সাংসদ হান্নান মাসউদ পুর্বে টিউশনি করে মাসে ৭০-৮০ হাজার টাকা আয় করতেন!
এই দেশে অতি চৌকশ ব্যতীত, বিশেষ করে ইংরেজি শিক্ষক ব্যতীত কয়জন মাসে-মাসে নিজে পড়ে, অন্যকে পড়িয়ে এই টাকা উপার্জন করতে পারে এ এক বিস্ময়। এমন টিউশনি আমি নিজেও করতে চাই।
আর মাশাল্লা, হান্নান মাসউদের যে ইংরেজি বাচন-জ্ঞান তা অভূতপূর্ব!
মানুষের দেশের বাড়িতে একটা পুকুরই সামলাতে হিমশিম খেতে হয়।
আর হান্নান মাসউদের দেড় একর একক বাড়ির মধ্যে এখন পুকুরই আছে তিন-তিনটা!
অথচ ৫ আগস্টের পর-পরই আমরা শুনেছিলাম গ্রামের সবচেয়ে ভাঙা ঘরটা হান্নান মাসউদদের!
জুলাইয়ে যারা আহত হয়েছিলেন তাঁদেরকে সরকারের তরফ থেকে জাতীয় সংসদে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এটা একটা অসাধারণ কাজ হয়েছে:
সংসদে হান্নান মাসউদের এঁদেরকে দেখে আনন্দিত হওয়ার কথা কিন্তু তিনি যে তর্জনী দিয়ে এদের শাসাচ্ছেন মনে হচ্ছে এ এক অশ্লীল তর্জনী!
তা হান্নান মাসউদ কেন ক্ষেপে গেলেন?
ওহো, এই তাহলে কাহিনী!
মাসউদরা চাচ্ছে এঁরা সর্বদা রাজপথেই থাকুক। 'এই রাজুতে আয়', বলা মাত্র যেন চলে আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া পরে এঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন, মমতা দেখিয়েছেন। গুড জব, প্রাইম মিনিস্টার!

No comments:
Post a Comment
আপনার যে কোন মত জানাতে পারেন নিঃসঙ্কোচে, আপনি প্রাসঙ্গিক মনে করলে।