হাইওয়েতে লক্ষ-লক্ষ টেসলা নামের যে গাড়িগুলো চলে এটার একটা ছোট্ট নমুনা। এগুলো নাকি নিষিদ্ধ! বিভিন্ন পাজি দেশ সরকারের চোখে ধুলো দিয়ে সাবমেরিন করে এগুলো পুশ-ইন করেছে আমাদের দেশে। নইলে কিন্তু সরকার বাহাদুর পাকড়াও করে ফেলতেন।
অবৈধ বালু উত্তোলন করে রাস্তা কেটে মোটা-মোটা পাইপ নিয়ে যাবে। সাধারণ-কেউ প্রতিবাদ করলে তার 'ফর্টিন্থ জেনারেশন' উদ্ধার করবে।
'ভাইরাল' না-হওয়া পর্যন্ত কারও চোখে পড়বে না! তখন পেছনে হাত বেধে (সম্ভবত হাতকড়া লাগানো) বালুখেকো মো, বিলাল হোসেন সুন্দর-সুন্দর কথা বলবে!
স্রেফ ভঙ্গিটা দেখুন! কেবল কান ধরে উঠবস না; কী নির্বিকার ভঙ্গিতে, কী নিখুঁত নিশানায় এ লাথি মারছে, চড় মারছে! পুলিশ দাঁড়িয়ে কী তামাশাই না দেখছে!
এমন সত্যবাদি পুলিশ আপনি জগতে কোথাও পাবেন না যিনি ইউনিফর্ম পরে বলছেন, এটা পরেছেনই ঘুষ খাওয়ার জন্য!
সন্ত্রাসীর সামনে পুলিশ বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে কিন্তু রাজার সামনে প্রজা ওরফে পুলিশ যে প্যান্টে একটু ইয়ে করে দেবে এ আর বিচিত্র কী! তাও আবার সে 'মোহাম্মদপুরের রাজা'! এই তোরা বাজনা বাজা!
এমন নির্মাণকাজ পৃথিবীর কোথাও আপনি খুঁজে পাবেন না! এটা একেবারেই আমাদের নিজস্ব টেকনলজি!
যে মানুষটা ৮০০ কোটি মানুষ নিয়ে মাথা ঘামায় তাকে আমি চিনি না—আমি নিজেকে আর মানুষ বলে দাবী করতে পারছি না!
তাকে স্যার না-বলে ভাই ডাকা হলো এ নিয়ে তিনি সংক্ষুব্ধ! কেন ভাই ডাকা? আহা, তাকে চুতিয়া ডাকলেও তিনি র মেনে নিতেন কিন্তু তাই বলে ভাই! হলি কাউ-পবিত্র গরু!
এই চিত্র-বিচিত্র দেশে খাটের নীচে থেকে কেবল তেলের খনিই উদ্ধার হয় না!
আস্ত অটোরিকশাও পাওয়া যায়!
এই বিচিত্র দেশে এই সমস্ত 'মহিলা চুতিয়ার' কাছ থেকে আমাদের শিখতে হয় কঠিন ধর্মীয় অনুশাসন!
যথারীতি পাশে বিরাট মাওলানা সাহেব!
পাগলাগারদ থেকে ছাড়া পেয়ে এই পাগলরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে! আটকাবার কেউ নেই!
আবার মেজর আখতার নামের এই মানুষটার প্রয়োজন ছিল চিকিৎসার অথচ সরকার নিয়ে গেল জেলখানায়!
পৃথিবীর একেক দেশে একেক নিয়ম! আমেরিকায় একজন নোবেল লরিয়েটকে ৪০ পারসেন্ট ট্যাক্স দিয়ে হয়।
তাই অধিকাংশ নোবেল লরিয়েট চ্যারেটিতে দিয়ে দেন, দান করে দেন। পৃথিবীতে কোথাও কোনও নোবেল লরিয়েট ট্যাক্স না-দেওয়ার জন্য ইতরের মত আচরণ করেছেন এমন উদাহরণ নেই। ব্যতিক্রম আমাদের দেশ!
আমাদের দেশে সেসময় ট্যাক্স দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, প্র, ইউনূস ট্যাক্স দিতে মোটেও রাজি ছিলেন না! এই নিয়ে আকাশ-জমিন এক করে ফেলেছিলেন!
এমন দেশেই সম্ভব ২৫০ শয্যার হাসপাতালে জরুরি বিভাগে একজন ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া। ক্যানোলা কেন করল না এই কারণে তাকে আবার পেটাতে যাওয়া!
মহা বিজ্ঞানী আব্বাসী, যে আবিষ্কার করেছে, গুইসাপ বাঁচে ৭৫০ বছর—যার ব্রেনের ওজন ৬০ গ্রাম [১]! এই গবেষণা আর কেউ করতে পারেনি! সেই লোক জাতীয় সংগীত পরিবর্তন চাইছে এই যুক্তিতে—জাতীয় সংগীতের কথায় নাকি আকাশ-বাতাস আছে।
এইসব 'শিরকি কথা' নাকি হচ্ছে!
এমন একটা দেশ যেখানে কোটি-কোটি টাকা ব্যয় করে একজন মানুষের জন্য 'সোয়া জন' মানুষ পরামর্শ দেয়!
মানে ৩০০ জন মানুষের জন্য ৪৭৩ জন পরামর্শক!
এ এমন একটা দেশ যেখানে বিমানমন্ত্রী এম রশীদুজ্জামান মিল্লাত, যাত্রী নামার পর ৯ মিনিটে কনভেয়ার বেল্টে আন্তর্জাতিক লাগেজ হাজির করেন!
এটা বিরল! পৃথিবীর অন্য নামকরা এয়ারপোর্টের লোকজনেরা কেমন করে ৯ মিনিটে লাগেজ দেওয়া যায় এটা শেখার জন্য স্মাদের দেসগে আসছে, দলে-দলে প্লেনে চেপে। অনেকে জায়গা না-পেয়ে প্লেনে দাঁড়িয়েও আসছে!
এই বিরল মন্ত্রী আবার আমাদেরকে খানিকটা বকাও দেন যে আমরা এতো অস্থির কেন—নামার সঙ্গে-সঙ্গে শূন্য মিনিটে লাগেজ দাবী করি! আপনারাই বলুন, আমরা এতো অস্থির কেন?
গোটা মিল্কিওয়েতেও এমন গ্রহ নাই যেখানে এমন পীরের জন্ম হয় যে কিনা কেয়ামতের ময়দানে বড়-বড় জাহাজ নিয়ে হাজির হবে। অবশ্য ওটা কি 'পানির জাহাজ' নাকি 'হাওয়াই জাহাজ' সেটা এখনও স্থির হয়নি!
এই গ্রহে এত দেশ কিন্তু খলিফা আবু বকরকে ছাড়িয়ে যান কেবল এক বঙ্গাল!
ভাবা যায়, এরা ৩ মিনিট বাতাস আটকে রাখলে পেছন দিয়ে বাতাস বেরিয়ে যায় আর এরা ঠিক করে দিচ্ছেন কে আগে জান্নাতে যাবে!
আমাদের দেশের যুবনেতা! 'ডন টু ডাস্ক'—সকাল থেকে সন্ধ্যা দেশ ও জাতির জন্য প্রায় না-খেয়ে থাকে!
আহারে-আহারে, অথচ এই মানুষটাই বাসের সঙ্গে দৌড়ে বাসকে পিছু ফেলে দেয়!
একটা বিজ্ঞান-বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভিসি। বলছেন, তার গায়ের যে ব্লেজার বা কোটটা, এটা ৫০ হাজার বছর আগেই নির্ধারিত!
এই যে আরেক ভিসি! ঘাতক সরি, টাইপিং মিস্টেক—গাতক।
গান শুনে ইয়ে ভিজে গেল!
আমাদের দেশের আইনের শিক্ষার্থী! তিনি এটা-সেটা, ইসিজি মেশিন ভাঙ্গার পরও বলেন, 'আমি তেমন কিছুই করিনি'!
আইন ভাঙ্গা বলতে তিনি সম্ভবত খুন করা বুঝিয়েছেন!
'দিন-দাহাড়ে'—দিন দুপুরে যেভাবে আসামী প্রিজন ভ্যান থেকে গটগট করে হেঁটে যায় দেলওয়ার জাহান ঝন্টু গাঁজাখুরি বাংলা সিনেমায় এমন দৃশ্য সংযোজন করতে অস্বীকার করেন!
জিন্দা অলির দেশ! রাত সাড়ে তিনটায় ছোট-ছোট বাচ্চাদেরকে উঠিয়ে দেয়!
আর রাজনীতিবিদদের কথা বলে শেষ করা যাবে না!
সবাই মিলে যেভাবে ঝাড়ু দেন পেশাদার ঝাড়ুদাররা একেবারে কেন্দে দেয়!
নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এরা বিএনপির পক্ষের লোক। এদের আগাম মৃত্যুতে প্রতিবাদ জানাই কারণ এঁরা 'বিএনপি'র মিছিল' করে যেতে পারলেন না।
সূত্র:
১. মহা বিজ্ঞানী আব্বাসী: https://www.ali-mahmed.com/2026/10/blog-post_12.html?m=1


No comments:
Post a Comment
আপনার যে কোন মত জানাতে পারেন নিঃসঙ্কোচে, আপনি প্রাসঙ্গিক মনে করলে।