Search

Saturday, April 11, 2009

খাইব পান্তা, মরিব অসুখে

বৈশাখ ঘাড়ের উপর শ্বাস ফেলছে। বঙ্গালরা(!) কি পিছিয়ে থাকবেন, নাকি তাদের ছানাপোনারা?
বাংলা অক্ষর দেখে যাদের ছানাপোনাদের নাঁকিসুরে এটা না বললে যে মাথা কাটা যাবে, ড্যাড-মম, এটা কি বা-ং-লা? এরা কি এমন একটা দিনে ‘পান্তা ভাত’ খাবেন না, এটা কী ভাবা যায়! সেইসব পান্তাখেকোদের এই লেখাটা উৎসর্গ করছি।

গত বছর পহেলা বৈশাখে, মহাখালির ট্রাস্ট মিলায়তনে ৩০০ শিল্পী এবং তাদের পরিবারের লোকজনদের পান্তা খেয়ে পেট নেমে গেল। হাসপাতালে টানাটানি। যাচ্ছেতাই অবস্থা!

এবারও নিশ্চয়ই এমন কিছু একটা হবে। অপেক্ষায় আছি।

আসলে পহেলা বৈশাখে পান্তাভাত না খেলে আমাদের চলেই না। কিন্তু পান্তা বানানো নয়কো সোজা। ট্রাস্ট মিলনায়তনের শিল্পীদের পেট নেমে যাওয়ার কারণ খুঁজে বের করা হয়েছিল যেটা:
সকালে গরম ভাত রেঁধে দ্রুত পান্তা বানানোর জন্য এতে দেয়া হয়েছিল বরফ। সম্ভবত ওই বরফের পানি ছিল দুষিত।
তো...? লজ্জা-লজ্জা!

এই দেশের মত বিচিত্র মানুষ সম্ভব এ গ্রহে আর নাই। বিচিত্র জাতি, এরা নিজেরাই নিজেদেরকে ফাঁকি দেয়। লাল চামড়াদের অনুকরণ না করলে আমাদের পশ্চাদদেশের কাপড় ঠিক থাকে না- সারা বছর মার খোঁজ না রেখে বছরে একটা কার্ড পাঠিয়ে দায় সারা।

হায়, পান্তাখেকো এস বি সাহেবের বাবা হওয়া! বা একজন স্ত্রী বিরহী, যেদিন স্ত্রী মারা গেছেন সেই দিনই শোক প্রকাশে কাল কন...পরে ফিঁয়াসের কাছে যাওয়া...।

Thursday, April 9, 2009

খোদেজা: ৩

খোদেজা: ২

খোদেজার বাপ ভয় চেপে আছেন। মাতব্বর তাকে কেন ডেকেছেন এটা বুঝতে তার বাকি নেই। এই মাতব্বর পারে না এমন কোন কাজ নেই। থানা নাকি এ পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়- দিনকে রাত, রাতকে দিন করতে এর জুড়ি নেই।
ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, ক্ষুধার্ত খোদেজার বাপ গামছা দিয়ে মুখ মুছলেন। তিনি আকুল হয়ে ভাবছেন, কী এমন অন্যায় করলেন যে খোদা তাকে এমন শাস্তি দিলেন। নাহয় নামাযটা সময় করে পড়তে পারেন না কিন্তু এই একটা অন্যায়ের জন্য খোদা তাকে শাস্তি না দিয়ে এইটুকুন দুধের বাচ্চাটাকে কেন দিলেন?

পা টেনে টেনে হাঁটছেন। সাঁকোটা পার হতে গিয়ে খরস্রোতা নদিটির দিকে অপলক তাকিয়ে রইলেন। খুব ইচ্ছা করছিল লাফিয়ে পড়তে। এভাবে চলে গেলে যে খুব গোনাহ হয় এটা ওর জানা নেই এমন না। কিন্তু এই মুহূর্তে সোয়াব-গোনাহ নিয়ে ওর বিন্দুমাত্র ভাবনা নেই।
কেবল মাথায় যেটা ঘুরছে, আম্মাজানরে যারা এইভাবে কষ্ট দিয়েছে তাদেরকে শাস্তি দিতে হবে, ভয়াবহ শাস্তি। আচ্ছা, দাঁ দিয়ে এদের দুইজনকে দুইটা কোপ দিলে কেমন হয়? নাহ, আমি এটা করব না। আইন এদের শাস্তি দিবে, দুনিয়ার অন্য বাপ-মাদের এটা জানা দরকার। আইন শাস্তি না দিলে জমিতে দেয়া বিষ খেতে তার হাত একটুও কাঁপবে না।

মাতব্বর দবির মিয়াকে বাড়িতেই পেলেন। মাতব্বর দবির মিয়া খুব খাতির করার ভান করল। এই গ্রামে চেয়ার আছে কেবল অল্প কটা বাড়িতে। জোর করে চেয়ারের আয়োজন করল। কড়িকাঠে বাঁধা চেয়ার, দড়ির গিট ছেড়ে বেশ কায়দা-কানুন করে নামানো হল। খোদেজার বাপ যতই না না করেন কিন্তু কে শোনে কার কথা!
'আরে মিয়া, তুমি হইলা গিয়া মেহুমান-কুটুম্ব। তুমার একটা ইজ্জত আছে না, এইটা তুমি কি কইলা মিয়া।'

খোদেজার বাপ ভাল করেই জানেন, এইসব কথার আসলে গুরুত্ব দেয়ার কিছু নাই। অন্য কোন সময় তিনি মাতব্বরের বাসায় চেয়ারে বসতে গেলে মাতব্বর লাথি মেরে চেয়ার ফেলে দিত।
খোদেজার বাপ জড়োসড়ো হয়ে চেয়ারে বসলেন। অভ্যাস নেই বলে বসে ঠিক জুত করতে পারছেন না।
'মিয়া তামুক খাইবানি একটু?'
'জ্বে না-জ্বে না।'
'না খাইলেই ভালা, তামুক-টামুক শাইস্তের লিগ্যা ভালা না, বুঝলা।'
'জ্বে। খোদেজার বাপ ভাল করেই জানেন, এর সামনে এখন নারকেলের হুক্কা খেলে পরে এটা নিয়ে চরম অপমান করবে।'
'তো মিয়া, দারগারে কয়া দেই তুমার মত আছে।'
খোদেজার বাপের বিভ্রান্ত চোখ, 'কুন বিষয়ে?'
'আরে, তুমি দেখি আজব মানু- আমি কই কি আর দারগা লেহে কি! কইলাম তুমার মাইয়ার বেপারে মিটমাট হয়া গেছে এইডা দারগারে কয়া দি।'
'মাতব্বর সাব, এটাডা আফনে কি কন। এমুন অন্নাই-অনাছার আল্লাও সইব না।'
'হারে, মসিবত হইল। আল্লারে আবার টানাটানি কর ক্যা! গাংয়ের মড়া কুডা দিয়া টাইন্যা লাভ আছে, কও?'
'আমার মাইয়াডা-।'
'দেহো মিয়া, আগুন খাইলে আংড়াই তো লেদাইবা- মাইয়া জন্ম দিছ, ভেজাল হইব এইটা তো নতুন কিছু না। পুলাপাইন মানু, হেগো মাথা গরম হয়া গেছিল, একটা ভুল কইরা ফালাইছে, কি করবা কও। তুমার পুলা হইলে কি করতা, ফালায়া দিতা?'
'মাতবর সাব-!'
'হুনো মিয়া, হেরা ভুল স্বীকার করছে। দরকার হইলে গামছা গলায় দিয়া মাপ চাইব। হেরা টাউনের পুলাপাইন না যে এইটা কইলে কইব, মাতবর সাব, গামছাডা নতুন দেইখ্যা দিয়েন। তুমার মনে আছে নি, হেই বিচারটার কতাডা? গামছা গলাত দিয়া মাপ চাইব এই রায় দিয়া শেষও করতাম পারি নাই, বাড়ির পিছে কুয়াটায় ডুপ্পুস কইরা আওয়াজ হইল। আমরা গিয়া দেখলাম, সব শ্যাষ, মানুডা অফমানে কুয়াতে ঝাপ দিছে। আমি কই কি সোহাগের বাপ, তুমি এইসব ঝামেলাতে যাইও না, হেষে মার্ডার কেইসে পরবা। আল্লার কিরা, যতখন তুমি মাফ না দিবা, হেরা ততখন তুমার ঠ্যাং ধইরা বয়া থাকব, তুমারে কতা দিলাম। লড়ছড় হইলে জুতাত কামুড় দিমু।'
'এইডা আমি পারুম না, মাতবর সাব।'
'দেহো, আমি সুজা-সরল মানু, ছ্যাপ লেপ দিয়া কুনু বিছার করি না। আমি হেরারে কয়া দিমু নে, তুমারে দুই পুলার বাপ দুইডা হালের গরু দিব। না দিলে পুংগির পুতরারে কি করি তুমি দেইখো। এমুন বেদা দিমু, হাগা বাইর হয়া যাইব। আমি এমুন মাতবর না যে, মুইত্যা চিড়া ভিজত না।'

খোদেজার বাপ চুপ করে বসে রইলেন। তিনি পায়ের কাঁপুনি থামাবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।
'হুনো, দাদার বিয়ার পর তো আর ঢোলের বাড়ি পড়ে নাই। তুমার হালের গরুগুলা দেখছ, ঠ্যাং-এ ঠ্যাং বাড়ি খায়।'
'মাতবর সাব, আমারে মাফ কইরা দেন, আমি পারুম না।'
'দেখ মিয়া, আমার লগে হিলিঝিলি-বদরসদর কথা কইবা না। যা কইবা সাফ সাফ হও। টেটনামি কইরো না।'
'মাতবর সাব, আমি আইনের কাছে বিচার চাই।'
'মিয়ার বেটা হুমন্ধির পুত, বেশি বেলাইনে যাইও না কইলাম। মিজাজ বিলা কইরো না কইলাম। কামডা বালা করতাছ না কইলাম।'
'আমারে মাফ করেন, মাতবর সাব।'
'মিয়া, তুমার কতা হুইনা মনে পড়তাছে, ছাল উডা কুত্তা বাঘা তার নাম। বাপজাইট্যা কোনখানকার! হালা তোরে আমি বেদাও মারি না।'
'মাতবর সাব, আল্লার দুহাই আমারে-।'

মাতবর নামের মানুষটা অপলক তাকিয়ে রইল। এই মুহূর্তে মানুষটার স্বরূপ বেরিয়ে এসেছে। এখন যে কেউ অনায়াসে বলে দিতে পারবে এই মানুষটা মধ্যে কেমন একটা অশুভ লুকিয়ে আছে। এর দৃষ্টিতে বিষ, নিঃশ্বাসে বিষ। মানুষটা গলায় বিষ ছড়িয়ে বলল, 'তোর মাইয়্যা হইল পেটলাগানি- পেটলাগানি গো যা হয় তোর মাইয়ার তাই হইছে, আফসোস তোর মাইয়ার লগে আমি করতে পারলাম না।'

খোদেজার বাপ এখান থেকে বেরিয়ে নদির কিনারে উবু হয়ে বসে হাউমাউ করে কাঁদলেন। দূর থেকে কেউ দেখলে ভাববে মানুষটা প্রাত্যহিক জরুরি কোন কাজ সারছে। তাঁর চোখের জল মিশে যাচ্ছে নদির জলে। ক্ষণে ক্ষণে তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে কি যেন বলছেন।

মানুষটা সেলিব্রেটি হলে কোন একটা উচুমার্গের কথা চলে আসত নিশ্চয়ই। নদির জলের সঙ্গে, আকাশ-বাতাস টেনে এনে কাব্যিক কোন একটা বাক্য চলে আসত অনায়াসে। কিন্তু খোদেজার মতো সামান্য একটা মেয়ের হতদরিদ্র বাবার এই কষ্টের কথা জানার খুব একটা প্রয়োজন নাই এই ব্যস্ত পৃথিবীর। তাঁর চোখের পানি যেমন অনাদরে মিশে যায় নদির পানিতে, তেমনি তার চাপা আর্তনাদও মিশে যায় বাতাসে।...

Wednesday, April 8, 2009

মুক্তিযুদ্ধে একজন 'অখেতাবধারী' দুলা মিয়া এবং তাঁর সেই মেয়েটি...

১৯৭১ সাল। তৎকালীন ক্যাপ্টেন এস এ ভূইয়া জবানীতে একজন 'অখেতাবধারী', দুলা মিয়ার কথা।
"২৬ বছরের, দুলা মিয়া। সমগ্র মুক্তিবাহিনীতে দুলার মত সাহসী যুবক আর কজন ছিল আমার জানা নেই। তেলিয়াপাড়া যুদ্ধে সে যে সাহসীকতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তার তুলনা হয় না। বৃষ্টির মত গোলাবর্ষণেন মধ্যেও এই অকুতোভয় যুবক লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করেনি কিংবা রণক্ষেত্র ছেড়ে দূরে সরে যায়নি।...
...২১ জুন রাতে শত্রুবাহিনী যখন আমাদের উপর প্রচন্ড আক্রমণ চালায় সেই একই সময় তারা কলকলিয়াতেও আক্রমণ চালায় (দুলা মিয়া, ক্যাপ্টেন মোর্শেদের অধীনে যুদ্ধ করছিল)। মোর্শেদের সৈন্যরা শক্রদের সাথে সারারাত যুদ্ধ করে। কিন্তু শত্রুর সংখ্যা বহুগুণ বেশী থাকায় মোর্শেদের দল সেখান থেকে অবশেষে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

সে সময় দুলা মিয়ার হাতে ছিল একটা হালকা মেশিনগান। সে তার হালকা মেশিনগান দিয়ে অনবরত গুলি ছুঁড়ে যাচ্ছিল এবং শত্রুর অগ্রগতিকে সারারাত ব্যাহত করে রেখেছিল। নি:শঙ্কচিত্তে অপারবিক্রমে সে এক ভয়াবহ শক্রুর বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছিল।
অবস্থা বেগতিক দেখে যখন দুলা মিয়ার সংগীরা আত্মরক্ষা করতে পিছু হটছিল তখন দুলা পিছিয়ে না এসে নির্ভয়ে তার হালকা মেশিনগান থেকে গুলি ছুঁড়েই যাচ্ছিল।
তার অসমসাহসীকতা এবং গুলি ছোড়ার ফলে অন্যরা পিছু হটবার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু দুলার বড়ই দুর্ভাগ্য, সে অন্যকে বাঁচাতে গিয়ে নিজে এক মহা বিপদে আটকা পড়ল। শত্রুপক্ষের মেশিনগানের এক ঝাঁক গুলি এসে তাকে বিদ্ধ করে।

... অবশেষে শত্রুরা দুলাকে আহত করতে সক্ষম হয়ে কিছুটা স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলল।
কিন্তু নিদারুণ আহত অবস্থায়ও দুলা মিয়া গুলি চালানো বন্ধ করেনি। সে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রাণ দেবে কিন্তু জীবিত অবস্থায় ধরা দেবে না।
...
রাত ভোর হল। বেলা তখন ১১টা। সবাই ফিরে এল কিন্তু দুলা এল না। খবর এল, দুলার পেটে এবং ডান পায়ে কয়েকটি গুলি লেগেছে। সে কাদা-পানির মধ্যে অসহায় অবস্থায় পড়ে আছে।
...
অনেক চেষ্টায় উদ্ধার করে যখন দুলাকে আমাদের সামনে আনা হল তখনকার দৃশ্য এত করুণ এবং বেদনাদায়ক তা ভাষায় ব্যক্ত করা সম্ভব নয়। মুমূর্ষু দুলা বাম হাত দিয়ে তার গুলিবিদ্ধ পেট চেপে ধরে আছে, কেননা ক্ষতস্থান থেকে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আসার উপক্রম করছিল। ডান পায়ে গুলি লেগে ছিন্নভিন্ন মাংসগুলো কোনক্রমে পায়ের হাড়ের সংগে লেগে ছিল। আর তার সমস্ত শরীর রক্তে রঞ্জিত।

দুলা একটা গুলিবিদ্ধ বাঘের মত ছটফট করছিল। তখনও সে বাকশক্তি হারায়নি। আমাদের চোখের দিকে চোখ রেখে সে বলল:
'স্যার, আমি আর বাঁচব না, এক্ষুণি মারা যাব। আমার আফসোস রয়ে গেল স্বাধীন বাংলার মাটিতে মরতে পারলাম না। ...আমাকে কথা দিন আমার লাশ স্বাধীন বাংলায় কবর দেবেন, আজ হোক কাল হোক দেশ স্বাধীন হবেই'।

আমাদের সবার চোখে পানি। সে আরও বলল:
'স্যার, পাঞ্জাবী দস্যুরা যখন আমাদের বাঙালীদের নির্মমভাবে, নির্বিচারে হত্যা শুরু করে তখন আমার ৮ বছরের মেয়ে আমাকে কি বলেছিল, জানেন? 'বলেছিল, আব্বা, তুমিও মুক্তিফৌজে যোগ দাও, পাঞ্জাবীদের বিরুদ্ধে লড়াই কর, দেশকে স্বাধীন কর'।
আমার হাত ধরে দুলা মিয়া বলল, 'স্যার আপনার বাড়ী কুমিল্লায়, আপনি নিশ্চয়ই কুমিল্লার 'শালদা নদী' চেনেন? সেখানে আমার বাড়ী। দয়া করে আমার মেয়েকে এবং কাউকে আমার মৃত্যুর খবর দেবেন না। আমার মৃত্যুর খবর পেলে মেয়েটা আর বাঁচবে না। তবে আমার একটা দাবী, আমার হতভাগিনী মেয়েটিকে আপনি দেখবেন। স্যার, আমার এই একটি কথা ভুলে যাবেন না'।

দুলার এমন মুমূর্ষু অবস্থায় এ্যাম্বুলেন্স আসতে কিছুটা দেরী হবে মনে করে লে: কর্নেল শফিউল্লা (পরবর্তীতে সেনাপ্রধান) তাকে নিজের জিপে করে আগরতলা পিজি হাসপাতালে নিয়ে গেলেন।
দুলার অবস্থা দেখে সেদিন আমার মত অনেকেই ধারণা করেছিল, দুলা আর বাঁচবে না। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে দেড় মাস পর দুলা আরোগ্য লাভ করে ফিরে আসে এবং পুনরায় ক্যাপ্টেন মোর্শেদের কোম্পানি যোগদান করল। পরবর্তীকালে অসীম বীরত্বের সংগে দুলা অনেক রণক্ষেত্রে পাকবাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে।
(বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১০ খন্ড, সশস্ত্র সংগ্রাম) ভাষারীতি প্রায় অবিকল রাখা হয়েছে।
 
* এরপর থেকে কেবল আমার মাথায় কেবল ঘুরপাক খায় দুলা মিয়ার ওই মেয়েটি এখন কেমন আছে? আমার অপার সৌভাগ্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব, দুলা মিয়ার সেই মেয়েকে আমি খুঁজে বের করতে পেরেছিলাম। []
 
**পরে জানা যায় দুলা মিয়াকে কোন খেতাব দেয়া হয়নি! কেন, কোন উত্তর নেই! কেন-কেন-কেন! আমাদের এই প্রজন্মের কাছে কেবল প্রশ্ন আছে উত্তর নেই!
কতটা রক্ত ঝরালে একজন দেশপ্রেমিক হয়? কতটা সাহস দেখালে একজন খেতাব পায়? এমন সাহস দেখাবার পরও একজন খেতাবহীন হয়, কেন?
কেমনতরো ট্রেনিং নিলে একজন সিভিলিয়ান সামরিক মর্যাদা পায়? আর কেমন করেই বা মারা গেলে একজন বীরশ্রেষ্ঠ হয়? বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে একজনও সিভিলিয়ান নাই, কেন?

***এ সত্য খেতাবের জন্য কেউ বসে থাকেন না। নির্বোধ আমরা কেবল এটা জানি না খেতাব না-দিলে কারও-কারও কিছুই আসে যায় না [২]

সহায়ক সূত্র:
১. দুলা মিয়ার সেই মেয়েটি...http://www.ali-mahmed.com/2009/08/blog-post_05.html
২. একজন ট্যাংকমানব: http://www.ali-mahmed.com/2010/03/blog-post_03.html

Tuesday, April 7, 2009

একালের দাদুভাই!

জ্ঞান। শিক্ষা। আদৌ এর কোন বিকল্পই নাই।
প্রয়োজনে জ্ঞানার্জনের জন্য যাও চীন। এটা রূপকার্থে বলা।
আসলে শিক্ষার উপর জোর দেয়ার জন্যই এটা বলা। যখন থেকে এটা চালু হয়েছে তখন তো আর হাওয়াই-যান ছিল না, পয়দলই ভরসা। তো, হেঁটে হেঁটে চীন যাওয়া চাট্টিখানি কথা ছিল না।
এখন অবশ্য চীন যাওয়া বা রাশিয়া যাওয়ার মধ্যে খুব একটা হেরফের নাই। কয়েক ঘন্টার মামলা।
যাক, মূল ভাব একটাই, জ্ঞানার্জন।

দুষ্টরা(!) বললেই হল বুঝি, 'শেখার কোন শেষ নাই, শেখার চেষ্টা বৃথা তাই'। দুষ্টরা আরও বলে, পিলার মজবুত হবে না কেন, এটায় দুইটা 'এল' বর্ণ বুঝি এমনি এমনি দেয়া হয়েছে? বাস রে, অতি যুক্তির কথা।

একজন প্রধানমন্ত্রী নাকি অনেক বছর লাগিয়ে একই কেলাশের পড়া পড়েছিলেন। ইশকুল পার হয়ে কোন এক 'কালেজে' বছরের পর বছর ধরে পড়েই গেছেন। কষ্ট করে পাশ আর দেননি!
একালের ছাত্রনেতারা পিছিয়ে থাকবেন বুঝি? বুকটা ভেঙ্গে আসে, আমাদের দেশের ছাত্রনেতারা পড়তে পড়তে বুড়িয়ে যান। যৌবন ছার, প্রৌঢ়ত্বও বিলিয়ে দেন অবলীলায়।
পত্রিকায় যখন দেখি, একজন ছাত্রনেতা ২৩ বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, অন্যজন ২২ বছর! বুকটা ভরে যায়। আহা, জ্ঞানার্জনের জন্য কী নিরলস অধ্যবসায়। পড়া, পড়া আর পড়া। তাদের বউ-বাচ্চা মমতায় মাখামাখি হয়ে 'সুপ্রিম-ইশকুলের' ব্যাগ গুছিয়ে দেয়। ওকালের আদু ভাই আজ আর কোথায়? দৃপ্ত পায়ে এগিয়ে যান একালের দাদুভাই!

কী চমৎকারই না ছবিটা! বুকে ঝুলিয়ে রেখেছেন একালের দাদুভাইদের অনুসারিরা। 'আমাদের অভিবাক-হীন করবেন না'।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত ছাত্রদের এহেন কান্ড দেখে নেত্রীর চোখে পানি এসে পড়বে হয়তো বা কিন্তু এই হীন কাজ দেখে আমি বাকহীন!

*ছবিসূত্র: প্রথম আলো

Monday, April 6, 2009

তাঁদের সন্তানেরা যেন থাকে দুধে ভাতে।

(...[অধিকাংশ] ধর্মেরই জোর দাবি তাঁর ধর্মই সেরা! তাঁর ধর্মেই মুক্তি, অন্য ধর্মে নরকবাস! আহারে-আহারে, বেচারা মানব, বেচারা মানবের হয়েছে নাভিশ্বাস...।)

১. "...তুমি কথা না শুনে ভ্রষ্ট হয়ে অন্য দেবতাদের কাছে সেজদা কর ও তাদের খেদমত কর; তবে আজ আমি জ্ঞাত করছি, তোমরা একেবারে বিনষ্ট হবে...।"
(তৌরাত শরীফ: পঞ্চম খন্ড: দ্বিতীয় বিবরণ, ১৭/ ১৮)

২. "...তোমাদের আল্লাহ মাবুদের সেসব হুকুমে যদি কর্ণপাত কর, তবে দোয়া পাবে। আর যদি তোমাদের আল্লাহ মাবুদের হুকুমে কর্ণপাত না কর তাহলে ....অন্য দেবতাদের পশ্চাতে গমণ কর, তবে বদদোয়াপ্রাপ্ত হবে।"
(তৌরাত শরীফ: পঞ্চম খন্ড: দ্বিতীয় বিবরণ, ২৭/ ২৮)
 
---
পাক-কিতাবে লেখা আছে-
১. "শরীয়তের প্রত্যেকটা হুকুম
যে পালন করিয়া না চলে
তাহার উপর অভিশাপ থাকে।"
(ইঞ্জিল শরীফ, ৯ম খন্ড: গালাতীয়)

২. "...যেন আমার উপর ঈমান আনিবার ফলে তাহারা পাপের ক্ষমা পায়...।"
(ইঞ্জিল শরীফ, ৫ম খন্ড: প্রেরিত, ২৬:১৬-১৭-১৮)
 
---
১. "অন্য জাতিরা নিজেদের খোঁড়া গর্তে
তলিয়ে যাচ্ছে;
তাদের লুকানো জালে তাদেরই পা
জড়িয়ে গেছে।"
(জবুর শরীফ, ৯/ ১৫)

২. "...হ্যাঁ, তাঁর অভিষেক করা বান্দার প্রতি,
দাউদ ও তার বংশধরদের প্রতি
তিনি চিরকাল তাঁর অটল মহব্বত
দেখান।"
(জবুর শরীফ, ১৮/ ৫০)
 
---
১. "আর কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্ম চাইলে তা কখনও গ্রহণ করা হবে না ও সে হবে পরলোকে ক্ষতিগ্রস্তদের দলে।"  
(কোরান শরীফ, ৩ সুরা আল-ই-ইমরান ৮৫)

২. "...তোমাদের মধ্যে যে-কেউ নিজের ধর্ম থেকে ফিরে যাবে এবং অবিশ্বাসী হয়ে মারা যাবে, তাদের ইহকাল ও পরকালের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যাবে...।"
(কোরান শরীফ, ২ সুরা বাকারা: ২১৭)

---
হিন্দু ধর্মে, শ্রীমদ্ভগবদগীতা:
১. শ্রীভগবানুবাচ:
"শ্রেয়ান স্বধর্মো বিগুণ: পরধর্মাৎ স্বনুষ্ঠিতাৎ
স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়: পরধর্মো ভয়াবহ:।"
(নিজ ধর্ম দোষযুক্ত হইলেও পর ধর্ম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। নিজ ধর্মে মৃত্যুও উত্তম)
[শ্রীমদ্ভগবদগীতা, তৃতীয় অধ্যায়, ৩৫]

২. শ্রীভগবানুবাচ:
"শ্রেয়ান স্বধর্মো বিগুণ: পরধম্মাৎ স্বনুষ্ঠিতাৎ
স্বভাবনিয়তং কর্ম কুর্বন নাপ্নোতি কিল্বিষম।"
(স্বধর্ম দোষযুক্ত হইলেও পরধর্ম হইতে বড়। যে স্বধর্ম পালন করে তাহার কোন পাপ হয় না)
[শ্রীমদ্ভগবদগীতা, অষ্টাদশ অধ্যায়, ৪৭]

---  
 বৌদ্ধ ধর্ম:
১. "...এসো হে মগগো নত্থঞঞো দসসনসস বিসুদ্ধিয়া
এতং হি তুমহে পটিপজ্জথ মারসসেতং পমোহনং।"
(দর্শনবিশুদ্ধির নিমিত্ত এই অষ্টাঙ্গিক মার্গই একমাত্র পথ। তোমরা এই মার্গই অবলম্বন কর...।)
[ধম্মপদ, মগগবগগো ২]

২. "এতং খো সরণং খেমং এতং সরণমুত্তমং
এতং সরণমাগগমম সব্বদুকখা পমুচ্চতি।"
(এসবই শ্রেষ্ট আশ্রয়। কারণ এই জ্ঞান ও শরণ অবলম্বন করে যাবতীয় দুঃখ হতে মুক্তি সম্ভব।)
[ধম্মপদ, বুদ্ধবগগো, ১৪]

---
শিখ ধর্ম:
(গুরু গ্রন্থ সাহিবের প্রথম চরণে উল্লিখিত মূল মন্তর এবং তার নির্দিষ্ট রাগ:
গুরুমুখী: ੴ ਸਤਿ ਨਾਮੁ ਕਰਤਾ ਪੁਰਖੁ ਨਿਰਭਉ ਨਿਰਵੈਰੁ ਅਕਾਲ ਮੂਰਤਿ ਅਜੂਨੀ ਸੈਭੰ ਗੁਰ ਪ੍ਰਸਾਦਿ॥
রূপান্তর: ইক ওঙ্কার সৎ(ই)-নাম(উ) করতা পুরখ(উ) নিরভউ নিরভৈর(উ) অকাল(অ) মূরত(ই) অজূনী সইভন গুর(অ) প্রসাদ(ই).
বাংলা: কেবলমাত্র এক সর্বব্যাপী সত্ত্বা আছে। সত্য হল এঁর নাম! সকল সৃষ্টিতে তিনি বিরাজমান; তাঁর ভয় নেই; তাঁর ঘৃণা নেই; তিনি নামহীন ও সর্বজনীন ও স্বকীয়, জ্ঞান ও শিক্ষার সন্ধান করলে তুমি এঁর সন্ধান পাবে।)

গুরু সাহিব থেকে:
১. গুরুই জ্ঞানের উৎস ও মুক্তি পথের সহায়ক।
২. সত্যের নিঃস্বার্থ সন্ধানে ব্যক্তিকে গুরুর সঙ্গে যুক্ত হতে হয়।
-গুরু নানক
(১.Parrinder, Geoffrey (১৯৭১)। World Religions: From Ancient History to the Present। United States: Hamlyn Publishing Group Limited। পৃষ্ঠা 254। আইএসবিএন 978-0-87196-129-7। 
২.Dhillon, Bikram Singh (জানুয়ারি–জুন ১৯৯৯)। "Who is a Sikh? Definitions of Sikhism" (PDF)। Understanding Sikhism – The Research Journal। 1 (1): 33–36, 27। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৩।)
... ... ... 

আমি এই লেখাটা লিখেছিলাম, ২০০৯ সালে! ২০২৬ সালে, এই লেখায় এআই (গ্রুক)-এর খানিকটা বক্তব্য আছে:
(...[অধিকাংশ] ধর্মেরই জোর দাবি — তাঁর ধর্মই সেরা! তাঁর ধর্মেই মুক্তি, অন্য ধর্মে নরকবাস! আহারে-আহারে, বেচারা মানব, বেচারা মানবের হয়েছে নাভিশ্বাস...।)
১. "...তুমি কথা না শুনে ভ্রষ্ট হয়ে অন্য দেবতাদের কাছে সেজদা কর ও তাদের খেদমত কর; তবে আজ আমি জ্ঞাত করছি, তোমরা একেবারে বিনষ্ট হবে...।"
(তৌরাত শরীফ: দ্বিতীয় বিবরণ, ১৩ অধ্যায়)
২. "...তোমাদের আল্লাহ মাবুদের সেসব হুকুমে যদি কর্ণপাত কর, তবে দোয়া পাবে। আর যদি তোমাদের আল্লাহ মাবুদের হুকুমে কর্ণপাত না কর তাহলে... অন্য দেবতাদের পশ্চাতে গমন কর, তবে বদদোয়াপ্রাপ্ত হবে।"
(তৌরাত শরীফ: দ্বিতীয় বিবরণ, ২৮ অধ্যায়)

পাক-কিতাবে লেখা আছে—
১. "শরীয়তের প্রত্যেকটা হুকুম যে পালন করিয়া না চলে, তাহার উপর অভিশাপ থাকে।"
(গালাতীয় ৩:১০)
২. "...যেন আমার উপর ঈমান আনিবার ফলে তাহারা পাপের ক্ষমা পায়...।"
(প্রেরিত ২৬:১৬-১৮)

১. "অন্য জাতিরা নিজেদের খোঁড়া গর্তে তলিয়ে যাচ্ছে; তাদের লুকানো জালে তাদেরই পা জড়িয়ে গেছে।"(জবুর শরীফ, ৯:১৫)২. "...হ্যাঁ, তাঁর অভিষেক করা বান্দার প্রতি, দাউদ ও তার বংশধরদের প্রতি তিনি চিরকাল তাঁর অটল মহব্বত দেখান।"(জবুর শরীফ, ১৮:৫০)
১. "আর কেউ ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্ম চাইলে তা কখনও গ্রহণ করা হবে না এবং সে হবে পরলোকে ক্ষতিগ্রস্তদের দলে।"(কোরআন শরীফ, সুরা আল-ইমরান ৩:৮৫)
২. "...তোমাদের মধ্যে যে-কেউ নিজের ধর্ম থেকে ফিরে যাবে এবং অবিশ্বাসী হয়ে মারা যাবে, তাদের ইহকাল ও পরকালের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যাবে...।"
(কোরআন শরীফ, সুরা বাকারা ২:২১৭)

হিন্দু ধর্মে, শ্রীমদ্ভগবদগীতা:
১. শ্রীভগবানুবাচ:
"শ্রেয়ান স্বধর্মো বিগুণঃ পরধর্মাৎ স্বনুষ্ঠিতাৎ
স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়ঃ পরধর্মো ভয়াবহঃ।"
(নিজ ধর্ম দোষযুক্ত হলেও পরধর্ম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। নিজ ধর্মে মৃত্যুও উত্তম।)
[শ্রীমদ্ভগবদগীতা, তৃতীয় অধ্যায়, ৩৫]
২. শ্রীভগবানুবাচ:
"শ্রেয়ান স্বধর্মো বিগুণঃ পরধর্মাৎ স্বনুষ্ঠিতাৎ
স্বভাবনিয়তং কর্ম কুর্বন নাপ্নোতি কিল্বিষম।"
(স্বধর্ম দোষযুক্ত হলেও পরধর্ম হতে বড়। যে স্বধর্ম পালন করে তার কোনো পাপ হয় না।)
[শ্রীমদ্ভগবদগীতা, অষ্টাদশ অধ্যায়, ৪৭]

বৌদ্ধ ধর্ম:
১. "...এসো হে মগ্গো নত্থঞ্ঞো দস্সনস্স বিসুদ্ধিয়া
এতং হি তুমহে পটিপজ্জথ মারস্সেতং পমোহনং।"
(দর্শনবিশুদ্ধির নিমিত্ত এই অষ্টাঙ্গিক মার্গই একমাত্র পথ। তোমরা এই মার্গই অবলম্বন কর...)
[ধম্মপদ, মগ্গবগ্গো ২]
২. "এতং খো সরণং খেমং এতং সরণমুত্তমং
এতং সরণমাগম্ম সব্বদুক্খা পমুচ্চতি।"
(এসবই শ্রেষ্ঠ আশ্রয়। কারণ এই জ্ঞান ও শরণ অবলম্বন করে যাবতীয় দুঃখ থেকে মুক্তি সম্ভব।)
[ধম্মপদ, বুদ্ধবগ্গো, ১৪]

শিখ ধর্ম:(গুরু গ্রন্থ সাহিবের প্রথম চরণে উল্লিখিত মূল মন্ত্র এবং তার নির্দিষ্ট রাগ:)গুরুমুখী: ੴ ਸਤਿ ਨਾਮੁ ਕਰਤਾ ਪੁਰਖੁ ਨਿਰਭਉ ਨਿਰਵੈਰੁ ਅਕਾਲ ਮੂਰਤਿ ਅਜੂਨੀ ਸੈਭੰ ਗੁਰ ਪ੍ਰਸਾਦਿ॥বাংলা অনুবাদ: এক ওঙ্কার। সত্য নাম। সৃষ্টিকর্তা পুরুষ। নির্ভয়। নিরবৈর। অকাল মূরতি। অজূনী। স্বয়ম্ভূ। গুরুর কৃপায় লভ্য।
গুরু সাহিব থেকে:
১. গুরুই জ্ঞানের উৎস ও মুক্তির পথের সহায়ক।
২. সত্যের নিঃস্বার্থ সন্ধানে ব্যক্তিকে গুরুর সঙ্গে যুক্ত হতে হয়।
—গুরু নানক

পরিবর্তনগুলো সংক্ষেপে:
  • তৌরাতের রেফারেন্স সংশোধন করা হয়েছে (সঠিক অধ্যায় অনুসারে)।
  • ইঞ্জিলের খণ্ড সংখ্যা সরিয়ে স্ট্যান্ডার্ড রেফারেন্স (গালাতীয় ৩:১০) দেওয়া হয়েছে।
  • গীতার অনুবাদে সামান্য পরিষ্কার করা হয়েছে।
  • শিখ মন্ত্রের বাংলা অনুবাদ আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।
  • সামগ্রিক বানান, বিরামচিহ্ন ও ধারাবাহিকতা উন্নত করা হয়েছে।






WhatsApp