বলা হয়ে থাকে 'রূপলাল হাউজ' পূর্বে এমন ছিল। চোখ কপালে উঠার মত একটা স্থাপনা! 'গানাবাজানা', নাচানাচি, হাউকাউ তখন তো হরদম লেগেই থাকত। এখনও হাউকাউ লেগে থাকে তবে পিয়াজ-মরিচ-রসুনের দরদামে!
আহা, এটা একটা কী অসাধারণ দর্শনীয় স্থান হতে পারত অন্তত বিদেশী দর্শনার্থীদের কাছে। হায়, একটা জাতি কেবল অর্থ-সম্পদেই দরিদ্র হয় না, মননেও!
ভাবা যায়! এমন একটা অসাধারণ স্থাপনা ঘুরে দেখা যাবে না, হাত দিয়ে ছোঁয়া যাবে না—আমি আমার পূর্বপূরুষের হাড় বুকে জাপটে ধরতে পারব না! ওরে, আমাদের সেনাবাহিনী দুম করে গুলি করে বসল, তখন? একটাই প্রাণ—একবার মরলে তো আর বাঁচব না।
ওরি আল্লাহ, আবার দেখি ভবনের ছবি তোলাও নিষেধ! এমনিতে কোন ভবনের ছবি তুললে সেটা হুড়মুড় করে দাঁড়ানো থেকে বসে গেছে বা লম্বা হয়ে শুয়ে পড়েছে এমনটা তো দেখিনি, শুনিনি! কে জানে, হতেও পারে এমনটা, বঙ্গালদেশ বলে কথা!
এমনিতে আমি ভয়ে-ভয়ে আছি! ছবি তুলে এই যে অপরাধটা করলুম তখন তো ওরা আমার নাগাল পায়নি এখন কী এই অপরাধে আমার বাসস্থান লক্ষ করে কামান দাগবে?
তো, মগজ-মননে দরিদ্র একটা জাতির অহংকার 'রূপলাল হাউজ' এমন করেই 'জামাল হাউজ' হয়ে যায়!






No comments:
Post a Comment
আপনার যে কোন মত জানাতে পারেন নিঃসঙ্কোচে, আপনি প্রাসঙ্গিক মনে করলে।