'[*]বাঞ্চো...ট্রাম্প' যে কী পরিমাণ চুতিয়া এর ভাল একটা উদাহরণ এটা:
'আমি এবং ইরান মিলে আমরা হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করব', ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পর ইরান ট্রাম্পকে নিয়ে 'মজাক'-উপহাস করেছে:
কী অসাধারণ আইডিয়া! গাড়িতে স্টিয়ারিং দুইটা। যাত্রীর আসনের খেলনা স্টিয়ারিং ট্রাম্পের জন্য, হাহাহা!
আমেরিকাকে উদ্দেশ্য করে গোটা বিশ্বকে ইরান এই ম্যাসেজ দিয়েছে।
এই ছোট্ট ক্লিপে এরা 'এপস্টিন' প্রসঙ্গও নিয়ে এসেছে:
'বাঞ্চো...নেতানিয়াহু'-এর পক্ষে ইসরাইল ইউনিসেফের কাছে বিচার দিয়ে চিঠি লিখেছে:
অথচ ইসরাইল-আমেরিকা মিলে প্রথমেই ইরানে মেরে ফেলল, স্কুলে, ১৬৫ জন শিশু:
ইরানিরা কেবল খেলার মাঠেই স্কুলের শহীদ বাচ্চাদের স্কুলব্যাগ জাপটে ধরে রাখেনি:
ইরান, তারা তাদের শহীদ একেকটা বাচ্চার নাম মিসাইলে লিখে দ্রোহের আগুন ছুড়েছে।
জঙ্গলে জঙ্গলের আইন!:
আমরা হলে গভীর দুঃখে মাথা-গা দুলিয়ে রবীন্দ্র-সঙ্গীত গাইতাম, গভীর দরদ দিয়ে।
বা আমাদের দেশের মৌলভি সাহেবরা বাংলাদেশের ইসরাইলি দূতাবাস ঘেরাও করার জন্য একটা কঠিন কর্মসূচি দিতেন। আমাদের দেশে এদের দূতাবাস আছে কি নাই এই তথ্য জানার বা জ্ঞান অর্জনের তকলিফে এরা আর যাননি!
ইসরাইলের এই মুখপাত্র বিচার দিচ্ছে! আহারে, আমিও এই গ্রহের সন্তান—তো ওভাবে চিন্তা করলে এ আমার কাছেও বিচার দিচ্ছে:
আহা, আমাদের কাছে না-বলে তোমার বাপ নেতানিয়াহুকে জিজ্ঞেস করো না কেন, বাপু!
এরা কী পরিমাণ হিংস্র—পার্লামেন্টে খোলাখুলে বলছে, গাযার শিশুদেরকেও হত্যা করা ঠিক আছে:
নেতানিয়াহু ভুলে গেছে সেই মায়ের আর্তনাদ, অভিশাপ! কেমন করে তার বাচ্চা অভুক্ত, রোজারত অবস্থায় মারা গেছে:
সেই এতিম সন্তান, যার হাতে রয়ে গেছে কেবল বাপের জুতা:
এই বিশ্ব 'ফারিস' নামের বালকের কথা ভুলে গেছে! যে একাই দাঁড়িয়েছিল ট্যাংকের সামনে!
১৯৪৭ সালে জুইশরা রিফিউজি হয়ে এসেছিল:
মানব-সভ্যতাকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য কী করেনি, এই রিফিউজিরা!:
ফিলিস্তানিরা নিজেদের বাড়ি হারিয়ে এখন নিজেরাই রিফিউজি হয়ে গেছে:
নিজের দোকান নিজের না:
পৃথিবীতে এদের মত হিংস্র জাতি নেই সম্ভবত। ফিলিস্তানিদের বাড়িঘরের উপর নর্দমার পানি নিক্ষেপ করছে!
ভাবা যায়, 'বাঞ্চো...নেতানিয়াহু' সিরিয়াতে ফসলের জমিতে বিমানে করে ক্যামিকেল স্প্রে করে ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে!
এরা যে কী পরিমাণ পশু তার একটা নমুনা। ইসরাইলে, কোন প্রকার আত্মসমর্পণের সুযোগ না-দিয়ে ফিলিস্তিনিদের ফাঁসি দেওয়ার জন্য যে আইন করেছে সেখানে এদের মন্ত্রীরা কোটে এই চিহ্ন লাগিয়ে উল্লাস করছে!
আমার ধারণা, ৮৬ বছরের খামেনি শান্ত ভাবে, মুচকি হেসে বিদায় নিয়েছেন:
অজস্র খামেনির জন্য জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন!
ইসরাইল যখন এই গ্রহের নৃশংসতম হত্যাকান্ড চালিয়েছে তখন আমাদের দেশের মোল্লাদের পীর সৌদি শাসক সালমান খুবই আমোদিত হয়েছেন। এখন ট্রাম্প বলছে তার পশ্চাদদেশ চাটার জন্য।
সালমানের উচিত অমায়িক আনন্দে আমাদের দেশের সেইসব ছানাপোনাদের নিয়ে এই কাজ করা।
এ নাকি শায়খ, এ নাকি ডক্টর!
আর এই লোক বলছে, খামেনি জান্নাতে গেলে সে জান্নাতে যাবে না, দোজখে যাবে; প্রয়োজনে জান্নাত বিক্রি করে দেবে। এর দোজখে থাকাটাই উত্তম!
'বাঞ্চো ট্রাম্প' যে কত বড় বাঞ্চো তার নমুনা:
ইরানিদের শের-শায়েরি পৃথিবীখ্যাত কিন্তু এদের রসিকতাও কম যায় না:
'বাঞ্চো ট্রাম্প' দেশে-দেশে ঝামেলা পাকাতে গিয়ে নিজের দেশেই ঝামেলা পাকিয়ে ফেলেছে:
এর নিজ দেশের লোকজনরাই বলছে, এর ইয়ে নাকি ইয়ে:
ওদিকে 'বাঞ্চো নেতানিয়াহু' নিজ দেশে ট্রায়াল ফেস করছে:
'বাঞ্চো নেতানিয়াহু', এর দেশেও শুরু হয়েছে বিক্ষোভ:
নেতানিয়াহুকে স্পেনিশরা লাইভ অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে মিডল-ফিঙ্গার দেখাচ্ছে:
'বাঞ্চো ট্রাম্প' কিউবার শিশুদের কী অবলীলায়ই না মেরে ফেলছে:
যুদ্ধ কত প্রকারে করা যায় এটা ইরান দেখিয়ে দিয়েছে! বাঞ্চো টাম্পের ডান হাত এফবিআইয়ের ডিরেক্টর, কিলিং মেশিন ক্যাশ প্যাটেলকেও হাফপ্যান্ট পরিয়ে নাচিয়েছে:
আহারে জীবন:
বিষাদের সংগে বলি, ইসরাইল-আমেরিকা, এরা এই গ্রহে বসবাসের অনুপযুক্ত! বেচারা এই গ্রহ, এদের ভার সইতে পারছে না!
'বাঞ্চো ট্রাম্প' তার সোস্যাল ট্রুথে জানিয়েছিল, সে একটা সভ্যতাকে থামিয়ে দেবে:
কিন্তু এই বাঞ্চো জানে না ইরান এমন এক জাতি যাকে কেউ দাবায়া রাখতে পারবে না। এরাই পারে পারমানবিক কেন্দ্র বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকির মুখে ঠিক সেখানেই বসে সুর তুলতে:
রাস্তায় নেমে পড়ে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে:
এরাই পারে, সাধারণ মানুষ হাতে-হাত রেখে সিনা টান করে দাঁড়িয়ে যেতে:
৮ এপ্রিল, ২০২৬
অবশেষে 'বাঞ্চো ট্রাম্প' ২০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে, সে জিতেছে:
বিষাদের সঙ্গে এ-ও বলি, অহেতুক একটা সুতাও সরাতে নেই—জায়গার জিনিস জায়গায় রাখতে হয়, নইলে অনর্থ হয়ে যায়! বাঞ্চো ট্রাম্পের জন্মটা আটকে দিলে এই গ্রহের ইতিহাসটা হয়তো অন্য রকম হতো:
তাছাড়া ট্রাম্প-নেতানিয়াহু একই দেশের দুই প্রধান ব্যক্তি! এবং সম্মানিত মানুষ। তাঁদের বেলায় অভিধানের ওই শব্দটা ব্যবহার করা চলে না...।
** এই লেখা অসমাপ্ত। সময়ে-সময়ে লেখা-ছবি-ভিডিও ক্লিপ যোগ হবে।









No comments:
Post a Comment
আপনার যে কোন মত জানাতে পারেন নিঃসঙ্কোচে, আপনি প্রাসঙ্গিক মনে করলে।