তিনি যে বিরাট জমিদার ঘরাণার তা আমরা জানতে পারি তখন, যখন বিমান থেকে নেমে শতাধিক গাড়ি নিয়ে শোডাউন করলেন:
এটার পরে ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে গাড়িগুলো সারজিসের শুভাকাঙ্ক্ষীরা দিয়েছেন। ভাল-ভাল! আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষীরা চারচাকার গাড়ি দূরের কথা তিনচাকার একটা রিকশাও তো ধার দেয় না! হয়তো এটাও একটা কারণ হতে পারে আমরা 'জমিদার ভংশের' কেউ না।
সারজিস আবার গলা বড় করে বললেন, ৫ কোটি টাকা নির্বাচনে খরচ হলে তার পরিবার এটা দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। আহা, জমিদার বংশ বলে কথা! তা, এই জমিদার পরিবারের ট্যাক্স-ফাইল দেখাটা অতি আবশ্যক।
এখানে আবার আরেক ঝামেলা:
এ আবার বলছে, এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি পর্যন্ত ৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে—একটা মধ্যবিত্ত প্রিবারের জন্য বিষয় না!
যাই হোক, আমাদের এই নেতা সারজিস আলম ফ্রম জমিদার ফ্যামেলি, শেখ মুজিবর রহমানকে নিয়ে বাংলা-সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলছেন:
আবার এই জমিদার বংশের লোক, এই সারজিস আলমই 'আমার বঙ্গবন্ধু-আমার বঙ্গবন্ধু' বলে মুখে এমন ফেনা তুলেছেন মনে হচ্ছে মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়েছেন:
আচ্ছা, ধরে নিলাম, এই জমিদার-সন্তান বিশ্ববিদ্যালয় হলের একটা সিট পাওয়ার জন্য আওয়ামীলীগ করেছেন। কারণ ওইসময় জমিদার প্রথা বিলুপ্ত হওয়ায় সময়টা ভাল যাচ্ছিল না। পরে সুযোগ বুঝে সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে 'দিরং' না-করে জামাতের কোলে উঠে বসলেন ।
মব-সর্দার ইউনূস প্রথমেই বলে বসলেন আমাকে চাকরি দিয়েছে ছাত্ররা, ব্যস! এরপর ছাত্ররা সেই যে মাথায় উঠে বসল নির্বাচনের আগে নামার আর নামই নিল না।
সারজিস আলমের বক্তব্য একটু শোনা যাক:
কী সুন্দর করে বলছেন! এদের যা মনে এসেছে, যা-খুশী তাই করেছে—যেন দেশটা কেবলই এদের বাপ-দাদার!
এই জমিদারের পোষ্যপুত্র দরিদ্র একটা বাচ্চাকে কেমন করে উপেক্ষা করে সামান্য একটা ডুগডুগির জন্য। এমন ডুগডুগি শাহবাগে ১০০ টাকায় পাওয়া যায়।
এরা নাকি দেশের পরির্বতন করবে! কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে, আহা...!
No comments:
Post a Comment
আপনার যে কোন মত জানাতে পারেন নিঃসঙ্কোচে, আপনি প্রাসঙ্গিক মনে করলে।