমতার অপব্যবহার
Saturday, June 25, 2011
রক্তাক্ত রেহনুমা, পঙ্গু মানবাধিকার
আজকের অতিথি লেখক আরাফাতুল ইসলাম। তিনি লিখেছেন:
"রেহনুমা আহমেদ এর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের উপায় ই-মেল। আপা মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর, কর্মসূচি ই-মেলে জানান। সৌভাগ্যক্রমে সেই ই-মেইল তালিকায় আমার ঠিকানাটাও আছে। তাই, আপার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিয়মিতই যোগাযোগ আমার।
যথারীতি সেই ই-মেইলেই জানতে পারি
"রেহনুমা আহমেদ এর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের উপায় ই-মেল। আপা মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর, কর্মসূচি ই-মেলে জানান। সৌভাগ্যক্রমে সেই ই-মেইল তালিকায় আমার ঠিকানাটাও আছে। তাই, আপার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিয়মিতই যোগাযোগ আমার।
যথারীতি সেই ই-মেইলেই জানতে পারি
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Thursday, June 23, 2011
গাঞ্জে ফেরেশতে
সরকারের কিছু কিছু বিষয় আমরা দেখেও না দেখার ভান করি। বিড়বিড় করে বলি, যাক, আচ্ছা যাক...। তেমনি একটা ঘটনা ছিল ভ্রাম্যমান আদালত। যিনি হরতালে, নাশকতা চালাবার সময় সন্ত্রাসীকে হাতে-নাতে ধরবেন, তৎক্ষণাৎ আইনের আওতায় শাস্তি দেবেন।
একজন হরতাল বলামাত্র গোটা দেশটার চাকা
একজন হরতাল বলামাত্র গোটা দেশটার চাকা
বিভাগ
অশ্লীলতা
Monday, June 20, 2011
ভালোবাসা এবং মৃত্যুর গল্প
আজকের অতিথি লেখক শওকত আলী। তিনি লিখেছেন:
"এটা কি, ফয়সল?
জেনী, দেখতেই তো পারছ, আবার জনতে চাচ্ছ কেন?
তুমি এরকম কুৎসিত নোংরা একটা কুকুর ছানা নিয়ে ঘরে ঢুকেছ কেন?
রাস্তার কয়েকটা ছেলে মিলে বাচ্চাটাকে গাছে ঝুলিয়ে ফাঁস
"এটা কি, ফয়সল?
জেনী, দেখতেই তো পারছ, আবার জনতে চাচ্ছ কেন?
তুমি এরকম কুৎসিত নোংরা একটা কুকুর ছানা নিয়ে ঘরে ঢুকেছ কেন?
রাস্তার কয়েকটা ছেলে মিলে বাচ্চাটাকে গাছে ঝুলিয়ে ফাঁস
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Sunday, June 19, 2011
ফিরে আসে বারবার!
আমার সন্তানেরা তাদের হাতে বানানো জিনিসটা আমাকে ধরিয়ে দিলে আমি জানতে চাইলাম, বিষয় কী! এরা দাঁত বের করে জানান দেয়, আজ বাবা দিবস।
দিবস-টিবস নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষের আলোচনায় এখন আর যাই না কিন্তু এদের এই আচরণ দুম করে আমাকে অনেক ক-টা বছর পেছনে নিয়ে যায়! বিচিত্র এক কারণে বয়সটা আমার শৈশবেই থেমে থাকে। আচ্ছা, নিজের বাবার সঙ্গে কি কখনও এমনটা করেছি? পাগল!
দিবস-টিবস নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষের আলোচনায় এখন আর যাই না কিন্তু এদের এই আচরণ দুম করে আমাকে অনেক ক-টা বছর পেছনে নিয়ে যায়! বিচিত্র এক কারণে বয়সটা আমার শৈশবেই থেমে থাকে। আচ্ছা, নিজের বাবার সঙ্গে কি কখনও এমনটা করেছি? পাগল!
বিভাগ
কষ্ট
Saturday, June 18, 2011
জ্ঞানপাপী!
অধ্যাপক রুমানা এবং হাসান সাইদকে নিয়ে দেশ উত্তাল। দেশের লোকজনের ভাব দেখে মনে হচ্ছে এই দেশে নারীর প্রতি এমন নৃশংস আচরণ এই প্রথম হলো! লোকজন চাচ্ছে তাই মিডিয়াও ঝাপিয়ে পড়েছে। ঘটা করে সিরিজ করছে।
রাহেলা বেচারির [১] জন্য দেখি কেউ এক লাইন কালি খরচ করছেন না- আচ্ছা, আমরা কেউ কি
রাহেলা বেচারির [১] জন্য দেখি কেউ এক লাইন কালি খরচ করছেন না- আচ্ছা, আমরা কেউ কি
বিভাগ
অন্যায়
Wednesday, June 15, 2011
চুইংগাম এবং আমার বোকা আব্বু
আজকের অতিথি ফারাজানা আফরোজ। তিনি লিখেছেন ভিন্ন এক ভুবন নিয়ে। যে ভুবনটা আমাদের পুরুষদের কাছে ছায়া-ছায়া, তমোময়! এই ভুবনটা স্পষ্ট হতে হতে আমাদের চুলে পাক ধরে, মেঘে মেঘে বেলা বয়ে যায়। অথচ একটাই জীবন আমাদের এবং বড়ো স্বল্প এ জীবন! আহ, জীবন! সামান্য এই বিষয়টা বোঝার জন্য বাবা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাটা বোকামী, একধরনের অন্যায়! ফারজানা আফরোজ লিখছেন:
"প্রথমদিকে বিয়ের পর বাবার বাড়ি যাওয়ার সৌভাগ্য আমার কমই হয়েছে। তখন আমাদের বাড়িতে যাওয়াটা খুব ঝক্কির ছিল। রিকশা-ট্রেন-বাস। দেখা গেছে, যেদিন গেছি সেদিন সন্ধ্যায়ই
"প্রথমদিকে বিয়ের পর বাবার বাড়ি যাওয়ার সৌভাগ্য আমার কমই হয়েছে। তখন আমাদের বাড়িতে যাওয়াটা খুব ঝক্কির ছিল। রিকশা-ট্রেন-বাস। দেখা গেছে, যেদিন গেছি সেদিন সন্ধ্যায়ই
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Sunday, June 12, 2011
একটি ইটের টুকরো এবং একটি দেশের আত্মকাহিনী!
এটা জাঁক করে বলতে পারলে আমার চেয়ে কেউ সুখি হতো না, এই দেশের মত সোনার দেশ এই গ্রহে আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই! আফসোস, বাস্তবতা ভিন্ন। কেবল কিছু রঙিন চশমাপরা সাদা গোঁফের লেখক টাইপের লোকজনরা বড়ো আশাবাদী- এই দেশের লোকজনরাই দেখিয়ে দেবে ইত্যাদি। আশাবাদী হতো দোষ নেই কিন্তু দিনকে রাত মনে করে বালিতে মুখ গুঁজে থাকা কাজের কাজ না!
আমাদের এই অভাগা দেশটার কী করূণ দশা এটা
আমাদের এই অভাগা দেশটার কী করূণ দশা এটা
বিভাগ
আয়না
Saturday, June 11, 2011
ব্লগিং: নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো!
আজকের অতিথি আবারও শওকত আলী। অনেকে ব্লগিং করা নিয়ে আমাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করলে গুছিয়ে বলতে পারি না- কি হয় ব্লগিং করে, এই সব হেনতেন। এই বিষয়ে খানিকটা আলোকপাত করেছেন, শওকত আলী। তিনি লিখেছেন:
"'কি করা হয়?'
-কিছু করা হয় না।
'এইটা কেমন কথা বললা? একজন ঝাড়ুদারও তো কিছু না কিছু করে! ঝাড়ু দিয়া আবর্জনা দূর করে।'
-আমি ব্লগিং করি।
'এইটা আবার কোন ধরনের ধান্দাবাজি?'
-আমি লিখি।
'কোন পত্রিকায়?'
-কোন পত্রিকায় না।
'তাহলে কি বাজারের ফর্দ লেখো?'
-নাহ, ওই যে বললাম। আমি ব্লগে লেখি।
"'কি করা হয়?'
-কিছু করা হয় না।
'এইটা কেমন কথা বললা? একজন ঝাড়ুদারও তো কিছু না কিছু করে! ঝাড়ু দিয়া আবর্জনা দূর করে।'
-আমি ব্লগিং করি।
'এইটা আবার কোন ধরনের ধান্দাবাজি?'
-আমি লিখি।
'কোন পত্রিকায়?'
-কোন পত্রিকায় না।
'তাহলে কি বাজারের ফর্দ লেখো?'
-নাহ, ওই যে বললাম। আমি ব্লগে লেখি।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Thursday, June 9, 2011
'মা মা' ডাক, নোবেল দিল হাঁক!
বাদশাহ সোলেয়মান নাকি পশু-পাখির ভাষা বুঝতে পারতেন। ওঁর পরে অন্য আর কেউ পশু-পাখির ভাষা বুঝতে পেরেছেন এমনটা আমার জানা নাই।
তবে বাংগুরাদেশে বান্দরের ভাষা নিয়ে অনেকখানি গবেষণা হয়েছিল [১]। তখন অবশ্য অন্য কেউ খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি! ওসময় জাপানি সাংবাদিক বান্দরকে বলেছিলেন, 'মুশি-মুশি'। তখন বান্দর বলেছিল, 'খিচ-খিচ'। কিন্তু বাংগুরাদেশের জ্ঞানী বিমানমন্ত্রী ঠিকই দুধের দুধ, পানির পানি আলাদা করে ফেলেছিলেন! তিনি ঠিকই বান্দরের সঙ্গে বান্দরের ভাষায় বাতচিত করেছিলেন এবং জটিল রহস্য উদঘাটন করে ফেলেছিলেন! কে জানে, এই আনন্দে হয়তো তিনি তুম-তানা-নানা করে খানিকটা 'ঘান'-ও গেয়ে ফেলেছিলেন!
সম্প্রতি আবারও পাখির ভাষা নিয়ে জোর গবেষণার ফল পেকে টসটস করার উপক্রম। কে জানে, এই কারণে এবারও বাংলাদেশে আরেকটা 'নোভেল(!)' খসে পড়ল বলে। এবার অন্তত এই পুরস্কারটা নিয়ে হইচই হবে না। এই বার ইউনূস সাহেবের মত লোকজনরা সুবিধা করতে পারবেন না। একজন রাজনীতিবিদের নোবেল অন্যকে দিয়ে দেয়া বা আম গবেষককে না-দিয়ে জাম গবেষককে দিয়ে দেয়া এমনটা এই বার ঘটবে না, এটা নিশ্চিত।
![]() |
| ছবি সূত্র: কালের কন্ঠ, ৭ জুন ২০১১ |
এই ছবিটার মাধ্যমে আমরা জানতে পারছি শালিকছানা দুটি 'মা মা' বলে ডাকছে। মম-মাম্মি না-বলে খাস বাংলায় 'মা মা' ডাক, ভাবা যায়! আহারে, ঝানু সাংবাদিকদের কত দিক যে খেয়াল রাখতে হয়! আমি নিজেও পাখি-ছানার ছবি উঠিয়েছিলুম। কিন্তু আমার পাখির ছানাগুলো ছিল বদের বদ। এরা কেবল ছিল খাওয়ার ধান্ধায়...[২]।
আমার তোলা নীচের ছবিটার দিকে তাকালেই আপনারা অনায়াসেই বুঝে যাবেন এইগুলা কেমন পেটুক!
![]() |
এই যে এদেরকে এত খাওয়ালুম লাভ কী! আমার সঙ্গে দেখি এরা বাংলায় বাতচিত করল না। কেন-কেন-কেন? এরা বাংলায় 'মা মা' ডাক না হোক অন্তত 'ভা-ভা' ডাকও তো ডাকল না, আফসোস! অবশ্য ইংরাজি-রাশিয়ান-চায়নিজ অন্য কোন ভাষায় বলে থাকলে এটা আমি বুঝতে পারিনি। কারণ সলাজে বলি, বাংলা ব্যতীত অন্য কোন ভাষা আমি জানি না। এই নিয়ে আমাকে কম হেনস্তা করা হয়নি! এই দোষে দুষ্ট আমাকে এরা পারলে শূলে চড়ান [৩]।
ডিয়ার '...কন্ঠ', ভাল-ভাল! শালিকছানা বাংলায় 'মা মা' ডাকে! এরা বাংলা পড়তে পারে কিনা জানি না! বাংলা পড়তে জানলে নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে এই 'ইয়েরকন্ঠ' পত্রিকার মাধ্যমে নিজেদের সম্বন্ধে বিস্তারিত জেনে গেছে।
পাশাপাশি শালিকছানারা কী এও জেনে গেছে এই পত্রিকার সম্পাদক আবেদ খান স্যার? বোধহয় [৪] নিয়ে আবেদ খানের স্যারের সংশয় পরে এস্টাইলে [৫] পরিণত হয়েছিল। আবেদ খান স্যার, শালিকছানাদের পরিচিতি সম্বন্ধে আপনার 'বোধহয় সংশয়' নেই তো আবার...।
সহায়ক সূত্র:
১. বান্দরের ভাষায় বাতচিত: http://www.ali-mahmed.com/2010/04/blog-post_05.html
২. বদের বদ: http://chobiblog.blogspot.com/2011/04/blog-post_10.html
৩. শূলে চড়ানো...: http://www.ali-mahmed.com/2010/04/blog-post_9242.html
৪. 'বোধ হয়': http://www.ali-mahmed.com/2010/01/blog-post_26.html
৫. এস্টাইল: http://www.ali-mahmed.com/2010/01/blog-post_27.html
বিভাগ
কালের কন্ঠ
Wednesday, June 8, 2011
বাইসাইকেল
কখনও-কখনও একটা সাইকেল কেবল সাইকেলই থাকে না, হয়ে উঠে অদেখা এক স্বপ্ন! সেই অদেখা স্বপ্ন, যে স্বপ্ন আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে- নইলে কবেই আমরা মরে ভূত হয়ে যেতাম!
এমনই এক 'বাইসাইকেল' নামের বৃষ্টিতে ভেজা সোঁদা মাটির গন্ধ নিয়ে বলছেন আজকের অতিথি লেখক, আবদুল মান্নান শামীম। যিনি শামীম নামেই সমধিক পরিচিত:
"একটা সাইকেল আমার শৈশবের অনেক বড় আনন্দের উপাদান হয়ে ছিলো। সাইকেলে চড়তে শেখা, প্রথমে সাইকেল হাতে নিয়ে ছোটা, তারপর বাঁকা হয়ে মাঝখানের ফাঁকা দিয়ে পা ঢুকিয়ে অনেক কসরত করে চালানো কারণ সিটে বসে প্যাডালের নাগাল পেতাম না!
এমনই এক 'বাইসাইকেল' নামের বৃষ্টিতে ভেজা সোঁদা মাটির গন্ধ নিয়ে বলছেন আজকের অতিথি লেখক, আবদুল মান্নান শামীম। যিনি শামীম নামেই সমধিক পরিচিত:
"একটা সাইকেল আমার শৈশবের অনেক বড় আনন্দের উপাদান হয়ে ছিলো। সাইকেলে চড়তে শেখা, প্রথমে সাইকেল হাতে নিয়ে ছোটা, তারপর বাঁকা হয়ে মাঝখানের ফাঁকা দিয়ে পা ঢুকিয়ে অনেক কসরত করে চালানো কারণ সিটে বসে প্যাডালের নাগাল পেতাম না!
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Tuesday, June 7, 2011
এই দেশে প্রতিভা বিক্রি হয় কেজি দরে
আমাদের দেশে মনন-প্রতিভা বিক্রি হয় কেজি দরে! আমরা প্রতিভাবানদের মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করি। মৃত্যু হলেই নড়েচড়ে বসি। তখন কাঁদতে কাঁদতে অন্তর্বাস ভিজিয়ে ফেলি।
আবদুর রহমান বয়াতি মৃত্যুর পূর্বে বিভিন্ন জটিল অসুখে ছটফট করতেন আর এই কথাটা বিড়বিড় করতেন, '...দেশে আর কেউ যেন নামের পূর্বে বয়াতি শব্দটা যোগ না করেন। তাহলে তাঁকেও আমার মত বিনাচিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে হবে...'।
আবদুর রহমান বয়াতি মৃত্যুর পূর্বে বিভিন্ন জটিল অসুখে ছটফট করতেন আর এই কথাটা বিড়বিড় করতেন, '...দেশে আর কেউ যেন নামের পূর্বে বয়াতি শব্দটা যোগ না করেন। তাহলে তাঁকেও আমার মত বিনাচিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে হবে...'।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, June 6, 2011
নিজেকে নিয়ে কথোপকথন
আজকের অতিথি অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী মাহবুব সুমন। তাঁর ধারাবাহিক এই লেখার মাধ্যমে উঠে এসেছে, এই গ্রহের সবই পেশা, বড়-ছোট নেই। আছে কেবল সততা-অসততা...।
"বিয়ের জন্য প্রচুর টাকার দরকার ছিলো। সেমিস্টার ব্রেকের ২ মাসে সময়ও ছিলো অফুরন্ত। ল্যান্ডলেডি এক রেস্টুরেন্টের ঠিকানা দিলেন যেখানে গেলে কাজ পাওয়া যাবে। দুপুরে শেফের সাথে কথা বলে সন্ধ্যায় কাজে যোগ দিলাম। কাজ বলতে সেই গতানুগতিক কাজ। 'এল রেন্চ' যাকে আমরা সংক্ষেপে রেন্চ বলতাম, সেই রেস্টুরেন্টে দু মাস কাজ করেছিলাম। ওদের স্পেশালিটি ছিলো 'স্টেক'। দু-মাসে ওদের মেন্যুতে যত রকম স্টেক ছিলো তার স্বাদ গ্রহন করবার সৌভাগ্য হয়েছিলো। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে হয়তো অতো স্টেক খাওয়াই হতো না।
"বিয়ের জন্য প্রচুর টাকার দরকার ছিলো। সেমিস্টার ব্রেকের ২ মাসে সময়ও ছিলো অফুরন্ত। ল্যান্ডলেডি এক রেস্টুরেন্টের ঠিকানা দিলেন যেখানে গেলে কাজ পাওয়া যাবে। দুপুরে শেফের সাথে কথা বলে সন্ধ্যায় কাজে যোগ দিলাম। কাজ বলতে সেই গতানুগতিক কাজ। 'এল রেন্চ' যাকে আমরা সংক্ষেপে রেন্চ বলতাম, সেই রেস্টুরেন্টে দু মাস কাজ করেছিলাম। ওদের স্পেশালিটি ছিলো 'স্টেক'। দু-মাসে ওদের মেন্যুতে যত রকম স্টেক ছিলো তার স্বাদ গ্রহন করবার সৌভাগ্য হয়েছিলো। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে হয়তো অতো স্টেক খাওয়াই হতো না।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Saturday, June 4, 2011
বড়ো মাপের মানুষেরা কেন যে অহেতুক ছোট হতে চান!
আজকের অতিথি লেখক ডিউক জন, তিনি লিখেছেন, বড়ো মাপের মানুষদের অন্ধকার দিক নিয়ে:
"মুহম্মদ জাফর ইকবালকে বলা হয় এদেশের সাইন্সফিকশনের পুরোধা। তাঁর প্রথম কল্পবিজ্ঞানগ্রন্থ কপোট্রনিক সুখদুঃখের পেছনের গল্পটি জাঁক করে তিনি অনেক জায়গাতেই বলেছেন। আসুন, তাঁর মুখ থেকেই শুনি।
'প্রথম গল্পটি বিচিত্রায় প্রকাশিত হবার পর কেউ কেউ এটাকে বিদেশি গল্পের অনুকরণ বলে সন্দেহ প্রকাশ করে কাগজপত্রে লেখালেখি করেছিলেন। আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, অল্পতেই বিচলিত হয়ে যাই। বিদেশি গল্পের অনুকরণ না করেই সায়েন্স ফিকশান লেখা সম্ভব প্রমাণ করার জন্যে আমি তখন রেগেমেগে অন্য গল্পগুলি লিখেছিলাম'।
"মুহম্মদ জাফর ইকবালকে বলা হয় এদেশের সাইন্সফিকশনের পুরোধা। তাঁর প্রথম কল্পবিজ্ঞানগ্রন্থ কপোট্রনিক সুখদুঃখের পেছনের গল্পটি জাঁক করে তিনি অনেক জায়গাতেই বলেছেন। আসুন, তাঁর মুখ থেকেই শুনি।
'প্রথম গল্পটি বিচিত্রায় প্রকাশিত হবার পর কেউ কেউ এটাকে বিদেশি গল্পের অনুকরণ বলে সন্দেহ প্রকাশ করে কাগজপত্রে লেখালেখি করেছিলেন। আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, অল্পতেই বিচলিত হয়ে যাই। বিদেশি গল্পের অনুকরণ না করেই সায়েন্স ফিকশান লেখা সম্ভব প্রমাণ করার জন্যে আমি তখন রেগেমেগে অন্য গল্পগুলি লিখেছিলাম'।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
ছোট-ছোট ভাবনা
আজকের অতিথি যুক্তরাজ্য থেকে সায়ন।
তিনি লিখেছেন অন্য রকম এক লেখা। আহমদ শরীফের ভাষায় 'ভাব-বুদ্বুদ'। আমি বলি, ছোট-ছোট ভাবনা। এমনিতে যার চালু নাম ফেসবুকের স্ট্যাটাস:
"১. চল্লিশ পেরিয়েই চালশে! ও স্বাধীনতা তুমি সত্যিই বুড়ো হয়ে গেলে?
মিরপুর স্টেডিয়ামে চাঁদ তারা খচিত পতাকা উড়ে, ললনার নরম কোমল গালে তার প্রতিচ্ছবি!
২. ২৫ শে মার্চ। আমার সুইডিশ বন্ধু বাংলায় সবচেয়ে বিশ্রী গালি শিখতে চেয়েছিল। আমি শিখিয়েছি: গোলাম আযম, সাকাচৌ, রাজাকার।
তিনি লিখেছেন অন্য রকম এক লেখা। আহমদ শরীফের ভাষায় 'ভাব-বুদ্বুদ'। আমি বলি, ছোট-ছোট ভাবনা। এমনিতে যার চালু নাম ফেসবুকের স্ট্যাটাস:
"১. চল্লিশ পেরিয়েই চালশে! ও স্বাধীনতা তুমি সত্যিই বুড়ো হয়ে গেলে?
মিরপুর স্টেডিয়ামে চাঁদ তারা খচিত পতাকা উড়ে, ললনার নরম কোমল গালে তার প্রতিচ্ছবি!
২. ২৫ শে মার্চ। আমার সুইডিশ বন্ধু বাংলায় সবচেয়ে বিশ্রী গালি শিখতে চেয়েছিল। আমি শিখিয়েছি: গোলাম আযম, সাকাচৌ, রাজাকার।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Monday, May 30, 2011
এন্টিকে রঙের প্রলেপ চড়াবার মত বোকামি আর নাই
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাইটে লেখা আছে:
"... রুহুল আমিন নিয়োগ পান ‘পলাশের’ ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে। ৯ই ডিসেম্বর কোন বাধা ছাড়াই তারা হিরণ পয়েন্টে প্রবেশ করেন। পরদিন ১০ই ডিসেম্বর ভোর ৪টায় তারা মংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সকাল ৭টায় কোন বাধা ছাড়াই তারা মংলায় পৌছান। পেট্রোল ক্রাফট চিত্রাঙ্গদা মংলাতেই অবস্থান নেয় এবং পানভেল, পদ্মা ও পলাশ সামনে অগ্রসর হওয়া আরম্ভ করে। দুপুর ১২টায় তারা খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছাকাছি পৌঁছান। এমন সময় তাদের অনেক উপরে তিনটি জঙ্গি বিমান দেখা যায়। পদ্মা-পলাশ থেকে বিমানের উপর গুলিবর্ষণ করার অনুমতি চাইলে বহরের কমান্ডার বিমানগুলো ভারতীয় বলে জানান। ...
বিভাগ
১৯৭১: প্রসব বেদনা
Saturday, May 28, 2011
মজিবর রহমানদের চলে যাওয়ার অপেক্ষায়
Gulzar Hossain Ujjal, চমৎকার একটি লেখা লিখেছিলেন, 'একজন আউটসাইডার, মজিবর রহমান দেবদাস [১]'।
আমি খানিকটা ভাবনায় ছিলাম এই লেখার পেছনে সূত্র নিয়ে। এর রেশ ধরে দেখা শুরু করলাম, 'কান পেতে রই'। একটি তথ্যচিত্রের মধ্যে যে মুনশিয়ানার ছাপ থাকা প্রয়োজন তার কোন অভাব এর মধ্যে ছিল না- অসাধারণ এক তথ্যচিত্র!
'কান পেতে রই' তথ্যচিত্রটা না-দেখলেই ভাল করতাম কারণ আমার বড়ো কষ্ট হচ্ছিল। কষ্ট হচ্ছিল এই কারণে আমরা যে কত বড়ো অসভ্য, বর্বর এটা নতুন করে জেনে। মানুষখেকো আফ্রিকান কোন এক উপজাতি যখন কাটা মুন্ডু নিয়ে উল্লাস করে তখন আমাদের চোখে সহ্য হয় না। ফালতু, এই সব কোন ছার! আমাদের নিজের কান্ড দেখে আমাদের নিজেরই সহ্য হয় না!
আমি খানিকটা ভাবনায় ছিলাম এই লেখার পেছনে সূত্র নিয়ে। এর রেশ ধরে দেখা শুরু করলাম, 'কান পেতে রই'। একটি তথ্যচিত্রের মধ্যে যে মুনশিয়ানার ছাপ থাকা প্রয়োজন তার কোন অভাব এর মধ্যে ছিল না- অসাধারণ এক তথ্যচিত্র!
'কান পেতে রই' তথ্যচিত্রটা না-দেখলেই ভাল করতাম কারণ আমার বড়ো কষ্ট হচ্ছিল। কষ্ট হচ্ছিল এই কারণে আমরা যে কত বড়ো অসভ্য, বর্বর এটা নতুন করে জেনে। মানুষখেকো আফ্রিকান কোন এক উপজাতি যখন কাটা মুন্ডু নিয়ে উল্লাস করে তখন আমাদের চোখে সহ্য হয় না। ফালতু, এই সব কোন ছার! আমাদের নিজের কান্ড দেখে আমাদের নিজেরই সহ্য হয় না!
বিভাগ
১৯৭১: প্রসব বেদনা
Thursday, May 26, 2011
একজন আউটসাইডার, মজিবর রহমান দেবদাস
*মজিবর রহমানদের চলে যাওয়ার অপেক্ষায়...: http://www.ali-mahmed.com/2011/05/blog-post_28.html
আজকের অতিথি লেখক আবারও Gulzar Hossain Ujjal, তিনি লিখেছেন আমাদের অন্ধকার এক ভুবন নিয়ে। অথচ এই অন্ধকারের পেছনেই ছিল থইথই জ্যোৎস্না:
"পর্দায় দেখতে পাচ্ছি কাঁদছেন এই গল্পের কথকও। একটা ধাক্কার মত লাগলো যেন। আমি দুর্বল চিত্তের মানুষ। যা ভেবেছিলাম তাই হলো, আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। কান্না আসলেই সংক্রামক।
ভেবেছিলাম আর লিখবনা। কি হয় এই সব লিখে টিখে? কিন্তু অবরুদ্ধ কষ্ট আরো ভয়াবহ। এই কষ্টের ভার সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারলে বরং কিছুটা আরাম হয়। একটু নির্ভার লাগে। এটা এরকমই একটা প্রয়াস। দেখছিলাম অধ্যাপক মজিবর রহমান দেবদাসকে নিয়ে মফিদুল হকের বানানো একটা ডকুমেন্টারি 'আমি কান পেতে রই'। আসুন একজন দেবদাসের, একজন আউটসাইডারের গল্প শুনি।
আজকের অতিথি লেখক আবারও Gulzar Hossain Ujjal, তিনি লিখেছেন আমাদের অন্ধকার এক ভুবন নিয়ে। অথচ এই অন্ধকারের পেছনেই ছিল থইথই জ্যোৎস্না:
"পর্দায় দেখতে পাচ্ছি কাঁদছেন এই গল্পের কথকও। একটা ধাক্কার মত লাগলো যেন। আমি দুর্বল চিত্তের মানুষ। যা ভেবেছিলাম তাই হলো, আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। কান্না আসলেই সংক্রামক।
ভেবেছিলাম আর লিখবনা। কি হয় এই সব লিখে টিখে? কিন্তু অবরুদ্ধ কষ্ট আরো ভয়াবহ। এই কষ্টের ভার সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারলে বরং কিছুটা আরাম হয়। একটু নির্ভার লাগে। এটা এরকমই একটা প্রয়াস। দেখছিলাম অধ্যাপক মজিবর রহমান দেবদাসকে নিয়ে মফিদুল হকের বানানো একটা ডকুমেন্টারি 'আমি কান পেতে রই'। আসুন একজন দেবদাসের, একজন আউটসাইডারের গল্প শুনি।
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Wednesday, May 25, 2011
'সাই-ফাই' লেখক হওয়ার তরিকা
আজকের অতিথি লেখক শওকত আলী। তিনি বাতলাচ্ছেন 'সাই-ফাই' লেখক হওয়ার তরিকা:
"স্যার, আমায় চিনতে পেরেছেন?
-না।
ফাস্ট ইয়ার, সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট। আমি আপনার সবগুলি ক্লাস নিয়মিত এটেন্ড করতাম।’
-হ্যা, এইবার চিনতে পেরেছি। আমার সবগুলি পরীক্ষায় তুমি নিয়মিত ফেল মারতে। তা এখন কি করছ?
এই তো স্যার, লেখালেখি করে পেট চালাই আর কি।
-ও আচ্ছা! আচ্ছা কেউ যদি তোমার পেটের দায়িত্ব নিয়ে নেয় তবে তুমি আর লেখালেখি করবা না, নাকি?
"স্যার, আমায় চিনতে পেরেছেন?
-না।
ফাস্ট ইয়ার, সায়েন্স ডিপার্টমেন্ট। আমি আপনার সবগুলি ক্লাস নিয়মিত এটেন্ড করতাম।’
-হ্যা, এইবার চিনতে পেরেছি। আমার সবগুলি পরীক্ষায় তুমি নিয়মিত ফেল মারতে। তা এখন কি করছ?
এই তো স্যার, লেখালেখি করে পেট চালাই আর কি।
-ও আচ্ছা! আচ্ছা কেউ যদি তোমার পেটের দায়িত্ব নিয়ে নেয় তবে তুমি আর লেখালেখি করবা না, নাকি?
বিভাগ
অতিথিদের লেখা
Subscribe to:
Posts (Atom)






