এটা পর্ব আকারে হবে না কিন্তু বমনযোগ্য মাল-সামান পাওয়া গেলেই সময়ে-সময়ে এখানে যোগ হবে! অনেকেই জানেন না এই যে 'পেট নামা', এই যে হড়হড় করে বমি করে দেওয়া—এতে আমরা অস্থির হয়ে যাই। কিন্তু এটা ভুল!
প্রাকৃতিক ভাবে শরীর তার ভেতরের অসহ্য, বিষাক্ত পদার্থ বের করে আমাদেরকে সুস্থ রাখে। কিন্তু আমরা শরীরের এই দুই কর্মকান্ডেই বড় বিরক্ত হই এবং যথাসম্ভব দ্রুত আটকাবার চেষ্টা করি, ওষুধ খেয়ে!
যারা আমার লেখার সঙ্গে পরিচিত তাঁরা বলার চেষ্টা করবেন, আরে, এই সমস্ত অপগন্ডকে নিয়ে লেখার কোন অর্থ হয়...! ভুল, বড় ধরনের ভুল! যারা এদেরকে খাটো করে দেখেন এরা ভুলের ভুবনে বাস করছেন! এই প্রজন্মের একটা অংশের কাছে এরা ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সামনে চলেই আসে, বিশেষ করে সোস্যাল মিডিয়ায়। বাপ-মা'র চেয়ে এরা অনেক বড় মটিভেশনাল স্পিকার হয়ে যায়!
এবং অজান্তেই অনেকে এদেরকে অনুকরণ করা শুরু করে! এই সমস্ত ইতরদের যে কেবল লেখার কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে এমন না, এদেরকে আইনের আওতায়ও নিয়ে আসতে হবে!
বাংলাদেশের সবচেয়ে সুদর্শন প্রাণী!
এডলফ খান নামের এই প্রাণী বলছে, খুব জাঁক করে বলছে:
একজন রাত ৪টায় আমাকে বলেছে, তোমার বাসার ছাদে হেলিকপ্টার পাঠাচ্ছি!
এখানে আর ব্যাখ্যায় যাই না বুদ্ধিমান পাঠক বুঝে গেছেন, এখানে আলাপচারিতা গে সংক্রান্ত! সে ভিন্ন আলোচনার বিষয়। কিন্তু আমার আপত্তি হচ্ছে, পাগলাগারদে রাতের বেলায় ফোন কেন দেওয়া হয় যে তারা-কেউ খান সাহেবকে রাত ৪টায় ফোন করে। চুতিয়া কোথাকার!
এই মেয়েটা নেইমারের ভক্ত। তাতে সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে, একে কঠিন-কিছু কথা বলা উচিত কিন্তু বয়স বিবেচনায় বিরত রইলাম। কেবল একটা কথাই মাথায় ঘুরপাক খায়, এর কী বাবা-মা-আত্মীয় স্বজন-পাড়াপড়শি কেউ নেই! কেউ না?
এই যে আরেকজন, ইনি মুভি দেখে বের হয়েছেন! 'সো-কল্ড সাংবাদিক' প্রশ্ন করছেন, ছাড়াছাড়ি নাই!
এর বাবা-মা নাই এই কথা সম্ভবত বলা যাবে না। কারণ সাথে যারা, এরা সম্ভবত বাবা-মা। এবং এই বাবা-মাকে মেয়েকে নিয়ে মারাত্মক লেভেলের 'গর্ভিত'(!) মনে হচ্ছে!
আইনে এমন ব্যবস্থা থাকলে একে গ্রেফতার করে সোজা নিতে হবে দুদক অফিস।
এর টাকার উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং এ এখন পর্যন্ত কত টাকা ট্যাক্স দিয়েছে? আর যদি 'মাজাক-মাজাক মে' কন্টেন্ট বানিয়ে থাকে তাও একে আইনের খাঁচায় আটকে রাখতে হবে। এতেও না কুলালে সোজা পাগলাগারদে!
এই যে আমাদের 'হাজি মেমসাব'! মারাত্মক ধার্মিক একজন মেয়েমানুষ। তবে চিবিয়ে-চিবিয়ে বলার ভঙ্গিটা আরও রপ্ত করতে হবে। চুজ, হেলথ অর টোব্যাকো—কাশিমপুর জেলখানা নাকি পাগলাগারদ?
ভাল কথা, পরে ভুলে যাব। এদের সাথে যারা এদের মুখের সামনে বুম ধরে ওই সমস্ত ইতর, তাদেরকেও! কাশিমপুর জেলখানা নাকি পাগলাগারদ?
এই যে, আরেক 'মহিলা মাওলানা'। ইনি যেমন ধার্মিক তেমনই আবার সাংসারিকও!
সব সামলাতে পারেন কেবল ওড়নাটা সামলাতে পারেন না!
আমি নিশ্চিত, আমার এই সমস্ত মন্তব্যের কারণে নারীবাদীরা আমার উপর ক্ষেপে যাবেন। তাঁদের বাকস্বাধীনতা—শরীর স্বাধীনতা—ফ্যাশন স্বাধীনতা মারাত্মক ক্ষুন্ন হবে হয়তো! শোনেন, বাকস্বাধীনতা মানে এই না আপনি একটা পাবলিক প্লেসে, একটা থিয়েটারে-সিনামা হলে মজাচ্ছলে আগুন-আগুন বলে চেঁচাবেন! আপনার এই আচরণে পদপিষ্ট হয়ে মারা যেতে পারে বিস্তর মানুষ!
তেমনি 'ফ্যাশন-স্বাধীনতা' মানে এই না যে আপনি মাথায় ওড়না-চাড্ডি বেঁধে ঘুরবেন! মাইকেল জ্যাকসন, ব্যাটম্যানের মত ট্রাউজারের উপর আন্ডারওয়্যার পরবেন! আহা, আপনার ইচ্ছা হলে আপনি টি-শার্ট পরেন, সমস্যা নেই। কেউ বলছে না আপনি আপাদমস্তক কাপড়ের বস্তায় মুড়িয়ে বের হন।
'বেধড়ক স্টাইলিশ' ভদ্রমহিলাগণ, আপনাদেরকে কথাটা কানে-কানে বলি, কেন করেন এইসব, 'ইয়ে অ্যাপিল' তো? শোনেন গো, দিন-রাত, আলো-অন্ধকার প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ নইলে সবই দিন হত, ফকফকা! রাত নেই—কোথাও কোন রহস্য নেই—জরিনা আর ক্যাটরিনার মধ্যেও কোনও তফাত নেই—তেমনি ইয়ে আর টিউমারের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই!
প্রত্যেকটা সমাজব্যবস্থায় কিছু রীতিনীতি, ভ্যালুজ থাকে, আপনি সামাজিক-কেউ হলে, মিনিমাম ঔচিত্যবোধ আপনার মধ্যে থাকলে তা মেনে চলা উচিত।
এখানে আমি একটা অন্য উদাহরণ দেব।
ভি চিহ্ন দেখাচ্ছেন 'স্যালি' নামের যে ভদ্রমহিলা, ইনি দক্ষিণ কোরিয়ার। আমাদের ট্রেডিশনাল ড্রেস পরেছেন। আমি অবাক হয়েছি কারণ পুরো সময়টা কী চমৎকার করেই না ভিনদেশী পোশাক মেইনটেইন করে গেছেন!
*কিছু জন্তুদের নিয়ে আগেও লিখেছিলাম। পুনরাবৃত্তি করি না আর!
এই সমস্ত জন্তুদের খাঁচায় আটকাতে হবে: https://www.ali-mahmed.com/2026/03/blog-post_13.html?m=1
** এই লেখা অসমাপ্ত। কালে-কালে 'বমনযোগ্য উপকরণ' নিরানন্দের সঙ্গে যোগ দেবেন এখানে...।